| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
আহ্মদিয়া একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়। যার এর প্রতিষ্ঠাতা মির্যা গোলাম আহ্মেদ কাদিয়ান। ইসলামের আসল পথ থেকে বিচ্যুত মুসলমানদের সঠিক পথের সন্ধান দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় আহ্মদিয়া আন্দোলনের। পরবর্তীতে আহ্মদিয়ারা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পরে লাহোর আহ্মদিয়া আন্দোলন ,আহ্মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায় নামে। লাহোর আহ্মদিয়া আন্দোলন মনে করে আহ্মদিয়া জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মির্যা গোলাম আহ্মেদ একজন মুজাদ্দিদ (সংস্কারক), প্রতিশ্রুত মসীহ্, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু খ্রিস্ট হিসাবে। তারা কায়মনো বাক্যে স্বীকার করে যে মুহাম্মদ(সঃ)সর্বশেষ নবী। অপরদিকে আহ্মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায় এর মতে মির্যা গোলাম আহ্মেদ একজন মুজাদ্দিদ (সংস্কারক), প্রতিশ্রুত মসীহ্, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু পাশাপাশি মুহাম্মদ(সঃ)এর প্রদর্শিত পথে পাঠানো একজন নবী। তাদের মতে নবুয়াতের সমাপ্তি মানে আর কোন নতুন নবী আসতে পারবেননা তা নয়, নতুন নবী আসতে পারবেন তবে তা অবশ্যই হতে হবে মুহাম্মদ(সঃ) যে পথ-প্রদর্শন করে গেছেন সেই পথে কিন্ত্ত কখনই নতুন কোন মতবাদ নিয়ে নয়।
বিশ্বাসঃঃ ![]()
![]()
আহ্মদিয়া মুসলিম জামাত রা বিশ্বাস করে যে আল্লাহ্ যীশুকে সশরীরে (জ়ীবন্ত অবস্থায়) বেহেস্তে তুলে নিয়ে যান্নি।তিনি এই পৃথিবীতেই স্বাভাবিক মৃত্যবরণ করেছেন এবং মৃত্যুর পর বেহেস্তবাসি হয়েছেন। যীশুর আগমন হবে এবং তা হবে মুহাম্মদ(সঃ)এর উম্মতদের মধ্য থেকে।কেননা যদি ইসলাম ধর্মকে পুনর্গঠনের জন্য বেহেস্ত হতে যীশুকেই পাঠাতে হয় তাহলে মুসলমানরা কি ভূমিকা পালন করবে? যীশুর দায়িত্ব পালন করার জন্য তাই মুসলমানদের মধ্য থেকে উঠে আসবেন কেউ,যিনি ইসলাম ধর্মের পুনর্গঠনের জন্য কাজ করবেন।আর ইনি হলেন মির্যা গোলাম আহ্মেদ।
ইতিহাসঃঃ ![]()
১৯'শ শতকের শেষের দিকে মির্যা গোলাম আহ্মেদ নিজেকে একজন সংস্কারক,প্রতিশ্রুত মসীহ্,ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু খ্রিস্ট হিসাবে দাবী করেন।তিনি বলেন যে তার আগমন হয়েছে ইসলাম কে তার আসল অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে।তাই তিনি প্রতিঠা করেন আহ্মদিয়া মুসলিম জামাতের।
বর্তমান অবস্থাঃ ![]()
মতভেদের পার্থক্য এবং বেশিরভাগ লোকের আহ্মদিয়া সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আহ্মদিয়াদের জন্য ইসলাম ধর্ম প্রচার অত্যন্ত কষ্টকর। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান সরকার আহ্মদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা করে। পাকিস্তানের মত বাংলাদেশ একটি অংশ থেকে আহ্মদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা করার জন্য আন্দোলন হতে থাকে। সংখ্যা লঘিষ্ট আহ্মদিয়ারা বিভিন্ন রকমের আক্রমনের শিকার হয় বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান সহ পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে। সাধারণের মধ্যে একটি ধারনাই ছড়িয়ে দেয়া হয় যে আহ্মদিয়ারা মুহাম্মদ(সঃ) কে শেষ নবী বলে স্বীকার করেনা, তাদের কলেমা ভিন্ন। যদিও তা অনেকাংশেই অন্ধবিশ্বাসের কারণে হচ্ছে।
মূলধারার মুসলিমদের দৃষ্টিভঙ্গিঃ
বেশিরভাগ মূলধারার মুসলমানরা মনে করে যে আহ্মদিয়ারা মুহাম্মদ(সঃ) কে শেষ নবী বলে স্বীকার করেনা। যদিও লাহোর আহ্মদিয়া আন্দোলন এর ভাষ্যমতে এরকম মনে করা সম্পুর্ণ আযৌক্তিক। কারণ তারা মির্যা গোলাম আহ্মদকে নবী বলে মনে করেনা, মনে করে একজন প্রতিশ্রুত মসীহ্(সংস্কারক)হিসাবে। আহ্মদিয়া সম্প্রদায় এর দুটি ভাগই মির্যা গোলাম আহ্মদকে মসীহ্(সংস্কারক),ইমাম মাহাদি, প্রত্যাবর্তনকারী যীশু মনে করে থাকে। কিন্তু মুলধারার মুসলিমরা এটা মানতে নারায। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানি সরকার আহ্মদিয়াদের অমুসলিম হিসাবে ঘোষণা করে।
মূলধারার মুস্লিমদের সাথে পার্থক্য সমূহ ঃ
আহ্মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায় মনে করেঃ
১। যীশু কুমারী মেরির গর্ভেই জন্ম গ্রহন করেছেন এবং তিনি ক্রশ বিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেননি। বরঞ্চ তিনি পূর্ব ইন্ডিয়ায় চলে আসেন ঈসরাঈলের একটি হারানো গোত্র কে খুঁজতে। যীশু এই পৃথিবীতেই ছিলেন এবং এখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছে কাশ্মীরের "উয আসাফ" এ।
২। যীশু খ্রিস্টর/ হযরত ঈসা (আঃ) দ্বিতীয় আগমন কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। যাকিনা মির্যা গোলাম আহ্মেদ এর আগমন এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ হয়েছে।
[পাঠক সমীপেঃ ভুল হলে ধরিয়ে দেয়ার অনুরোধ করা গেল]
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
কঠিন চিজ বলেছেন: হুমমমম করতে থাকেন।
২|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
আশিক১১৪ বলেছেন: কিসের মধ্যে কি পানতা ভাতে ঘি
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
কঠিন চিজ বলেছেন: হুমমমম ঘি অনেক দামি জিনিস। হা হা হা
৩|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
লাল সাগর বলেছেন: হুম
অনেক জ্ঞান লব্ধ হইলো।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
কঠিন চিজ বলেছেন: ধন্যবাদ
৪|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১০
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: ভাই এইসব জানি। মূলধারার মুসলিম বলতে যদি আপনি বাঙলাদেশের সুন্নিদের বোঝান তবে ভূল করবেন। সনাতন ধর্মগুলিতে যেমন শ্রেণিবিভাগ আছে যথা ব্রাহ্মন, বৈশ্য, শূদ্র, ক্ষত্রিয় কিংবা খ্রিস্টানদের মধ্যে ক্যাথলিক, প্রটেস্টান পিওরিটান তেমনি ইসলাম ধর্মেও শিয়া, সুন্নি, খারেজি, কাদিয়ানি এইসব, এরা কেউ একজন আরেকজনকে মুসলমান মনে করে না। এইখানে প্রশ্ন হচ্ছে সংখ্যাগরিষ্ঠতার। দেশে যদি কাদিয়ানি সংখ্যাগরিষ্ঠ হতো তবে সুন্নিদের অমুসলিম ঘোষণা করতো। যা এখন সুন্নিরা করেছে। আর মাযহাব এবং দার্শনিক সম্প্রদায় সম্পর্কেতো জানেন? হানাফি হাম্বালি ইত্যাদি এবং কাদেরিয়া জাব্বারিয়া মুতাযিলা আশারিয়া সবই পরস্পর বিরোধ।
পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১২
কঠিন চিজ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে কেঊ যদি আল্লাহর কোরানের কোন আয়াত এবং রাসুলের নির্দেশ আমান্য করে তবে সে কিন্তু আর মুস্লিম থাকে না। কারন কোরানের একাধিক জায়গায় স্পষ্টভাবে বলা আছে " আল্লাহ এবং তার রাসুল কে মান্য কর।" যা কিনা ফরজ।
৫|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৫
ফারা তন্বী বলেছেন: বুঝিনা আমি এসব, মূর্খ মানুষ।![]()
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
কঠিন চিজ বলেছেন: মূর্খ থাকলে ঠকে জাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৬|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২২
হা...হা...হা... বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেল।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
কঠিন চিজ বলেছেন: ধন্যবাদ ।
৭|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪১
েরজাউল ফারুক বলেছেন: প্রথমে ভাবলাম কাদিয়ানীদের স্বরুপ উন্মোচন করে কোন লেখা হবে। পরে দেখি লেখক নিজেই কাদিয়ানীদের পক্ষে প্রচারনা চালাচ্ছেন। ভাল, খুব ভাল.....
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
কঠিন চিজ বলেছেন: কথাটা ঠিক না। পোষ্টটা ভাল করে পরুন।
৮|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
লাল সাগর বলেছেন: @ রেজাওল ফারুকঃ আপনি মনে হই লেখক কে ভুল বুঝেছেন। তিনি পক্ষে বিপক্ষে কিছু বলেছেন বলে মনে হইয় না। বরং কাদিয়ানি রা যে কোরানের বিপক্ষে কথা বলছেন তা এই লেখার শেষ অংশ (মূলধারার মুস্লিমদের সাথে পার্থক্য সমূহ) থেকে বোঝা যায়।
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
কঠিন চিজ বলেছেন: ঠিকভাবে বুঝার এবং বুঝানোর জন্য ধন্যবাদ।
৯|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৪
স্বপ্নকথক বলেছেন: বাংলাদেশে আহমদিয়াদের বিরুদ্ধে যে আক্রমণের আন্দোলন হয়, তাতে লিডার ছিলেন যে ব্যক্তি, পরবর্তীতে তার প্ররোচনাতেই ভাঙ্গা হয় লালন ভাষ্কর্য।
শুধুমাত্র অস্থিরতা তৈরির প্রচেষ্টা এইসব পাকি দালালদের।
পোস্টে প্লাস।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৮
কঠিন চিজ বলেছেন: হা হা হা। এতো খেইপা যাইয়েন না।
ধন্যবাদ।
১০|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩০
নিউজকাস্টার বলেছেন: গোলাম আহাম্মক তো একের ভেতর তিন ! সে একবার নিজেকে নবী হিসেবে দাবি করেছে, একবার যিশু, আরেকবার মাহদী। আসলে সে এসবের কিছুই না ; আস্ত একটা ভন্ড ও ব্রিটিশদের দালাল।
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২১
কঠিন চিজ বলেছেন: আমার কাছেও ভন্ড মনে হয়। ধন্যবাদ
১১|
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: কাদিয়ান আল মাহদি আল যীশু আল...দাদা রে দেখবার মুন চায়।
হেয় কৈ???
১২|
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৩
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ বলেছেন: পাপী ০০৭ বলেছেন: কাদিয়ান আল মাহদি আল যীশু আল...দাদা রে দেখবার মুন চায়।
হেয় কৈ???
হা হা চে থে প গে...........।
প্লাস।
১১ ই অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১২:২৪
কঠিন চিজ বলেছেন: পলাপ্লাস
১৩|
১৬ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:১৭
শাহ জাহান বলেছেন: বেদআদ(ধর্মনিয়ে নতুন চিন্তা বা কাজ)সব সময় পরিতাজ্য
১৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:৩৭
একাত্তরের রক্ত বলেছেন:
মুসলমানদের অধিকাংশ মতভেদ (সুন্নি-শিয়া-খারেজী বা, অন্য যা আছে) এগুলো সবই দেশ শাসন নীতির মতভেদ থেকে উদ্ভব হয়েছে । মুসলমানদের কোন মতভেদ (আহমাদিয়া বাদে) মূল ধর্মীয় বিষয়ের সাথে সর্ম্পকিত নয় ।
একমাত্র আহমাদিয়াদের সাথে ধর্মীয় বিষয়যুক্ত মতভেদ রয়েছে । আহমাদিয়া মতবাদ এটি কোন দলীলী রেফারেন্স যুক্ত নয় । এটি সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক ডকট্রিন ।
অন্য ধর্মগুলোর নানান সম্প্রদায়ের সাথে মুসলিম সম্প্রদায়ের পার্থক্য হলো : মুসলিম সম্প্রদায়গুলো (আহমাদিয়া বাদে) কোন ধর্মীয় বিষয়ের কারণে বিভক্ত হয়নি ।
১৫|
১৮ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৫০
roket04 বলেছেন: আহ্মদিয়া (কাদিয়ানি) দের পরিচয় টা জানা গেল? কিন্তু ওদের বিশ্বাসগুলো কি ভাল বুঝা গেল না। ওদের কি কি বিষয়ে যেন বয়াত করতে হয়। জানালে ভাল হতো।
১৬|
১৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:৫৫
ইহসান আকসার মাহমুদ বলেছেন: http://www.ahmadiyyabangla.org/ http://www.ahmadiyyabangla.org/ http://www.somewhereinblog.net/blog/roket04
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৮
সাইফুর বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষন