নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চাই ডিজিটাল মুক্তি

আমদের মুক্তি আমদের হাতে,শুধু দরকার সচেতনতা।

টেকনো

সব সময় টেকনোলজি নিয়ে থাকতে ভাল লাগে। নতুন কোন কিছু শিখার খুব আগ্রহ।লিনাক্স নিয়ে কাজ করতে ভাল লাগে। লিনাক্স এর বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউসন সংগ্রহ করা আমার শখ। আমার এখন পর্যন্ত ৬০+ লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউসন সংগ্রহে আছে। অনলাইন এ বন্ধুদের সাথে কথা বলতে ভাল লাগে। আমি এক সপ্নবাজ মানুষ দেখি আমাদের ডিজিটাল স্বাধীনতা।

টেকনো › বিস্তারিত পোস্টঃ

সূর্যগ্রহণ নিয়ে যা নিছকই কুসংস্কার---(আজ ভোর ৭ টা থেকে সুর্য্য গ্রহনকে সামনে রেখে কিছু বিষয় শেয়ারের চেষ্টা)

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫৯

আজ সকাল ৬ টা ৫৮ মিনিট থেকে দেখা যাবে সুর্য গ্রহন। সুর্য গ্রহন নিয়ে সারা পৃথিবিতে প্রচলিত আছে অনেক কুসংস্কার।

আমাদের দেশেও প্রচলিত আছে অনেক কুসংস্কার, এখনো অনেক শিক্ষিত লোক তা বিশ্বাস করেন। আমি একটা লেখা পড়লাম তা সবার সাথে শেয়ার করলাম।

আপানাদের যাদের এর আগে সুর্য্য গ্রহন দেখার অভিজ্ঞতা আছে শেয়ার করতে পারেন কমেন্টে।

(সুর্য্য গ্রহনকে সামনে রেখে আরও কিছু পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে)



***********************************************



সূর্যগ্রহণ পূর্বাহ্নে ঘোষণা করতে না পারায় খ্রিস্টপূর্ব ২১৫৯ অব্দে রাজজ্যোতিষী হি ও হো-কে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়- চীনে এ গল্প বহুল প্রচলিত।



সূর্যগ্রহণ ঘিরে আমাদের সমাজেও নানা কুসংস্কার আছে। গ্রহণের সময় গর্ভবতী মায়েরা কোনও কিছু খেলে সন্তান পেটুক হয়; এ সময় কিছু কাটলে, বিশেষ করে মাছ কাটলে ঠোঁট কাটা, কান কাট বা নাক কাটা সন্তানের জন্ম হয়; এ সময় গাছের ডাল ভাঙলে বা বাঁকানোর চেষ্টা করলে হাত-পা বাঁকানো (পোলিও) সন্তানের জন্ম হয়। গ্রহণের সময় খেতে নেই, তৈরি করা খাবার ফেলে দিতে হয়।



এমনকি গ্রহণ দেখাও নিষেধ অনেকের কাছে। হয়ত রাহু বা ড্রাগনের সূর্যকে গিলে ফেলার ভয়ে, ছায়ালহরীর সাপদের এড়াতেই এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতো। আজকের দিনে আমরা জানি, সূর্য আর পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদ এসে যাওয়ার কারণেই গ্রহণ হয়। তাই ক্ষতিকারক কোনও জীবাণুর জন্ম, কোনও বিশেষ রশ্মির প্রভাব ইত্যাদি অবান্তর।



খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দেরও আগে ব্যাবিলনীয়রা পঞ্জিকা ব্যবহার করত। তারা আবিষ্কার করে, ৬৫৮৫ দিনে বা ১৮ বছর ১১ দিন ও একটি দিনের তিন ভাগের একভাগ দিনের ব্যবধানে সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। সূর্যগ্রহণের এই পর্যায়কালকে 'সারনিক পর্যায়কাল' বা সংক্ষেপে 'সারোস' বলা হয়।



ধারণা করা হয়, ব্যাবিলনীয়দের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে গ্রীক বিজ্ঞানী থ্যালেস সূর্যগ্রহণ সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারতেন।



জ্যোতির্বিদ্যার আদি ইতিহাস থেকে জানা যায়, অ্যারিস্টার্কাস খ্রিস্টপূর্ব ৩১০-৩২০ অব্দে সূর্যকে কেন্দ্রে স্থাপন করে পৃথিবীকে সূর্যের চারিদিকে পরিভ্রমণরত কল্পনা করেন এবং অন্যান্য গ্রহদের বৃত্তাকাল গতিও সূর্যকেন্দ্রিক বলে ধারণা করেন।



কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্লেটো, অ্যারিস্টটল-এর অধ্যাত্মবাদী দর্শন এবং চার্চ-এর আধিপত্যের কারণে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে। মানুষ দীর্ঘদিন জেনে এসেছিল, তাদের প্রিয় আবাস পৃথিবী সৌরজগতের কেন্দ্রস্থলে।



এই চিন্তাধারায় আঘাত করে নিকোলাস কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক বিশ্বের মডেল বা প্রকল্প হাজির করেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি মহাজাগতিক বিভিন্ন ঘটনা, গ্রহের গতি, ক্রান্তিবিন্দুর অয়ন-চলন, ঋতু পরিবর্তনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেন।



পরবর্তী সময়ে টাইকো ব্রাহে, জোহান কেপলার, জিওর্দানো ব্র"নো, গ্যালিলিওসহ বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের নানা আবিষ্কার এবং সংগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় সূর্যকেন্দ্রিক বিশ্ব বা সৌরজগতের ধারণা।



সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের তত্ত্ব সমর্থন ও প্রচার করার জন্য জিওর্দানো ব্র"নো (১৫৪৮-১৬০০)-কে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়, গ্যালিলও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২)-কে নিক্ষেপ করা হয় অন্ধকার কারাগারে।



==========================================

লেখাটির মুল লিঙ্ক



ধন্যবাদ সবাইকে ।



মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০৭

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:



হু!! রাহু সূর্যকে খেয়ে ফেলবে আর আপনি বলেন সূর্য গ্রহন!!!!!!!!!

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০৯

টেকনো বলেছেন: কিভাবে কেমতে খাবে জানতে ইচ্ছা করে ।

২| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১০

আরিফ থেকে আনা বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৩

টেকনো বলেছেন: আমিও জানলাম। কিন্তু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা জানার ইচ্ছা।
এর আগে তো ১৯৯৫ সালে নাকি একবার সুর্য গ্রহন হইছিল। তখন ছোট ছিলাম তাই মনে নাই কিছু।

৩| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২২

নিবিড় অভ্র বলেছেন: হুমমমম......

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৫

টেকনো বলেছেন: হুম হুম ...............

৪| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৪

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: শোনেন তাহলে..............!!!!!!!!!
দেবতারা এক সময় সমুদ্র মন্থন করল। এতে অমৃত আর গরল উঠে এল। এই অমৃত যে পান করবে সেই অমর হবে। এটা দেতাদের আমর করার জন্যই করা হয়েছিল। যেহেতু গরল আছে দেবতারা পান করবে কি ভাবে? ডাক পরল শিবের। তিনি গরল কন্ঠে ধারণ করলেন। তখন থেকে তার নাম হল নীলকন্ঠ। এদিকে এই অম্ৃত পান করার জন্য অসুরেরাও চেষ্টা করল। এর মধ্যেই রাহু ও কেতু নামে দুই আসুর ছদ্মবেশে অমৃত পান করতে এল। তাদের কেউ না চিনলেও সূর্যদেব ঠিকই চিনে ফেলল। ইতিমধ্যে তারা অমৃত কেবল মুখে দিয়েছে। খবর পেয়ে বিষ্ণু তা চক্র দিয়ে রাহু ও কেতুর গালা কেটে ফেলল। কিন্তু অমৃত তাদে মুখ পর্যন্ত যাওয়ায় তাদে গলা পর্যন্ত অমর হল। এর পর রাহু রাগ করে সূর্যকে গিলে ফেলল। এটাই সূর্যগ্রহণ। কেতু গিলেফেললে গ্রহণ শুরু হয় আর গলাদিয়ে বের হবার মধ্যদিয়ে তা শেষ হয়।

কি? জ্ঞান হইছে????????

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৩

টেকনো বলেছেন: ব্যাপক জ্ঞান আহরহন হইল ভাই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
এখনও জ্ঞান পিপাসা রয়ে গেছে, আরও জানবার চাই।

ভাল থাকুন।

৫| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৬

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

এই মাত্র শুভ্র ভাইয়ের একটা ব্যপক পোষ্ট দেখলাম। পইড়েন আরও জ্ঞান আইব।
Click This Link

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

টেকনো বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনি তো দেখি তরিৎ উত্ত্র দেন।ভাল লাগলো ব্যাপক কুসংস্কার জানতে পারলাম।

৬| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৬

মুক্ত বয়ান বলেছেন: নতুনের কাহিনীডা জুস!!! :) :)

তয়, একটা কথা মনে হয় ঠিক, সূর্যগ্রহণের সময় কিছু খাওয়া কিংবা রান্না করা উচিত না। এসময় সূর্য থেকে নির্গত নিয়মিত রশ্মির কিছুটা তারতম্যের কারণে কিছু ক্ষতিকারক রশ্মির আধিক্য হয়, ফলে সেটা শারীরিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
আমি বিস্তারিত জানি না। কোন এক ডাক্তারের কাছে শুনেছিলাম। :) :)

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

টেকনো বলেছেন: বিস্তারিত জানবার চাই।

৭| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৩

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

@মুক্ত বয়ান
ডাক্তার ঠিক বলেননি। সূর্যগ্রহনের কোন ক্ষতিকারক প্রভাব নেই।

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫০

টেকনো বলেছেন: হুম
জানলাম বুজলাম।
কিন্তু প্রমান কই।

৮| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

মুক্ত বয়ান বলেছেন: @নতুন
হইতারে.. হেরা তো কত কথাই কয়!! কোনোডাই শিওর না!! তয়, খালি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ঠিকানাই ঠিক মত কইতারে!!!! ;) ;)
আপনেরে ধইন্যা। :)

২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫১

টেকনো বলেছেন: হা হা হা
মজার কথা কইছেন।
আমার তো মনে হয় নিজের নাম ভুলে গেলেও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নাম ভুলে না।
:)

৯| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: প্রমান কিছুই না...........!!!!!!! সূর্য ছাড়া রাতে আমাদের অভ্যাস তো আছেই নাকি? ক্ষতি হলে তো গোধুলিতে বা রাতেও হবার কথা। তবে পশু পাখিদের আচরন স্বাভবিক হয়। কারণ তারা তো বুঝে না গ্রহণ, তার মনে করে হঠাঁৎ করে ই রাত লাগছে। তাই ঘরে ফিরতে চায়।

২২ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২৫

টেকনো বলেছেন: হুম
ঠিক বলছেন।

এই ব্যতিক্রমই তো দেখার বিষয়।

১০| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩১

নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

দেখুন , বৈজ্ঞানিক ভাবে বিশ্লেষণ করুন, সমাজকে কুসংস্কার মুক্ত করুন।

২২ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩

টেকনো বলেছেন: হুম , তাই তো করার চেষ্টাতে আছি।
কোন গুলা কুসংস্কার তা জানলে মানুষ বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ
জানতে আগ্রহী হবে।

আরেকটা পোস্ট দিছি, দেখছেন নাকি??

১১| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮

রাগিব বলেছেন: কলম্বাস গেছিলো তার দ্বিতীয় অভিযানে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো এক দ্বীপে হাজির হলো ঝড়ের মৌসুম পার করার মতলবে। কিন্তু স্থানীয় লোক জন ঘাউড়া গোছের, কলম্বাসের দলবলকে খাবার পানীয় দেয় না। কলম্বাসের কাছে পঞ্জিকা ছিলো, সেটাতে দেখে নিলো সূর্যগ্রহনের দিন। তার পর এলাকার লোকজনকে ভয় দেখালো, খাবার না দিলে সূর্য গায়েব করে দেবে।

হলোও তাই। স্থানীয় ক্যারিব জাতির লোকেরা তার পর ভয় পেয়ে খাবার নিয়ে হাজির।

--

অ্যান্টিকাইথেরা মেকানিজম নামের ২ হাজার বছরের পুরানো কম্পিউটারের উপরে পড়েছিলাম। ওটা দিয়ে সূর্যগ্রহনের দিন ক্ষণ হিসাব করা যেতো। ঐটা নাকি তখনকার সরকারে ব্যবহার করতো অনেকটা কৌশলগত অস্ত্র হিসাবে ... গ্রহণের দিন তারিখ আগে জেনে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখাতো।

২২ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩

টেকনো বলেছেন: রাগিব আপনি আমার ব্লগ এ আসছেন এইটা আমাকে অনেক খুশি করছে।
আর কমেন্ট করে তো আমারে খুশির জোয়ারে ফেলে দিলেন।

নুতন আরও জ্ঞান যোগ হইল।
ভাল থাকুন।

১২| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০৯

ফিরোজ-২ বলেছেন: নুতন জ্ঞান যোগ হইল।
ভাল থাকুন।

২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

টেকনো বলেছেন: ভাল থাকুন

১৩| ২২ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

পাপী বলেছেন: সূর্য গ্রহণের সময় ঘুমাইলে কি হয়?+

২২ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

টেকনো বলেছেন: তাহলে গ্রহন দেখা মিস করতে হয়। ;)

১৪| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৩:০৯

হ্যালথ বলেছেন: ভালো লাগলো তবে এগুলো কি মানতে হবে ? সূর্যগ্রহণ ঘিরে আমাদের সমাজেও নানা কুসংস্কার আছে। গ্রহণের সময় গর্ভবতী মায়েরা কোনও কিছু খেলে সন্তান পেটুক হয়; এ সময় কিছু কাটলে, বিশেষ করে মাছ কাটলে ঠোঁট কাটা, কান কাট বা নাক কাটা সন্তানের জন্ম হয়; এ সময় গাছের ডাল ভাঙলে বা বাঁকানোর চেষ্টা করলে হাত-পা বাঁকানো (পোলিও) সন্তানের জন্ম হয়। গ্রহণের সময় খেতে নেই, তৈরি করা খাবার ফেলে দিতে হয়। এটা আমার বুঝে আসে না। বিষয় টা আরো ক্লিয়ার ভাবে বললে খুশি হবো।ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.