নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ত্যজ বাঙালী, আতরাফ মুসলমান ...

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

ইমন জুবায়ের

জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]

ইমন জুবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

চট্টগ্রাম শব্দের উৎপত্তি

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫২

চট্টগ্রামের পুরনো নাম ছিল হরিকেল।

আর সেই হরিকেল রাজ্যের পুবে ছিল যে রাজ্যটি সেই রাজ্যের নাম ছিল আরাকান । এই আরাকান রাজ্যেরই প্রাচীন নাম ছিল “রাখাইনপিয়ে”। হ্যাঁ, আপনারা যে রাখাইন শব্দটির সঙ্গে কমবেশি পরিচিত সেই শব্দের উৎপত্তির মূলে ওই রাখাইনপিয়ে। আর আপনারা যে রাখাইন সম্প্রদায়ের নাম জানেন তাদের পূর্ব পুরুষের নিবাস ছিল ওই রাখাইনপিয়ে রাজ্যে।

তো, এবার বলি ৯৩০ খ্রিস্টাব্দ কী ঘটল।

সমগ্র ইতিহাসজুড়েই তো দেখি, কথায় কথায় যুদ্ধ বাধে। তেমনি কী কারণে রাখাইনপিয়ে রাজ্যের আরাকানী সৈন্যরা হরিকেল রাজ্য-মানে বর্তমান চট্টগ্রাম আক্রমন করে বসল । তখন আরাকানের রাজা ছিলেন সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া। যুদ্ধের নেতৃত্ব তিনিই দিয়েছিলেন সম্ভবত। সময়টা দশম শতাব্দী। তখন তো তেমনি হত। রাজারা স্বয়ং হাতির পিঠে চড়ে যুদ্ধের ময়দানে পৌঁছে যেতেন।

তো আরাকানের রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া হঠাৎই যুদ্ধ বন্ধ করার ঘোষনা দিলেন।

সবাই তো অবাক। কেন?

হয়তো অযাথা রক্তপাত রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়ার ভালো লাগেনি। সম্ভবত তিনি ছিলেন শান্তিবাদী।

রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া বললেন, সেট ত গোইং।

সেট ত গোইং? কী এর মানে?

আরাকানী ভাষায় সেট ত গোইং শব্দগুচ্ছের মানে, যুদ্ধ করা অনুচিত।

কারও কারও ধারনা এই কল্যানকর আরাকানী বাক্যটি থেকেই কালে কালে চট্টগ্রাম শব্দটির উৎপত্তি। ভাবলে কেমন লাগে। বাংলাদেশ এমনিতেই কল্যানকর শান্তিবাদী দেশ। চট্টগ্রামে তার গুরুত্বপূর্ন সমুদ্রবন্দর রয়েছে। প্রতিদিন কতশত জাহাজ ভিড়ছে সেখানে; দেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখছে। সেই চট্টগ্রাম শব্দের পিছনে এমন কল্যানকর সদিচ্ছা! ভাবলে কেমন যেন লাগে।

অবশ্য একটি বৌদ্ধসূত্রমতে, চট্টগ্রাম শব্দের উৎপত্তি চৈত্যগ্রাম থেকে । হয়তো এককালে চট্টগ্রামে চৈত্যগ্রাম নামে কোনও বৌদ্ধবিহার ছিল, আর সে বিহারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল গ্রাম-লোকালয়-জনপদ।

হতে পারে। তেমন সম্ভাবনা আমি একেবারেই উড়িয়ে দেব না।

তবে আমারদের ভাবতে ভালো লাগে যে এক শান্তিবাদী আরকানী রাজার সদিচ্ছাই ছিল চট্টগ্রাম শব্দটির উদ্ভবের পিছনে। এবং আমাদের দেশে যে রাখাইন সম্প্রদায়

রয়েছে তাদের কাছে যাওয়ার পর আমরা যেন একবার হলেও রাখাইনদের পূর্বপুরুষ সেই মহৎ হৃদয়ের রাখাইনরাজের কথা ভাবি।

আর আমরা যেন রামুতে রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া-এর একটি ভাস্কর্য গড়ে তুলি। আর, কোনও এক ভাদ্রের ঝকঝকে দিনে সে ভাস্কর্যটি যেন উদ্বোধন করে কোনও এক রাখাইন শিশু । সে সময় যেন ওখানে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষে উপস্থিত থাকে। কেননা, রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া ছিলেন দ্বিতীয় অশোক। মৌর্য সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অহিংস বৌদ্ধধর্ম গ্রহন করেছিলেন।

এমন ভাবতে উৎসাহিত হই-রাখাইন রাজা সু-ল-তইং সান-দ-ইয়া কি যুদ্ধবিরোধী কোনও শিলালিপি স্থাপন করেছিলেন?

হয়তো।

তা হলে সেটি কোথায়?

হয়তো সেই শিলালিপিটি আজও পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘন কোনও বাঁশঝাড়ে ঢেকে আছে। সম্ভবত রামুর গহীন জঙ্গলে।

বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের সেই শিলালিপিটি আজ যে খুঁজে বার করতেই হবে।

আর আশ্চর্য এই-আমরা কত কত নাম জানি-কত কত সাবষ্ট্যান্ডাড রাজনীতিবিদের নাম জানি-কেবল যুদ্ধবিরোধী ওই মহৎ হৃদয়ের রাখাইন রাজার নামটিই জানি না!



তথ্যসূত্র



(১) বাংলাপিডিয়া।

(২) বছর কয়েক আগে অদিতি ফাল্গুনী রাখাইনদের নিয়ে একটা উপন্যাস লিখেছিলেন কোনও এক ঈদসংখ্যায়। সেখানেও ওই আরাকানী রাজার কথা রয়েছে।

মন্তব্য ৬১ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৬১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:০৭

টিংকু ট্রাভেলার বলেছেন: দেশেরপথে.......

২৬ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:০৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: দেশের পথে।

২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

কানা বাবা বলেছেন:
জানা হচ্ছে অনেক কিছু...
ধন্যবাদ...

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৩

লালন অনিক বলেছেন: চট্টগ্রামের ইতিহাস নিয়ে হাজারো গ্রন্থ লিখা হয়ে গেছে, পড়ে দেখতে পারেন, বিশিষ্টজনেরাই এসব লিখেছেন যথেষ্ট সমাদৃতও হয়েছে।
চট্টগ্রাম নাম করনের যে ঘটনা উল্লেক করেছেন সেটি অনেকগুলো কারনেন একটি....
চৈত্যগ্রাম থেকে চট্টগ্রাম হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে...দীর্ঘ সময়ধরে বৌদ্ধ ধর্মের প্রাধান্য তারই প্রমাণ দিচ্ছে...

চৈত্য একটি নয়...অসংখ্য চৈত্য নির্মাণের কথিত কাহিনী ইতিহাসও সমর্থন করে...
আরাকানের সীমানা উত্তরের ফেনী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যে যুদ্ধের কথা বলছেন সেটি ঘটেছে ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে...প্রায়ই ঘটত...

১৩০০শতকের পরে সে দ্বিমুখী সংঘর্ষ ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়, নতুন পক্ষটির নাম মুসলিম...
অনেক বলে পেল্লাম...
সবার ভালথাকা হউক

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৪| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:১৯

রাগিব বলেছেন: রাখাইনদের নিয়ে উপন্যাসটা পড়েছিলাম গতবছর দেশে গিয়ে। বেশ ভালো লেগেছিলো। তবে চট্টগ্রাম এলাকার নাম দশম শতকের আগে থেকেই শোনা যায় বলে অনেক সূত্রে উল্লেখ আছে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ইতিহাসবিষয়ক গবেষনা এ কারণেই থেমে থাকে না, এগিয়ে যায়।

৫| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১

নুশেরা বলেছেন: পরীর পাহাড় (বর্তমানের কোর্টহিল থেকে চেরাগী পাহাড়)এর কল্পকথার "চাটি" (প্রদীপ; যা বড়পীর সাহেব পরীর উপদ্রব তাড়ানোর জন্য জ্বালিয়েছিলেন বলে কথিত) থেকে চাটিগাঁও->চাটিগাঁ->চাটগাঁ->চট্টগ্রাম নামটা এসেছে, এমনও বলেন কেউ কেউ। এই কাহিনীর চেয়ে শান্তিপ্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িত ইতিহাসটিই বেশী ভাল লাগে।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বড় পীর/ পরী - এসব অনুষঙ্গ তেরো শতকের পর। আরবরা অবশ্য চট্টগ্রামে আরও আগেই এসেছে। বিখ্যাত সমন্দর বন্দরটি ওখানেই ছিল। তবে প্রাচীন চট্টগ্রাম বা হরিকেলের পুবউত্তর সীমানায় ছিল ত্রিপুরা/মনিপুর/ আরাকান রাজ্য। কাজেই আরবরা চট্টগ্রামে আসার আগে সেই সুদীর্ঘকালজুড়ে সময়টায় কতকিছু যে হয়ে গেছে ওদিকটায়!
অদিতি ফাল্গুনীও শান্তিবাদী আরাকান রাজার উপখ্যানটি বিশ্বাস করেন বলেই মনে হল।
আর আসলে তো আমি একটা স্বপ্নের কথা বললাম। রাখাইনদের সঙ্গে সখ্যতার স্বপ্ন।
সেটাই আসল।

৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০০

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ভালো লাগলো ।

আপনার স্বপ্ন সত্যি হলে মন্দ হতো না ।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: স্বপ্ন সত্য হওয়ার আর সময় কই!

৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯

রাগিব বলেছেন: চট্টগ্রামের ইতিহাস খুব ইন্টারেস্টিং। উপকূলীয় এলাকা বলে এখানে দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন জাতির আগমন হয়েছে, এলাকার লোকদের চেহারা তাই বলে। আমি চট্টগ্রামের বস্তিতে ব্লন্ড বাচ্চা দেখেছি ... নাবিকদের আনাগোনা থাকলে যা হয়, তাই। এখানে অনেক লোক আছে, নির্ঘাত বলা যায় চেহারা দেখে যে, ৬০% আরব রক্ত । আবার একই পরিবারের আরেক দিকে হয়তো ৮০% মগ রক্ত। এলাকার বৌদ্ধ সম্প্রদায় বেশ প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী। এমনকি, পুরো ভারত থেকে যখন বৌদ্ধ ধর্ম গায়েব হয়ে গেছে, তখন কেবল চট্টগ্রাম এলাকাতেই এটা টিকে ছিলো বেশ ভালো ভাবে। উনবিংশ শতকের ব্রিটিশ শাসনামলে সম্ভবত বৌদ্ধদের একমাত্র বড় জনগোষ্টীর উপস্থিতি এখানে ছিলো।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: সম্রাট বিম্বিসার ছিলেন বুদ্ধের সমসাময়িক মগধের সম্রাট। তিনি মগধের প্রতিবেশী চম্পা রাজ্য আক্রমন করেছিলেন। সেই সময় চম্পারাজ্যের যুবরাজ বিজয়গিরি করতোয়া নদী পার হয়ে পুব দিকে চলে আসে। তার মন্ত্রী ছিল রাধারমন। চাকমা উপকথামতে তারা গভীর অরন্যে এক রাজ্য গড়ে তুলেছিল। এই বিজয়গিরিই চাকমাদের পূর্বপুরুষ। গভীর অরণ্যটি আর কোথাও না। পার্বত্য চট্টগ্রাম। চাকমারা আজও এক চম্পক রাজ্যের কথা বলে। রাজ্যটা চম্পা রাজ্য-সম্রাট বিম্বিসার যে রাজ্যটি আক্রমন করেছিলেন। অবশ্য দ্বিমত আছে। বোঝেনি তো ইতিহাস বলে কথা। আসলেই চট্টগ্রামের ইতিহাস বিস্ময়কর। এককালে বঙ্গোপসাগরের পাড়ে সমন্দর নামে একটা নৌবন্দর ছিল। আরবদের জাহাজ ভিড়ত সেই বন্দরে। সেই সমন্দর বন্দর-এর অবস্থান আজও আবিস্কৃত হয়নি। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের একটি কোম্পানী জাহাজ নির্মান করে জাপানে রপ্তানী করছে। ৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি। অথচ, বাংলা সেই নবম-দশম শতকেই জাহাজ নির্মান করে বিদেশে রপ্তানী করত। মূল ক্রেতা ছিল তুরস্কের অটোমান সুলতানরা।

৮| ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১০

নুভান বলেছেন: সত্যিই ইতিহাস খুব ইন্টারেস্টিং

২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমারও তাইই মনে হয় নুভান।

৯| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭

মে ঘ দূ ত বলেছেন: নুভান এর কথার সাথে আমিও সুর মেলাবো।

আচ্ছা "চট্টগ্রাম" ইংলিশ এ Chittagong হয়ে গেল কেন এই নিয়ে আপনার কিছু জানা আছে?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:০৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ঠিক এখনই বলতে পারছি না। পরে জেনে আপনাকে জানাব। ধন্যবাদ।

১০| ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: আপনাকে , রাগীব ভাইকে, লালন অনিক ও নুশেরা আপুকে অনেক ধন্যবাদ। প্রিয় শহরের অনেক কিছু জানা হলো কিছু আগেই জানা ছিলো।
এর আগে বিপ্রদাশ বড়ুয়ার 'টাইগারপাস উপাখ্যান' পড়ে আরো কিছু মিথ জেনেছিলাম চট্টগ্রামকে নিয়ে।

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ। বিপ্রদাশ বড়ুয়া অনেক কাজ করেছেন চট্টগ্রাম নিয়ে।
অনেক ধন্যবাদ।

১১| ২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৮

তারার হাসি বলেছেন:
বর্তমানের চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার সাথে মূল আঞ্চলিক ভাষার অনেক পার্থক্য রয়েছে, দিনে দিনে বদলাচ্ছে। শিক্ষার আলো যায়নি এখনো এমন গ্রামের মানুষের কথা শুনলে মনে হয়, এর মানে কি? বাংলা শব্দ সেটাও বুঝা যায়না।
অবাক করা ব্যাপার হল রাখাইনদের আঞ্চলিক ভাষার সাথে চট্টগ্রামের খাঁটি আঞ্চলিক ভাষার অনেক শব্দ মিলে যায়। এটা আমি দেখেছি আমার কলেজ জীবনে একজন রাখাইন ছেলের কাছে ওদের ভাষা শিখতে গিয়ে। আমি খুব সহজেই শিখে ফেলতাম, রহস্য কি তা আর কাউকে বলতে যেতাম না।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২৭ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আসলে চট্টগ্রাম নিয়ে আরও অনেক গবেষনা আর অনুসন্ধান বাকি। হবে হয়তো। তখন জানা যাবে। রাখাইনরা ওখানে আছে প্রায় হাজার বছর। কাজেই-
ধন্যবাদ।

১২| ২৮ শে মে, ২০০৯ রাত ১:২৪

আকাশ অম্বর বলেছেন:

দারুন। জানলাম।

চিটাগনিয়ান ভাষা নিয়ে একটা পোষ্ট রেডি করছি। এটাও একটা স্বতন্ত্র ভাষা। কিন্তু এদের কোন হস্তলিপি ছিলো না। জানতাম যে এরা বাংলা এবং অনেক আগে আরবী হস্তলিপি ব্যবহার করত। আরবী কেন? জানতাম না।

'এককালে বঙ্গোপসাগরের পাড়ে সমন্দর নামে একটা নৌবন্দর ছিল। আরবদের জাহাজ ভিড়ত সেই বন্দরে।' - এখন বুঝলাম।

অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই।

২৮ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আরবরা প্রথম এল ওখানেই।
ধন্যবাদ।

১৩| ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: রাখাইনদের ভাষার সাথে চট্রগ্রামের আন্চলিক ভাষার অনেকখানি মিল রয়েছে। যতটুকু জানি রাখাইনরা আরাকান রাজ্যের ছিলো।
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হ্যাঁ। রাখাইনরা আরাকান রাজ্যের ছিলো।
ওপরে তারার হাসি-র মন্তব্যটি পড়ুন।
অনেক ধন্যবাদ।

১৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৭

ঊনমানুষ বলেছেন: এতো কিছু জানতে পেরে আনন্দিত। ইমন ভাই কি চট্টগ্রামের লোক নাকি?

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমার জন্ম ঢাকায়। আমার বাপ-দাদারা চাঁদপুরের মতলব-এর। তবে আমার বাপ-চাচার পড়াশোনা চট্টগ্রামে। বড় চাচার বাড়িও চিটাগাঙ শহরে।
ধন্যবাদ।

১৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৮

পাথুরে বলেছেন: প্রিয়

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্য।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্য।

১৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

নিহন বলেছেন: তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লালসালু বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা, চালিয়ে যান।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১

সৌম্য বলেছেন: 'কোম্পানী আমলের ঢাকা' বইটাতে এই তথ্য পাইছিলাম। রাইটার জেমস টেলর বলছেন বর্তমান কুমিরা নামক স্থানে সীতাকুন্ডের পার্বত্য অরন্যে এই বিজয় স্তম্ভ (নাকি শান্তি স্তম্ভ)। বইটা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাষনামলে লিখা। প্রায় ৩০০বছর আগে। এখন কুমিরা উন্নত শহর। কুমিরাতে কেউ কোন দিন এমন কিছু দেখছে বলে শুনি নি।
আরাকান রাজ্য ছাড়াও ত্রিপুরার রাজারও খুব লোভ ছিল চিটাগাং এর উপরে। আরাকানী রাজ্যের মগ (মনে হয় মারমা, মারমাদের নামের টাইটেল হয় মং) রা দুর্দান্ত ছিল। ওরা পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বেসর্বা (এখনো বান্দারবানের গ্রাম্য এলাকা যেখানে বাংলা খুব একটা প্রচলিত না সেখানে একজন বম একজন ম্রো এর সাথে কথা বলবে মারমা ভাষায়। একজন জাপানী যেমন ফরাসীর সাথে কথা বলবে ইংলিশএ)। মংরা দুর্দান্ত যোদ্ধা। প্রায় সময় লড়াই করতে করতে ঢাকার নদী বন্দর পর্যন্ত চলে আসতো। মগদের অত্যাচারে বাংলাদেশের নদীর কাছের গ্রামগুলো উজার হতে শুরু করে। কিন্তু সুবহে বঙ্গালের সুবেদাররা গা করতেন না। ন্যাভাল ফোর্সের চেয়ে যুদ্ধের ময়দানে ক্যাভিলারী বা অশ্বারোহী টেকটিস তাদের পছন্দের। তারা ভয় করতো শেরশাহএর মতো কোন আফগানী বা আর কেউ ঘোড়া নিয়ে আক্রমন করবে। আর সুবেহদারদের মুল কাজ ছিল নিয়ম করে বিদ্রোহ করা। কারন শুধুমাত্র শিতকাল ছাড়া নদী আর জঙ্গল বেষ্টিত বাংলায় দিল্লীর আর্মি আসতে পারতো না। বাকিটা সময় কেন্দ্রে ট্যাক্স না দিলেও মুঘল সম্রাটের কিছুই করার ছিল না। আরো সমস্যা হলো যখন ইউরোপীয়ান পর্তুগীজরা আসলো। ইংরেজ/ফরাসী/ডাচরা বানিজ্য বা ধর্মপ্রচারে ব্যাস্ত থাকলেও পর্তুগীজদের মুল কাজ ছিল জলদস্যুতা। এরা চট্টগ্রামকে সেটগাং (ইংরেজরা সেটগাংকে চিটাগাং) বলতো। পাইরেট কিং গনজালেভস ক্ষমতায় আসলে চট্টগ্রাম বাসের অযোগ্য হয়ে পরে এদের অত্যাচারে। স্বন্দীপ এদের রাজধানী ছিল। স্বন্দীপে গনজালেভস একটা দুর্গ তৈরি করে। সেখানে ৮০০ অশ্বারোহী পাইরেট ছিল। সবচেয়ে খারাপ হলো যখন এদের সাথে মগদের দোস্তি হয়। মগরা এদের মাধ্যমে জলবিদ্যা শিখে নেয় এবং ধুরন্ধর জলদস্যু হয়। মগ রাজা কাউয়া মং (নামের শেষে মং, নিঃসন্দেহে মারমা) এর রাজত্ব ছিল কক্সবাজারের দিকে কোথাও। সে নাকি ঐ অঞ্চলে বিপুল গুপ্তধন রেখেছে যা এখনো উদ্ধার হয় নি। কাউয়া মং এর এক চোখ কানা। ভয়ঙ্কর এই জলদস্যু নেতা কানা রাজা নামে বাঙ্গালীদের মাঝে ত্রাস সৃষ্টি করে।

মীরজুমলা প্রথম বিশাল রনতরীর সমন্বয়ে নৌবহর তৈরি করলেন। গুলিস্তানের কামানের অরজিনাল নাম মীর জুমলার কামান। জন্মসুত্রে উনি ইরানদেশীয় জেনারেল ছিলেন। কিন্তু এদেশের অদ্ভুত গঠনের কারনে ক্যাভিলারী বেজ যুদ্ধ সম্ভব না এটা বুঝে নৌবহর তৈরি করলেন। মগ আর পুর্তুগীজদের পাশা পাশি ত্রিপুরার রাজাও ফি বছর তার হাতি বাহিনী নিয়ে হানা দিতেন। মীরজুমলা ফন্দি আটলেন। মগদের কাছে তার গুপ্তচরেরা বললো, মীরজুমলার সাথে পুর্তুগীজদের নিয়ে যুদ্ধ করতে। যুদ্ধে ইচ্ছে করে মগরা নিষ্ক্রিয় থাকবে। ফলে যুদ্ধে হারার পরে উনি পুর্তুগীজদের বের করে দিয়ে তাদের ধন সম্পত্তি এবং বিশাল বোনাস মগদের দেবেন। একই প্রস্তাব পুর্তুগীজদেরকেও দিল। পূর্তুগীজ জেনারেলরা তাদের দলপতি গঞ্জালেভসের সাথে বেঈমানী করবে। এবং নিজেরা নিষ্ক্রিয় দাঁড়িয়ে থাকবে যুদ্ধে। মগ আর গঞ্জালেভসের সৈন্যরা মারা গেলে তাদেরকে মগ আর পূর্তুগীজদের সম্পত্তি বোনাস দেবে। আর ইংরেজ/ফরাসী/ডাচদের বদলে তাদেরকে ট্যাক্স ফ্রি বানিজ্য দেয়া হবে।
এই ফাঁদ কাজ করে। যুদ্ধে মগরাও চুপ করে থেকে হারলো, পূর্তুগীজরাও চুপ করে থাকলো। মীরজুমলা বিনা বাধায় চিটাগাং দখল করে দুই দলকেই ঝেটিয়ে বিদায় করে দিলেন। মগ রা চলে গেল পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীনে আর পূর্তুগীজদের দেশছাড়া হতে হলো। মীরজুমলা এক ঢিলে দুই পাখি মেরে চট্টগ্রামের নতুন নাম দিলেন ইসলামাবাদ। এই নামটা টিকে নাই।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯| ১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:১৮

ডলুপূত্র বলেছেন: জনাব অনেক শুভেচ্ছা নিন।

আপনি অদিতি ফাল্গুনির কল্পবস্তু পড়েই একটি পোস্ট লিখে পেলেছেন! খুব একটা খারাপ লেখেননি। তবে ইতিহাসের উল্লম্পন হয়েছে। কিছুটা বিকৃতিও।

অদিতি ফাল্গুনি চট্টগ্রামের বাইরের। তার ইতিহাস পাঠ খুবই নবিসি পর্যায়ের। অতএব লেখার কি আর বলবো।

চট্টগ্রামের ইতিহাস নিয়ে:
জামালউদ্দিনের (দেয়াং বন্দর) কেন্দ্রীয় একটি গবেষণাগ্রন্থ আছে। বলাকা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত।

দৈনিক আজাদী (হাজার বছরের চট্টগ্রাম) নামে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল।

অধ্যক্ষ মোশতাক আহমদ রেঙ্গুনের আর্কাইভ থেকে (সিনপিয়ান) ইংরেজিতে পেয়ে বাংলায় অনুবাদ করেছেন।

আরও অনেক ইতিহাসগ্রন্থ আছে।

ওইগুলো পড়ে তারপর পোস্ট লিখলে অনেক ভাল হত। তারপরও আপনাকে ধন্যবাদ।

ভাল থাকুন।

১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: জামালউদ্দিনের (দেয়াং বন্দর) কেন্দ্রীয় একটি গবেষণাগ্রন্থ আছে। বলাকা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত। (২)দৈনিক আজাদী (হাজার বছরের চট্টগ্রাম) নামে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। (৩)অধ্যক্ষ মোশতাক আহমদ রেঙ্গুনের আর্কাইভ থেকে (সিনপিয়ান) ইংরেজিতে পেয়ে বাংলায় অনুবাদ করেছেন।

...এই বইগুলিতে কি আছে তা আপনি একটি পোস্ট দিয়ে জানাতে পারেন জনাব। আমরা একটু ধন্য হই।
ধন্যবাদ।

২০| ১৯ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: ডলুপূত্র বলেছেন: জনাব অনেক শুভেচ্ছা নিন।

আপনি অদিতি ফাল্গুনির কল্পবস্তু পড়েই একটি পোস্ট লিখে পেলেছেন! খুব একটা খারাপ লেখেননি। তবে ইতিহাসের উল্লম্পন হয়েছে। কিছুটা বিকৃতিও।......... :P :P :P



লেখা ও তথ্য যথারীতি চমৎকার।

আপনি শিক্ষকতা পেশায় গেলে ছাত্ররা খুব উপকৃত হতো।

১৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: লেখা ও তথ্য যথারীতি চমৎকার।আপনি শিক্ষকতা পেশায় গেলে ছাত্ররা খুব উপকৃত হতো ...

কারে কইলেন? আমারে না ডলুপুত্ররে?
ঝাতি ঝানতে চায় ... X((

২১| ১৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

রেজোওয়ানা বলেছেন: কোথায় আক্কাস আর কোথায় গাবগাছ..........

টিউবলাইট........

আমি এইটা তারেই কইছি, যে হেলিকাপ্টারে চইড়া বিকালে হাওয়া খাইতে বাইর হয় X(

১৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অ। বুঝছি। ;)
আরে আমি তো শিক্ষকতাই করি সামু ব্লগে। মাগনা :(

অট: আপনি কেবল খাই খাই করেন। কালকে দুপুরে অফিসে লিচু খাইলেন। আজকে আমের গাছের পোস্ট দেখে খাব খাব খাব করলেন। আবার বলেন কোণ আইসক্রিম নাকি সবচে প্রিয়। আচ্ছা আপনি কী শুরু করলেন :P

২২| ২০ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:০৫

রেজোওয়ানা বলেছেন: আপনি এসব খেয়াল করেছেন :!>
সুন্দর খাবারের ছবি দেখেলেই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে,
প্রতিক্ষাকে যে গুলো আইসক্রীম আর কেক দেন ওগুলোও খেতে ইচ্ছা করে :P

অ ট: আপনার স্মৃতিশক্তি তো অসাধারণ.....


২০ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: বারে খেয়াল করব না? লেখক দের এই কাজ। ;)
আচ্ছা, প্রতীক্ষারটায় ভাগ বসাতে হবে না, এবার থেকে আপনাকেও দেব। :P
ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি আপনার স্মৃতিশক্তি তো অসাধারণ..... ঘরে কোথায় কী খাবার/দাবার লুকানো থাকত ৪/৫ বছর বয়েসেই সব মনে থাকত। =p~

২৩| ২০ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:২১

রেজোওয়ানা বলেছেন: উহু, আমাকে খাদ্য দ্রব্য দিতে হবেনা, সবাই পেটুক বলবে :-B

ও আচ্ছা ছোটবেলায় তাহলে আপনি নাড়ু গোপাল ছিলেন.... :P

২০ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:২৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: X(( X(( X(( X((

২৪| ২০ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০১

রেজোওয়ানা বলেছেন: সত্যি কথা বললে মানুষ যে কেন এত রেগে যায় (দীর্ঘশ্বাস) /:)

২০ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: :|

২৫| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৫:২০

মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধূরী বলেছেন: জন্ম থেকে চট্টগ্রামে প্রায় ২৭ বৎসর কাটিয়েছি এবং লেখাপড়াও শেষ করেছি এখানেই....ফলে বিভিন্ন ইতিহাস বা পত্রপত্রিকা পড়ে যে কয়বার তথ্য গুলো পড়েছি তাতে আমার কাছে নুশেরার মতামতকে সঠিক বলে মনে হয়। কারন যতটুকু মনে পড়ে বরাবরেই আমি ঐ একই তথ্য পেয়েছি।
পরীর পাহাড় (বর্তমানের কোর্টহিল থেকে চেরাগী পাহাড়)এর কল্পকথার "চাটি" (প্রদীপ; যা বড়পীর সাহেব পরীর উপদ্রব তাড়ানোর জন্য জ্বালিয়েছিলেন বলে কথিত) থেকে চাটিগাঁও->চাটিগাঁ->চাটগাঁ->চট্টগ্রাম নামটা এসেছে।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৯

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৩

আমি তুমি আমরা বলেছেন: ভাল লাগল প্রিয় শহর সম্পর্কে জানতে পেরে।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৭| ২৫ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৪:২৭

সীমানা পেরিয়ে বলেছেন: তথ্যবহুল ....অনেক ধন্যবাদ....+++

২৫ শে জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৮| ২৬ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ১২:৪৩

নভোচারী বলেছেন: আমার জানা মতে ইবনে বতুতার বর্ণিত সুদকাওয়াং আর চট্টগ্রাম একই স্থান।

চট্টগ্রামের অধিবাসীদের নিয়ে রাগিব ভাই যা বললেন তার সত্যতা প্রায় দেখতে পাবেন। সমুদ্র উপকূল বলেই হয়ত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মিলনস্থল হিসেবে এই অঞ্চল কাজ করেছে।

মগদের নিয়ে বড়দের মুখে বিভিন্ন ঘটনা শুনেছি। কোন একদিন শেয়ার করব ইনশাল্লাহ।

২৬ শে জুলাই, ২০১১ দুপুর ১:০৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনার পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।
ধন্যবাদ।

২৯| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫১

মোঃ গোলাম কিবরিয়া বলেছেন: আমি ৩ বছর রামুতে ছিলাম , অসাধারন একটা জায়গা , অসাধারন সেখানের মানুষ গুলা। আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময় কাটছে ওখানে ............
লেখায় প্লাস অবশ্যই , আর প্রিয় তে :) আপনার লেখার ভক্ত আমি আবার আর এক বার হয়ে গেলাম :D

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:১৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

৩০| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ৮:০০

খসরু ওয়াহিদ বলেছেন: ভালা লাইগ্যে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.