| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমন জুবায়ের
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]
![]()
কোটো। জাপানের জাতীয় বাদ্যযন্ত্র। এই তারযন্ত্রটির সুরতরঙ্গ যেন জাপানের সৌম্য সংস্কৃতিরই প্রতীক ; সেই সঙ্গে গভীর স্তব্ধতার প্রেক্ষাপটে যন্ত্রটির সুরধ্বনি কেমন অলীক মনে হয় ... কোটোর ইতিহাসও কম বিচিত্র নয়, য়াটসুহাসি কেনগিও নামে সপ্তদশ শতকের একজন অন্ধ সংগীতবিদের নিরন্তর প্রচেষ্টায় কোটোর ব্যাপক পরিবর্তন হয়ছিল ... ![]()
জাপানের মানচিত্র । বিশ্বে জাপানই সম্ভবত একমাত্র দেশ যে দেশের আধুনিক ইলেকট্রনিক গেজেটস্ আর হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপকরণ বিশ্ববাসীকে সমানভাবে আকর্ষন করে ...একটি লেটেষ্ট মডেলের সনি ভায়ো ল্যাপটপ আর জেন উপাসনালয়ের আকর্ষন আজও বিশ্ববাসীর সমান তীব্র ... ![]()
ফুজি পাহাড়ের ছবি; ঐ পাহাড় শীর্ষের সংলগ্ন স্তব্ধতাই যেন কোটোর প্রেক্ষাপট ...
জাপানে কখনও কখনও কোটোকে বলা হয় সো। যাই হোক। বাদ্যযন্ত্র কোটো কে আমরা আজ যেমন দেখছি- বরাবরই এটি ঠিক এরকম ছিল না, থাকার কথাও না। খ্রিস্টীয় ৫ম শতক এর প্রাথমিক রূপটির কথা জানা যায় । যন্ত্রটির আদিরূপ চিন থেকে জাপানে আসে খ্রিষ্টীয় ৭ম/৮ম শতকে। তখন এটির তার ছিল ৫টি; পরে হয় ৭টি। অস্টম শতকের শেষের দিকে তারের সংখ্যা হয় ১২ টি । ![]()
কোটো।
আধুনিক কোটোর উদ্ভব বাদযন্ত্র গাকুসু নামে একটি থেকে। এটি ছিল মূলত দরবারি বাদ্যযন্ত্র। জাপানজুড়ে অভিজাত মহলের রোমান্টিক বাদ্যযন্ত্র হিসেবে কোটো সমাদৃত। এর একক বাদনকে বলে সোকিয়োকু। ষোল শতক থেকে জাপানে কোটোর ইতিহাস পরিস্ফুট হয়ে উঠতে থাকে। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা কোটো বাজাতেন। সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট সংগীতাচার্য য়াটসুহাসি কেনগিওর (১৬১৪-১৬৮৫) নাম আগেই বলেছি। কেনগিও কোটোর সুর করার (টিউনিং) পদ্ধতির ব্যাপক পরিবর্তন আনেন। ফলে সপ্তদশ শতকে কোটোর যেন নবজন্ম হয়। য়াটসুহাসি কেনগিও জাপানে ‘আধুনিক কোটোর জনক’ বলে অবহিত করা হয়।
কোটো।
আরেক জন অন্ধ মিউজিশিয়ান মিচিও মিয়াগি (১৮৯৪-১৯৫৬) কোটোর বিকাশে গভীর অবদান রাখেন। উনিশ শতকেই জাপানে ইউরোপীয় ভাবধারা অনুপ্রবেশ করে।মিচিও মিয়াগিই প্রথম পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী কোটো সংগীতের ফিউশন করেন। পশ্চিমে প্রভাবে যখন জাপানি লোকসংগীত হুমকির মুখে পড়েছিল
বলতে গেলে মিচিও মিয়াগির একক প্রচেষ্টায় কোটো টিকে থাকে। মিয়াগি ১৭ তারের বাস কোটো উদ্ভব করেছিলেন এবং এর বাদন শৈলীও উদ্ভব করেছিলেন।
কোটো।
কোটোর দৈর্ঘ্য ১৮০ সেন্টিমিটার। এটি কিরি কাঠে তৈরি হয়। কিরি কাঠ পাওয়া যায় পাওলওনিয়া টোমেনটোসা গাছ থেকে। তার তৈরি হয় প্লাসটিক দিয়ে, কখনও রেশম এর। সাধারনত কোটোর তার থাকে ১৩ টি, সেই সঙ্গে থাকে পরিবর্তনশীল ব্রিজ। এসব পরিবর্তনশীল ব্রিজ সরিয়ে তারের সুর করতে হয়; ব্রিজ কে বলে জি; এটি তৈরি হয় হাতির দাঁতে। মধ্যমা, বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনী -এই তিনটি আঙুলের পিক (হাওয়াইন গিটারের মতো) পরে কোটো বাজাতে হয় ।
কোটো। একক পরিবেশনা। মনে থাকার কথা কোটোর একক বাদনকে বলে সোকিয়োকু।
কোটো। সমবেত পরিবেশনা
কোটো। একক পরিবেশনা
১৭ তারের বাস কোটো
উৎসর্গ: নতুন রাজা।
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এই আর কী-
ধন্যবাদ।
২|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩১
করবি বলেছেন:
জানলাম কোটো সম্পর্কে।
ফুজি পাহাড়ের ছবিটা চমৎকার!
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩৯
রেজোওয়ানা বলেছেন: Michiyo Yagi পরিবেশনা ভালই লাগলো।
কোটো আকার আকৃতি তো বেশি সুবিধা জনক না দেখতে........
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৪২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Michiyo Yagi পরিবেশনা ভালই লাগলো।
ধন্যবাদ।
কোটো আকার আকৃতি তো বেশি সুবিধা জনক না দেখতে.......
আপনারে মাইনাস। জাপানিরা শুনলে অনুদান বন্ধ করে দিবে
৪|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৫১
দাসত্ব বলেছেন: আচ্ছা "কোটো" ম্যানুফ্যাকচারিং একি কিরি কাঠ ইমপর্ট্যান্ট নাকি ইনস্ট্রুমেন্ট টা স্ট্রিং বেসড ?
এটা দেখে মনে হলো সেমি গিটার , সেমি ভায়োলিন..
হাইব্রিড। আসলে কি ?
মিউজিক ইনস্ট্রুমেন্ট সম্পর্কে খুব কম জানি
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: কোটোর বডিতে কিরি কাঠ ইমপর্ট্যান্ট, কারণ কোটোর বডি তৈরি হয় কিরি কাছে। আর কোটো তো স্ট্রিং বেসড, ঠিক ভায়োলিন না, তার কারণ এটি বাজাতে ছড় ব্যবহার হয় না। আঙুলে পিক করে বাজাতে হয়।
ধন্যবাদ।
৫|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:০৩
দাসত্ব বলেছেন: হায়রে , আমি কত বোকা! মাউন্টেনের যেই ইমেজটা দিলেন সারাজীবন খোজ খবর না নিয়েই ধরে বসে আছি এটা ভিসুভিয়াস...![]()
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:১৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আরও ছবি দেখুন মাউন্ট ফুজি-র
http://www.google.com.bd/images?hl=en&q=mt. fuji&um=1&ie=UTF-8&source=og&sa=N&tab=wi
৬|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪১
মুকুট বলেছেন: ধন্যবাদ, আমারও বাজানোর এক অভিজ্ঞতা হয়েছিলো স্থানীয় এক স্কুলের বাচ্চাদের সাথে এক প্রোগ্রামে।
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: দারুন!
৭|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
মুকুট বলেছেন:
এইটা নাম কি?
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: কোনটার? ভিডিওতে হলে বলতে সময় লাগবে। ডাউনলোড এর ঝামেলা। বুঝতেই পারছেন।
৮|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৬
মুকুট বলেছেন: সামিসেন বলেছিলো বক্তা, সম্ভবত আমাদের বেহালা-র কোন ভার্সন
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আচ্ছা।
৯|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৪৭
রাত্রি২০১০ বলেছেন: বিশ্বে জাপানই সম্ভবত একমাত্র দেশ যে দেশের আধুনিক ইলেকট্রনিক গেজেটস্ আর হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক উপকরণ বিশ্ববাসীকে সমানভাবে আকর্ষন করে ...
সত্যি। আর আমাদের দেখুন?
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমাদের কথা আর কী বলব।
জাপানিদের কাছে অনেক কিছু শেখার আছে।
ধন্যবাদ।
১০|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৯
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: অজানা তথ্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
১১|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০০
নতুন রাজা বলেছেন: ভাইয়া, কোটো-র কথা আমারও জানা ছিলো না। তাই পোষ্টটি পড়ছিলাম। বেশ ভালো লাগছিলো। পোষ্টের শেষ লাইনে এসে ভীষন চমক খেলাম। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া...। ভালো থাকবেন...
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সে কী! জাপানে থাকা হয় আর কোটোর নাম শোনা হয়নি!!!
আমিই তো তবদা খেয়ে গেলাম।
১২|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৫
এডোনিস বলেছেন:
নাইস
ধন্যবাদ
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ কবি।
১৩|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৬
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: জগত সেরা বাদ্যযন্ত্র হচ্ছে বাঁশি। ![]()
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: একমত।
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১২
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Haru no Umi (春の海, The Sea in Spring) is a Meiji shinkyoku piece for koto and shakuhachi composed in 1929 by Michio Miyagi. It is Miyagi's best known piece and one of the most famous for the koto and shakuhachi instruments.
Miyagi composed the music from his childhood image of the sea of Tomonoura that he saw before he lost his eyesight.
১৪|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:০৬
নতুন রাজা বলেছেন: বোকাসোকা মূর্খ মানুষ যে আমি...
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:১০
ইমন জুবায়ের বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ
১৫|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:৩৭
শিরীষ বলেছেন:
জাপানীজদের সকল সৌন্দর্য যেন ওদের নম্রতায় লুকোনো। শান্ত, কোমল, প্রজ্ঞায় মোড়া ধীর স্থির এই জাতিটির প্রতি আমার ভালবাসা প্রবল। 'কোটো' যেন তারই প্রতিনিধিত্ব করছে।
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: 'কোটো' যেন তারই প্রতিনিধিত্ব করছে।
yes!
১৬|
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪৩
শাহ্ নাজ বলেছেন: একবার কিছু সময় এর জন্য শামিসেন বাজানোর সুযোগ পেয়েছিলাম ।
কোটো'র কথা জানতাম না ।
আসলে কোনো জাপানিজ বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কেই কিছু জানি না।
শামিসেন বাজানোর সুযোগ পেয়েছিলাম দেখে ঐটার কথাই জানতাম শুধু।
আপনার তথ্যবহুল পোস্টের জন্য + ।
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:২৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ
১৭|
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: @ মুকুট ...ভিডিওর বাদ্যযন্ত্র যদ্দুর মনে হচ্ছে Shamisen; এটি ৩ তারের দোতলা কিংবা গিটার ধরনের বাদ্যযন্ত্র ...
১৮|
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৩
দীপান্বিতা বলেছেন: বেশ সুন্দর বাজনা তো, কোটো! ![]()
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
১৯|
১৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭
সোমহেপি বলেছেন: +++++++
ভাইজান গল্পটা লেখছিলাম
১৯ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
২০|
১৯ শে মে, ২০১০ রাত ১১:২৩
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: নতুন একটি জিনিস দেখালেন++++++++++++++
একটা ইচ্ছে বহুকাল ধরে কখনও যদি ফুজির চুড়াই উঠতে পারতাম
অট- আমি একটি গল্প লেখেছিলাম পড়ে কি পরামর্শ দিবেন কিভাবে ভাল গল্প লেখতে পারব।
২০ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:২৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
একদিন উঠবেন।
দেখছি।
২১|
২০ শে মে, ২০১০ সকাল ৭:১৯
মে ঘ দূ ত বলেছেন: এ যন্ত্রের তান লাইভ শুনবার সুযোগ হয়েছিল একবার। এই তো কিছুদিন আগে। ইউনিতে একটা ফাংশানে
। একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম ফাংশানটা নিয়েঃ Click This Link
এই যন্ত্রের মোহিনী সুরের সাথে আর কিছু তুলনা চলে না। এর সুর যে শুনেছে সে বোধহয় কখনো ভুলতে পারবেনা।
২০ শে মে, ২০১০ সকাল ৮:২৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
দেখছি।
২২|
২১ শে মে, ২০১০ রাত ৩:৪০
আকাশ অম্বর বলেছেন: কোটোর সুর অদ্ভুত
২১ শে মে, ২০১০ ভোর ৬:১৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: কোটোর সুর অদ্ভুত
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মে, ২০১০ সকাল ৯:৩১
নিঃসঙ্গ বলেছেন: ১ম ভিডিওটা দেইখা মনে হয় না এইটা কিছু একটা হবে বাদ্যযন্ত্রের মত। শেষ ভিডিওটা তো পুরা পাগলা বাজানি দিলো এইটা কি বাজাইলো বুঝলাম না।
পোষ্টে +