| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইমন জুবায়ের
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]
![]()
এসক্লেপিয়াস । গ্রিক চিকিৎসক হিপপোক্রাটেসকে চিকিৎসাবিদ্যার জনক ধরা হলেও তাঁর আগেও আরও একজনের নাম পাওয়া যায়। তিনি হলেন এসক্লেপিয়াস। ইলিয়াদে হোমার এঁকে একজন দক্ষ চিকিৎসক বলে উল্লেখ করেছেন। এঁর দুই ছেলেও চিকিৎসক ছিলেন। এঁদের নাম যথাক্রমে ম্যাকহাওন এবং পোডালিরিয়াস । এরা ট্রয় নগরে বাস করতেন।
![]()
প্রাচীন মুদ্রায় এসক্লেপিয়াস ।
পরবর্তীকালে গ্রিক জগতে এসক্লেপিয়াস একজন বীরের মর্যাদা লাভ করেন। ক্রমান্বয়ে তাঁকে দেবতার মর্যাদাও দেওয়া হয়। লোকে বিশ্বাস করত: এসক্লেপিয়াস হলেন দেবতা অ্যাপোলোর পুত্র। দেবতা অ্যাপোলো আরগ্য, সত্য ও ভবিষ্যৎবাণীর দেবতা।
এসক্লেপিয়াস।
সেন্টাউর চিরন ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি। এসক্লেপিয়াস তাঁর কাছেই চিকিৎসাবিদ্যার জ্ঞানলাভ করেছিলেন। এতে জিউস নাকি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। জিউস ভাবলেন: এসক্লেপিয়াস পৃথিবীর সব মানুষকে অমর করে ফেলবে। তিনি এসক্লেপিয়াস কে বজ্রপাতে নিহত করলেন। সেই বজ্র তৈরি করেছিল সাইক্লপস। অ্যাপোলো আবার সাইক্লপস কে হত্যা করলেন।
![]()
থেসালির মানচিত্র। এসক্লেপিয়াস গোষ্ঠীর উত্থান হয়েছিল থেসালি তে। থেসালি থেকেই এসক্লেপিয়াস উপাসনা গ্রিসের নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছিল।
![]()
এপিডাওরাস-এর মানচিত্র। দক্ষিণ গ্রিসের একটি জায়গার নাম এপিডাওরাস। এককালে সেখানে অনেকগুলি উপাসনালয় ছিল। গ্রিসের অসুস্থ লোকজন এসব উপাসনালয়ে এসে ঘুমাত। কেননা, মনে করা হত যে দেবতা এসক্লেপিয়াস স্বপ্নে দেখা দিয়ে অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করেন। একে বলা হয় Asclepian incubation.
![]()
মানচিত্রে রোমান সভ্যতা। ২৯৩ খ্রিস্টপূর্বে এসক্লেপিয়াস মতবাদ রোমে পৌঁছোয়। রোমের জনগন আরগ্য লাভের আশায় এসক্লেপিয়াস কে উপাসনা করে।
![]()
এসক্লেপিয়াস এর দীর্ঘ আলখাল্লা পরিহিত দাঁড়ানো প্রতিমূর্তি কল্পনা করা হয়েছে। খোলা বুক, হাতের ছড়িতে সাপ জড়ানো।
এই সাপ জড়ানো ছড়িই ঔষধের প্রকৃত প্রতীক।
![]()
এসক্লেপিয়াস। আমাদের সময়ে।
![]()
Asclepias নামের উদ্ভিদ; এই উদ্ভিদের নামকরণ করা হয়েছে এসক্লেপিয়াস এর নামে; বলাবাহুল্য এসব উদ্ভিদের রয়েছে ঔষধি গুণাগুণ ।
তথ্যসূত্র:
কারা রজার সম্পাদিত ‘দি হানড্রেড মোস্ট ইনফ্লয়েনশিয়াল সাইনটিস্ট অভ অল টাইম’
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
ছবির রেজ্যুলেশন কি ভাবে কমাতে হয়?
২|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:১১
এস.বি.আলী বলেছেন: চরম......++++++
আচ্ছা,এই সাপ জড়ানো ছড়িই ঔষধের প্রকৃত প্রতীক-এটা কেনো?
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:০৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
http://en.wikipedia.org/wiki/Rod_of_Asclepius
৩|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:১৯
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: mone hoi vso image resizer 4 download kore trpr pic resize korte hobe
এইবার লেখার প্রসঙ্গে আসি।নতুন কিছু জানতে পারার মজাই আলাদা।সেই মজাটাই পাচ্ছি এখন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
৪|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: দারুণ পোষ্ট। +++
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Thanks.
৫|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৮
একলোটন বলেছেন: সফটোয়্যাররে কইবেন চিচিং ফাক তাইলে কমে যাবে।বাকীটা পরে বলবো।
৬|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: চিচিং ফাক
খিক খিক .....
*********
যাক এই চিহ্ন টার গল্প টা জানা হলো
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ![]()
৭|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২১
তারার হাসি বলেছেন:
অভিনন্দন একহাজার একতম পোস্টে।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৪৫
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।
৮|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:৫৩
মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: ভালো পোস্ট।।।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Thanks.
৯|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:০৯
দুখী মানব বলেছেন: এসক্লেপিয়াস ererএর তিন মেয়ে মেডিট্রিন, হাইজিয়া আর পানাসিয়া। তারা যথাক্রমে মেডিসিন, হাইজিন (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা) আর আরগ্য এর দেবী ছিলেন। হাইজি'র হাতে একটা পেয়ালা থাকত, তাকে ঘিরে থাকত একটা সাপ। এটা এখন ফার্মাসি'র একটি ভুল ব্যবহৃত সিম্বল। (চামের উপ্রে হাল্কা জ্ঞান ঝেড়ে দিলাম)
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Thanks.
১০|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৪০
দীপান্বিতা বলেছেন: Symbol of Asclepius -উৎস সম্পর্কে জেনে ভাল লাগল ![]()
![]()
একহাজার একতম পোস্ট!!!....অভিনন্দন ...অভিনন্দন!
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৬
ইমন জুবায়ের বলেছেন: ![]()
১১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৫৮
দুখী মানব বলেছেন: বহুল হবে
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: O.k.
১২|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২০
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন: .....ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা, অভিনন্দন এবং +++++
‘দি হানড্রেড মোস্ট ইনফ্লয়েনশিয়াল সাইনটিস্ট অভ অল টাইম’ বইটি কি নেটে পাওয়া যাবে? লিংক দিতে পারবেন?
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ ভোর ৬:০৩
ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link
১৩|
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫০
রাজসোহান বলেছেন: আর কত দেবতা ? এর কি শেষ নাই
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
একলোটন বলেছেন: গুড জবস।
অফ টপিক: ছবির রেজ্যুলেশন একটু কমিয়ে দিলে লোড হতে কম সময় নিবে।