নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্ত্যজ বাঙালী, আতরাফ মুসলমান ...

বাংলার মাটি বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক, হে ভগবান। বাংলার ঘর, বাংলার হাট, বাংলার বন, বাংলার মাঠ, পুর্ন হউক, পূর্ন হউক, পূর্ন হ্‌উক, হে ভগবান।রবীন্দ্রনাথ

ইমন জুবায়ের

জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/ জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন। [email protected]

ইমন জুবায়ের › বিস্তারিত পোস্টঃ

একদিন, কবি কায়কোবাদ

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:৪৪

আজ আগলা হাট থেকে এক জোড়া চিতল মাছ কিনেছেন কাজেম আলী কোরেশী । মেছুনি বড় দর হাঁকছিল। শেষ পর্যন্ত আড়াই টাকায় রফা হল। বছর পাঁচেক হল মানিকগঞ্জ সদরে বড় কন্যাটির বিবাহ দিয়েছেন । বাড়িতে জামাই এসেছে। আবদুর রহমান। বড় ভালো ছেলে ...

এক হাতে মাছ ঝুলিয়ে অন্য হাতে ছাতা ধরে একটু দ্রুতই হাঁটছেন কাজেম আলী কোরেশী । সময়টা পূর্বাহ্ন। ১৯০৭ সাল। জুলাই মাসের মাঝামাঝি। এ বছর বর্ষাকাল উজার করে তার জলের ভান্ডটি ঢেলে দিচ্ছে যেন! অবিরাম বর্ষণে ভিজে যাচ্ছে পূর্ব বাংলার মাঠঘাট। আজ অবশ্য বৃষ্টির তেমন জোর নেই। কেবল গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে। আকাশ যদিও মেঘলা।

কাজেম আলী কোরেশী মূলত কবি। ‘কায়কোবাদ’ নামে কবিতা লেখেন। কবির বয়স এ বছর পঞ্চাশ পূর্ণ হল। দীর্ঘদেহী, গৌড়বর্ণ। কবির পরনে পাজামা-পাঞ্জাবি। খয়েরি রঙের কুর্তা। মাথায় লাল রঙের তুর্কি ফেজ টুপি। পায়ে রাবারের কালো পাম্প শু। কবিকে দেখলেই বোঝা যায় কবির শিরায়-শিরায় পশ্চিম দেশিও মুসলমানের রক্ত বইছে । কবি যদিও নিজেকে মনেপ্রাণে বাঙালিই মনে করেন। বাংলা ভাষার প্রতি কবির অগাধ শ্রদ্ধা, মাতৃভাষা বলেই।



কবি কায়কোবাদ পেশায় পোস্টমাস্টার। আগলা গ্রামেই নিবাস । পড়ালেখা করেছেন ঢাকার পোগজ এবং সেন্ট গ্রেগরী স্কুলে । পিতা শাহামাতুল্লাগ আলী কোরেশী ছিলেন ঢাকা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবি । স্কুলের পাট চুকিয়ে কবি ঢাকা মাদ্রাসাতে ভর্তি হয়েছিলেন। পরীক্ষা অবশ্য দেওয়া হয়নি । তার বদলে পোস্টমাস্টারের চাকরি নিয়ে আগলা গ্রামে ফিরে এসেছেন। আগলা গ্রামটির অবস্থান ঢাকা জিলার নবাবগঞ্জ থানার পুবে।



কবি দীর্ঘদেহী বলেই ঝুঁকে ঝুঁকে হাঁটছেন। দু’পাশে ঘন বাঁশঝাড়। রাস্তায় এন্তার কাদা। বেশ কায়দা করে পা ফেলতে হচ্ছে। এসবে অভ্যেস আছে কবির। আজন্ম গ্রামেই লালিত। ঢাকায় পড়াশোনা করার সময় ছুটিছাঁটায় চলে আসতেন। অতিরিক্ত এক দিনও ঢাকা শহরে থাকতেন না। গ্রামের বাইরে কবির মন টেকে না। কবি মাদ্রাসা থেকে পাস করে বড় চাকরি করতে পারতেন। বড় পদের মোহ অবহেলা করে তিরিশ বছর আগে ফিরে এসেছিলেন জন্মগ্রামে। এ জীবনে আগলা গ্রাম ও তার মানুষকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে চান কবি। মনের সাধ এতটুকুই। মহান আল্লাহ্তালা এই দূলর্ভ মানবজীবন দান করেছেন। কবি সেন্ট গ্রেগরী স্কুলে পড়ার সময় কবি William Blake -এর কবিতা পাঠ করেছেন ফাদার রেমন্ডের নির্দেশে। সেই বিখ্যাত কবিতাটির চারটে পঙতি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন কবি:



To see a world in a grain of sand,

And a heaven in a wild flower,

Hold infinity in the palm of your hand,

And eternity in an hour.





উলটো দিক থেকে কে যেন আসছে। পরনে খাকি উর্দি, খাকি হাফপ্যান্ট । ওঃ, রানার শুধাংশু । গ্রামে- গ্রামে চিঠি বিলি করে শুধাংশু । বর্ষাকালেও বিরাম নেই । বেশ ভালো ছেলে শুধাংশু । অবসর সময়ে কবির সঙ্গে বসে সুখ-দুঃখের কত কথা হয়। সামান্য আয় শুধাংশু। তথাপি সুখি। পুজা-পার্বণে ধার দেনা করে হলেও পুষলি হাট থেকে বউছেলের জন্য নতুন কাপড় কিনে দেয় । দূর্গা পূজার চাঁদা ওই শুধাংশুর হাতেই পূজা কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেন কবি।

রানার শুধাংশু কবিকে দেখে আদাব দিল বটে, তবে থামল না। ওর যে থামার উপায় নেই!

হাঁটতে-হাঁটতে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালে কবি।

সামনের বাঁকে থিকথিকে কাদায় একটা জুরী গাড়ি আটকে আছে। গাড়িটা শাকুর খান মজলিস-এর। খান মজলিসরা আগলা গ্রামের অভিজাত বিত্তশালী পরিবার। নবাবগঞ্জ সদরেও দো-মহলা দালান আছে এদের। শাকুর খান মজলিস- এর কাঠের ব্যবসা । প্রায়ই বার্মা যান। রেঙ্গুন শহরেও নাকি বাংলোবাড়ি আছে। তাছাড়া খান মজলিসদের পূর্বপুরুষ জমিদার। সেসব জৌলুষ আজ অনেকটাই বিলুপ্ত হয়ে গেলেও আজও আগলা গ্রামের

শত শত বিঘে জমি এদের দখলে রয়েছে।

কবি উঁকি দিয়ে দেখলেন গাড়িতে শাকুর খান মজলিস-এর ছোট ছেলে আখলাক খান মজলিসও রয়েছে। এরা উর্দুভাষী। বাংলার ধার ঘেঁষে না। কবি পরিবারটিকে এসব কারণে এড়িয়ে চলেন।

পিছন থেকে দুটি লিকলিকে বালক জুরী গাড়ি ঠেলছে। মনা আর দুলু। এদের বয়স তেরো-চৌদ্দর বেশি না। কালো, শীর্ণ চেহারা। খালি গা, ছেঁড়া লুঙ্গি মালকোচা মারা । দু’জনেই বৃষ্টিতে ভিজে একশা। হাতে পায়ে কাদা মেখে ভূতের মতো দেখাচ্ছে। এরা দু’জন রজবালির ছেলে। রজবালি খান মজলিসদেরই বর্গা চাষী। উদয়অস্ত ফসলের মাঠে রোদে পুড়ে বর্ষায় ভিজে অমানুষিক পরিশ্রম করে কোনওরকমে টিকে আছে। আর ওদিকে রজবালিদের গায়ের রক্ত চুষে চুষে শাকুর খান মজলিস এবং আখলাক খান মজলিস দিনদিন থলথলে হয়ে উঠেছে। আখলাক খান মজলিস নাকি নিয়মিত মদ্য পান করে, মসজিদের ধারেও ঘেঁষে না। অথচ দৈনিক ফসলের মাঠে শরীরের নুন ঘাম ঝড়িয়েও আগলা জামে মসজিদে কবির পাশে এসে নামাজে দাঁড়ায় রজবালি । শত দুঃখ দারিদ্র সত্ত্বেও পবিত্র ঈদের দিনে রজবালির বিবি জমিলা সেমাই রান্না করে। ঈদের আগেই রজবালি গ্রাম ঘুরে সবাইকে দাওয়াত করে। পোস্টমাষ্টারকেও দাওয়াত করে। শুধাংশু কে নিয়ে ঈদের দিন সকালের দিকে রজবালির কুঁড়েঘরে যান কবি । শুধাংশুর ছেলে অংশও থাকে সঙ্গে। অংশু আবার সেমাই খেতে ভারি পছন্দ করে। অংশু নাকি ওর বাবাকে প্রায়ই জিগ্যেস করে, বাবা, সেমাই আগলার হাটে কিনতে পাওয়া যায় না কেন?

উত্তরে শুধাংশু বলে, সেমাই হইল ভগবানের পাসাদ। ভগবানের পাসাদ হাটে বিক্রি হয় না বাপ। পুজার নাড়ু কি হাটে কিনতে পাওয়া যায়?

না বাবা।

তাইলে?

অংশু আবার মনা আর দুলুর বন্ধু।

হঠাৎ গাড়ির ভিতর থেকে শাকুর খান মজলিস অবাঙালি ভাষায় তীব্র চিৎকার করে উঠলেন। সহিস রমজান ‘হট’ ‘হট’ করে চেঁচিয়ে উঠল। তারপর ঘোড়া পিঠে শপাং করে চাবুক কষাল। কাদায় আটকে থাকা জুরী গাড়িটি দুলতে- দুলতে চলতে শুরু করে। তারপর দেখতে দেখতে মিলিয়ে যায় চোখের আড়ালে ।

ছিঃ, মনা আর দুলুকে দুটিকে দুটি পয়সা দিয়ে গেলনা খান মজলিস সাহেব। এতক্ষণ ধরে চাকা ঠেলল। ক্ষোভে দুঃখে কবির চোখে পানি এসে যায় । পরক্ষণে সামলে নিলেন। ... শাকুর খান মজলিস- এর কাছে বদান্যতা আশা করাই ভুল। এরা বংশানুক্রমিকভাবে নবাবগঞ্জ অঞ্চলে শোষন করে আসছে। গত বছর ৩০ ডিসেম্বর ঢাকয় মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা হয়েছে। মুসলিম লিগে যোগ দিয়েছেন শাকুর খান মজলিস। কবিরা দুরদর্শী হয়। কবি জানেন: সম্ভবত মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্রে ডাক দেবে মুসলীম লীগ। কিন্তু, তাতে দরিদ্র মুসলমানের কী লাভ? মুসলিম রাষ্ট্রটির নিয়ন্ত্রণের ভার থাকবে মুসলিম অভিজাত শ্রেণির হাতে। তারা নিজেদের স্বার্থেই অর্থনৈতিক বৈষম্য অব্যাহত রাখবে। রজবালির দের মতো বর্গা চাষীদের পায়ের তলায় রাখবে। ওদিকে পৃথক রাষ্ট্রে গঠন হলে শুধাংশু আর অংশুদের হারানোর সম্ভাবনা আছে। সেই অস্বস্তিকর ভাবনাও কবির শরীরে শীতল আতঙ্কের স্রোত তৈরি করে।

এই শোন। কবি মনা আর দুলু কে ডাকলেন।

ওরা কাছে এলে মনার হাতে চিতল জোড়া তুলে দিলেন কবি। তারপর বললেন, তর মায়েরে কইস পোস্টমাস্টর সাবে দিসে।

মাছ নিয়ে মনা আর দুলু দৌড়াতে-দৌড়াতে চলে যায়।

ওদের চলার ছন্দে আনন্দের চিহ্ন স্পষ্ট।

কবি আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে হাঁটতে লাগলেন। মেছুনি এখনও আছে কিনা কে জানে। যাক, মাছ না পেলে সের দুয়েক গরুর গোস্ত কিনবেন। মনা ও দুলুর আনন্দে আনন্দিত হলেও পরক্ষণেই তীব্র অস্বস্তি ঘিরে ধরে কবিকে। সত্যিই কি মুসলীম লীগ পৃথক রাষ্ট্রের আন্দোলন শুরু করতে যাচ্ছে? একটু আগে মনা ও দুলুর বিরুদ্ধে নিষ্ঠুরতার জন্য কবির মাথার ভিতরে শাকুর খান মজলিস দের বিরুদ্ধে ডালপালা মেলছে ক্রোধ। সেই সঙ্গে মাথার ভিতরে গুঞ্জরিত হয় প্রতিবাদী বাক্য ....



কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী?

এ দেশের লোক যারা,

সকলইতো গেছে মারা,

আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি!

সে কথা ভাবিতে হায়

এ প্রাণ ফেটে যায়,

হৃদয় ছাপিয়ে উঠে - চোখ ভরা পানি।

কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী!

এ দেশের লোক যত

বিলাস ব্যসনে রত

এ দেশের দুঃখ কিছু নাহি বুঝে তারা।

দেশ গেল ছারেখারে,

এ কথা বলিব কারে?

ভেবে ভেবে তবু মোর হয়ে গেছে সারা!

প্রাণভরা হাহাকার

চোখ ভরা অশ্রুধার,

এ হৃদি যে হয়ে গেছে মরূভূমি-পারা!





... ঘটনাটি কাল্পনিক। কবি কায়কোবাদ-এর (১৮৫৭-১৯৫১) ‘দেশের বাণী’ কবিতাটি পাঠ করার পর তৎকালীন পরিবেশ -পরিস্থিতি অনুমান করে লেখা।



‘দেশের বাণী’ সহ কবি কায়কোবাদ-এর আরও দুটি কবিতার লিঙ্ক

Click This Link



উৎসর্গ: কবি জুবেরী।

মন্তব্য ৩৭ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:৫১

রাইসুল জুহালা বলেছেন: কবি কায়কোবাদের আসল নাম আজকেই প্রথম জানলাম। ভাল লাগল লেখাটা। এটা কি একদিন সিরিজের প্রথম কাল্পনিক ঘটনা?

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:৫৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: না। শাহ আবদুল করিম-এর লেখাটিও ছিল কাল্পনিক।
ধন্যবাদ।

২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:০৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: আমিও এই প্রথম জানলাম কবি কায়কোবাদের আসল নাম।
একদমই কাল্পনিক মনে হয়নি!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:০৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কবির আসল নাম আমিও জেনেছি কিছুদিন আগে। দেশের বাণী কবিতা পড়ে ধাক্কা খাই। তারপর কবি সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করি। তারপর কবির আসল নাম জানতে পারি।
লেখাটা সত্যিই কাল্পনিক।
(অফিস ফাঁকি দিয়া :) ) পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:১৩

রেজোওয়ানা বলেছেন: এইটা ফাঁকি না, রিফ্রেশমেন্ট :#)

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:১৩

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ওহ্ B:-)

৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:২৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। আমি দোহার -নবাব গঞ্জের লোক। কবির প্রতি আমার টানটাও অসীম।



এখনো বাসে করে দোহারের গ্রামের বাড়ি বটিয়াতে যাবার সময় নবাবগঞ্জের উপরে দিয়ে গেলে মহাকবি কায়কোবাদ উচ্চ বিদ্যালয়টি দেখলে মনে হয় এই তো সেই গ্রামে যেখানে এক সময় কবি বাস করতেন।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:৩২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমার কখনও নবাবগঞ্জ যাওয়া হয়নি। একবার যাব কবিকে শ্রদ্ধা জানাতে।
ধন্যবাদ।

৫| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:৪৩

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: Mohakobi kaikobad er asol nam school e thakte jenesilam.jemon vanusingh silo bishsokobi robi tagor er nick.sundor likhen.moteo kalponik mne hoi ni.valo laglo. +++

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:৫৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:২৮

বৃক্ষ বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর লেখার হাত আপনার । চালিয়ে যান । শুভকামনা ।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৪৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:৪৩

সায়েম মুন বলেছেন: কবি কায়কোবাদের নাম কাজেম আল কোরেশী না কাজেম আলী কোরেশী?
আমি জানতাম প্রথম টা।

কাল্পনিক গল্পটা ভাল লাগলো।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৪৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: Click This Link
ধন্যবাদ।

৮| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:৫৬

ভদ্র পোলা বলেছেন: আমার দেশের বাড়ির লোক!!!

আহা আহা , কত্ত ভালা ছিল গো!!!

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:০১

ইমন জুবায়ের বলেছেন: আপনি ভাগ্যবান। এক অর্থে আমরাও।
ধন্যবাদ।

৯| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৫

তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন: কবি কায়কোবাদের আসল নাম বাংলা পাঠ্য বইয়ে আছে; খুব সম্ভবত ক্লাস সিক্সের বইতে। :D

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৮

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কবে যে ক্লাস সিক্সে পড়েছি B:-)

১০| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৫

মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: পাঠ্য বইয়ে ছিল কাজেম আল কোরায়শী।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: উইকিপিডিয়ায় কাজেম আলী কোরেশী।
Click This Link

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: http://en.wikipedia.org/wiki/Kaykobad

১১| ০৫ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৭:১৪

দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: ভাল লাগল :) কল্পনাশক্তি দারুণ একটা ক্ষমতা, তাই না ভাইয়া?

০৫ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৭:১৫

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অবশ্যই।
:)

১২| ০৭ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৬

আকাশ_পাগলা বলেছেন:
উৎসর্গ: কবি জুবেরী। << ইনি কী ব্লগার? B:-) B:-) আগে দেখি নাই ত!! :| নাকি সত্যি কবি?


বস খুব ভাল্লাগছে।

০৭ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: হুমম।

১৩| ০৮ ই আগস্ট, ২০১১ ভোর ৪:৩৫

আকাশ_পাগলা বলেছেন: আমি ত ভাবছিলাম কবি জুবেরী একজন ব্লগার। ভাবলাম এই নামের ব্লগার ত আগে দেখিনি ! :( :(

০৮ ই আগস্ট, ২০১১ ভোর ৬:৫৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: জুবেরীকে আমি কবি বলি, তাই। :)

১৪| ০৮ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৮:০৪

েরজা , বলেছেন:
চমৎকার ।

০৮ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:৪২

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ৭:৪৬

এইযেদুনিয়া বলেছেন: বাহ! খুব সুন্দর।

১০ ই আগস্ট, ২০১১ সকাল ১০:০৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬| ১০ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:৪৫

বিদ্বৎকল্প বলেছেন: কাল্পনিক লেখা এত জীবন্ত হয় কিভাবে! অদ্ভুত সুন্দর!
ভাল লাগা রইলো।

১০ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:৫৭

ইমন জুবায়ের বলেছেন: কী ভাবে ভালো লিখতে হয় তা নিয়ে আমি দীর্ঘকাল ভেবেছি। আমি জাত লেখক নই। আমি বহু পরিশ্রমে নিজেকে তৈরি করেছি। এখনও করছি।
ধন্যবাদ ভালো লাগার জন্য।

১৭| ১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৯:৩০

বিদ্বৎকল্প বলেছেন: পরিশ্রম অনেকে করে এটা সত্যি! আপনি এখন জানেন কিভাবে ভাল লিখতে হয়। সব চেয়ে আনন্দের হয়ত এটাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:০৪

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ

১৮| ১৫ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:৪৬

আসকওয়ানমি বলেছেন: তার আসল নাম আমরা পাঠ্যবইয়ে পড়েছিলাম।

ইমন ভাই, একদমই কাল্পনিক মনে হয়নি লেখাটি। মনে হচ্ছিল চোখের সামনে ঘটছে। ভাল লাগা রেখে গেলাম

১৫ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:৫০

ইমন জুবায়ের বলেছেন: ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.