নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

https://www.facebook.com/bicharmani

বিচার মানি তালগাছ আমার

বিচার মানি তালগাছ আমার › বিস্তারিত পোস্টঃ

রফিকুল ইসলামের ২য় বিয়ে করার যুক্তি প্রসঙ্গে chatgpt-কে জিজ্ঞেস করে যা পেলাম...

০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



ইসলামে একাধিক বিয়ে বৈধ, তবে সেটা বড় দায়িত্বের বিষয়। শুধু “বৈধ” হলেই কোনো সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তম বা সবার জন্য উপযুক্ত হয়ে যায় না। Qur'an-এ বহু বিবাহের অনুমতির সাথে ন্যায়বিচারের শর্তও জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

যদি কেউ বলেন তিনি “জিনা থেকে বাঁচার জন্য” দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন, তাহলে ইসলামী দৃষ্টিতে এটা একটি বৈধ কারণ হতে পারে। কারণ ইসলাম হারাম থেকে বাঁচার জন্য বিয়েকে হালাল পথ হিসেবে দেখায়।

তবে মূল প্রশ্ন হলো:

তিনি কি দুই স্ত্রীর হক ঠিকভাবে আদায় করতে পারবেন?
সময়, খরচ, সম্মান ও আচরণে ইনসাফ রাখতে পারবেন?
কারও ওপর জুলুম বা অবহেলা হবে না তো?

এসব ঠিক থাকলে বিয়েটা শরিয়ত অনুযায়ী বৈধ হতে পারে। কিন্তু বৈধ হওয়া আর উত্তম/হিকমাহপূর্ণ হওয়া এক বিষয় না। অনেক কাজ ইসলামে জায়েজ হলেও পরিস্থিতিভেদে মানুষ সেটাকে দায়িত্বশীল বা সুন্দর সিদ্ধান্ত মনে নাও করতে পারে।

আরেকটা বিষয় হলো, কোনো আলেম হলে মানুষের কাছে তার আচরণের প্রভাব বেশি পড়ে। তাই তার সিদ্ধান্ত নিয়ে মানুষ সামাজিক ও নৈতিক দিক থেকেও আলোচনা করবে—এটা স্বাভাবিক।

তবে এটাও সত্য যে, যদি প্রথম স্ত্রী গভীর কষ্টে থাকেন, অবহেলিত বোধ করেন বা বাস্তবে তার হক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে “আমি সমতা রাখছি” বলা সহজ হলেও বাস্তবে সেটা হচ্ছে কি না—এটা বড় প্রশ্ন।

শেষ কথা হলো:
কাউকে শুধু দ্বিতীয় বিয়ের কারণে গুনাহগার বলা ঠিক না, আবার “জিনা থেকে বাঁচার জন্য করেছি” বললেই সব প্রশ্ন শেষ হয়ে যায় না। ইসলামে আসল গুরুত্ব হলো নিয়ত, ইনসাফ ও দায়িত্ব পালনের ওপর।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:১২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: একাধীক বিয়ে কোরআন সমর্থন করেনি। তবে ক্ষেত্র বিশেষ জায়েজ রেখেছে মাত্র।

০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৩৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কীভাবে বোঝাব, এই আলেমদেরকে...

২| ০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৭

অগ্নিবাবা বলেছেন: সভ্য সমাজে কোনো অবস্থাতেই স্ত্রী বর্তমান থাকা অবস্থায় স্বামীর দ্বিতীয় বিবাহ গ্রহণযোগ্য নয়। যদি একই সময়ে একজন পুরুষের একাধিক বিবাহের অনুমতি থাকে, তাহলে ধনী নারীরা সাহায্যের নামে দুই-চারজন এতিম ছেলেকে বিয়ে করতে পারবে না কেন? ধর্মের ভয় দেখিয়ে নারীদের দমিয়ে রেখে এই ভণ্ডামি আর বেশিদিন চলতে পারে না। ইসলামের এই প্রথা বন্ধ না হলে, ইসলামের প্রতি মানুষের বিরূপ মনোভাব সৃষ্টি হওয়াকে কেন অন্যায় বলা হবে?

০৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এটা ইসলামের কোন প্রথা নয়। প্রয়োজনে শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেয়া হয়েছে, কিন্তু সবসময় ১ স্ত্রীতেই উৎসাহ দেয়া হয়েছে...

৩| ০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কাউকে শুধু দ্বিতীয় বিয়ের কারণে গুনাহগার বলা ঠিক না,
.....................................................................................
যুদ্ধক্ষেত্রর পর বা পারিবারিক সমস্যার কারনে ইসলাম বৈধতা দেয়।
তবে আলেম সমাজে বহু বিবাহ বেশি হয় । এর কারন বলতে পারেন ?
একবার পত্রিকায় দেখেছি এক রিক্সাওয়ালা ৬৯টি বিয়ে করেছে,
যেখানেই রিক্সা চালাতে যায়, নিরাপদ বাসস্হান ও আহারের জন্য বিয়ে
দরকার বলে মনে করে । কিন্ত এতগুলো বিয়ে সে কিভাবে করতে পারে ???

০৭ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ইনসাফ না করতে পারলে ব্যক্তি গোনাহগার হবে। তবে আলেমরা মনে হচ্ছে এটার মিসইউজ বেশী করছে...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.