নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সেই দিন হব শান্ত....

বিদ্রোহী ভৃগু

সকল অনাচার আর অনিয়ম জাগায় দ্রোহ.....

বিদ্রোহী ভৃগু › বিস্তারিত পোস্টঃ

হেনী নদীর ‘কিউসেক কিউসেক’ হানি ও বুদ্ধিজীবীদের দালান্ধ দেশপ্রেম! বনাম করণীয়

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:০৩

(একটি প্রবন্ধ বিশ্লেষন ও ভাবনা)

বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটা অনলাইনে শিরোনামের চমকেই পড়তে শুরু করি।লেখার শুরুতেই লেখক খুব তাত্ত্বিক এবং তাথ্যিক ভাবেই অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশের তথ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনাপঞ্জি বিশদ বিশ্লেষন করেই প্রবন্ধটি লিখেছেন। সাধুবাদ জানাই। লিখলে এমন তথ্যবহুল লেখাই লেখা উচিত। অতপর ফেনি নদীর গতিপথ নিয়ে ফেনি নদীর মতোই আঁকা বাঁকা বিশদ বর্ণনা। অনেক কিছু জানার আছে বটে। ফেনি নদীর সৃমদ্ধ ইতিহাস, বৃটিশদের কর আদায় থেকে শুরু করে বেশ বিশদই লিখেছেন বটে। কিন্তু হোচট খেলাম এরপরেই অরিন্দমের আসল বিষাদ কথনে!

টুইস্টের শুরু এখান থেকেই -
“ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর চারদিনের ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে হওয়া কয়েকটি চুক্তির মধ্যে আলোচিত চুক্তিটি ফেনী নদী নিয়ে। জেলার নাম জানলেও আগে ফেনী নদীর নাম জানতেন না এমন অনেকেই এখন ফেইসবুকে অক্লান্ত ‘ফেনী…ফেনী’ টাইপ করে চলেছেন। এমনও খুঁজে পাওয়া যাবে যারা ফেনী নদীর আদি ইতিহাস জানেন না, সঙ্কট নিয়ে ধারনা রাখেন না তারাও চুক্তি নিয়ে সমালোচনায় মুখর। ”

মানে সকল সমালোচককে তিনি এক কাতারে ফেলে দিলেন! যা সঠিক নয় এবং উচিতও নয়। এরপর যা বললেন তা রীতিমতো হতবুদ্ধ করে দেয়ার মতো .....

----“ গণমাধ্যমে খবর হয়েছে, ওপারে মাটির নীচে পাইপ বসিয়ে অবৈধভাবেই নদীর পানি তুলে নিচ্ছে ভারত। এই অভিযোগ ৫-৭ বছর ধরে চলে আসছে। প্রায় ৩৬টি পাইপ দিয়ে ৭০-১০০ কিউসেক পানি অবৈধভাবে চলে যাচ্ছে ওপারে। তাহলে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি সাবরুমকে বৈধভাবে দেওয়াতে কেন এখন সমালোচনা? ”

মানে কি? তারা চুরি করেছে দীর্ঘদিন! তাকে কি জাস্টিফাই করলেন এ প্রশ্নবোধক দিয়ে? ‍চুরি ঠেকানোর কোন আন্ত:রাষ্ট্রীয় চিঠি চালাচালি, আপত্তি বা চেষ্টা হয়েছে কি? কেন নয়? মমতা দিদি যদি তার রাজ্যের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীকে মূখের উপর না করে দিতে পারে.. আমরা কেন পারিনা। পদ্মার জলও তাই পাইনা! তিস্তাও দিল্লী দূরস্ত!! আর সব কিছু ঢাকতেই কি এখন চুরিকে বৈধতা দিলেন এত সমালোচনা কেন বলে? তবে কি চুরিকেই স্বীকৃতি এবং বৈধতা দিয়ে মেনে নেয়া হলো চুক্তি করে? তা কি কোন ভয়ে না চাপে? না লোভে?

এরপরের প্যারায় পুরাই আক্কেল গুরুম। তিনি কিউসেকের অংক শেখালেন। আমরা্ও শিখলাম। চলূন আপনারাও শিখবেন ....
“ কিউসেক হচ্ছে পানির প্রবাহ পরিমাপের একক। প্রতি সেকেন্ডে কত ঘনফুট পানি ছাড়া হচ্ছে সেটাই কিউসেক। এক কিউসেক মানে হল ২৮ দশমিক ৩১৭ লিটার পানি। খাবার পানির ১ লিটারের বোতলগুলোর প্রায় ২৯টা বোতলেই ১ কিউসেক পানি হয়ে যায়। অথবা একটি বালতি ১৫ লিটার পানি ধারণ করলে এমন দুই বালতিতে এক কিউসেক পানি এঁটে যাবে।

ভারতকে দেওয়া ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি মানে হল ১.৮২x২৮.৩১৭ = ৫১.৫৩৬৯৪ লিটার পানি। এই পানি নিতে বালতি লাগবে মোটে (২X৫১.৫৩৬৯৪)/২৮.৩১৭ = ৩.৬৪টি অর্থ্যাৎ চারটির মত। ”

হুম এক কিউসেক মানে চার বালতি পানি, ধরেই নিলাম। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যাবে চার বালতি পানি।
মাত্র! এখন চলুন দেখে নেই ফাঁক টা কোথায়? শুভংকরের ফাঁকিটা ঠিক কোন খানে?
বাহ্যততো ঠিকই বলছে। ঠিকইতো। মাত্র তো চার বালতি! এতে আর কি এমন ক্ষতি! ছি: ছি: এত মানবিকতার কথা্ও তোমরা বুঝতে চাইতো না? সমালোচনা করছো! ভাবখানা এমন!

কিন্তু পার সেকেন্ড কথাটা পুরাই গলার ভেতর লুকিয়ে রাখছেন? না গিলে ফেললেন? প্রতি সেকেন্ড ১.৮২ কিউসেক বা ৪ বালতি পানি নিলে এক ঘন্টায় কত পানি যাবে? এক দিনে?
প্রতিদিন কি পরিমান পানি টানবে এ চুক্তি! মতো! দিনে কত ঘন্টা টানবে?
উনার প্রবন্ধের হিসাব অনুসারেই ধরি- ১.৮২ কিউসেক /সেকেন্ড হলে,

২৪ ঘন্টায় হয় একদিন, ৬০ মিনিটে হয় এক ঘন্টা, ৬০ সেকেন্ড হয় এক মিনিট
এক দিনে পাই মোট ৮৬৪০০ সেকেন্ড প্রতি সেকেন্ডে যদি নেয় ১.৮২ কিউসেক ( ৪ বালতি ! ) , তো একদিনে টানছে ১৫৭২৪৮ কিউসেক পানি !!! এক কিউসেক মানে হল ২৮ দশমিক ৩১৭ লিটার হিসেবে যা প্রায় ৪৫ লাখ লিটার! প্রতিদিন।

শুভংকরের ফাঁকি কি একেই বলে? মাত্র ৪ বালতির দারুন অংকের আড়ালে দেশ এবং জনতার বৃহত্তর স্বার্থ এভাবেই লুকিয়ে যায় জ্ঞানপাপীদের জ্ঞানের একমাত্রিকতায়? তারা বলেনা বিগত ১৭-২০ বছর ধরে এই নদীর পানি কিভাবে চুরি হচ্ছে!

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে ফেনী নদীতে বর্ষা মৌসুমে ৮-১০ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হয়। আর শুষ্ক মৌসুমে এ পানির প্রবাহ থাকে সর্বোচ্চ ৫০ কিউসেক। পানি উন্নয়ন বোর্ড যেখানে পানি পরিমাপ করে, ভারত তার ৫ কিলোমিটার উজানে পানি পরিমাপ করে থাকে। যৌথ নদী কমিশনে ভারতীয় তথ্য অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে ফেনী নদীতে পানি প্রবাহ থাকে ১০৯ কিউসেক।

মি. আনোয়ার বলেন, "যে ফিগারটা তারা বলছে এবং আমাদের হাতে আছে সেটা নিয়ে বিতর্ক আছে। এটা নিয়ে আমরা একটা কমিটি অচিরেই মিটিং করতে যাচ্ছি। সেখানে এগুলো ফাইনাল করতে পারবো। এই ডাটাগুলো আসলে সঠিক নয় এই মুহূর্তে।"

এদিকে ফেনী নদীতে চুক্তি ছাড়াই পাম্প বসিয়ে পানি তোলার অভিযোগ আছে। ত্রিপুরার সাবরুমে খাবার পানি সরবরাহের জন্য উজানে ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার হলে কোনো ক্ষতি হবে কিনা সে প্রশ্নের চেয়ে স্থানীয় মানুষের কাছে বিদ্যমান ভারতীয় পাম্পগুলো নিয়েই প্রশ্ন।

রামগড় এলাকায় গিয়ে নদীর তীরে ভারতীয় অংশে এরকম পানির পাইপ এবং পাম্প মেশিনের অস্তিত্ব দেখা গেছে।স্থানীয়রা একটি নদীতে একটি পাইপলাইন এবং তার পাম্পঘর দেখিয়ে বলেন, ২০০২ সাল থেকে এখান থেকে পানি তুলছে ভারত।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ নিয়ে প্রতিবাদ করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

রামগড়ে অবস্থিত ৪৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তারিকুল হাকিম বিবিসিকে বলেন, সীমান্তে ৩৬টি এরকম পাম্প মেশিন দিয়ে পানি তুলছে ভারত। নোম্যান্স ল্যান্ড থেকে এগুলো সরিয়ে নিতে বিএসএফ এর সঙ্গে বৈঠকে তাগাদা দেয়া হলেও জানানো হয়েছে, এটি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
উজানে বাংলাদেশ অংশে তিনটি পাম্প দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে পানি তোলা হয় বলেও স্থানীয় মানুষের কাছে জানা গেছে।

ওয়ারপো'র সাবেক মহাপরিচালক ম ইনামুল হক বলেন, ১.৮২ কিউসেক পানি দেয়ার চুক্তি হয়েছে সেটা তেমন কোনো ক্ষতি করবে না। কিন্তু এখনই যে পাম্পগুলো ভারতের অংশে বসানো আছে তার প্রতিটির ন্যূনতম ক্ষমতা দুই কিউসেক।

"২০ বছর আগে ফেনী নদীতে শুষ্ক মৌসুমে ১২০ কিউসেক পানির প্রবাহ ছিল সেটা এখন ৫০ কিউসেকে নেমে এসেছে। এর কারণ তারা উজানে পাম্প দিয়ে পানি প্রত্যাহার করছে। যদি এখন ১.৮২ কিউসেক নেয়া হয় তাহলে অন্যান্য যে ৩৬টি পাম্পে তারা পানি উঠাচ্ছে তার কী হবে?"

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য কে এম আনোয়ার হোসেন বলেন,

"অফিশিয়ালি এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নাই। তারা যদি তুলে থাকে সেটা হতে পারে। আমরাও আমাদের অংশে প্রয়োজনে পানি তুলে থাকি। এটা ঠিক একতরফা না। উভয়ের প্রয়োজনে উভয়ে তুলে থাকে। এটা চুক্তি বহির্ভূত যেসকল নদীগুলো আছে সেখানে হয়ে থাকে। সেজন্য ভবিষ্যতে যাতে সেটা নয় হয় সেজন্য সাতটি আন্তঃ সীমান্ত নদীর পানি বণ্টন চুক্তি হতে যাচ্ছে তখন এগুলো সমাধান হয়ে যাবে।"

আমাদের প্রতিবেশির যে স্বভাব এবং ইতিহাস তাতে এই চুক্তির শর্ত নিয়ে যদি কোন দেশ প্রেমিক প্রশ্ন তোলে অন্যায় হবে কি? এসব ক্ষেত্রে আমাদের দলান্ধ বুদ্ধিজীবীরা স্পিকটি নট। মূখে তারা। অথচ এগুলোই হওয়া উচিত আলোচনা-সমালোচনার মূল। যার মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসবে প্রকৃত সমাধানের এবং পারষ্পারিক স্বার্থ সুরক্ষার সঠিক পথ।

পানি সরবরাহের শর্ত:

যৌথ নদী কমিশন সূত্রে যানা যাচ্ছে, এবার ভারতকে ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের সম্মতি দেয়া হয়েছে সাতটি শর্ত:

১। 'লঞ্চিং অ্যাপ্রোচ'-এর প্রশস্ততা ৭.৬৫ মিটারের পরিবর্তে ৪.৫ মিটার হবে।
২। পাম্পের বৈশিষ্ট্য চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশে সরবরাহ করতে হবে।
৩। ফেনী নদী হতে পানি উত্তোলনের পরিমাণ ১.৮২ কিউসেকের বেশি হবে না, যা উভয়
দেশের প্রকৌশলীরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।
৪। বাস্তবায়নের পর উভয় দেশের প্রকৌশলীদের দ্বারা পাম্পের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।
৫। ত্রিপুরার সাবরুম শহরে ১.৮২ কিউসেক পানি সরবরাহ পাইপ একটির বেশি হবে না।
৬। ইনটেক ওয়েলের (কূপ) অবস্থান যৌথভাবে উভয় দেশের প্রধান প্রকৌশলীগণ নির্ধারণ
করবেন।
৭। ইনটেক ওয়েলের বিপরীতে ফেনী নদীর বাংলাদেশের দিকে ভাঙন দেখা দিলে ভারতীয় পক্ষ উক্ত অংশের নদী তীর সংরক্ষণমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবে।

শেষ করার আগে ধোঁয়াশা বা ভাসা ভাসা ভাবনায় নয়, সত্যিকারের তথ্য উপাত্তে হোক দেশের স্বার্থে যৌক্তি আলোচনা।
আসুন দেখে নেই যৌথ ইশতেহারে কি বলা আছে এ বিষয়ে।
মূল যৌথ ইশতেহারটি মোট ৫৩টি পয়েন্ট উল্লেখ আছে । এর মাঝে ফেনি নদী নিয়ে উল্লেখ আছে ২১ ও ২৩ এ এবং সবশেষে ৫০ নং ক্লজে চুক্তির অংশে

21. Both Leaders directed the Technical Level Committee of the Joint Rivers Commission to expeditiously exchange updated data and information and prepare the draft framework of Interim Sharing Agreements for the six rivers, namely, Manu, Muhuri, Khowai, Gumti, Dharla and Dudhkumar and to firm up the draft framework of interim sharing agreement of Feni River.

২১. উভয় নেতা যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি স্তরের কমিটিকে তাত্ক্ষণিকভাবে আপডেট হওয়া তথ্য ও উপাত্ত আদান-প্রদানের জন্য এবং মনু, মুহুরী, খোওয়াই, গুমতি, ধরলা ও দুধকুমার নামে ছয়টি নদীর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন শেয়ারিং চুক্তির খসড়া কাঠামো প্রস্তুত করতে এবং ফেনী নদীর অন্তর্বর্তীকালীন শেয়ারিং চুক্তির খসড়া কাঠামোটি তৈরী করতে.

22. Both Leaders appreciated the decision taken in the Water Resources Secretary level meeting in Dhaka for early start of the work on withdrawal of 1.82 cusec of water from Feni River for drinking purpose of the people of Sabroom town of Tripura.

২২. উভয় নেতা ত্রিপুরার সাবরুম শহরের জনগণের পানীয়জলের উদ্দেশ্যে ফেনী নদী থেকে
১.৮২ কিউসেক জল প্রত্যাহারের কাজ শুরু করার জন্য ঢাকায় জলসম্পদ সচিব পর্যায়ের
বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন;

এবং সব শেষে চূড়ান্ত চুক্তির তালিকায় উল্লেখ আছে এভাবে
. MoU on withdrawal of 1.82 cusec of water from Feni River by India for drinking water
supply scheme for Sabroom town, Tripura, India

সাব্রুম শহর, ত্রিপুরা, ভারতের পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের জন্য ফেনী নদী থেকে ১.৮২
কিউসেক জল প্রত্যাহারের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলো,

আমরা্ও আশা করি সমস্ত শর্ত মেনে এবং পারষ্পারিক কূটনৈতিক শিস্ঠাচার বজায় রেখে সমস্ত সমস্যার সুন্দর ভাবেই সমাধান হোক। কোন তত্ত্ব তথ্যের প্যাচে যেন দেশের স্বার্থ লংঘিত না হয়। এবং সু- প্রতিবেশি সুলভ মানসিকতায় তারা তা মাণ্য করবেন। তাদের প্রতি মানবিক যে দৃষ্টি ভঙ্গি বাংলাদেশে দেখিয়েছে তারা্ও পদ্মা এবং তিস্তার ক্ষেত্রে একই মানসিকতা প্রদর্শন করবে। কোন লেইম অজুহাত নয়, আমরা দেখতে চাই আন্তরিকতার বাস্তবায়ন।

তথ্য সূত্র:
প্রবন্ধ
https://opinion.bdnews24.com/bangla/archives/58233
বিবিসি
https://www.bbc.com/bengali/news-50032110

যৌথ ইশতেহার
https://mea.gov.in/bilateral-documents.htm? dtl/31911/IndiaBangladesh+Joint+Statement+during+Official+Visit+of+Prime+Minister+of+
Bangladesh+to+India

ছবি কৃতজ্ঞতা:
অন্তর্জাল



মন্তব্য ৭৫ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৭৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:১৬

বলেছেন: কে যেন বলেছে ..গরীবের বউ সবার ...........

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:২৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সেকি আর বলতে ভায়া!

ার বউ যদি হয় লোভি তখনতো সরের উপর সোয়া সের ;)

অনেক অনেক ধন্যবাদ আর শুভকামনা রইল

২| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ফেনী নদীর মাঝামাঝি বরাবর বর্ডার; এখানে থেকে দুই দেশ পানি নেয়; ট্রিপুরার লোকজন কম নেয়, সেখানকার চাষের বড় অংশ জুম ছাষ; বাংগালীরা বরো করেন।

শেখ হাসিনা দেশ চালান, এবং গড়ে বাংগালী ও প্রায় সব রাজনৈতিক নেতা থেকে বেশী বুদ্ধিমত্তা দেখায়েছেন ও দেশের স্বার্থ বেশী বুঝেন; উনি যেটা করেছেন ফেনী নদীর পানি নিয়ে, সেটা ভালো করেছেন, উনি তিস্তার পানি পাওয়ার জন্য অনেক কৌশল খাটাচ্ছেন।

উনি দেশের ৪/৫ কোটী কমবুদ্ধিমানের সাপোর্ট কখনো পাননি, তারপরও ভারতে ও বার্মার মতো অসৎ প্রতিবেশীর সাথে জাতির জন্য সংগ্রাম ও চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: শিরোনামেই বলেছি দলান্ধতার দেশপ্রেমও প্রেম বটে! তা সামগ্রিকতায় কতটুকু গ্রহণযোগ্য তা বির্চার্য!

উনার ভালর প্রতি যদি এতই আত্মবিশ্বাস রাতের আঁধারে ভোট ডাকাতি করেন ক্যান?
জনমত, এবং জনগণের ভাষা বুঝতে হবে।

এসব কৌশলের কথা শূনে সেই গল্পের অতি চালাক লোকের কৌশল বুদ্ধির কথা মনে পড়ে যায়!
যে মল্ল যুদ্ধে নীচে পড়েও যুক্তি দেয়- নীচে পড়লে কি হইছে রইদ (রৌদ্র) তা গায় লাগে নাই!!! ;) টাইপের

উনার ভারতের সাথৈ বিনিময়ে ব্যার্থতার পাল্লা এত বেশি আলোচনা করতে একটা প্রবন্ধ নয় পুরো বই হয়ে যাবে।
উনি স্রেফ নিজে ক্ষমতায় টিকে থাকার এক উন্মাদ সংগ্রামে লিপ্ত!
দেশের সংবিধান, সাংবিধান অধিকার লংঘন করে, বিরুদ্ধাচরণ করে, সামরিক শাসকদের চেয়েও জঘন্য কায়দায়
ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। আপাত সাফল্যে তৃপ্তির ঢেকুর তুললেও ভবিষ্যতই বলে দেবে -কে সফল?

৩| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

শিখণ্ডী বলেছেন: ১৯৬০ সাল থেকে ভারত দাবী করে আসছে ফেনী নদীর মাঝ বরাবর তাদের সীমানা। দুই দেশের মধ্যকার নদীর পানি স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশেরই ভোগ করার কথা। ভারত কেন চুক্তি করতে গেল সেটাই তো বুঝলাম না, ওরা তো চুক্তি ছাড়াই এমনিতেই বাংলাদেশের মত পানি ব্যবহার করতে পারত।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: তবেই বুঝুন!

তারা ভাল করেই জানে আনুপাতিক হারে তাদের অংশ খূবই অল্প!
অথচ ইতোমধ্যেই তারা চুরি করে গত ১৭-২০ বছল ধরে পানি প্রত্যাহার করছে। তা ইদািনং মাত্র সচিত্র নিউজ হচ্ছিল।
আগেতো মানুষ খবরই জানতোনা।

ফেনির জলে মানুষের রাগ অন্য কোন কারণে নয় পদ্শা এবং তিস্তা সহবড় বড় নদীর পানি বন্টনে চরম ব্যার্থতার ক্ষোভেরই বহিপ্রকাশ! পদ্মার মরুকরণ কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে মানা সম্ভব নয়?
অকাল বন্যায় বারবার প্লিবত হওয়াও মানা সম্ভব নয়!
অথচ সেকানে দেখী কেবলই কথার ফুলঝুরি! ভারত কোন ভাবেই সৎ প্রতিবেশীর আচরণ দেখায়নি দেবার ক্ষেত্রে!
তা যেমন নদীর জল, তেমনি তিনবিঘা-বেরুবাড়ী করিডোর অদল বদলে, বানিজ্যিক অসমতায়!
এক ট্রানজিটের বিনিমেয়ই যেখানে নদীর পানির শক্ত দর কষা সম্ভব ছিল - সেখানে জল, স্থলে পুরো দেশের বুক চিরে তারা ট্রানজিট সুবিধা ভোগ করলেও ভুটান, নেপালের সাথে সামান্য ট্রানজিট দিচ্ছে না!

লোভী অসৎ প্রতিবেশির আচরণ পরিত্যাগ করলেই সম্পর্ক অন্য রকম ভদ্রোচিত অবস্থায় পৌছবে।

৪| ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: এক কথায় বলুন, আমরা কি ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছি?

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সারা রাত রামায়ন পাঠ শেষৈ ভায়া যিদ বলেন- আচ্ছা সীতা কার বাপ?
আমি বলি ভায়া- আমায় করে দিন মাফ! ;)

আপনার কি মনে হয় বলুন তো? আমরা কি ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছি?

৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:০০

নীল আকাশ বলেছেন: যা ভেবেছিলাম তাই হয়েছে। ভারতীয় দালাল এসে হাজির! আরও আসবে, হপায় তো শুরু!
খেলারাম খেলে যা! দরকার পড়লে ল্যাংটা হয়ে খেলে যা!
পরে আবার ফিরব!
শুভ রাত্রী।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৪২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একাত্তরের রাজাকার
উনিশে দেখী ভাদাকার

হায়! তোরা এতই নীচ
দেশের স্বার্থ বলি দিস!

দু দলের তরেই ঘুণা
ছি: ছি: যা, মুখ দেখাস না!

৬| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:২৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ফেনী নদী বাংলাদেশেরএকটি আঞ্চলিক নদী।[১] নদীটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ফেনী, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১৫৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৫৯ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক ফেনী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ১২।[২উৎসমুখ ও পতিত মুখ
এক পাশে পার্বত্য রামগড় ও চট্টগ্রামের মিরসরাই, আরেক পাশে ফেনীর ছাগলনাইয়া। মাঝে ফেনী নদী। খাগড়াছড়ি’র পার্বত্য মাটিরাঙ্গা ও পানছড়ির মধ্যবর্তী “ভগবান” টিলা থেকে ছড়া নেমে আসে ভাটির দিকে। আর আসালং-তাইন্দং দ্বীপ থেকে রূপ নেয় ফেনী নদী নামে। ভগবানটিলার পর আসালং তাইন্দং এসে প্রাকৃতিকভাবে প্রবাহিত ছড়াকে কেটে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়েছে। [৩]

প্রবাহপথ
ফেনী নদী মাটিরাংগা ও পান ছড়ি এর মধ্যবর্তী ২৩°২০´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২°২০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে উৎপন্ন হয়ে রামগড় পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে ত্রিপুরা রাজ্য ও পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে সীমান্তরেখা এঁকে দিয়েছে। পরবর্তীতে পশ্চিমে আলীগঞ্জ পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে ত্রিপুরা ও চট্টগ্রামের মধ্যকার সীমান্ত তৈরি করেছে। পাহাড়ি নিবাস ত্যাগ করে ফেনী জেলা থেকে চট্টগ্রামকে বিভক্তকারী এই নদী সমভূমি ধরে প্রবাহিত হয়ে ২২°৫০´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°২৭´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।[৩]

বর্ণনা
উৎসমূল থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ফেনী নদীর দৈর্ঘ্য ১১৫.৮৫ কিমি এবং বঙ্গোপসাগর থেকে রামগড় পর্যন্ত ৮০.৪৫ কিমি অংশ বছরের গোটা সময় ধরে ছোট নৌকা চলাচলের উপযোগী। বর্ষা মৌসুমে ফেনী নদী কানায়-কানায় ভরে ওঠে এবং ভারি বর্ষণের পর প্রবল স্রোত আর ঘূর্ণিপাকে এই নদীর প্রতিটি বাঁক প্রমত্ত ও উত্তাল হয়ে ওঠে। নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদী, যা ছোট ফেনী নদী নামেও পরিচিত, ফেনী নদীর মোহনায় এসে মিলিত হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম জেলা থেকে কোন উপনদী এটির সঙ্গে এসে মিলিত হয়নি। পাহাড়ি ঢাল থেকে যথেচ্ছভাবে গাছপালা কেটে নেওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলে ব্যাপক ধস ও ভাঙনের কারণে নদীটি ধীরে ধীরে ভরাট হয়ে আসছে এবং পাহাড়ি ঢল জনিত বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।[৩]

বিতর্ক
চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকারী ফেনী নদী মূলত বাংলাদেশের অন্তর্গত। তবে ১৯৬০ সাল থেকে ভারত সরকার এই নদীর মধ্যভাগ পর্যন্ত ভারতের অধীনে দাবি করে আসছে।[৩]

সূত্র: উইকি, বাংলা পিডিয়া,

ফেনী নদীআই ডি নং: ১৮৪০১। উৎস মুখ:ক) পাহাড়ী এলাকা/নদী/হাওর/বাওর/ বিল : খাগড়াছড়ি জেলার পার্বত্য এলাকা হতে উৎপত্তিখ) অবস্থান : মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি ০২। পতিত মুখ: ক) নদী/হাওর/বাওর/ বিল/ সাগর : সন্দীপ চ্যানেলখ) অবস্থান : সোনাগাজী, ফেনী ০৩। প্রবাহিত গতিপথ এলাকাক) উপজেলা : ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী, মাটিরাঙ্গা ও মীরসরাইখ) জেলা : ফেনী ও খাগড়াছড়ি ০৪। ভৌত বিবরণক) দৈর্ঘ্য : ৮০.০০ কিমি.খ) প্রস্থ : ১৫০.০০ মিটারগ) গভীরতা : ১০.০০ মিটারঘ) অববাহিকা : ১২৬.০০ বর্গ কিমি. ০৫। প্রবাহক) মৌসুমী/বারোমাসি : বারোমাসিখ) প্রবাহবিহীন মাস : প্রযোজ্য নহেগ) কম প্রবাহের মাস : ডিসেম্বর হতে এপ্রিলঘ) বেশী প্রবাহের মাস : জুন-জুলাই ০৬। নদী অববাহিকায় অবস্থিত প্রকল্পক) পাউবো প্রকল্প : মুহুরী সেচ প্রকল্প
সুত্র: Click This Link

স্যার, উত্তর হয়েচে তো? ;)
হা হা হা

৭| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৩১

নতুন বলেছেন: দল কানারা অবশ্যই কত`া যেটা বলবেন সেটাই অমৃত বলে গিলে ফেলে তাই দলকানাদের কথা নিয়ে আমি মাথা ঘামাইনা।

কিন্তু্ এই ফেনী নদীর চুক্তি খারাপ বলে আমার কাছে মনে হয় নাই।

চুক্তি না করলেও ওদের বেশি পানি নেওয়া বন্ধ করার ক্ষমতা আমাদের নাই। তাই এখন চুক্তি করে একটা পরিমানযে আমাদের কাছ থেকে নিচ্ছে সেটা অফিসিয়াল হলো।

এখন এই চুক্তির হিসাব পরের অন্য কোন চুক্তির সময় কাজে লাগবে, আমরা বলতে পারবো যে তোমাদের ফেনী নদীতে তো এতো পরিমান দিচ্ছি।

দেশের বিষয়টা আমাদের রাজনীতিক দলের মানুষেরা যতটা না দেখে তার চেয়ে নিজেদের সাথ` বেশি দেখে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম।

ধন্যবাদ নিজেদের অক্ষমতার চরম ব্যার্থতাকে নূন্যতম সাফল্যের জন্য ব্যবহারে ক্ষুদ্রতম চেষ্টার প্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এই নূন্যতম কথা টুুকুও দলকানারা স্বখিরা করে না।

আর জনগতার ক্ষোভটা ঠিক ঐ জায়গাতেই।
নিজের বেলায় ষোল আনা, আমার বেলা কিছু না? ভারতের এই নীতির প্রতিই ক্ষোভ!
দু'ঘড়া জল দেবেন অমন বাঙালী একটাও নেই। কিন্তু তুমি শুধূ নেবেই গো দেবে না? উল্টো রাতে বেলা রেড়া ভাংতে চাইবো তাতো দেবো না নে!!!

কিন্তু এই সরকার ট্রানজিটের বদলে দেশ সিঙ্গপুর হবার যে স্বপনের মুলৌ জাতির সামনে ঝুলিয় ছিল, তারপর
জলে স্থলে অন্তরীক্ষে সব দিয়েও সিঙ্গাপুর দুরে থাক এক ত্রাহি মধূসুধন হালে পুরা জাতি! ক্যাসিনো গং আর এরা সুবিধা ভোগিরা ছাড়া! যারা আমরা ছোটখাট ব্যাবসা পাতি করি তারা প্রতিদিন প্রতিক্ষনে টের পাই- কোথা থেকে কোথা নেমে যাচ্ছি!

আগে নীতি ছিল ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়!
আর এখন রিভার্স চলছে!
একক ব্যক্তি বন্ধনায় থমকে গেছে সব!

৮| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বড় পোষ্ট, সময় নিয়ে পড়তে হবে।

আপাততঃ লাইক দিয়ে গেলাম। আপনার পোষ্টে চোখ বন্ধ করে লাইক দেয়াই যায়!

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:২১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ্ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় ভায়া

এ বিশ্বাস ও ভরসার জন্য হ্যাটস অফ অভিবাদন :)
পাঠোত্তর প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম

৯| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


পোষ্টে আপনার ভাবনা উঠে এসেছে, আপনি দেশের জন্য শেখ হাসিনার অবদানকে খাটভাবে দেখছেন, এটা বিরোধীতার জন্য বিরোধীতা, কিংবা আপনার ধারণার অভাব।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনি আপনার মত প্রকাশ করতেই পারনে।
সামুর গলা টিপে ধরা হলেও আপনার মন্তব্যের গলা টেপা হবে না। কারণ এটা আপনার অধিকার

আপনার দৃষ্টিভঙ্গিতে ধরেই নিয়েছেন বিরোধীতার খাতিরে বিরোধীতা! তাই অমন মন্তব্য
তা বদলে ফেলুন।
নিজেকে একজন আম বাঙালী হিসেবে ভাবুন। পদ্মার পারে, বা তিস্তার পারে
খরায় মরুতে আর অকাল বন্যায় বারবার ভাসা! ঘরবাড়ী, ফসল, হারানো
সাবলম্বি সেই কৃষক যারবিঘা বিঘা নদির পেটে গিয়ে এখন নি:স্ব
সেই বৃহত্তর অংশের পয়েন্ট অব ভিউ থেকে ভাবুন - আপনি পাচ্ছেন না কিছূই দিয়ে যাচ্ছেন কেবলই!

দেখূনতো ধারনার অভাবটা কোনখানে দেখায় যায়? আয়নায় নয়তো?

১০| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৩:৫৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ব্যাপারটা আমার পোষ্টে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছি।
নদীর মাঝ বরাবর সীমান্ত রেখা। আইনত ২ দেশেরই সমান অধিকার পানির। পাইপ লাগিয়ে সবাই নিচ্ছেও।
আপনি বলবেন - তাহলে চুক্তির কি দরকার?

চুক্তির তখনই দরকার যখন রাষ্ট্রিয় ভাবে নেয়া হবে। কারন পাইপ লাগাতে হবে নদীর মাঝে, অফিসিয়াল নো ম্যনস ল্যান্ডে।
সোজা ব্যাপারটা নিয়ে প্যাচানোর কিছু নেই।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমিও সব সোজাই বলার চেষ্টা করেছি।

আপনি সহজ ভাবে বুঝতে চাইলে আশা করি না বোঝার কিছূই নেই।

পুরা ফেনি নদী দিলেও বোধকরি বাঙালী কিছু বলতো না যদি সরকার ন্যায্য অধীকার টুকু আদায় করতে পারতো পদ্মা, তিস্তা সহ অন্যান্য ইস্যুতে। ব্যবসা বানিজ্য, চাকুরী, নদীর জল, ট্রানজিট, সবই খালি নিয়েই যাবে, দেবার বেলায় শুন্য!!
তাতে দলান্ধ ছাড়া বলুন কে হয় ধন্য? ;)

১১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসাধারন একটি পোস্ট। আপনার পোস্টে বিস্তারিত সব কিছু উল্লেখ করার পরও কিছু দলকানা দালালরা এসেছে মুলত আপনার পোস্ট নষ্ট করার পায়তারা নিয়ে।

এদের কমেন্টের প্রতিউত্তর করে আপনার মূল্যবান সময়ের অপচয় করবেন না। আবারো আসছি পোস্টের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
রাজাকার আর ভাদাকার
সব দূরে গিয়া মর

প্রতি উত্তর দেব। কারণ আমরাতো আর অনির্বচিত স্বৈরাচার নই?
গুম খুন আর মতপ্রকাশের রুদ্ধশ্বাস নীতিকে সমর্থন করিনা তাই।
বলার অধিকার সবার আছে। সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের মানদন্ডও আছে।

পুলিশের লাঠির বাড়ী আর অস্ত্রের ভয়ে সত্য হয়তো খানিক লুকিয়ে থাকে। হারিয়ে যায় না।
মহাকালে বরং মিথ্যাই কলংকিত হয়ে চিহ্নিত হয়।

১২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

সুপারডুপার বলেছেন: পাওয়ার না পেলে, কেউ-ই কোনো রাজনৈতিক দলের গোঁড়া সমর্থক হয় না। ব্লগারদের মধ্যে যাঁরা লীগের গোঁড়া সমর্থক, তাঁরা নিশ্চয় ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী - এমপি দের সাথে কথা বলার সামর্থ রাখেন । আপনারা উনাদের সাথে কথা বলে বাংলাদেশ থেকে সামহোয়্যারইন ব্লগ এর ব্যবহার খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।

যদি পারেন আপনাদের গোঁড়া সমর্থন করা ভালোই ।

যদি না পারেন আপনাদের গোঁড়া সমর্থনকে ধিক্কার জানাই। কারণ বর্তমান সরকার সামহোয়্যারইন ব্লগ বন্ধ করে, বাংলা ভাষায় মত প্রকাশের সবচেয়ে বড় একটি মঞ্চকে বাধা দিয়ে রেখেছে। এইখান থেকেই কি স্পষ্ট নয়, আওয়ামী লীগ সরকার কি করে যাচ্ছেন !

নাকি, মেগাবিট /সেকেন্ড মাপ না বুঝে 'বেশ কিছু আইএসপি থেকে সামহোয়্যারইন ব্লগ বন্ধ' - ফেইক নিউজে সবাই গা ভাসাচ্ছেন !?

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। ভাল বলেছেন।
তবে আরেক শ্রেনীর অন্ধ সমর্থক আছে যারা অনেকটা হিপনোটাইজড!
ভাল, মন্দ, সত্য মিথ্যা হিত-অহিত সব বিবেচনা লুপ্ত থাকে।

না ভায়া এ বিষয়ে বরং এক কাঠী সরেস তিনারা সরকারের চেয়ে। সরকার নিশ্চয়ই সামুতে বসে থাকে না। কেউ না কেউ তো অবহিত করে! তিনিরা বোধকরি এই শ্রেনী ভুক্তই!

চেতনার ঝান্ডাই বলেন আর নাস্তিকতার রংধনু রং সবই স্বার্থ হাসিলের ধান্ধা!
কারো ক্ষমতার কারো জার্মানির ভিসার জন্য
বাকী সব ক্যামোফ্লেজ! বিভ্রম! কুহকি উপস্থাপনা!!

১৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আবরার ফাহাদের স্ট্যাটাসটাতেও চুক্তির বিরোধীতার চেয়েও বড় ছিল, ভারতের প্রতি আমাদের নেতাদের সীমাহীন আনুগত্য প্রদর্শন যেটা আসলেই দৃষ্টিকটু। শেষের কবিতার উদ্ধৃতিটাও সেটাই বলে। বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় বাংডিয়ানদের নির্লজ্জতা আজ পরিস্কার। বাংপাকীদের থেকে এরা কোন অংশে কম যায় না, বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এককাঠি সরেস। ব্লগও এর বাইরে না।

আপনার পোষ্টেও আপনি চুক্তির বিরোধিতা না করে নির্লজ্জ আনুগত্যতার বিরোধিতাই করেছেন। সেটাই আসল ব্যাপার। আপনার পোষ্ট থেকে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো জানলাম। সময় করে এমন তথ্যভিত্তিক পোষ্ট দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।

ব্লগার সুপারডুপার এর মন্তব্যে সুপারডুপার লাইক। আমার মনের কথাটাই উনি বলেছেন।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভায়া বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য।

হুম। আর ঠিক ঐ জায়গাটাতেই ভয় সরকারের!

চুপ চাপ ঝোল খাচ্ছি! তুমি বাপু কেহে সবাইকে জানিয়ে বেড়াও। ক্রাপারটা এমনই যেন।
তাদের অনির্বচিত স্বৈরাচারিতা তারাতো ভালই বোঝে! পাকিদের মৌলিক গণতন্ত্রের নামে বাঙালীর নির্যাতনের দেশী ভার্সন উন্নয়নের গণতন্ত্র !
কি অদ্ভুত মিল পাকি চেতনায়?
কি অদ্ভুত মিল সামরিক স্বৈরাচারের সাথে!

অথচ দুটোকেই তারাই সবচে বেশী গালি দিয়েছে ক্ষমতার বাইরে থাকতে! আর এখন দুটোই তাদের সবচে প্রিয় চর্চার স্থান!
তাই হিপোক্রেসি তাদের মজ্জাগত। যুক্তি সত্য এবং সুন্দরের পথে হাটলে রাতের আঁধারে ভোট ডাকাতি করতো না।
নিলর্জের মতো ক্ষমতার লোভে, মোহে নীতি, নৈতিকতা, বিবেক সব বিসর্জন দিতো না।
তাই কাকে আর কি বলবেন ভায়া!






১৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:০৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,
চমৎকার লেখা । ইনফোগুলো খুবই ভালো লাগলো । আপনার লেখার বক্তব্যটিই কিন্তু দেশের বেশিরভাগ মানুষের কথা ।ভারতের সাথে একটা নদীর পানি চুক্তি খুব বড় কথা নয় । বড় কথা হলো এইসব চুক্তি থেকে দেশের কি পাওয়া হলো । বড় দেশ হিসেবে ভারতের চাপ আমাদের ওপর থাকবে সেটা ঠিক কিন্তু আমরা স্বাধীন দেশ হিসেবে নিজেদের দরকারি কোনো দাবি দাওয়াই যদি যৌথ চুক্তির মধ্যে দিয়ে আদায় না করতে পারি তাহলেই সমস্যা । দিতে দিতে আমাদের থালার সব কিছুইতো প্রায় নেই হয়েই আছে এখন থালাটাও যাবার জোগাড় । ইদানিংতো মনে হয় নেপাল ও ভুটানেরও আমাদের চেয়ে তুমনামূলক বেশি স্বাধীন ভাবে নিজেদের ভালোমন্দ নির্ধারণের ক্ষমতা হয়েছে ।আমাদের সরকার সেই ক্ষমতাটা ভারতের দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে দেখতে পারলেই কেউ আর এইসব চুক্তি নিয়ে কথা তুলবে না । ওয়েল ডান ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন বলেছেন ভায়া!

নত হতে হতে মাটিতে সেধিয়ে যায়
স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব দূরে দাড়িয়ে
পথ শিশুর অসহায়ত্বে
আমজনতার ভীরু আঙুল আকড়ে থাকে!

ধন্যবাদ রইল

১৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ভারত সৎ প্রতিবেশী নয় বলেই তাদের সাথে চুক্তি নিয়ে সব সময় 'ষড়যন্ত্র তত্ত্ব' খুঁজে পাওয়া যাবে। আলোচনা হতে হবে যৌক্তিক, তথ্য নির্ভর। আবেগ দিয়ে নয়। বর্তমানে এক টানা এক দল ক্ষমতায় থাকায় এবং একটু বিরোধী মত হলেই ট্যাগ লাগানোর সংস্কৃতির কারণে যৌক্তিক আলোচনা করতেও অনেকে পিছপা হয়। সবাইকে এক বাক্যেই দুর্বল করে দেয়া হয়। 'শেখ হাসিনার চেয়ে বড় দেশপ্রেমিক আর কে আছে?'

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এক নায়কতন্ত্রের সুফল কুফল দুোটই পড়েছি।
বাস্তবেও তাই দেখছি!

জাতির পিতার আত্মদান, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত, লাখো মা বোনের ইজ্জত সব কিছুকে এমন দুপায়ে দলে
পাকি স্বৈরাচারি চেতনায় এ কোন অশুভ প্রর্তাবর্তন!
হিস্টরী রিপিট ইটসেলপই কি তবে সত্যি?

আমজনতা অসহায়, অপেক্ষায়!

১৬| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সরি ভাই।
আমার কমেন্টে আপনার প্রপার উপাত্ত, অফিসিয়াল ডাটা তথ্যপ্রমান নিয়ে আপনার সুলিখিত পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ দেয়া হয়নি।
ধন্যবাদ কবি।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া

হুম। প্রীতির সাথে ধন্রবাদ গৃহিত হলো :)

ভিন্নমত হলেও সত্যে এমনই হওয়া উচিত।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৭| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ক্ষমতার প্রতি তীব্র লোভ মানূষকে কতখানি অমানুষে পরিনত করতে পারে তার প্রমান হচ্ছে হিটলার, সিরিয়ার আসাদ এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকার। লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের জন্য বর্ডার খুলে দেয়া, দেশের সকল স্বার্থ জ্বলাঞ্জলি দিয়ে প্রতিবেশি রাস্ট্রের গোলামী বরন করা, পুলিশ বাহিনীকে নিজেদের দলীয় পেটোয়া বাহিনীতে পরিনত করা, ছাত্র বিক্ষোভ দমনের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে ছাত্রলীগের টর্চার সেল খোলা এই সব কিছুই করা হচ্ছে শুধু অবৈধ ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য।

এই কারনেই বিচ্ছিন্নভাবে কোন ইস্যূ নিয়ে প্রতিবাদ, বিচার চাই আন্দোলন কোন সুফল নিয়ে আসবে না, যতক্ষন না ঐক্যবদ্ধভাবে এই স্বৈরাচারী সরকার পতনের আন্দোলন শুরু না হবে।



১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:০৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এক দফা এক দাবীর পথে তো বহু আগেই দাড়িয়ে দেশ!

দাবী করার মূখ গুলো নেই।
মাথা গুলো নেই
ক্রীতদাস আর দালালে ভরা
বিরোধী দলের অক্ষমতায়
প্রলম্বিত হয় দু:শাসন!

আমজনতা হাসফাস
দিন বদলের অপেক্ষায়!

১৮| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৪

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

আবরারের মূল বক্তব্যকে পাশ কাটানোর জন্যই এই ফেনী'র পানি ও গ্যাস নিয়ে অনর্থক আলোচনা চলছে। উনার বক্তব্য ছিল প্রতিবেশীর চাণক্যনীতির সমালোচনা ও বিশেষকরে এ দেশের সাচ্চা দেশপ্রেমিকদের চাণক্য পদলেহন। অথচ ছোট হলেও আমাদেরও যে মেরুদণ্ড আছে সেটা বিলীন হতে চলেছে।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। সেটাই!

শিবির ট্যাগিংয়ের আসল উদ্দেশ্যই ছিল সেটা! ধোপে টেকেনি যা!

থিংক ট্যাংক লাগে মেরুদন্ড দৃঢ় রাখতে। বিরোধী পক্ষ যারা আছে তারা ধূতি সামলাতেই পরাণ যায়!
মাল্টি ডাইমেনশনাল ক্যাপাবিলিটি সম্পন্ন লোকবল বোধকরি খুবই কম!
সংক্ষিপ্ত এবং ক্ষীন দৃষ্টি সম্পন্ন লোকেদের দিয়ে কি আর মেরুদন্ড সোজা রাখা যায়!

যুদ্ধ আর রাজনীতিতে কোন অজুহাত চলবে না।

ডু অর ডাই!
মাঝখানে মাইকা চিপায় ফাইসা আছি আমজনতা!
কারণ সেখানেও ভিশনারী খুব কম যে!

১৯| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

বিজন রয় বলেছেন: আমাদের কপালে শনি লেগেছে!!!

কে যে এই শনি ছাড়াতে পারবে!!

একমাত্র জনগণ।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম।
কথা সইত্য

কিন্তু তারা যে সব ভয়ের ভাং খেয়েছে!!!
আমার কি দায় পড়েছে গানের ফ্যান হয়েছে ..

জাগো, জাগো অনশন বন্দী উঠরে যত
জগতের লাঞ্ছিত ভাগ্যহত... জাগো.. গাইবার লোক নাই।

২০| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ফেনী নদীর পানি কতোদিন, কতো মাস, কতোবছর ধরে ভারত চুরি করছে?

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: পোষ্টে সচিত্র উল্লেখ আছে ভায়া :)

২১| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:২২

মা.হাসান বলেছেন: চুক্তি কিভাবে স্বাক্ষরিত হয়? এভাবে হয় কি যে প্রধানমন্ত্রী আরেক প্রধানমন্ত্রীকে বলেন-- "এসেই যখন পড়েছেন তখন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে যান না কেন? " ? নাকি দুই দেশের মধ্যে অনেক গ্রাউন্ড ওয়ার্ক হয়, খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় , এরপরে দুই দেশ সম্মত হয়ে এই বিষয়ে চুক্তি করে? বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অনেক আগে থেকেই ঢাকঢোল পিটিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী যাবেন, তিস্তার জলে চান করে শ্যাম বেনেগাল এর সঙ্গে সিনেমা দেখে আসবেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগে থেকে কখনোই বলা হয়নি ফেনী নদীর পানি নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হবে । এই লুকোচুরির কারণ কি? চুক্তি যদি এতই ইনোসেন্ট হবে তবে এই লুকোচুরির কারণ কি? চুক্তির ব্যাপারে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন। বারবার বলছেন খাবার পানি দেওয়া হচ্ছে। ৮ হাজার লোকের খাবার জন্য কি পরিমান পানি দরকার? এর ১০০ গুণের বেশি পানি দেওয়া হচ্ছে।

কেউ কেউ বলছেন চুক্তি হলে ক্ষতি কোথায়। প্রথম কথা চুক্তির মাধ্যমে আমরা স্বীকার করে নিলাম এই নদীর সীমান্তবর্তী অংশের অর্ধেক বাংলাদেশে পড়েছে, এর পরের অংশ ভারতের, এভাবে আমরা ৬০এর দশক থেকে করে আসা দাবি ছেড়ে দিলাম, ভারতের দাবি মেনে নিলাম যে নদীর সীমান্তবর্তী অংশের অর্ধেক তাদের।
২য়, এতদিন পর্যন্ত তারা চুরি করে পানি সরাতো, এখন বৈধভাবে সরাবে । পানি সরানোর বৈধতা আমরা দিয়ে দিলাম।
৩য়, নো ম্যানস ল্যান্ডে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে তারা স্থায়ী স্থাপনা তৈরি করতে পারতো না , এখন এই চুক্তির কারণে এখানে ভারি স্থাপনা তৈরি করবে।

এই বাকশালীরা ভারতকে ফারাক্কা বাঁধ চালুর অনুমতি দিয়েছিল, যার ফলে রাজশাহী অঞ্চল মরুভূমি হয়ে গেছে। বড় গলায় পদ্মা নদীর পানির বন্টন যুক্তির কথা বলে। বাস্তবতা হলো কোন গ্যারান্টি ক্লজ ছাড়া একটি চুক্তি করা হয়েছে যাতে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ পানি না পেলে আংগুল চোষা ছাড়া কিছু করার নেই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বলা হচ্ছে সন্ত্রাসী নেতা। অথচ এই সন্ত্রাসী নেতা যখন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তখন প্রটোকল ভেঙে অন্য কোনো মন্ত্রীকে না দিয়ে সরাসরি আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিজে ফোন করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। বিনিময়ে, আমরা দেখি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের গেলে কোন মন্ত্রীও না , একজন প্রতিমন্ত্রী এসে তাকে রিসিভ করেন।
শিক্ষা মানুষকে অন্ধ অনুকরন না করে চিন্তা করতে শেখায়। এই সব বাংডিয়ানদের আনুগত্য দেখে তাদের পাসপোর্ট বাংলাদেশের না ভারতের তা জানতে মুঞ্চায়।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অদ্ভুত তাদের নতজানুতা!

এত এত ভুরি ভুরি সত্য তাদের সামনে, তবু চোখ বুজে মিথ্যা বলবে!
অথবা সত্যকে ম্যানিপুলেট করবে। লুকোছাপা করবে।

যৌথ ঘোষনায়তো স্পষ্টই বলা হয়েছে - ঢাকায় জল সচিব পর্যায়ের বৈঠকে গৃিহত সিদ্ধান্ত!
অথচ ঢাকা বরাবরই এসবকে আড়ালই করে গেছে!
উল্টো শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছে!

তাদের পাসপোর্ট তো ভারত দেবে না! কারণ যে নিজ মাতৃভূমির সাথে বেঈমানি করতে পারে, তাকে তারা কিভাবে ভরসা করবে?
তাদের জন্য একরাশ ঘৃনা।

২২| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: সত্যি বলতে কি আবরার হত্যার কারনে ফেনী নদী ইস্যূ নিয়ে এত মাতামাতি হচ্ছে। এর চাইতে চৌদ্দগুন বেশি ভয়ঙ্কর হচ্ছে মংলা বন্দর ভারতকে ব্যবহার করতে অনুমতি প্রদান, কয়েক লাখ ভারতীয়দের বাংলাদেশেকর্ম সংস্থান (,গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বাৎসরিক রেমিটেন্স আয় প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার। এদেশে প্রায় ৫ লাখ ভারতীয় বাস করছেন। বিভিন্ন এনজিও, গার্মেন্ট এবং টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠানে এইসব ভারতীয় কর্মরত আছেন। এছাড়া সরকারি হিসাবের বাইরেও পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম থেকে অবৈধভাবে জীবনের সন্ধানে প্রতিবছরই প্রবেশ করছে অনেক ভারতীয় [link||https://www.priyo.com/articles/ভারতের-রেমিটেন্স-অর্জনে-শীর্ষ-পাঁচে-বাংলাদেশ]। এছাড়া সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের উপকূলে ২০টি রাডার সিস্টেম নেটওয়ার্ক স্থাপন করার অনুমতি দেয়া হয়েছে ভারতকে। view this link

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। সবই সত্যি
কিন্তু অদ্ভুত ভাবে নিরব সো কলড সুশীল সমাজ!

দেশের স্বার্থ
যখন দলান্ধতায় নির্ণিত হয় বুঝি এমনই হয়!

স্বাধীনতা সার্বভৗমত্বের উপর এমন খবরদারী চুক্তি হয় কি করে??
সব মিলিয়েই ক্ষোভ টা উগলে উঠেছে

২৩| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১

করুণাধারা বলেছেন: তথ‍্যসমৃদ্ধ, চমৎকার, পরিশ্রমী পোস্ট। অনেক কিছু জানা গেল। প্রতিমন্তব্য গুলো খুবই যথাযথ হয়েছে। তবে দলান্ধদের কিছু বোঝাতে পেরেছেন বলে মনে হয়না!

সুপার-ডুপার এর মন্তব্যে লাইক। তারা যদি এই দালালির বিনিময় সামুর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারেন...

আসলে ফেনী নদীর এই দেয়া পানি কোন ব্যাপার না। না হয় মুহুরী সেচ প্রকল্প ব্যর্থ হবে। যেমন ব্যর্থ হয়েছে তিস্তা সেচ প্রকল্প এবং জিকে (গঙ্গা- কপোতাক্ষ) সেচ প্রকল্প। আসল ভয়ের ব্যাপার যেটা ঢাবিয়ান উল্লেখ করেছেন, উপকূল তাদের নজরদারিতে দিয়ে দেওয়া।

এই লিংক, কেবল অদলান্ধদের জন্য view this link

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম।
ভয়টা ওখানেই বেশি। এবং সম্ভবত চায়না বেশ নাখোশ হয়েছে। ফান্ড স্টপ করে দিয়েছে শুনলাম।
দেখা যাক শ্যাম রাখে না কুল রাখে! ;)

না দলান্ধরা কখনওই বুঝতে চায়না, ব্যাতিক্রম ব্যাতিত।

শক্তিশালী একটা তৃতীয় পক্ষ যারা দেশপ্রেমে অটল এমন একটা শক্তি বিকাশ এখন সময়ের দাবী।
বিএনপির ভেতরে দেশপ্রেমের ছিটেফোটা দেখছি। এতটা অর্থব কোন বিরোধী দল হয় কি করে?
রাজনীতি আর যুদ্ধের মাঠে কি করুনার জায়গা নাকি? ফাইট করেই জিততে হবে।

২৪| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কিছু পেইড এজেন্ট অন্যায় চুক্তিটাকে যৌক্তিক বলার চেষ্টা করছেন। তারা জানেন না, ফেনী নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশে, প্রবাহ বাংলাদেশে। এটা কোন মতেই আন্তর্জাতিক নদী নয়। এ নদীতে বাঁধ দিয়ে পানি আটকাচ্ছে বাংলাদেশ। উন্মুক্ত এবং আন্তর্জাতিক নদী হলে একটা কথা ছিল কিন্তু আমাদের নদিতে হাজার কোটি টাকা খরচ করে আমরা বাঁধ দিয়েছি চাষাবাদের জন্য। সেখান থেকে ভারতকে পানি দেয়া হচ্ছে কোন যুক্তিতে?

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এই প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরেইতো আবরারের দু:খজনক ঘটনা।
যদি উত্তর থাকতো যুক্তি তর্কে উত্তর হতো।

চুক্তির ভাষাতে লক্ষ্য করুন- ঢাকাতে বসেই এই চুক্তির সব চূড়ান্ত হয়। অতচ পুরা জাতি ছিল অন্ধকারে।
ওপারে গিয়ে পরে ঘোষনা আসলো!!!

আত্শঘাতের কত নীচে নামলে পরে এটা সম্ভব!!!

২৫| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় কবি ভাই,

ছোটর প্রতি বড়র প্রবঞ্চনা সৃষ্টির আদিকাল থেকে ছিল, আছে এবং থাকবে। পোস্টটি খুব ভালো লিখেছেন।
শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় দাদা :)

আপনার এই জিনিষটা আমার বেশি ভাল লাগে। সত্যের সাথে থাকেন। দেশ জাতির উর্ধে উঠে
মানুষ আর মানবতার সত্যকে সবার উপরে স্থান দেয়াইতো শ্রেস্ঠ মনুষ্যত্ব।

আপনার জন্যে রইল একরাশ শ্রদ্ধা আর শুভকামনা

২৬| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইনি।
ওরা ২০০০ সালেও ফেনী নদীর পানি চেয়েছিল। তখন আমরা পানি দেইনি। কারন তখন নদীতে পানি কম ছিল।

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনার সাথে বিনয়ের সাথে দ্বি মত পোষন করছি।

অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্থ সামগ্রিকতার বিচারে।

আপনি আমার বন্ধূ সেজে শুধুই নিয়ে যাবেন। আমার ঘরে চুরি করাবেন, আবার বন্ধুত্বের দোহাই দিয়ে
সেই অধকিারের চুক্তি করবেন, কেমন হয়ে গেল না?

নদীর পানরি হিসাবে গোলমালের কথাও ছবি সহ তথ্য উল্লেখ আছে।
ভেবে দেখুন ক্ষতি আচে কি নেই!

২৭| ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,




তথ্যবহুল লেখা এবং যৌক্তিক আলোচনা।
তবে শেষ কথাটি হলো সহব্লগার যা বলেছেন তাই - গরীবের বউ সবার ...........

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রিয় আহমেদ জি এস ভায়া,

অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বড় কষ্টের এক অসহায় সমপর্ণ যে এক লাইনেই গরীবের বউ সবার ..
দরকার বাংলা সিনেমার সেই আলভোলা প্রতিবাদী নায়িকা, যে চীৎকার করে বলবে,
চৌধুরী সাব, খবরদার, আর এক পা এগুবেন না! আমরা গরিব হইতে পারি! আমরাও মানুষ!
আমাদের ইজ্জতের দাম আছে! না খাইয়া মইরা যামু তবু ইজ্জত দিমু না।
এই যে হাসুলি দেখছেন হাতে! আর এক পা আগাইলে কাইট্যা টুকরা টুকরা কইরা ফালামু!


২৮| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:১২

সোহানী বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষন বিগু। আমারও একই কথা "গরীবের বউ সবার"। তবে এরও সীমা আছে। আমরা পানি, গ্যাস, ভূমি, বন, বাঘ, নদী, সমুদ্র.... সহ সবই দিচ্ছি। গরীবের বউ শুধু সময় সময় নিলে হতো। কিন্তু এর কাপড় চোপড়, হাড় গোড়, রক্ত মাংস সবই তো নিচ্ছে........।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ইশশ... কতটা অসহায় উচ্চারণ ভাবো!

সময় সময় দিতে রাজি হয়েছো কতটা চাপে!
ভিক্ষা চাইনা কুত্ত সামলা র এত এত বাজে প্রয়োগ হচ্ছে যে আমরা এমন ভাবছি ও বলছি।

আমি বলবো না। চলো বাংলা িসনেমার সেই নায়িকার মতো প্রতিবাদ করি!
যারা ঠোটের কোনে উপহাসের হাসি হাসে হাসুক! প্রতিবাদের নূন্যতম ফোট্টট স্ফুলিঙ্গই যে আমার ঈমান
আমার আত্ম তৃপ্তি। আমার বিবেকের কাছে স্বচ্ছতা! একাত্তরের শহীদের শিক্ষা!



২৯| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:৩০

নীল আকাশ বলেছেন: ভূপেণ জিগাইলো- কর্তা, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে আমরা কি পাইলাম?

কর্তা আরাম করে হুকো টানছিলেন। ভূপেণের প্রশ্ন শুনে গলায় ধোয়া টোয়া আটকে বিশ্রী কান্ড হয়ে গেল। কোনরকমে কাশি চেপে ক্রোধান্বিত গলায় বললেন, এ কেমন প্রশ্নের ধারা ভূপেণ, তুইও দেখি দিন দিন রাজাকার হয়ে উঠছিস! মুক্তিযুদ্ধে আমরা একটা পতাকা পেয়েছি, মানচিত্রে জায়গা পেয়েছি, একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছি।

ভূপেণ মিনমিনে গলায় পূনরায় জিগাইলো- আর ভারত যে এত কিছু করলো তারা কি পেয়েছে কর্তা?

প্রশ্ন শুনে কর্তা উদাস হয়ে গেলেন। ভূপেণ জবাবের জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেও জবাব না পেয়ে নিজেই স্বগতোক্তির মত করে বললো, ভারত একটা ললিপপ পেয়েছো গো কর্তা! সেই স্বাধীনতার পর থেকেই চুষে যাচ্ছে।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন বলেছেন!

ভুপেন তো বুঝলো, আমরা বুঝবো কবে?

৩০| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: কতোবার শুনেছি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি হয় সেটা হবে সুপেয় পানির কারণে। আমাদের দেশের মত নেতৃত্ব থাকলে সেটি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ অমূল্য পানির মূল্য তাদের কাছে নেই । আমাদের পানি দানের বিপরীতে ভারতের আছে আন্ত নদী সংযোগ ।তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য অধরা হিস্যা । নিজেরে দেশকে এভাবে বঞ্চিত করা কতো বড় অপরাধ ভেবে দেখুন তো। এক পেশে নিয়ম কানুন আসলে জুলুম দেশের উপর দেশের মানেুষর উপর। সময়োপযুগী লেখা।

গণিতে কাঁচা তো আর সবাই না । শুভঙ্করের ফাঁকি অন্যদেশের কেউ দিলে মানায় দেশের কেউ দিলে নয় ।

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম।
ভাল বলেছেন কবি।

এমন নতজানু নেতৃত্ব থাকলে আর যুদ্ধের কি প্রয়োজন! বিনা যুদ্ধেই সব দিয়ে দিলে!!!
আত্মঘাতি বাঙালী কি একেই বলে?

শুভংকরে কত শত ফাঁকি! চুক্তি হলো কিন্তু ঢাকায়!
যৌথ ইশতেহারের ২২ নং টা পড়ে দেখূন! অথচ ঘোষনা দিল দিল্লি বসে!
নিজে দেশেরে কেউ এভাবে ঠকায়!!!!

৩১| ১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

গ্রিনভার্ভ বলেছেন: যেসব মানুষ জেগে থেকে ঘুমায় তাদের ত জাগানো যাবে না

১৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম
জ্ঞানপাপীরা সব জেনে শুনে বিষ করেছে পান
আর পুরা জাতি সেই বিষ জ্বালায় নীল হয়ে যাচ্ছে!

৩২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

শামছুল ইসলাম বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ খুব ভালো একটা পোস্ট ।
পোস্টে ++++ ।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া

আজ দেখলাম হাইকোর্টে চুক্তির স্থগিতাদেশ চেয়ে রিট হয়েছে। দেখা যাক কি হয়!

৩৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ব্লগ মুক্তির শুভেচ্ছা নিবেন।

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: :)

আহা! কি আনন্দ ভায়া :)

ব্লগের কোনায় কোনায়
হৃদয় ভরা কানায় কানায়
কেবলই হাসি কেবলই খুশি
এমনি যেন চিরদিন রয় :)

৩৪| ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



আমাদের অবশ্য ই ক্ষতি হয়েছে । তবে সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় অন্য দিকে আমাদের লাভ হয়েছে ।

আমরা যদি এখান থেকে কিছু দান করে অন্য পাশ থেকে আদায়ের চেষ্টা করতে পারি । যদিও আমি @চাদ্গাজী স্যার সাথে একমত । শেখ হাসিনা তার দৃঢ়তা দেখিয়েছেন ।

সামগ্রিক দিক বিবেচনাতে আমরা লসের ভাগী হয়েছি । তবে আমার মনে হয় এটা বেশি দিন স্থায়ী হবে না ।

অনেক দিন পর পোস্ট পড়ে ভাল লাগছে ।

একটা স্বাধীনতা যে কত ভাল লাগার তা বুঝানো অসম্ভব ।

০২ রা নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আর কত আঘাত পেলে শূন্য হাতে ফিরলে আশা করা বন্ধ করবো বলতে পারেন?

ফারাক্কার প্রভাবে পুরো দেশ আজ ক্ষগ্রিস্থ!
তিস্তা সহ অভিন্ন ৫৪টি নদীতে একতরফা বাঁধ!
ট্রানজিটের স্বপ্ন অধরা স্বপ্নই থেকে গেল! সিঙ্গাপুর দূলে থাক ভূটানের সাথে ২ মাইলের ট্রানজিট্ও দিলো না!
অথচ তারা বাংলাদেশের বুক এফোর ওফোর করে তাদের পন্য ট্রানজিট নিচ্ছে!

দৃঢ়তা শুধু নজিরে ক্ষশতা টিকিযে রাখার বলেই মনে হয়।
সার্বিক দেশে আর জনগনরে প্রতি নূন্যতম দায় আর ভালবাসা তাতে নেই।
থাকলে রাতের আঁধারে ভোট নিতে হতো না।

হুম স্বাধীনতা পূর্ন অর্থসহ সকলের জীবনে হোক উপভোগ্য এইই প্রার্থনা।

৩৫| ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



নদীর পানি বন্টন নিয়ে অতীতের কথামালার সুত্র ধরে ফেনী হেনী তেনী ( তিস্তা) পেনীর (পদ্মা )
প্রভৃতির পানি নিয়ে জাতিসঙ্গে গেলে মনে হয় সমস্যা একেবারে চীর জনমের মত শেষ হবে!!!
বিষয়টি জাতিসংঘের আলোচনা কিংবা শুনানীর টেবিলে যতদিনে উঠবে ততদিনে ভারত একতরফা
ভাবে গঙ্গার পানির মত সকল নদীর পানি তুলে নিয়ে দেশকে মরুভুমি বানিয়ে নদীর কোন চিহ্নই
রাখবেনা যাতে করে বংলাদেশ বিশ্ব দরবারে নদী বলে কিছু একটা ছিল বলে দেখাতে পারবে !!!!
নদী নাই দাবীও নাই ,আলোচনার টেবিলে বসে সকলে মিলে একযোগে মামলা ডিসমিস করবে।
অপেক্ষায় আছি সেই দিন কবে আসবে। কবে হবে পানি হানি নিয়ে আমাদের কান্নার অবসান !!!!

ধন্যবাদ পোষ্টটি দিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক কথা বলার অবকাশ তৈরী করে দেয়ার জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: নদী বাঁচাও দেশ বাঁচাও সবচে প্রাসঙ্গিক শ্লোগার এই সময়ে!

বর্ষার বুড়িগঙ্গা যখন স্বাভাবিকতা ফিরে পায় তখনই সত্যটা দৃশ্যমান হয় বটে।
নদী দূষনে আমাদের শৈল্পিক দায় যতটা কোন অংশে কম নয় নাব্যতার সংকট। যা কিছু হয় তাই যদি নদী জলে ধুয়ে যেতে পারতো
আমাদের চরম অসহনীয় অবস্থায় আটকে থাকতে হতোনা।
ফল, ফসল, পরিবেশ প্রতিবেশের কথাতো রয়েছেই।

মানচিত্র বদলে যাচ্ছে নাব্যতার অভাবে। নদী মাতৃক বাংলাদেশ এই অভিধা হারাতে বসেছে।
মরুকরণ, লবনাক্ত জলের ভেতরে প্রবেশ, জীব বৈচিত্র, মৎস বৈচিত্র সবই বিপন্ন। বিপন্ন পুরো দেশ।
তাই যত দ্রুত নদী অধিকার আদায় করা সম্ভব হবে ততই তা হবে দেশ ও জনগণরে জণ্য কল্যান কর।

অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ড. এম এ আলী ভায়া। অন্তহীন ‍শুভেচ্ছা আর শুভকামনা

৩৬| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ফেনী নদীর দুঃখে কি ব্লগে পোষ্ট দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন?


১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা

অনেক অনেক ধন্যবাদ ভায়া স্মরন করায়
আসলে খানিকটা অসহায়ত্ব বোধ তো আছেই
সময়ের সাথে শুন্যতার সত্যের টানাপোড়েনের অসহায়ত্ব!

আর ব্যক্তিগত খানিকটা চাপও দায়ী। চেষ্টা করছি প্রতিদিনই সাথে থাকতে
না লীখে হোক মন্তব্যে ;)

সে দু:খ কি যায়রে ভোলা ভাই! এতো দৃশ্যমান অদৃশ্য যত বিনিময়ের কে রাখে খবর ;)
অনেক অনেক শুভকামনা রইল

৩৭| ১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: পোস্ট খুব ভালো লিখেছেন।
শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।
ব্লগে লিখুন স্যার। অপেক্ষায় থাকি ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবা প্রিয় স্বপ্নবাজ সৌরভ

আপনাদের এমন সুগভীর ভালবাসাই টেনে আনে বারবার
অসহায়ত্ব, অপূর্নতা আর আলস্যের অন্ধ গলি থেকে :)

অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা রইল

৩৮| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

রেজাউল করিম সাগর বলেছেন: ভারতের প্রতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি তো বাংলাদেশে নতুন না! তাঁর উপর গত দুইবার ভোট ছাড়া জয় এসেছে। কথা বলার জায়গা কই! পিঠ বাচবে নিজেদের!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.