নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি সেই দিন হব শান্ত....

বিদ্রোহী ভৃগু

সকল অনাচার আর অনিয়ম জাগায় দ্রোহ.....

বিদ্রোহী ভৃগু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’, আমরা কতটুকু প্রস্তুত?

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:৩৪

আপডেট:২০-০৫-২০ সন্ধ্যা
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্পান বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম শুরু করে দিয়েছে। আজ বুধবার বিকেল চারটা থেকে এটি সাগর উপকূলের পূর্ব দিকে সুন্দরবন ঘেঁষা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ দিয়ে অতিক্রম করছে।
অতিক্রমের সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে। জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দীন আহমেদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বিকেল চারটা থেকে রাত আটটার মধ্যে আম্পান বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা অঞ্চল অতিক্রম করবে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ক্রমান্বয়ে কমতে থাকবে।
আপডেট:২০-০৫-২০ সকাল
আম্ফান আজ বুধবার (২০ মে) বিকেল/সন্ধ্যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আম্ফান দেশের ৩৯০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরাসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলাগুলো এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
উপকূলীয় দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১০-১৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে।

আপডেট:১৯-০৫-২০ সন্ধ্যা
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। বেলা আড়াইটা থেকে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে এর গতিবেগ। আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে মানুষের ঢল নেমেছে। আশ্রয় কেন্দ্রে আগতদের সেহেরি এবং ইফতারসহ শুকনো খাবারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ে আহতদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
এলাকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ায় সহায়তা করছেন স্বেচ্ছাসেবক, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।এদিকে যথাসময়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য উপকূলজুড়ে চলছে মাইকিং। জেলা সমূহে ঘুর্নিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরী আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আম্ফানের প্রভাবে দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এদিকে বিআইডাব্লিউটিসি চেয়ারম্যান খাজা মিয়া সংবাদমাধম্যকে বলেছেন, মঙ্গলবার বেলা ১টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশের পাঁচটি ফেরিঘাট দিয়ে কোনো ফেরি চলাচল করবে না।
ঘাটগুলো হল: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি, চাঁদপুর-শরীয়তপুর, লক্ষ্মীপুর- ভোলা এবং ভেদুরিয়া-লাহারহাট।

আপডেট:১৯-০৫-২০ সকাল
উপকূলবাসীদের মঙ্গলবার বিকাল থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব শাহ কামাল সোমবার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমরা মঙ্গলবার বিকাল থেকে লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া শুরু করব।
স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করেছে। গর্ভবর্তী নারী, মহিলা, প্রতিবন্ধী ও শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে। ইফতারের পর থেকে পুরুষদের নেওয়া হবে।
কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ আসায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, সরকারের পাঁচ হাজার আশ্রয় কেন্দ্রে ২১ লাখের মত মানুষকে রাখা যায়। এখন আমরা ওইসব এলাকার সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নিয়েছি। ফলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে রাখতে কোনো সমস্যা হবে না।

আপডেট:১৮-০৫-২০ সন্ধ্যা
ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়েছে উঠছে আম্ফান, বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়েছে উঠছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এটি উপকূলে আছড়ে পড়ার আগেই এটি সুপার সাইক্লোনের রূপ নেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম বন্দর ও কক্সবাজরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আপডেট:১৮-০৫-২০ দুপুর
খুলনা-চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী উপকূলে আঘাত হানতে পারে আম্ফান’
দিক পরিবর্তন করে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) শেষরাত হতে (২০ মে) বুধবার বিকাল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’।

আপডেট:১৮-০৫-২০ সকাল
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে (ক্যাটাগরি-৪) এ রূপ নিয়েছে আমফান
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আমফান আরও ঘনীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।
আমফান রাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১২৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১২১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার যা দমকা হাওয়ার আকারে ১৩০কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

** [ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ (দুই) নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৪ (চার) নম্বর (পুনঃ) ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ] **

আপডেট:১৭-০৫-২০
বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ’আম্ফান’ গত ৬ ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের দিকে এগিয়েছে।
আজ রোববার (১৭ মে) আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ৯ ও ১০ নম্বরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
আজ সকাল ৬টার তথ্য বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছিল, পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরকে থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড়টি। আর দুপুর ১২টার তথ্য বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। অর্থাৎ এই ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে ২৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের দিকে এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি।
দিক পরিবর্তন ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের, সরে এসেছে আরও উত্তরে


আমফানের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির চিত্র


আমফান নিয়ে সতর্কতার অংশ হিসেবে গতকাল দুপুরে সরকারের কৃষি আবহাওয়া প্রতিবেদনে বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ৮০ শতাংশ পেকে যাওয়া বোরো ধান কেটে ফেলতে হবে। পরিপক্ব হয়ে ওঠা সবজি, ফল তুলে নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে। মাছের পুকুর ও ঘেরের চারপাশে জাল দিয়ে ঘিরে ফেলতে হবে, যাতে জলোচ্ছ্বাসে মাছ ভেসে না যায়। আর যেসব ফসল কেটে নিরাপদ স্থানে নেওয়া যাবে না, সেগুলো মাঠের এক কোনায় উঁচু স্থানে পলিথিন দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে, যাতে ভারী বর্ষণে নষ্ট না হয়।

বন্দর ও উপকূলে সতর্কতা
ঘূর্ণিঝড় আমফানের গতি–প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং এসব জেলার আশপাশের দ্বীপ ও চর ৭ নম্বর বিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে। অন্যদিকে উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং এসব জেলার কাছের দ্বীপ ও চর ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং এসব জেলার কাছের দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলায় অতিভারী বৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
=
আম্ফান অর্থ শক্তিমান বা শক্তিশালী। এটি থাই শব্দ। থাইল্যান্ডের আবহাওয়াবিদেরা এই নামটি দিয়েছেন। বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশের আবহাওয়াবিদেরা মিলে ৬৪টি ঘূর্ণিঝড়ের নামের একটি তালিকা করেছিলেন। ওই তালিকার সর্বশেষটি ছিল আম্পান। এরপর সাগরে যে ঝড় তৈরি হবে, সেটি নতুন তালিকা থেকে ঠিক করা হবে।

দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি সামান্য পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে এই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। আজ শনিবার রাতেই এটি প্রবল শক্তি সঞ্চয় করলে সৃষ্টি হবে ঘূর্ণিঝড় আমফান।
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে/তীব্র ঘুর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বর্তমানে নিম্নচাপটির যে গতিমুখ রয়েছে, তা পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে ঢোকার পথ নির্দেশ করছে। তবে গতিপথ যে কোনো সময় পরিবর্তন করতে পারে। আর যে গতিতে এগোচ্ছে সেই গতি ধরে রাখলে ১৯ কিংবা ২০ মে’র দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানবে।


এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, গভীর নিম্নচাপটি শনিবার মধ্যরাতেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে আর আমফানে রূপ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এটি ব্যাপক শক্তি নিয়ে এগোতে থাকবে। এক্ষেত্রে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ উঠে যাবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার (কিমি) পর্যন্ত।
ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ ১৭ মে এটি তীব্র রূপ ধারণ করলে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ওঠবে ১২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। ১৮ মে খুব তীব্র রূপ নিয়ে বাতাসের গতিবেগ উঠে যাবে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। আর ১৯ মে অতি তীব্র রূপ নিয়ে আমপানের কেন্দ্রে সর্বোচ্চ বাতাসের গতিবেগ উঠে যাবে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এরপর গতি কমে ২০ মে ১৯০ কিমি, এরপর ১৭০ কিমি এবং ২১ মে ১৩৫ কিলোমিটারে নেমে আসবে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞানী সুনিতা দেবী এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে উড়িষ্যা প্যারাদ্বিপ থেকে এক হাজার ৪০ কিমি দক্ষিণে, পশ্চিবঙ্গের দিঘা থেকে এক হাজার ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে এক হাজার ৩০০ কিমি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে।

আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে (শনিবার রাতের মধ্যে) গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ রবিবারই (১৭ মে) এটা তীব্র রূপ ধারণ করবে। প্রথমে এটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক অগ্রসর হলেও কিছুটা দিক পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের (বাংলাদেশ) উপকূল দিয়ে এটি সমতলে উঠে আসবে ১৮ থেকে ২০ মে’র মধ্যে।
এক্ষেত্রে কলকাতা হয়ে খুলনা অঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করবে বাংলাদেশে। প্রভাব থাকবে রাজশাহী অঞ্চলেও। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগের ছকঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উড়িষ্যাতে ১৮ ও ১৯ মে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। আর পশ্চিমবঙ্গ ও আশেপাশের অঞ্চলে ১৯ ও ২০ মে ভারী থেকে অতি ভারী এবং তীব্র ভারী বর্ষণ হতে পারে। আনন্দবাজার, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রেও একই কথা জানা গেছে

গত বছরের নভেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর গতিপ্রকৃতিও ঠিক একই রকম ছিল। ওড়িশার পারাদ্বীপের কাছ থেকে বাঁক নিয়ে এ রাজ্যের কান ঘেঁষে সুন্দরবনের উপর দিয়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছিল সে। ‘আমফান’ এ রাজ্যে আছড়ে পড়বে, না কি বুলবুলের পথেই সে যাবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে ঘূর্ণিঝড়ের জেরে এ রাজ্যে আগামী সপ্তাহের শুরুতে ঝড়-বৃষ্টি হবেই। ভাসবে কলকাতা-সহ সাত জেলা।

এদিকে একটু আগে আপডেট পাওয়া গেল
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ সাতক্ষীরা অথবা সাতক্ষীরা-খুলনা উপকূল হয়ে সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।
‘আকুওয়েদার’ এবং ‘সাইক্লোকেইন’ ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে সম্ভাব্য গতিপথ হিসেব এমন পূর্বাভাসই দিয়েছে।

‘আকুওয়েদার’ ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া ‘আম্পান’র সম্ভাব্য গতিপথে দেখা যায়, এটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
অন্যদিকে ‘সাইক্লোকেইন’ ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথ অনুযায়ী, ‘আম্পান’ আরও ডান দিকে সরে সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এবং বাংলােদেশর মধ্যভাগ দিয়ে ভূটান যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে নয় নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

সত্যি বলতে কি- যখন আনন্দ বাজার আর শীর্ষনিউজ ডট কমে পুরো আপডেট পেলাম তখনো বাংলাদেশের সেরা সেরা পত্রিকা গুলোতে কোন নিউজই খুঁজে পেলাম না। না টপ না বটম কোথাও নেই। প্রথম আলো, ইত্তেফাক, কালেরকন্ঠ যদি এত দেরীতে জাগে আমজনতা জাগবে আর সচেতন হবে কখন? দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের বিবৃতিই বা কখন দেবে? ঝড় এসে গেলে পড়ে?
আশা করি দ্রুতই সংশ্লিষ্ট সকলে অতি দ্রুততায় কাজ শুরু করবেন।

এমনিতেই করোনাতে লন্ডভন্ড আমাদের সকল ব্যবস্থাপনা। তার মাঝে আমফানের তীব্র আঘাত আমাদের ক্ষতির সীমা যথেষ্ট বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সচেতনতা, সতর্কতা এবং যথাপোযুক্ত ব্যবস্তাগ্রহনের মাধ্যমে ক্ষতির পরিমাণ যত কমানো যায ততই মঙ্গল।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি, উপকূলীয় টিম এবং মিডিয়া অতিদ্রুত নিজেরা জাগুন এবং সবাইকে সচেতন করুন ।
২০১৯ এর মতো ঘূর্নিঝড় সচেতনতার মহড়া এবার দেখিনি। তাই মিডিয়াকে বেশি একটিভ ভূমিকা পালন করতে হবে। এবং সকল সচেতন নাগরিক যার যার নিজ অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব সর্বেোচ্চ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আগে করণীয়

# দুর্যোগের সময় কোন এলাকার লোক কোন আশ্রয়ে যাবে, গবাদিপশু কোথায় থাকবে, তা আগে ঠিক করে রাখুন এবং জায়গা চিনিয়ে রাখুন।
# বাড়িতে, গ্রামে, রাস্তায় ও বাঁধের ওপর গাছ লাগান।
# যথাসম্ভব উঁচু স্থানে শক্ত করে ঘর তৈরি করুন। পাকা ভিত্তির ওপর লোহার বা কাঠের পিলার এবং ফ্রেম দিয়ে তার ওপর ছাউনি দিন। # ছাউনিতে টিন ব্যবহার না করা ভালো। কারণ ঝড়ের সময় টিন উড়ে মানুষ ও গবাদিপশু আহত করতে পারে। তবে শূন্য দশমিক ৫ মিলিমিটার পুরুত্ববিশিষ্ট টিন ও জেহুক ব্যবহার করা যেতে পারে।
# উঁচু জায়গায় টিউবওয়েল স্থাপন করুন, যাতে জলোচ্ছ্বাসের লোনা ও ময়লা পানি টিউবওয়েলে ঢুকতে না পারে।
# জেলে নৌকা, লঞ্চ ও ট্রলারে রেডিও রাখুন। সকাল, দুপুর ও বিকেলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস শোনার অভ্যাস করুন।
# সম্ভব হলে বাড়িতে কিছু প্রাথমিক চিকিত্সার সরঞ্জাম (ব্যান্ডেজ, ডেটল প্রভৃতি) রাখুন।
# জলোচ্ছ্বাসের পানির প্রকোপ থেকে রক্ষার নানারকম শস্যের বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিন।
# বাড়িতে ও রাস্তায় নারকেল, কলাগাছ, বাঁশ, তাল, কড়ই ও অন্যান্য শক্ত গাছপালা লাগান। এসব গাছ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বেগ কমিয়ে দেয়। ফলে মানুষ দুর্যোগের কবল থেকে বাঁচতে পারে।
# নারী-পুরুষ, ছেলেমেয়ে প্রত্যেকেরই সাঁতার শেখা উচিত।
# ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে বা অন্য আশ্রয়ে যাওয়ার সময় কী কী জরুরি জিনিস সঙ্গে নেওয়া যাবে এবং কী কী জিনিস মাটিতে পুঁতে রাখা হবে, তা ঠিক করে সেই অনুসারে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
# আর্থিক সামর্থ্য থাকলে ঘরের মধ্যে একটি পাকা গর্ত করুন। জলোচ্ছ্বাসের আগে এই পাকা গর্তের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখতে পারবেন।
# ডায়রিয়া মহামারির প্রতি সচেতন দৃষ্টি রাখতে হবে। শিশুদের ডায়রিয়া হলে কীভাবে খাবার স্যালাইন তৈরি করতে হবে, সে বিষয়ে পরিবারের সবাইকে প্রশিক্ষণ দেন।
# ঘূর্ণিঝড়ের মাসগুলোতে বাড়িতে মুড়ি, চিড়া, বিস্কুটজাতীয় শুকনো খাবার রাখা ভালো।
# নোংরা পানি কীভাবে ফিটকারি বা ফিল্টার দ্বারা খাবার ও ব্যবহারের উপযোগী করা যায়, সে বিষয়ে নারীদের এবং আপনার পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেন।
# ঘূর্ণিঝড়ের পরে বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করুন। বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ। মাটির বড় হাঁড়িতে বা ড্রামে পানি রেখে তার মুখ # ভালোভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে, যাতে পোকা-মাকড়, ময়লা-আবর্জনা ঢুকতে না পারে।


পূর্বাভাস পাওয়ার পর দুর্যোগকালে করণীয়

# আপনার ঘরগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করুন। আরও মজবুত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। যেমন: মাটিতে খুঁটি পুঁতে দড়ি দিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশ বাঁধা।
# সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।
# বিপদ সংকেত পাওয়া মাত্র বাড়ির নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের আগে নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে বা আশ্রয়কেন্দ্রে পোঁছে দিতে প্রস্তুত হোন এবং অপসারণ নির্দেশের পরে সময় নষ্ট না করে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যান।
# বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সময় আগুন নিভিয়ে যাবেন।
# আপনার অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী যেমন—ডাল, চাল, দেশলাই, শুকনো কাঠ, পানি ফিটকিরি, চিনি, নিয়মিত ব্যবহূত ওষুধ, # বইপত্র, ব্যান্ডেজ, তুলা, ওরস্যালাইন ইত্যাদি পানি নিরোধন পলিথিন ব্যাগে ভরে গর্তে রেখে ঢাকনা দিয়ে পুঁতে রাখুন।
# আপনার গরু-ছাগল নিকটস্থ উঁচু বাঁধে অথবা উঁচু স্থানে রাখুন। কোনো অবস্থায়ই গোয়ালঘরে বেঁধে রাখবেন না। কোনো উঁচু জায়গা না থাকলে ছেড়ে দিন, বাঁচার চেষ্টা করতে দিন।
# শক্ত গাছের সঙ্গে কয়েক গোছা লম্বা মোটা শক্ত রশি বেঁধে রাখুন। রশি ধরে অথবা রশির সঙ্গে নিজেকে বেঁধে রাখুন, যাতে প্রবল ঝড়ে ও জলোচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে নিতে না পারে।
# আশ্রয় নেওয়ার জন্য নির্ধারিত বাড়ির আশপাশে গাছের ডালপালা আসন্ন ঝড়ের আগেই কেটে রাখুন, যাতে ঝড়ে গাছগুলো ভেঙে বা উপড়ে না যায়।
# রেডিওতে প্রতি ১৫ মিনিট পর পর ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনতে থাকুন।
# দলিলপত্র ও টাকা-পয়সা পলিথিনে মুড়ে নিজের শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখুন অথবা সুনির্দিষ্ট স্থানে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখুন।
# টিউবওয়েলের মাথা খুলে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং টিউবওয়েলের খোলা মুখ পলিথিন দিয়ে ভালোভাবে আটকে রাখতে হবে, যাতে ময়লা বা লবণাক্ত পানি টিউবওয়েলের মধ্যে প্রবেশ না করতে পারে।

দুর্যোগ-পরবর্তী করণীয়

# রাস্তাঘাটের ওপর উপড়ে পড়া গাছপালা সরিয়ে ফেলুন, যাতে সহজে সাহায্যকারী দল আসতে পারে এবং দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।
# আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষকে বাড়ি ফিরতে সাহায্য করুন এবং নিজের ভিটায় বা গ্রামে অন্যদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিন।
# অতি দ্রুত উদ্ধার দল নিয়ে খাল, নদী, পুকুর ও সমুদ্রে ভাসা বা বনাঞ্চলে বা কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার করুন।
# ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণ যাতে শুধু এনজিও বা সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজে যেন অন্যকে সাহায্য করে, সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে।
# ত্রাণের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সচেষ্ট হোন। ত্রাণের পরিবর্তে কাজ করুন। কাজের সুযোগ সৃষ্টি করুন। রিলিফ যেন মানুষকে কর্মবিমুখ না করে কাজে উত্সাহী করে, সেভাবে রিলিফ বিতরণ করতে হবে।
# দ্বীপের বা চরের নিকটবর্তী কাদার মধ্যে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধারের জন্য দলবদ্ধ হয়ে দড়ি ও নৌকার সাহায্যে লোক উদ্ধারকাজ শুরু করুন। কাদায় আটকে পড়া লোকের কাছে দড়ি বা বাঁশ পৌঁছে দিয়ে তাঁকে উদ্ধারকাজে সাহায্য করা যায়।
# ঝড় একটু কমলেই ঘর থেকে বের হবেন না। পরে আরও প্রবল বেগে অন্যদিক থেকে ঝড় আসার আশঙ্কা বেশি থাকে।
# পুকুরের বা নদীর পানি ফুটিয়ে পান করুন। বৃষ্টির পানি ধরে রাখুন।
# নারী, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ লোকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ত্রাণ বণ্টন (আলাদা লাইনে) করুন।
দ্রুত উত্পাদনশীল ধান ও শাক-সবজির জন্য জমি প্রস্তুত করুন, বীজ সংগ্রহ করুন এবং কৃষিকাজ শুরু করুন, যাতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি ফসল ঘরে আসে।

সচেতনতা, সতর্কতা এবং প্রার্থনায় আমাদের সকল বিপদ কেটে যাক।

কৃতজ্ঞতা:
https://www.cyclocane.com/amphan-storm-tracker/
ছবি- গুগল, আনন্দবাজার, অন্তর্জাল
তথ্য সূত্র: আনন্দবাজার, শীর্ষ নিউজ, প্রথম আলো, অন্তর্জালআপডেট:১৮-০৫-২০ দুপুর
খুলনা-চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী উপকূলে আঘাত হানতে পারে আম্ফান’
দিক পরিবর্তন করে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) শেষরাত হতে (২০ মে) বুধবার বিকাল বা সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’।

মন্তব্য ৬৮ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৬৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:১২

জাফরুল মবীন বলেছেন: আমি গতকাল এর রুট ট্র্যাক দেখছিলাম।বাংলাদেশের দিকে আসছে দেখে বেশ আতঙ্ক অনুভব করলাম।

তথ্যবহুল পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

অনুরোধ থাকবে নিয়মিত আপডেট দেওয়ার জন্য।

পরিস্থিতি বিবেচনায় পোস্টটি স্টিকি করা যেতে পারে।

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:১৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভায়া

আমি অবাক হলাম আমাদের বড় বড় পত্রিকাগুলো এখনো সর্বশেষ সকাল ১১:১৫তেও তাদের এ সংক্রান্ত কোন নিউজ নেই দেখে!!!!
নিয়মিত আপডেটে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। আর জরুরী কোন তথ্য অবগত হলে মন্তব্যে যুক্ত করলে কৃতজ্ঞ থাকবো।

করোনার পাশাপাশি আমরা যেন আমফানকেও সফল ভাবে মোকাবেলা করতে পারি এই আশা রইল

২| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:১৫

কল্পদ্রুম বলেছেন: ঘুম থেকে উঠেই টিভিতে দেখি বন্দরে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম..
কালকের প্রচন্ড গরমেই আশংকা করছিলাম যেহেতু এখনো পর্যন্ত বড় ঝড় আসেনি এ বছর.. কিছূ একটা হবে।
সকালেই দেখি এবারের ঝড়ের নাম আমফান। আর তিনি আসছেন্ বেশ ঝাঁকিয়ে!

করোনার পাশাপাশি আমরা যেন আমফানকেও সফল! ভাবে মোকাবেলা করতে পারি - এই টুকুই আশা

৩| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২০

অন্তরন্তর বলেছেন: করোনা মহামারির সময় আবার ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। গতরাতে বিবিসি ওয়েবসাইট এ পড়লাম খবরটা। সচেতন হবার বিকল্প নেই। আমাদের দেশের সংবাদপত্রের কথা বলে লাভ নেই আর এখন মানুষ সংবাদপত্র পড়ে না খুব একটা। এখন ফেসবুক আর ইউটিউব এর জামানা। ভাল পোস্ট। আল্লাহ পাক সকলকে হেফাজত করুন।

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম সেটাই দেখছি।

ভাগ্যিস বিকল্প মিডিয়া ছিল। নইলে ঘুমের ঘোরেই ঝড়ে উড়ে যেতে হতো ;)
প্রার্থনা একটাই -আল্লাহ পাক সকলকে হেফাজত করুন।

৪| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বিদ্রোহী ভৃগু ভাই, সাত নম্বর সংকেত না পরা পর্যন্ত আমাদের টনক নড়বে না। আমরা ১০ নম্বরেও নড়ে চড়ে বসার মানুষ না। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় বলি সুখ চলে একা একা আর দুঃখ দুর্দশা চলে দলবল বহর নিয়ে। এই অভিজ্ঞতা প্রায় ৩৫০ বছরের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের। করেনাভাইরাসের মতো এতো বড় মহামারী একা একা চলবে আমার বিস্বাস হয়না। লক্ষ্য করবেন বিপদ যখন আসে একটির পর একটি বিপদ আসতেই থাকে। প্রাকৃতিকভাবে করোনাভাইরাসের ভাইবোন লতাপাতায় আত্মীয় পরিজন থাকবে। ২০২০ থেকে করোনাভাইরাস যতোদিন থাকবে অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসতেই থাকবে।

সাগরের উপর যথেষ্ট অত্যাচার করা হয়েছে। সাগরের প্রতিশোধ নেয়ার পর্ব শুরু হবে কবে?

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যা বলেছেন। এটা এক অদ্ভুত রোগ বলা যায়!
অথবা সামান্য বাস্তুর মায়ায় -জীবনটাই হারিয়ে ফেলে..
অথবা ভানুর সেই কৌতুক- দিকিনা দিকি কি করের মতো!
দেখতে দেখতেই ভেসে যায়, উড়ে যায় হারিয়ে যায়....

হুম। তাইতো দেখছি। লতাপাতায় বেশ জড়িয়ে ধরছে। এর মাঝে নাসা শোনাল আরেক ভয়াবহ কথা
শুনেছেন বোধকরি- সূর্য যাচ্ছে লকডাউনে!!!!!!
কল্পনা করা যায়? আবার কি তবে বরফ যুগে ফিরে যাবে সভ্যতা???

৫| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি পড়েছি সূর্যের বিষয়টা। এগুলো ভয়ঙ্কর খবর। আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে বিশ্ব বিজ্ঞানীরা কিছু লুকোচ্ছেন। এ ধরনের আরো ভয়ঙ্কর কিছু হচ্ছে বিশ্বে - যা বিজ্ঞানীরা প্রকাশ করছেন না। পৃথিবীর স্মরণকালের পাপাচারে লিপ্ত ছিলো মানুষ। আর মানুষ হত্যার মতো জঘণ্য অপরাধে জয়জয়কার।

বরফ যুগ এটি একটি সময়ের সাইকেল - ফিরে আসতেই হবে। আজ নয়তো কাল - কাল নয়তো পরশু। মানুষ বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা খরচ করেছে মানুষ হত্যার পেছনে কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগে টিকে থাকার জন্য প্রস্তুতি কেমন তা আশা করি করোনাভাইরাস আক্রমণে আমরা সবাই কমবেশী বুঝতে পারছি।

আসুক সাইক্লোন - এরও প্রয়োজন আছে।


১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:০২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম। কিছু একটা লুকোচুরিতো আছেই।
এটা সাধারণ কিছু বিশ্লেষনেই ধারনা করা যায়।

সভ্যতার নামে অন্ধ ক্ষমতার দম্ভ দেখাতে পৃথিবীক জর্জর করেছে আঘাতের পর আঘাতে!
প্রকৃতির জন্য অবহেলার প্রতিশোধ প্রকৃতি নেবেই। আর সত্য তো চিরন্তনই।
আজ সকালেই এক প্রিয় ভায়ার এই রিলেটেড একটা স্ট্যটাস শেয়ারের লোভ সামলাতে পারছি না।

"সুরার নাম আত তাকভীর। এর অর্থ আলোহীন করা আবার অন্য এক অর্থে একে গুটিয়ে ফেলাও বলা হয়েছে। চমৎকার সুরের এই সুরাটি বাংলায় অনুবাদ মিলিয়ে পড়তে গিয়েই আমার চক্ষু চড়ক গাছে। এ তো ভয়াবহ জিনিস! একজন বিশ্বাসী হিসেবে আমাকে যা যা বিশ্বাস করতে হয়, তার মধ্যে কেয়ামতও আছে। সেই দিনের ভয়াবহ বর্ণনা দেয়া আছে। প্রথম কয়েকটা লাইনের অনুবাদ এমনঃ

যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে, যখন নক্ষত্র মলিন হয়ে যাবে, যখন পর্বতমালা অপসারিত হবে, যখন দশ মাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীসমূহ উপেক্ষিত হবে; যেদিন বন্যপশুদের একত্রিত করা হবে, যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে, যখন আত্মাসমূহকে মিলিত করা হবে,
যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে, কি অপরাধে তাকে হত্য করা হল? َযখন আমলনামা খোলা হবে, যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হবে, যখন জাহান্নামের অগ্নি প্রজ্বলিত করা হবে, َএবং যখন জান্নাত সন্নিকটবর্তী হবে, তখন প্রত্যেকেই জেনে নিবে সে কি উপস্থিত করেছে।

অর্থগুলো পড়ে আমার অদ্ভুত একটা অনুভুতি হলো। সুরেলা কন্ঠের সেই তেলওয়াত যখন আমি অর্থ সহ পড়লাম, আমার সমস্ত শরীর কেন যে কাটা দিয়ে উঠল। একটা অদ্ভুত পরিবর্তন টের পেলাম। আমি জানি না, সেটা কি বা কেমন।

আমি এই সুরা প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও শুনি। এমন না যে আমি বিশাল কোন ধার্মিক ব্যক্তিতে পরিনত হইছি। অদ্ভুত সুরটা আমার মাথায় গেঁথে আছে। কিছুক্ষন আগে আমি এই সুরাটি শুনে শোবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, হঠাৎ ইত্তেফাকের একটা সংবাদে চোখ আটকে গেলো। (Click This Link;) যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা একটা খারাপ খবর দিয়েছেন। শীতল হয়ে আসছে সূর্য, আসতে পারে 'ভয়ংকর দুর্যোগ'। বিশ্বখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. টনি ফিলিপস বলেন, বিশ্ববাসী সামনে এমন গভীরতম এক সময়ের ভেতরে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, যেসময়ে সূর্যের আলো কার্যত অদৃশ্য হয়ে যাবে। সূর্যের সোলার মিনিমাম চলছে। এটি অত্যন্ত গভীর। সানস্পট গণনা থেকে বোঝা যাচ্ছে এটি বিগত শতাব্দীর সবচেয়ে গভীরতম অবস্থানে রয়েছে। সূর্যের চৌম্বকীয় শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এর মানে হলো সৌরজগতে অতিরিক্ত মহাজাগতিক শক্তির প্রবেশের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

সাথে সাথে আমার মনে পড়ল সেই অদ্ভুত সুন্দর তেলোয়াত -
ইযাশ্ শাম্সু কুওওয়্যিরত্ - যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে, .........।
............... আলিমাত্ নাফ্সুম্ মা য় আহ্দ্বোয়ারত্ - সবাই জেনে যাবে সে কি নিয়ে উপস্থিত হয়েছে।

আসলেই কি নিয়ে উপস্থিত হবো?

৬| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৫৪

সাইন বোর্ড বলেছেন: এক বিপদের মধ্যে আরেক বিপদ, বাংলাদেশের কপালে মনে হচ্ছে অনেক বেশি দুঃখ আছে ।

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন।

বিশ্বাস, সচেতনতা, এবং প্রার্থনা চলূক একসাথে।
আল্লাহ চাহেনতো নিশ্চয়ই আমরা বিজয়ী হবো।

৭| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

নতুন নকিব বলেছেন:



আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা আমাদের হেফাজত করুন। সচেতনতা, সতর্কতা এবং দুর্যোগে করণীয় কাজগুলো ঠিক ঠিকভাবে করতে পারলে আশা করা যায়, এই জাতীয় সমস্যায় বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া অনেকাংশে সম্ভব।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। +

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভায়া

হুম। সেটাই। সমন্বয় চাই শুদ্ধ সমন্বয়। জ্ঞানে, বিশ্বাসে, আত্মসমর্পনে।
তবেই কল্যান।

শুভকামনা রইল

৮| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:২৪

মীর আবুল আল হাসিব বলেছেন: এই পোস্টটা স্টিকি করা হউক।

বিপদের শেষ নেই দেখছি। আগে বিপদ একটা গেলে তারপর আরেকটা আসতো; এখন একটা থাকা অবস্থায় আরেকটা আসছে। :(( :(( :(( :((

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম...
আশংকার কথাই বটে।

আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন।
সকল বিপদ আপদ বালা মুসিবত থেকে রক্ষা করুন।

৯| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমার জানা মতে এযাত্রা ভারতের উপর দিয়ে যাবে,
আমরা একটু বাতাস পাবো এই যা !!!

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ‘আকুওয়েদার’ ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া ‘আম্পান’র সম্ভাব্য গতিপথে দেখা যায়, এটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

অন্যদিকে ‘সাইক্লোকেইন’ ঘূর্ণিঝড় ট্র্যাকারে দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথ অনুযায়ী, ‘আম্পান’ আরও ডান দিকে সরে সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার সুন্দরবন উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

১০| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: মাথার উপর অলরেডি এক বিপদ ঝুলছে।
এর মধ্যে এই ঝড় এলে সব তছনছ হয়ে যাবে।

এই ঝড় নিয়ে আসলেই দেশের পত্রিকা গুলো অজানা এক কারনে নিরব আছে।

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:২১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম
বিপদের উপর বিপদ!

তবে একটা আশা জাগে.. ঝড় যদি করোনাকে ভাগিয়ে নিয়ে যায় ;) বড় বেঁচে যাই
হা হা হা

দুপুর একটার পর দেখলাম সবাই লাইনে এসেছে! ;)

১১| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,




মাথার উপর পড়ো পড়ো দূর্যোগ নিয়ে সুন্দর সচেতনতামূলক পোস্ট।

আগেরবার "বুলবুল" চুলগুলো উড়িয়ে নিতে পারেনি , এবারেও "আমফান" দু'চারটা সাম্পানকে উড়িয়ে নেয়া ছাড়া আর কিছু করতে পারবেনা। আর যদি খারাপ কিছু তুফান ওঠেও , তবে সে তুফানকে আমরা ডরাই না। কারন আমরা ঝড়-বন্যা প্রুফ।

তবুও সতর্কতা আর সচেতনতার বিকল্প নেই যে কোন ধরনের আপদের বিপদ কমিয়ে আনতে। আপনার দূর্যোগপূর্ব আর পরবর্তী করণীয় সাজিয়েছেন তাই যথাযথ ভাবেই।
+++++

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৫৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
যেমন বলেছেন তেমনই যেন হয়
বুলবুল চুলৈ শান্ত
সামফানে সাম্পানে থেমে যায়!! ;)

তবে বাঘ এলো, বাঘ এলো গল্পের মতো অবহেলায় যেন আবার সব না হারাই।
তাই একটু টিনের বক্সে বাড়ি মারা আরকি :)

যত অল্পতে যাবে ততই আমাদের স্বস্তি।
আপনার শুভকামনা সত্যি হোক। প্লাসে কৃতজ্ঞতা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভায়া . . .

১২| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৫০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আহরে বিপদরে কোথায় যাবে বাঙ্গালী

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:০১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জলে কুমির ডাঙায় বাঘ এমন হাল
ঘরে থাকতে বলেছে করোনা... ঘুর্নিঝড় বলে আশ্রয় কেন্দ্রে যা !!!

ঘুর্নিঝড় ধূয়ে মুছে যদি নিয়ে যায় করোনা
তবুও এক ভাল! কি ভাল না? ;)

১৩| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:২৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’, আমরা কতটুকু প্রস্তুত? করোনার পর সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে কিছু বলতে ভয় পাই। X(
আপনার প্রশ্নের উত্তর একমাত্র আল্লাহ জানেন। আল্লাহ ভরসা।

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সেতো চরম সত্যি।

অসহায়ের সহায় আল্লাহ ছাড়া গতি নাই।

১৪| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

মাহিরাহি বলেছেন: আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমিন।

আমরা যেন কম ক্ষতিগ্রস্থ হই সেটাই প্রার্থনা।

১৫| ১৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:১৩

রুদ্র নাহিদ বলেছেন: প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপে আর ঝড় নিয়ে মানুষের মনে ভয় নাই। 'হার্ড ইম্যুউন' হয়ে গেছে। তা না হলে করোনার মতো মহামারিতে সারাবিশ্ব যখন তোলপাড় এই দেশে মানুষের মধ্যে গা ছাড়া ভাব।এখন আর যেন কিছুই গায়ে লাগে না, বেঁচে থাকার প্রতিযোগীতায় গায়ের চামড়া মোটা হয়ে গেছে।

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: নির্মম সত্য।
ঘুর্নিঝড়েও অনেক প্রাণ যায় এই চেতনার কারণেই।
দিকিনা দিকি কি হয় ভাবতে ভাবতে জলের তোড়ে ভেসে যায় বা বাতাসের উড়ে যায়!

যেখানে নিয়মতান্ত্রিকা শুন্যে নেমে যায়, নিরুপায় মানুষ বুঝী এভাবেই গায়ের চামড়া মোটা হয়ে যায়।

১৬| ১৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



আরেকটা পরীক্ষা, আরেকটা নেয়ামত, নাকি প্রাকৃতিক দুর্যোগ?

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একজন বিশ্বাসীর জীবন পুরোটাই পরীক্ষা ক্ষেত্র। অবিশ্বাসীর তা নয়।
সকল নবী রাসূলদের সময় এমনই হয়েছে। অবিশ্বাসী যখন চূড়ান্ত গজব এসেছে বলেছে- এটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ!
আমাদের কিছুই হবে না। পরে তারা সমূলে ধ্বংস হয়েছে।
নূহ, আদ, সামুদ, লুত কত কত ধ্বংসাবশেষ তার স্বাক্ষ্য হয়ে আছে।

একই ঘটনা দুষ্টিভঙ্গির কারণে বহুমাত্রিকতা পায়। তাই আপনি যেভাবে সূখানুভব করেন ভেবে নিন।

১৭| ১৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:১৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
এর আগের একটা ঝড় আসবো আসবো করেও
শেষ পর্যন্ত আসে নাই। আশা করি এটাও পাশ কেটে
যাবে। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। আমিন

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এমন হলেও তো ভালই।

কিন্তু একটু আগেও দেখাল এটার গতিপথ আগে আংশিক বাংলাদেশ মূখি ছিল। কিন্তু এখন পুরোটাই আরোউত্তরে সরে এসেছে। আরও উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে দক্ষিণাঞ্চল হয়ে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় যেকোনো সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। এটার গতিমুখও পরিবর্তন হচ্ছে, আরও হতে পারে। আর যে গতিতে এগুচ্ছে সেই গতি ধরে রাখলে ১৯ কিংবা ২০ মে’র দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে ‘আমফান'

আমরা প্রার্থনা অবিরত রাখতেই পারি। তিনিতো দয়ালু, পরম দয়াবান।

১৮| ১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ধর্মে নুহ সম্পর্কে যা লিখা হয়েছে, সেটা রূপকথা; উনার নৌকায় উহার নিজের পরিবার ও নিজের গৃহপালিত জীবজন্তু ছিলো হয়তো; বাকীটুকু রূপকথা। নুহের সময়ের প্লাবনে মেসোপটেমিয়া ও তুরস্কের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছিল মাত্র।

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনার বিশ্বাস সর্ম্পকে অবহিত হলাম।

ধন্যবাদ।

১৯| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৮:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সময়োপযোগী পোস্ট। মাথার উপর আরেকটা আয়লা বা আরেকটা বুলবুলের হুঙ্কার। এপারে সব শ্রেণীর মানুষেরা প্রকৃতির রোষানলের আতঙ্কে আতঙ্কিত। সময়টাও নেহাত কম নয়,চার চার দিন।আর এমন চারদিনের জন্য ঘুরতে আসাটা যেন আর এক প্রস্থ অর্ধ সপ্তাহের লকডাউন মন হচ্ছে।
সুনীতা দেবী বা আনন্দবাজারের প্রতিবেদন সম্পর্কে সৈয়দ মুজতবা আলীর একটা জোকস মনে পড়ছে। একবার নাকি ঢাকা হাওয়া অফিসের একটা প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, আপনারা এমন নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেন কেমনে? উত্তরে তারা জানিয়েছিল, আমরা কলকাতার হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসের স্রেফ উল্টোটা ঘোষণা করি। উল্লেখ্য আলিপুর হাওয়া অফিসের গত পঞ্চাশ বছরে পূর্বাভাস মেলার কোন নজির নেই।

যাইহোক, করোনা বা ঘুর্ণিঝড় উভয় ক্ষেত্রেই আমাদের নিজেদের নিরাপত্তার জন্য স্টে অ্যাট হোম, এখনও বজায় রাখতে হবে।
ভয়ঙ্কর ঘুর্ণিঝড়ের পরিপ্রেক্ষিতে পরিশ্রমী সচেতন মুলক পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা প্রিয় কবি ভাইকে।


১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৩৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা
দারুন কৌতুকের জন্য ধন্যবাদ।

বিপদের উপর বিপদ। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন। রক্ষা করুন।
উপকূলীয় অঞ্চলে প্রস্তুতি ঠিক মতো রাখলিই হলো।
আমাদের যে গা ছাড়া ভাব। বিপদ নাকের ডগায় না এলে হুশ ফেরেনা। তাই ভয় হয়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় পদাতিক দা’
নিরাপদ থাকুন। সুস্থ থাকুন।

২০| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: যদি এই ঝড় এলে করোনা থেকে মুক্তি মেলে তাহলে আমি এই ঝড় চাইবো।

১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: তেমন হলেতো ভালই হয় ....

২১| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ২:১২

ওমেরা বলেছেন: আল্লাহ ভরষা !

১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সেইই...
আল্লাহ ভরসা।

২২| ১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:৫৪

জাফরুল মবীন বলেছেন: আজ যে আপডেট দেখলাম তাতে তো মনে হলো উনি আমাদের কোনভাবেই ছাড়বেন না।যেভাবে গতিপথ বাঁকছে তাতে যদি খুলনা-উত্তর বঙ্গ-পূর্ব বঙ্গ হয়ে নাও যায় তারপরেও মংলা-চট্টগ্রাম-মিয়ানমার হয়ে যাবে বোধ হয়।অর্থাৎ আমাদের রক্ষা নাই বলেই মনে হচ্ছে। :((

১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুমম
লক্ষন তো তেমনই দেখা যাচ্ছে!!


ছবি-১



ছবি-২

২৩| ১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:৩৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: লোকজনকে সাইক্লোন সেন্টারে আনলেও তো আরেক বিপদ!সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হবে।এক্ষেত্রে উপকুলের কাছাকাছি স্কুল-কলেজ এবং অফিসগুলোকে ব্যবহার করা যেতে পারে।দেশের সকল হাসপাতালে ও করোনা পরীক্ষা কেন্দ্রে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।এ সাইক্লোন প্রচুর মেঘ নিয়ে আসছে সুতরাং সম্ভাব্য বন্যার ব্যাপারে আগাম সতর্ক হতে হবে।সবদিক বিবেচনায় জরুরি অবস্থা জারি করে সেনাবাহিনী ডিপ্লয় না করবে বড় বিপদে পড়ে যেতে পারি আমরা।আগাম ব্যবস্থা না নিয়ে এ মহাবিপদ ঠেকানো অসম্ভব হয়ে পড়তে পারে।

১৮ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সেই অসম্ভবের কথাই যেন পুনারাবৃত্তি করলেন মাননীয় দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মহোদয়!

গৎবাধা অন্যান্যবারের মতোই গতানুগতিক নির্দেশনা দিলেন আজ।
সময়টা যে করোনার তার কোন উল্লেখ বক্তব্যে নেই। এবং আপনি যে বিষয়গুলো হাইলাইটস করেছেন
এবং সমাধানে দারুন প্রস্তাবনা রেখেছেন এমন ভাবনাও বোধকরি তাদের মাথায় নেই। কারণ থাকলে তা
বক্তব্যে প্রতিভাত হতো।

বাতাস ছাড়ার পর (অর্তাৎ ঝড় যখন নাকের ডগায়) তখন মনে হয় শুরু হবে মূল কাজ। আমজনতার
কি আর করা। দোয়া ছাড়া।

১৮ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বিপদ সংকেত ৭ এ উঠে গেছে!
সুপার সাইক্লোনে পরিণত হতে যাচ্ছে আমফান!!!

কি ভয়ংকর রুপেই না আছড়ে পড়ে ভেবে শংকিত বোধ করছি ভায়া।

২৪| ১৮ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

সোহানী বলেছেন: খুব আতংক আছি বিগু। এমনিতেই করোনায় আমরা দিশেহারা এখন এ সময়ে এ ধরনের আক্রমন আরো ভয়াবহতার ইঙ্গিতই করে।

অনেক ধন্যবাদ এমন ডিটেইলস লিখার জন্য। পোস্টা স্টিকি করার দরকার ছিল আগেই। যাহোক, পলাশেরটা করা হয়েছে।

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৮:০৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আজ রাতেই বা কাল দুপুরের মাঝেই হয়তো বিপদ সংকেত ১০ এ উঠে যাবে।
আর একই গতিতে যদি সুপার সাইক্লোন হয়েই ওঠে. এর ধ্বংস ক্ষমতা তো চিন্তার বাইরে!!!

আর আমাদের মানুষতো সীমিত সম্পদে অসহায়ত্বের বোধ থেকেই আকড়ে থাকতে চায় শেষ পর্যন্ত!
আর তাতে সবশেষে সম্পদও যায় জীবনও যায়!

হুম পলাশ ভাইয়ের টা স্টীকি আছে। একটা থাকলেই হলো :)
দোয়া করো যেন আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করেন, দয়া করেন।

২৫| ১৯ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:৫০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকারী পর্যায়ে সাইক্লোন মোকাবেলার প্রস্তুতি কার্যক্রম চলছে,
ইতিমধ্যে সরকারী কর্মকর্তারা ২বার আনুষ্ঠানিক সভা করেছেন
তবে করোনার কারনে এবার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ ভিন্ন তাই আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা
দ্বিগুন এর বেশী করা হয়েছে ।

..............................................................................................
এখন ৬নং সংকেত চলছে, তবে ১০নং মহাবিপদ সংকেত না হলে
উপকুল এলাকার লোক সাইক্লোন সেন্টারে যাবে না । বা তাদের
নেয়া যায় না,

১৯ শে মে, ২০২০ সকাল ৮:৪৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভায়া আপডেট দেয়ায়। কৃতজ্ঞতা।

আশা করি কথা ও কাজে প্রকৃত মিল থাকবে।
আজ বিকেল থেকে সম্ভবব আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া শুরু করবে।
সবকিছূ সহিহ সালামত হোক এটাই কামনা।

১৯ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। বেলা আড়াইটা থেকে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। ধীরে ধীরে বাড়ছে এর গতিবেগ। আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে মানুষের ঢল নেমেছে।
মানুষ আগের চেয়ে সচেতন হয়েছে বোঝা যাচ্ছে। সম্পদ গেলে সম্পদ করা যাবে কিন্তু জীবন গেলে ফিরে পাওয়া যাবে না।
স্বেচ্ছাসেবীরা মাইকিং করছেন। আশা করি প্রাণহানী ইনশাল্লাহ কমই হবে।

২৬| ১৯ শে মে, ২০২০ সকাল ৭:৩৯

জাফরুল মবীন বলেছেন: এখন পর্যন্ত এর যা গতিপথ তাতেতো মনে হচ্ছে বাংলাদেশকে আচ্ছামত ডলা দেবে।অ্যাকু ওয়েদার জানমালের ক্ষতির একটা সম্ভাব্যতার চিত্র উপস্থাপন করেছে-

১৯ শে মে, ২০২০ সকাল ৮:৫৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুমম পুরাই

এক্সট্রিম এবং হাই দুটোই পুরো বাংলাদেশকে কাভার করছে
মডারেট আর স্ট্রং পশ্চিম বঙ্গ উড়িষ্যা, আসাম, ভূটান ইত্যাদি ছুঁয়ে যাবে।

ক্ষয়ক্ষতি হবে ধারনাতীত।
কারণ আমরা নিত্য এর মোকাবেলা করলেও আমাদের নির্মান ষ্ট্রাকচারে কোন পরিবর্তন আসে নি।
এ পরিস্থিতি সহায়ক বা ক্ষয়ক্ষতি কম হয়ে সামাল দিতে পারবে সুপার সাইক্লোন বা সাইক্লোন এমন স্থাপনা গবেষনা
হয়েছে কিনা চোখে পড়েনি। এই বিষয়ে স্থপতিগণ ভেবে দেখতে পারেন।




১৯ শে মে, ২০২০ সকাল ১০:১৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ভাইজান ছবিটা পোষ্টে এড করে দিলাম,
অগ্রিম জামিনের মতো অগ্রিম অনুমোদন (সম্ভাব্য পজিটিভ) ধরেই।
;)

২৭| ২০ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:২০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সাইক্লোন এখন সুপার সাইক্লোন নামে অবহিত, আছে ভুবনেশ্বর এর কাছাকাছি,
খেপুপাড়া থেকে ৬৫০ কি.মি আর চট্টগ্রাম থেকে ৭৪০ কি.মি দুরত্বে আছে,পায়রা বন্দর থেকে ৬১০ কি.মি।
রাজশাহী খেপুপাড়া দিয়ে যাবার সময় ১২৮ খেকে ১৫৫ কিমি বাতাসের বেগ হবে ।

সাগর এখন উত্তাল, উপকূলে প্রথম যখন আঘাত হানবে তখন আনুমানিক বাতাসের
বেগ থাকবে ২০০ খেকে ২৪০ কিমি ।
....................................................................................................................................
সুতরাং আমার আগের বক্তব্যর সাথে মিল রেখে বলা যায়, মূলত পশ্চিমবঙ্গের উপর
দিয়ে হালদীয়া সহ দীঘায় আঘাত করবে, যাবার সময় সুন্দরবন আঘাত করবে, তবে তখন তার গতিবেগ থাকবে
৫৫ কি.মি ।বাংলাদেশের সুন্দরবনের শ্যামনগর প্রথম আঘাত সহ্য করবে সেখানকার ৩০ হাজার জনগন সাইক্লোন
সেন্টারে নেয়া হয়েছে । জলোচ্ছাস হতে পারে ৫-১০ ফুট, আমাদের সাইক্লোন বাধঁ আছে ১০ ফুট কোথাও কোথাও
তা মেরামত করার কথা , না হলে ওখান দিয়ে সমুদ্রে নোনা জল ঢুকে ফসলের ক্ষতি করবে ।

..................................................................................................................................
সর্বমোট ১২ হাজার আশ্রয় কেন্দ্রর প্রস্ততি সম্পন্ন হয়েছে । ৯১ লক্ষ লোকের আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত করা হয়েছে,
সেখানে সামাজিক দুরত্বর কথা চিন্তা করে ১৪ জেলার ২২ লক্ষ লোকের আশ্রয় কেন্দ্রে নেবার প্রস্ততি চলছে ।
জনসাধারন ১০নং সংকেত ছাড়া যেতে চাইছে না,তাই আজ সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ১০ নং মহা বিপদ
সংকেত জারী হতে পারে ।
........................................................................................................................................
বুধবার সন্ধ্যার পর কলকাতা আর হাতিয়ার মধ্য দিয়ে যাবার সময় প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে, তবে আমি মনে
করি বাংলাদেশ এধরনের সাইক্লোন অনেকবার মোকাবেলা করেছে তাই আশা করি ক্ষয়ক্ষতি বেশী হবে
না , কিন্ত এই দুর্যোগ চলে যাবার পর আমরা ভুলে যাই পরবর্তী কর্তব্য কি ? আমাদের সুন্দরবনকে আরও
সবুজ করা আবশ্যক এর্ং বেড়ী বাধঁ ২০ ফুট উচু করে স্হায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্হা গ্রহন করা আবশ্যক ।

২০ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুমম

বাংলাদশে বেশ দুর্বল রুপেই আঘাত হেনেছে।
আল্লাহর রহমতই বলা যায়!
আশাকরি ক্ষয়ক্ষতি তেমন হবে না।
উড়িষ্যা আর চরফ্যাশনে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এটাই দু:খজনক আমরা ঝড় শেষ হলে ভুলে যাই এবং আরেকটা ঝড়ের আগে আর কিছু মনে পড়ে না।
আমাদের সুন্দরবনকে আরও
সবুজ করা আবশ্যক এর্ং বেড়ী বাধঁ ২০ ফুট উচু করে স্হায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্হা গ্রহন করা আবশ্যক । সহমত।

২৮| ২১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:২১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সুপার সাইক্লোন পশ্চিমবঙ্গে আঘাত করে এখন ক্লান্ত,
সাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরী করেছে তার প্রভাবে সমুদ্র বন্দরগুলিকে
৩নং বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে ।

আবারও ৪-৬ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে ।
..................................................................................................
সুপার সাইক্লোন ৫টি জেলার ৯ জনের প্রান কেড়ে নিয়েছে ।
অবশেষে ১১৩ কি.মি বেগে সুন্দরবনে আঘাত করে
সাতক্ষীরা এবং বাগেরহাট উপকুলীয় বেড়ী বাধঁ ধংশ করেছে, এলাকার নিম্নান্চল প্লাবিত হয়েছে
এবং প্রচুর ঘরবাড়ী ও গাছপালা ক্ষয়ক্ষতি করেছে । উপকুলীয় ও গ্রামন্চলগুলী এখনও বিদ্যুৎ বিহীন আছে ।

......................................................................................................................
সুপার সাইক্লোন পশ্চিমবঙ্গের ১৪ জনের মৃত্যু নিয়েছে ।
বাস্তব তথ্য এখনও আসছে ক্ষয়ক্ষতি ও মৃত্যুহার
আরও বাড়তে পারে ।

২৯| ২২ শে মে, ২০২০ সকাল ৯:৪১

জাফরুল মবীন বলেছেন: যাক 'আমপান' গেল.... এখন আমরা আবার করোনা, ডেঙ্গু, মঙ্গা, মনোরোগের মহামারী, বন্যা, সোলার মিনিমাম এ ফিরে আসি।

২২ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বড় বাঁচা বেঁচে গেছি!

সেইই.. ফিরে যাই আটপৌড়ে জীবনে
করোনা থেকেও যদি এভাবে বেঁচে যাওয়া যেত! বেশ হতো।

৩০| ২৩ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

সময়োপযোগী মহামুল্যবান গনসচেতনতা মুলক পোষ্ট ।
আল্লার অশেষ মেহেরবানীতে ও সকলের সচেতনতায় এবং ঘুর্ণীজর মোকাবেলায় পুর্ব প্রস্তুতীর কারণে ধারনার চেয়ে আমাদের দেশে আম্ফানের তান্ডব ও ক্ষতি কম হয়েছে । তারপরেও দেশের বিস্তির্ণ এলাকা জুরে বিশেষ করে সুন্দরবনসহ উপকুলীয় অঞ্চল ও সাতক্ষিরা এবং রাজশাহীর আমবাগানের প্রভুত ক্ষতি হয়েছে । ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষের যথাযথ পুর্ণবাসন ও ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।

সুন্দরবন তার বুকে প্রচন্ড শক্তিশালী ঘুর্ণীজর আম্ফানের তান্ডবকে ধারণ করে আল্লার মেহেরবানিতে রক্ষা করেছে উপকুলীয় এলাকা সহ সমগ্র দেশকে । সুন্দরবনের জীব বৈচিত্রের ক্ষয় ক্ষতির বিস্তারিত বিবরনের অপেক্ষায় আছি । সমগ্র দেশকে পাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত হতে রক্ষাকারী সুন্দরবনকে রক্ষার কথা ভাবতে হবে নতুন করে ।

আমার সর্বশেষ পোস্টে প্রায় প্রায় মাসখানেক আগে করা আপনার একটি মন্তব্যের জবাব দেখে আসার জন্য অনুরোধ থাকল ।

ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা রইল

২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ২:১২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় ভায়া।
অনেক অনেক দিন আপনাকে পেয়ে স্বস্তি পেলাম।

হুম আল্লাহর অশেষ রহমতে শেষ মুহুর্তে গুগলি বলের মতো ঝড়ের গতি ঘুরে যাওয়া বড় বাঁচা বেঁচে গেছি!
নইলে কি হতো নোজ নো বাউন্ড!

অনেক কৃতজ্ঞতা।
ঈদ মোবারক

৩১| ২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার, তথ্যবহুল পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
যাক, এবারের মত অল্পের উপর দিয়েই বাঁচা গেল। সুন্দরবন এলাকার ক্ষতিগস্তদেরকে ত্রাণ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকাএর শুভদৃষ্টি কামনা করছি।
৫ নং প্রতিমন্তব্যটি খুব ভাল লেগেছে।

২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ২:১৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রিয় সিনিয়র :)

হুম আল্লাহর অশেষ রহমতে শেষ মুহুর্তে গুগলি বলের মতো ঝড়ের গতি ঘুরে যাওয়া বড় বাঁচা বেঁচে গেছি!
আশা করি এই ত্রান বিতরনে চাল চোর তেল চোরের দেখা যাবোনা!

অন্তহীন কৃতজ্ঞতা আর শুভকামনা
ঈদ মোবারক

৩২| ২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আম্ফান নিয়ে সঠিক ভাবনা চিন্তা করে মোটামুটি সঠিক মূল্যায়ন করেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল। এর জন্য তিনি আমাদের সাধুবাদ পেতেই পারেন!

২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ২:১৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম নিশ্চয়ই।

আমাদের আশংকার পাশে উনার আশাবাদ জয়ী হয়েছে
আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমরা বেঁচে গেছি।
উনার শুভাশার জন্য ধনবাদ অন্তহীন
এমনি শুভাশায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাব সবসময়।

৩৩| ২৫ শে মে, ২০২০ রাত ১:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মাসখানেক পুর্বে আমার পোষ্টে গিয়ে জানতে চেয়েছিলেন কেমন আছি ।
বিলম্বে হলেও কেমন ছিলাম সেটা গতকাল সেখানে জানিয়েছি । সেটা
এখনো আপনার দেখা হয়নি বলে ধারনা করছি।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৫ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রিয় ভায়া,
শুকরিয়া।
আল্লাহ আবার আপনাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছেন- এজন্যে লাখো কোটি কৃতজ্ঞতা।
সকলেই মিস করছিলেন তীব্র ভাবে। অথচ যোগাযোগহীনতায় জানতেও পারছিলমানা প্রকৃত অবস্থা কি?
এখন বাস্তবিকই দেখা গেল পৃথিবীর কঠিনতম যুদ্ধ জয় করে গাজী হয়ে বিজয়ীর বেশে ফিরেছেন।

সত্যি সে সব অনুভবের কোন তুলনা হয়না্ ঐ স্তরে কেউ না পৌঁছালে।
সেই অমর মহাকাব্যের অপেক্ষায় সকলেই।
করোনার উপার হয়ে উঠূক কালজয়ী এক উপন্যাস। ইতিহাস গাথা।

আল্লাহ আপনাকে এবং পুরো পরিবারকে পুর্ণ শেফায়ে কামেলা দান করেছেন তাতে শুকরিয়া। এবং অনাগত দিনেও আপনাদের এভাবেই সুস্থ রাখুন এই প্রার্থনা রইল।

ঈদের শুভেচ্ছা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.