নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বি.এম খোরশেদ

অআবি এম খোরশেদ

যা দেখি তাই লেখি । যা বুঝি শেয়ার করি । পৃথিবী নামক বিশাল পাঠশালায় আমি একজন ছোট্ট ছাত্র।

অআবি এম খোরশেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হুমায়ুন আহম্মেদের শেষ ছবির ঘোষনা ;)

২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৩৬

:|X(নন্দিত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের নতুন ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় ছবিটির শুভ মহরত অনুষ্ঠিত হলো ২৩ অক্টোবর শনিবার দুপুরে চ্যানেল আইয়ের তেজগাঁও ভবনে। মহরতে সবাইকে অবাক করে হুমায়ূন আহমেদ ঘোষণা দিলেন, এটিই তার শেষ চলচ্চিত্র।



‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবির শুভ মহরতে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ, ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, শিক্ষা সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব নওশাদ করিম চৌধুরীসহ আরো অনেকে। ছবির অভিনেতা-অভিনেত্রী ও কলাকুশলীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান, অভিনেতা তারিক আনাম খান, মুনমুন আহমেদ, মাসুদ আখন্দ, তমালিকা কর্মকার, শামিমা নাজমিন, প্রাণ রায়, বাউলশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী ও তার দল, ঘেটুপুত্র কমলার কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেতা শিশুশিল্পী মামুন প্রমুখ।



ছবির নামভূমিকার অভিনেতা মামুন তার সহশিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে ছবির একটি গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করে মহরত অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। পরে উপস্থিত অতিথিরা কাপস্টিক উন্মোচনের মাধ্যমে ছবির মহরতের শুভ সূচনা করেন।



ছবিটি প্রসঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ বলেন, ‘প্রায় দেড়শ বছর আগে হবিগঞ্জ জেলার জলসুখা গ্রামের এক বৈষ্ণব আখড়ায় ঘেটুগান নামে নতুন সঙ্গীত ধারা সৃষ্টি হয়েছিল। মেয়ের পোশাক পরে কিছু রূপবান কিশোর নাচগান করত। এদের নামই ঘেটু। গান হতো প্রচলিত সুরে, কিন্তু সেখানে উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের প্রভাব ছিল স্পষ্ট। অতি জনপ্রিয় এই সঙ্গীতধারায় নারী বেশধারী কিশোরদের উপস্থিতির কারণেই এর মধ্যে অশ্লীলতা ঢুকে পড়ে। বিত্তবানরা এইসব কিশোরকে যৌনসঙ্গী হিসেবে পাবার জন্যে লালায়িত হতে শুরু করেন। একসময় সামাজিকভাবে বিষয়টা স্বীকৃতি পেয়ে যায়। হাওর অঞ্চলের শৌখিন মানুষ জলবন্দি সময়টায় কিছুদিনের জন্যে হলেও ঘেটুপুত্র নিজের কাছে রাখবেন এই বিষয়টা স্বাভাবিকভাবে বিবেচিত হতে থাকে। শৌখিনদার মানুষের স্ত্রীরা ঘেটুপুত্রকে দেখতেন সতীন হিসেবে।। এমন এক ঘেটুপুত্রই আমার এবারের চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্র।’



২৫ অক্টোবর থেকে নূহাশপল্লীতে শুরু হবে ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবির শুটিং। বিশাল ক্যানভাস নিয়ে নির্মিতব্য এ ছবির শুটিংয়ের জন্য নূহাশ পল্লীতে একটি জমিদার বাড়ির সেট ফেলা হয়েছে। ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবিতে জমিদার চরিত্রে অভিনয় করবেন তারিক আনাম খান। ছবির নামভূমিকায় অভিনয়ের জন্য মামুন নামের এক কিশোরকে নির্বাচন করেছেন নির্মাতা। ছবিতে আরো অভিনয় করবেন তমালিকা কর্মকার, মুনমুন আহমেদ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শামীমা নাজনীন, মাসুদ আখন্দ, আবদুল্লাহ রানাসহ অনেকে। নূহাশপল্লী ছাড়াও ছবির শুটিং হবে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার রাজবাড়িতে ও সুনামগঞ্জে।





হুমায়ূন আহমেদ ‘ঘেটুপুত্র কমলা’কে তার জীবনের শেষ ছবি হিসেবে অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেন। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণ অনেক খাটাখাটনির ব্যাপার। বয়সের কারণে এতটা চাপ নেওয়া আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। চলচ্চিত্রের কাজে সময় দিতে গিয়ে আমার লেখালেখিতেও অনেক ব্যাঘাত ঘটে। লেখালেখি করলে খাটাখাটুনির প্রয়োজন পড়ে না। তাই লেখালেখিটাকেই আমি অগ্রাধিকার দিতে চাই।



‘ঘেটুপত্র কমলা’ ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চতুর্থ ছবি। এর আগে তিনি ইমপ্রেস থেকে ‘শ্যামল ছায়া’, ‘নয় নম্বর বিপদ সংকেত’ এবং ‘আমার আছে জল’ নির্মাণ করেছেন। এছাড়া হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ ও ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ছবি দুটির স্বত্বও সম্প্রতি গ্রহণ করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। এর বাইরে জনপ্রিয় এই ঔপন্যাসিকের কাহিনী নিয়ে ইমপ্রেস

টেলিফিল্মের প্রযোজনায় আরো ৪টি ছবি নির্মিত হয়েছে। ছবিগুলো হচ্ছে ‘দূরত্ব’, ‘সাজঘর’, ‘নিরন্তর’ ও ‘দারুচিনি দ্বীপ’। সূত্র বাংলা নিউজ ডটকম ডটবিডি।

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৪৪

শরীফ মহিউদ্দীন বলেছেন: বাংলাদেশে এই অসাধারন প্রতিভাধর মানুষটির জন্ম হয়েছে আর আমি সে দেশের নাগরিক এটা ভাবতেই ভালো লাগে। আসলে আধুনিক বাংলা সাহিত্য হুমায়ুন আহমেদ ছাড়া অচল অসার। হে দয়াময় তুমি তোমার মংগলময় হাত দিয়ে আমার প্রিয় এ মানুষটিকে স্পর্শ করো।

২| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৫৩

অগ্নিবীনা বলেছেন: শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ।

৩| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১১:৫৬

নিশম বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদ স্যার , বাংলাদেশের অপ্রতিদন্দ্বী একজন। চলচ্চিত্রাকার, লেখক যে কোনো ক্ষেত্রেই তিনি অপ্রতিদন্দ্বী। নিন্দুকরা তার ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, আজকে আমি আপনার পরিবারের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করলে কেমন লাগবে? কোনো সমস্যাই কি নেই আপনার পরিবারে?

সবার উর্ধ্বে তিনি লেখক, তাকে লেখক হিসেবেই দেখি। ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা- ২টাই মন থেকে করি স্যার কে

৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:০৫

মোঃ আল জাহান বলেছেন: হুমায়ুন আহমেদের গল্প, উপন্যাস ছবি, নাটক সব কিছুই ভাল লাগে । যদিও তার আর্দশ আমার পছন্দ নয় ।

৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:২৭

জিগ স বলেছেন: এই ধরনের গল্প নিয়ে ছবি তৈরির সাহস একমাত্র হুমায়ুন আহমেদেরই ছিল। ছবিটি শেষমেষ যেমনই হোক, এমন একটি সাহসী গল্প নিয়ে ছবি নির্মান করার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। আশা করি এর মাধ্যমে ভবিষ্যত তরুন নির্মাতাদেরও এই ধরনের বিষয় নিয়ে ছবি নির্মান করতে দেওয়া হবে। সেনসর জনিত আতলামী গুলো করা হবে না। শুভেচ্ছা হুমায়ুন আহমেদ।

৬| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:২৯

খেক খেক বলেছেন: ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা- ২টাই মন থেকে করি স্যার কে

তার সব লিখাই আমার অনেক অনেক ভাল লাগে।

৭| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪৭

মুভি পাগল বলেছেন: নন্দিত এবং নিন্দিত হুমায়ূন B:-)

৮| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪৯

রবিনহুড বলেছেন: এই প্রতিভান লুচ্চার বাকী জীবন লুচ্চামী বিহীন ভাবে কাটুক সেটাই কামনা করি।

৯| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৫৩

পুংটা বলেছেন: সেই দিন ইমপ্রেসে অনেকেই বলাবলি করছিল... হুমায়ুর স্যার ছবি বানালেও নাটকের মত লাগে দেখতে, এই দুঃখ থেকেই তিনি ছবি বানানো ছেড়ে দিলেন।

যাহোক... তার শরীর ভাল থাক। ঘরে যুবতী বউ, এখন শরীর খারাপ হলে কেমন করে চলবে।

১০| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৫৮

ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ-কে লেখক হিশেবে বরাবরই সেরা মনে হয়!

১১| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:২১

কাউসার রুশো বলেছেন: আশা করি তার বিগত দুই তিনটা জঘন্য মুভির মত এটা হবেনা।
আশা করি আমরা আগুনের পরশমণি আর শ্রাবণ মেঘের দিনের মত ক্লাসিক পাবো।
+++ :)

১২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:২৯

গরম কফি বলেছেন: শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ।

১৩| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:৪৯

শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: বলতে আসলাম বাচাইসে

যে কাহিনী, এটা নিয়ে কাজ করা বেশ সাহসের

১৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৩:২৩

বিশেষনহীন বলেছেন: @শরীফ মহিউদ্দিন,
আসলে আধুনিক বাংলা সাহিত্য হুমায়ুন আহমেদ ছাড়া অচল অসার।

আসলেই বাই, হুমায়ুন আহমেদ ছাড়া আর কোন লেখক আছে বইলাই তো আমার মনে হয় না।

হুমায়ুন আহমেদ মেধাবী, এই কথায় কেউ আপত্তি করবে না। সে বাজার ধরতে চেয়েছে, পেরেছে। প্রথম দিকে কয়েকটি ক্লাসিক রচনা তার কলম থেকে বের হয়েছে। কিন্তু তার পরে যা লিখতে শুরু করেছেন তা তৃতীয় শ্রেনিতে রাখারও যোগ্য না।
কেউ যদি বলে হুমায়ুন আহমেদ ছাড়া আধুনিক বাংলা সাহিত্য অচল তাহলে ২টা ঘটনা ঘটতে পারেঃ
১. সে হুমায়ুন আহমেদ ছাড়া অন্য কোন লেখকের বই পড়েন নি।
২. ভালো সাহিত্য কর্ম সে চেনেই না।

১৫| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ৮:২৭

শরীফ মহিউদ্দীন বলেছেন: @ বিশেষনহীন ব্রাদার আমাদের সমস্যা কি জানেন আমরা মানুষকে তার প্রাপ্য সন্মান কক্ষনোই দিতে জানিনা। ডঃ ইউনুস নোবেল পেয়ে গালি শুনে আর মুসা ইব্রাহীম এভারেষ্টে চড়ে ভৎসনার স্বীকার হয়।এটাই এই দেশের রীতি। কিছু নিচু মানষিকতার লোকদের জন্য এই দেশে গুনি জন্মায় না।

আর সাহিত্য নিয়ে কথা বললে প্রথমে একটা কথা বলি

সাহিত্যকে ভালো বাসতে হলে প্রথমে মানুষকে হতে হবে বিনয়ী। হুমায়ুন সাহিত্যকে যারা তৃতীয় শ্রেনিতে রাখে তারা যেসব কালজয়ী !!! বই লিখে তার বেশির ভাগই যায় উই পোকার পেটে।
আর বই পড়ার কথা বলছেন ভাইজান কে আমার বাড়ীতে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। আমার এবং আমার বাবার সংগ্রহ করা বাংলা সাহিত্যের লাইব্রেরী ঘুরে দেখার জন্য। আশা করি ৬ হাজার বইয়ের সে সংগ্রহ আপনাকে নিরাশ করবেনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.