নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বনহমি

বনহমি

এ কাইন্ড হার্টেড ফেলো...

বনহমি › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাসূল (সা.) এর বিয়ে সম্পর্কে মন্তব্য ও তার জবাব

০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২২

ব্লগার মোতাব্বির কাগু

এই ব্লগে : View this link রাসূল (সা.) সম্পর্কে নিম্নলিখিত মন্তব্যটি করেন: " শুনেন, বাল্যবিবাহ ইসলামে নতুন কিছু না। বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কথা বলতে হলে মুল ইসলামের

বিরুদ্ধেও কথা বলতে হবে।নবীজির বয়স যখন ৫৩, তখন আয়শার বয়স ৯ বছর। সেই সময় নবীজির ইচ্ছা হল

আয়শাকে বিবাহ করার! বিবাহ হল, তারপরে ২ বছর পরে আয়শার বয়স ১১ হবার পরে সহবাসও হল!

এই কথা গুলো বলার কারনে আমাকে মুরতাদ ঘোষনা করা হতে পারে, মোল্লারা রামদা নিয়ে লাফঝাঁপ দেবে।"



উক্ত ব্লগারের জ্ঞানের স্বল্পতা দূর করতে ও পাঠকদের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচেছ যে বিখ্যাত স্কলারদের মতে আয়েশা (রা.) এর বিয়ের সময় বয়স ৯ বছর ছিলনা বরং তার বয়স কিছুতেই ১৭ বছরের কম হতে পারেনা এবং সম্ভবত তখন তার বয়স ১৯ বছর ছিল। আসলে এ বিষয়ে আমরা কম জেনেই অনুমানের আশ্রয় নিই। বিখ্যাত স্কলার আদিল সালাহি এ ব্যপারে কি বলছেন পড়ুন:



বিশিষ্ট স্কলার আদিল সালাহি এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাব দেন, যেটি প্রকাশিত হয় আরব নিউজে ৭ মার্চ ২০০৩ তারিখে। তিনি বলেন

"এ প্রশ্নটি ইসলাম এবং রাসুল (সা.)-এর ব্যক্তি চরিত্রের প্রতি আক্রমণ বৃদ্ধির সংগে সংগে বার বার উঠে আসছে। কিন্তু ইসলাম অথবা রাসুল (সা.)-এর চরিত্র এবং ব্যবহারে এমন কিছু নাই যার জন্য আমাদের ক্ষমা চাওয়ার বা বিব্রত বোধ করার প্রয়োজন আছে। তারপরও রাসুল (সা.)-এর সাথে আয়েশা (রা.)-এর বিয়ে এবং সে সময় তার বয়স প্রসংঙ্গে কিছু আলোচনা করা যেতে পারে যাতে প্রমাণ হয় এব্যপারে আদৌ অভিযোগ করার মত কিছুই নাই। এ ব্যপারে যে বর্ণনাটি সবচেয়ে বেশী উদ্ধৃত হয় তা হচেছ, রাসুল (সা.) যখন বিয়ের প্রস্তাব দেন তখন আয়েশা (রা.)-এর বয়স ছিল ছয় এবং তিনি যখন তাকে বিয়ে করেন তখন তার বয়স ছিল নয়। মানুষ এটাকে প্রতিষ্ঠিত সত্য বলে গ্রহন করে থাকে। কিন্তু যখন আমরা এসব বর্ণনা এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয়গুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করি, তখন আমরা দেখতে পাই, এসব বর্ণনা এমনকি প্রাথমিক নিরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে পারেনা।

সর্বপ্রথম আমাদের যে বিষয়টি বুঝতে হবে তা হচ্ছে, রাসুল (সা.)-এর সময় আরব সমাজের অধিকাংশই ছিল নিরক্ষর এবং খুব কম লোকই লিখতে বা পড়তে পারত। বড় বড় ঘটনাগুলোর সন তারিখ হিসেব রাখার জন্য যেখানে কোন নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হত না, সেখানে মানুষের জন্ম মৃত্যুর তারিখ হিসেব রাখার কথাতো বাদই দেয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আমরা পড়ি - রাসূল (সা.) জন্মগ্রহন করেছেন ‘হাতির বছরে’। হাতির বছর বলতে বোঝায় সেই বছর যেবার আবিসিনিয়ার সেনাপতি ইয়েমেন থেকে মক্কা এসেছিল এক বিরাট সেনাবাহিনী নিয়ে কাবা ঘর ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। একটি বড় হাতি সৈন্য বাহিনীর সামনে মার্চ করে আসছিল - আর তাই ঘটনাটি এবং বছরটি হাতির নামে পরিচিত হয়।

রাসূল (সা.)-এর সময় আরবে মানুষের বয়স সংক্রান্ত বর্ণনাগুলো বিভ্রান্তিকর এবং অনির্দিষ্ট ছিল। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সাধারণ ধারণা হচ্ছে, খাদিজা (রা.)-এর সাথে রাসূল (সা.)-এর বিয়ের সময় রাসুল (সা.)-এর বয়স ছিল ২৫ অন্যদিকে খাদিজা (রা.)-এর বয়স ছিল ৪০। ইবনে হিশাম রচিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সিরাত গ্রন্থে এরকম উল্লেখ থাকলেও সে সময় রাসুল (সা.)-এর বয়স সম্পর্কে আরো দু’টি ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে খাদিজা (রা.)-এর সাথে বিয়ের সময় রাসূল (সা.)-এর বয়স ছিল ৩০, অন্যটিতে বলা হয়েছে ২৯। সে সময় খাদিজা (রা.) বয়স কত ছিল সে সম্পর্কেও বর্ণনার বিভিন্নতা আছে - কোথাও বলা হয়েছে সে সময় তার বয়স ছিল ৩৫ কোথাও বলা হয়েছে ২৫। রাসূল (সা.)-এর সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্যদের একজন ছিলেন রাসূল (সা.)-এর চাচাতো ভাই ইবনে আব্বাস (রা.)। তার থেকে একটি বর্ণনা পাওয়া যায়, যেখানে তিনি বলেছেন, বিয়ের সময় রাসূল (সা.) ও তার স্ত্রী উভয়ের বয়সই ছিল ২৮ বছর। খাদিজা (রা.)-এর গর্ভে রাসূল (সা.)-এর ছয়টি সন্তান জন্মগ্রহন করেছে। এদিক থেকে বিচার করলে বিয়ের সময় তার বয়স চল্লিশ ছিল এমন ধারণা করার উপায় নেই, অথচ এটাই হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত বর্ণনা। প্রকৃতপক্ষে তার বয়স এর চেয়ে অনেক কম হবার কথা। তার বয়স ২৮ অথবা ২৫ ছিল এমন বর্ণনাই অনেক বেশী যুক্তিসঙ্গত মনে করা যেতে পারে।

খাদিজা (রা.)-এর জীবদ্দশায় রাসূল (সা.) আর কাউকে বিয়ে করেননি এবং তিনি খাদিজার (রা.) সাথে ২৫ বছর কাটিয়েছেন। তার ইন্তেকালের পর যখন তিনি খুবই চাপের মুখে ছিলেন, তখন একজন মহিলা সাহাবী তাকে পরামর্শ দিয়ে বল্লেন, তার বিয়ে করা উচিৎ যাতে তিনি দিনের দীর্ঘ প্রচারকাজ শেষে বাড়িতে একজন সঙ্গিনী পান এবং স্বস্তি লাভ করতে পারেন। সেই মহিলা তাকে দু’জনের কথা বল্লেন, একজন কুমারী আয়েশা অন্যজন বিধবা সাওদা। রাসূল (সা.) তাকে দুজনের কাছেই প্রস্তাব নিয়ে যেতে বল্লেন।

রাসূল (সা.)-কে নতুন বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল তার জন্য একজন সঙ্গীনি এবং স্বস্তির ব্যবস্থা করা। কিন্তু যারা বলতে চান যে আয়েশা (রা.)-এর বয়স সে সময় ছয় ছিল তারা এটা বিশ্বাস করতে বলেন যে ঐ মহিলা সাহাবীটি রাসূল (সা.)-কে মাত্র ছয় বছরের একটি বালিকার সাথে বিয়ের তথা সঙ্গ লাভের প্রস্তাব করেছিলেন। আর বয়স সংক্রান্ত ঐসব বর্ণনা যদি গ্রহন করা হয় তাহলে সন্দেহ জাগা স্বাভাবিক যে, ঐ মহিলা সাহাবীটি কি তাহলে রাসূল (সা.)-কে সঙ্গ দেয়ার কথা বলছিলেন নাকি সঙ্গ দেয়া কথা বলছিলেন তার মেয়েকে, যার বয়স তখন ছয় বছরের চেয়ে বেশী ছিল ?

বর্ণনাগুলো শুধু যৌক্তিকতার আলোকে বিচার না করে একে কিছু দালিলীক ভিত্তি প্রমাণ স্বাপেক্ষে বিবেচনা করা উচিৎ। এজন্য আমরা ইবনে ইসহাক রচিত সিরাত গ্রন্থ দেখব। আর ইবনে ইসহাক রচিত সিরাত গ্রন্থ হচেছ সমস্ত সিরাত গ্রন্থগুলোর ভিত্তি এবং সবচেয়ে নির্ভুল। সেখানে সেসব মুসলিমদের একটি তালিকা আছে, যারা ইসলামী দাওয়াতের শুরুর বছরগুলোতে ইসলাম গ্রহন করেছিলেন। সেই তালিকাটিতে প্রায় পঞ্চাশ জন মুসলিমের নাম আছে। যার মধ্যে আবু বকরের দুই কন্যা আসমা এবং আয়েশার নামও অন্তর্ভুক্ত আছে। সেখানে এটাও যোগ করা আছে যে তিনি সে সময় ছোট ছিলেন। এই তালিকায় আয়েশার নাম এসেছে বিশ নম্বরে। কিন্তু আমরা এই ক্রমের উপর তেমন গুরুত্ব আরোপ করবনা। আমরা যে বিষয়টির উপর গুরুত্ব দেব তা হচ্ছে, এই তালিকার সমস্ত মুসলিমই ইসলাম গ্রহন করেছিলেন নবুয়্যতের পঞ্চম বছরের আগে। কেননা ঐ বছরই আবিসিনিয়ায় মুসলমানদের প্রথম হিজরত সংঘঠিত হয় এবং ঐ তালিকায় এমন অনেকের নাম ছিল যারা এই হিজরতে অংশগ্রহন করেছিলেন। তাই বলা যায় পঞ্চম বছরে বা তার পূর্বে আয়েশা (রা.) ছোট ছিলেন, কিন্তু নিশ্চয় ততটা বড় ছিলেন যাতে তার নাম একটি নতুন দাওয়াতে বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। তার বয়স কত ধরে নিতে পারি আমরা ? নিশ্চয় মনে করা ঠিক হবে না যে তার বয়স ২ অথবা ৪ অথবা ৫ ছিল আর তারপরও তাকে কীর্তিমানদের নামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাই যদি হত তাহলে তালিকার পঞ্চাশজনের অন্যান্য সকলেরই যত বাচ্চা কাচ্চা ছিল সকলেরই নাম সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হত। আসলে তিনি নিশ্চয় এতটা বড় ছিলেন যাতে তাকে ধর্ম পরিবর্তন করা বা নতুন ধর্ম গ্রহন করা - এই মাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে উল্লেখ করা যায়। এই হিসেবে লোকে যদি তাকে অনেক ছোট বলার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে চায়, তাহলেও তার বয়স ১০ অথবা ৮ এর কম হবার কথা না।

এখন আমাদের দেখতে হবে এর কত বছর পর তার বিয়ে হয়েছিল। আমরা জানি তার বিয়ে হয়েছিল রাসূল (সা.) এবং সাহবীদের মদিনায় স্থায়ী হবার পর, অর্থাৎ, নবুয়্যতের ১৩ কিংবা ১৪ তম বছরে। সাধারণ অংক কষলে দেখা যাবে যখন রাসূল (সা.)-এর সম্ভাব্য স্ত্রী হিসেবে তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল তখন তার বয়স ১৪-এর কম হতে পারেনা বা অন্যভাবে বলা যায় রাসূল (সা.)-এর সাথে বিয়ের সময় তার বয়স ১৭-এর কম হতে পারেনা। এমনকি প্রবল সম্ভাবনা আছে যে তার বয়স আসলে আরও বেশী ছিল, সম্ভবত ১৯।

এখন কেউ প্রশ্ন তুলতে পারে রাসূল (সা.) ৫৩ অথবা ৫৪ বছর বয়সে ১৭ বা ১৯ বছরের এক তরুণীকে বিয়ে করলেন কেন ? এটা বুঝতে হলে আমাদের একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে আমরা সামাজিক রীতি নীতিকে অপর একটি ভিন্ন সমাজের জন্য প্রযোজ্য করতে পারিনা - এমনকি যদি দু’টি সমাজ একই সময়েরও হয়। তাই আমেরিকার সামাজিক রীতি নীতি আফ্রিকা, মালয়েশিয়া বা জাপানে প্রযোজ্য নয়। আবার এদের কোন দেশেরটিই অন্য আর একটি দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। সেসময়ের আরবের লোকেরা একজন লোক ও তার স্ত্রীর মধ্যে বয়সের পার্থক্যের তেমন কোন গুরুত্ব আছে বলে মনে করতনা। এখানে উমর ইবনে খাত্তাব (রা.) ও তার মেয়ে হাফসার কথা তুলে ধরা যেতে পারে। যখন তার মেয়ের তালাক হয়ে গেল তখন উমর (রা.) আবু বকর (রা.)-কে তার মেয়ের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন, যেখানে উমর (রা.) নিজেই আবু বকরের (রা.) চেয়ে ১০ বছরের ছোট ছিল। যদি বিয়েটি হত তাহলে স্বামী স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য ত্রিশের কম হতনা। তারপরও উমর ভাবছিলেন এটি একটি চমৎকার এবং প্রীতিকর জুটি হতে পারে। যখন আবু বকর এ প্রস্তাবের জবাব দিতে দেরী করছিলেন তখন তিনি উসমানকে (রা.) প্রস্তাব দেন, যে উমরের (রা.) চেয়ে মাত্র কয়েক বছরের ছোট ছিল। কিন্তু উসমানের (রা.) বিয়ে না করার একটি কারণ ছিল, ফলে শেষে রাসূল (সা.)-এর সাথে উমরের কন্যা হাফসার বিয়ে হল। রাসূল (সা.) আবু বকরের সমবয়সী বা তার কিছূটা বড় ছিলেন। আসল কথা হল তখন বয়সের পার্থক্যকে গণনায় ধরা হত না।"

একজন বড় স্কলার এবং বর্তমান কালে লিখিত অন্যতম ও বিশাল সিরাত গ্রন্থের প্রণেতা হিসেবে আদিল সালাহির কথা অবশ্যই বিবেচনার দাবী রাখে। তদুপরি তিনি যে যুক্তিগুলো উপস্থাপন করেছেন তা খুবই শক্তিশালী। অনেক সময় আমাদের মধ্যে দুর্বল ধারণাগুলো প্রচলন পায় বেশী। আশা করি আদিল সালাহির লেখাটি আমাদের ধারণাকে পূনুর্বিন্যস্ত করতে সহায়তা করবে এবং বিপথগামী কিছু লোকের মনগড়া অভিযোগের পথ বন্ধ করবে। যদিও তারা তাদের মুখ বন্ধ করবে কিনা জানা নেই। কারণ মিথ্যা অভিযোগকারীরা সাধারণত যুক্তি দিয়ে পরিচালিত হয়না। তারা যুক্তি দিয়ে পরিচালিত হোক এটুকুই আমরা কামনা করতে পারি মাত্র।

মন্তব্য ৭৫ টি রেটিং +২৬/-১৬

মন্তব্য (৭৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৪৭

সিউল রায়হান বলেছেন: একটা উত্তর দেন........ মহানবী যা করেছেন তা সুন্নত...... আমাদেরও তাই করা উচিত.....

সুতরাং এখন ৫৫ বছরের একজন বৃদ্ধ ১৫ বছরের একটি মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে এমনটা ইসলাম অনুমতি দিচ্ছে, তাইনা ????

*********************

আর আপনার লিখার কোন লিংক দেন......... আপাতত আমি একটা লিংক দিচ্ছি...... উইকিপিডিয়া থেকে........আয়েশা(রাঃ ) এর বিয়ের সময় উনার বয়স সর্বোচ্চ ১০ বলা আছে এখানে .....( সোর্স উল্লেখপূর্বক )

http://en.wikipedia.org/wiki/Aisha

কেন সেই সোর্সগুলো ভুল তা এই ব্লগে লিখেন এবং উইকিতেও রিপোর্ট করেন...........

*********************

সবশেষে একটা পয়েন্ট....... হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ ) লিখার সময় ঃ এর পরেই ) দিয়েছেন জন্যে সেটা হাসির ইমোটিকন হয়ে গেছে....... এডিট করে দিন........ ( ঃ এর পরে একটা স্পেস দিলেই হবে মনে হয় )

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:০৩

বনহমি বলেছেন: আপনি লিংক দিতে বলেছেন। আরব নিউজ পত্রিকার কত তারিখে ছাপা হয়েছে তার রেফারেন্স আমি দিয়েছি। সেই লেখাটি একটু কাট ছাট আকারে (কাট ছাট আকারে হলেও মূল কথাগুলো পেয়ে যাবেন) পাবেন এখানে:
View this link

২| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

বল বীর বলেছেন:

++++++++++++

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৬

বনহমি বলেছেন: ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য

৩| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৭

বটগাছ বলেছেন: বিশিষ্ট স্কলার আদিল সালাহি কিডা?

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৭

বনহমি বলেছেন: এখানে বলা হয়েছে, দেখুন:
View this link

৪| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪০

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মাইনাস দিছি

৫| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: শেখ মুজিব নাকি ফজিলাতুন্নেসাকে ৩ বছর বয়েসে বিয়ে করেছিলেন।

আয়েশা (রা) সহ সব উম্মুল মুমিনীনদের সসম্মানে চলে যাবার অধিকার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা তা প্রত্যাখান করে এই জীর্ন জীবনকেই বেছে নেন। সুতরাং আল্লাহর রাসুল (সা) এর সাথে থাকাটা ছিল তাদের পছন্দের বিষয়।

৬| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৭

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মহানবীর বহুবিবাহ বিষয়টা অস্বস্তিকর। ওত বিয়ে করার তার কি দরকার পড়েছিল? যতই যুক্তি দেয়া হোক, এ বিষয়টিকে অন্তত আদর্শ বলা যায় না। যদি মহানবীর জীবনকে আদর্শ ধরতে হয়, তাহলে অন্তত এ আদর্শটি পালন করলে পৃথিবীতে অনেক ঝামেলা হয়ে যাবে। একেক জন যদি ১০টা করে বিয়ে করে, তাহলে পৃথিবীতে তো ব্যাচেলর বেড়ে যাবে।

উন্মু কিসের সাথে কি বলেন, এখানে মুজিব এল কোথা থেকে?

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৮

বনহমি বলেছেন: বহুবিবাহ সংক্রান্ত আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ভিন্ন পোষ্ট দেব।

৭| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৯

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রন্টি, আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি অনেকে রাসুল (সা) এর বহু বিবাহ নিয়ে কটু মন্তব্য করে। তাদের অনেকে আবার শেখ মুজিবের প্রতি খুব শ্রদ্ধা পোষন করে। সেটা আমার কাছে বেশ অবাক লাগে।

আর রাসুল (সা) এর বিয়ে সংক্রান্ত কিছু অধিকার যে সাধারন মুসলিমদের থেকে আলাদা তা কোরানেই বলা হয়েছে।

৮| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৭

ভন্ডপির বলেছেন: ইসলামের আকাশে নতুন এক নক্ষত্রের নাম : বনহমি, বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক।

তা ভাই নবীজি সামাজিক নিয়মানুযায়ী একের পর এক কচি মেয়ে বিবাহ করলে সমস্যা নাই আর আমরা আমাদের সামাজিক নিয়ম অনৈসলামিক হইলেই হায় হায়?

নবীজি কেন ১২-১৩ টি বিবাহ করিলেন আর আমরা অধমরা মাত্র ৪ টা করিতে পারি?

নবীজিকে কামুক মহাপুরুষ হিসেবে দেখতে খারাপ লাগে তাই নতুন কইরা ইতিহসা রচনায় নামলেন দেখা যাচ্ছে।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৯

বনহমি বলেছেন: "ইসলামের আকাশে নতুন এক নক্ষত্রের নাম : বনহমি, বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক।"

না ভাই বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক আদিল সালাহি। আরও জানতে পড়তে পারেন:
View this link

৯| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "ওত বিয়ে করার তার কি দরকার পড়েছিল?"

রন্টি, আমার কাছে রাজনৈতিক মনে হয়েছে। কয়েকটা বিয়ে যুদ্ধ ঠেকানোর জন্য, শত্রুপক্ষের সাথে মিত্র সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য। দেখা গেছে উনার অধিকাংশ বিয়ে গুলো জীবনের শেষ কয়েক বছরের মধ্যে। তাই এই ব্যাখাটাই বেশী গ্রহনযোগ্য।

অবশ্য টাটকা পড়া নেই বলে অনেক কিছু মনে করতে পারছি না।

১০| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৪

আরিফুর রহমান বলেছেন: আয়েশার বয়স ছিলো ৬ বছর... লুলপুরুষের দৃষ্টি তার দিকে পড়ে... তখন 'বিয়ে' হয়...

সহবাস হয় ৯ বছর বয়সে...

এখন কি আয়শারে আচানক ১৫ বছর বানানের পাঁয়তাড়া চলতেছে...

সাবাশ... মিথ্যাবাদী মোল্লাদের কাছ থেকে এর চে বেশি কেউ আশা করে না...

শালা মিথ্যাবাদী শুয়ার কতগুলা...

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩১

বনহমি বলেছেন: ধন্যবাদ নিতাই দাদা, আপনার কাছ থেকে এমন গালাগাল পূর্ণ মন্তব্যই কাম্য।

১১| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৩

এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন: মিথ্যা অভিযোগকারীরা সাধারণত যুক্তি দিয়ে পরিচালিত হয়ন

সহমত

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩০

বনহমি বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য

১২| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:০০

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: উম্মু আপনার অনেক জ্ঞান । আপনার মত সহব্লগার পেয়ে ধন্য হয়ে গেলাম ।

১৩| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১০

নেতা বলেছেন:
১২ বছরের শেখ মুজিবের সাথে ৩ বছরের ফজিলাতুন্নেসার সাথে বিয়ে আর ৫৩ বছরের নবীর সাথে ৯ বছরের আয়শার বিয়ে কি এক হল? @ উম্মু বালিকা

এই ছাগু ব্রেন নিয়ে কিভাবে বুয়েটে পড়তেন(!)

১৪| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: @নেতা,

ছাগু ব্রেন নিয়ে বুয়েটে পড়ার দায়ভার কি আমার নাকি বুয়েট কর্তৃপক্ষের? এই প্রশ্নটা তো আপনার তাদেরকে করা উচিত।

আমি রাসুল (সা) এর বিয়ে নিয়ে যত সমালোচনা দেখেছি তা কিশোরী একজনকে বিয়ে করার জন্য, বয়সের পার্থক্যের জন্য নয়। বয়েসের পার্থক্যটা আমার কাছে খুব বেশী গুরুত্ববহ মনে হয় না কারন খাদিজা (রা)ও বয়েসে রাসুল (সা) এর চেয়ে অনেক বড় ছিলেন কিন্তু তবুও তারা সুখী ছিলেন।

১৫| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৫

রাগিব বলেছেন: উম্মু আবদুল্লাহ, আপনার দাবীতে একটু সমস্যা আছে। মুজিব ও ফজিলতুন্নেসার বিয়ে হয় ১৯৩৮ সালে। সেই সময়ে মুজিবের বয়স ১৮ (জন্ম ১৯২০) এবং ফজিলতুন্নেসার বয়স ৮ (জন্ম ১৯৩০)। (Click This Link )

১৬| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

নেতা বলেছেন: @উম্মু আবদুল্লাহ ,

কর্তৃপক্ষর কি আর দোষ! বুয়েটের দাড়োয়ান পিয়োনের পোষ্য কোঠায় ছাগু ব্রানের কেউ যদি ঢোকে তাহলে কর্তৃপক্ষের কিছু করার থাকে না :)

এই পোস্টের বিষয় বস্তু ছিল নবীর বাল্য বিবাহ নিয়ে কিন্তু আপনি শেখ মুজিব কে নিয়ে আসলেন।আপনার কি মনে হয় হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) আর শেখ মুজিব একেই মাপের ব্যাক্তি?

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৮

বনহমি বলেছেন: ভাই ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পড়ে এমন কমেন্ট থেকে বিরত থাকাই সমিচীন।

১৭| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৯

তামিম ইরফান বলেছেন: কিসের মধ্যে কি!!!!!!!!!!..........রাসুল(সাঃ ) এর সাথে শেখ মুজিবের তুলনা।

১৮| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৩২

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: আরিফুর রহমান,ভন্ডপির আপনারা মাঝে মাঝে কথা থেকে আসেন? একটা বা দুইটা বিরক্তি কর কমেন্ট করে বা পোস্ট দিয়ে আবার কোথাই হারিয়ে জান।
আপনারা আমাদের নেতা কে নিয়ে যে আলচনা করছেন তার অধিকার আপনাদের নাই। আপনারা দয়া করে এধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।

অন্য মুস্লীম ভাই দের কে বলছি।
এদের কাজ ই হল হাঙ্গামা সৃস্টি করা। তাদের ক্রীয়ানক হবেন না।
এদের কে দেখার দায়িত্ব আল্লাহর উপরেই সেরে দেন
ধন্যবাদ

১৯| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪

দ্বীপবালক বলেছেন: আয়েশার (রাঃ) বয়স ৯ হোক, ১৫ হোক আর ১৯ হোক তাতে এখনকার লোকদের মাথা ব্যথা কেন? সেটাতো ১৪০০ বছর আগের কথা। বাংলাদেশে হিন্দুরা এখনো ৫ বছর বয়সের মেয়ের বিয়ে দেয়। এইটা নিয়া একটু মাথা ব্যথা করলে এই ভাল হইত। আমাদের রবি বাবুর হৈমন্তীকে তো ছেলে পক্ষ বুড়ী মনে করেছে। হৈমন্তীর কত বছর বয়সে যেন বিয়ে হয়েছিল?

২০| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৫৭

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: @রাগিব, ৩ বছর বয়েসে ফজিলাতুন্নেসার বিয়ে সংক্রান্ত ইনফো দিয়েছিলেন এহহামিদা। তার ব্লগ বাতিল বলে রেফারেন্স দিতে পারছি না, সব কিছু তার ব্লগেই ছিল। আর বিভিন্ন সোর্স বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম ইনফো দেয় বলে আমি এ বিষয়ে তর্ক করতে চাই না।

@নেতা, কর্তৃপক্ষের দোষ না পেলে কি আর করা। তা হলে তো ছাগুরা বুয়েটে পড়ে সেটা আপনাদের হজম করতে হবে। এ বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করে তো লাভ নেই। আপনার মত বুদ্ধিমান মানুষ এই ছোট বিষয়টি কেন বুঝতে পারছেন না?

আপনি প্রশ্ন করেছেন শেখ মুজিব আর মহানবী (সা) কি একই মাপের ব্যক্তি?

না, আমি একই মাপের মনে করি না। আল্লাহর রাসুল(সা) এর সাথে কারো তুলনা চলে না। তবে এটা সবার মানসিকতা নয়। আল্লাহর রাসুল (সা) এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়, অথচ শেখ মুজিবের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এমন প্রচুর মানুষ আমি দেখেছি। আমি এমন অনেককে দেখেছি যারা আল্লাহর রাসুল (সা)কে সমালোচনা করে কিশোরীকে বিয়ে করার জন্য, অন্যদিকে শেখ মুজিবকে মহান নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। কথা হল রাসুল(সা) এর যেটা তারা মেনে নেয় না, সেটা শেখ মুজিবের ক্ষেত্রে তারা কি করে মেনে নেয়।

২১| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:১০

রাগিব বলেছেন: @উম্মু আবদুল্লাহ -- সেই রেফারেন্স তো আর দেখাতে পারছেন না। তার ব্লগে কী ছিলো আপনিই জানেন, আমাদের তো আর দেখাতে পারছেন না :) । রেফারেন্স ছাড়া কথা না বলাই ভালো।

২২| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

ধীবর বলেছেন: নিতাই ভট্টাচায্য তো ব্রাক্ষণ হিন্দু। তো আরিফুর রহমান নাম নিয়ে মুসলমান সেজে এই সব ভংচং করার অর্থ কি? ৯-১১ নাটকের পর, উগ্রবাদি জায়নিস্টদের সাথে কিছু ভারতীয় উগ্রবাদি হিন্দুরাও জুটেছে। যাদের একমাত্র কাজ হলো, ইন্টারনেটে ইসলাম ও মুসলমান বিরোধি ঘৃণাবাদ ছড়ানো। এই নিতাই ভট্টাচার্যও একই কুকর্মে লিপ্ত। ধরা খেলে এই লোকটা দুচারদিন ঘাপটি মেরে থাকে। পরে আবার উদয় হয়ে একই কাজ করে। আমি আশা করবো, এই লোকটাকে উগ্র ঘৃণাবাদ ছড়ানোর জন্য বের করে দেয়া হবে।

লেখককে বলছি, যদি সমালোচনার জবাব দিতে না পারেন, তাহলে কেন এই সব লিখতে যান? অনেকে অনেক প্রশ্ন করেছেন, যার সব কয়টিকে ঘৃণাবাদ প্রসুত বলা যায় না। বরঞ্চ অনুসন্ধিঃষ্ণূ মনের কৌতুহল মেটানো, একজন লেখক হিসেবে আপনার দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য।

আর উইকির সব কথাকে বেদবাক্য জ্ঞান করার কারণ নেই। বিশেষ করে ৯-১১ নাটকের পর যেভাবে অপপ্রচার করে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘৃণাবাদ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে, তার বিরুদ্ধে উইকির আচরণ জায়ানবাদি মিডিয়ার চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

তাছাড়া আমাদের নবী কয়টা বিয়ে করেছিলেন, বয়সের কত ফারাক ছিল, এই সব প্রসঙ্গ আসেই বা কেন? এই সব নিয়ে কথা বল্লে, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যোয়ন ঘটবে? বাংলাদেশের অবস্থার রকম্ফের হবে?

এই সব প্রসঙ্গে গলাবাজি তারাই করে যারা ইসলামের নামে ঘৃণা ছড়াতে চান। তাই ঘৃণাবাদিদের প্রত্যাখান করার জন্য সব বিবেকবানদের কাছে অনুরোধ রইলো।

২৩| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

নেতা বলেছেন:
@উম্মু আবদুল্লাহ

আমার মনে হয় আপনার সমস্যা শেখ মুজিব কে শ্রদ্ধা বেশী দেখান বা মুহাম্মাদ(সাঃ) কে কম দেখানতে না! আপনার সমস্যা হল আপনি বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের সুবিধা ভিগী হওয়াতে শেখ মুজিবের প্রতি এক ধরনের এলার্জি।আপনার মতন মানুষের শেখ মুজিবের প্রতি এলার্জি থাকা সাভাবিক কিন্তু তাই বলে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর সাথে মিলিয়ে তুলনা করাটা সত্যিই হাস্যকর;)

২৪| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:২২

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: রাগিব, আমি আমার মত করে বলব। রেফারেন্স হাতের কাছে রেডী না থাকলেও বলব, তাতে সমস্যা দেখছি না। তবে তার চেয়ে ভাল রেফারেন্স পেলে সেটা মেনে নেব। এহহামিদার ব্লগ অনেক দিন ছিল। অনেকেই দেখেছিল, মন্তব্যও করেছিলো।

আপনার রেফারেন্সটা বরং বেশী সুবিধার মনে হচ্ছে না। কে লিখেছে সেরকম কোন ইনফো দেখছি না।


আমি কি করব সেটা আমাকে ঠিক করতে দিন। আপনি তথ্যের প্রতিবাদ করতে চাইলে বা আমার মতের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইলে বলতে পারেন, তবে আমি সাধারনত আমার নিজের মত মতই চলি। আপাতত আপনার সাথে এরকম অসংগতিপূর্ন আলোচনা চালাতে আমি উৎসাহী নই। আমি আমার কথা বলেছি, আপনি আপনারটা বলেছেন - ব্যস আর এনিয়ে কথা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। আমি বিষয়ের বাইরে কিছু বলাটা খুব একটা পছন্দ করি না।

২৫| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:২৮

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "আপনার মতন মানুষের শেখ মুজিবের প্রতি এলার্জি থাকা সাভাবিক"

@নেতা

ফজিলাতুন্নেসাকে ৩ বছর বয়েসে বিয়ে করার বিষয়ে আমি খারাপ কিছু পাই না। তাদের জীবন সুখের ছিল - সেটাই গুরুত্বপূর্ন। তার পারিবারিক জীবন বরং অনেকের মডেল হতে পারে।

আমি সমস্যা দেখেছি কিছু লোকের মধ্যে যারা অবিরত আল্লাহর রাসুল (সা) কে কিশোরী বিয়ের জন্য সমালোচনা করে।

আপনার অন্যান্য কথা এই পোস্টের সাথে সংগতিবিহীন, ব্যক্তি আক্রমনে পরিপূর্ন। আপাতত সেসব নিয়ে কোন কথা বলতে চাই না।

২৬| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৪২

রাগিব বলেছেন: @উম্মু আবদুল্লাহ - এই পোস্টে অপ্রাসঙ্গিক উদাহরণটি আপনিই তুলে ধরেছেন, এবং তা-ও "আমি শুনেছি" এই টাইপের লেখার ভিত্তিতে। :) আর এখন তারও কোনো রেফারেন্স দেখাতে পারছেন না। আমার আর কিছুই বলার নাই :D

আমি যদি বলি যে আকাশটার রঙ বেগুনি, অথবা কোনো একজন ব্লগার, ধরা যাক, তাঁর নাম ক, তাঁর বয়স ১৪০ বছর বলে শুনেছি, তবে কোনো রেফারেন্স টেন্স নাই, অমুকের ব্লগে ছিলো সেটাও বাতিল হয়ে গেছে, "আমাকে চলতে দিন আমার মতো/বলতে দিন" ইত্যাদি ইত্যাদি ... সেটার বিরুদ্ধে যদি আপনি লেখেন কিছু, তা অসঙ্গতিপূর্ণ হবে? আপনিই এই পোস্টের বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন একটি বিষয় অবতারণা করে (নিজের "শোনা কথা") কথা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর সেটার তথ্যগত ত্রুটিটুকু নিয়ে বলাটা "অসঙ্গতিপূর্ণ"? মজা পেলাম।

(পরিষ্কার করে বলে রাখি, আমি এই কমেন্টে আপনাকে ব্যক্তিগত কোনো কিছু বলি নাই, আপনি এর আগে এটা নিয়ে ভুল ধারনা করে আইডি ফোরামে গীবতী থ্রেডে কমেন্ট দিয়েছিলেন, তাই এবার আগেই বলে রাখি, আমার উপরোক্ত মন্তব্য পুরোই আপনার পেশ করা উপাত্তের/ধারণার উপরে।)

--

আর পোস্টের মূল বিষয়ে এটাই বলি, ১৫০০ বছর আগের সামাজিক পরিস্থিতিকে আজকের প্রথা/মূল্যবোধ দিয়ে যাচাই করা যায় না। সে সময়ের ঘটনাকে সেসময়কার সামাজিক প্রথার ভিত্তিতেই দেখতে হবে।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৭

বনহমি বলেছেন: মূল পোস্টের বিষয়ে যা বলেছেন তা ঠিক আছে। তবে আদিল সালাহি কিন্তু তৎকালীন কনটেক্সেটেই বিষয়টা বিশ্লেষণ করেছেন আজকের কনটেক্সেটে না। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

২৭| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৪৪

প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

সহিহ বুখারি কিতাব ৬২, হাদিস ৬৪
-------------------
আয়েশা (র.)কর্তৃক বর্ণিত আছে,রাসূল (স.) ৬ বছর বয়সে আয়েশাকে বিবাহ করেন এবং সংসার শুরু করেন যখন তার বয়স ৯ বছর, এবং রাসূলের মৃত্যু পর্যন্ত আয়েশা তাঁর সাথে ৯ বছর কাটান।

সহীহ মুসলিম, কিতাব ৮,হাদিস ৩৩১০
-------------------
আয়েশা (র.)বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (স.) আমাকে যখন বিবাহ করেন তখন আমার বয়স ছিল ৬ বছর এবং যখন আমি তাঁর সংসারে প্রবেশ করি তখন আমার বয়স ছিলাম ৯ বছর।


উম্মু আবদুল্লাহ, আপনি কি এই হাদিসগুলো অস্বীকার করতে চান?

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪১

বনহমি বলেছেন: View this link

২৮| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

নেতা বলেছেন:
@উম্মু আবদুল্লাহ

"ফজিলাতুন্নেসাকে ৩ বছর বয়েসে বিয়ে করার বিষয়ে আমি খারাপ কিছু পাই না।"


খারাপই যদি না দেখেন তাহলে সবাই যখন নবীর বাল্য বিবাহ নিয়ে সমালোচনা করছিল তখন ফজিলাতুনেসার উদাহরন দিলেন যে।আপনার বুদ্ধি লেবেল এত নিচে চলে গেছে যে এখন এহহামিদা রেফারেন্স দিয়ে ব্লগিন করতে হয়;)

২৯| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: নেতা,ওনাকে হাদিসগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করতে সুযোগ দিন প্লিজ।

৩০| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০২

নেতা বলেছেন:
@প্রশ্নোত্তর,

উম্মু আপা এখন ডিনারে গেছেন ডিনার শেষে অপনার উত্তর পাবেন আশা করি :)

৩১| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:২৩

বিবাগী পুরুষ বলেছেন: এই পোস্টেও ছাগাফুর মুখ দিছে। এই উগ্রবাদী মালাউনটার কাজই হলো শুধু ইসলাম বিষেদেগার। বেবাক লোক হেরে এত পিছনমারার পরও হে ঠিক হয় না!! বেহায়া কোন হানকার!!

৩২| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @বিবাগী পুরুষ

মাতারি স্টাইল ছেড়ে ভদ্রবভাবে প্রাসঙ্গিক আলাপ করন। লেখক অস্বীকার করছেন যে, মুহাম্মদ (স)এর সাথে আয়েশা'র (র) বিয়ে হয়েছিল আয়েশা'র ৬ বছর বয়সে। কিন্তু সহীহ বুখারি আর হাদীসে পরিষ্কার বলা আছে যে ৬ বছরেই বিবাহ হয়েছিল। বুড়া শাহরীয়ার আর দ্বীপবালককে নিয়ে উম্মু আব্দুল্লাহ সে ভুল তথ্যকেই সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছেন।সে ব্যাপারে আপনার মত কি? মুসলমান হিসেবে সেটার চেয়ে আপনার কাছে বেশি গুরুত্ব পেয়ে গেল আরিফুর রহমানের নাম বিকৃত করে ছাগাফুর ডাকতে? সত্য বলুন, সৎ পথে চলুন - সব ধর্ম অন্য অনেক কিছহুর সাথে এটাও শিখাতে চেষ্টা করে, নিজেকে ধার্মের পেয়াদা সাজানোর আগে আয়নায় একবার চেহারাটা দেখে নিয়েন।

ধন্যবাদ।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৩

বনহমি বলেছেন: View this link

৩৩| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৪৪

স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন:

++++++

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৪

বনহমি বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য

৩৪| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৪৭

প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @স্বপ্ন ব্যাকরণ

২৭ নম্বর কমেন্টে দেয়া হাদিস দু'টো আগে পড়ুন তারপর বলুন এই লেখক কি হাদিস বিকৃত করতে চেষ্টা করছে না? কতবড় খাঁটি মুসলমান হয়েছেন দেখি।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৪

বনহমি বলেছেন: এই লেখক নিজে থেকে কিছু বলেনি ভাই।

View this link

৩৫| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪

সততার আলো বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর তথ্য ও যুক্তি নির্ভর পোস্টের জন্য। এ বিতর্কের সমাধান এ ছাড়া অন্যকিছু নয় অবশ্যই। রাসূল (সা.) ও আবু বকর (রা.) হিজরতের সময় আসমা (রা.) বয়সে প্রায় তরুনী ছিলেন এবং আয়শা(রা.)ও খুব কম বয়সী ছিলেননা। তাঁরা দুজনই হিজরতকারী দুজনকে সহায়তা করেছিলেন।



উম্মু আব্দুল্লাহর মন্তব্যটি ভাল লাগলনা।

৩৬| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৫

সততার আলো বলেছেন: ইসলাম গ্রহন করা সম্ভব শুধু মাত্র বালেগ ও সচেতন মানুষের দ্বারা। নাবালকের কোন ধর্ম নেই। তাই প্রথম পন্চাশজন এর মাঝে যদি আয়শা (রা.) থাকেন তবে তিনি অবশ্যই নবুওয়াতের প্রথম পাঁচ বছরের মাঝেই ইসলাম গ্রহন করেছিলেন এবং তখন তাঁর বয়স অবশ্যই সাত বছরের কম ছিলনা।
আর তাহলেও তাঁর ও রাসুল (সা.) এর বিবাহের সময় তাঁদের বয়স কিছুতেই চৌদ্দ এর কম হতে পারেনা।

৩৭| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৫

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "উম্মু আবদুল্লাহ, আপনি কি এই হাদিসগুলো অস্বীকার করতে চান?"

@প্রশ্নোত্তর,

হাদীস নিয়ে গবেষনা করে সিদ্ধান্তে পৌছুনোর মত জ্ঞান তো আমার নেই। অন্তত পক্ষে বয়সের মত টপিক নিয়ে হাদীস গবেষনা করার ধৈর্য আমার নেই। আয়েশার বয়স ৮/১৮/২৮ হলেই বা আমার তাতে কি এসে যায়। কেউ এ নিয়ে গবেষনা করে যুক্তি দিলে সেটা পড়ব, আর যার যুক্তি আমার কাছে জোড়ালো মনে হবে সেটা গ্রহন করব। লেখক দাবী করেছেন আয়েশা (রা) এর বয়স ৬/৭ ছিল না। সেটা হতে পারে। আবার নাও হতে পারে। কারন বুখারীর হাদীসে ৬/৭ থাকলেও সবচেয়ে জোড়ালো বর্ননাটি ছিল ৯ বছরে আয়েশার (রা) আকদ হওয়া এবং ১২ তে সংসার জীবনে প্রবেশ করা। যা বুখারীর বর্ননার চেয়ে কিছুটা আলাদা। সেসময় জন্ম নিবন্ধনের কোন সিস্টেম না থাকায় এরকম মতভিন্নতা থাকা বিচিত্র কিছু নয়। আমি সবার মতামতই গুরুত্বের সাথে পড়ছি।



আমি শুধু বলেছিলাম বাল্য বিবাহ মাত্রই যে খারাপ তা সত্য নয়। বাল্য বিবাহের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ইসলামে রয়েছে। পিতা ব্যতীত কেউ বিয়ে দেবার ক্ষমতা রাখেন না, এ রকম বিয়ে মেয়েরা বড় হলে সরাসরি অস্বীকার করতে পারে (যা তালাক/খোলা থেকে আলাদা)। এসবের নিয়ম ইসলামই দিয়ে গেছে। এই সব নিয়মের এবিউস হলে একটি দেশ বাল্য বিবাহের উপর আরো রেসট্রিকশন দিতে পারে।

আল্লাহর রাসুল (সা) এর বিয়ে আমার কাছে কখনই কোন আপত্তিকর মনে হয় নি। রাসুল (সা) এর স্ত্রীদের পূর্ন স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল তার সাথে থাকার অথবা চলে যাবার। কাজেই তার স্ত্রীরা যেখানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেখানে আমার বলার কি থাকতে পারে।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৬

বনহমি বলেছেন: সেসময় জন্ম নিবন্ধনের কোন সিস্টেম না থাকায় এরকম মতভিন্নতা থাকা বিচিত্র কিছু নয় --- এটাই মূল কথা, আদিল সালাহি এই বিষয়টাই আলোচনার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

৩৮| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: @নেতা

"খারাপই যদি না দেখেন তাহলে সবাই যখন নবীর বাল্য বিবাহ নিয়ে সমালোচনা করছিল তখন ফজিলাতুনেসার উদাহরন দিলেন যে"

বাল্য বিবাহ মাত্রই অসফল বিবাহ - সে স্টেরিও টাইপড ধারনার বিরোধিতা করার জন্য। আমি মহানবী (সা) এবং শেখ মুজিব - দুজনের বিয়েকেই সফল মনে করছি।



৩৯| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৫৪

বর্ণান্ধ বলেছেন: আমি এ ব্যাপারে অজ্ঞ। তবে রহিম রূপবানের কাহিনী শুনছিলাম!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

৪০| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: আমি যতটুকু শুনেছিলাম মহানবী (সা:) এর একেকটি বিয়ে একেকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে সংঘটিত হয়েছিলো। তখনকার সময়ে ইসলাম প্রসারের জন্য এবং বিভিন্ন গোত্রের সাথে সম্পর্ক স্হাপনের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। আমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ সঠিকভাবে জানিনা। বিস্তারিত পড়াশুনা করে লিখবো আশা করছি।

একটা অদ্ভুত ব্যপার দেখলাম এই টপিকের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে টেনে আনা হয়েছে এবং কয়েকজন মহানবী(সা:) নিয়ে বাজে কমেন্ট করায় কোন আপত্তি না জানিয়ে বরং শেখ মুজিবকে নিয়ে কেন কমেন্ট করা হলো তাতে আপত্তি জানাচ্ছে!!!!!

লেখককে তার লেখার জন্য ধন্যবাদ।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৭

বনহমি বলেছেন: আপনাকেও পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৪১| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩১

অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: **মহানবী ( সা: )

৪২| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

ভন্ডপির বলেছেন: @বুঢ়া শাহরীয়ার: বিশ্বনবী হইল আমাগের সকলের নবী। চোখ বুইজা থাকলে ধম্মের লুংগি ধইরা টান দিব না কেউ। :D

৪৩| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬

সাইলেন্সার বলেছেন:

লেখকের যুক্তির সাথে একমত।

উম্মু আব্দুল্লাহর অপ্রাসঙ্গিকভাবে শেখ মুজিবর রহমানের বিয়ের বিষয়টি তুলে আনা উচিত হয়নি।

যারা ইসলামকে জামায়াতীকরণের প্রচেষ্টা করে তাদের সাবধান হওয়া উচিত।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৮

বনহমি বলেছেন: ভাই যুক্তিগুলো লেখকের না। পড়ার জন্য এবং একমত হবার জন্য ধন্যবাদ।

৪৪| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

বিলাশ বিডি বলেছেন: Sahih Muslim Book 008, Number 3310:
'A'isha (Allah be pleased with her) reported: Allah's Apostle (may peace be upon him) married me when I was six years old, and I was admitted to his house when I was nine years old.

Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 64
Narrated 'Aisha:
that the Prophet married her when she was six years old and he consummated his marriage when she was nine years old, and then she remained with him for nine years (i.e., till his death).

Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 65
Narrated 'Aisha:
that the Prophet married her when she was six years old and he consummated his marriage when she was nine years old. Hisham said: I have been informed that 'Aisha remained with the Prophet for nine years (i.e. till his death)." what you know of the Quran (by heart)'

Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 88
Narrated 'Ursa:
The Prophet wrote the (marriage contract) with 'Aisha while she was six years old and consummated his marriage with her while she was nine years old and she remained with him for nine years (i.e. till his death).

Some Muslims claim that it was Abu Bakr who approached Muhammad asking him to marry his daughter. This is of course not true and here is the proof.

Sahih Bukhari 7.18
Narrated 'Ursa:
The Prophet asked Abu Bakr for 'Aisha's hand in marriage. Abu Bakr said "But I am your brother." The Prophet said, "You are my brother in Allah's religion and His Book, but she (Aisha) is lawful for me to marry."


Abu Bakr and Muhammad had pledged to each other to be brothers. So according to their costoms Ayesha was supposed to be like a niece to the Holy Prophet. Yet that did not stop him to ask her hand even when she was only six years old.

Sahih Bukhari V.7, B62, N. 37
Narrated Ibn 'Abbas:
It was said to the Prophet, "Won't you marry the daughter of Hamza?" He said, "She is my foster niece (brother's daughter). "

Hamza and Abu Bakr both were the foster brothers of Muhammad.

In the following Hadith he confided to Ahesha that he had dreamed of her before soliciting her from her father.

Sahih Bukhari 9.140
Narrated 'Aisha:
Allah's Apostle said to me, "You were shown to me twice (in my dream) before I married you. I saw an angel carrying you in a silken piece of cloth, and I said to him, 'Uncover (her),' and behold, it was you. I said (to myself), 'If this is from Allah, then it must happen.

There are numerous hadithes that explicitly reveal the age of Ayesha at the time of her marriage. Here are some of them.

Sahih Bukhari 5.236.
Narrated Hisham's father:
Khadija died three years before the Prophet departed to Medina. He stayed there for two years or so and then he married 'Aisha when she was a girl of six years of age, and he consumed that marriage when she was nine years old.

Sahih Bukhari 5.234
Narrated Aisha:
The Prophet engaged me when I was a girl of six (years). We went to Medina and stayed at the home of Bani-al-Harith bin Khazraj. Then I got ill and my hair fell down. Later on my hair grew (again) and my mother, Um Ruman, came to me while I was playing in a swing with some of my girl friends. She called me, and I went to her, not knowing what she wanted to do to me. She caught me by the hand and made me stand at the door of the house. I was breathless then, and when my breathing became Allright, she took some water and rubbed my face and head with it. Then she took me into the house. There in the house I saw some Ansari women who said, "Best wishes and Allah's Blessing and a good luck." Then she entrusted me to them and they prepared me (for the marriage). Unexpectedly Allah's Apostle came to me in the forenoon and my mother handed me over to him, and at that time I was a girl of nine years of age.

And in another Hadith we read.

Sunan Abu-Dawud Book 41, Number 4915, also Number 4916 and Number 4917
Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:
The Apostle of Allah (peace_be_upon_him) married me when I was seven or six. When we came to Medina, some women came. according to Bishr's version: Umm Ruman came to me when I was swinging. They took me, made me prepared and decorated me. I was then brought to the Apostle of Allah (peace_be_upon_him), and he took up cohabitation with me when I was nine. She halted me at the door, and I burst into laughter.

Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 90
Narrated Aisha:
When the Prophet married me, my mother came to me and made me enter the house (of the Prophet) and nothing surprised me but the coming of Allah's Apostle to me in the forenoon.


Sahih Bukhari Volume 8, Book 73, Number 151
Narrated 'Aisha:
I used to play with the dolls in the presence of the Prophet, and my girl friends also used to play with me. When Allah's Apostle used to enter (my dwelling place) they used to hide themselves, but the Prophet would call them to join and play with me. (The playing with the dolls and similar images is forbidden, but it was allowed for 'Aisha at that time, as she was a little girl, not yet reached the age of puberty.) (Fateh-al-Bari page 143, Vol.13)


Sahih Muslim Book 008, Number 3311
'A'isha (Allah be pleased with her) reported that Allah's Apostle (may peace be upon him) married her when she was seven years old, and he was taken to his house as a bride when she was nine, and her dolls were with her; and when he (the Holy Prophet) died she was eighteen years old.

The holy Prophet died when he was 63. So he must have married Ayesha when he as 51 and went to her when he was 54.

Sahih Bukhari Volume 8, Book 73, Number 33
Narrated 'Aisha:
I never felt so jealous of any woman as I did of Khadija, though she had died three years before the Prophet married me, and that was because I heard him mentioning her too often, and because his Lord had ordered him to give her the glad tidings that she would have a palace in Paradise, made of Qasab and because he used to slaughter a sheep and distribute its meat among her friends.


Khadija died in December of 619 AD. That is two years before Hijra. At that time the Prophet was 51-years-old. So in the same year that Khadija died the prophet married Ayesha and took her to his home 3 years later, i.e. one year after Hijra. But until she grow up he married Umm Salama.

In another part Ayesha claims that as long as she remembers her parents were always Muslims.

Sahih Bukhari Volume 5, Book 58, Number 245

Narrated 'Aisha:
(the wife of the Prophet) I never remembered my parents believing in any rligion other than the true religion (i.e. Islam),

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৪৮

বনহমি বলেছেন: View this link

৪৫| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

না বলা কথা বলেছেন: একেকজন দেখি মহা পন্ডিত। মগজ ভর্তি শিশি
বাংলা ব্লগ স্কুলে দেখি সবাই স্বমহিমায় ভিসি।

৪৬| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

শয়তান বলেছেন: মজার পোস্ট

৪৭| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৪

বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: dolls with her...
আল্লাহর রাসুল as well as হজরত আবু বকর রাঃ দুই জন ই তাদের মেয়ে এবং স্ত্রী কে পুতুল রাখতে এবং খেলা করতে উতসাহিত করেছেন যখন রাসুল সাঃ সারা জীবন পুতুল পুজার বিপরীতে কথা বলেছেন।
হাস্যকর ...
আমরা নীজেরাও আমাদের মেয়েদের কে পুতুল কিনে দেবার সময় দুই বার চিন্তা করি আর হজ্রত আবু বকর রাঃ কিছু চিন্তা না করেই পুতুল কিনে দিয়েছেন।
ফাইজলামি র একটা সীমা থাকা দরকার।

৪৮| ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩২

দ্বীপবালক বলেছেন: শাহরীয়ার ভাই। পুতুল নিয়ে খেলা নাজায়েজ নয়। আয়েশা (রাঃ) পুতুল নিয়ে খেলেছেন তাঁর বান্ধবীদের সাথে। বিয়ের সময় তাঁর অল্প বয়সই ছিল।
কিন্তু এটা নিয়ে মাতামাতির কী আছে। আয়েশার (রাঃ) অল্প বয়স ছিল তাতো ইসলামের শত্রুরা গবেষণা করে বের করেনি। ইসলামের উলামারা তা ইতিহাসে ও সুন্নতের কিতাবের মাধ্যমে জানিয়েছেন। এটা গোপন করার কোন বিষয়ও নয়। এটা অন্যায়ো অবৈধ কোন বিষয়ও ছিলনা। আজ থেকে এক দশক আগেও ছোট ছোট মেয়েদের বিয়ে হয়েছে। এখনো হচ্ছে। হিন্দুরা তাদের ৫/৬ বছরের মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছে সতী রাখার নিমিত্তে। আমাদের সময়ের একটা স্ট্যাণ্ডার্ড দিয়ে আয়েশার (রাঃ) স্ময়কে বিচার করলে হবেনা।
আরেকটা কথা হলঃ আমাদের সময়ে কম বয়স্কদের বিয়ে করতে দেয়া হচ্ছেনা, অথচ তাদেরকে ঠিকই অবাধ যৌন সম্পর্ক গড়তে দেয়া হচ্ছে এবং অনেকের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থেকে বাচ্চা কাচ্চাও হচ্ছে। এসব নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই। আছে আয়েশার (রাঃ) বয়স নিয়ে।

৪৯| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

মোতাব্বির কাগু বলেছেন: সহিহ বুখারি কিতাব ৬২, হাদিস ৬৪
-------------------
আয়েশা (র.)কর্তৃক বর্ণিত আছে,রাসূল (স.) ৬ বছর বয়সে আয়েশাকে বিবাহ করেন এবং সংসার শুরু করেন যখন তার বয়স ৯ বছর, এবং রাসূলের মৃত্যু পর্যন্ত আয়েশা তাঁর সাথে ৯ বছর কাটান।

সহীহ মুসলিম, কিতাব ৮,হাদিস ৩৩১০
-------------------
আয়েশা (র.)বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (স.) আমাকে যখন বিবাহ করেন তখন আমার বয়স ছিল ৬ বছর এবং যখন আমি তাঁর সংসারে প্রবেশ করি তখন আমার বয়স ছিলাম ৯ বছর।


উম্মু আবদুল্লাহ, আপনি কি এই হাদিসগুলো অস্বীকার করতে চান?

৫০| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

জটিল বলেছেন: কি জামানা আইলো !!
কে কারে কখন বিয়া করসে সেইটা নিয়ে ফাল পারে !!
আরে যার যখন খুশি যার লগে চুদুরপুদুর খেলুক তাতে কার কি যায় আসে !!

৫১| ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮

নাম তার সজীব বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম পরে সময় নিয়ে পড়ব।

৫২| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অরণ্যচারী বলেছেন: জনৈক ছাগী সম্পর্কে এই পোস্টে আইডিয়া পাইলাম।

৫৩| ০৪ ঠা জুন, ২০১০ রাত ১২:০৭

সাতরং০৯ বলেছেন: উম্মু আব্দুল্লাহ যা বলেছেন তা ঠিক । যারা অন্য ধর্মের তারা এই ব্যপারে কোন কমেন্ট না করলে ভাল হয় । কারন তারা শুধু হিংসাই পোষন করতে জানে । এবার নবীজির(সঃ) এর প্রতি অপবাদ দেওয়া হয় তার নিন্দা নয় প্রতিবাদ জানাই। কারন সেই এক বিবাহের প্রবক্তা পশ্চাত্য সমাজের দিকে আমরা তাকাই তাহলে দেখা যায় স্কুলের ৭০% এর উপর ছাত্রী যৌন অভিজ্ঞতা লাভ করে o level শেষ করার আগেই এবং ৩০%এর উপর ছাত্রী পেগেনেনসি অভিজ্ঞতা লাভ করে । একজন পুরষ কমপক্ষে ১৫ জন নারীর সাথে িমলিত হয় । তারা একজন বা দুজনে সন্তুষ্ট নয় বলে অনেকের সাথে লিভ টুগেদার করে । এরপরও কোন সমস্যা নয় কিন্তু আমরা বৈধ পদ্ধতিতে এক বা দুজন বিয়ে করলেই খারাপ বা অন্যায়। ওয়াশিংডিসি ব্রুন হত্যার মত জগন্য কাজের জন্য বিখ্যাত তা নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই শুধু আমাদেরকে নিয়ে । ভাল করে চিন্তা করুন ,আপনাদের অভিযোগ যে মিথ্যা তার প্রমান হল পশ্চ্যাত্যের ইসলাস গ্রহন বিশেষ করে মহিলাদের । পেচা না চাইলেও আলো আসবে।

৫৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ভোর ৫:৩৭

মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন: আপনার এই দাবি মানে হচ্ছে যেটি আপনার কাছে দৃষ্টকটু লাগবে সেটিকে সহি হাদিস বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করা। তাহলে কিন্তু লুমা পরিস্কার করতে গিয়ে কম্বলের কি হাল হবে তা কি বুঝতে পারছেন কি!!!

তার চেয়ে সেই কাজ করুন- যে কাজটি আগেরকার লোকেরা করে গেছেন, বিতর্কিত বিষয়ে চুপ থাকা।

৫৫| ১৩ ই জুন, ২০১১ সকাল ৭:২১

নির্ণয় বলেছেন:
সর্বপ্রথম আমাদের যে বিষয়টি বুঝতে হবে তা হচ্ছে, রাসুল (সা.)-এর সময় আরব সমাজের অধিকাংশই ছিল নিরক্ষর এবং খুব কম লোকই লিখতে বা পড়তে পারত। বড় বড় ঘটনাগুলোর সন তারিখ হিসেব রাখার জন্য যেখানে কোন নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হত না, সেখানে মানুষের জন্ম মৃত্যুর তারিখ হিসেব রাখার কথাতো বাদই দেয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আমরা পড়ি - রাসূল (সা.) জন্মগ্রহন করেছেন ‘হাতির বছরে’। হাতির বছর বলতে বোঝায় সেই বছর যেবার আবিসিনিয়ার সেনাপতি ইয়েমেন থেকে মক্কা এসেছিল এক বিরাট সেনাবাহিনী নিয়ে কাবা ঘর ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। একটি বড় হাতি সৈন্য বাহিনীর সামনে মার্চ করে আসছিল - আর তাই ঘটনাটি এবং বছরটি হাতির নামে পরিচিত হয়।

- তাহলে যত রেফারেন্স আয়েশার বয়সকে ১৩/১৭/১৯ বলে দাবী করছে সেগুলোকেও একই যুক্তিতে বাদ দিয়ে দেয়া যায়।

- সালটা হাতির বছর নামে পরিচিত বলাটা এটা প্রমাণ করেনা যে সেটার আসল তারিখ অবশ্যই অজানা । হাতির বছরে জন্ম বলায় কী নবীর নিজের জন্ম সাল নিয়ে বিভ্রান্তি আছে। তখন নবীর চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে আয়েশার বয়সের হিসেব রাখার ব্যবস্থা যদি না থেকে থাকে তাহলে নবীর বয়সের হিসেব কিভাবে রাখা গেল?


মাত্র কয়েক দশক পরে যে নবী হিজরতে গেলেন, যেখান থেকে হিজরী সাল গোনা হয়, সেটাও কি তাহলে বিভ্রান্তিকর গণনা হতে পারেনা?



সেই মহিলা তাকে দু’জনের কথা বল্লেন, একজন কুমারী আয়েশা অন্যজন বিধবা সাওদা। রাসূল (সা.) তাকে দুজনের কাছেই প্রস্তাব নিয়ে যেতে বল্লেন।

- মহিলা সাহাবীর কথায় নবী আয়েশাকে পছন্দ করলেন নাকি স্বপ্নে দেখলেন যে আল্লাহ তাকে উপহার হিসেবে আয়েশাকে দিয়েছেন? কনফার্ম করেন।


তাই বলা যায় পঞ্চম বছরে বা তার পূর্বে আয়েশা (রা.) ছোট ছিলেন, কিন্তু নিশ্চয় ততটা বড় ছিলেন যাতে তার নাম একটি নতুন দাওয়াতে বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। তার বয়স কত ধরে নিতে পারি আমরা ? নিশ্চয় মনে করা ঠিক হবে না যে তার বয়স ২ অথবা ৪ অথবা ৫ ছিল আর তারপরও তাকে কীর্তিমানদের নামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাই যদি হত তাহলে তালিকার পঞ্চাশজনের অন্যান্য সকলেরই যত বাচ্চা কাচ্চা ছিল সকলেরই নাম সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হত। আসলে তিনি নিশ্চয় এতটা বড় ছিলেন যাতে তাকে ধর্ম পরিবর্তন করা বা নতুন ধর্ম গ্রহন করা - এই মাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে উল্লেখ করা যায়। এই হিসেবে লোকে যদি তাকে অনেক ছোট বলার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে চায়, তাহলেও তার বয়স ১০ অথবা ৮ এর কম হবার কথা না।

- জাকির নায়েক কয় সব শিশু নাকি মুসলমান হিসেবেই জন্ম নেয়। সেই হিসেবে শিশুর নাম ইসলামগ্রহণকারীদের তালিকায় থাকতেই পারে। আর কথা হলো বাকিদের শিশুদের নাম নেই কেন। যে লিস্ট বানিয়েছে সে আবু বকর (সেই সূত্রে তাঁর মেয়ে) কে যে গুরুত্বের সাথে দেখেছে অন্যদের সেভাবে দেখেনি তাই!

এই হিসেবে লোকে যদি তাকে অনেক ছোট বলার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে চায়, তাহলেও তার বয়স ১০ অথবা ৮ এর কম হবার কথা না।

- ৮/১০ এর মেয়েকে বিয়ে করার ইতিহাস ঢাকতে এত চেষ্টা, পরে ৮/১০ এর মেয়ের ইসলাম গ্রহণ (ধর্মের ব্যাপারে সেই বয়সে তাঁর কী বিবেচনাবোধ থাকার কথা?) এর ইতিহাস ঢাকতে না আবার গলদঘর্ম হতে হয়!

৫৬| ১৩ ই জুন, ২০১১ সকাল ৭:২১

নির্ণয় বলেছেন:
সর্বপ্রথম আমাদের যে বিষয়টি বুঝতে হবে তা হচ্ছে, রাসুল (সা.)-এর সময় আরব সমাজের অধিকাংশই ছিল নিরক্ষর এবং খুব কম লোকই লিখতে বা পড়তে পারত। বড় বড় ঘটনাগুলোর সন তারিখ হিসেব রাখার জন্য যেখানে কোন নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা হত না, সেখানে মানুষের জন্ম মৃত্যুর তারিখ হিসেব রাখার কথাতো বাদই দেয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, আমরা পড়ি - রাসূল (সা.) জন্মগ্রহন করেছেন ‘হাতির বছরে’। হাতির বছর বলতে বোঝায় সেই বছর যেবার আবিসিনিয়ার সেনাপতি ইয়েমেন থেকে মক্কা এসেছিল এক বিরাট সেনাবাহিনী নিয়ে কাবা ঘর ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। একটি বড় হাতি সৈন্য বাহিনীর সামনে মার্চ করে আসছিল - আর তাই ঘটনাটি এবং বছরটি হাতির নামে পরিচিত হয়।

- তাহলে যত রেফারেন্স আয়েশার বয়সকে ১৩/১৭/১৯ বলে দাবী করছে সেগুলোকেও একই যুক্তিতে বাদ দিয়ে দেয়া যায়।

- সালটা হাতির বছর নামে পরিচিত বলাটা এটা প্রমাণ করেনা যে সেটার আসল তারিখ অবশ্যই অজানা । হাতির বছরে জন্ম বলায় কী নবীর নিজের জন্ম সাল নিয়ে বিভ্রান্তি আছে। তখন নবীর চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে আয়েশার বয়সের হিসেব রাখার ব্যবস্থা যদি না থেকে থাকে তাহলে নবীর বয়সের হিসেব কিভাবে রাখা গেল?


মাত্র কয়েক দশক পরে যে নবী হিজরতে গেলেন, যেখান থেকে হিজরী সাল গোনা হয়, সেটাও কি তাহলে বিভ্রান্তিকর গণনা হতে পারেনা?



সেই মহিলা তাকে দু’জনের কথা বল্লেন, একজন কুমারী আয়েশা অন্যজন বিধবা সাওদা। রাসূল (সা.) তাকে দুজনের কাছেই প্রস্তাব নিয়ে যেতে বল্লেন।

- মহিলা সাহাবীর কথায় নবী আয়েশাকে পছন্দ করলেন নাকি স্বপ্নে দেখলেন যে আল্লাহ তাকে উপহার হিসেবে আয়েশাকে দিয়েছেন? কনফার্ম করেন।


তাই বলা যায় পঞ্চম বছরে বা তার পূর্বে আয়েশা (রা.) ছোট ছিলেন, কিন্তু নিশ্চয় ততটা বড় ছিলেন যাতে তার নাম একটি নতুন দাওয়াতে বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। তার বয়স কত ধরে নিতে পারি আমরা ? নিশ্চয় মনে করা ঠিক হবে না যে তার বয়স ২ অথবা ৪ অথবা ৫ ছিল আর তারপরও তাকে কীর্তিমানদের নামের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তাই যদি হত তাহলে তালিকার পঞ্চাশজনের অন্যান্য সকলেরই যত বাচ্চা কাচ্চা ছিল সকলেরই নাম সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হত। আসলে তিনি নিশ্চয় এতটা বড় ছিলেন যাতে তাকে ধর্ম পরিবর্তন করা বা নতুন ধর্ম গ্রহন করা - এই মাত্রার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে উল্লেখ করা যায়। এই হিসেবে লোকে যদি তাকে অনেক ছোট বলার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে চায়, তাহলেও তার বয়স ১০ অথবা ৮ এর কম হবার কথা না।

- জাকির নায়েক কয় সব শিশু নাকি মুসলমান হিসেবেই জন্ম নেয়। সেই হিসেবে শিশুর নাম ইসলামগ্রহণকারীদের তালিকায় থাকতেই পারে। আর কথা হলো বাকিদের শিশুদের নাম নেই কেন। যে লিস্ট বানিয়েছে সে আবু বকর (সেই সূত্রে তাঁর মেয়ে) কে যে গুরুত্বের সাথে দেখেছে অন্যদের সেভাবে দেখেনি তাই!

এই হিসেবে লোকে যদি তাকে অনেক ছোট বলার প্রতি গুরুত্বারোপ করতে চায়, তাহলেও তার বয়স ১০ অথবা ৮ এর কম হবার কথা না।

- ৮/১০ এর মেয়েকে বিয়ে করার ইতিহাস ঢাকতে এত চেষ্টা, পরে ৮/১০ এর মেয়ের ইসলাম গ্রহণ (ধর্মের ব্যাপারে সেই বয়সে তাঁর কী বিবেচনাবোধ থাকার কথা?) এর ইতিহাস ঢাকতে না আবার গলদঘর্ম হতে হয়!

৫৭| ১৬ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৭

অবাঞ্চিত বলেছেন: আরো কত কি যে আবিষ্কার করবেন যুগে যুগে। কয়দিন পরে শুনুম মোহাম্মদের কোন বৌই ছিল না, সেই সন্ন্যাসী ছিল। আজাইর‍্যা কথা বার্তা

৫৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৩৪

মূসা আলকাজেম বলেছেন:
নবীজী (সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এত গুলো বিয়ে করেছেন,স্ত্রীদের সাথে সহবাস করেছেন এগুলো শুনলে আমাদের কেমন কেমন যেন লাগে। আমাদের ভাবটা এমন যে,যেন এগুলো খারাপ কাজ, এগুলো আমরা করতে পারি,নবী রাসূলরা আবার এগুলো করে কেমনে? কয়দিন পর নাজানি কেউ বলে বসে যে,অ্যা! নবীরা আমাদের মত খাবারও খেত! আবার টয়লেটে গিয়ে লজ্জাস্থান খুলে পায়খানা পেশাবও করত! ছি ! ছি! এমন মানুষ নবী হয় কেমন করে?

এই যে আমাদের এমন মনোভাব এটা নিছক মূর্খতা। এই মনোভাব যে আমরা আমাদের মনে লালন করি জেনে বা না জেনে এটার পিছনে কি কোন যুক্তি আছে? আছে কি কোন মজবুত ভিত্তি? নেই,কোন ভিত্তি,কোন যুক্তি নেই। নিজেকে কি নিজে কখনো জিজ্ঞাসা করেছি কেন আমার কাছে এগুলো খারাপ মনে হয়? কি যুক্তি আছে আমার কাছে? আমি বা আমার সমাজ কিছুকে খারাপ মনে করলেই কি সেটা খারাপ হয়ে যাবে? একেবারে খামোখাই এসব অযৌক্তিক মানসিকতা আমাদের মনে গেঁড়ে গিয়েছে। ঐ দেখবেন,কোন হুজুরকে যদি সকাল বেলা দেখা যায় রাস্তায় বা পার্কে ব্যায়াম করছে পাজামা পাঞ্জাবী পড়ে,দেখবেন অনেকেই খামোখাই একটু হাসবে,কেউ বলবেঃ হুজুররাও আবার ব্যায়াম করে নাকি! এটা কেমন হুজুর। যেমন নাকি অনেকের কাছে,নবীজীর কুস্তি লড়ার ঘটনা বলাটা, নবীজীকে হাস্যকরভাবে উপস্থাপন মনে হয়। আরে ঐ কৌতুকের কথা শুনেননি? এক লোক এক হুজুরের কাছে তার মেয়ে বিয়ে দিয়েছিলো। এরপর যখন তার একটা নাতি হয়, তখন সে বলে, হায় হায় হুজুরের কাছে বিয়ে দেয়ার পরেও এই অবস্থা! হুজুরেরে হাতেও আমার মেয়ের ইজ্জত রক্ষা হইলোনা!


মডার্ন যুগের মানুষের মত মুক্তমন নিয়ে , উদারমন নিয়ে, নীচের লেখাটা পড়লে অনেক প্রশ্নের জবাব পাবেন।

بسم الله الرحمن الرحيم
সকল প্রশংসা আল্লাহর। অসংখ্য দরুদ নাযিল হোক তাঁর নবীর উপর বারবার।
১ম পর্ব

২য় পর্ব

যারা প্রথম দুই পর্ব পড়েননি, তারা এই পর্ব পড়ে যে একেবারে বুঝবেন না এমন নয়। তবে সমালোচনামূলক মন্তব্য করতে চাইলে আমার অনুরোধ আগে প্রথম দুই পর্ব পড়ে নিন।
কেন আবার এই পুরানো বিষয়ে লিখলাম সেটা যারা সিরিজটি ভালো করে পড়বেন তাদের আর বুঝিয়ে বলতে হবে না। এই বিষয়ে অনেক আলোচনা হলেও এই আঙ্গিকে কোন আলোচনা আমার নজরে পড়েনি। এছাড়া চিন্তা করে এই সিরিজ পড়লে নবী সাহবীদের একাধিক বিবাহ, নবী(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বালিকা বিবাহ,ইসলামের দাসপ্রথা ইত্যাদি নিয়ে আমাদের মনে কেন খটকা লাগে এবং এই খটকা লাগাটা যে একেবারে অযৌক্তিক তা বুঝতে পারবেন আশা করি।

এখানে হুমায়ুনকে আনা হয়েছে শুধুমাত্র উদাহরণ হিসাবে। আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে যদি সত্যিই প্রয়োজন হয় তাহলে ২য় বিবাহ করা যে একজন পুরুষের বৈধ অধিকার, সেটা দেখানো এবং এই অধিকার তাদেরকে না দেয়ার কারণে সমাজে কিরকম অশান্তি হচ্ছে সেটা দেখানো। যারা নিছক আবেগ নিয়ে চলেন, সমাজের প্রথাকেই যারা খোদার আসনে বসিয়েছেন তারা জানি শত যুক্তি দিলেও এটা মানবেন না।ভাবার কোন কারণ নেই যে আমি একাধিক বিবাহকে উৎসাহিত করছি। ১৪ নং মন্তব্যটি পড়ুন, তাহলেই বুঝবেন।

এবার আসেন আমরা ভালো খারাপের মানদণ্ড নিয়ে আমার এই দুই পর্বের লেখায় যা আলোচনা করলাম সেই আলোকে বিচার করে দেখি হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় বিবাহকে, এবং ইতিহাসের আরো যারা ২য় বা আরো বেশী বিবাহ করেছে তাদেরকে। ১ম পর্বে যা বলেছিলাম সেটার সারাংশ যা দাঁড়ায় তা এই যে আমরা মোটামুটি তিন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে কোন কাজকে ভালো খারাপ বলি বা ভালো খারাপ হিসাবে নির্ধারণ করি।

১- ধর্ম দিয়ে নির্ধারণ
২- সামাজিক প্রথা দিয়ে নির্ধারণ
৩- নাস্তিকদের নির্ধারণ (হতে পারে সেটা যুক্তি দিয়ে বা অন্য কিছু দিয়ে)

তো যারা মুসলমান তারা তো তাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই ব্যাপারে টুঁ শব্দটিও করতে পারেন না। কেননা খোদ আসমান জমীনের স্রষ্টা আল্লাহ্‌ই শর্ত সাপেক্ষে চারটি বিবাহের অনুমতি দিয়ে রেখেছেন পূর্বের স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই। ভালো করে বুঝে নিন শর্তসাপেক্ষে শুধু অনুমতি আছে কিন্তু কোন উৎসাহ দেয়া হয়নি। মুসলমানের কাছে সেটাই বৈধ যেটা আল্লাহ্‌ বৈধ করেছেন; সেটাই ভালো যেটা আল্লাহ্‌ ভালো বলেছেন। তার নিজের মন কি বললো, তার সমাজ কি বললো ; আল্লাহ্‌র ফায়সালার পর এসবের পাই পরিমাণ কোন মূল্য নেই।

আর নাস্তিকদের এ ব্যাপারে কথা বলা তো চরম হাস্যকর ব্যাপার। হুমায়ূন তো কারো কোন ক্ষতি করেন নি।নাস্তিকদের মতে তো যে কেউ যে কোন কাজ করতে পারে, যদি অপরের কোন ক্ষতি না হয়। নাস্তিকদের কাছে তো লিভ টুগেদার, সমকাম সব বৈধ, আর হুমায়ূন তো এগুলো করেননি, উনি তো বিয়ে করে নিয়েছেন।চালুনি বলে সুঁই তর পিছে কেন ছিদ্র। আসলে তাদের ভাব দেখে যা মনে হয় সেটা হলো, তারা বিয়ে করার বিরুদ্ধে লেগেছে। কেউ একাধিক বিয়ে করে বৈধ পন্থায় যৌন চাহিদা মিটাতে গেলে তাকে তারা নারীলোভী, কামুক বলে গালি দেয়, পক্ষান্তরে লিভ টুগেদার করলে , সমকাম করলে এটাকে লম্পটরা ব্যাক্তি স্বাধীনতা, আধুনিকতা ইত্যাদি বলে প্রচার করে। ঐ যেমন নাকি মুসলমানরা পৃথক রাষ্ট্রের জন্য লড়াই করলে আমেরিকা বলে যে এরা বিচ্ছিন্নতাবাদী, সন্ত্রাসী; আর খ্রিষ্টানরা পৃথক রাষ্ট্রের জন্য লড়াই করলে আমেরিকা বলে যে এরা স্বাধীনতাকামী, এদের স্বাধীনতা দেয়া হোক। তারা সমকামকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে বলে, আর ২য় বিবাহের মত একটি চিরবৈধ ও শালীন কাজকে কামুকতা বলে প্রচার করে। অথচ কোন পুরুষের যদি প্রয়োজন থাকে তাহলে ২য় বিবাহ করা তার অধিকার। এখানে কোন লম্পটের নাক গলানোর কোন অবকাশ নেই।

উপরের দুই ভিত্তিতে পাস করার পর রইলো সামাজিক প্রথার ভিত্তি। কিছুদিন আগেও তো এই উপমহাদেশে হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা একাধিক বিবাহের প্রথা ছিলো।। এখনো তো একেবারে বিলুপ্ত হয়ে যায় নি।আর সামাজিক প্রথা রক্ষা করতে হবে এটা কে বললো? তাহলে তো যারা আগের হাজার বছরের প্রথাকে ভেঙ্গে এই নতুন প্রথা চালু করেছেন তারাই চরম অন্যায় করেছেন । তাই বলতে পারি হয়তো হুমায়ূন এই অন্যায় প্রথাকে দূর করে আগের ভালো প্রথাকে ফিরিয়ে আনার জন্য এই কাজ করেছেন। কত মানুষ কত লাইনে সামাজিক প্রথা ভাঙছে তার কোন খবর নাই, সবাই লাগছে এই বিবাহের পিছনে। অথচ এটাকে ১ম স্ত্রী ও সমাজ স্বাভাবিকভাবে, উদারচিত্ততার সাথে মেনে নিলে কত পারিবারিক অশান্তি শেষ হয়ে যেত, সেটা কেউ চিন্তা করে না। তার উপর কথা হলো বর্তমানের এই মূর্খ, অর্বাচীন, লম্পট, ধর্ষক, খুনী, সন্ত্রাসী সমাজের কোন প্রথারতো কানা কড়ি মূল্যও নাই, মানারতো কোন প্রশ্নই আসেনা। এই সমাজের প্রথাইতো আমাদের মা বোনদেরকে শেষ করে দিচ্ছে, ধর্ষিতা বানাচ্ছে, বেশ্যা বানাচ্ছে, রাস্তার মজদুর বানাচ্ছে। শত ধিক আর থুতু মারি এই সমাজকে আর তার প্রথাকে। (হুমায়ূনতো সমাজের মাপকাঠিতে পাস করেননি, যদিও তাতে কিছু যায় আসেনা; কিন্তু নবীরা ও সাহাবীরা কিন্তু এই তিন মাপকাঠিতেই ১০০ ভাগ পাস।কারণ তাদের সমাজে বহু বিবাহ মোটেই কোন খারাপ কিছু ছিলোনা।এখান থেকেই বুঝে নিন হযরত সোলায়মান (আঃ) এর ১০০ জন স্ত্রী ছিলো শুনলে যে আপনার মনটা কেমন কেমন করে, মুখের কোণে বাঁকা হাসি ফুটে; এটা নিছক মূর্খতা আর সমাজের পূজা করার কারণে হয়।নবীরা কামুক নয়, যারা তাদের সমালোচনা করে তারাই সব বিশ্ব লম্পট ও কামুক; এবং তারা পুরা সমাজকে লম্পট বানাতে চায় এজন্য তারা কোমর বেঁধে এই চির বৈধ ও শালীন বিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লেগেছে। ) এখানে ক্লিক করে দেখুন। সোলায়মান (আঃ) এর ব্যাপারটি আরো ক্লিয়ার হবে এই পোষ্টের শেষের দিকের আলোচনা দ্বারা।

ইংরেজরা ছিলো অতি ধুরন্ধর। তাদের সমাজ বিজ্ঞানীরা সাধারণ মানুষের মন মানসিকতা, চিন্তাধারা খুব ভালো করে স্টাডি করেছিলো। তারা বুঝেছিলো যে বেশীরভাগ মানুষই সমাজ যেটাকে ভালো বলে সেটাকে ভালো বলবে এবং সমাজ যেটাকে খারাপ বলে সেটাকে অন্ধভাবে খারাপ বলবে। বেশিরভাগ মানুষই তলিয়ে দেখবে না যে, সমাজ যেটাকে নিন্দনীয় বা খারাপ বলছে সেটা কি আসলেই খারাপ কিনা বা সমাজের মানুষ এটাকে কিসের ভিত্তিতে খারাপ বলছে। আর দু'একজন তলিয়ে দেখলেও সে সমাজের নিন্দার ভয়ে সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে চলবে। তাই তারা পরিকল্পনা করলো যে একাধিক বিবাহ, বাল্য বিবাহ ইত্যাদিকে মুসলিম সমাজে যেভাবেই হোক ধীরে খারাপ হিসাবে তুলে ধরতে হবে। এরপর এটা যখন মানুষের মনে গেঁথে যাবে তখন এক সময় তারা নবীদেরকেও একাধিক বিবাহের কারনে খারাপ বলা শুরু করবে। এই সুচতুর সুগভীর ষড়যন্ত্রে যে তারা সফল হয়েছে তার প্রমাণ আজকের যুগের মানুষদের নবীদের ব্যাপারে এসব প্রশ্ন করা। আল্লাহ্‌ আমাদেরকে রক্ষা করুন।

মোটকথা ভালো খারাপ নির্ধারণের কোন মাপকাঠিতেই আপনি তার এই ২য় বিবাহকে খারাপ বলতে পারেন না, নিন্দা করা তো অনেক দূরের কথা।(ঠিক তেমনি ইতিহাসের আরো যারা বহু বিবাহ করেছেন ) কিন্তু অর্বাচীন, মূর্খ , অসভ্য আর বদ্ধ মানসিকতার লোকেরা কোন কিছু না বুঝেই, কেউ ২য় বিবাহ করলে তার নিন্দা শুরু করে দেয়। ঐ চিলে কান নেয়ার মত ছোট বেলা থেকে শুনে আসতেছে মূর্খ সমাজের মূর্খ লোকের প্রচারণা যে, একাধিক বিবাহ খারাপ; ব্যস, খারাপ। কেন খারাপ? কে বললো খারাপ? কিসের ভিত্তিতে বললো খারাপ? ইত্যাদি কোন কিছু চিন্তা না করে তারা সেটাকে মেনে নিলো। বাড়তি যৌন চাহিদা পূরণের জন্য ২য় বিবাহের মত একটা চির শালীন ও বৈধ পন্থার কথা কেউ অবলম্বন করেছে শুনলে এদের মাথায় যেন একটা অন্ধ ও বয়ড়া ভূত চেপে বসে, আর সভ্যতা ও ভব্যতার সীমা ছাড়িয়ে আর একজন মানুষের নির্দোষ ব্যাক্তি জীবন নিয়ে নোংরা সমালোচনা করতে থাকে। অথচ সমাজে যৌন চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে কত মানুষ যে কত লাম্পট্য করছে সেখানে সব ভেজা বেড়াল। একদিকে ২য় বিবাহের নিন্দা করে মানুষকে তা থেকে আটকে রাখা হচ্ছে, আবার অন্যদিকে অশ্লীল সিনেমা , নাটক দেখিয়ে; অশ্লীল বই, পত্রিকার বিস্তার ঘটিয়ে এবং প্রগতির নামে , নারী অধিকারের নামে সুন্দরী নারীদেরকে ঘরের বাহিরে এনে মানুষের যৌনতাকে উস্কিয়ে দেয়া হচ্ছে। তখন অটোমেটিক মানুষ তার যৌন চাহিদা মিটানোর জন্য চুপি চুপি লাম্পট্যময় কাজের দিক এগিয়ে যাচ্ছে। একদিকে বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, আবার অন্যদিকে যুবক যুবতীদের যৌনতাকে উস্কে দেয়ার জন্য যা যা করা দরকার সব করছে। ফলে তারা এখন প্রায় প্রকাশ্যেই লাম্পট্য শুরু করেছে। প্রাইমারীর ছেলে মেয়েরা পর্যন্ত অসামাজিক কার্যক্রমে জড়িয়ে যাচ্ছে। তখন এরা মুখে কুলুপ দিয়ে বসে থাকে, বা বলে যে, আরে এই যুগের ছেলে মেয়েরা এগুলো একটু করবেই। এই নাস্তিকরা হলো শয়তানের দোসর। এরা চায় সমাজ থেকে লজ্জা শালীনতা উঠিয়ে দিয়ে সমাজে অশ্লিলতা, ব্যাভিচার আর লাম্পট্য ছড়িয়ে দিতে।বাড়তি যৌন চাহিদা পুরণের বৈধ ও শালীন পন্থাকে সামাজিক চাপ প্রয়োগ করে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে, আর সর্ব দিকে থেকে যুবক যুবতীদের যৌনতাকে উস্কে দেয়া হচ্ছে যাতে সে অবৈধ পন্থায় , লাম্পট্য করে তার যৌন চাহিদা মিটায়। আল্লাহ আমাদের এদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করুন।

এবার আসুন দেখি ২য় পর্বে আমরা যা আলোচনা করলাম সেই আলোকে হুমায়ূনের ২য় বিবাহকে বিচার করি।২য় পর্ব না পড়ে থাকলে , আমার অনুরোধ তা একবার পড়ে দেখুন। কথা দিচ্ছি আপনার সময় নষ্ট হবেনা। তো ২য় পর্বে আমরা দেখেছি যে আমরা কারো সমালোচনা করতে গিয়ে মোটামুটি চারটি ভুল করি। আসুন দেখি আমরা হুমায়ূনের সমালোচনা করতে গিয়ে এই চারটি ভুলের কয়টি করলাম।

১নং ভুলঃ হুমায়ূন ২য় বিয়ে করেছেন, এটা হলো তার একটা কাজ। এখন কথা হলো এই কাজের পিছনে উদ্দেশ্য কি ছিলো তার? ভালো উদ্দেশ্য যেমন থাকতে পারে, তেমনি খারাপ উদ্দেশ্যও থাকতে পারে।কিন্তু আমার আপনার সেটা নিশ্চিতভাবে বুঝার কোন উপায় আছে কি? নেই; একদম নেই। আমরা শুধু তার সার্বিক অবস্থা দেখে আন্দাজ করতে পারি। কারো মনের কথা নিশ্চিত করে বলা কোনদিন কারো পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু সমালোচনাকারীরা সম্পূর্ণ বিনা প্রমাণে এটাই নিশ্চিত ধরে নিচ্ছেন যে, হুমায়ূন তার যৌন লালসা মিটানোর জন্য বিবাহ করেছেন।

ভালো করে খেয়াল করুন, আমি আপাতত এখানে সমালোচনাকারীদের একথা ঠিক ধরে নিয়ে তাদের ভুল ধরলাম যে, যৌন লালসা মিটানোর জন্য বিবাহ করা খারাপ। একটু পরে আমি দেখাচ্ছি যে , আসলে যৌন লালসা বা চাহিদা মিটানোর জন্য বিবাহ করাকে খারাপ বলাও নিছক মূর্খতা। যৌন লালসা বা চাহিদা মিটানোর জন্য বিবাহ করা খারাপ হলে একটা বিবাহও করতে পারবেন না। সবাই বিবাহ সাদী বাদ দিয়ে জঙ্গলে গিয়ে থাকেন। আরে মিয়া কারো যৌন ক্ষমতা যত বেশীই থাকনা কেন, সে যদি বৈধ পন্থায় তা পূরণ করে, তাহলে কখনো বলা যাবেনা যে সে তার লালসা চরিতার্থ করেছে, বরং বলতে হবে, সে তার অনিবার্য প্রয়োজনকে শালীন ও বৈধ পন্থায় পূরণ করেছে। কেউ যদি তার যৌন চাহিদা অবৈধ পন্থায় পূরণ করে (ব্যাভিচার করে, সমকাম করে ইত্যাদি), তখন সেটা লালসা চরিতার্থকরন বা কামুকতা হবে। কারো যদি যৌনশক্তি অন্য কারো থেকে বেশী থাকে, কিন্তু এটা তার নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং সে কোন ব্যাভিচার বা ধর্ষণ না করে, তাহলে এটা তার একটা বিশেষ গুণ বলেই মানব ইতিহাসে বিবেচিত হয়ে আসছে। এটাকে কোন দোষ ভাবা , চরম মূর্খতা ছাড়া কিছু নয়। এটা যদি গুণ না হতো তাহলে সবাই যৌনশক্তি কমানোর জন্য ডাক্তারের কাছে যেতো, বাড়ানোর জন্য যেতোনা। এছাড়া পুরুষত্ব বা যৌনশক্তি বেশী থাকলে তার স্বাস্থ্য, বুদ্ধি, স্মরণশক্তি, বিপদে অবিচলতা, ব্যাক্তিত্ব, নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইত্যাদি অনেক কিছুই তার বেশী থাকবে। না জানলে নেটে সার্চ দিয়ে জেনে নেন।

২নং ভুলঃ হতে পারে হুমায়ূন কোন ঠেকায় পড়ে অপারগ হয়ে এই বিয়ে করেছেন, কিন্তু কোন বিশেষ কারণে তার অপারগতাটি কি ছিলো,তা তিনি প্রকাশ করেননি।

৩নং ভুলঃ হতে পারে ২য় বিবাহের ব্যাপারে হুমায়ূন আমাদের এই ফালতু সামাজিক প্রথার সাথে একমত ছিলেন না, সোজা কথায় তিনি এটাকে কোন খারাপ কাজ মনে করতেন না। আর কোন ব্যাপারে যে কেউ যে কোন মত রাখতে পারে । এটা প্রত্যেক মানুষের অধিকার। সুতরাং এ ব্যাপারে তাকে নিন্দা করা একেবারে সংকীর্ণ, গোঁরা আর বদ্ধ মানসিকতার পরিচয়। আর আগেই বলেছি মানব ইতিহাসের কোন সভ্য সমাজেই এটা খারাপ ভাবা হতোনা। বর্তমানের এই মূর্খ, অর্বাচীন, লম্পট, ধর্ষক, খুনী , সন্ত্রাসী সমাজের এটাকে খারাপ ভাবার দ্বারা কিছুই যায় আসেনা।

৪নং ভুলঃ (এই পয়েন্টটি বুঝতে হলে ২য় পর্ব থেকে এই জায়গাটা পড়ে আসতে হবে)এই ঘটনার অন্তরালে হয়তো এমন ঘটনা রয়ে গেছে, যা জানলে আমরাও বুঝতে পারবো যে, হুমায়ূন আসলে কোন অন্যায় কাজ করেন নি। কিন্তু সেটা এখন আর কি জানা সম্ভব। আচ্ছা হুমায়ূন বেঁচে থাকতে কি তাকে এই ব্যপারে কেউ জিজ্ঞাসা করেছিলো? আমার জানা নেই।

আরেকটা কথা হলো, এই যে আপনি কারো কোন কাজ দেখে তার উদ্দেশ্য আন্দাজ করবেন, এটা কিন্তু আপনি আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে করবেন, নিজের জীবনের ঘটনাবলীর আলোকে আন্দাজ করবেন। যদি এমন হয় যে আপনিও এই কাজটি উনি যেই উদ্দেশ্যে করেছেন সেই উদ্দেশ্যেই কোনদিন করেছিলেন, তাহলে হয়তো আপনার আন্দাজ আপনার অজান্তেই ঠিক হতে পারে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, উনি যে উদ্দেশ্যে কাজটি করেছেন সেটা আপনার অভিজ্ঞতা থেকে দূরে তাহলে কিন্তু আপনি কোনদিনও সঠিক আন্দাজ করতে পারবেন না। যে ক্যাল্কুলেটর ১০০০ পর্যন্ত হিসাব করতে পারে আপনি যদি সেটা দিয়ে আরো বড় সংখ্যা হিসাব করতে চান তাহলে তা কখনো সম্ভব নয়।

এই সংক্ষিপ্ত কথা থেকে বুঝে নিন যারা বলে যে, হুমায়ূন আহমেদ শেষ বয়সে কিশোরী নারীর প্রতি যৌন লালসায় পড়ে শাওনকে বিবাহ করেছেন, তারা কত অন্যায় কথা বলেন। হুমায়ূন বিয়ে করেছেন এই কাজটি প্রকাশমান, কিন্তু বিয়েটা উনি কেন করলেন সেটা উনার মনে রয়েছে। আর কারো মনের ভিতর কি আছে সেটা আমি আপনি কখনোই বলতে পারবো না। যে নিজে লম্পট বা লম্পট সমাজে যে বাস করে সে হয়তো নিজের উপর অনুমান করে চরম অবিবেচকের মত হুমায়ুনকেও লম্পট বলতে পারে, কিন্তু সামান্য বিবেচনা বোধ যার আছে এমন কেউ তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেন না শুধু এই হিসাবে যে তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন, তাও একজন কিশোরীকে।এতটুকু পড়েও যদি কেউ নবী(সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আয়েশা (রাঃ) এর বিবাহের ব্যাপারে নাস্তিকদের আপত্তির জবাব বের করতে না পারে তাহলে আমার কিছু বলার নেই।

এবার আসেন আসল কথায়।ধরেন কেউ যৌন চাহিদা বা লালসা মিটানোর জন্যই বিবাহ করলো। তো এতে কি হয়েছে? এজন্য কি আপনি তাকে নারী লোলুপ বলতে পারেন? কখনোই পারেন না। আরে ভাই লোভ কাকে বলে এটা আমাকে বলেন।
কারো দুই রুটি খেয়ে পেট ভরে না, কারো ভরে যায়। এখন যে দুই রুটি খায় সে কি যে চার রুটি খায় তাকে পেটুক বলতে পারে?খাদ্য লোভী বলতে পারে?না। পারে না।
ভালো করে খেয়াল করুন,

১-যে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী খায় সে হলো পেটুক।

২-যে পেট ভরে যাবার পরেও শুধু জিহ্বার মজার জন্য খায়,প্রয়োজনের চেয়ে বেশী বেশী খায়, নিজেরটা খেয়ে আবার অপরের খাবারের দিকে চেয়ে থাকে সে হচ্ছে লোভী, ছোঁচা।

৩-যে অপরের খাদ্য না কিনে,না বলে খেয়ে ফেলে সে হচ্ছে চোর।

৪-আর যে ক্ষুধার্ত অবস্থায় টাকা ও খাবার থাকা সত্ত্বেও খাবার কিনে না খেয়ে উপোস থাকে সে হচ্ছে নির্বোধ।

এ কথা যদি বুঝে থাকেন তাহলে শুনুন,

পেটের ক্ষুধার মত যৌন ক্ষুধাও একটি ক্ষুধা। পেটের ক্ষুধার মত এটাও স্বাভাবিক একটি শারীরিক চাহিদা। পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য যেমন আল্লাহ পাক খাদ্যের ব্যবস্থা রেখেছেন, তেমনি নারী ও পুরুষের যৌন ক্ষুধা মিটানোর জন্যও আল্লাহ ব্যবস্থা রেখেছেন। সব মানুষের খাবারের চাহিদা এক সমান হয় না। একজন চারফুট লম্বা মানুষের যতটুকু খাবারের চাহিদা , একজন ছয় ফুট লম্বা বিশালদেহী মানুষের চাহিদা নিশ্চয়ই বেশী হবে।ঠিক এরকম মানুষের যৌন চাহিদাও একেক জনের একেক রকম। এটা শারীরিক গঠন, বংশগতি, আবহাওয়া, দেশ ইত্যাদি অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে।

এখন কারো যদি শরীরের যৌন চাহিদা বেশী থাকে,তাহলে আপনি আমাকে বলেন এতে কি তার নিজের কোন হাত আছে?নেই, কোন হাত নেই। এটা সম্পূর্ণ খোদা প্রদত্ত বা নাস্তিকদের ভাষায় প্রকৃতি প্রদত্ত।আর একটু আগে দেখিয়েছি এটা তার একটা বাড়তি গুণ।

এবার আগের খাবারের উদাহরণের সাথে নীচের কথাগুলো মিলান

১-আপনার শরীরের যৌন চাহিদা কম বলে আপনার হয়তো এক স্ত্রীতেই কাজ চলে যায়, তাই বলে যার যৌন চাহিদা বেশী সে যদি দুই বা তিন বা চারটি বিবাহ করে তাহলে আপনি তাকে নারী লোভী বলতে পারেন না। যেমন নাকি আপনার দুই রুটিতে ক্ষুধা মিটে গেলেও যার চার রুটি খাওয়া প্রয়োজন তাকে খাদ্য লোভী বলতে পারেন না।

২-যে, এক স্ত্রী দ্বারাই তার শরীরের যৌন চাহিদা মিটে যাবার পরও আরো বিবাহ করে তাকে হয়তো কোন ক্ষেত্রে আপনি লোভী বলতে পারেন,কিন্তু এটা তো শুধু সেই জানতে পারে আসলে তার প্রয়োজন আছে নাকি নাই? এখানে আপনি আমি হাত দেয়ার কে? এর উপর আগের কথা তো খেয়াল রাখতে হবেই যে, যৌন চাহিদা ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যেও সে বিবাহ করতে পারে, যেটা শুধু তাকে জিজ্ঞাসা করেই জানা সম্ভব।

৩-আর যে বিবাহ না করে যৌন চাহিদা মিটায় সে হচ্ছে লম্পট, ব্যাভিচারী বা ধর্ষক, যেমন নাকি যে অপরের খাবার খায় না কিনে সে হচ্ছে চোর বা অন্যকিছু। এখন ব্যপার হয়ে গেছে উল্টা। লম্পটরাই এখন যারা বৈধ পন্থায় যৌন চাহিদা মিটাচ্ছে তাদেরকে লম্পট, কামুক বলে নিন্দা করছে।

৪-আর যে তার শরীরে যৌন চাহিদা থাকা সত্ত্বেও এবং বিয়ে করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজন পরিমাণ বিয়ে না করে একজন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে সে হচ্ছে ঐ ব্যক্তির মত চরম বোকা যে ক্ষুধার্ত অবস্থায় টাকা থাকা সত্ত্বেও শুধু দুই রুটি খেয়ে বাকী ক্ষুধা পেটে নিয়ে বসে থাকে আর মানুষের খাবারের দিকে চেয়ে থাকে।

৫-আর যে সমাজ হুমায়ুনকে নিন্দা করলো তারা হচ্ছে চরম অর্বাচীন, পরোক্ষভাবে নারী নির্যাতনকারী, শিশু হত্যাকারী। এই নিন্দার ফলে কি হবে? অন্য নামকরা লেখকরা, সাধারণ মানুষরা, এমনকি এই নিন্দাকারীরা দ্বিতীয় বিয়ে করার প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও লোকনিন্দার ভয়ে বিয়ে করবে না। কেউ হয়তো পেটে ক্ষুধা নিয়ে বসে থাকবে, মরণ পর্যন্ত কষ্ট করবে। কিন্তু অনেকেই যাদের চাহিদা বেশী সে কিন্তু ঠিকই গোপনে তার ক্ষুধা মিটিয়ে নিবে, নিচ্ছে।পুরুষ মানুষের যৌন চাহিদার এই বাস্তব বিষয়টি অযথা গোঁড়ামি করে মেনে না নেয়ার কারণে সমাজে কত অন্যায় হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। হচ্ছে পরকীয়া, হচ্ছে ব্যাভিচার, হচ্ছে ধর্ষণ।বাড়ছে পারিবারিক কোন্দল, ভাঙছে সংসার, হচ্ছে আত্মহত্যা। ছোটবেলা থেকে নিজের আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের মাঝে দেখে আসছি এই পারিবারিক কোন্দল। গত এক বছরের পেপার ঘাটলে দেখা যাবে কত অজস্র প্রাণ ঝরে গেছে এই কোন্দলে। অথচ স্ত্রী ও সমাজ যদি স্বামীর ২য় বিবাহকে বা প্রয়োজনে আরো বেশী বিবাহকে মেনে নিত তাহলে এই ঝগড়া বিবাদ, কোন্দল কিছুই তেমন হত না। ২য় বিবাহকে মেনে না নিয়ে আমাদের কি লাভ হয়েছে? সেইতো পরকীয়া করতে গিয়ে ১ম স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য, ঝগড়া বিবাদ হচ্ছেই, সেইতো সংসার ভাঙছেই।সেইতো স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে খুন করছেই,সেইতো মা তার সন্তানদের নিয়ে আত্মহত্যা করছেই। হচ্ছে আরো শত নিদারুণ ঘটনা। এরচেয়ে ভালো কি এই নয় যে আমরা সংকীর্ণতা পরিহার করে পুরুষের যৌন চাহিদা পূরণের জন্য একাধিক বিবাহের এই বৈধ , শালীন ও নিয়ন্ত্রিত বাস্তব চাহিদাকে মেনে নেই? এই শালীন ও বৈধ জিনিস মেনে না নেয়ার কারণে কিন্তু আমাদেরকে মেনে নিতে হচ্ছে লাম্পট্য, বিচ্ছেদ, অশান্তি, আত্মহত্যা ইত্যাদি কত কি। যার ক্ষুধা বেশি লেগেছে তাকে যদি খাবার দেয়া না হয় তাহলে তো সে একসময় অসহ্য হয়ে চুরি ছিনতাই করবেই। একটা বুড়া মানুষ ধর্ষণ করেছে এই খবরে আমরা নিন্দার ঝড় বইয়ে দেই, কিন্তু চিন্তা করি না যে আমরাইতো তাকে এই কাজে বাধ্য করেছি।একদিকে লোকনিন্দার ভয়ে সে বিয়ে করতে পারেনি, যৌন চাহিদাকে দমিত করে রেখেছে অনেক দিন মূর্খ সমাজের নিন্দার ভয়ে, আরেকদিকে এই লম্পট সমাজ সুন্দরী ললনাদেরকে তার চোখের সামনে নাচিয়েছে,হাসিয়েছে; তো কত আর সহ্য করা যায়, অবশেষে ভেঙ্গে যায় ধৈর্যের বাধ কোন এক নির্জনতায়, কোন এক দুর্বল মুহূর্তে।

আমি মনের ভাবটি হয়তো গুছিয়ে লিখতে পারলাম না। কিন্তু চিন্তাশীল পাঠক আশা করি বুঝে নিবেন।কমপক্ষে ১নং কমেন্ট ও তার জবাব পড়ুন। আল্লাহ আপনাদের সহায় হোন ।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ভারতীয় মনোবিজ্ঞানী হিমাংশু সাক্সেনা বলেন, ‘পুরুষেরা প্রকৃতিগতভাবেই বহুগামী।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভারতে পরকীয়ার ব্যাপারটি অনেক আগে থেকে চললেও একে এখন স্বাভাবিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখা হচ্ছে।’ হিমাংশু বলেন, বিবাহিত জীবন সুখের না হলে কিংবা কোনো কারণে সঙ্গীর সঙ্গে মন-মানসিকতা না মিললে মানুষ পরকীয়ার পথে হাঁটে। হিমাংশুর মতে, বর্তমান সময়ে কর্মক্ষেত্রে পুরুষ ও নারী অনেক ঘনিষ্ঠভাবে মেশে। এই কারণে, বহু ক্ষেত্রে তারা একে অন্যের সঙ্গে মানসিকভাবে অনেক কাছাকাছি চলে আসে। বিবাহিত হওয়ার পরেও নতুন কারও প্রতি এখন তাই সহজেই মানুষ আকৃষ্ট হয়ে পড়ে।

বিকাল ০৫: ৪৩, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩


দেখেন দেখেন, ভালো করে চোখ খুলে দেখেন।চির শালীন একাধিক বিয়েকে না মেনে, এখন এই লাম্পট্যকে মেনে নিচ্ছে। আমাদের দেশের লম্পট নাস্তিকরা (সবাই না) এটা আমাদের দেশে আমদানী করতে চাচ্ছে। তাই এরা ষড়যন্ত্র করেছে যে, যে কেউ বৈধ পন্থায় তথা বিবাহের মাধ্যমে নিজের বাড়তি যৌন চাহিদা মিটাতে যাবে তখনই তারা তাকে লম্পট, কামুক ইত্যাদি বলে শিয়ালের মত চিৎকার করতে থাকবে, যাতে মানসিক চাপে পড়ে অন্য কেউ এই বৈধ পথে পা না বাড়িয়ে চুপিচুপি অবৈধ পথে এগিয়ে যায়। এরপর যখন ব্যাপারটি ওপেন সিক্রেট হয়ে যাবে তখন এই ইন্ডিয়া আমেরিকার মত বলবে এটা মেনে নিলেই হয়। এরা নিজেরা লম্পট আর পুরা জাতিকে লম্পট বানানোর ফিকির করছে। মেয়েদেরকে স্বাধীনতা আর অধিকারের মিষ্টি বুলি শুনিয়ে ঘরের বাহির করছে যাতে করে লাম্পট্য করার রাস্তা ক্লীয়ার হয়।
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।

সোনা ব্লগ থেকে একজনের একটি কমেন্ট এখানে তুলে দিলাম।

আবু জারীর লিখেছেন : এক খৃষ্টান সেবিকা একজন মুসলিম স্কলারকে বহু বিবাহের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে, তিনি (স্কলার)সেবিকাকে পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন যে, তোমরাতো বহু বিবাহের বিরোধী; কিন্তু বলতো তোমাদের কয়জন পুরুষ একক নারীতে সন্তুষ্ট?

অবৈধ ভাবে একাধিক নারীর কাছে না গিয়ে প্রয়োজনে এবং শর্ত সাপেক্ষে একাধিক (একত্রে চারের অধিক নয়) বিয়ে করা কি উত্তম নয়।
সেই সেবিকা স্কলারের যুক্তি মেনে নিয়ে সহমত পোষন করেছিল।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

ইসলামের নিয়ন্ত্রিত বহু বিবাহ সম্পর্কে একটি সুন্দর পোষ্ট আছে এখানে ক্লিক করুন।

ইসলাম বিবাহ করাটা শুধু ভোগের বিষয় নয়। সাথে আছে বিরাট দায়িত্বের বোঝা। মোহর দেও, স্ত্রী সন্তানের ভরণ পোষণ করো এবং আরো।একাধিক বিবাহ করলে অনেক সময় দায়িত্বের বেড়াজালে ভোগের চেয়ে কষ্টই বেশী হয়। কিন্তু লম্পট , কামুক লোকেরা দেখলো এতেতো সমস্যা। যত ইচ্ছা তত নারীকে আর ভোগ করতে পারবো না। আবার যে কয়জনকে ভোগ করার শুধু একটু অনুমতি দিয়েছে তাও কঠিন শর্ত ও দায়িত্বের বেড়াজালে আবদ্ধ করে; তখন তারা ইসলামের এই সীমিত এবং নিয়ন্ত্রিত বিবাহের পিছনে লাগলো। এজন্য লিভটুগেদার আর সমকাম করলে এরা চুপ কিন্তু যদি কেউ বিবাহের মত বৈধ ও শালীন পন্থা অবলম্বন করে তখন এই লম্পটের দল শিয়ালের মত হুক্কা হুয়া শুরু করে দেয়, যারা শালীন, চরিত্রবান, সভ্য তাদেরকে এই লম্পটরা কামুক বলে গালি দিতে থাকে একান্ত নির্লজ্জের মত।যথেচ্ছা যাতে তারা মেয়েদেরকে ভোগ করতে পারে এইজন্য শিক্ষা, প্রগতি, নারী অধিকার, নারী স্বাধীনতা ইত্যাদি মুখ রোচক শ্লোগান তুলে তাদেরকে বেপর্দা করে ঘর থেকে বাহির করছে। আর নারীদের জন্য কি যে তাদের মায়াকান্না, কি সেই কুম্ভিরাশ্রু বর্ষণ। উদ্দেশ্য হলো তাদেরকে যথেচ্ছা ভোগ করার রাস্তা ক্লীয়ার করা।

আরেকটি কথা হলো বাংলাদেশের ৮০ ভাগের বেশী পুরুষ মানুষের এক বিবাহের দ্বারাই চলে। একাধিক বিবাহ করতে পারেনা বলেই শুধু পরকীয়ার ঘটনা ঘটছে না, বরং পরকীয়ার পিছনে মূল কারণ হলো মেয়েদের বেপর্দা চলা , আল্লাহ্‌র ভয় না থাকা, ব্যাভিচারের জন্য তেমন কোন শাস্তির ব্যবস্থা না থাকা এগুলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.