নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বনহমি

বনহমি

এ কাইন্ড হার্টেড ফেলো...

বনহমি › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাদীস, আদিল সালহির মত ও আয়েশা (রা.) বিয়ের বয়স সংক্রান্ত আরও কিছু কথা

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২২

ব্লগার মোতাব্বির কাগু এই পোষ্টে আয়েশার (রা.)এর সাথে রাসূল (সা.) বিয়ের ব্যাপারে তীর্যক মন্তব্য করায় আমি এই পোষ্টটি দেই।



সেখানে নানা রকম মন্তব্য আসে। সে প্রেক্ষিতে কিছু বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন।



প্রথম কথা হল পোষ্টটি বিতর্ক তৈরীর উদ্দেশ্যে দেয়া হয়নি। রাসূল (সা.) এর সাথে আয়েশা (রা.)এর বিয়ে নিয়ে উক্ত ব্লগার নেতিবাচক মন্তব্য করলে এই বিষয়ে একজন বিশিষ্ট স্কলার আদিল সালহির দেয়া জবাব জানা থাকায় আমি সেই জবাবটি সবার জ্ঞাতার্থে তুলে ধরি।



সেখানে অনেকেই হাদীস অস্বীকার করার প্রশ্ন তুলেছেন। একজন বিশ্বাসী মুসলিম হিসাবে হাদীস অস্বকার করার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু হাদীসের ব্যাপারে সূক্ষ্ম কিছু বিষয় বোঝার ব্যাপার আছে। যাদের অক্ষরজ্ঞান নেই তারা সব ভাষার অক্ষরকে প্রায় একই রকম আকিবুকি মনে করতে পারে। কিন্তু সেটি যেমন ঠিক নয়, তেমনি সব হাদীসও একই পর্যায়ের নয়। সহীহ আল বুখারী গ্রন্থের হাদীসগুলো “সহীহ”। সহীস [১] বলতে বুঝায় যার মধ্যে সনদের [২](রাবীদের বর্ণনার ক্রম) দিক থেকে কোন ত্রুটি নেই। কিন্তু সনদ ছাড়াও আরেকটি বিষয় রয়েছে যাকে বলা হয় মতন। অর্থাৎ হাদীসের মূল টেক্সট যেটা, সেটা হল মতন। মতনকে সূক্ষাতিসূক্ষ বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করাকে বলে দেরায়াৎ বলা হয়। ইমাম বুখারী তার “সহীহ” গ্রন্থটি প্রণয়ন করার সময় তার সনদগুলো পরীক্ষা করেছেন অত্যন্ত এক্সটেনসিভলি। কিন্তু মতনের দিকে ততটা গুরুত্ব দেননি। মুসলিম প্রণীত “সহীহ” এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তবে তাদের না করা কাজগুলো কিছু কিছু করেছেন পরবর্তীতে ঐসব গ্রন্থের ব্যাখ্যাকারেরা, যারা নিজেরা বিশাল হাদীস বিশেষজ্ঞ ছিলেন। এবং এইকাজ এখনকার বড় বড় স্কলার ও হাদীস বিশেষজ্ঞরাও করছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় একজন বিখ্যাত হাদীস বিশেষজ্ঞ ইবনে হাজার আসকালানীর কথা। তার জন্ম ১৩৭২ খ্রী: এবং মৃত্যু ১৪৪৮ সালে। তিনি “ফতহুল বারী” নামে ১৮ খন্ডে বুখারী শরীফের ব্যাখ্যা গ্রন্থ রচনা করেন। বলা হয়ে থাকে এটি রচনা করতে তার ২৫ বছর সময় লেগেছিল। ইমাম বুখারী প্রণীত “সহীহ” গ্রন্হটির মতই এটি সর্বমহলে ব্যাপক সমাদৃত হয়। সেখানে তিনি সহীহ আল বুখারী গ্রন্থের হাদীস সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করেছেন। যেমন: মোনাফেক আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর জন্য রাসূল (সা.) -এর দোয়া করার ব্যাপারে বুখারীতে যে হাদীস আছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন সুরা তওবার এই আয়াত (“আত্মীয় স্বজন হলেও মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা নবী এবং মু’মিনদের জন্য সংগত নয়” -৯:১১৩) “বর্তমান থাকিতে, হযরতের পক্ষে আব্দুল্লাহর জন্য জানাজার নামাজ পড়া বা ক্ষমা প্রার্থনা সম্পূর্ণ অসম্ভব। অতএব এ হাদীসটি অবিশ্বাস্য। (বোখারী, ফৎহুল বারী, ১৯ খন্ড ২০৩ হতে ২০৬ পৃষ্ঠা) [উদ্বৃত: মাওলানা আকরাম খা রচিত “মোস্তফা চরিত”, পৃষ্ঠা - ৫৪]



মাওলানা আকরাম খাঁ বাংলাদেশের একজন অন্যতম স্কলার। তিনি একই সাথে সাংবাদিক হিসেবে খ্যাত ছিলেন ও দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তার লিখিত কোরআনের পাচ খন্ডের তাফসীর রয়েছে। তার “মোস্তফা চরিত” বইটিও খুবই একাডেমিক ও পান্ডিত্যপূর্ণ। তিনি তার “মোস্তফা চরিত” বইতে এ রকম আরও কিছু উদারহণ দেন। তার একটি এখানে দেয়া হল:



“আনাছ, আয়েশা ও এবনে-আব্বাছ বলিতেছেন:- ‘হযরত ৪০ বৎসর বয়সে নবী হইয়া, ১০ বৎসর মক্কায় অবস্থান করিয়া হেজরত করেন; এবং মদিনায় আর দশ বৎসর অবস্থান করার পর, নবুয়তের ২০শ সনে, ৬০ বৎসর বয়সে পরলোক গমন করেন।’ (বোখারী ১৮-১০৯, মোছলেম ২-২০৬ পৃষ্ঠা) হযরতের ২০ বৎসর নবুয়ত, মক্কায় ১০ বৎসর অবস্থান এবং ৬০ বৎসর বয়সে পরলোক গমন - এই তিনটি কথাই ভুল । তিনি মক্কায় ১৩ বৎসর অবস্থান করিয়া হেজরত করেন এবং ২৩ বৎসর নবী-জীবন অতিবাহিত করার পর, ৬৩ বৎসর বয়সে পরলোক গমন করেন। ইহা ঐতিহাসিত সত্য; বোখারী ও মোছলেমের কথিত রাবিগণ কর্তৃকই ইহা বর্ণিত হইয়াছে। এ-সম্বন্ধে অধিক প্রমাণের আবশ্যক নাই। কারণ বোখারী ও মোছলেমে বর্ণিত এই দুইটি পরস্পর বিপরীত বিবরণ উভয়ই সত্য হইতে পারে না - সুতরাং একটা বিবরণ যে ভুল - তাহা সকলেই স্বীকার করিবেন। অত্এব আমরা দেখিতেছি হাদীসছের ছনদ ছহী, অথচ হাদীছটি অগ্রাহ্য”[ মাওলানা আকরাম খা রচিত “মোস্তফা চরিত”, পৃষ্ঠা - ৪৫]





এখন কথা হল এই কথাগুলো কেন বলছি? অবশ্যই বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নয়। বরং এটা দেখানোর জন্য যে সহীহ আল বুখারী গ্রন্থটি নিয়ে আগেকার দিনের স্কলাররাও আলোচনা করেছেন, বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন এবং এখনও এ ধারা স্কলারদের মধ্যে অব্যাহত আছে। আদিল সালাহি একজন এই লেভেলেরই স্কলার। তিনি রাসূল (সা.)-এর সীরাত এর উপর প্রায় ৮০০ পৃষ্ঠার একটি বই লিখেছেন ইংরেজীতে “Muhammad: Man and Prophet” নামে, যেটি খুবই বিখ্যাত হয়েছে ("most extensive biography of Muhammad ever published in English")। তিনি এক দশকেরও বেশী সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষ দৈনিক “আরব নিউজ”-এ ইসলাম সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সকলের মধ্যে ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করেছেন। আর রাসূল (সা.) জীবনের উপর গবেষণা করার কারণে এ বিষয়ে তার বিস্তর ধারণা আছে, সুতরাং তিনি এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন হাদীসের তুলনা মূলক বিশ্লেষণ করতেই পারেন, এবং সে বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করতেই পারেন (তবে অবশ্যই অল্প জ্ঞানী যে কেউ এসব বিষয়ে আলোচনা করার অধিকার রাখেনা)। এই বিষয়ে আদিল সালাহির মতকে আমাদের গুরুত্ব দেয়া উচিৎ বলে মনে করি। কারণ তার যুক্তিগুলো পড়ে খুবই কনভিন্সিং মনে হয়েছে। বিশেষত: আরবদের মধ্যে তৎকালীন কনটেক্সেটে বয়স সংক্রান্ত ব্যাপারে ভুল হওয়া যে অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়, তা তিনি সুন্দরভাবে দেখিয়েছেন। তারপরও কথা হচেছে তিনি একা নন, আরও অনেক স্কলার এ বিষয়ে একই ধরণের আলোচনা করেছেন। যেমন জেফরী ল্যাং Losing My Religion: A Call for Help বইতে দীর্ঘ আলোচনা শেষে মন্তব্য করেছেন, আয়েশা (রা.) এর বয়স তার বিবাহের সময় ১৪ বছর ছিল এটাই তার কাছে সবচেয়ে সঠিক বর্ণনা বলে মনে হয়।



তবে যদি কেউ যদি এসব মতামত নাও মানতে চান তবুও কোন অসুবিধা নেই। যারা রাসুল (সা.) এর উপর “বালিকা সহবাসের” অভিযোগ তুলে "স্বর্গীয়" আনন্দ পেতে চান তাদের উদ্দেশ্যে দেবার মত আরও অনেক যুক্তি আছে। তার বয়স কত ছিল এই বিতর্কে একদম না গিয়ে আমরা বিষয়টাকে দেখতে পারি। রাসূল (সা.) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেবার আগে তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন জাবের ইবনে মু’তাম (রেফারেন্সে: শেখ ফাইসাল আল মাওলাভি, ডেপুটি চেয়ারম্যান ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর ফতওয়া এন্ড রিসার্চ View this link )। এই বিষয়টি প্রমাণ করে যে আয়েশা (রা.) এর বয়স এমন হয়েছিল যে তিনি বিয়ে করার মত ম্যাচিউর হয়েছিলেন, তৎকালীন আরব কনটেক্সেটে। সুতরাং রাসুল (সা.) যে ইচ্ছাকৃতভাবে অবিবাহযোগ্য বালিকাকে বিয়ে করতে চেয়েছেন এবং তা করে নিজেকে পেডোফাইল (নাউযুবিল্লাহ) প্রমাণ করেছেন এই যুক্তি আর খাটেনা।



যাইহোক যারা এরপরও অসত্য অভিযোগ ও কটাক্ষের আংগুল রাসূল (সা.) এর দিকে তুলতে চাইবেন তাদের বিকৃত মনের পরিবর্তন কামনা করা ছাড়া আর কিছুই বলার নেই।



----------------------------------------------------------------------------------



নোট:

[১] সহীহ হাদীসের সংজ্ঞা: যার সনদ মুত্তাসিল (সনদের মধ্যে কোন স্তরে বর্ণনাকারীর নাম বাদ পড়েনি), প্রত্যেক রাবীই আদিল (আদালাত শব্দের অর্থ ন্যায়পরায়ণতা, নিরপেক্ষতা ইত্যাদি, যে ব্যক্তি আদালাত গুণসম্পন্ন তাকে আদিল বলা হয়) ও পূর্ণ স্মরণ শক্তি সম্পন্ন এবং হাদীসটি শায নয় (অপর কোন নির্ভরযোগ্য রাবী কর্তৃক বর্ণনার সাথে সাংঘর্ষিক নয়), মুআল্লালও নয় (মুআল্লাল হচেছ সনদে এমন সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ভুল যা হাদীস বিশারদগণ ছাড়া কেউ ধরতে পারেনা)।



[২] সনদ ও মতন এর সংজ্ঞা: ক হযরত (সা.) কে দেখেছেন, খ তার মুখে শুনেছেন, এবং গ আরও পরবর্তী লোক, তিনি ক-কে দেখেননি, তিনি খ এর মুখে শুনে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এখন ক, খ, গ এরা প্রত্যেকেই হলেন রাবী। আর ক-খ-গ এর সূত্র পরম্পরাকে সনদ বা ও ইসনাদ বলে। সূত্র পরম্পরা ব্যাতীত মূল হাদীসের বক্তব্যবে মত্ ন বলে। উদাহরণ:

ইমাম বুখারী তার পুস্তকে লিখছেন, --- “কাজায়ার পুত্র এহইয়া আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন, মালেক আমার নিকট এই হাদীস বর্ণনা করেছেন, মালেক এবনে শেহাবের মুখে, এবং তিনি আব্দুল্লাহ এ হাসান হতে, এবং তারা নিজেদের পিতা মোহাম্মদ হতে এবং মোহাম্মদ আলী হতে এই বর্ণনা করেন যে, ‘রাসূলুল্লাহ খায়বার যুদ্ধের দিন মোৎআ-বিবাহ ও গর্দভ-মাংস ভক্ষন নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন।’”

উপরের হাদীসে ‘রাসূলুল্লাহ খায়বার যুদ্ধের দিন মোৎআ-বিবাহ ও গর্দভ-মাংস ভক্ষন নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন’ এই অংশটি মতন আর হাদীস বর্ণনার সূত্র পরম্পরাটি হচেছ সনদ।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +৮/-১০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৪

মনির হাসান বলেছেন: ব্রাদার, আগের পোস্টে প্রশ্নোত্তরের জবাব দেন নি, তার বদলে এই পোস্ট, "কিন্তু হাদীসের ব্যাপারে সূক্ষ্ম কিছু বিষয় বোঝার ব্যাপার আছে। যাদের অক্ষরজ্ঞান নেই তারা সব ভাষার অক্ষরকে প্রায় একই রকম আকিবুকি মনে করতে পারে। কিন্তু সেটি যেমন ঠিক নয়, তেমনি সব হাদীসও একই পর্যায়ের নয়।" ... এরপর প্রশ্ন করলে আরেক অজুহাত দেখাবেন ... তারপর আরো একটা ... এইভাবে "গেটিশ" মাইরা আর কতদিন'রে ভাই ... ?

এমনে চলতে থাকলে ঈমানআমল নিয়া চলা পাব্লিকেরো মনে সন্দেহ ঢুকতে দেরি হবেনা ।


যাই হোক, মুসলিম স্কলারদের মধ্যে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য, "৯ বছর বয়সে আয়েশার সাথে মুহম্মদের বিয়ে হয়" ... ছোটবেলা থেকে হুজুর'দের ওয়াজে তাই শুনে আসছি । এই বিয়ে নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা নেই ... যুগ , ব্যাক্তি , সমাজ , এসব চিন্তা করলে মুহম্মদ খুব বড় কোন অপরাধ করেননি ...

তবে আপনার এই রকম বেছে বেছে উপাত্ত সংগ্রহ এবং হিসেব মিলিয়ে জায়েজকরণ দেখে মনে হচ্ছে আপনারা আপনাদের নিজেদের মনকে নিজেরাই প্রবোধ দিয়ে বেড়াচ্ছেন ।

Take it easy, Brother. গেটিশ দিয়ে খুব বেশিদুর এগোনো যায় না।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:২৪

বনহমি বলেছেন: আগের পোষ্টের প্রশ্নউত্তরগুলোর জবাব দিয়েছি, আপনি আবার যেয়ে দ্যাখেন।

ছোটবেলায় হুজুরের ওয়াজ শুনে আত্মতৃপ্ত হয়ে ঘুমিয়ে থাকাটাই তো মুসলিম হিসাবে কাজ হতে পারেনা। মুসলমানের দায়িত্ব হল ইসলাম বিষয়ে কিছু পড়াশুনা এবং জানাশুনার চেষ্টা করা (আলকোরআন ৯৬: ১-৪)।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

২| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৮

ঘনাদা বলেছেন: হাদীছের মধ্যে আবার সুক্ষ্মতা আবিষ্কারের চ্যাষ্টা চলতেছে নাকি?

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩

বনহমি বলেছেন: আবিষ্কারের কিছু নেই, আগেই ছিল, আপনার হয়ত জানা শোনার সুযোগ ঘটেনি।

৩| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:০৬

শুন্য মানব বলেছেন: vai apnake ekta thnx dei ze apni atleast eishob er against e ekta valo reference wala post disen, apnake thnx.

vai ei edaning 3 type er lok er anagona dektesi, 1 dol ase nize kisu na zene shune buje 1/2 ta buli shune, anti islam boi poire chagoler tin no bachchar moto sharadin Against Prophet and Islam buli awrabe....era lez kata shial er moto, nizera zemon, onno der o dol e dhokate chaibe.

arekdol lok za Allah Islam and Prophet ke valobashen ta ashol shotti ta zante cheshta korbe bcoz they know and they blive Allah Quran Propthet and Islam is always rite.

Arekdol lok thakbe zara eishob nastik der dekhe mon e mon e curse dibe....which is the lowest level protest everyone should show as a Muslim.

oboshsho nam ka waste muslim hole without internal blive hole onno kotha

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

বনহমি বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

৪| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩০

সু্মিত বলেছেন: ততকালীন কনটেক্সট নিয়া এত মাথাব্যাথা কেন? মুহাম্মদকেতো ততকালীন কনটেক্সট এ শ্রেষ্ঠ মানব হিসাবে দাবী করা হয় না। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব হিসাবেচ দাবী করা হয়। সে হিসাবে আজকের কনটেক্সট এও তার শ্রেষ্ঠ হওয়ার মত কাজ করা উচিত ছিল। নাকি?

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

বনহমি বলেছেন: আরবের আবহাওয়া ও সামাজিক পরিবেশে আয়েশা (রা.) বিবাহ করার জন্য শারিরীক ও মানসিকভাবে উপযুক্ত হয়েছিলেন। আর শারিরীক ও মানসিকভাবে কেউ উপযুক্ত হলে এবং স্বেচ্‌ছায় সম্মত হলে তাকে বিবাহ করা কোন নৈতিক অন্যায় কাজ নয়। আর রাসূল(সা.) কোন নৈতিকভাবে অন্যায় কাজ করেননি। তিনি সর্বকালের মানুষের জন্য একটি আদর্শ মানুষের দৃষ্টান্ত। এজন্যই তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব।

৫| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

মোতাব্বির কাগু বলেছেন: সহিহ বুখারি কিতাব ৬২, হাদিস ৬৪
-------------------
আয়েশা (র.)কর্তৃক বর্ণিত আছে,রাসূল (স.) ৬ বছর বয়সে আয়েশাকে বিবাহ করেন এবং সংসার শুরু করেন যখন তার বয়স ৯ বছর, এবং রাসূলের মৃত্যু পর্যন্ত আয়েশা তাঁর সাথে ৯ বছর কাটান।

সহীহ মুসলিম, কিতাব ৮,হাদিস ৩৩১০
-------------------
আয়েশা (র.)বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (স.) আমাকে যখন বিবাহ করেন তখন আমার বয়স ছিল ৬ বছর এবং যখন আমি তাঁর সংসারে প্রবেশ করি তখন আমার বয়স ছিলাম ৯ বছর।


উম্মু আবদুল্লাহ, আপনি কি এই হাদিসগুলো অস্বীকার করতে চান?

৬| ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

ভন্ডপির বলেছেন: মাইকেল হার্ট। হা হা হা হা। ঐ লিস্টে হিটলার আছে জানেন?

এর পর কি প্রমান করবেন? নবী বিয়া করছে কিন্তু যৌনকম্ম সম্পাদন করে নাই? একাধিক রক্ষিতা আর স্ত্রীদের রাউন্ড রবিন লাগানোর (ছক্কা নিক্ষেপের মাধ্যমে) উদাহরন ইতিহাসে অনেক। কিন্তু তাদের কেউ নৈতিকতার ঝান্ডা নিয়া আস্ফালন করে নাই।

সবশেষে, নবীরে বুইরা লম্পট যে বলবে তার বিচারের দায় রাব্বুল আলামীনের উপর ছাইড়া দেন না কেন? অনন্ত দোযখ তো আছেই, তিনি চাইলে এখনই সব ছাড়ক্ষাড় কইরা দিতে পারে। আর আপনে তখন ৭০ হূরপরী নিয়া মজা লুটবেন।

০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩৭

বনহমি বলেছেন: আপনার কথাগুলো অপ্রাসঙ্গিক ও বিকৃত মানসিকতাপূর্ণ। মূল পোষ্টের যুক্তি সংক্রান্ত কিছুই বলেন্নি। ঠিকই বলেছেন আপনাদের বিচারের ভার আল্লাহর উপরই ছেড়ে দিলাম।

৭| ০৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪

সু্মিত বলেছেন: মাইকেল হার্ট এর বই খানা আমার কাছে আছে। উনি কিন্তু বলেন নি ১০০ জন "নৈতিক ভাবে উতকর্ষ" মানুষ এর লিস্ট। উনি বলেছেন ১০০ জন "ইনফ্লুয়েনসিয়াল" মানুষ এর লিস্ট।

মুহাম্মদ ইনফ্লুয়েনসিয়াল তাতে তো আমারো কোন দিমত নাই।

আশা করি হার্ট এর রেফারেন্স যত্র তত্র দেয়া এবার থামাবেন।

আপনি শেষ প্যারায় লিখেছেন ততকালীন আরব কনটেক্সট এ মুহাম্মদ ঠিকই করেছেন। কিন্তু ততকালীন আরব রা অসভ্য ছিল (এখন ও আছে কম বেশি) তাই তাদের কনটেক্সট ও ছিল অসভ্য। সুতরাং ততকালীন আরব কনটেক্সট ই "সর্ব কালের শ্রেষ্ঠ নৈতিক" মানুষ এর জন্য যথেষ্ট হতে পারে না।

"সর্ব কালের শ্রেষ্ঠ নৈতিক" মানুষ হলে তিনি ক্রিতদাসীদের সাথে বিয়ের বাইরে সেক্স যায়েয করে যেতেন না।

এনাফ সেড।

০৯ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

বনহমি বলেছেন: আপনার এসব অভিযোগের জবাব অনেক আগেই অনেকবার দেয়া হয়ে গেছে। ওরিয়েন্টালিস্টরা এসব অভিযোগ অনেক আগেই তুলেছে, আর আপনারা সেসব শেখানো বুলি ঝাড়ছেন। এসব কথা নতুন কিছু না। কিন্তু সমস্যা হল আপনাদের পকেটে ইসলামের ব্যাপারে অভিযোগ তোলার এই ছয় সাতটা কয়েনই রয়েছে। এজন্য হাজারবার জবাব দেবার পরও বার বার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আপনাদেরকে এসব অভিযোগই তুলতে হয়। এটাই আপনাদের বড় দুর্বলতা। আপনাদের জন্য করুণা হয়।

স্লেভারির ব্যাপারে যে অভিযোগ তুলেছেন তার জবাবটি পড়ুন, যদি ধৈর্য্য থাকে:

"Concerning having slave women, we would like to let you know that it happens to be a practice necessitated by the condition in which early Muslims found themselves vis-a-vis non-Muslims, as both parties engaged in wars. Slave women or milk al-yameen are referred to in the Qur'an as “Those whom your right hand possess” or “ma malakat aymanukum”; they are those taken as captives during conquests and subsequently became slaves, or those who were descendants of slaves.

Thus, it was a war custom in the past to take men and women as captives and then turn them into slaves. Islam did not initiate it, rather, it was something in practice long ago before the advent of Islam. And when Islam came, it tried to eradicate this practice, bit by bit. So it first restricted it to the reciprocal practice of war, in the sense that Muslims took war captives just as the enemies did with Muslims.

But as it aimed at putting an end to such issue, Islam laid down rules which would eventually lead to eradicating the practice. So it allowed Muslims to have intercourse with slave women taken as captives of just and legitimate wars. In so doing, the woman would automatically become free if she got pregnant. What's more, her child would also become free.

Not only that, Islam also ordered a Muslim to treat the slave woman in every respect as if she were his wife. She should be well fed, clothed and given due protection. In the family environment, she had the opportunity to learn about Islam and was free to accept it or reject it. She also had the opportunity to earn her freedom for she could be ransomed.

In the light of the above-mentioned facts, and the nature of the question posed by people, it's clear that some people misunderstand the wisdom behind the permissibility of having female slaves and think that it is meant to unleash men’s desires and give them more enjoyment. Never! That is not the point! It is, rather, means of freeing slaves; and this is clarified above in the fact that if a master got a female slave pregnant, then he could neither sell her nor give her away as a present. And if he died, she would not be considered part of his property. She'd receive her freedom and her baby would also be free.

But, we have to stress that this case should not be confused with that of female servants or maids, for they are free and not slaves. Therefore, it is forbidden to engage in sexual relations with them except through an Islamic marriage.

Slavery has been abolished by international conventions, and goes in line with aims and objectives of Islam, as it has called for centuries ago.

As for marrying slaves, it is something permissible under two conditions: first, if one is unable to pay the dowry of a free woman. Second, if there is fear of committing adultery if one doesn’t get married. This is clarified by the following verse: “And whose is not able to afford to marry free, believing women, let them marry from the believing maids whom your right hands possess. This is for him among you who feareth to commit sin. But to have patience would be better for you.” (An-Nisaa’: 25)

This verse shows that Muslim men should abstain from illicit relations and seek enjoyment through marriage to free women or through their female slaves.

In conclusion, Allah has forbidden certain types of behavior and permitted other kinds of behavior as a safeguard to the individual and to the society. Allah has forbidden fornication and adultery. However, in the case of captives whom your right hands posses, it's something necessitated by the special circumstances which were created when the Muslims were at war.”

সোর্স: Status of Slave Women in Islam

৮| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৫

জেমসবন্ড বলেছেন:

.........সুন্দর পোষ্ট । ধন্যবাদ ।

.........আমার ব্লগে স্বাগতম । দয়া করে পড়ে মন্তব্য করবেন ।

৯| ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৩

শেলী বলেছেন: কিন্তু ততকালীন আরব রা অসভ্য ছিল (এখন ও আছে কম বেশি) তাই তাদের কনটেক্সট ও ছিল অসভ্য।

আরবরা অসভ্য ছিলো এটাতো ঠিক না। ওরা মরুবাসী হবার জন্য ওদের সাহস আর independant স্বভাবটা সবার চেয়ে বেশী ছিলো। আমি যাদের দেখি specially নারীদের মধ্যে independanceটা ওদের মধ্যে পাশ্চাত্যের নারীদের চেয়েও বেশী। ওরা ওদের জামাইদের নিয়ে মাথা ঘামায়না, ওরা নিজেদের আলাদা জগত নিয়ে থাকে।

১০| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৭

তীব্র রঙিন বলেছেন: So it allowed Muslims to have intercourse with slave women taken as captives of just and legitimate wars. In so doing, the woman would automatically become free if she got pregnant. What's more, her child would also become free.

X(

১১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৯

অন্যরকম একজন বলেছেন: স্লেভ বা ওয়ার ক্যাপ্টিভদের ব্যপারে প্রদত্ত রেফারেন্সের সাথে একমত হতে পারছিনা।গুগুলে 'মা মালাকাত' আইমানুকুম' কথাটা লিখে সারচ করলে বেশকিছু রেজাল্ট আসে যেগুলোর অনেকগুলোই বলছে 'মা মালাকাত আইমানুকুম' মানে হল -স্ত্রী।সূরা নিসার ২৫ নং আয়াত যেটা এখানে রেফারেন্স হিসেবে উল্লেখ করেছেন সেটা পড়লে আমার কাছে শুধু একটা জিনিসই পরিস্কার হয়-দাসী বা যুদ্ধবন্দীদের সাথে শারীরিকভাবে মিলিত হওয়া যাবে কিন্ত,অবশ্যই তাদের বিয়ে করে,নতুবা না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.