নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বুনোমানুষের ব্লগে স্বাগতম

© তন্ময় ফেরদৌস

তন্ময় ফেরদৌস

একি আজব কারখানা...

তন্ময় ফেরদৌস › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি সাদাসিধা জরিপ এবং সিনেমা নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩২







সম্প্রতি ব্লগার পুশকিন এর সিনেমাড্ডা নিয়েপোস্ট টি মনে হয় অনেকেই খেয়াল করেছেন। সামুর সিনেমাপ্রেমীদের নিয়ে একটি আড্ডার আয়োজনই ঐ পোস্টটির মূল বক্তব্য। পরবর্তিতে অনেক ব্লগারদের আগ্রহ দেখে ফেসবুকে সামহোয়্যারইন এর সিনেমাখোরদের আড্ডা নামে একটি পেজ ওপেন করা হয়। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা একশ ছাড়িয়েছে। পেজের অথরিটিকে শুভেচ্ছা এবং সকল সদস্যকে শুভকামনা।



সামহোয়্যারইন এর সিনেমাখোর প্রতিটি সদস্য যেন একে অন্যের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে সেই উদ্দ্যেশে এই গ্রুপের সৃষ্টি।এখানে মুক্তালোচনা,আড্ডা,সিনেমা নিয়ে পরিকল্পনা,তর্ক-বিতর্ক সবই থাকছে এবং প্রতিটি সদস্য যেন নিজেদের মতামত সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারে সেই বিষয়বস্তুর উপর নজর দেওয়া হচ্ছে। আপ্নারা সবাই আমন্ত্রিত।



সধাসিধা একটি জরীপঃ



বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি সাপোর্ট করেন কি ?



মুল বক্তব্যঃ



বর্তমানে সিনেমা নিয়ে হট ইস্যু হচ্ছে বাংলাদেশে ভারতীয় সিনেমা আমদানি। এর পক্ষে বিপক্ষে রয়েছে নানান মত।কোন একটা সমস্যা সমাধানে আলোচনার গুরুত্ব অনেক। এই গুরুত্বপুর্ন ইস্যুতে পিছিয়ে নেই সামুর সব মুভিপ্রেমীরাও। বিভিন্ন মতভেদের পোস্ট আসছে অনেক।

এর মাঝে একটি পোস্ট হলো ব্লগার রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্রের , সিনেমা বিষয়ক তার লেখা গুলো অসাধারন। তিনি কিছুদিন আগে চমৎকার একটি পোস্ট দিয়েছিলেন।এই পোস্টে আমার একটি মন্তব্য এবং এবং ফেবুতে অন্যান্য সিনেমাপ্রেমীদের কিছু প্রতিমন্তব্য উল্লেখ করতে চাচ্ছি।

আশা করছি সুস্থ আলোচনার মাঝে বেরিয়ে আসবে সুন্দর কিছু সমাধান।



আলোচনায় আপ্নারাও আমন্ত্রিত।



রুদ্র ভাইয়ের পোস্ট-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! বাংলাদেশি চলচ্চিত্রশিল্পকে তাহলে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিচ্ছেন আপনারা?



আমার মন্তব্য-



ভারতের ছবির সাথে আমাদের ছবির তুলনা করার মত পজিশনে যেতে যেই সময় এবং সূযোগটুকু দরকার, তা কিন্ত আমরা পাচ্ছিনা।অবশ্যই বাংলাদেশের ফিল্ম ই ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ভারতীয় ছবি আমদানী একটা মূল অন্তরায়।



আমি বাংলাদেশের এফডিসি নিয়ে অনেক আশাবাদী। এখন হয়তো খারাপ অবস্থা যাচ্ছে। তবে ভালো সময় অবশ্যই আসবে। আমরা কিন্ত টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে ভারতের চার বছরের সিনিয়ার। পরে ১৯৬৮ তে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের টেকনিশিয়ানদের সহোযোগিতায় তৈরি হয়েছিলো তাদের প্রথম টিভি চ্যানেল দূরদর্শন।



আমরা যেই সময় ৭১ এর যীশু, হয়ার দেয়ার ইস লাইট, জীবন থেকে নেয়া এই সব বিপ্লবী ছবি তৈরি করি তখন তারা তৈরি করে "সাঙ্গাম" টাইপের রোমান্টিক ছবি। এই জেনার থেকে তারা এখনো বের হতে পারেনি।



ইন্ডিয়ার ছবিতে বাইরের দেশ হতে শ্যুট করার প্রবনতা আসলো কবে থেকে ? আর বাংলাদেশের লাভ ইন আমেরিকা, লাভ ইন থাইল্যান্ড এই ছবিগুলার প্রিমিয়ার হয় কত সালে ? ভুলে গেছেন সেই সব কথা ?



৮০'র দশকের " এক মুঠো ভাত" ছবিতে হেলিকপ্টার ব্যাবহার করে জেল ভেঙ্গে পালিয়ে যাবার একটা সীন আছে। যখন ভারতীয়রা এই ধরনের শ্যুটিঙের কথা চিন্তাও করতো না।

সালমান শাহ যখন লিভাইসের জিন্স পরে আর মাথায় স্কার্ফ বেধে ছবি করে জানেন তখন শাহরুখ , সালমান রা পড়ে ছিলো সেই পুরাতন গেট আপে।



এমনকি জহীর রায়হানের মত প্রতিভাবান শিল্পীদের মৃত্যু বরন করতে হলো ভারতীয় সিনেমা আমদানির বিপক্ষে কথা বলতে গিয়ে।যুদ্ধের আগে, আলাউদ্দীন আলি, জহির রায়হান , আমজাদ হোসেন, সুভাষ দত্ত এরা সবাই মিলে শেখ মুজীবের সাথে মিটিং করেছিলো। সেই খানে ভারতীয় ছবিতো বটেই, উর্দু ছবি পর্যন্ত বাংলাদেশে না ঢুকার ব্যাবস্থা ফাইনাল করা হয়।



প্রশ্ন হচ্ছে কেন ??



কারন এই জিনিয়াস মানুষ গুলা জানতো, বিদেশি ছবি আমদানী মানেই পরবর্তিতে তিতাস একটি নদির নাম, হাঙ্গর নদী গ্রেনেড ইত্যাদি কালজয়ী ছবি বানানো বাধাগ্রস্থ হবে।

ভুলে গেলে চলবেনা এই এফডিসিতে হৃত্বিক ঘটকের মত পরিচালক রা ছবি পরিচালনা করতে চলে আসতেন ভারত থেকে।

আমাদের মিডিয়াকে দাড়াতে দেয়া হয়নি। যেই ইন্ডিয়ার বিরোধিতা করতে গিয়েছে তাকে মাশুল দিতে হয়েছে জীবন দিয়ে।পিছনের ইতিহাস জানতে হবে।



যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে অনেক ছবি হয়েছে কমিউনিজম নিয়ে । কিন্ত এখনকার পরিচালক রা ভয় পায় রিস্ক নিতে। ভারতীয় ছবি দিয়ে টু পাইস কামানোই এখন মূখ্য উদ্দেশ্য। তবে এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে অবশ্যই। এই পরিবর্তন টা আসবে আমার আপনার হাত দিয়ে।আমরা যদি শুরুটাও করে দিয়ে যেতে পারি, হয়তো বিশ বছর পর সফলতা আসবে। আসতেই হবে।



মানুষ এখন পুনেতে পড়তে যায় ফিল্ম মেকিং এর উপর। কিন্ত কথা ছিলোনা এমন। কথা ছিলো, ইন্ডিয়ার মানুষরা আসবে আমাদের দেশে পড়ার জন্য। জহীর রায়হান, আলাউদ্দিন আলী, এরা যদি বেচে থাকতেন তাহলে এই স্বপ্ন অবশ্যি সফল হতো। তারা মারা গিয়েছেন বলে হয়তো এটা পিছিয়ে যাবে, কিন্ত স্বপ্ন মরে যায়নি।



এই স্বপ্নে পানি ঢেলে দেয়ার ব্যাবস্থা পাকা হয়ে গেলো ভারতীয় ছবি আমদানীর মাধ্যমে।



বিলাই ভাই, আমি কোন ক্যাচালের জন্য এই মন্তব্য করিনি। মনের কিছু অভিমান শেয়ার করলাম জাস্ট। শাকিব খানের মুভি কেন বস্তাপচা এবং কিভাবে বস্তাপচা ছবি থেকে বের হয়ে সুস্থ ছবির পরিবেশ তৈরি করতে হবে সেটাই কিন্ত আমাদেরি বের করতে হবে তাই না ? কলকাতা এখন তাদের ছবির বাজেট দশকোটি টাকায় উন্নিত করেছে। বাংলাদেশে এর অর্ধেক টাকাতেই ওদের চেয়ে ভালো ছবি বানানো সম্ভব। এজন্য এগিয়ে আস্তে হবে পরিচালক থেকে শুরু করে সকল কলাকুশলীদের, সরকারের এবং সর্বপোরি আমাদের জনগনের।



এফডিসি আবার উঠে দাঁড়াবে। দাড়াতেই হবে, কারন অনেক রক্ত ঝরেছে এর পিছনে। এত রক্তক্ষয়ী ইতিহাস বৃথা যাতে পারেনা।



ওয়াসিমুল ভাই বলেছেন-



অতি উত্যম জবাব!!! এটা অনেকেই বুঝতে চায় না। সম্ভবত সারা দুনিয়ায় একমাত্র বাংলাদেশই আছে যারা নিজেরাই নিজেদের ভালোটা বুঝতে চায় না। নিজের ভালো তো পাগোলেও বুঝে! তাহলে আমরা কেন বুঝতে পারবো না...



ব্লগার সাইফুল আমিন ভাই বলেছেন-



আপনার বক্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করছি।

কিন্তু তবু, এতোটা পিছিয়ে আছি আমরা- খাঁটি বাংলা সিনেমা দেখলে যে কথাটি সবার আগে মনে হয়- এঁরা ভালো সিনেমা বানানোর চেষ্টাই করছে না। দুঃখ লাগে, সামান্য রাতের একটা দৃশ্য করতে গেলেও, এমন আলো ব্যবহার করে যে, দিনের মতোন সবকিছু পরিষ্কার দেখা যায়!



ভারতীয় সিনেমা এ দেশে আনলেই, বাংলাদেশের সিনেমা বেহাল হয়ে পড়বে- এটা কেনো যেনো মেনে নিতে পারছি না আমি।

পুরো ভারতে কয়টা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি আছে? বাংলা, তামিল, তেলেগু; কিংবা অন্যান্য কেউই তো বলছে না- হিন্দি সিনেমার জন্য তাঁদের সিনেমা চলেছে না।

বরং কলকাতার আজকালের সিনেমা দেখে চোখ কপালে তুলতে বাধ্য হই। এতো অসাধারণ এবং দ্রুত বেগে তাঁরা এগিয়ে যাচ্ছে যে- অবিশ্বাস্য ছাড়া আর কোনো শব্দ ব্যবহার করার সুযোগ নেই।



তাহলে আমরা কেনো পিছিয়ে?

রিকশাওয়ালাই এ দেশের দর্শক। এই বস্তাপচা বুলি গেয়ে, পরিচালকগুলো সেই বস্তাপচা সিনেমাই বানিয়ে চলেছে একের পর এক।

কেনো?

মনপুরা দেশের কয়টা সিনেমা হলে চলেছে? কিংবা সাম্প্রতিক প্রজাপতি? ঢাকার মাত্র দুটো সিনেমা হলে চালিয়েও, সিনেমাকে ব্যবসায় সফল করে নিয়েছেন পরিচালক।

তাহলে বলুন- রিকশাওয়ালারাই যদি বাংলাদেশের সিনেমা দর্শক হয়; তবে তাঁদের জন্য নির্মিত কোন সিনেমাটা বক্স অফিস মাত করেছে?



আমি বলবো- এ দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংসের মূল কারণ, প্রতিযোগিতার অভাব। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলা সিনেমা কখনো কারো সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেনি বলেই- আজ এ দশা।

আমাদের পরিচালকরা ভেবেছে- ‘একটা কিছু করে শেষ করতো পারলেই তো মাল তৈরি। শালার দর্শক না দেখে যাবি কই? বমি করবি? তো! বমি শেষ করে এসে বসলে, আবারও তো সামনে সেই বাংলা সিনেমা!’



আমার ধারণা- সংস্কৃতির বাজারটা উন্মুক্ত হোক। প্রতিযোগিতা হলে, এ দেশের স্বপ্নবাজ নির্মাতারা নিশ্চয় পিছিয়ে যাবেন না। তাঁরা নিজেদের মতোন করে সিনেমা বানাবেনই। তখন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য- পরিচালক-প্রযোজককে ভাবতে হবে, ‘এমন কি করা যায়, যাতে মানুষ অন্যেরটা নয়, আমারটাকেই গ্রহণ করবে।’



তবে হ্যাঁ- ভারত যে আমাদের গণমাধ্যমকে ওদের দেশে নিষিদ্ধ করে রেখেছে, এর নিন্দা আমিও জানাই।

কিন্তু এর প্রতিবাদে, আমরা যদি ওদের ভালো কিছু গ্রহণ না করি- তাতে ওদের কিছু যাবে-আসবে না। বরং সেই ভালোটা থেকে আমরাই নিজেদের বঞ্চিত করবো।



[sbআমি বলেছি -



সাইফুল ভাই, চমৎকার একটা মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। দারুন কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন।



সবার আগে আন্তরিকতার সাথে ইয়ুথ কে এগিয়ে আস্তে হবে। আমি মনে করি তাদের দ্বারা ভালো কিছু করা সম্ভব। সেই চেতনাটা তাদের মাঝে ঢুকিয়ে দিতে হবে।



আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বিকল্পধারার চলচিত্রে আপাতত সাপোর্ট দিবনা। কারন মেইন্সট্রিম বাদ দিয়ে আমি দেশের সাধারন অপামর জনগনের কাছে কিভাবে পৌছুবো? গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলা কিন্ত এখনো রাজ্জাক শাবানার আবেগী দৃশ্য দেখলেই কেদে ফেলে।

নায়ক যখন ভিলেন কে মারতে যায় তখন তারাও ভিলেনের প্রতি ক্রোধ অনুভব করে। গানের তালে শিষ দেয় সবাই মলে। এখানেই কিন্ত সিনেমার স্বার্থকতা। এই মানুষগুলাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে টিকিয়ে রেখেছে এখনো। তাদের বাদ দিয়ে কিভাবে বাংলা সিনেমা তৈরি করি।

কাজেই সিনেমা হতে হবে গনমানুষের সিনেমা। একটা আর্টফিল্ম পঞ্চাশটা পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে একটা ছবি যদি একটা মফস্বলের হলে ১ মাস বেশি চলে সেইটা বরং ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি অবদান রাখবে।



ঘরে বসে কফি খেতে খেতে আর্টফিল্ম দেখা যায়। তবে হল ভর্তি মানুষের আবেগ ধরতে হলে, ব্লক বাস্টার হিট চাইলে, সিনেমার বাজার ঠিক রাখতে হলে এবং সর্বপোরি দেশের ফিল্ম ইন্ডস্ট্রি টিকিয়ে রাখতে হলে মেইন্সট্রিম কমার্শিয়াল সিনেমার বিকল্প নাই।



তবে ভিন্ন ধারার ফিল্ম বাদ দিয়ে দেয়াআ যাবেনা। সেটা করতে হবে নিজেদের চলচ্চিত্রের ধাপ বিশ্ব দরবারে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

সিনেমা হতে হবে আর্ট এবং বিজনেসের সমন্বয়ে। বাংলা ছবির মার্কেট তৈরি করে আসতে হবে।



সেটাই করতে দেয়া হচ্ছেনা এখন ভারতীয় ছবি আমদানীর মধ্য দিয়ে।



তবে

ভারতীয় সিনেমা আমদানির পর যদি এদেশীয় পরিচালকদের মনে প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয় তাহলে অবশ্য ভালো হয়।





ব্লগার নাফিজ মুনতাসির ভাই বলেছেন-



সবার কথাই ভেবে একটি উপযুক্ত সমাধানে যেতে হবে। চলচ্চিত্রের দর্শকখরার দু:সময়েও যেসব হল মালিকরা লোকসান দিয়ে মুভি দেখিয়ে গেছেন তাদের কথা যেমন ভাবতে হবে তেমনি আমাদের চলচ্চিত্র যাতে ধ্বংস না হয়ে যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।



ব্লগার সাইফুল আমিন ভাই বলেছেন-



আমি বিকল্পধারা বলে কিছু বিশ্বাস করি না। সিনেমা মানেই সিনেমা। এবার সেটা গল্পের প্রয়োজনে যেমন খুশি হোক।

কলকাতার “ইচ্ছে”, “চলো পাল্টাই”, “রঞ্জনা আমি আর আসবো না”- এগুলোতে প্রথাগত কেউ নেই। তাই বলে কি এ সিনেমাগুলোকে আপনি বিকল্পধারার বলবেন?

একই কারণে, মনপুরা কিংবা প্রজাপতি-তে, শাকিব খান বা অপু বিশ্বাস নেই বলে, এ দুটোকেও আমি বিকল্প শেণিতে ফেলতে রাজি নই। বিশেষ করে, প্রজাপতি-তে রাজ যে ক্যামেরার কাজ দেখিয়েছেন, তাঁর গল্প অনুযায়ী সে চেষ্টাকে আপনি সাধুবাধ জানাতেই পারেন।

ভাই-বেরাদার দলের হয়েও, ওদের গুরু ফারুকীকে রাজ ছাড়িয়ে গেছে। ফারুকীর “খাইতেছি-যাইতেছি” মার্কা সিনেমার ট্যাক থেকে রাজ বেরিয়ে আসতে পেরেছে- কারণ, সে তরুণ।



তাই, সবশেষ সেই একই কথা- তারুণ্য ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়।

ভিন্নধারা, ভিন্ন চিন্তা- এটা নতুনদের দিয়েই হবে।



ভারতীয় সিনেমাকে আসতে দিন। বাংলাদেশের সিনেমা হল মালিকদের টিকে থাকেতে না দিলে, আপনারা সিনেমা বানিয়ে দেখাবেন কই?

সে ক্ষেত্রে তো, হয় স্টেডিয়াম ভাড়া করতে হবে; আর নয়তো, সিনেমা বানানোর পূর্ব শর্ত থাকবে- একটা সিনেমা হলও বানাতে হবে।

প্রতিযোগিতা চলতে থাকলে, একটা সময় ভালো কিছু বেরিয়ে আসবেই। আসতে বাধ্য।



ব্লগার নাফিজ মুনতাসির ভাই বলেছেন-



ঢালাওভাবে সিনেমা আমদানী না করে প্রতিমাসে ১টি করে মোট ১২টি মুভির অনুমতি দেয়া যেতে পারে....তাহলে কিছুটা প্রতিদন্ধিতার মাঝে পড়েও আমাদের সিনেমা কিছুটা উন্নতি করতে পারবে......কলকাতার দিকে তাকিয়ে দেখেছেন!!!!! বেশীদিন আগের কথা না....আমাদের থেকেও নিচুমানের মুভি বানাতো ওরা.....দেখেন আজ কোথায় চলে গেছে?????? স্যাটালাইট চ্যানেলগুলোর প্রতিযোগীতার মাঝে আমাদের বর্তমান নাটকগুলো কি অসাধারণ উন্নতি করেছে দেখেছেন??? বিশ্বমানের নাটক তৈরী হয় আজ আমাদের দেশে। বিদেশের অনেক চ্যানেলের মাঝে আমাদের নাটকগুলো পথ হারিয়ে ফেলেছিলো.......কিন্তু নিজেদের প্রস্তুত করে আজ নাটকগুলো কোথায় এসে দাড়িয়েছে দেখেছেন??? আমাদের নাটক দেখে উৎসাহী হয়ে কেউ আমাদের গুটিকয়েক মুভি ছাড়া বাকি মুভিগুলো দেখতে বসলে বিরাট ধোকা খাবে...............



ব্লগার কাঊসার রুশো ভাই বলেছেন-



chomotkar bolechen...





বিপ্লব ভাই বলেছেন-



ওরেব্বাস রে একেবারে ফাটা-ফাটি লেখা হইছে ভাই।

আমার মায়ের কাছে ১৯৮৩ সালের একটা =তারোকালোক= আছে সেখানে কলকাতার মুভির যে কে দুরবস্থা তা উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ আজ ৩০ বছর পরে গুটি সম্পূর্নই উল্টে গেছে।

অবশ্য আমি একটা বিষয় দেখেছি যে, আমাদের ফিল্ম ই ইন্ডাস্ট্রি এর দুরবস্থা অতিরিক্ত মাত্রায় শুরূ হয়েছে ২০০০ এর পর থেকেই, জানিনা সবাই একমত হবেন কিনা।

- তার মানে কি মূর্খ সব পরিচালক আর প্রযোজকে ভরে গেছে FDC ?

Nafeez Moontasir Robin ভাই ভাল বলেছেন “প্রতিমাসে ১টি করে মোট ১২টি মুভির অনুমতি দেয়া যেতে পারে...."



আল-আমিন ভাই বলেছেন-



আমার মনে হয় আমাদের পরিচালকরা জানেনা যে এখনকার সমাজ কি ধরনের ছবি দেখতে চায়। তবে তরুন পরিচালকেরা অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছে হয়ত। আমাদের চলচিত্র জগতে ভেতরের রাজনীতি তাকে আরও পঙ্গু করে দিচ্ছে বলে আমার বিশ্বাস। হয়ত তাই নতুন কিছু আসছে না বা আসলেও তাকে দাবিয়ে রাখা হচ্ছে। চলচিএর যুগের কথা বলে কিন্তু তা যদি সে না বলে তবে আমরা কেন ওই ছবিটি দেখব? আমার মতে এই গ্লোবালাইজেশনের যুগে কেই কারু থেকে কম না আর তাই সবার সাথে যুদ্ধ করেই আমাদের চলচিএকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।



বাজেটের কথা যদি বলতে হয় আমাদের দেশের মুভিতে বাজেট কম হয়ত তাই মুভি ভালো হয় না। আমি তা মানতে রাজী নই। ছবির একটি ভাল গল্প ভাল উপস্থাপনা ছবিকে অনেক উচ্চতায় স্থান দিতে পারে। দর্শকের কাছে পাবে গ্রহন যোগ্যতা। একজন সাধারন দর্শক হিসেবে আমি কোন একটি মুভির গল্প ও তার চিত্রনাট্য আর উপস্থাপনকেই বেশি গুরুত্ব দেই। যেমন "Search-খোজ" মুভিটি উপস্থাপনা ভাল হলেও তার গল্প ছিল বেশ নড়বড়ে। আর এই সব কিছু মিলিয়ে একটি ভাল মুভি একটি দেখার মত মুভি তৈরী হয়। উপস্থাপনা হল অভিনয় আর সম্পাদনার মিলিত রুপ। ভারতীয় ছবির অনুপ্রবেশ হল নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার মত কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি নিজেদের চলচিত্র উন্নতি না করলে শত চেষ্টা করলেও সারাদুনিয়ার মুভি দেখা বন্ধ করলেও কোন লাভ হবে না।





---------------------------------------------





এ বিষয়ে পড়তে পারেন অন্যান্য লেখা।



ব্লগার দারাশিকোর লেখা -কেন আমি ভারতীয় সিনেমা আমদানীর বিরোধিতা করি?



দ্রোহ ব্লগের একটি পোস্ট-ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি বিতর্ক।





এখন সামুর অন্যান্য ব্লগারদের সুচিন্তিত মতামত চাই।















মন্তব্য ৯৮ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৯৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪১

""ফয়সল অভি "" বলেছেন: ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি বিতর্ক

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ অভি। আপনার মতামত কি ?

২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪২

চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি আমি সাপোর্ট করি না।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ রুমান ভাই।

জানিয়ে দিতে পারেন যে কোন সাজেশন।

৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৩

ফয়সাল তূর্য বলেছেন: সাপোর্ট করি না

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ তূর্য ভাই।

অন্যকোন সাজেশন থাকলেও জানিয়ে দিতে পারেন।

৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮

নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: শুধু ভারতীয় কোন দরকার নেই। পুরো বিশ্বের বিশ্বমানের সেরা নতুন চলচ্চিত্রগুলো আমদানী করা যেতে পারে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নাফিজ ভাই।

আপনার প্রস্তাব ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে।

৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৯

মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: প্রশ্নই আসে না সমর্থন করার!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ মেঘাপু।

বাংলা সিনেমাকে কিভাবে মানস্মমত করা যায়, কোন সাজেশন ?

৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৯

হাসান মাহবুব বলেছেন: সাপোর্ট করি না। আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পে যতটা না প্রভাব ফেলবে তার চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে আমাদের দৈনন্দিন আচরণ, কথাবার্তা এবং পোষাকআশাকে। এমনিতে হিন্দী সিরিয়ালের মত নিম্নমানের জিনিস পাবলিক যেমনে খায়, হিন্দী সিনেমা হলে আইলে তো আরো পোয়াবারো হৈবো।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান ভাই।

বাংলা সিনেমাকে কিভাবে মানস্মমত করা যায়, কোন সাজেশন ?

৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৩

আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
প্রথমে দরকার ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোর এ দেশে অবাধ সম্প্রচার বন্ধ হওয়া। এটা করা গেলেই দেশীয় সংস্কৃতি আর মিডিয়াগুলো আরেকটু শক্তিশালী হবে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দুর্জয় ভাই। সুন্দর বলেছেন।

৮| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০১

ফেলুদার চারমিনার বলেছেন: বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি আমি সাপোর্ট করি না।অন্তত এই সময়ে তো নয়ই।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

বাংলা সিনেমাকে কিভাবে মানস্মমত করা যায়, কোন সাজেশন ?

৯| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৭

পীরসাহেব বলেছেন: সিনেমাই খালি না, ইন্ডিয়ান সিরিয়াল আর ডোরিমন টাইপ কার্টুন এবং ঈদ আর পুজোয় হাভাতের মতন হিন্দি মুভির গেটআপ বর্জন করা খুব দরকার। আর আমাদের ডাক্তারদের আরেকটু মানুষ হওয়া খুব দরকার, প্রতি বছর চিকিৎসা খাতে প্রচুর টাকা দেওয়া হয় ভারতকে।।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ডোরিমন হিন্দি ভাষার ব্যাপকতা বৃদ্ধি করছে শিশুদের মাঝে। গ্যাদা গ্যাদা বাচ্চারাও অনেক দেখি ডোরেমন দেখে হিন্দিতে কথা বলেছে।

ডাক্তারদের ব্যাপারটাও ভালো বলেছেন।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানুষজন এবং ছাত্র সমাজেরও এগিয়ে আস্তে হবে সৃষ্টিশীল ভাবনা নিয়ে।

অনেক ধন্যবাদ।

১০| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১১

ফেলুদার চারমিনার বলেছেন: এফডিসিকে টেকনিক্যালি শক্তিশালী করতে হবে, এখনো এডিটিং করাতে গেলে বাইরের দেশের স্টুডিওতে গিয়ে করিয়ে আনতে হয়।যন্ত্রপাতি আর কারিগরী সুযোগ সুবিধা আরো বাড়াতে হবে।মানুষকে সিনেমাহলে যাওয়ার পরিবেশ দিতে হবে।শুধু বৃহত্তর ঢাকা কিংবা বিভাগীয় শহর নয়, অন্যান্য জেলার হলগুলোকেও আধুনিক এবং মানসম্মত পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে যাতে মানুষ তার গোটা পরিবারকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যেতে পারে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার প্রতিটা বাক্যের সাথে সহমত।

যতদুর জানি সরকার এ বছর ৫৯ কোটি টাকা বরাদ্ধ করেছে এফডিসির উন্নয়নের জন্য। প্রশ্ন হচ্ছে এই টাকার কত শতাংস সত্যিকার কাজে ব্যাইয় হবে।

হুমায়ুন আহমেদ তার আগুনের পরশ্মনি ছবির অনুদানের জন্য সরকার এবং প্রতিষ্ঠিত সব মানুষজনের কাছে গিয়েছিলেন। ফিরে তাকান নি একজনও। চাষি নজ্রুল ইস্লামের মত পরিচালকরাও সিনেমা তৈরির আগে নিরুৎসাহিত করতে বাকি রাখেনি।

এটা অবশ্যি কাম্য নয়।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ফেলুডা।

১১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৯

রিয়েল ডেমোন বলেছেন: সত্যি বলতে আমি সিনেমাই দেখি না :(

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সিনেমা না দেখলেও আপনার মত ক্রিয়েটিভ গল্পকার সিনেমার গল্প লিখে অবদান রাখতে পারেন চলচিত্র শিল্পে। কি বলেন রিক ভাই ? :)

১২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৭

নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আমি আবারো বলছি......হিন্দী সিরিয়াল/গান এইসব ফালতু বিষয় নিয়ে এখন মাথা না ঘামালেও চলবে। দেশে এখন প্রচুর বিশ্বমানের নাটক ও গান তৈরী হচ্ছে। যা অবশ্যই আমাদের গর্ব করার মতো। আমাদের মতো নাটক বিশেষ করে ১পর্বের নাটক/টেলিফিল্মগুলো শুধু ভারত না এশিয়ার অনেক দেশও সারাজীবনেও বানাতে পারবে না। আর আমাদের হাতে রয়েছে খুব প্রতিভাবান অনেক শিল্পী। আর দেশের মানুষ এখন আমাদের দেশের নাটকগুলোই দেখছে।

আর গানের কথায় আসছি.....আমাদের দেশের মতো এত ভালো ব্যান্ড ও শিল্পী পুরো এশিয়াতেও এখন পাওয়া যাবে নাকি মুশকিল....দেশের মানুষ এখন প্রচুর বাংলা গান শুনছে।

আমাদের বর্তমানের টিভি এডগুলো দেখেছেন??? ৭/৮/৯ বছর আগেরগুলোর সাথে এখনকারগুলো মিলাতে পারবেন??? কি অসাধারণ এড তৈরী হচ্ছে না আজ আমাদের দেশে?? আপনারাই বলুন।
সুতরাং এই ৩টি বিষয়গুলো নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে।

এবার আসি সিনেমা প্রসংগে। আসলেই খারাপ লাগে এইদিকে তাকিয়ে। কত পিছিয়ে আছি আমরা!!! ভাবা যায়??? গুটিকয়েক মুভি ছাড়া পরিবার নিয়ে দেখার মতো আর কয়টি মুভি বানানো হয় আমাদের দেশে????

তুমুল এ তীব্র প্রতিযোগীতার মাঝেই আমাদের টেলিভিশন মিডিয়া আর গান নিজের একটি শক্ত খুব ভালো জায়গা গড়ে তুলেছে। কারণটি ভেবে দেখেছেন??? একটা সময় কিন্তু এগুলো থমকে গিয়েছিলো। স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর প্রতিযোগিতার মাঝে রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিলো। আজ কোথায় চলে গেল দেখেছেন??? আমরা আজ গর্ব করতে পারি এইসব নিয়ে।

শুধু ভারতীয় সিনেমা আনবো কেন??? হলিওড, ইরানী বিশ্বের আরো নামী নামী নতুন মুভিগুলো এনে বাংলায় ডাব করে কি আমরা হলে দেখাতে পারি না??? তখন তো আমাদের এফডিসি বুঝবে যা ইচ্ছা তা গুলে খাওয়ানোর দিন শেষ। ভালো কিছু এখন মানুষদের দিতে হবে। মনে কি হয়না আমরা উন্নতি করতে পারবো???

আরে ভাই হল মালিকদের কথাও তো ভাবতে হবে। লোকসান দিতে দিতে আর কতো??? অথচ আমাদের মুভির চরম দুর্দিনেও এরা আমাদের মুভিগুলো লোকসান দিয়ে চালিয়ে গেছে। কতগুলো হল বন্ধ হয়ে গেছে......হলই যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সিনেমাটা দেখাবেন কাকে???

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৫

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: হল মালিকদের কথা ভেবেই বলছি-


প্রতিটা জেলায় জেলায় সি্নেপ্লেক্স তৈরি করতে হবে সরকারি অনুদানে।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার মত সিনেমা তৈরি করতে হবে।সিনেমা হতে হবে আর্ট এবং বিজনেসের সমন্বয়ে। বাংলা ছবির মার্কেট তৈরি করে আসতে হবে।

সিনেমা হতে হবে গনমানুষের সিনেমা। একটা আর্টফিল্ম পঞ্চাশটা পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে একটা ছবি যদি একটা মফস্বলের হলে ১ মাস বেশি চলে সেইটা বরং ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি অবদান রাখবে।

গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলা কিন্ত এখনো রাজ্জাক শাবানার আবেগী দৃশ্য দেখলেই কেদে ফেলে।
নায়ক যখন ভিলেন কে মারতে যায় তখন তারাও ভিলেনের প্রতি ক্রোধ অনুভব করে। গানের তালে শিষ দেয় সবাই মলে। এখানেই কিন্ত সিনেমার স্বার্থকতা। এই মানুষগুলাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে টিকিয়ে রেখেছে এখনো। তাদের বাদ দিয়ে কিভাবে বাংলা সিনেমা তৈরি করি।

বাইরের ছবি দিয়েই যদি হল টিকিয়ে রাখতে হয়, তাহলে সেটাতো আর চলচিত্র শিল্প থাকছেনা, চলচিত্র ব্যাবসা হয়ে যাচ্ছে।যেমন্টা ব্যাবসা করছে সিডি ডিভিডির দোকানিরা।

তবে সল্প পরিসরে এবং নির্দিস্ট সঙ্খ্যার বিদেশি ছবি আনা যেতে পারে ভালো সিনেমা দেখার মনোভাব এবং প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরির উদ্দেশ্যে।

শুধুমাত্র ব্যাবসার উদ্দেশ্যে ইন্ডিয়ান ছবি আনা সাপোর্ট করতে পারছিনা। যদি ব্যাপারটা আদান প্রদান হতো, তাহলে ভেবে দেখা যেতে পারতো। কিন্ত এ তো একচেটিয়া।

১৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৯

অণুজীব বলেছেন: চাটিকিয়াং রুমান বলেছেন: বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি আমি সাপোর্ট করি না।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ অণুজীব।

১৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৭

পুশকিন বলেছেন: সময়োপোযগী পোষ্ট।ধন্যবাদ।

প্রথমেই বিপক্ষ অবস্হান নিচ্ছি।

কারণ:

হাসান মাহাবুবের সাথে সহমত।তারপর বলছি আমাদের সিনেমাতে এখন পরিবর্তন আসছে একটু একটু করে আর ঠিক এই মুহুর্তে এমন সিদ্ধান্ত অনেকটাই আত্মগাতি হবে।অনেক তরুনই নিঃরুৎশাহিত হবে।
আমাদের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকার ব্যবস্হা নিতে পারে।আর সিনেমা হিট হয় পরিচালক,গল্প,অভিনয়ের দক্ষতায়।সে ক্ষেত্রে দায়িত্তটা পরিচালকের।"কোটি টাকার মেয়ে এক টাকার ছেলে টাইপ"মুভি তো সকল শ্রেণীর মানুষ দেখবে না।দেখবে নিদৃষ্ট শ্রেণীর মানুষ।আর সেই দায়টা পরিচালকেরই।

৭০/৮০ এর দশকে ও বিদেশী ছবি আসতো দেশে।তখন ওমানুষ যেতো দেখতে।আমাদের লোকাল ছবির পাশাপাশি।তাহলে আজ কেন শুধু মাত্র হিন্দী ছবি আনবো আমরা যদি আনতেই হয় নিদৃিষ্ট নীতিমালায় অন্য ছবি ও আসুক।

তবে চাই আমরা আমাদের পরিচালকদের বোধদয় হোক।হিন্দী ছবিকে ধিক্কার।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:১৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার দুটো লাইন কোট করছি।

"তাহলে আজ কেন শুধু মাত্র হিন্দী ছবি আনবো আমরা যদি আনতেই হয় নিদৃিষ্ট নীতিমালায় অন্য ছবি ও আসুক।

তবে চাই আমরা আমাদের পরিচালকদের বোধদয় হোক।হিন্দী ছবিকে ধিক্কার।"

অনেক সুন্দর বলেছেন।

১৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:২৬

আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি আমি সাপোর্ট করি না।
সাথে সাথে ্ওদের স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো আমাদের দেশে বন্ধ করার পক্ষে তবে যদি আমাদের চ্যানেল গুলো ওখানে ডুকতে দেওয়া হয় তাহলে ওদের চ্যানেল-এ আপত্তি নেই।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সমস্যা হলো- আমাদের চ্যানেলগুলাকে কখোনই তারা অফিশিয়ালি ঢুক্তে দিবেনা।

ধন্যবাদ রোমাস ভাই।

১৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:০৭

স্বাধীকার বলেছেন: সিনেমা সম্পর্কে তেমন বলার যোগ্যতা নেই। কেবল অভিজ্ঞতা আর ধারণা থেকে কয়েকটি কথা বলতে চাই।-------------------------------

একটি দেশের সিনেমা কেবল বিনোদনের ব্যবস্থাই করেনা। প্রতিটি সিনেমা তৈরী মধ্যে চলে আসে সেই দেশের শিল্প, সাহিত্য, গান, জীবনাচরণ, জীবনবোধ, রুচি, খাদ্যাভাস, চিন্তা-চেতনা, পরিবেশ, প্রতিবেশ, পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়বোধ, ধর্ম ও দর্শন। তাই একটি সিনেমা আমদানীর অর্থই হলো বাংলাদেশের সকল ক্ষেত্রেই ঐসব বোধগুলোতে প্রভাব ফেলানোর ব্যবস্থা করা। সেটা পজিটিভ হবে, না নেগেটিভ হবে-তা জানিনা। কিন্তু সেটা গ্রহণ করতে গিয়ে আমাদের সমাজে যে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরী হবে-তার জন্য আমাদের সামাজিক মানসিকতা এখনো তৈরী হয়নি-এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

যারা আমদানীর মাধ্যমে প্রতিযোগিতা তৈরী করে দেশীয় শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজকদের চাপের মধ্যে রেখে যোগ্যতা বৃদ্ধির কথা বলেন, তাদের সাথে আমি সবিনয়ে দ্বিমত করছি। প্রতিযোগিতা ভালো কিন্তু সব ধরণের প্রতিযোগিতা সব সময় গ্রহনযোগ্য নয়। দেশে অনেক গুলো স্যাটেলাইট চ্যানেল, হাতে হাতে মোবাইল ফোন এবং ঘরে ঘরে, দোকানে দোকানে, হোটেলে-সেলুনে ভাড়া ডিশলাইনের কল্যা এমনিতেই আমাদের মিডিয়া নির্মাতারা, সিনেমা নির্মাতারা প্রতিযোগিতার মধ্যেই আছেন। নতুন করে প্রতিযোগিতা সৃষ্টির পেছনে সৎ যুক্তি থাকলেও আখেরে আমাদের কোনো লাভ হবেনা, বরং টিমটিম করে জ্বলতে থাকা আমাদের প্রদীপটি হিন্দিঝড়ে নিভে যাবে। তারপর একদিন বিদেশী নাট্যকারও আমাদের আমদানী করতে হবে-কারণ তখন নাট্যকারও তৈরী পথ থাকবেনা। এখানে প্রতিভার অভাব আছে একথা কেউ বলেননি। তাহলে দরকার প্রতিভা লালন করা, সহযোগিতা করা-এটা রাষ্ট্র করলেই ভালো। আর সিনেমহল মালিকদের দাবীর কথা চিন্তা করলে, তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার কথা চিন্তা করলে দরদী হয়ে পর্নোচালানোর অনুমতি দিলেই তারা খুশি। কারণ তারা এটাই বিগত বছর গুলোতে করে এসেছে। সকল দেশের মান সম্মত সিনেমার কথা না বলে কেবল হিন্দি আনার জন্য মায়াকান্নাতে নিখাদ সৎউদ্দেশ্য হিসাবে দেখার সুযোগ নেই।
সংস্কৃতির বিকাশ ও আদান প্রদানে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু একটি দেশের সংস্কৃতি যখন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আরেকটি দেশে প্রবেশ করে-তখন বহু বিষয় ভাবনার মধ্যে থাকা দরকার। দেশের নতুনদের সুযোগ করে দিন, মিডিয়ার উপর লেখা পড়া জানা বহু সন্তান আমাদের আছে, যারা আন্তর্জাতিক মানের ছবি তৈরীর ক্ষমতা রাখে। এখন বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের ভাবতে হবে, নতুনদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিবে নাকি হিন্দি নায়িকাদের ঝড়ে নতুনদের দিশেহারা করবে? রাষ্ট্রকে সব সময় ‘‘শিশু শিল্প’’ যুক্তিটি মাথায় রাখা দরকার-স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদার স্বার্থেই। দেশের প্রতিভা ধ্বংস হচ্ছে আজিজ মার্কেটের কর্মহীন গাজার আড্ডায়, আর বিদেশপ্রেমী ‍সুবিধাবাদীরা নিজ সন্তানকে নিরাপদে রেখে রাত কাটাতে চায় হিন্দি নায়িকার স্বপ্নবাস্তবতায়!! আমদানী প্রীতি বেশী হলে আধুনিক সরঞ্জাম, প্রযুক্তি, লেখাপড়া, সিনেমামেকিং প্রতিষ্ঠান করুক রাষ্ট্রীয় খরচে-তাহলে দেশের প্রতিভাও কাজে লাগে, বেকারত্বও কমে, বিনোদনের উচ্চমাত্রাও নিশ্চিত হয়, সামাজিক দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত হয়।

কোনো বিবেচনাতেই আমাদের বর্তমান অবকাঠামো ও সামাজিক বাস্তবতায় হিন্দি সিনেমা আমদানীর বিপক্ষে আমার অবস্থান। ইতিমধ্যেই দেশের ব্যাপক শিশু কিশোর বান্দি ভাষায়(বাংলা+হিন্দি) কথা বলা শুরু করেছে-যারা জনক জননীর বানানও ভুল করে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন। সব গুরুত্বপুর্ন সমস্যাগুলা চিহ্নিত করেছেন এবং ভালো কিছু উপায় বেরিয়ে এসেছে।

"আমদানী প্রীতি বেশী হলে আধুনিক সরঞ্জাম, প্রযুক্তি, লেখাপড়া, সিনেমামেকিং প্রতিষ্ঠান করুক রাষ্ট্রীয় খরচে-তাহলে দেশের প্রতিভাও কাজে লাগে, বেকারত্বও কমে, বিনোদনের উচ্চমাত্রাও নিশ্চিত হয়, সামাজিক দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত হয়।"

এই কথাটুকু খুবি গুরুত্বপুর্ন। আমরা যারা মিডিয়া স্টাডিস এন্ড মাস কমিউনিকেশনে পড়েছি- তারা জানি, বাংলাদেশের নতুন জেনারেশনের মাঝে প্রতিভার অভাব নেই। অভাব আছে উপযুক্ত পৃষ্টপোষকতার।

সিনেমায় একটা জাতির রিফ্লেকশন যেভাবে ঘটে, ঠিক সেভাবে বিদেশী সিনেমা দিয়ে জাতিগত ম্যানিপুলেশন ও ঘটানো যায়। কাজেই বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসন ঠেকিয়ে নিজেদের শিল্পকে কিভাবে উন্নতির শিখরে পৌছে দেয়া যায়, সেটাই আলোচনার অপেক্ষা রাখে।

অনেক ধন্যবাদ স্বাধীকার দা। আপনার মন্তব্যটি পোস্টের শোভা বর্ধিত করলো।

১৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩৯

কল্পবিলাসী স্বপ্ন বলেছেন: না না না

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্ন ভাই।

১৮| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৫৭

ডেভিড বলেছেন: বাংলাদেশের সিনেমা হলে ভারতীয় সিনেমা প্রদর্শনের কোন প্রযোজনীয়তা আমি দেখিনা। কারণ এমনিতেই ভারতে কোন সিনেমা (হিন্দি বা বাংলা উভয়ই) মুক্তি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই পল্টন বা বায়তুল মোকাররমের ফুটপাতে চলে আসে এবং যারা বাসায় নিয়মিত হিন্দি বা কোলকাতার বাংলা সিনেমা দেখেন তারা খুব সহজেই তা দেখতে পারেন। ইদানীং যে কোন ভারতীয় নতুন ছবির ডাউন লিংকও সহজলভ্য। এসব দর্শকরা মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত এবং তারা কখনোই হলে গিয়ে সিনেমা দেখবেননা। এর পেছনে কারণ হলো নিরাপত্তা। আমি কম হলেও ২ মাসে একবার হলে গিয়ে সিনেমা দেখতাম কিন্তু ময়মনসিংহে সিনেমা হলে জেএমবিদের বোমা হামলার পর আর কোনদিন হলে যেয়ে সিনেমা দেখা হয়নি। যদিও ঢাকার মধুমিতা, বলাকা, বিনাকা এবং স্টারসিনেপ্লেক্সে নিরাপত্তা ও আধুনিক সুবিধার কারনে মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তেরা হলে গিয়ে ঐসব সিনেমা দেখতে পারেন কিন্তু সেগুলোর ধারণ ক্ষমতাতো খুবই নগন্য। কাজেই সারা বাংলাদেশে সিনেমা হলের পরিবেশ আর নিরাপত্তার উন্নতি না করলে মধ্যবিত্তেরা খুব একটা হলমুখো হবেনা। মূলত মূলধারার চলচ্চিত্রকে এখনও টিকিয়ে রেখেছে নিম্নবিত্ত দর্শকরাই। আর হিন্দি ছবি বা কোলকাতার ছবির কোয়ালিটি আমাদের এফডিসিতে তৈরিকৃত ছবির কোয়ালিটির চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। এনিয়ে যদিও অনেক বিতর্ক আছে তবে আমার মূল বক্তব্য হলো এদেশে ভারতীয় ছবির আমদানী মানে বাংলাদেশী ছবির মৃতু্ঘন্টা বেজে যাওয়া...............

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য দিয়েছেন।

আপনার মন্তব্যে হলগুলার সিকিউরিটি নিশ্চিত করার ব্যাপারটি উঠে এসেছে, পাইরেসির মাধ্যমে ভারতীয় ছবি এম্নিতেই আমাদের দেশে প্রবেশ করছে, এই ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে।

অনেক ধন্যবাদ ডেভিড ভাই।

১৯| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪১

ডেজা-ভু বলেছেন: আমার মনে হয়, সিনেমাহল গুলা টিকিয়ে রাখা ছাড়া এই মুভি আমদানির পিছনে আর কোনো বড় উদ্দেশ্য নাই। বাকি, পজিটিভ অথবা নেগেটিভ এফেক্ট যাই হোক সেইটা হইবো বোনাস।

সবচেয়ে বড় কথা হইলো, আমাদের দেশের ভালো সিনেমার যে হাহাকার চলতেছে, এইটা কাটলেই আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: "সবচেয়ে বড় কথা হইলো, আমাদের দেশের ভালো সিনেমার যে হাহাকার চলতেছে, এইটা কাটলেই আর কোনো সমস্যা থাকবে না"

এই জন্যি তো আলোচনা। কিভাবে ভালো ছবি তৈরির মাধ্যমে সিনেমা শিল্পকে এগিয়ে নেয়া যায়।

ধন্যবাদ ডেজা-ভু।

২০| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৪

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি চাই না। সিরিয়াল গুলো কি কম করছে যে এখন মুভিও আনতে হবে!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ সুপ্তি আপু।

২১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৯

রাইসুল জুহালা বলেছেন: এই বিষয়ে আমি চরম বিভ্রান্ত। একদিন মনে হয়, সিনেমা হলগুলি বাঁচিয়ে রাখার জন্য ভারতীয় ছবি আমদানী খুব জরুরী। পরদিনই মনে হয়, চলচ্চিত্রশিল্প বাঁচিয়ে রাখার জন্য ভারতীয় ছবি বর্জন খুব জরুরী।

অথচ সিনেমা হলগুলিও আসলে চলচ্চিত্রশিল্পেরই অংশ হবার কথা ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতির কারনে তারা দুটো আলাদা ইন্ডাস্ট্রি না শুধু, পরষ্পরের শত্রুপক্ষে পরিনত হয়েছে!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: সিনেমা হলগুলিকে বাচিয়ে রাখার জন্য ভারতীয় সিনেমা আমদানি করতে হবে কেন ? তাহলে তো আমদের ভবিষ্যতের দরজাও বন্ধ হয়ে যাবে। নিজেদের সবকিছু দিয়ে কি কি ভালো জিনিস বের করে আনা যায়, সেটা ভাবতে হবে।

"অথচ সিনেমা হলগুলিও আসলে চলচ্চিত্রশিল্পেরই অংশ হবার কথা ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতির কারনে তারা দুটো আলাদা ইন্ডাস্ট্রি না শুধু, পরষ্পরের শত্রুপক্ষে পরিনত হয়েছে"

এটা অনেক সুন্দর বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ মতামতের জন্য।

২২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৪৪

দস্যু রত্নাকর বলেছেন: আমদানীর বিপক্ষে আমি তবে দুইচারটা রপ্তানি করতে পারলে ভাল হয়

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রত্নাকর ভাই।

২৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৪

গানচিল বলেছেন: দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে ধ্বংশ করার জন্য এর চেয়ে ভাল পন্হা আর কি হতে পারে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ গানচিল ভাই।

২৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৪৩

শিপু ভাই বলেছেন: ভারত না- পশ্চিম বংগ সরকারের সাথে চুক্তি করা যেতে পারে যে বছরে আমরা ৫ টা ফিল্ম আনবো আর ৫ টা পাঠাবো। যৌথ প্রযোজনার ছবি হলে বেশি ভাল হত।এতে
বাজার বড় হবে।
ফিল্মে বিনিয়োগ বাড়বে।
কোয়ালিটির দিক দিয়ে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হবে।
বাংলা ভাষার প্রসার হবে।
রুচীশীল ছবি তৈরিতে নির্মাতারা আগ্রহী হবে।
হল মালিকরা তাদের হলের পরিবেশ ঠিক করতে সচেষ্ট হবে।

তবে তার আগে যেই কাজগুলো করতে হবে-
ভারতে বাংলাদেশী চ্যানেল দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ডিজিটাল ফিল্মকে নীতিমালায় আনতে হবে।
প্রতি জেলায় অন্তত একটি করে ডিজিটাল হল নির্মান করতে হবে।
এফ ডি সি কে দূর্নীতি মুক্ত করতে হবে।
সরকারি অনুদান বাড়াতে হবে।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: চমৎকার কতগুলো দিক তুলে ধরেছেন শিপু ভাই।

যৌথ পরিচালনার ছবি আমিও সাপোর্ট করি।

সেই সাথে আপনার অন্যান্য প্রস্তাবগুলাও অনেক গুরুত্বপুর্ন। এভাবে প্লান করা গেলে আসলেই অনেক ভালো হতো।

ধন্যবাদ শিপু ভাই। দেখা হবে ব্লগ দিবসে।

২৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২৭

টানজিমা বলেছেন: আমি ভারতের মুভির চরম ভক্ত। তয় টেকা পয়সা দিয়া তাগোর কিং খান দেখার চেয়ে আমাগো হিজলা খান দেখা অনেক ভাল। আফ্টার অল দেশের টাকা দেশেই থাকল।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনি এই নিয়ে ছোট একটা প্রতিবাদী ছড়া লিখে দেন না ভাইয়া ।পোস্টে আপডেট করে দেই।সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করাটা গুরুত্বপুর্ন।

২৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৬

জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
এখানে যারা মন্তব্য করছেন , তাঁদের মাঝে কতজন বাংলাদেশের সিনেমা দেখেন , এইটার একটা জরীপ করা দরকার আগে । অথবা যারা বাংলাদেশের সিনেমা দেখেন , শুধু তারাই মন্তব্য করবেন এমন লেখা যেতে পারে পোষ্টে ।

মিষ্টি না খেয়ে মিষ্টির গুনাগুন বলা উচিৎ নয়। তাহলে তা কেতাবি হয়ে যাবে।
ঢাকা শহরে সিনেমা হল একসময় নাও থাকতে পারে। হলের জায়গায় বহুতল মার্কেট করলে জমির মালিকের লাভ হবে বেশী ।

ভালো ছবি আমদানির পক্ষে আমি। স্থানিয় নির্মাতারা বাধ্য হবে ভালো ছবি বানাতে , চাপে পড়ে ।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ্বাংলা সিনেমা যাতে সবাই দেখে সেই ব্যাবস্থা করতে হবে।

ভালো ছবি যদি আমদানি করতে হয়, তাহলে নির্দিশট সংখ্যার সকল দেশের ছবি নয় কেন ? শুধুই ভারতীয় ছবি কেন ?

আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তথা কালচারে ভারতীয় সিনেমা অনেক নেগেটিভ ভুমিকা রাখতে পারে। তাই আমদানী সাপোর্ট করছি না।অন্তত এখন নয়। দেশের সিনেমার মান ভালো হলে প্রতিযোগিতা সৃষ্টির লক্ষে আদান প্রদান করা যেতে পারে।

মতামতের জন্য ধন্যবাদ জিসান ভাই।

২৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৪০

দুরন্ত জেসি বলেছেন: আপাতত পছন্দের তালিকায়। পরে পড়ব। :)

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যবাদ জেসি।

বাংলাদেশে ভারতীয় সিনেমা আমদানি সাপোর্ট করেন কি ?

২৮| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৪৯

কাউসার রুশো বলেছেন: বিদেশী চলচ্চিত্র দেশে আসুক (ইংরেজি বা হিন্দি) এতে কোন আপত্তি নাই বরং নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এগুলো কাজে দিবে। কিন্তু এটা কখন করা সম্ভব?? যখন নিজের ঘর গোছানো আছে। যখন নিজের ইন্ডাস্ট্রি কমপিট করার মত যথেস্ট স্ট্রং।
আমাদের বর্তমান চলচ্চিত্র শিল্পের ভঙ্গুর অবস্থার কথা চিন্তা করলে রিস্ক নেয়া যায়না। সিনেমা হলগুলো হয়ত এ পন্থায় বেঁচে যেতে পারে। কিন্তু দেশে ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রবণতা আরো কমবে বলে মনে করি। কারণ প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা আমাদের মাঝে গড়ে উঠেনি এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র আসলেও সেটা গড়ে উঠবে বলে মনে হয়না। এর পেছনেও কারণ আছে। উল্লেখযোগ্য সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা নেই। আমার মনে হয় বেশিরভাগ চলচ্চিত্রকর্মীদের মাঝেও ভালো কিছু করার প্রবণতা নেই।
কিন্তু এরপরও কিন্তু বছরে ৪-৫টা ভালো কাজ হচ্ছে। যদি ভারতীয় সিনেমা প্রবেশ করে আমার মনে হয় এ সংখ্যাটাও কমতে কমতে শূণ্যতে ঠেকবে।

তাছাড়া ভারতীয় সংস্কৃতির যে আগ্রাসন আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে সেটাকে আরো বেগবান করার মানে হয়না। তাই এ মুহূর্তে বন্ধ হোক। নতুবা দেশের চলচ্চিত্র শিল্পে বিপর্য়য়ের মুখে পড়তে পারে। একবার মার্কেট পেয়ে গেলে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবেনা বলেই মনে হয়।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: রুশো ভাই , আপনি সময়ের ব্যাপারটি অর্থাৎ কোন সময় বাইরের ছবি আদান প্রদান করা যায়, তা বলেছেন।

আপনার বক্তব্যর সাথে আমি একমত। আগে নিজেদের দাড়াতে হবে। তারপর অন্যদের সাথে মই দিয়ে উঠার প্রতিযোগিতা।

ধন্যবাদ।

২৯| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

কাউসার রুশো বলেছেন: ভালো ছবি নির্মিত হলে দর্শক অবশ্যই প্রেক্ষাগৃহে আসবে।
সিনেপ্লেক্স আর বলাকায় যখন মনের মানুষ, আমার বন্ধূ রাশেদর গেরিলার মত ছবি প্রদর্শিত হলো তখন আমি অনেক ঘুরেও প্রথম কদিন টিকেট পাইনি। সব সময়ই ছিলো হাউজফুল
ভালো ছবি নির্মিত হলেই চলচ্চিত্র শিল্প চাঙ্গা হয়ে উঠবে। তাই এসব বাদ দিয়ে ভালো ছবি নির্মাণ কীভাবে বাড়ানো যায় সেদিকে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবার মনোযোগ দেয়া উচিত। আর পরিবেশকরাও তখন হলের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হবেন।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আমি অনেক আশাবাদী রুশো ভাই। আজকে আমাদের জেনারেশন যদি কিছুটা এগিয়ে দিতে পারে চলচ্চিত্র শিল্পকে, তাহলে ২০ বছর পরে হলেও সফলতা আসবে। কিন্ত এই সময়টাতে উন্নতি বাধাগ্রস্থ হলে ৫,৭ বছরের মাথায় বাংলা চলচ্চিত্র একেবারে ধংস হয়ে যাবে।

৩০| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২০

কাউসার রুশো বলেছেন: আমিও আশাবাদী ।
দেশীয় চলচ্চিত্রে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসছে। ৮-১০ বছরের মাঝেই উন্নতির গ্রাফটা উপরের দিকে দেখতে পাবো বলেই আশা করছি।
তাই এই সময়টাতে উন্নতি বাধাগ্রস্থ হতে দেয়া যাবেনা।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৪৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: একটু ভিন্ন দিকে আলোকপাত করি।

বর্তমানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি এবং অনেকগুলা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া এন্ড মাস কমিউনিকেশনের উপর গ্রাজুয়েশন দিচ্ছে। ঢাকা ইউনিতে মুলত কাভার করা হয় নিউজ মিডিয়া বা জার্নালিজম সাইড টি। এআইইউবি তে মেজর আছে এডভার্টাইজিং, জার্নালিজম এবং ডেভলপমেন্ট কমিউনিকেশনে। ইউল্যাব, আইইউবি তে আছে জার্নালিজম এবং ম্যাস কম। স্টামফোর্ড এ আছে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া।

তাছাড়া আমাদের ইউনিতে শুধুমাত্র ক্যাম, স্টুডিও আর এডিটিং প্যানেল ( সকল প্রোডাকশন সাপোর্ট সহ) সাজাতে খরচ হয়েছে কোটি টাকার উপর। "অর্থনীতির চাকা" নামে একটি অনুষ্টান বৈশাখি টিভিতে যাচ্ছে শুধুমাত্র আমাদের স্টুডিও সাপোর্ট দিয়ে এবং আমাদের স্টুডেন্ট দের ক্রু থেকে।

ডেফোডিল ইউনির রাঙ্কিং খুব একটা ভালো না হলেও তারা কিন্ত আটঘাট বেধে নামছে। দেশের নামকরা সব মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব ও আধুনিক সরঞ্জামাদি দিয়ে সাজাচ্ছে তাদের নতুন ডিপার্ট্মেন্ট (মিডিয়া)।

প্রতি মাসে ইউল্যাব থেকে প্রায় ১৫ টির উপর ভিডিও প্রডাকশনের কাজ হয়।

সামনে প্রতিষ্টিত হচ্ছে ইন্ডিয়া বাংলাদেশের যৌথ উদ্দোগে "জহুরুল হক ফিল্ম ইন্সটিটিউট।" যা চলচিত্র শিক্ষায় একটা নতুন মাত্রা এনে দিবে।

আগে থেকেই আছে ঢাকা ফিল্ম ইন্সটিটিউট সহ আরো অনেক ভালো ভালো প্রতিষ্টান।

তাহলে আমি আশাবাদী হবো না কেন ?

এই জেনারেশনের অনেকেই হয়তো বাংলা ছবি খুব একটা দেখেনা। তবে বিদেশী ছবি থেকে অনুপ্রানিত হয়েও কিন্ত তারা অনেক ভালো ভালো শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টারি, কমার্শিয়াল এড বানাচ্ছে।এর কিছু আন্ত্ররযাতিক অংনেও অনেক নাম করেছে। এমনকি পুর্ন দৈর্ঘ ফিল্ম বানাবো নিয়েও এদের আগ্রহ দেখার মত।

আমিও এদের মাঝে একজন। কর্পোরেট জগতে ঢুকে গেলেও স্বপ্ন এখনো আছে বুকের মাঝে।

এরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যত। এই মুহুর্তে ইন্ডিয়ান ছবি আমদানি করে দেশিয় মার্কেট তথা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তথা এই জেনারেশনের ভবিষ্যত ধংস করে দেয়ার কোন মানে দেখিনা।

আবেগতাড়িত হয়ে গেলাম রুশো ভাই।

৩১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৮

আরিফ আরাফাত রুশো বলেছেন: ভারতীয় ও বাংলা কিন্তু ২ টা আলাদা শব্দ। আমার মনে হয় ভারতীয় মুভি আনা দরকার তবে সেটা শুধু বাংলা আর কিছু ভাল রিজিওনাল ছবি যেমন তামিল তেলুগু ইত্যাদি। কারন আমাদের দেশে কম্পেটিশন ও দরকার আবার কম্পেটিশন তাদের মধ্যেই হয় যারা সমকক্ষ বা সমকক্ষ অবার সম্ভাবনা রাখে। তাই হিন্দি বাদ কারন রেজিওনাল ভারতিয় ফিল্ম ই পারে বাংলাদেশী পরিচালক দের লেজে আগুন দিতে।আর যদি এই আমদানি র ফলে ২/৪ বছর চবি বানান বন্ধ ও থাকে তাও ভাল কারণ ১০০ মুভি বানাতে ১ বচর লাগে কিন্তু ১০০ সিনেমা হল একবার বন্ধ হয়ে গেলে তা বানাতে লাগে অনেক বছর।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৬

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ রুশো ভাই।

নিচে দারাশিকো ভাইয়ের মন্তব্য দেখতে পারেন।

৩২| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৯

ঘুমন্ত আমি বলেছেন: খুবই ভালো লিখেছেন

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ধন্যাবাদ ঘুমন্ত ভাই। ঘুমে থেকে এবার জেগে উঠার সময় হয়েছে।

৩৩| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৩

দারাশিকো বলেছেন: তন্ময় একটা ভালো কাজ করেছে কিন্তু বোধহয় কাজের কাজ করে নাই। কেন করে নাই সে প্রসংগে শেষে বলবো। তার আগে পুরান মদ নতুন বোতলে পরিবেশন।

পুরো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির কথা যদি চিন্তা করেন তাহলে মোটামুটিভাবে চারটি ভাগে ভাগ করা যাবে।
১। কারখানা (এফডিসি)
২। প্রোডাক্ট (সিনেমা)
৩। বিক্রেতা (সিনেমাহল)
৪। কাস্টমার (দর্শক)

সিনেমার জায়গায় অন্য যে কোন একটা প্রোডাক্টের কথা চিন্তা করুন, এবং তারপর বলুন কোন উপাদানটা না থাকলে বাকী উপাদানগুলো থাকার প্রয়োজন থাকে না। উত্তর হবে ১ নম্বর। কিভাবে? কারখানা থেকে প্রোডাক্ট বের হলেই না কাস্টমারের কাছে তার বিক্রির ব্যবস্থা করবেন বিক্রেতা - কিন্তু যদি কারখানা না থাকে তো? প্রোডাক্ট তৈরী হবে না, বিক্রেতা বিক্রি করবেন না, এবং কাস্টমারও তার চাহিদা পূরন করতে পারবে না। এই তো?

আমার ব্লগজগতের বিজ্ঞ বন্ধুরা যারা ভারতীয় সিনেমা আমদানীর প্রসংগে হ্যা-বোধক জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন এবং বলছেন ভারতীয় সিনেমা আমদানী হলে দেশের সিনেমার মান উন্নয়ন হবে, দর্শকের রুচির উন্নয়ন হবে, বিক্রেতারা সিনেমা বিক্রি করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন - তারা আর যাই হোক, (এই বক্তব্যের জন্য মাফ চাই) পুরো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে একত্রে চিন্তা করতে পারছেন না; যারা পারছেন তারা বিপক্ষে অবস্থান করছেন। হয়তো আরও অনেকেই এভাবে একত্রে চিন্তা করতে পারছে না, তারা ইন্ডাস্ট্রির বাইরে হয়তো অন্য কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করছে (যেমন সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, সাংস্কৃতিক দেউলিয়াত্ব ইত্যাদি), তাদেরকে ধন্যবাদ এই ভিন্ন দিক থেকে যৌক্তিক চিন্তাভাবনা করার জন্য।

বাংলাদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের সরকার অনেক সহযোগিতা দিয়ে এসেছে এবং এই সহযোগিতা পেয়ে পেয়ে সিনেমা নির্মাতাদের চরিত্র খারাপ হয়ে গিয়েছে, ফলে তারা এফডিসি থেকে বমি নির্মান করেন, সেই বমি দর্শক খায়, খায়া বমি করে, কিন্তু পরিচালক পরেরবারও সেই বমিই নির্মান করে, এবং দর্শক আবারও সেই বমি-ই খায়। এই ধারণাটা ভুল। বর্তমান সময়ের দশটা ভালো সিনেমার নাম বলেন তো? সবকটা সিনেমারই প্রোডাকশন থেকে শুরু করে পোস্ট প্রোডাকশন পর্যন্ত কাজে ভারতের ল্যাবগুলোর, সিঙ্গাপুরের ল্যাবগুলোর। এই প্রযুক্তিগত উন্নয়নটা সরকারের করার কথা, করে নি - তাহলে বানিজ্যিক সিনেমাগুলোর উন্নয়ন হবে কিভাবে? পাল্টা প্রশ্ন করলে জবাব দেয়ার চেষ্টা করবো।

আপনারা হয়তো এখনই প্রশ্ন তুলবেন - কেন মনপুরা কি অল্প বাজেটে ভালো সিনেমা হয় নি? সত্যাজিত রায় কি পথের পাচালি বানান নি? গুড কোশ্চেন। কিন্তু সিনেমায় genre বলে তো একটা টার্ম আছে তাই না? সব্বাই কি এই ড্রামা-রোমান্স সিনেমাই বানাবে? হলিউডের অ্যাভাটারের সাথে কি আপনি বিফোর সানরাইজ সিনেমার তুলনা করেন? কেন করবেন?

অলটারনেটিভ ধারার সিনেমাগুলো ভালো, মধ্যবিত্ত শ্রেনীর লোকজন পছন্দ করে, তার ব্যবসা সফলতা অনেকটা খোদার উপর নির্ভর করে। যেই কটা অলটারনেটিভ সিনেমা নির্মিত হয়, সেগুলোকে উদাহরন হিসেবে দেখিয়ে সিনেমার কারখানা টিকিয়ে রাখা সম্ভব না, অবাস্তব চিন্তা। টিকিয়ে রাখতে হলে সেই কমার্শিয়াল সিনেমার দিকেই যেতে হবে। আলতু হোক ফালতু হোক - তারাই সিনেমা নির্মানের হাতিয়ারগুলো সবসময় ব্যবহার করে জঙ পড়া থেকে বাচিয়ে রাখসে, অলটারনেটিভ ফিল্মমেকার রা নন। এ বছরে সব মিলিয়ে ৪৫ টা সিনেমা মুক্তি পাবার কথা। আগামীবছর নাকি এই সঙখ্যা কমে দাড়াবে ৩০ এ। এখন আপনারাই বলেন, ৩০ টা সিনেমা বানানোর জন্য সরকার কি কোটি কোটি টাকা খরচ করে তারপর এফডিসি'র উন্নয়ন ঘটাবে? তারচে এফডিসি বন্ধ হয়ে যা্ওয়াই কি তার জন্য ভালো হবে না? এফডিসি বন্ধ হয়ে গেলে - যে তরুন ছেলেগুলো নতুন গল্প, নতুন গল্প বলার ঢঙ আর কিছুটা করে সাহস সঞ্চয় করছে তারা সিনেমা বানানোর টেকনলজিটা কোথা থেকে আনবে? ভারত থেকে? তবে তো সোনায় সোহাগা।


এইবার বলি তন্ময় কেন কাজের কাজ করে নাই - এই সরকারের গায়ের চামড়া অনেক মোটা। এই চামড়া মোটা করার কাজটা আমরা করছি গত নির্বাচনে, তাদেরকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন দিছি। এখন সরকার আমাদের পাত্তা দেয় না। আমাদের চোখ রাঙ্গানী উপেক্ষা করে ট্রানজিট দেয়, টিপাইমুখ বাধরে ভালো বলে আমাদের বুঝ দেয়, নেত্রীর নির্দেশে সিনেমা আমদানী একবছর বন্ধ থাকে - কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিকই বাজারে আসার পথ খুজে পায়। আন্দোলন তো চলতেসে বহুদিন ধরে - এফডিসি বন্ধ করে দেয়া হবে, যে সকল সিনেমাহল ভারতীয় সিনেমা দেখাবে তাদেরকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশী সিনেমা দেখাতে দেয়া হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি বহুত হুমকী ধামকী দেয়া হয়েছে, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য কি পেয়েছেন? সুতরাং, আপনার এবং আমার বোঝার সময় হয়েছে এই সিনেমা আমদানীর বিরোধিতা করে আমরা আমাদের সময়ই অপচয় করছি শুধু। আমদানীর বিরোধিতা করে লাভ নেই, ভারতকে ক্ষেপিয়ে সরকার কিছু করতে পারবে না। বরং অন্য দিক থেকে আগানো যেতে পারে। সরকারকে যদি বাধ্য করা যায়, সিনেমা আমদানীর অনুমতি দিতে পারে, তবে সিনেমার উন্নয়নে নির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলো্ও নেবে। তবে যদি কিছুটা উন্নতি হয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির - অন্যথায় শুধু উন্নত গল্পগুলো মনের পর্দায়ই দেখতে হবে, সিনেমার পর্দায় নয়।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার বক্তব্যে পুর্ন সহমত জানালাম।

আসলেই ছবি আমদানির বিরোধিতা করে কোন লাভ হচ্ছেনা। বরং আমাদের পালটা কিছু দাবি দাওয়া প্রকাশ করা দরকার। সরকারের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করে নিতে পারলে আখেরে তাই লাভ হবে।

অনেক ধন্যবাদ চমৎকার এই মন্তব্যের জন্য। আর লাভ না হলেও বিরোধিতা করছি নিজের কাছে ক্লিয়ার থাকার জন্য।

৩৪| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৫

মিরাজ is বলেছেন: সালমান শাহ যখন লিভাইসের জিন্স পরে আর মাথায় স্কার্ফ বেধে ছবি করে জানেন তখন শাহরুখ , সালমান রা পড়ে ছিলো সেই পুরাতন গেট আপে।


সমর্থন কোনোভাবেই করিনা। এখনো মানসম্মত ছবি তৈরী হচ্ছে দর্শকো হলে যাচ্ছে কিংবা টিভীতে দেখছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আমি মনে করি ইন্ডিয়ার তুলনায় অনেক অনেক গুন ভালো। জহির রায়হান বা ঐ সমসাময়িক সিনেমার কাহিনি, গান মেকিং এর দিকে তাকালে বুঝা যায় আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গন কতটা সমৃদ্ধশালি ছিলো। এখনো আছে। দরকার একটু সুযোগের। দুর্ণিতিবাজ ব্যবসায়ী মন্ত্রীরা যারা দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতি হলে বলেন কম খান তাদের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করা ভুল। উনারা আছেন উনাদের পায়া ভারি করতে। আমরা যদি ইন্ডিয়ান ছবি এনে চালায় তাহলে স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনিয়তা কেনো। আমাদের দেশের টাকা এম্নিতেই চলে যায় কয়েক হাজার কোটি তাদের দেশে টিভি সম্প্রচারের মাধ্যমে। কই, আমাদের ছাগল রাজনীতিবিদরা তো এখনো আমাদের টিভি সম্প্রচারের অনুমতি আনতে পারলেন না। উনারা যদি মুক্তবাজারের পক্ষপাতি হন তাহলে আগে প্রমান দিতে হবে। আমাদের দেশের শিল্প সাহিত্য ওদের দেশে মুক্ত করতে হবে তাহলে আমরাও করবো। তখন একটা প্রতিযোগীতা হবে। একতরফা ভাবে কখনোই সমর্থন দেওয়ার কারন নেই।

নিজের মেয়েকে টাকা দিয়ে ছবি বানিয়ে নিষিদ্ধ খায়লে ফিউল্ম ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি হবে না। উন্নতি হবে যদি সরকারের টাকা সত্যিকার অর্থেই যোগ্য ব্যক্তির হাতে পড়ে।

আলোচনা সুন্দর করেছেন। আপনার কমেন্টসে প্লাস।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৯

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ মিরাজ ভাই।

৩৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৫

ডেজা-ভু বলেছেন: এই জন্যি তো আলোচনা। কিভাবে ভালো ছবি তৈরির মাধ্যমে সিনেমা শিল্পকে এগিয়ে নেয়া যায়।
=======================

এইক্ষেত্রে ভারতীয় সিনেমা আমদানি করা কোনোভাবেই সমর্থন করি না।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ফিরে এসে আলোচনায় যোগ দেবার জন্য ধন্যবাদ।

৩৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৮

মিরাজ is বলেছেন: @দারাশিকো ভাই, শালার কোনো মোটা চামড়ার সরকারই বুঝলোনা অতিরিক্ত কখনোই ভালো না। এদেশের মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে খুব ভয়ঙ্কর হয়ে যায়।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অপেক্ষায় আছি একটা বড় রেভুলিউশনের।

৩৭| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৪

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

শুধু ভারতীয় কেন এটা বুঝতে পারছি না ।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: কারন ভারত আমাদের মিডিয়া মার্কেটও দখল করতে চায় এবং বর্তমান সরকার ভারতের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়।

৩৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:১৫

আরজু পনি বলেছেন: তন্ময়ের নারীদেরকে নিয়ে একটা পোস্ট পড়ে আমার মুগ্ধতা বেড়ে গেছে...তাই দেখতে এসেছিলাম...

আমিও আসছি সিনেমাখোরদের আড্ডায়... :)
সামহোয়্যারইন এর সিনেমাখোরদের আড্ডা -তে গেলাম, দেখি যদি সিনেমা নিয়ে কিছু জানতে পারি...

পোস্টটা থেকে জানতে পারলাম অনেক কিছু...
ধন্যবাদ আবার :)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকে অনেকদিন পরে দেখলাম আপু। কেমন আছেন ?

দেখা হবে সিনেমাড্ডায়।

অনেক ধন্যবাদ পোস্ট টি পড়ার জন্য।

৩৯| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১১

নাআমি বলেছেন: অনেক নতুন তথ্য জানলাম, ধন্যবাদ।


বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।


শুভকামনা জানবেন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনাকেও বিজয় দিবসের অফুরন্ত শুভেচ্ছা।

অনেক ধন্যবাদ পোস্ট টি পড়ার জন্য।

৪০| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩১

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: সবার কথা শুনলাম । অত কিছু বলত পারব না । শুধু দুটো কথা ।

আসল সমস্যায় হাত না দিয়ে আমরা নকল সমস্যা নিয়ে লাফাচ্ছি ।

আমার মতে ভারতীয় সব বিনোদন টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া উচিত যতদিন আমাদের চ্যানেল গুলো ওদেশে প্রচারিত না হচ্ছে ।

এতে করে বাসাবাড়িতে হিন্দির প্রভাব কমবে ।

হিন্দি কেন আমার মতে বিশ্বের যে কোন দেশের মুভি আনা উচিত । সুরক্ষায থাকত থাকতে বাংলা ছবি ভুলে গেছে প্রতিযোগিতা কাকে বলে ।

আর পয়সা দিয়ে মানুষ যখন সিনেমা দেখতে যাবে তখন মানুষ নিজেই ডিসাইড করে নেবে হিন্দি দেখবে নাকি বাংলা ।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ তানিম ভাই।

৪১| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩২

দূর্যোধন বলেছেন: ধন্যবাদ তন্ময় ফেরদৌস।

দারুন একটা বিষয় উঠিয়ে এনেছেন।

তবে আমার কিছু ব্যাপারে বক্তব্য ছিলো,তা পরে এসে ব্যাখ্যা করছি।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৭

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: শুভ জন্মদিন দূর্যোধন ভাই।

আপনার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রইলাম।

৪২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৯

দূর্যোধন বলেছেন: ভারতীয় ছবি আমদানীর বিপক্ষে,একই সাথে বাংলাদেশের ছবিগুলোর মেকিংয়ে পরিবর্তন আনা দরকার বলে মনে করি।

এমন একটা সময় ভারতীয় ছবি আমদানীর কথা চলছে,যখন বাংলাদেশের ডলার রিজার্ভের পরিমান তলানীতে ঠেকেছে।এক্ষেত্রে এর পরিনাম শুধু সামাজিক নয়,অর্থনৈতিক দিক দিয়েও আমাদের ভালোভাবেই ভুগতে হবে।

বাংলাছবির ব্যাপারে অনেকেরই একটা ঔদাসীন্যের ভাব আছে।কিন্তু সিনেমাহলে না গেলে বোঝা যাবে না ,এক শাকিব খান কিভাবে বাংলাদেশের ছবির দর্শক ধরে রেখেছে। আমরা যতই 'মনপুরা 'প্রজাপতি' ইত্যাদি হাবিজাবি লম্বা 'নাটক' ( হ্যাঁ পাঠক,আমি হাবিজাবি এবং লম্বা নাটকই বলছি ) গুটিকয়েক হিন্দিখোর দর্শকের মুখের রুচি পরিবর্তনের জন্য উপাদেয় একটা অপশন হতে পারে।কিন্তু বাংলাদেশের সাধারন মানুষ সিনেপ্লেক্স বা বলাকায় যায় না, সেটাই খেয়াল রাখতে হবে।

তার মানে আমি কি বলছি ? আমি বলছি,যারা মনে করেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ভারতীয় চলচ্চিত্রের সাথে ফাইট করলে 'শাকিব খান' এর অর্থহীন ছবি থেকে 'মানসম্মত ছবি তৈরী হবে,তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন । বাংলাদেশের সাধারন মানুষের জন্য 'মনপুরা/প্রজাপতি/জাগো' কোনো বিনোদনমূলক ছবি নয়,এগুলো মানুষ কে হলমুখী করবেনা,হলমুখী করবে 'এন্টারটেইনমেন্টে' ভরপুর ছবিই।

এখন যদি বলা হয় ভারতীয় ছবি গুলো এন্টারটেইনমেন্টে ভরপুর,ওগুলো কেনো আনা হয় না? উত্তর সোজা।নিজের দেশের পঙ্গুপ্রায় অর্থনীতির বাঁশ মেরে আর প্রতিজ্ঞা/ডরিমনের আগ্রাসনের নতুন ব্যবস্থা করে দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের আর বারোটা বাজানোর দরকার নেই। বরং আমাদের নির্মাতাদের 'ড্রয়িংরুম' দর্শক থেকে বের করে হলমুখী করতে হবে।তাদের বুঝতে হবে সাধারন মানুষের জন্য কোন ছবি নির্মান করা দরকার। থার্ড পার্সন সিংগুলার টাইপ ছবি নির্মান করলে প্রথম আলো পেপারে নাম আসে,বিদেশে ছটাক প্রশংসাও জোটে ,কিন্তু মাদারীপুর বা শরীয়তপুরের কোনো গ্রামের লোক নায়ক শাকিব খান ছাড়া এ ছবির নামটাও বলতে পারবে না।


কেনো আমি ভারতীয় ছবি আমদানীর বিপক্ষে মেইনস্ট্রিম ছবির রিজুভিনেশনের দিকে গুরুত্ব দেই?
সিম্পল।ভারতীয় বলিউড কোন ধারা অবলম্বন করে আজ পরিচিত?আপনারাও খেয়াল করলে দেখবেন কলকাত্তাই ছবির নায়ক নায়িকার ঝাঁ চকচকে বাহারী পোষাক! সেক্সি সেক্সি বলতে বলতে লোকে অজ্ঞান!পুরোনো সব কাহিনী,কিন্তু বিজ্ঞাপন আর নির্মানে নতুনত্ব! কিন্তু কাহিনী? প্রায় সবই আগেরমতই গরিব নায়ক-বড়লোক নায়িকা তে! নতুন মোড়কে আনার পর এখন দর্শকরা কিন্তু খাচ্ছে!সুপারহিট 'দাবাং' 'বডিগার্ড' এর কাহিনীর সাথে বাংলাদেশের জসিমের ছবিগুলোর কি অমিল খুব বেশি ?? নাহ ! তাহলে ? মোড়কটাই ফ্যাক্টর,প্রেসেন্টেশনটাই দরকার।নাক সিটকে 'ভদ্রলোকের ছবি' বানালে হবে না। সেখানে গুটিকয়েক ভদ্রলোকই যাবে,হলমালিক/দর্শকের কোনো লাভ হবে না। মেইনস্ট্রিম ছবি বানানো চলবে,কিন্তু হোল সেটাপ টা বিভিন্ন দিকে চেন্জ করতে হবে। পোস্টারে দেখি শাকিব আর অপু! এত ছবি এরা দুজনে করেছে,নামই বলতে পারবেন না কোনটা কোন ছবি! তাহলে বাংলাদেশে নতুন নায়ক নায়িকা উঠে আসেনা কেনো? নতুন প্রতিভাবান কোনো পরিচালক আসছেন না কেন? নতুন কোনো মিউজিশিয়ান নেই কেন ? ভালো কোনো প্রডিউসার নেই কেন ?

সব কিছু যেখানে এসে আটকে যাবে, তা হলো ভয়।টাকা খোয়ানোর ভয়,আর্থিক সাফল্য ও নিরাপত্তার ভয়। তাডের এই ভয় কাটিয়ে ওঠার জন্য সাহসী নির্মাতার প্রয়োজন,যেভাবে 'দাদাবাবু বৌদি' টাইপ ছবি থেকে কোলকাতা উঠে এসেছে।সাহস দরকার!!ভারতীয় মেইনস্ট্রিমের আগ্রাসনের সাথে টিকতে হলে নিজেদের মানসম্মত ছবি নির্মানই মুখ্য ,আর সেখানে 'মানদন্ড' ঠিক করা উচিত আমজনতার,ড্রয়িংরুমে নয়।

আলোচনা কি কিছুটা দূরে সরে গেলো ?

ধন্যবাদ তন্ময় !

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আলোচনা মোটেও দূরে সরে যায়নি। বরং ১২ নং মন্তব্যের উত্তরে আমি এই কথাটাই বলার চেস্টা করেছি। আপনি আরো সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে দিলেন।

সেই সাথে আপনার মন্তব্যে ফুটে উঠেছে দেশীয় অর্থনীতি, সংস্কৃতি, বর্তমান চলচিত্রের সমস্যা ইত্যাদি গুরুত্বপুর্ন ব্যাপার।
আপনার প্রতিটা কথার সাথে একমত পোষন করছি।

অনেক ধন্যবাদ এই সুন্দর মন্তব্যটির জন্য।

৪৩| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:৩৩

রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: প্রথমেই আমি কোনো যুক্তি বা বাছ-বিচার না করেই বলছি, ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি শুরু হয়ে গেছে। এর মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকার ভারতকে খুশি করে দিলো বাংলাদেশি চলচ্চিত্রকে গলা টিপে হত্যা করার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। এবার লজিক প্রসঙ্গে আসি। তন্ময়, আপনার মন্তব্যটা ছিলো যুগোপযুগি, যেসব ভারতপ্রেমিরা বাংলাদেশে হলে হলে ভারতীয় "শিলা কি জওয়ানি" ড্যান্স দেখতে চায় তাদের মুখে ছাই দিয়েছেন আপনি এই মন্তব্য করে। কিন্তু তারা এটা ভেবে দেখছে না, ৪০ বছরে, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র সেরকম এগোতে পারে নাই। যেটা ১৯৭১ এর পূর্বে ও পরে দেখা গেছে, চলচ্চিত্রের কী এক বিশাল শক্তিশালি পদার্পণ, জহির রায়হান, চাষি নজরুল ইসলাম, খান আতা প্রমুখ বাংলাদেশি চলচ্চিত্রনির্মাতারা যুদ্ধ নিয়ে ছবি নির্মাণ করে দেখিয়ে দিয়েছেন। এবং সেই ছবিগুলো ঠিক সমান উপভোগ্য, যেমনটা ব্যালাড অব এ সোলজার দেখে উপলব্ধি হয়, ঠিক তেমনটাই হয়"জীবন থেকে নেয়া", "ওরা ১১ জন" ছবিগুলো দেখলে। কিন্তু মাঝখানে কী হলো? কেন এই অবক্ষয়? চলচ্চিত্রনির্মাতা নামধারী কিছু অশ্লীল চলচ্চিত্রনির্মাতা ঢুকে পড়লো এফডিসিতে। সেক্স, ড্রাগস, বিজনেসই যাদের চলচ্চিত্র ও ব্যক্তিগত জীবনের প্রধান পুঁজি। ডিপজলের মতো কুখ্যাত আসামি পেলো রাজনৈতিক সাপোর্ট ও এফডিসির সদস্যপদ। সে বাস্তবিকই ভিলেন বটে! যেখানে সত্যিকারের নির্মাতাদের এফডিসিতে নিয়মিত হবার কথা সেখানে এইসব পর্নোছবির নির্মাতারা কাটপিস সংবলিত ছবি বানানো শুরু করলো। শুরু হলো এক মধ্যযুগীয় বর্বর যুগ। বিকল্পধারার নির্মাতারা স্বল্পসংখ্যক ছবি নির্মাণ করেই নিজেদের বিখ্যাত ভেবে বসে থাকলেন, কেউ কিছু আন্তর্জাতিক পুরষ্কার পেয়ে ভাবতে শুরু করলেন অস্কার পেয়ে গেছেন। ধসে পড়লো চলচ্চিত্র। আবার ঘুরে দাঁড়ালো ছোটপর্দার নবীন কিছু পরিচালক ফারুকী ও তার ছবিয়াল, গিয়াসউদ্দীন সেলিমসহ অনেকের বানানো ছবির মধ্য দিয়ে। সেইসাথে তারেক মাসুদ নামের অসাধারণ প্রতিভাধর চলচ্চিত্রনির্মাতার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলো। সেই স্বপ্ন ধ্বংস হয়ে যেতে সময় লাগে নাই। নিহত হলেন তারেক ও মিশুক মুনীর। ভুল বললাম, তাঁদের ভবিষ্যত নির্মাণগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে কিন্তু যে স্বপ্ন তারেক আমাদের দেখিয়েছেন, সেটা কখনোই কেউ ধ্বংস করে দিতে পারবে না। নতুন প্রজন্ম নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছে। ধীরে ধীরে আবারো চলচ্চিত্রশিল্প ডানা মেলে উড়তে শুরু করে দিচ্ছে। তবে এখনো সেটা কৈশোরেই আছে। ১৯৭১ এর আগের নির্মাণ এবং এই ২০১১ এর নির্মাণে অবনতিই বেশি, উন্নতি নাই। যেতেতু উন্নতি নাই, তাহলে কেন ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি করতে হবে? কোন যুক্তিতে? বাংলাদেশি চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠা পাক আগে বিশ্বব্যাপী। তারপর না হয় সেটা ভেবে দেখা যেতে পারে। হিন্দি সিরিয়ালগুলো যুবসমাজকে বিপথগামী করে ধ্বংস করে দিয়েছে। "গোঁদের ওপর বিষফোড়া, তার ওপর ক্যান্সার"। ভারতীয় চলচ্চিত্র হলো বাংলাদেশি চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য ঘাতক ক্যান্সার। তাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ, ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানি অবিলম্বে বন্ধ করে দিন। এফডিসিতে দক্ষ পরিচালকদের নিয়ে ছবি নির্মাণ করুন। শুধু শাকিব খান-অপু বিশ্বাস, তামিল ছবি দেখে কপি পেস্টিং না করে বরং মৌলিক বিষয় নিয়ে ছবি বানান। তাহলেই প্রগতি সম্ভব। বিকল্পধারা-এফডিসি-নাটক একজোট হয়ে কাজ শুরু করলে অবশ্যই ভালো একটা আউটপুট আমরা পাবো। তবে তা হতে হবে সম্পূর্ণ রাজনীতি ও ধূমপানমুক্ত। মাগিবাজ-মদখোর পরিচালক, প্রযোজকদের বয়কট করুন। মিডিয়াকে মাদক ও বেশ্যাবৃত্তি থেকে দূরে রাখুন। এতে জয় সবারই হবে। ধন্যবাদ।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০৩

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ রুদ্র ভাই।

চলচিত্র তৈরিতে টেকনিক্যাল বিষয়ের পাশাপাশি বড় ভুমিকা রাখে শিক্ষা, সিনেমার প্রতি আবেগ এবং চেতনা, সর্বপোরি দেশপ্রেম। আমাদের এফডিসির পাশেই অবস্থান করছে কাওরান বাজার। যেখানে ড্রাগস, নারী ব্যাবসা থেকে শুরু করে সব রকম অপকর্ম চলছে অবলিলায়। কাজেই রাস্তা পার হয়ে এফডিসিতে এর প্রভাব পড়ছে অলরেডি। যার প্রমান আমরা কলাকুশলীদের দেখলেই বুঝতে পারি। আমি নাম উল্লেখ করে কিছু বললাম না।

তবে বর্ত্মান প্রজন্ম তাদের প্রাতিশঠানিক শিক্ষা এবং বিশ্বচলচিত্রের খোজ খবর রাখার কারনে এ গড্ডালিকা প্রবাহ থেকে বের হয়ে আসছে।

এরা আমাদের ভবষ্যত সিনেমার কারিগর।

আর তাদের চেতনার সমৃদ্ধি ঘটানোর দায়িত্ব কিন্ত সিনিয়রদের উপর বর্তায়। ভারতীয় সিনেমা আমদানির মধ্য দিয়ে এই চেতনার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আপনার সবগুলা পয়েন্টের সাথে আমি একমত।

সুস্থ ধারার চলচিত্রের মাধ্যমে টিকে থাকুক আমাদের ইন্ডাস্ট্রি। সেই কামনাই করি।

৪৪| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩১

রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন: তন্ময় যদি ফিল্ম এন্ড মিডিয়ার ছাত্র হয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে দিয়ে ভবিষ্যতে ভালো কিছু নির্মাণ/সমালোচনার আশা রাখি। আপনার চিন্তা-ভাবনা এখনো অনেক স্বচ্ছ। কিন্তু সত্য কী জানেন? আমাদের মিডিয়া জায়গাটা ভীষণ নোংরা, যে ভালো সেজে এখানে যায়, তাকেও অনেক নোংরা কাজ করতে হয়, আশা করি বুঝতে পেরেছেন কী ধরণের নোংরামির কথা বলছি। একটা প্রজন্মের সাহসি ছেলেদের দরকার যারা এসব অবৈধ কার্যকলাপ ধ্বংস করে প্রকৃত শিল্পচর্চা করবে, ছবি বানাবে এবং সেই ছবি আন্তর্জাতিকভাবে প্রদর্শিত হবে। ছবিয়ালের অনেকেই কী করে? ক্যামেরাম্যানের হাতে সব ছেড়ে দিয়ে ক্যামেরার আড়ালে গাঞ্জা ধরিয়ে নেশায় বুঁদ হয়ে বসে থাকে! এই হলো নষ্টামির নমুনা। এটা থেকে বেরিয়ে আসাটা জরুরি।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এটাও অনেক গুরুত্বপুর্ন একটা কথা বলেছেন। সুস্থ চলচিত্র এবং সুস্থ মিডিয়ার বিকাশ চাই।

দোয়া করবেন।

৪৫| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৯

আব্দুল্লাহ-আল-মামুন শামীম বলেছেন: তবে
ভারতীয় সিনেমা আমদানির পর যদি এদেশীয় পরিচালকদের মনে প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হয় তাহলে অবশ্য ভালো হয়।সহমত্

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

৪৬| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৩

েসাহাগ২৫কগগ বলেছেন: বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি আমি সাপোর্ট করি না। আমাদের সমস্যা আমাদের কেই মোকাবেলা করতে হবে আর আমাদের তো ভালো শিল্পির অভাব নাই শুধু কারিগরি ও অরথের অভাব সরকার সেদিকে নজর দিলেয় তো পারে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আমিও তাই বলি। দারাশিকোও তাই বলে গেছে আগের মন্তব্যে।

ধন্যবাদ মতামতের জন্য।

৪৭| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৩৯

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

তন্ময়কে নূতন করে আবিস্কার করছি ।
আরও দেখতে চাই ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩০

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ভয় পাইসি হেলাল ভাই।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৪৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১৬

রবিন মিলফোর্ড বলেছেন: আমি অবশ্যই বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি আমদানি সাপোর্ট করি না। তবে আমাদের মিডিয়াকে অবশ্যই নতুন করে সাজানো উচিত ।

আর ভাল সিনেমা বানালে যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষও হলে গিয়ে ছবি দেখে তার প্রমান , আমার বন্ধু রাশেদ , গেরিলা , মনপুরা প্রভৃতি ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩১

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: এক্কেবারে সহমত।

৪৯| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৭

তাসনুভা বিপা বলেছেন: শিপু ভাই বলেছেন: ভারত না- পশ্চিম বংগ সরকারের সাথে চুক্তি করা যেতে পারে যে বছরে আমরা ৫ টা ফিল্ম আনবো আর ৫ টা পাঠাবো। যৌথ প্রযোজনার ছবি হলে বেশি ভাল হত।এতে
বাজার বড় হবে।
ফিল্মে বিনিয়োগ বাড়বে।
কোয়ালিটির দিক দিয়ে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হবে।
বাংলা ভাষার প্রসার হবে।
রুচীশীল ছবি তৈরিতে নির্মাতারা আগ্রহী হবে।
হল মালিকরা তাদের হলের পরিবেশ ঠিক করতে সচেষ্ট হবে।

তবে তার আগে যেই কাজগুলো করতে হবে-
ভারতে বাংলাদেশী চ্যানেল দেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ডিজিটাল ফিল্মকে নীতিমালায় আনতে হবে।
প্রতি জেলায় অন্তত একটি করে ডিজিটাল হল নির্মান করতে হবে।
এফ ডি সি কে দূর্নীতি মুক্ত করতে হবে।
সরকারি অনুদান বাড়াতে হবে

সহমত। তবে তার আগে আমাদের আরও বেশী সুস্হধারার সিনেমা বানাতে হবে যাতে তা দেশের বাইরে বাংলাদেশের রুচিসম্পন্ন চিত্র তুলে ধরতে পারে।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩২

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: আমাদের সুস্থ ধারার ছবি বানানোর দরকার সবার আগে।

ঠিক বলেছেন বিপা।

ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.