| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কীসে পড়েন আপনি?
ঃ সামনে আলীম পরীক্ষা
- মিছিলে কেন আসছেন?
ঃ নাস্তিকদের প্রতিরোধ করতে আসছি।
- কোন নাস্তিক?
ঃ শাহবাগী নাস্তিক, প্রেসক্লাবের নাস্তিক।
- কীভাবে নিশ্চিত হলেন তাঁরা নাস্তিক?
ঃ নেতা বলছে
- তাঁরা কি ইসলামবিরোধী কোনো সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে? কোন যুক্তিতে সবাইকে নাস্তিক বললেন?
ঃ জানিনা, নেতা বলছে
- চিলে কান নিলে চিলের পিছে দৌড়াবেন?
ঃ নেতা বললে অবশ্যই..
...
মাদ্রাসার এই ছেলেগুলার জন্য আমার খুব আফসোস হয়। আজকেও আন্দরকিল্লা মোড়ে মাদ্রাসার বড়জোর সেভেন-এইটে পড়া ছেলেদের দেখলাম স্লোগান দিতে, মিছিল করতে। ব্রেইনওয়াশড এই ছেলেগুলা জানেও না শুধুমাত্র স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মের দোহাই দিয়ে "মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী" বলে তাদের নামিয়ে দেয়া হচ্ছে রাস্তায়। এই ছেলেগুলা ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে শিবিরের সক্রিয় কর্মী। মানুষের মতো দেখতে, কিন্তু আস্তে আস্তে পশুর মাস্ক পরে নিচ্ছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের কথা
তখন জার্মানি হিটলার ভাইয়ার শাসনে চলতেসে
তখন চার্লি চ্যাপলিন উনার কু কর্ম নিয়া ১০৮ মিনিটের একটা সাইলেন্ট মুভি বানাইসিলেন।নাম ছিল দ্যা গ্রেট ডিকটেটর। সবার ধারনা ছিল জার্মানি তে হিটলার ভাই ওইটা রিলিজ করতে দিবেন না।হিটলার ভাইয়াও কম চালু না উনি এডিটিং বোর্ডকে দায়িত্ব দিলেন ওই মুভিটা এডিট করে রিলিজ করাবেন বলে।হুকুম ছিল হিটলারের ইমেজের উপর খারাপ ইম্প্রেশন ফেলে এইরকম সিন গুলো এডিট করে কেটে দেওয়া হবে যেন নাৎসি বাহিনীর মানুষজন বুঝতে না পারে যে তাদের নেতা কতটা খারাপ
হিটলারের কাজটা সার্থক হয়েছিল ঠিকই।কিন্তু মুভিটা এডিট করার পর ১০৮ মিনিটের মুভি হয়ে যায় মাত্র ৫ মিনিটের মুভি
আর যেই দৃশ্যতে চার্লি চ্যাপলিন তার এক্সপ্রেশন দিয়ে একটা গ্লোব হাতে নিয়ে বুঝাতে চেয়েছিলেন যে হিটলার আসলে পুরা পৃথিবীটাকে নিজের হাতে নিয়ে নিতে চান ওই দৃশ্যটাকে তিনি দেখান যে হিটলার পুরো পৃথিবীটাকে মমতায় আগলে রাখতে চান
নাৎসি বাহিনীর মানুষ ওই মুভি দেখে মহা খুশি ।আমাদের নেতা মহান
আমাদের দেশের জনগনের একই অবস্থা
আমাদের উচিত এদেরকে পুরা ১০৮ মিনিটের মুভিটা দেখিয়ে চোখ খুলে দেওয়া
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৯
সাদনান সারওয়াত বলেছেন: এখানে নাস্তিক বলতে আমাদের সবাইকে টার্গেট করা হচ্ছে
একটা দেশে নাস্তিক থাকতেই পারে তার মানে তো এই না যে সবাই নাস্তিক
মসজিদে আমি যাই নামাজ পড়তে আর চোর যায় জুতা চুরি করতে
তার মানে কি মসজিদে যারা যায় তারা সবাই কি জুতা চোর?
২|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৮
রওনক বলেছেন: মাদ্রাসার এই ছেলেগুলা তো তাও ধর্ম সম্পর্কে শেখে, যে বাংলা বা ইংরেজীতে মাস্টার্স করে তার শিক্ষা কি কাজে লাগে?
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১১
সাদনান সারওয়াত বলেছেন: পোলা পাইন যদি ইংলিশ আর বাংলায় মাস্টার্স না করত তাইলে আপনারে বাংলা ইংলিশ পরাইত কিডা?
৩|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২০
ব্লগার ইমরান৪৭ বলেছেন: মাদরাসা আর স্কুল নয়। আমি মুসলিম হিসেবে ইসলাম হেফাজত করা আমার ও দায়িত্ব। তাই আসুন ইসলাম অবমাননাকারীদের প্রতিহত করি। আপনি ত নামাজী তাই জুতা চোর যদি আপনাকে চোর ডাকে তাহলে তাকে ধরে হান্দায় দেন।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৫
সাদনান সারওয়াত বলেছেন: ইসলাম হেফাজত করার পাশাপাশি দেশকেও হেফাজত করি
৪|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২৮
নট ডিফাইন বলেছেন: অনেক পুরনো খেলা। সেই ইসলামের প্রথম প্রহর থেকে। মুনাফেকদের দল ধর্মের লেবাশ পড়ে হিংস্র নেকড়ের ভূমিকায়।
এটাই মূল খেলা, পুরনো অস্ত্র। কাকে বুঝাবেন? জামাত শিবিরকে? জন্মান্ধদের চোখে আলো আসবেনা। মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চা গুলো জানেনা কিভাবে তাদের ভবিষ্যতকে ধ্বংস করে রচিত হচ্ছে নিজামী/সাইদীর শত শত প্রাসাদোপম লীলাঘর। খেলা, বড় নিষ্ঠুর খেলা।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৭
সাদনান সারওয়াত বলেছেন: বস এই খেলা শুরু করে গেসে হযরত ঈসা (আ) এর একজন অনুসারী।উনি বাইবেল বিক্রিত করেই শুরু করেন ঝামেলা
৫|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৩
কালবৈশাখীর ঝড় বলেছেন:
এই বছর এই ব্লগে ইসলাম বিরোধী কোন লেখা বা কমেন্ট কিছুই চোখে পরে নাই। তন্ন তন্ন করে খুজেও কিছু পাই নাই। ব্লগে ইসলাম অবমাননাকর কোন উপাদান নেই।
এই হরতালে যারা নৈতিক সমর্থন দেন, তখন কোথায় তাদের নৈতিকতা।?
Click This Link
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৯
সাদনান সারওয়াত বলেছেন: বস এনারা তো নৈতিক সমরথন দেন কারন নেতা বলসে বলে
দেখেন নাই উপরে?
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৬
রওনক বলেছেন: দারুন মজা!!
ইসলামরে গালি দিলে দোষ নাই, যে গালি দিবো তারে নাস্তিক বলগেই যত দোষ!!!