| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বাংলাদেশে পাচার করার জন্য বিদেশ থেকে আনা এক বিরাট অস্ত্রের চালান তারা উদ্ধার করেছে।
এই অস্ত্র পাচারের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে আটকও করা হয়েছে।
মিজোরামের পুলিশ কর্তৃপক্ষ ও কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলসের কর্মকর্তারা জানান, এই সব অস্ত্রশস্ত্র বার্মা থেকে এনে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছিল বলেই তারা ধারণা করছেন।
কলকাতায় বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী বলছেন মিজোরামের পুলিশ প্রধান অলোক কুমার ভার্মা এবং উপপ্রধান এ কে পট্টনায়ক তাকে জানিয়েছেন তাদের হিসাব অনুযায়ী গত দুদিন অর্থাৎ ৭ এবং ৮ই মার্চ মিজোরামের আইজল শহরের কাছ থেকেই তারা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশের তালিকা অনুযায়ী তারা ৪৬টি এ কে ৪৭ বন্দুক, তিনটি লাইট মেশিনগান, সেনাবাহিনীতে ব্রাউনি নামে পরিচিত দুটি রাইফেল , প্রচুর গোলাবারুদ এবং এ কে ৪৭ ও লাইট মেশিনগানের প্রচুর তাজা গুলি তারা উদ্ধার করেছে।
মিজোরাম পুলিশের উপপ্রধান জানিয়েছেন অস্ত্র চালানের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে তারা গ্রেপ্তার করেছেন।
তিনি বলেছেন এরা বার্মার নাগরিক হলেও বর্তমানে ভারতেরই বাসিন্দা।
মিজোরামের পুলিশ বলছে এইসব অস্ত্রের মধ্যে কিছু সিঙ্গাপুরে তৈরি, যার মধ্যে রয়েছে একটি এলএমজি বা লাইট মেশিনগান।
আসাম রাইফেলস্ আর মিজোরাম পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইজল শহরের কাছে যে বিমানবন্দর রয়েছে তার কাছে দুটি স্থান থেকে পরপর দুদিন অর্থাৎ ৭ এবং ৮ই মার্চ তল্লাশি চালিয়ে এসব অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে বলে বিবিসি বাংলার সংবাদদাতাকে জানিয়েছে।
পুলিশ আরো জানিয়েছে এইসব অস্ত্রশস্ত্র বার্মা থেকে এনে মিজোরামের মধ্যে দিয়ে আপাতত ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যে পাঠানো হচ্ছিল। সেখান থেকে এইসব অস্ত্রশস্ত্রের চূড়ান্ত গন্তব্য ছিল বাংলাদেশ বলে মিজোরাম পুলিশ ধৃত তিনজনকে জেরা করে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন।
তবে বাংলাদেশের কোন্ ব্যক্তি বা কোন্ সংগঠনের কাছে এসব অস্ত্র পাঠানো হচ্ছিল, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করে মিজোরাম পুলিশ এখনও পর্যন্ত কিছু জানাতে পারে নি।
পুলিশ বলছে ধৃতদের এখনও জেরা চলছে
সুত্র- বিবিসি বাংলা
২|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:২০
রিফাত হোসেন বলেছেন: উপজাতিরা দিবে জামাত কে অস্ত্র ? লোল ।
সম্ভবত স্বাধীন চট্টগ্রাম সৃষ্টিতে কাজে লাগানোর ধান্দা !
দেখা যাক, কোথাকার পানি কই গড়ায় !
৩|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:৫৪
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
উপজাতিরা দিবে জামাত কে অস্ত্র ? লোল
লোলের কিছু নেই। মাগনা কেউ কাউকে কিছু দেয় না।
অস্তগুলো সম্ভবত লাওস-ক্যাম্বডিয়ার কালবাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। দুর্নিতিবাজ বার্মার স্থানীয় রক্ষীরা ট্রাঞ্জিট দিয়েছে মিজোরাম পর্যন্ত পৌছানো, বাংলাদেশী স্মাগলারদের কাছে হ্যান্ডওভার করার পর শিমান্ত পার হবার আগেই ধরা পরে।
অস্ত্র কাদের দরকার? যারা গত এক বছর জাবত গৃহযুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে তাদেরই তো দরকার!
পাকিস্তানি মোল্লারা যেভাবে অস্ত্র পায়!
৪|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৯:৪৫
সাদা-কালো বলেছেন: শুয়রের বাচ্চারা আসলেই দেশে গৃহ লাগানোর পায়তারা করতেছে। সরকার এখনো ঘুমাচ্ছে ![]()
৫|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:০০
২০১৩ বলেছেন: কত লোক খেলে যায় পাগলী হয় প্রেগন্যান্ট , বাংলাদেশের মনে হয় সেই অবস্থা হচ্ছে অচিরেই, কে কি খেলছে কিছুই বুঝতেছিনা।
৬|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ২:১৪
মেকগাইভার বলেছেন: উপজাতিরা দিবে জামাত কে অস্ত্র ?
পাবলিক কি ঘাস খায়?
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ৮:০২
স্টেনটোরিয়ান বলেছেন: এই অস্ত্র দিয়ে জামাত-শিবির, বিএনপি, আ.লীগ মরবে নাকি সাধারন মানুষ মরবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।