নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এসো নীপবনে

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব

মাঝে মাঝে মনে হয়- আমি হয়তো মানুষ নই, অন্য কিছু। মাঝে মাঝে মনে হয়- I am no body.

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের দার্জিলিং- বান্দরবন (পর্ব-২)

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৬

একটা সি,এন,জি ঠিক করলাম। প্রথম যাবো নীলাচল। এরপর মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র। সেখান থেকে ফিরে, স্বর্নমন্দির আর রামজাদী মন্দির।



পথে চলতে চলতে যে ছবিগুলো উঠালাম তা দেখুন। - কী সুন্দর না!



- আমার বন্ধুরা সি, এন, জি তে।



নীলাচল চলে এলাম। এটি বান্দরবন শহর থেকে প্রায় ৪ কিঃমিঃ দূরে। কেউ যদি শুধু নীলাচল যেতে বা আসতে চায় তবে ৪০০-৫০০ টাকা লাগবে। এবার আসি, এই জায়গাটার নাম নীলাচল কেন? খুব সহজ উত্তর। আকাশের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। এমন নীল আকাশ আর কোথায় দেখা যায়? হুম, আমার মনে হলো এমন নীল আকাশ নীলাচল ছাড়া আর সেন্টমার্টিনেই কেবল দেখা যায়। টাইগার পাড়া এলাকায় এ পাহাড়টি বিধায় একে টাইগার হিল ও বলা হয়। দার্জিলিং এ ও টাইগার হিল আছে। সেখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। বরফের উপর সূর্যের আলো পড়লে কি যে সুন্দর লাগে! সেই সৌন্দর্য নাকি সবার ভাগ্যে জোটে না। কবি গুরু ৭ম বারের প্রচেষ্টায় সেই অপার্থিব সৌন্দর্য উপভোগ করেন।

আমি সেবার এর কেবল ছিটে-ফোটা দেখেছি। সেখানকার মতো করে এখানেও একটা দুইতলা গোল কটেজ বা গেস্ট হাউজ এর মতো বানিয়েছে যার চারদিকে বারান্দা। চমৎকার! কিন্তু চা খাওয়ারও ব্যবস্থা নেই দেখে একটু বিরক্তি লাগলো। এখান থেকে সূর্যোদয় নয়, দেখা যায় সূর্যাস্ত। আমরা ভুল সময়ে এসে পড়েছি। একেবারে দুপুর। ১১ টা বাজে বোধহয়। আসুন ছবি দেখা যাক।



- এই সেই নীলাচলের বিখ্যাত গোলাকার দ্বিতল কটেজ।



















- ইউ কে চিং মার্মা একজন বীর বিক্রম।















- এটা এক ধরনের ঘাস ফুল। কি সুন্দর না! অনেক কষ্ট হয়েছে এই ছোট ছোট ফুলগুলোকে ক্যামেরায় বন্দী করতে।







- টাওয়ার।







- মূলবেদীতে উঠার সিড়ি।



তবে এখানে আসার আগে মনে হয় দুইবার করে টাকা দিতে হলো। তাই এইখানে আর কোনো টিকেট নেই।



- ছোটদের জন্য দোলনা।



- সি, এন, জি থেকে তোলা টাওয়ার।



এখানে খুব বেশি একটা সময় ছিলাম না। খুব বেশি হলে আধা ঘন্টা। এখানে আসলে দেখার কিছু নেই। বা ঘোরাঘুরির ও কিছু নেই। এখনো এটি গড়ে উঠছে। কাজ চলছে। বর্মীজদের মতো দেখতে এক মহিলা কাজ দেখা শোনা করতে এসেছিলেন। কোথায় কোথায় টাইলস বসাতে হবে, কেমন টাইলস হবে, কোথায় কোথায় বসাতে হবে, এই সব। এখানে কিছু ছবি তুলে নিলাম। একটা জেট প্লেন চলে গেলে মনে হলো যেন, নীল আকাশটাকে এফোড়-ওফোড় করে দিয়ে গেল। অনেক চেষ্টা করলাম বিষয়টাকে ক্যামেরায় বন্দী করার কিন্তু খুব একটা ভালো এলো না, তাই আর দিলাম না। চারপাশ সবুজ আর সবুজ। কি যে সুন্দর! মন গুমোট থাকলে ভালো হবেই। ও হ্যাঁ, এখানকার রাস্তা কিন্তু বেশ ভালো। একেবারে পীচ ঢালা। খুব বেশি প্রশস্ত নয়, তবু বেশ ভালো। রাস্তার দু-পাশে মাঝে মাঝে বাসা-বাড়ি আর পাহাড়ি সৌন্দর্য। বাসার সামনে দেখি দার্জিলিং এর মতোই ফুলের সমাহার। গোলাপ কম, জবা, গাঁদা, আর নাম না জানা বিচিত্র ফুল।



এর পর চলে এলাম মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে।- মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে ঢোকার গেট।



মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রটি বান্দরবন থেকে প্রায় ৫ কিঃ মিঃ দূরে। নীলাচল থেকে মাত্র ১ কিঃ মিঃ দূরে। মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে ঢুকতে আপনাকে খরচ করতে হবে ৫০/- টাকা। তবে যদি ক্যাবল কারে উঠেন, তবে আপনাকে আরো ৩০/- টাকা খরচ করতে হবে। আসুন দেখা যাক, এখানকার বেশ কিছু ছবি। ছবির মাধ্যমেই জেনে নিই কী কী সুবিধা আছে এই পর্যটন কেন্দ্রে।







- এই হলো পুরো মানচিত্র।























- ঝুলন্ত সেতু।



এখানে দুটি ঝুলন্ত সেতু আছে। আমরা একটাতেই উঠেছি। আর পাহাড়ি পথে হাটতে হাটতে বের হয়ে গেছি বাইরে। কি আশ্চর্য আর যে অনেক কিছু ছিলো দেখার, দেখা হলো না কিছুই। চিড়িয়াখানা, স্মৃতি যাদুঘর, শিশু পার্ক, দেখা হলো না কিছুতেই। এর পরের বারের জন্য তোলা রইল। আসুন আরো কিছু ছবি দেখা যাক।















- একটা বিশ্রামাগার



- আদিবাসীদের নিয়ে ভাস্কর্য



ক্যাবল কারে উঠলাম। এখান থেকে তুলে নিলাম ঝুলন্ত সেতুর কিছু ছবি।











- পাহাড়ি ফুল।



- ছোট ছোট এই ফুল গুলো যে কি সুন্দর! ভালো ক্যামেরা থাকলে আরো জীবন্ত করে দেখানো যেতো।







এখানে একটি ভেষজ বাগান রয়েছে। পাহাড়ি পথ চলতে চলতে দেখলাম সেই সুন্দর গাছগুলো। নাম না জানা কত গাছ! এই পাহাড়ি পথে হাটতে হাটতে পেলাম ফলের দোকান। পাহাড়ি ফল। আমাদের চিরপরিচিত ফল। ডাব, কলা, পেপে, তেতুল, জাম্বুরা, আনারস আরো কিছু না চেনা ফল। আমরা প্রথমে ডাব, এর পর পেপে, এরপর কলা খেলাম। প্রত্যেকেই বোধহয় ছিলাম ক্ষুধার্থ। খেলাম ও পেট পুরে। প্রত্যেকেই স্বীকার করল আর লাঞ্চের দরকার নেই। তখন প্রায় ২ টার কাছাকাছি বাজে। কোথা দিয়ে বের হব কে জানে। তবু পেছন না ফিরে সোজা হেটেই চলেছি সামনে। এর পর বের হলাম যখন দেখি আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। একটু হেটে এসেই সেই মেঘালয় পর্যটনের সামনের গেটে চলে এলাম। ছবি আর লোড করা যাচ্ছে না। তাই স্বর্ণমন্দিরের ছবিগুলো এর পড়ের পোস্টেই দিতে হচ্ছে। আজ, এই পর্যন্ত থাক।



বাংলাদেশের দার্জিলিং- বান্দরবন (পর্ব-১)



বাংলাদেশের দার্জিলিং- বান্দরবন (পর্ব-৩)



বাংলাদেশের দার্জিলিং- বান্দরবন (পর্ব-৪)

মন্তব্য ৫৬ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৫৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৩৮

মশার কয়েল বলেছেন: অসাধারণ

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৩

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ। মশার কয়েল।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

২| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪১

দাদুভাই বলেছেন: সুন্দর হইছে

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৩

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ দাদুভাই।

৩| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫১

নাগরিকমন বলেছেন: সুন্দর হয়েছে ভাই। প্রিয়তে নিলাম। সামনে দার্জিলিং যাওয়ার ইচ্ছা আছে

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৮

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: আগে বান্দরবন যান। তারপর দার্জিলিং। নয়তো...

সে যাই হোক- আমার ব্লগে স্বাগতম।

৪| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৬

শরীফ িবিড বলেছেন: রাতে থাকার ব্যবস্থা কি? নীলাচল বা মেঘলাতে। ভাড়া কেমন?

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:১৬

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: শরীফ ভাই, নীলাচলে থাকার ব্যবস্থা মনে হয় ভালো না। এই গেস্ট হাউজ ছাড়া আর কিছু নেই। এখানে থাকা যায় কিনা তাও জানি না। তবে মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা আছে। পর্যটন কর্পোরেশনের একটি হোটেল আছে মেঘলাতে। বুকিং এর জন্য ফোন করতে পারেনঃ ০৩৬১-৬২৭৪১ এবং ০৩৬১-৬২৭৪২।

ভাড়া ১,০০০/- থেকে ১,৫০০/- এর বেশি হওয়ার কথা না।

ভালো থাকবেন।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

৫| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫০

জুন বলেছেন: ইশ কি সুন্দর সব ছবি দেখে অনেক কিছু মনে পরলো সজীব।
আপনি যেটাকে ঘাস ফুল বললেন ওটার নাম লজ্জাবতী গাছ। ছুলেই পাতাগুলো বুজে যায় তাই এই নামকরন।
অনেক তথ্য সমৃদ্ধ লেখা।
+

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৬

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ও তাই! আপু, লজ্জাবতীর মতো লাগছিলো তবে নিশ্চিত ছিলাম না। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ছবি আপলোড হচ্ছিলো না, তাই স্বর্ণমন্দিরের ছবিগুলো আসবে এর পরের পর্বে।

৬| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৮

ভিয়েনাস বলেছেন: সুন্দর।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১০

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ ভিয়েনাস।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

৭| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:২৫

আশীষ কুমার বলেছেন: কয়েকটা ছবি অনেক সুন্দর। ছবি নিয়ে আমার একটা পোস্ট আছে..জাফলং

আর ফটোজার্নালিস্ট নিয়ে আজকের পোস্ট

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১৮

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: হু দেখলাম। সুন্দর! জাফলং এ একটা দুঃখ আছে। যে বার জাফলং গেলাম, সেইবার পথে ক্যামেরার ব্যাটারি শেষ হয়ে গিয়েছিলো। তাই ছবি তেমন তুলতে পারিনি। ছবি তুলতে হয়েছে স্যামসাং ফোন থেকে। সেই কষ্ট আজো পোড়ায়। কি সুন্দর যে আকাশ ছিলো। মেঘ, বৃষ্টি আর সূর্যের সাথে লুকোচুরি। সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত অনুভূতি। আমার সাথে ছিলেন সিলেটের ইন-চার্জ। তার নাম ও সাইফুল। চমৎকার মানুষ। আমাকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

৮| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯

poops বলেছেন: আহ! সৌন্দর্য! !:#P !:#P ঝুলন্ত সেতু চড়বার মুঞ্জায় 8-| 8-|

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২০

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: poops, মন চাইলে দেরী করছেন কেন? এখনই চলে যান।

ধন্যবাদ। স্বাগতম আমার ব্লগে।

৯| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৮

চুক্কা বাঙ্গী বলেছেন: বান্দরবন গেসিলাম ২০০৯ এ। থাকার ব্যাবস্থা খুবই শোচোনীয় ছিল। শহরের বাজে হোটেলে থাকতে হইসিল। নীলাচলের কটেজ আন্ডার কনস্ট্রাকশন দেখসিলাম। ছবি দেখে মনে হচ্ছে বান্দরবনে থাকার ব্যাবস্থা আগের চেয়ে অনেক উন্নত হইসে।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৩

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: বান্দরবনে থাকা শুধু নয়, রাস্তা দেখে আমি মুগ্ধ! এতো সুন্দর রাস্তা। তারপর ও কিছু কিছু জায়গায় পীচ উঠে গেছে দেখে আবার মেরামতের কাজ চলছে। বিশ্বাস করুন, দার্জিলিং এতো বড় একটা পর্যটন কেন্দ্র, কিন্তু সেখানকার রাস্তার চেয়ে আমাদের রাস্তা অনেক অনেক ভালো।

১০| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩২

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন: দারুন জায়গা। এবারে দেশে গেলে অবশ্যই যাব সেখানে।


আপনাকে ধন্যবাদ এই সুন্দর জায়গাটিকে আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৫

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: মোস্তফা কামাল পলাশ ভাই, দেশের বাইরে কোথায় আছে জানিনা, কিন্তু সত্যি বান্দরবন সুন্দর! শুধু সুন্দর নয়, অসাধারণ! আমার সনি ক্যামেরায় যা আসছে, ডি,এস,এল,আর হলে আরো সুন্দর হতো।

১১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৫

মোঃ আনিসুর রহমান বলেছেন: আপনার পোস্ট দেখে পুরোনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। গত বছর আমিও গিয়েছিলাম। ছোট্ট ফুলগুলো আসলেই অসাধারণ। আমি দুটো ছবি তুলেছিলাম। আপনাদের সাথে শেয়ার করল। কেউ কি নাম বলতে পারেন ফুলগুলোর?

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৬

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: সত্যি ফুলগুলো সুন্দর! বাস্তবে আরো সুন্দর লাগে।

১২| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:১৬

লাল সবুেজ বলেছেন: সুন্দর।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৭

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ!

১৩| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৫৫

সবুজ মেঘ বলেছেন: +++

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৭

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ সবুজ মেঘ।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

১৪| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ ভোর ৬:৩৫

অনুদা বলেছেন: প্লাস +++

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:২৮

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: অনুদা, ধন্যবাদ।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

১৫| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৫৩

লাবনী আক্তার বলেছেন: ছবিগুলো খুব সুন্দর । :)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৭

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ লাবনী আক্তার।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

১৬| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৫৮

ওয়ান টু নাইন বলেছেন: সবার একবার হলেও যাওয়া উচিত ।

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪২

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ওয়ান টু নাইন ভাই, একেবারে মনের কথা বলেছেন।

আমার ব্লগে স্বাগতম!

১৭| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৭

জিদনী বলেছেন:
নাছাং যাবারী, যাগাং ছারী
ইদুয়া গাঙযারো মন ফুরি
এ যাগ গাং রয়ে দেয়
মন মন আমার আনযুরি।


পাহাড়ি এলাকা দেখলাম , তাই পাহাড়ি ভাষায় তার সোন্দর্য
লিখলাম।

অনেক সুন্দর লাগল। :) :)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৯

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন:
পাহাড়ি ভাষা, পাহাড়ি সৌন্দর্যের মতোই সুন্দর। কিন্তু যদি, অর্থটা বলে দিতেন আরো ভালো লাগতো।

ধন্যবাদ, আমার ব্লগে স্বাগতম।

সাথে থাকুন।

১৮| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০২

ভুং ভাং বলেছেন: বাংলাদেশের ভূ স্বর্গ । পোষ্টে +++

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২০

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: অনেকটা সেরকমই। ধন্যবাদ ভুং ভাং।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

সাথে থাকুন।

১৯| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৭

জিদনী বলেছেন:
নাছাং যাবারী, যাগাং ছারী= যখন আমি এই খানে আসি
ইদুয়া গাঙযারো মন ফুরি=আমার অনেক ভালো লাগে
এ যাগ গাং রয়ে দেয়=এ জায়গার সুন্দর যো
মন মন আমার আনযুরি=আমার মনকে আনন্দে ভরে দেয়। :)

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৩১

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: জিদনী ভাইয়া, অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আরো ফটো সমৃদ্ধ লেখা আসছে...

সাথে থাকুন, ভালো থাকুন।

২০| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫০

রাতুলবিডি২ বলেছেন: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২০০ -১৩০০ ফুট উচ্চতায় বিস্ময়কর বগা লেক আর কিছু নষ্টালজিক চিন্তা
Click This Link

হাজার ফুট উচুতে বিষ্ময়কর রাইখ্যাং লেক!
Click This Link

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় না!
Click This Link

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১৩

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ রাতুলবিডি২। এই পড়ছি আপনার পোস্টগুলো। সেখানে মন্তব্য করে আসছি। খুব সুন্দর! ভালো লাগলো ভাই।

পোস্টগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

২১| ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০০

মো: আবু জাফর বলেছেন: অসাধারন

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০০

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: মো: আবু জাফর ভাই, ধন্যবাদ।

সাথে থাকুন, আরো ছবি নিয়ে আসছে ছবি ব্লগ।

আমার ব্লগে স্বাগতম।

২২| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৩:১৮

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: চমৎকার।পরের পোস্টের অপেক্ষায়।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৭

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: চেয়ারম্যান সাব, ইনসাল্লাহ খুব শীগ্রই পোস্ট দিব।

আপনি ভালো আছেন তো?

আমার ব্লগে স্বাগতম।

২৩| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৬

অদৃশ্য মানবী বলেছেন: ছবিগুলো খুব সুন্দর ।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৩

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: অদৃশ্য মানবী, অনেক দিন পর আপনাকে দেখলাম।

কেমন আছেন?

২৪| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৬

অদৃশ্য মানবী বলেছেন: ছবিগুলো খুব সুন্দর ।

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৩

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: ধন্যবাদ,

সাথে থাকুন, ভালো থাকুন।

২৫| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৫

শাশ্বত স্বপন বলেছেন: চমৎকার সব ছবি। গতবছর বান্দরবান এর কেওকারার্ঙ ও জাতিপাই ঝরনায় গিয়েছিলাম। এ বছর তাজিংডং যাব। পড়ুন গত বছরের ভ্রমন--http://www.somewhereinblog.net/blog/sswapan/29716121

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৪

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: শাশ্বত স্বপন, এ বছর তো প্রায় শেষ, কবে যাবেন?

ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৬| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৯

rakibmbstu বলেছেন: ব্যাপুক পুস্ট দিলেন ভাই।

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩০

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: rakibmbstu ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।

সাথে থাকুন, ভালো থাকুন।

২৭| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৫

অদৃশ্য মানবী বলেছেন: অদৃশ্য মানবী কে কি দেখা যায়? :P


ভাল আছি আমি।আপনি?

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৪৪

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: একটা ছবি দেখেছিলাম Invisible Man. এইবার Invisible woman এর স্বাক্ষাৎ পেলাম।

ভাইয়া আমি ভালো আছি। এই মাত্র ৫ দিনের ট্যূর শেষে ঢাকায় ফিরলাম। তাই এতো দেরী হলো উত্তর দিতে। আশা করি সাথেই থাকবেন।

২৮| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৫

শাশ্বত স্বপন বলেছেন: আগামী বছর জানুয়ারীর ২য় সপ্তাহে, যাতে রাজপূণ্যাহ্ উৎসবটা বোনাস হিসাবে পাই।

হাই রেজোলেন্সের মহা চমৎকার ছবি, দামী ক্যামেরা দিয়ে তোলা, তাই না?

প্রিয়তে নিলাম, পরে ভাল করে পড়ব।

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪১

মোঃ সাইফুল ইসলাম সজীব বলেছেন: শাশ্বত স্বপন ভাই, তেমন দামী ক্যামেরা নয়। সনির ক্যামেরা দিয়ে তোলা। তবে ১৬.১ মেগাপিক্সেল আর 10x অপটিকেল জুম। লেন্স 25 m.m.। ধন্যবাদ পড়ার জন্য। আর অবশ্যই যাবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.