নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কর্কশ সুর

ফারহান দাউদ

খুব সাধারণ মানুষ ..পড়েছি পুরকৌশল এ, কাগজে-কলমে বেকারত্ব ঘুচলেও স্বভাবে রয়ে গেছে। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।

ফারহান দাউদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেশিনগান: জন্ম ও বিবর্তন

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৪

[ন্যাট জিওতে কোন ডকুমেন্টারি দেখলেই সেটা নিয়ে বকবক করে সবাইকে বিরক্ত করতে ইচ্ছা করে,সেজন্যই এই লেখা:)]

মেশিনগানের ধারণাটা কার প্রথম মাথায় এসেছিল,সেটা ভাবতে গেলে চীনাদেরই কৃতিত্বটা দিতে হয়। অবশ্য,সেটায় গুলির বদলে ছিল তীর,সময়টা ১০০০ বছর আগে। একটা আয়তাকার বাক্সের মুখে ৩২ টা তীর রেখে সেগুলোকে একটা লিভারের মাধ্যমে টানা এবং ছেড়ে দেয়া,একসাথে অনেকগুলো ফায়ার করার প্রথম ধারণা।



এরপর সময় গড়িয়েছে,মানুষ মারার আরো হাজারো পদ্ধতি চলে এসেছে,এসেছে আগ্নেয়াস্ত্র,বুলেট।আর সিঙ্গেল ফায়ার বন্দুকের সাথেই এসেছে একইসাথে অনেক বুলেট ছোঁড়ার ধারণা। ধারণাটা প্রথম কাজে লাগান গ্যাটলিং,১৯ শতকের শেষদিকে,৮ নলা গ্যাটলিং গানের মাধ্যমে, যেটার ৮টা নল ঘুরে ঘুরে ফায়ার করতো আর সেটাকে ঘোরাত একটা বিদ্যুৎচালিত মোটর। কিন্তু জিনিসটা ছিল মহা জটিল আর ওজনও তেমনি। গ্যাটলিং গানের পথ ধরেই এরপর যুদ্ধক্ষেত্রে আসে হেভি মেশিন গান। কিন্তু সবকয়টা মেশিনগানেরই অভিন্ন সমস্যা ছিল তার ওজন,একেকটা ৪০-৫০ কেজির মেশিন গান আর যাই হোক বহনযোগ্য কিছু না,কাজেই এক জায়গায় রেখেই গোলাগুলি চালাতে হয়।



তো,এই ভারি মেশিন গানের সাথে একজন মানুষই বহন করতে পারে এমন একটা অটোমেটিক ফায়ার আর্মসের দরকার হয়ে পড়লো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়। দেখা গেল,মুখোমুখি যুদ্ধে,বিশেষত ট্রেন্ঞ্চ ওয়ারফেয়ারে,যুদ্ধটা হয় বেশ ক্লোজ রেন্ঞ্জে,২০০ থেকে ৩০০ মিটারের মাঝে,আর সেখানে জার্মানদের কাছে মিত্রবাহিনী ক্রমাগতই নাকাল হয়ে যাচ্ছে। কাজেই তাড়া এল,কার্যকরী,হালকা,নতুন কোন অস্ত্র চাই। আর সেই তাড়াতেই, জেনারেল থমসন আবিষ্কার করলেন ইতিহাসের

সবচেয়ে বিখ্যাত অস্ত্রগুলোর একটা,থমসন সাবমেশিন গান,যার আরেক নাম--"টমি গান"। টমি গানই প্রথম সাব-মেশিন গান ধারণাটার প্রচলন করে। হালকা,ছোট,অটোমেটিক ফায়ার,মিনিটে ফায়ার করতে পারে ৯০০ রাউন্ড,ট্রিগার টেনে ধরে রাখলেই মুহূর্তেই খালি করে ফেলে তার ৩০ রাউন্ডের ড্রাম ম্যাগজিন,যেখানে বুলেট হিসাবে থাকে নরম পিস্তল কার্তুজ। তবে,যে যুদ্ধের জন্য টমি গানের উৎপত্তি,সেখানে সরবরাহ করার আগেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যায়,ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার দেখার আর সুযোগ হলো না কারো।



কিন্তু টমি গানের গল্প মাত্রই শুরু হলো। সেনাবাহিনী নয়,অস্ত্রটাকে বিখ্যাত করে তুললো গ্যাংস্টাররা,রক্তাক্ত এক ইতিহাসের সূচনা হল এর হাত ধরে। পেশাদার খুনী আর গ্যাংস্টাররা গ্যাংওয়ারের জন্য এমন একটা অস্ত্র পেয়ে যারপরনাই খুশ হলো,টমি গানের পাল্লায় পড়ে লক্ষ্যবস্তু তো বটেই,আশপাশে থাকা দু'চারজনও নিয়মিতই পরপারের টিকেট পেয়ে যেত। শিকাগোর গুণ্ডাসর্দার আল-কাপোনের প্রিয় অস্ত্র ছিল এই টমি গান,মারতে আর মরতে,তুলনাহীন,শিকাগোর গুণ্ডাদের মাঝে এর আরেক নাম ছিল শিকাগো পিয়ানো। অপরাধের ইতিহাসে টমিগানের প্রথম লক্ষ্য অবশ্য ব্যর্থ হয়েছিল,খুনী ম্যাকিনলী তার এক প্রতিপক্ষ বুটলেগার,মানে জালিয়াতকে মারার জন্য টমিগানের পুরো ম্যাগজিনটাই খালি করেছিল, কিন্তু সে ব্যাটার বরাত বলতে হবে,মাটিতে শুয়ে পড়ে সে আর প্রতিটা গুলিই অলৌকিকভাবে তার আশপাশে নয়তো উপর দিয়ে চলে যায়। বেঁচে থাকার কৃতজ্ঞতাতেই হয়তো,সে জালিয়াত তওবা করে অপরাধের জগৎ থেকে সরে যায়,টমিগান জিনিসটা মনে হয় ঐ একবারই ভাল কোন কাজ করেছিল।



টমি গানের সবচেয়ে বড় সমস্যাটাই ছিল এখানে,কম গতির পিস্তল বুলেট আর প্রচণ্ড ঝাঁকির কারণে এর গুলি প্রায়ই লক্ষ্যভেদ করতে পারতো না,অহেতুক গুলি খরচও হতো। সমাধানের জন্য থমসন টমি গানের নলের মুখে যোগ করলেন অনেকটা সাইলেন্সারের মতই ভারি একটা নল, একে বলে কম্পেনসেটর,যেটা গুলি করার সময় নলটাকে নিচের দিকে রাখতে সাহায্য করে,আর যোগ করে দিলেন সেমি-অটোমেটিক করার ব্যবস্থা,যাতে ইচ্ছা করলে একটা একটা করেও গুলি করা যায়। কিন্তু তারপরেও পাল্লাটা একটু কমই হয়ে গেল,মনে রাখা দরকার যে অস্ত্রটা আসলে সেনাবাহিনীর জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছিল,টার্গেট একটু দূরে হলেই টমিগান দিয়ে লক্ষ্যভেদ করা ভাগ্যের ব্যাপার ছিল। সৈন্যদের দরকার ছিল কিছুটা দূরের টার্গেটেও অনবরত ফায়ার করা নিখুঁতভাবে, কাজেই এর ডিজাইনে পরিবর্তন করা হল বেশ কিছুটা। সাথে বদলে দেয়া হল বুলেট,কমপাল্লার পিস্তল বুলেটের বদলে ব্যবহার করা হল ৭.৬২ মিমি রাইফেল বুলেট,গোলাকার ড্রাম ম্যাগজিনের জায়গায় ব্যবহার করা হলো চ্যাপ্টা ম্যাগজিন,জন্ম নিল আধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেলের প্রথম নমুনা--"এম-১৪।"



এম-১৪ দূরপাল্লায় কাজ ভালই করতো,কিন্তু তারপরেও আমেরিকানরা সেটা নিয়ে ঠিক সন্তুষ্ট হতে পারছিল না। ততদিনে রাশানরা হাতে পেয়ে গেছে মিখাইল কালাশনিকভের সেই কিংবদন্তীর "একে-৪৭", হালকা, দূরপাল্লাতেও কার্যকরী এক কিলিং মেশিন,সে তুলনায় এম-১৪ এর লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা কমই বলতে হবে,৩০০ মিটারের বেশি দূরত্বে খুব ভালো স্নাইপারের পক্ষেও এই জিনিস দিয়ে টার্গেটে লাগানো ছিল প্রায় অসম্ভব। ইউএস আর্মির এক প্রতিভাবান অস্ত্রবিশারদ,ইউজিন স্টোনার বের করলেন সমস্যাটা কোথায়। এম-১৪ এর বাঁট বা স্টকটা নিচের দিকে বাঁকানো,ব্যারেলের সাথে একই রেখায় নয়। ফলে যখন ফায়ার করা হয়,ব্যারেল আর বাঁটের সংযোগস্থলটা কাজ করে একটা পিন সাপোর্ট হিসেবে,অনেকটা দরজার কব্জার মত,ফায়ারিংয়ের ঝাঁকুনিতে মাঝের এই

জায়গাটাকে কেন্দ্র করে নলটা ঘুরে যায় সামান্য উপরের দিকে,ফলে জায়গামত গুলি লাগানো হয়ে পড়ে কঠিন। সমাধান হিসেবে,স্টোনার ডিজাইনটা বদল করে,বাঁট টা করে দিলেন একদম সোজা,নলের সাথে একই রেখায়,ফলে ফায়ারিংয়ের যে ধাক্কা বা রিকয়েল,সেটাও নেয়া গেল আরো ভালভাবে,যোগ করা হল একটা রিকয়েল স্প্রিংও। দেখা গেল,৪৫০ মিটার দূরেও টানা অটোমেটিক ফায়ারিংয়েও বেশ নিখুঁতভাবে গুলি লাগানো যাচ্ছে। ব্যবহার করা হল হালকা অ্যালুমিনিয়াম স্টক আর স্টিল,তবে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনা হল বুলেটে,৭.৬২ মিমি ভারি বুলেটের বদলে স্টোনার ব্যবহার করলেন ৫.৫৬ মিমি স্লিম বুলেট,যার গতি এবং লক্ষ্যভেদ ক্ষমতা,দু'টোই অনেকটা বেশি। সব মিলে যে জিনিসটা দাঁড়ালো,সেটাই মানুষ খুনের এ যাবৎকালেরই সবচেয়ে ভয়ংকর বন্দুক--"এম-১৬"। প্রথম এটা কাজে লাগানো হয় ভিয়েতনাম যুদ্ধে,আর্দ্র আবহাওয়ায় ভাল কাজ করে না বলে এর সাথে দেয়া হত বিশেষ ক্লিনিং কিট। মানুষের দেহে এই বুলেট টা ঢোকার পর বুলেটের উপরের অংশটার গতি যায় কমে,আর নিচের অংশটা এগিয়ে যেতে চায়,পরিস্থিতি দাঁড়ায় অনেকটা হোঁচট খাওয়ার মত,ফলে বুলেটটা

টুকরো হয়ে সবদিকে ছড়িয়ে শরীরের চারপাশের অনেকগুলো 'ভাইটাল অর্গান' ছিন্নভিন্ন করে দেয়। বলা হয়,আজ পর্যন্ত কোন মানুষ এম-১৬ এর বুলেট খাওয়ার পরে সোজা হয়ে চলতে পারেনি,এমনই ভয়ংকর এর কাজ।



এতক্ষণ যে মেশিন গান গুলোর কথা বলা হলো,সেগুলোর সবগুলোর চাইতে বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন একটার কথা দিয়েই শেষ করা যাক। এটাও একজনই চালায়,তবে,ফাইটার জেটে চড়ে। বলা হচ্ছে আমেরিকান এ-১০ ফাইটার জেটের সাথে যুক্ত কুখ্যাত মেশিন গান,"গাও-এইট অ্যাভেন্ঞ্জার" এর কথা। গ্যাটলিং গানের মতই এরও ৮টা নল,বসানো হয় ফাইটার জেটের নাকে,বসানোর পর জেটের কাঠামোটাকে বসানো হয় একে কেন্দ্র করে। ওজন ১৮৩০ কেজি,বুলেট হিসেবে ব্যবহার করা হয় ডিপ্লেটেড ইউরেনিয়াম ৩০ মিমি বুলেট,২৯ সেমি লম্বা বুলেটগুলো অনায়াসে ভেদ করে যেতে পারে ট্যাংকের দেয়ালও। মিনিটে ৪২০০ রাউন্ড বুলেট ছোঁড়া যায়,লক্ষ্যভেদেও নিখুঁত,৪০০০ ফিট উপর থেকেও ৪০ ফিটের একটা বৃত্তের মাঝে আঘাত করতে সক্ষম প্রায় সবগুলো বুলেট। ১-২ সেকেন্ড করে ফায়ার করা হয়,তাতেই ১৫০ রাউন্ডের মত গুলি ছুটে যায়। মূলত গ্রাউন্ড অ্যাটাককে সমর্থন দেয়ার জন্যই এ-১০ ফাইটার জেট কাজ করে, ১১৭৪ রাউন্ড বহনকারী গাউ-৮ এর চেয়ে ভাল কোন অস্ত্র আর কি-ই বা হতে পারে তার জন্য?



লেখাটার শেষদিকে এসে উপসংহারে তেমন ভাল কিছু বলার খুঁজে পেলাম না,পাওয়ার কথাও না,কারণ আলোচনাটা হচ্ছিল মানুষ খুন আর ধ্বংসের কাণ্ডারিদের নিয়ে। শুধু মনে হচ্ছে,মানুষকে ধ্বংস করার জন্য হাজার হাজার বছর ধরে যত মেধা আর পরিশ্রম গেছে,তার ১০০ ভাগের ১ ভাগও যদি মানুষকে বাঁচাবার জন্য করা হলে পৃথিবীটা ঠিক কি অবস্থায় থাকতো? মনে হয়,আমাদের জীবদ্দশায় সেই উত্তরটা জেনে যাবার সৌভাগ্য কারো হবেনা।

মন্তব্য ১১২ টি রেটিং +৩৭/-২

মন্তব্য (১১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:১৮

বিবর্তনবাদী বলেছেন: হি হি শেষ পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই বিবর্তনের জয়গান। বিবর্তনবাদীদের জয় হোক :) :P:P:P:P:P:P:P:P:P:P

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: সার্ভাইভাল অভ দ্য ফিটেস্ট,এইটুক অন্তত চলে।

২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৬

চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: চমৎকার হয়েছে লেখাটা..........
আপনার মত শেষের কথাগুলো আমারও মনের ভিতরে বাজে......।

শুধু মনে হচ্ছে,মানুষকে ধ্বংস করার জন্য হাজার হাজার বছর ধরে যত মেধা আর পরিশ্রম গেছে,তার ১০০ ভাগের ১ ভাগও যদি মানুষকে বাঁচাবার জন্য করা হলে পৃথিবীটা ঠিক কি অবস্থায় থাকতো?...........সই মেধাবীরা সেটা কোন দিন কি চিন্তা করেছে!!!

ভালো লাগা জানাই।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩১

ফারহান দাউদ বলেছেন: আইনস্টাইন অ্যাটম বোমা বানানির আগে চিন্তা করেনাই বোমাটায় কয় লাখ মানুষ মরবে,এইটাই সমস্যা মেধাবীদের নিয়া।

৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩১

রাতমজুর বলেছেন: শেষ প্যারাটা আমাদের অনেকেরই মনের কথা। লড়াই নয়, শান্তিতে বাঁচতে চাই।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৭

ফারহান দাউদ বলেছেন: শান্তিতে থাকলে বিশ্বনেতাদের চুলকায়,বুঝেনই তো!

৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৪

ওয়ার হিরো বলেছেন: ঝাক্কাস হইছে, ব্যাপক শিক্ষণীয় পোসট

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৩৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: এই যে ওয়ার হিরো আইসা পড়সে,আপনেরই দরকার আসিলো:)

৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪০

অ্যামাটার বলেছেন: দারুন তথ্যবহুল পোষ্ট...আপনাকে ধন্যবাদ+প্রিয়তে...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪১

আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: শেষের প্যারাটা যদি সবাই বুঝতো!

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: বুঝে সবাই,সমস্যা হইল,প্রভুত্বের নেশা বড় নেশা,লংকায় গেলেই সবাই রাবন। আর যুদ্ধ বন্ধ করলে,যুদ্ধব্যবসায়ীদের কি হবে??

৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪২

তুষ।র বলেছেন: গাও-এইট অ্যাভেন্ঞ্জার - খাইছে রে। ডর লাগতাছে।

সিরিয়াসলি - এত সুন্দর তথ্যবহুল পোস্ট সরাচর দেখি না। প্লাস।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫২

ফারহান দাউদ বলেছেন: পুরা সেটআপটা দেখলে আরো ডর খাইতেন,ভাবসিলাম ছবিটা দেই,বিমানটার চেহারা করতো হাঙ্গরের মত,মুখের কাছ দিয়া গুলি,সব মিলায়া সাইকোলজিক্যালি প্রতিপক্ষরে একটা ধাক্কা দেয়ার চেষ্টা আরকি।

৮| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৩

তুষ।র বলেছেন: সামহোয়ারে পাবলিকের সাইকোলজি বুঝি না। একটা ইনফরমেটিভ পোস্ট রে কে জানি মাইনাস দিছে। আজিব। এতে মাইনাস দেয়ার কি হইলো।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৭

ফারহান দাউদ বলেছেন: হেহে,মনে হয় কোন শান্তিবাদী,বন্দুক দেইখা ভড়কায়া গেসে:) মাইনাস প্লাস লয়া মাথা ঘামাইলে আর এইখানে লেখা লাগত না,যার যা ইচ্ছা করুক,দুনিয়া মজার জায়গা।

৯| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৪

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম, পরে মন দিয়ে পড়ব। :)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ:)

১০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৪৮

ওয়ার হিরো বলেছেন: নারে মনা, আমি এডি ইউজ করা বন্ধ কইরা দিছি।
আর ভালা লাগে না, অনেক রক্ত দেখছি, দেখছি অনেক হাহাকার, অসহায়ের আর্তচিৎকার। আমি এডির বিরূদ্ধে দাড়াইতে চাই এখন। কে কে আছে আমার লগে ?? হাত তোল।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৭

ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনেরে দেইখা জেট লি'র 'হিরো' মুভিটার একটা ডায়ালগ মনে পড়লো,শেষদিকে। যোদ্ধার পয়লা অর্জন হইল তলোয়ার দিয়া শত্রু নিধন,উচ্চতর অর্জন হইল তলোয়ার ছেড়ে দিয়ে শুধু অন্তর্গত শক্তি দিয়া শত্রু নিধন,আর সর্বোচ্চ অর্জন হইল হাত আর অন্তর সবখানেই অস্ত্র বিসর্জন দিয়া দেয়া। ওয়ার লর্ডদের মাথায় ঐটা ঢুকলেই হইল।

১১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৭

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ব্যাপকসসস.....ফারহান ভাই আপনার মেমোরি কতো টেরাবাইটের? :)

মানুষকে ধ্বংস করার জন্য হাজার হাজার বছর ধরে যত মেধা আর পরিশ্রম গেছে,তার ১০০ ভাগের ১ ভাগও যদি মানুষকে বাঁচাবার জন্য করা হলে পৃথিবীটা ঠিক কি অবস্থায় থাকতো?

একই প্রশ্ন আমারও। সেই ছোটবেলাতেই এই প্রশ্নটা মাথায় এসেছিল। আজও একই প্রশ্ন মাথায় ঘুরে। উত্তরটা এখনো পাই নি। সারা জীবনেও মনে হয় পাবো না।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: পাবেন না,কেউই পায় নাই,এই-ই চলবে।

১২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৭

তুষ।র বলেছেন: @ফারহান ভাই - কথা ঠিক। আমারে ১০০০ মাইনাস দিলেও প্রবলেম নাই। তবে মাঝে মাঝে ভাবি পাবলিক কেন এমন করে। মানুষের সাইকোলজি একটা আজব জিনিস। শান্তিবাদি মাইনাস দিতে পারত যদি আপনি প্রমোট করতেন মেশিনগানকে। যাই হোক ....মানুষ সাইকোলজি নিয়া চিন্তা কইরা সকাল নষ্ট করার দরকার নাই।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: করিও না,গণতান্ত্রিক দেশে সবাইরে চিল্লাইতে দেয়ার দরকার আছে,নাইলে এমন মজা দেখবেন কই আর?:)

১৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩৩

এরশাদ বাদশা বলেছেন: আপনের ইমেইল আইডিটা দ্যান দেখি......বাংলাদেশে আর্মস ফোর্সে আমনের একটা সিভি পাঠায়া দেহি....:P

পুলিশ ফোর্সে আপনেরে সেইরম দরকার......:P

দু'নলা বন্দুক চালাইতে চালাইতে ভুইলাই যাইতেছে অস্ত্র কারে কয়।

নেটে বইসা এতো জায়গায় ঘুরেন ক্যাম্বায়??

+++

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৫

ফারহান দাউদ বলেছেন: হ,সিভি পাঠান আর জলপাই মামুরা চোরাচালানি কয়া ক্রসফায়ারে ফালায়া দেক:( নেটে ঘুরি নাই,ন্যাট জিওতে ডকুমেন্টারি দেইখা লেখলাম,নেটে এত ঘাঁটাঘাটির ধৈর্য নাই।

১৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৪

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হু , নির্বাক । এইসব অস্ত্রশস্ত্র অনেক দেখেছি বলে লেখাটা আরো জোশ লাগলো ।

আরেকটা কথা , আল্লাহ একখান সুপার ব্রেন দিসে যে , সেটা ভালো কাজে লাগায়া ফেলো (নো ফাজলামি)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩

ফারহান দাউদ বলেছেন: তোমার কথায় তো মনে হইতাসে আমি চুরিডাকাতির বিজনেস করি:(

১৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৪৫

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: পড়লাম ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অনেক মানুষ মারার যন্ত্রের কথা আসতে পারতো । সেটা মিস করছি ।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: ঐদিকে গেলে আসলে লেখা আরো কয়েক পর্ব লাগত,পরে সময় করে লিখব আশা রাখি,অনেক ধন্যবাদ।

১৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫০

লাল পিপড়া বলেছেন: একটা মেশিনগান কিনতাম চাই । দাম দুম কত পরবো ?

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: এম-১৬ কিনতে পারেন,বেশি না ১০ হাজার ডলার,ধরেন গিয়া ৭ লাখ টাকা। ইউএস আর্মিতে থাকলে কম দামে পাইতেন,সিভিলিয়ান তো,পয়সা বেশি লাগবো।:)

১৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৩

রুবেল শাহ বলেছেন: একটা মেশিনগান কিনতাম চাই তয় দাম......... ১০০০০০টেকার নিচে হইতে হইবো.............

কেননা খুনি হইতাম চাই ...........;)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: বাজেট বাড়ান,দাম তো দিলাম উপরে:) তবে কিনার আগে বুশের কাছে একটা অ্যাপ্লিকেশন দিয়া দিয়েন,ঐ জিনিস আবার তার আর্মির স্ট্যান্ডার্ড ইস্যু।

১৮| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৬

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: খাইসে , ব্যাপক সন্দেহ প্রবণ মন তোমার :(

আর কেউ মনে হয় এমন ভাবতো না , যাই হোক পড়ার কথা বলসিলাম

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: ঐ জিনিসটা তোমারই আগে শুরু করার কথা না? আসো দেখি,কথাবার্তা হোক:)

১৯| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৮

আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: তথ্যবহুল লেখাটি ভালো লাগলো, মনে লাগলো শেষের কথাগুলোও।

তবে আপনার একটি মন্তব্যের ব্যাপারে একটা কথা বলি। আপনি বলেছেন : 'আইনস্টাইন অ্যাটম বোমা বানানির আগে চিন্তা করেনাই বোমাটায় কয় লাখ মানুষ মরবে,এইটাই সমস্যা মেধাবীদের নিয়া।'

আইনস্টাইন কিন্তু অ্যাটম বোমা বানাননি। তবে তাঁর একটি বিখ্যাত থিওরি এটা বানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়েছিলো। থিওরিটা প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে, অ্যাটম বোমা বানানোর প্রজেক্ট শুরু হয় ১৯৪০ সালের দিকে। ৩৫ বছর আগে থিওরিটা দেয়ার সময় নিশ্চয়ই তিনি এমনটি ভাবেননি যে, এটি মারণাস্ত্র তৈরিতে ভূমিকা রাখবে!

তবে একথা সত্যি যে, তিনি তাঁর থিওরি ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন। এই প্রজেক্ট শুরু করার জন্য সুপারিশ করে আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে চিঠিও লিখেছিলেন। কিন্তু এ ছাড়া প্রজেক্টের সঙ্গে আগাগোড়া কোনো সম্পর্ক তাঁর ছিলো না।

আইনস্টাইন তাঁর সারা জীবন ধরে বিজ্ঞান-কমিউনিটির বিরোধিতার মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর থিওরিগুলোকে প্রথম ধাক্কায় নাকচ করে দেবার একটা প্রবণতা তখন ছিলো। ফলে, জীবনের শেষের দিকে এসে এগুলোর প্রমাণ তাঁর জন্য জরুরী হয়ে উঠেছিলো। সম্ভবত সেই আকাঙ্ক্ষা থেকেই তিনি এই প্রজেক্টের ব্যাপারে সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু প্রজেক্ট শেষ হওয়ার আগেই এবং হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বোমা বিস্ফোরণের আগেই তিনি এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করে এর ব্যবহারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি তাঁর এই অবস্থান পরিবর্তন করেননি।

যাহোক, সুন্দর লেখার জন্য +

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

ফারহান দাউদ বলেছেন: ঠিক ওভাবে আসলে কথাটা বলতে চাইনি,একটু হালকা চালেই হয়ে গেছে। তবে আইনস্টাইন সুপারিশ করেছিলেন বোমাটা বানানোর জন্য,এবং সেখানে নিরাপত্তাজনিত কারণও দেখিয়েছিলেন,যে জার্মানরা আগে সেটা বানিয়ে ফেললে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াবে। পরে তিনি তাঁর ভুল বুঝতে পারেন,আগে বুঝলেও যে কাজ হত,মনে হয়না,যাদের দানব হবার কথা ছিল,তারা বিকল্প কিছু হয়তো খুঁজে নিতই।

২০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২

লাল পিপড়া বলেছেন: এরমডা কেমন দাম হইবো ?



০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩২

ফারহান দাউদ বলেছেন: এইটা তো ভাই হেভি মেশিন গান দিলেন,রেডিমেড পাইবেন না,আর্মির কাছে যান,নাইলে রাশিয়ানদের অর্ডার দিলে বানায়া দেয়,ম্যালা দাম,পুষাইবো না।

২১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৪

রুবেল শাহ বলেছেন: দুর এত কতা কন কেন কেমনে পামু হেইডা কন........ ;)

( মনে কিছু করবেন না আপনি তুই তুমি হচ্ছে বলে)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০

ফারহান দাউদ বলেছেন: চোরবাজারে খোঁজ নেন,আফগান সীমান্তে পাইবেন,খাইবার পাস নাইলে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে পাইবেন।

২২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

দূরন্ত বলেছেন: আপনার পোস্টটা পড়ার পরে নেটে তথ্য খুজতে গিয়ে কয়েকটা যুদ্ধ/গণহত্যার ছবি দেখে খুব মনটা খারাপ হলো। আর দেখলাম, গত বছরের বিশ্বের মিলিটারি ব্যয় ছিল $1,339,000,000,000. এবং এ ব্যয় প্রতি বছর বাড়ছে.....
(সরি, একটু অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করে ফেললাম)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৫

ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রাসঙ্গিক পুরোটাই। বাড়ছে,এবং বাড়বেই,ইরাক যুদ্ধের ব্যয় মিটাতে গিয়ে এমনকি আমেরিকারও নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে,যেটা পোষাতে তারা আবার অন্য কারো দিকে থাবা বাড়াবে,সেখানে আবারো এই অহেতুক রক্তপাত আর খরচ,এভাবে চেইন রিঅ্যাকশন মনে হয় চলতেই থাকবে।

২৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০

দূরন্ত বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য পোস্টে +

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৪

শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এই পোষ্ট আমার বন্ধু রাসেল এর মাষ্ট প্রিয় পোষ্ট হবে। এসব মেশিনগান টান নিয়ে আমার কখনোই এতো বেশি কৌতুহল ছিল না।
তবে, পোষ্ট বরাবরের মতো ভালোই।:)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: অস্ত্রপাতি নিয়া আগ্রহ না থাকাই ভাল:)

২৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫২

নুশেরা বলেছেন: বরাবরাই খুবই ভাল লেখেন। এমন একটা নট-সো-সুদিং বিষয়ে লেখা থেকেও বোঝা যায়।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: প্রশংসা করলে যথেষ্টই লজ্জা পাই,সেটা আপনাদের মত লেখকদের কাছ থেকে এলে আরো বেশি। কষ্ট করে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৫৩

রুবেল শাহ বলেছেন: রমযান মোবারক.........

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:২৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনারেও রমযান মুবারক,ইফতারি পাঠায়েন:)

২৭| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২১

বিবর্ণ বলেছেন: বিরক্ত হইনি.... অনেক ভাল লেগেছে......

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৮| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০৯

এম্নিতেই বলেছেন: Click This Link

এম ১৬ এর চেয়ে আরো কার্যকরী এবং লক্ষ্যভেদে আরো নিঁখুত এ্যাসল্ট রাইফেল "ট্যাভর-২১"। ইসরায়েলের তৈরি। আমিও হিস্টরি চ্যানেলে এটার উপর ডকুমেন্টারি দেখলাম।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

ফারহান দাউদ বলেছেন: ডকুমেন্টারিতে যা দেখাইসে তাই দিসি,এরপরে আর যাওয়ার উৎসাহ পাই নাই।

২৯| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১১

এম্নিতেই বলেছেন: ছবি সরাসরি যোগ করে কেমনে?? :|

৩০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১

তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন: সুন্দর তথ্যবহুল লেখা...অসংখ্য ধন্যবাদ ফারহান ভাই...

প্লাসাইলাম...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

এম্নিতেই বলেছেন: এ্যাসল্ট রাইফেল "ট্যাভর-২১":

এ্যাসল্ট রাইফেল "ট্যাভর-২১" গ্রেনেড লঞ্চার সহ:

মাইক্রো ভার্সন:

৩২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

বিবেক সত্যি বলেছেন: ভয়ানক পোষ্ট.... দুর্দান্ত সব তথ্য জানা গেলো...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: আক্ষরিক অর্থেই ভয়ানক।

৩৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৭

আন্দালীব বলেছেন: অস্ত্রপাতিতে আগ্রহ পাইনা।

এম সিক্সটিন এর বুলেটের কার্যকারীতা পইড়া আরো আগ্রহ হারাইছি।

কী ভয়ানক!

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০

ফারহান দাউদ বলেছেন: বুলেট টা ঢোকামাত্র ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অনেকগুলো শিরা আর টিস্যু,আসলেই খারাপ।

৩৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ৪৯,৯৯৯ টা হিট দেখি ।
আমার কমেন্ট টা ৫০,০০০ তম হিট দেবে

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

ফারহান দাউদ বলেছেন: ব্যাপক:)

৩৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৫

সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
এইটা কি ধরনের মেমরীরে ভাই আপ্নার ! অদ্ভুত । ভালো লাগা লেখাটা পড়ে জানলাম অনেক কিছু । :) . কিন্তু লাভ নাই । পাচ মিনিট ও মাথায় থাকবো না ! আমি কেন এতো গর্দভ ! :(

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: খুব বেশি ইনফরমেশন নাই কিন্তু,খালি ভিজুয়াল ডকুমেন্টারিটা টেক্সটে কনভার্ট করলাম বলতে পারো।

৩৬| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:২৯

মুক্ত মানব বলেছেন: শুধু মেধা আর পরিশ্রম না রে ভাই, বহুত পয়সাও 'বিনিয়োগ' করছে এইসব উদ্ভাবন করতে।

সস্তা, নবায়নযোগ্য শিঘ্রী বাইর না হইলে থাবা দেয়া জারী থাকবে বলেই আমারো আশন্কা।

শুভেচ্ছা রইলো।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

ফারহান দাউদ বলেছেন: স্ট্র্যাটেজি হল,নিজেরটা বাঁচিয়ে রাখো,অন্যেরটা খরচ কর,কিন্তু একসময় না একসময় তো নিজেরটাও শেষ হবে,কিন্তু অতদূর আর কেউ ভাবতে চায় না,এই পয়সা,মেধা আর শ্রম জ্বালানিখাতে ব্যয় করলেও হতো।

৩৭| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৩০

মুক্ত মানব বলেছেন: "সস্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানী শিঘ্রী বাইর না হইলে "-পড়িতে হইবেক।

৩৮| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

রাতিফ বলেছেন: সেই রকম হইছে লেখাটা দাউদ ভাই, অনেক অনেক কিছু জানা গেলো।


উপসংহার দেয়ার মতো ভালো কিছু খুঁইজা পান নাই কইয়াও তো একটা ফাটাফাটি উপসংহার দিয়া দিছেন..........ভাল্লাগছে।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ,ক্রেডিট টা ন্যাট জিওরে দিতে পারো।

৩৯| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: দারুণ
ভয়ানক-সুন্দর।

শুভেচ্ছা রইল।

এ ধরণের বিষয় নিয়ে আরো পড়তে চাই।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য,সময় পেলে আরো লেখার চেষ্টা করব।

৪০| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

প্রণব আচার্য্য বলেছেন: সমর ঐতিহাসিক হয়ে গেলাম :):):)


(ভালো)

৪১| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১১

প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ভুল হইসে.....


সমর ইতিহাস বিদ হবে বোধ হয় :P

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: আপনের ছবি দেইখা তো জেমস বন্ড লাগতাসে,পোস্টের জন্য মানানসই:)

৪২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪২

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
জ-টি-ল! জ-টি-ল-রে!!

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫০

ফারহান দাউদ বলেছেন: যুদ্ধের মেকানিজমটাই জটিল,তার চেয়েও জটিল মানুষের সাইকোলজি।

৪৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৪

বিবর্তনবাদী বলেছেন: সামহোয়্যারে নতুন গ্রুপ এসেছে গানের কলি। আমাদের এই সামহোয়্যারইনের জনপ্রিয় পোস্টগুলোর মাঝে অন্যতম গানের কথা ভিত্তিক পোস্টগুলো। প্রতিদিনই কয়েকটা গানের কথা গান সহ পোস্ট করা হয়। অনেক বাংলা গান আছে যেগুলোর কথা ইন্টারনেটে খুঁজলে শুধু আমাদের এই সামহোয়্যারইনেই পাওয়া যাবে। মূল্যবান সেই পোস্টগুলো নানান ব্লগারদের নিজস্ব ব্লগে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। সেগুলোকে এক বন্ধনে বেঁধে রাখাই এই গ্রুপের উদ্দেশ্য।

গ্রুপে যোগ দিতে এখানে ক্লিক করুন

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫০

ফারহান দাউদ বলেছেন: আবেদন করা হলো।

৪৪| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:১৮

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বড়ই কাহিল দিন যাইতাছে , মন্তব্য তাই মাথায় করি , কীবোর্ডে আনি না। তয় , মেশিনগান দেখে
চাঙ্গা হইলাম।

আর্মস হাতে গেলেই কিন্তু একধরণের ক্ষমতাবান ক্ষমতাবান , কিছুটা স্যাডিস্টিক অনুভূতি হয়। মানুষের মজ্জায় ই বোধহয় হানাহানির বাস!

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

ফারহান দাউদ বলেছেন: হ,দেখেন না শ্বদন্ত থাকলেই মাংশাসী হিংস্র প্রাণী হয়,আর্মস হইল সেই শ্বদন্ত।

৪৫| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

আরিফ থেকে আনা বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। অনেক ধন্যবাদ

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৪৬| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: লেখাটার উপসংহার টুকু পড়লাম শুধু........।
খুব ভালো লাগলো.......।মনের কথা।

অনেক ভালো থেকো ফারহান..........।দিনলিপি কিছু আসছে না কেনো?
কেমন কাটছে তোমার দিনকাল?
শুভেচ্ছা নিও।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩

ফারহান দাউদ বলেছেন: গোলাগুলি দেখি আপনার ভাল্লাগে না:)
দিনকালের অবস্থা হইল,আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি:)

৪৭| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪

রুবেল শাহ বলেছেন: ওরে হেতেনে কিতা কয় আই বলে ইফতারি পাঠাইয়ুম হেতেনে লাগি............ আই পাগল হইছিনি কোন......... ?;)

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৪

ফারহান দাউদ বলেছেন: হেহেহে,তাড়াতাড়ি পাঠান:)

৪৮| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭

উত্তরাধিকার বলেছেন:
এরকম একটা বিষয় নিয়ে এত চমৎকার করে লিখলেন যে ভাল লাগলো।

আপনার জবাব নাই ফারহান ভাই।

আরো চাই এরকম...
:)

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০০

ফারহান দাউদ বলেছেন: দেখি,আমার এইরকম মারামারি টাইপ লেখা তো বিপজ্জনক,কবে কোন মামু আইসা উঁকি মারে,আজকাল শুনতাসি নেট মনিটরিং হয়:(

৪৯| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: হেবী জিনিস হইছে।
পোষ্টটা আরো কয়েক জায়গায় সি/সি দেওয়া দরকার,
০১। বাংলাদেশ পুলিশ
০২। সেনাবাহিনী

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫

ফারহান দাউদ বলেছেন: হ,দেই আর পরে কালা মামু আর জলপাই মামুরা ধইরা ছ্যাঁচা দেক আরকি:(

৫০| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: জিন্দাবাদ!!

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: মেশিন গান নাকি শান্তি?:)

৫১| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫

শুকলা দাস বলেছেন: মানুষকে ধ্বংস করার জন্য হাজার হাজার বছর ধরে যত মেধা আর পরিশ্রম গেছে,তার ১০০ ভাগের ১ ভাগও যদি মানুষকে বাঁচাবার জন্য করা হলে পৃথিবীটা ঠিক কি অবস্থায় থাকতো?

ভালো লাগলো কথা গুলো।ভালো থাকবেন।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,আপনিও ভালো থাকবেন।

৫২| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:০১

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: কি খবর ফারহান......।লেখা কই?
আর হ্যা চিন্তা কোর না........কিছু জলপাই বাহিনী আমাদের ও আছে......আশে পাশেই।:)
লিখতে থাকো নির্ভয়ে.....।
শুভেচ্ছা।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০১

ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখার চেষ্টা করছি,কয়টা দিন একটু ঝামেলায় ছিলাম,দুশ্চিন্তায়ও,দেখি আজকে চেষ্টা করে। যাক অভয় দিলেন,এরপরের বার তাইলে কামান নিয়ে লেখা লাগবে:)

৫৩| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

জ্বিনের বাদশা বলেছেন: কি ভয়াবহ অস্ত্রসমৃদ্ধ পোস্ট! রীতিমতো যুদ্ধ লেগে গেলো নাকি!!

আপনার ন্যাটজিওর কাছে পারিশ্রমিক দাবী করা উচিত ;)

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২

ফারহান দাউদ বলেছেন: দাবী করে লাভ নাই,শেষে কপিরাইটের মামলা খেয়ে যেতে পারি:)

৫৪| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

ত্রিভুজ বলেছেন: স্টার প্লাস! সবাই অনেক কিছু বলে দিয়েছে.. নতুন কিছু বলার নাই...


মানুষকে ধ্বংস করার জন্য হাজার হাজার বছর ধরে যত মেধা আর পরিশ্রম গেছে,তার ১০০ ভাগের ১ ভাগও যদি মানুষকে বাঁচাবার জন্য করা হলে পৃথিবীটা ঠিক কি অবস্থায় থাকতো?

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০২

ফারহান দাউদ বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫৫| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯

ভুডুল বলেছেন: +

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০০

মোসতাকিম রাহী বলেছেন: এই লেখাটা পড়েছিলাম প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথেই, মন্তব্য করা হয় নি। একটাই অভিযোগ এরকম দুর্দান্ত যাঁর লেখনি, তিনি কেন গল্প লিখবেন না!!
অসাধারণ ফারহান, আমার ঈর্ষা হচ্ছে!!

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩

ফারহান দাউদ বলেছেন: গল্প লিখতে প্লট লাগে,সেটা তো আর ন্যাট জিও থেকে মেরে দেয়া যায় না:) অভিযোগ আমাদেরো আছে,আপনি লেখা বন্ধ করে দিয়েছেন অনেকদিন হলো।

৫৭| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৮

ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: শেষ প্যারাটাই জন্যেই যেন ভালো লাগলো

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৫৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:২৫

আদনান মির্জা বলেছেন: সুন্দর তথ্যবহুল পোস্ট। সোজা প্রিয়তে।

১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.