নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মঙ্গল শোভাযাত্রার পক্ষ/বিপক্ষ অবস্থান

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:৫৭

মঙ্গল শোভাযাত্রার পক্ষে যাদের অবস্থান তাদের কাছ থেকে একটি তথ্যবহুল পোস্ট আশা করছি যেখানে নব্বই দশকে আগত এই শোভাযাত্রার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের ইতিহাস থাকবে। কেন হঠাৎ চারুকলা এই ভিনদেশী সংস্কৃতি আমাদের উপড় জোড়পুর্বক চাপিয়ে দিল এর পেছনের কারনগুলো অনুসন্ধান খুব জরুরী। বাঙ্গালী সংস্কৃতির শুরু নিশ্চই নব্বই দশকে নয়।ব্লগে এর আগে এক লেখক দীন এর সাথে বৈশাখ পালনের কথা বলেছেন। বানানের জ্ঞান না থাকায় সবাই ঝাপিয়ে পড়েছে সেই ব্লগারের উপড় যে তাহলে কি ওয়াজ , মাহফিল করে বৈশাখ পালন করা হবে? লেখক পরে বলেছে যে তিনি দ্বীন নয় দীন দুঃখীদের বুঝিয়েছেন।যাই হোক ওয়াজ, মাহফিল করে যেমন বৈশাখ পালনের কথা ভাবা যায় না, তাহলে হিন্দুয়ানী কায়দায় কেন বৈশাখ পালন করতে হবে? নববর্ষ যদি সার্ব্জনীনীনই হয় তবে কেন তাতে ধর্মের প্রভাব থাকবে? যাদের অবস্থান বিপক্ষে তারা সুনির্দিষ্ট কারন দেখিয়ে এর বিরুদ্ধচারন করেছে। সুতরাং যারা পক্ষে অবস্থান নিতে চান, তাদের সুস্পষ্ট কারন দর্শাতে হবে কেন তারা এর পক্ষে। চাদ্গাজীর মত ধরি মাছ না ছুই পানি মার্কা যুক্তি নয় , জোড়ালো যুক্তি প্রদর্শন করতে হবে।

বেশীরভাগ মানুষ যে কারনে এই শোভাযাত্রার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে সেটা হচ্ছে " এই শোভাযাত্রা আমাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য কোন কিছুরই প্রতিনিধিত্ব করে না, এটা প্রতিনিধিত্ব করে কেবল ভীনদেশী দাসত্ব''।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:০৮

মুরাদ পাভেল বলেছেন: মঙ্গল শোভাযাত্রা হল হিন্দুদের সংস্কৃতি। আর মঙ্গল দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহ। মূর্তি দিয়ে কোন যাত্রার মাধ্যমে মঙ্গল হয় না।

২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:১৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বেশীর ভাগ মানুষ আপনার বলে দেয়া কারণের জন্য নয় বরং অন্য ধর্মের কিছু আচারের সাথে মিলের কারণে এটার বিরোধীতা করে। তাছাড়া মুসলিমের বেসিকের সাথেই যায় না এই ধরনের অসুরকে দমন করার মঙ্গল শোভাযাত্রা। আপনার তা জানার কথা...

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি ঢাবির বিভিন্ন গ্রুপের সাথে যুক্ত। সেখানে বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন বিষয়ে মতামত রাখে। ছাত্রছাত্রীরা ধর্ম নিয়ে তেমন মাথা ঘামায় না। তারা তখনই কোন কিছুর বিরোধিতা করে যেখানে ভারসাম্য নেই, কোন যৌক্তিক ব্যখ্যা নেই।

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:২৮

চাঁদগাজী বলেছেন:

@বিচার মানি তালগাছ আমার ,

অনেক রূপকথায় আছে: রাজ্যে অসুর, দৈত্য, রাক্ষস এসে উপস্হিত হতো, সেগুলোকে তাড়াতো কোন রাজকুমার কিংবা কোন বীর; বাংলাদেশে অসুর কোথা থেকে এলো যে, উহাকে তাড়াতে হবে?

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:২৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: @ চাঁদগাজী। উহা তেনাদের কথা...

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৩২

কাউয়ার জাত বলেছেন: আরে ভাই বাঙ্গালিত্ব উসকাইয়া দিয়া উনারা আপনাদের মুসলমানিত্বের তেজ একটু একটু কমাইতে চান। কিন্তু এই সোজা কথাটা মনের মধ্যে লুকিয়ে রেখে বাইরে ইনিয়ে বিনিয়ে হাজার বছর ধরে চলে আসা আবহমান বাংলা, অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা ইত্যাদি রাম-শ্যাম-যদু-মধু যুক্তি হাজির করেন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমারো প্রশ্ন সেটাই যে এই শোভাযাত্রার প্রচলন নব্বই দশকে, তবে এটা হাজার বছর ধরে চলে আসা বাঙ্গালী সংস্কৃতি হয় কি করে?

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


@লেখক,

কত বড় যুক্তিকে আপনি "জোরালো" যুক্তি মনে করেন; আপনার কাছে মাপার ইউনিট, ফিউনিট আছে নাকি?

-মানুষ ধর্মীয় কাজ (প্রার্থনা ইত্যাদি) করার সময় ধর্ম করেন, সাংসারিক কাজ করার সময় সাংসারিক কাজ করেন, খেলার সময় খেলেন, আড্ডা দেয়ার সময় আড্ডা দেন, উৎসব পালনের সময় উৎসব পালন করেন; সব মিলেই তো জীবন! নাকি সবকিছুই ধর্মীয় হতে হবে?

-এটা কি রকম জোরালো হলো? মেপে জানাবেন! এটা যদি কাজ না করে, ভেবেচিন্তে আরো "জোরালো" একটা ছাড়বো!

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: কি বললেন কিছুই বোঝা গেল না। আমার প্রশ্নটা ছিল খুব সরল। আপনার অবস্থান যদি পক্ষে হয় তবে যৌক্তিক কারন দেখান।

৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:৪০

মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেছেন: মঙ্গল শোভযাত্রার পক্ষে কোন যুক্তি নাই। এটা বাঙ্গালীদের সংস্কৃতি না।

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১২:৫৭

Ahsan mir বলেছেন: এই অপসংস্কৃতি আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধংস করে দিচ্ছে.এইটা যাদের সংস্কৃতি তাহারা পালন করুক সমস্যা নাই.কিন্তুু এটা কে বাঙ্গালী সংস্কৃতি বলে চালিয়ে দেয়া মূর্খতা.আগে যানতে হবে বাঙ্গালী সংস্কৃতি কোনটা
আমরা মায়ের চেয়ে মাশির ধারদ বেশি দেখাই এটা আমাদের সভাব

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ ভোর ৬:৩৬

শাহ আজিজ বলেছেন: এবার এই বিতর্কিত "মঙ্গল" শোভাযাত্রার মোটিফ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে । চারুকলার এই নালায়েকগুলার মাথা খারাপ হইতে পারে তবে তামাম জনগনের উপস্থিতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় কেন ? এই জনগনের তো মাথা খারাপ হয়নাই!! সারা দেশে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত 'মঙ্গল' শোভাযাত্রা ছড়িয়ে পড়েছে । বিনামুল্যে এদের মানসিক চিকিৎসা প্রদান জরুরি । সংস্কৃতি রক্ষার জন্য আন্দোলন চাই। মাগার কোনটা আমরা বেছে নেব , মানে কাদের সংস্কৃতি বা অভ্যাস । এইসব বেত্তমিজ জনগণকে হিজরি সাল পালনের জন্য সংসদে আইন পাশ করতে হবে। এখানেও জালা । পার্লামেন্ট হচ্ছে ইংলিশ ধারার , আমাদের চাই শুরা এ মজলিস । কি কোন জনগন???

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি একজন ভাস্কর। আপনার কাছ থেকেই জানতে চাই নব্বই দশকে আগত এই শোভাযাত্রার প্রচলন হল কি করে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলাকায় তামাম জনগন বৈশাখ পালন করতে যায় পুরো এলাকার উৎসবের আমেজকে উপভোগ করতে। শোভাযাত্রার সময় বরং বেশীরভাগ মানুষ দ্রুত দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে এর বিদখুটে আওয়াজ থেকে বাচাঁর তাগিদে। প্রশ্ন হচ্ছে যৌক্তিকতার। আজ যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ভাস্কর্যের গায়েও আচর দেয়ার চেষ্টা করে মৌলবাদীরা, তবে আগুন জ্বলে উঠবে সেখানে। সুতরাং মৌলবাদের তকমা ছাত্রদের গায়ে লাগানোর চেষ্টা করে লাভ নেই। আবহমান কাল ধরে আমাদের ছাত্ররা লড়াই করে আসছে সত্যের পক্ষে সেটা ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও।

১০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:০৯

কলাবাগান১ বলেছেন: এবার মেয়েদের গায়ে হাত না পড়াতে, আপনাদের মত লোকদের বাড়া ভাতে ছাই পড়েছে...আপনারা পড়ে আছেন ইস্যূ বানাতে ..... যেখানেই সার্বজনীন ব্যাপার সেখানে ই ধর্মের দোহাই

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি ধর্মের দোহাই দিচ্ছি না। যৌক্তিকতার দোহাই দিচ্ছি।

১১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:২৬

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: বাংলা নববর্ষে মংগল শোভাযাত্রা পালন নিয়ে ঢাবিয়ান/নরাধম/ দপ্তরবিহীন মন্ত্রী-র ক্রোধ/ক্ষোভ/হতাশা/আর্তনাদে ব্লগের আকাশ আজ প্রকম্পিত। কে তাদের আশা দিবে ? কে তাদের ভরসা দিবে ? কে দিবে অভয়বাণী ?

১২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৮:৩৪

শাহ আজিজ বলেছেন: ঢাবিয়ান , ওই সময়টা আমি প্রবাসে , খবরের কাগজে দেখেছি , যারা ওইসময় এটার শুরু করেছিল তারা আর কেউ নেই ওটার সাথে , প্রকল্প ক্রেডিট হাইজ্যাক করেছে কম্যুনিস্ট পার্টি সমর্থিত শিক্ষক এবং না বোঝা পোলাপান । যা নির্দেশ আসে তাই পালন হয় । আমিতো ভাস্কর তাই ধর্ম, সমাজ , দেশ আমার কাছে উহ্য , বিবিধ সংস্কৃতি আমার মুল প্রতিপাদ্য । মুখোশে আমার নিয়ত নষ্ট হয়না কারন আমার ভেতরটা খুব বুনিয়াদি ।

১৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:২২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সব কাজেই বাঙ্গালিত্ব বনাম মুসলমানিত্ব ..?

বাঙ্গালি আচার আচরন, উৎসব এসবকে ভিনদেশী দাসত্ব বলছেন? আপনার দেশ কোনটা ? আরব?
তাহলে ভাত খান কেন? ভাততো বাংগালীরা খায়। (সাচ্চা হিন্দুয়ানী খাবার, রসুলুল্লাহের আমলে কেউ ভাত খেতনা)
আপনা্রা ভাত না খেয়ে খাটি ইসলামী খাদ্য রুটি-খেজুর খান, তোশকে না ঘুমিয়ে ভ্যাড়ার চামড়া - খেজুর পাতায় ঘুমান
আর অশেষ সাওয়াব হাসিল করুন।

১৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: মঙ্গল শোভাযাত্রার পক্ষে আমি।

১৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: উইকিপিডিয়ার সুত্রনুযায়ী ১৯৮০’র দশকে স্বৈরাচারী শাসনের বিরূদ্ধে সাধারণ মানুষের ঐক্য এবং একইসঙ্গে শান্তির বিজয় ও অপশক্তির অবসান কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম বর্ষবরন উপলক্ষে এক আনন্দ শোভাযাত্রার প্রবর্তন হয়।ঐ বছরই ঢাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এই আনন্দ শোভাযাত্রা। সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগণ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এই আনন্দ শোভাযাত্রা বের করার উদ্যোগ প্রতি বছর অব্যাহত রাখে।
শোভাযাত্রার অনতম আকর্ষণ - বিশালকায় চারুকর্ম পুতুল, হাতি, কুমীর, লক্ষ্মীপেঁচা, ঘোড়াসহ বিচিত্র মুখোশ এবং সাজসজ্জ্বা, বাদ্যযন্ত্র ও নৃত্য।[৬] পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু থেকেই জনপ্রিয়তা পেয়ে আসছে। পরের বছরও চারুকলার সামনে থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়।মাহবুব জামাল শামীম নামক শুরুরদিকের একজন অংশগ্রহণকারীর কাছ থেকে জানা যায়, পূর্বে এর নাম ছিল বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা। সেই সময়ের সংবাদপত্রের খবর থেকেও এমনটা নিশ্চিত হওয়া যায়। সংবাদপত্র থেকে যতোটা ধারণা পাওয়া যায়, ১৯৯৬ সাল থেকে চারুকলার এই আনন্দ শোভাযাত্রা ''মঙ্গল শোভাযাত্রা'' হিসেবে নাম লাভ করে।

চারুকলা, তাত, কুমোর শিল্পীরা বাঙ্গালী সংস্কৃতির অঙ্গ। শিল্পীদের শিল্প প্রদর্শনে মৌলবাদীরা হায় হায় রব উঠলে তাতে পাত্তা দেবার কিছু নেই। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ আনন্দ শোভাযাত্রা ছিনিয়ে যখন সেখানে বিশেষ কোন ধর্মের প্রলেপ লাগানো হয় হয় তখনি দেখা দেয় মুশকিল। মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে এই যে এত কথা উঠছে এ কারনেই উঠছে।

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:০২

ক্স বলেছেন: মঙ্গল শোভাযাত্রা কিভাবে বাঙালি সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত জানিনা তবে বৈশাখী মেলা, হালখাতা, মিষ্টি, বাতাসা, মুড়ুলি - এগুলো কিন্তু ভালোই বিনোদনের যোগান দেয়। এগুলোকে প্রোমট করা যেতে পারে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ২:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: বৈশাখী মেলা, হালখাতা, মিষ্টি, বাতাসা, মুড়ুলি , কুমোরদের হাতে গরা মাটির তৈরী জিনিষ , বৈশাখী গান এই দেশের আবহমানকাল থেকে চলে আসা হাজার বছরের সংস্কৃতি ।এই সংস্কৃতি আমাদের ঐতিহ্য , আমাদের শিকড়। সুদুর প্রবাসেও বাঙ্গালী এই সংস্কৃতি ধরে রেখেছে।এটা কোনদিনও হারিয়ে যাবে না।

১৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১২:১৩

এ্যান্টনি ফিরিঙ্গী বলেছেন: ক্স এর সাথে একমত।

১৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


নাম তো হওয়ার কথা, "নব বর্ষের প্যারেড", বা "নববর্ষের শোভাযাত্রা"; মংগল, মুংগল বাদ দিলেই সমস্যার শেষ!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.