নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

চাঁদ দেখা, রমজান এবং সৌদিআরব

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০০

ছোটবেলা থেকেই জেনে আসছি যে রমজানের চাঁদ দেখা গেলে তার পরদিন থেকে রোজা শুরু হয়। প্রবাসে এসে দেখছি '' Islamic world follow Saudi Arabia’s announcement''। সৌদিআরবের এনাউন্সমেন্ট অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্য , তুরস্ক, এশিয়ার বৃহত্তম মুসলিম দেশ মালয়শিয়া ইন্দোনেশিয়া, ভারত , পাকিস্তান, ব্রুনাই, আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলো এবং ননমুসলিম দেশের মুসলিম অধিবাসীরা সবাই ১৭ই মে রোজা শুরু করার ঘোষনা দিয়েছে , ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশ। মুসলিম দেশগুলোর চাঁদ দেখা কমিটিগুলো বর্তমানে সৌদিআরের চাঁদ দেখা কমিটির সাথে সমন্বয় রেখে যৌথভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশই দেখছি একমাত্র ব্যতিক্রমী দেশ যেখানে প্রতি বছর সৌদিআরবের পরদিন রোজা শুরু হয় এবং ঈদও হয় একদিন পর।

বাংলাদেশের আলেমদের এ বিষয়ে একটি আলোচনায় বসা উচিৎ। মুসলিম বিশ্বের সাথে সামঞ্জষ্য রেখে এই বিষয়ে একটি গ্রহনযোগ্য সমাধানে আসা প্রয়োজন।

সবাইকে পবিত্রর রমজানের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

মন্তব্য ৪৯ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:০৯

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আপনাকেও পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:১৮

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: বিষয়টি নিয়ে আসলেই ভাবা দরকার।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমরা অত্যন্ত পরমত অসহিষ্ণু জাতি। যৌক্তিক আলোচনা আমাদের দারুন অপছন্দ। সমস্যা এটাই।

৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: যে কোন আমল কবুল হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে, সেটি শরিয়তের নির্দেশনা মোতাবেক সম্পন্ন হওয়া। মনগড়া মতো কোনো আমল করলে সেটা যত বড় আমলই হোক না কেন, আল্লাহর কাছে তা গ্রহণযোগ্য হয় না। পবিত্র রমজানের রোজাও এর ব্যতিক্রম নয়। এ মাসের শুরু ও শেষ নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর। এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (রমজানের) চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রাখবে না এবং (শাওয়ালের) চাঁদ না দেখা পর্যন্ত রোজা রাখা বন্ধ করবে না। -সহিহ মুসলিম ১/৩৪৭

এলাকা ভিত্তিক রোজা করার একটি প্রমাণ হল নামাজ। আমরা এলাকা ভিত্তিকই নামাজ পড়ি, সারা পৃথিবী একসাথে নয়। কারণ সব এলাকায় একই সাথে সকাল হয় না।

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা একটি কৃত্রিম জিনিস। দেখা যায় যদি সারা পৃথিবীতে সূর্যের হিসাবে একই সাথে ঈদ করে, তাহলে যখন হাওয়াইয়ের মানুষ যে দিন ঈদ করছে, ফিজির মানুষ তার আগের দিন ঈদ করবে। কারণ, হাওয়াইয়ে যখন সোমবার, ফিজিতে তখন মংগলবার। তাইলে একসাথে ঈদ কিভাবে সম্ভব ? হাওয়ায়ের আকাশে যে সূর্য একই সূর্য একই সময় ফিজিতে কিন্তু ফিজি একদিন আগে নিজেদের ধরে আর হাওয়াই একদিন পরে ধরে।

এমন কোন হাদিস আছে কি যাতে বলা হয়েছে সৌদি আরবকে দেখে রোজা এবং ঈদ করতে হবে ?

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অনুযায়ী সৌদিয়ারবের সাথে মিল রেখে আজ যেসব দেশে ১৭ তারিখ শুরু হয়ে গেছে সেসব দেশ রোজা রাখা শুরু করে দিয়েছ। উত্তর আমেরিয়া সব আরো যেসব দেশের ১৭ তারিখ এখনো হয় নাই, তারাও আরো কয়েক ঘন্টা পর যখন ১৭ তারিখে হবে তখনই রোজা রাখবে।

আমাদের সাথে দুই ঘন্টার ব্যবধানে আপনি মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার দিকে তাকান। তারাও কিন্তু সৌদিআরবকে ফলো করছে।একটু ভেবে দেখা দরকার যে বাংলাদেশতো এই বিশ্বের বাইরের কোন দেশ নয়। শুধু একমাত্র বাংলাদেশেই কেন একদিন পর চাঁদ উঠে?

৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: সাম্রাজ্যবাদ - পুঁজিবাদ এই শব্দগুলো বাংলার সাধারনের সাথে যায় না।
মার্ক্স - লেনিন - স্তালিন এই নাম গুলোও বাঙ্গালী নাম নয়।
বাস্তবতা বুঝে রাজনীতি করুন।
লাল চা খেয়ে দাস ক্যাপিটাল আলোচনা বাংলাদেশের রাজনীতি নয়।
স্বপ্নে বিপ্লব হয় না।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: মাথার উপড় দিয়ে গেসে আপনার মন্তব্য :)

৫| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৩১

ক্স বলেছেন: একদমই একমত না। রাসুলের (স) হাদীস "তোমরা চাঁদ দেখে রমযান শুরু কর ও চাঁদ দেখে তা সমাপ্ত কর" । এই হাদীসের বাণী বিশ্বের ৩০% মুসলিম মানতে অস্বীকার করলেও ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ইরানে বসবাসকারী ৭০% মুসলিম তা করবেনা। তারা চাঁদ দেখেই রোযা ও ঈদ করবে। গতকাল সৌদির আকাশে সন্ধ্যা ৭ টায় চাঁদের মাত্র ১% দৃশ্যমান ছিল, সন্ধ্যার আকাশে তা কোনমতেই দর্শনীয় নয়।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি কি জানেন যে আজ সব মুসলিম দেশেই রোজা শুরু হয়ে গেছে। চাঁদ দেখা কমিটি সব মুসলিম দেশেই আছে। কিন্তু এই চাঁদ দেখা কমিটিগুলো সৌদিআরবের চাঁদ দেখা কমিটির সাথে যৌথভাবে কাজ করে।

গতকালের সংবাদ ঃ Saudi Arabia and other Muslim nations, like Indonesia, declared Ramadan would not begin Wednesday based on a moon-sighting methodology. That means Muslim fasting month of Ramadan to start Thursday।

৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৩৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: ৩ ও ৫ নং মন্তব্যে আপনার উত্তর আশা করি পেয়ে গেছেন।

৭| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আজ থেকে রোজা শুরু হল। উত্তর প্রতিউত্ততর দেখলাম। ভাল লাগলো। সকলকে শুভেচ্ছা

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৮| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪৪

মুচি বলেছেন: সাহরি এবং ইফতারও তাহলে আরবের সাথে করবেন।

আপনি বলেছেন আলেমদের সাথে বসতে। কিন্তু আলেমরা বসেই এটা ঠিক করেছে।

যেসব দেশের প্রসঙ্গ তুলেছেন, ওসব দেশে চাঁদ উঠেছে বলেই রমযার শুরু হয়েছে। সৌদি আরবকে দেখে তার রমযান শুরু করেন নাই।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: সব দেশেই চাঁদ দেখা কমিটি আছে কিন্তু তারা সৌদিআরবের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করছে।

৯| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভেবেছিলাম এই উপমহাদেশে বোধহয় একই দিনে হচ্ছে। এখন নেটে সার্চ দিয়ে দেখলাম যে ''India, Pakistan declare start of Ramadan on May 17'' । তারমানে এই বিশ্বে একমাত্র ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশ।

১০| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৩০

একে৪৭ বলেছেন: ৩, ৫ ও ৮ নং মন্তব্যের সাথে সহমত পোষন করছি।

একটু লজিক্যালি ভাবুন।
আমাদের দিন শুরু হয় সৌদি-আরব থেকে ৩ঘন্টা আগে।
তার মানে আমাদের যদি সৌদির সাথে মিল রেখে রোজা রাখতে হয়, তবে আমরা সেহেরী করে রোজা বাধবো সৌদির মানুষের ৩ঘন্টা আগে!!! আপনার কথা মতো একসাথে রাখাতো যাচ্ছে না! এতো মায়ের জন্মের আগেই সন্তান জন্মের মতো হয়ে গেল তাহলে!

আচ্ছা বাদ দিন।
চাঁদ দেখেই রোজা রাখার পক্ষে যৌক্তিকতা হলঃ আজ টেকনোলজির কল্যানে আপনি জানতে পারছেন সৌদি আরবে চাঁদ উঠেছে কি ওঠেনি। কিন্তু ২০০বছর আগের কথা চিন্তা করুন, তখন আপনি কিভাবে জানতেন যে সৌদিতে চাঁদ উঠেছে কি ওঠেনি???
টেকনোলজির হেল্প কাউন্ট করেতো আপনি সহিহ হাদিসের কমান্ড চেইঞ্জ করতে পারেন না!
.
এটাই প্রমান করে চাঁদ দেখে রোজা রাখার কথা কেন বলা হয়েছে।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনিও একটু ভাবুন।বাংলাদেশের দিন শুরু সৌদিআরবের তিন ঘন্টা আগে এবং ইন্দোনেশিয়া / মাল্যেশিয়ার দিন শুরু হয় সৌদিআরবের চার ঘন্টা আগে।
আপনি আসলে টাইমজোনের সাথে ব্যপারটা গুলিয়ে ফেলেছেন। মুল ব্যপার হচ্ছে চাঁদতো একই জায়গায় উঠবে এবং যে যার রাতের বেলায় চাঁদ দেখবে। মেঘের কারনে দেখা না মিলতেও পারে। তার মানে এই নয় যে চাঁদ উঠেনি।

যখন টেকনোলজি উন্নত ছিল না তখনকার ব্যপারটা আলাদা। আজকের টেকনোলজি উন্নয়নের কারনে মুসলিম বিশ্বের চাঁদ দেখা কমিটিগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। একে অপরের সাথে মত বিনিময় করছে। আমাদের দেশের ব্যপারটা নিয়ে ভাবা উচিৎ।

১১| ১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: সহমত আপনার সাথে।

১৭ ই মে, ২০১৮ সকাল ১১:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।অনেক বেশী আলোচনা হওয়া দরকার ইস্যূটা নিয়ে।

১২| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:১০

একে৪৭ বলেছেন: দুঃখিত।
আমি আপনাকে বোঝানোর জন্যই ওটা বলেছি।
আপনি যে টাইমজোনের কথা বলছেন, তাও একটা লজিক্যাল ডিভিশন মাত্র।
.
আপনার কথা মতোইঃ "চাঁদতো একই জায়গায় উঠবে এবং যে যার রাতের বেলায় চাঁদ দেখবে"
সৌদিতে যে সন্ধায় চাঁদ দেখা গিয়েছিল, তার আগের সন্ধায়তো অন্য কোথাও দেখা গিয়েছিল!
তারও আগের সন্ধায় আরেক জায়গায়!!! আজও কোথাও না কোথাও চাঁদ উঠবে, কাল অন্য কোথাও উঠবে! এভাবে বছরের ৩৬৫দিনই কোথাও না কোথাও চাঁদ উঠছে।
.
আপনি কোনটাকে ধরবেন???
আপনি বা যে সকল চঁদ দেখা কমিটির কথা বলছেন, তারা সহমত হলেইতো হলো না!
কেবল সৌদিতে দেখা চাঁদই নতুন চাঁদ কাউন্ট করতে হবে, এমন কোন দলিল থাকলে রেফারেন্স দিন, যদি তা সহিহ্ হাদিস কিংবা কোরআনের হয়, অবশ্যই মনবো!
.
কত শত কমিটি কত লক্ষ মত দেয়, সেসব মেনে মেনে মেনে মূল ধর্মের কি অবস্থা, তাতো নিশ্চই দেখতে পারছেন।
.
নিজে পরুন, নিজের যুক্তি দিয়ে ভাবার চেষ্টা করুন। তিন আলেমের ৬ মত নিয়ে মাথা খারাপ করার দরকার নাই।
ধন্যবাদ।

১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি নিজের কোন যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করছি না। মুসলিমবিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো কি করছে তার উদাহরন দিচ্ছি কেবল।

১৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

মেমননীয় বলেছেন: জানার কোন শেষ নাই,
জানার চেষ্টা করা চাই!

ইসলামিক স্কলারদের সাথে বসে বিষয়টি জেনে নিন, ব্লগে ধর্মের কোন ভাল ব্যাখ্যা পাবেন না।

নতুন কোন নবী না এলে আপনাকে মুহাম্মদ (সঃ) এর সমাধানই মানতে হবে!

ধন্যবাদ!

১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্লগে বিষয়টা তুলে ধরেছি এই কারনে যে সারা বিশ্বের মুসলিম দেশগুলো ১৭ তারিখে রোজা শুরু। এই সব দেশেই চাঁদ দেখা কমিটি আছে।তারা সবাই যৌথভাবে কাজ করছে। একমাত্র বাংলাদেশে ১৮ তারিখে রোজা শুরু। ধর্মীয় ব্যখ্যা কেবল নিজেরা নিজেরা না খুজে অন্য দেশগুলোর সাথে এ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করে একটা যৌক্তিক সমাধানে আসা জরুরী নয় কি?

ধর্মীয় ব্যখ্যা কেবল আমরাই বুঝি বাদবাকি মুসলিম দেশগুলো নয় এটা একটু সবজান্তা সমশেরের মত হয়ে গেল না?

১৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৪

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা।

১৫| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

sb]স্থানীয় চাঁদ দেখার আগে রোজা রাখা যাবেনা।

১৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

কানিজ রিনা বলেছেন: চাঁদের তারিখ ধরে যখন রমজান তখন
চাঁদ নাদেখে রোজা কেমন হয়। আমাদের
দেশের আজান সব জায়গায় একই সময়
হয়না। দুচার মিনিট আগ পাছ করে আজান
হয়। যেমন চট্রগ্রাম আজান হয় একটা পাঁচে
ঢাকায় একটা সাতে। সেইহেতু সময়ের নির্ধারন
করে চাঁদ উঠে। চাঁদ দেখেই রোজা রাখা
উচিৎ। ধন্যবাদ।

১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: শুধু নিজেদের ভাবনাকে সঠিক ভাবাটা ঠিক না। ধর্ম আমাদের নিজস্ব কোন ব্যপার নয়। বাদবাকি মুসলিম দেশ কি করছে সেদিকে তাকাতে হবে।

১৭| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১:১৪

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: আমার মাথায়ও ঢুকছে না চাঁদতো একটাই সারা পৃথিবীর জন্য তাই না। ;)

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: নিরেট মুর্খতাকে আমরা জ্ঞান ভাবি। মুল সমস্যা এখানেই। নিজ দেশের গন্ডি পেড়িয়ে অন্য দেশে কি হচ্ছে তা জানার কোন আগ্রহ আমাদের নাই, ইচ্ছাও নাই।

১৮| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩

মেমননীয় বলেছেন: আমার নবী জানতেন, পরবর্তীতে কিছু নির্বোধ লোক আসবে যারা কিছু না জেনেই ধর্মের ব্যাখ্যা দিতে ও আলোচনা করতে আসবে।

তাই তিনি বলে গেছেন "তোমরা চাঁদ দেখে রমযান শুরু কর ও চাঁদ দেখে তা সমাপ্ত কর"।

এর বাইরে কোন কথা নাই!

১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: নেটে সার্চ দিয়ে একটা দেশও পাইলাম না যারা বাংলাদেশের সাথে আগামীকাল রোজা শুরু করছে। কেন শুধু আমরাই একদিন পর চাঁদ দেখছি? বাংলাদেশ কি এই গ্রহের বাইরের কোন দেশ?

ক্ষুদ্র জ্ঞান নিয়ে অন্যকে নির্বোধ ঠাউরানোটা জ্ঞানের পরিচয় নয়।

১৯| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:১৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
কিছু কিছু অতি মৌলবাদীদের কারনে
সহজ ইসলাম ধর্মকে জটিল করে তুলছে।
সৌদিরা যখন ইফতার করে তখন বাংলাদেশের
ওই কাঠ মোল্লারা কি ইফতার করে?

১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি টাইমজোন এর সাথে ব্যপারটা গুলিয়ে ফেলেছেন।আগে টাইমজোন কি সেটা জানা ও বোঝার চেষ্টা করুন।

২০| ১৭ ই মে, ২০১৮ দুপুর ২:১৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: the holiest month of Islamic lunar calendar, begins after Shaban month ends. চাঁদ দেখাদেখি নিয়ে ভিন্নমত থাকলে অভিন্ন ইসলামিক ক্যলেন্ডার হওয়াটা সম্ভব নয়। এই কারনেই আজকের বিশ্বে মুসলিম দেশগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। বিভিন্ন দেশের ইস্লামিক স্কলাররা যৌথভাবে বসে ডিসিশন নিচ্ছে।

২১| ১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চলে সৌদিদের সাথে তাল মিলিয়ে
রোজা রাখছে, ঈদ করছে। রোজার দিন ঈদ করা আর
ঈদের দিন রোজা রাখার মতো গর্হিত কাজকে আপনি
সমর্থন করলেও আমরা করিনা। আমরা আমাদের দেশে
চাঁদ দেখার পরদিন রোজা রাখি আবার চাঁদ দেখার পরদিনই
ঈদ করি। কোনটা সঠিক আর কোনটা ভুল আপনি ভালো
আলেম ওলামাদের সহবতে গেলে বুঝতে সক্ষম হবেন।

২২| ১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ইসলাম সহজ সরল ধর্ম।

২৩| ১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৬

নতুন বলেছেন: এই বার তো মনে হয় ১৬ তারিখে সব খানেই চাদ দেখার কথা.... এবং ১৭ তারিখে রোজা রাখা উচিত...


https://www.moonsighting.com/visibility.html

অবশ্য চাদ দেখে রোজা রাখার বিধান মানলে সৌদি বা আরবের সাথে ১ দিনের হেরফের হতেই পারে।

এতে তেমন সমস্যা হবার কথা না। কারন নামাজ, আজান, স্থানীয় সময়েই হয়। সারা বিশ্বে এক সাথে হয়না।

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: বহু আগের যুগে যখন এক দেশের সাথে আরেক দেশের কোন যোগাযোগ ছিল না, তখনকার ব্যপারটা ছিল ভিন্ন। কিন্তু এখন বর্তমানে একেক দেশে একেক দিন রমজান শুরু করার ব্যপারটা একেবারেই যৌক্তিক নয়। বিভিন্ন দেশে ইসলামিক স্কলাররা এখন তাই এ নিয়ে কাজ করছে। অধিকাংশ মুসলিম দেশ বহু বছর ধরে সৌদিআরবের সাথে সামঞ্জষ্য রেখে রোজা শুরুর ঘোষনা দিচ্ছে। একমাত্র এই উপমহাদেশ এর ব্যতিক্রম। তাও এবার দেখলাম ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান ১৭ তারিখে প্রথম রমজান ডিক্লেয়ার করেছে।

২৪| ১৭ ই মে, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: চাঁদ দেখা না গেলেও কেন সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা রাখতে হবে? বাংলাদেশ একা নয়। ভারতেও বিভিন্ন রাজ্যে ১ দিন ব্যবধান হয়ে যায়। এবার তুর্কিরা সৌদি আরবের ১ দিন আগে শুরু করে দিয়েছে। সৌদিকে ফলো করতে হবে না। এখন বিজ্ঞান অনেক উন্নত। চাঁদ উঠেছে কিনা তা যে কোন দেশই যাচাই করতে পারে...

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: Scientific predictions
Astronomers calculate that Ramadan's new moon will be born on May 15 at 11:47 GMT, but its visibility on the first night may only be possible with specialised equipment.

Since 2017, Saudi Arabia and other Arab countries have used specialised infrared digital cameras that can photograph the new moon, otherwise invisible to traditional telescopes due to their limited optical range.

If such equipment is used again this year, Saudi Arabia will likely observe the first day of Ramadan on May 16.

২৫| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৮:৫৬

সোহানী বলেছেন: কানাডায় আসলে বুঝবেন ঈদ রোজা নিয়ে কি তামাশা চলে। আখানে একেক গ্রুপের হুজুররা একেকটা ফলো করে। কোনভাবেই একদিনে ঈদ হয় না বা তারা এক মতে আসে না। খুব বাজে অবস্থা। ভিন্ন ধর্মের লোকেরা আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করে।

তবে আমিও জানি যে হাদিসে আছে চাঁদ দেখার কথা। আর সৈাদিদের কোন কিছুই পছন্দ করি না। এরা একটা বর্বর জাতি।

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আজকাল astronomical calculations এর উপড় জোর দেয়া হচ্ছে কেননা চাদঁতো একটাই আর সবাই একই পৃথীবির বাসিন্দা।বিধর্মিদের হাসাহাসি করার ইস্যূতো আমরাই তুলে দিচ্ছি।

তবে সৌদিআরব কেমন জাতি বা কেমন তাদের শাষক তা ভিন্ন ইস্যূ। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

২৬| ১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:০১

ইনাখ বলেছেন: আজ ১৭ই মে বাংলাদেশে ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কত তারিখ ছিল ? সাবান মাসের ৩০ তারিখ হবার কথা |আমি কয়েকটা সংবাদপত্রে গতকাল বুধবার দেখেছি শাবান ৩০ | তাহলে আজ সতেরো তারিখ রমজানের ১ তারিখ হবার কথা | আমেরিকার বেশির ভাগ জায়গায় আজ মে ১৭ তারিখ থেকে রোজা সুর হয়েছে |কিন্তু এখানে কিছু কিছু স্টেটের কিছু মসজিদ অনুসারীরা ও ইউরোপের কিছু জায়গাতেও সম্ভবত ১৬ তারিখ থেকে রোজা শুরু হয়েছে | কিন্তু দুটো ক্ষেত্রেই শাবানের ২৯ বা ৩০ তারিখ পূৰণ করে রোজা শুরু হয়েছে | আরবি মাসতো ৩১ দিনের হয় না | চাঁদ দেখতেই হবে সেটাতো না |২৯ তারিখে চাঁদ না দেখা গেলে একদিন বেশি হিসেবে করে শাবানের ৩০ দিন পূরণ করে তারপর রোজা রাখতে হবে | একই ভাবে ২৯ দিনের দিন চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ রোযা পূরণ করতে হবে আর তার পরের দিন ঈদ | সারা পৃথিবীতেই মনে হয় গতকাল শাবানের ৩০ তারিখ হিসেবে করা হয়েছে (এমন কি বাংলাদেশের কিছু সংবাদপত্রের হিসেবেও ! )সেই হিসেবে আজ সতেরোই বৃহস্পতিবার রমজান মাসে ১ তারিখ থেকে রোজা হবার কথা ছিল |বাংলাদেশে শুক্রবারে রোজা কেমন করে হলো সেটাইতো বুঝলাম না | সরকারি ঘোষণায় এর কি কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে যে আজ ১৭ তারিখ শাবানের কত তারিখ?

১৭ ই মে, ২০১৮ রাত ৯:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশ তাহলে দেখা যাচ্ছে ৩১ দিনে মাস শেষ করেছে!

২৭| ১৮ ই মে, ২০১৮ ভোর ৫:০৮

পিকো মাইন্ড বলেছেন: ইসলাম কখনও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল ছিল না। খালি চোখে চাদ দেখে সাহাবীগণ সিয়াম পালন করেছেন এবং আমরাও করবো। স্থানীয়ভাবে সিয়াম পালনের অনেক যুক্তি আছে। সর্বোপরি, রাসুল (স.) ও সাহাবীগণ এ বিষয়ে যদি প্রযুক্তির সহযোগিতা না নেয় তাহলে আপনি শুধু শুধু ফিতনা সৃষ্টি করছেন কেন? ঐক্য তৈরির আরও অনেক ক্ষেত্র আছে।

১৮ ই মে, ২০১৮ সকাল ৭:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি কোন ফিতনা তৈরীর চেষ্টা করছি না। অধিকাংশ মুসলিম দেশগুলো কি করছে তা জানানোর চেষ্টা করছি। আপনি বাংলাদেশকে এই গ্রহের বাইরের একটি মুসলিম দেশ ভাবলে সেটা ভিন্ন কথা। তা নাহলে সারা বিশ্বে ১৭ তারিখে রোজা শুরু হয়েছে আর বাংলাদেশ একা কেন ১৮ তারিখে রোজা শুরু করেছে তা নিয়ে একটু হলেও ভাবতেন।

সরকারের সমালোচনা করলে রাজাকার, আলেমদের সমালচনা করলে ফিতনা!!এক আজব দেশ আমাদের।

২৮| ১৮ ই মে, ২০১৮ সকাল ৮:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ইসলামের জন্মস্থান সৌদিআরব। সৌদিআরব astronomical calculations এর উপড় জোড় দিয়ে specialised infrared digital camera দিয়ে চাঁদ দেখে রোজা ডিক্লেয়ার করছে। অধিকাংশ মুসলিম দেশ তাদের সাথে সামঞ্জষ্য রেখে রোজা ডিক্লেয়ার করছে। ১৪০০ বছর আগে মুসলিম শুধুই মধ্যপ্রাচ্যে ছিল। এখন মুসলিম জাতির বসবাস দুনিয়া জুড়ে। তাই চাঁদ দেখা ইস্যূতে গ্রহনযোগ্য সমাধানটা জরুরী।

২৯| ১৮ ই মে, ২০১৮ সকাল ৯:০০

সনেট কবি বলেছেন: সৌদি আরবের সাথে মিল করতে আল্লাহ ও নবি (সাঃ) বলেননি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.