নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ম যার যার উৎসব সবার

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৬

'ধর্ম যার যার উৎসব সবার'' এই বাক্যটাতে আজকাল দেখছি অনেক মানুষের এলার্জি। আজ থেকে বিশ ত্রিশ বছর আগে ইন্টারনেট নামক কোন বস্তু ছিল না। হাজার হাজার মানূষের সাথে মতবিনিময় হবার কোন রাস্তা ছিল না। সীমিত গন্ডির মাঝে ছিল মানুষের পদচারনা।ইন্টারনেটের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ভারী ভারী তত্ব বা ভাষ্যের সাথে ছিল না মানূষের পরিচয়।

শৈশবে হিন্দু প্রতিবেশীর পুজার নারু, লুচি, সব্জি বা ক্রীস্টান পরিবারের কিস্মাসের কেক খাবার সময় কোনদিন কেউ মনে করিয়ে দেয়নি যে এই খাবার খাওয়া যাবে না। তারাও আমাদের শবে বরাতের হালুয়া রুটী, রোজার ইফতার দারুন উপভোগ করত। পুজায় বন্ধুদের সাথে মন্ডপ পরিদর্শন করেছি, ক্রিসমাসে বন্ধুর বাসার ঝলমলে ক্রিস্মাস পার্টীতে গিয়েছি আবার তারাও আমাদের ঈদের দিনে নতুন জামা কাপড় পড়ে ঈদের আনন্দে সামিল হয়েছে। কোনদিন মনে হয়নি যে তাতে আমাদের জাত/ ধর্ম চলে যাচ্ছে।

এখন টেকনোলজি উন্নত হয়েছে। বেড়েছে চেনাজানার গন্ডী। কিন্ত মানুষে মানুষে বাড়ছে বিভেদ, অবিশ্বাস। হাজারো মানুষের সাথে মতবিমিময় মানুষকে উদার করার পরিবর্তে করে দিচ্ছে সংকীর্ন মনের অধিকারী। ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভেদের সীমারেখা হিসেবে যা কোনদিনই কাম্য নয়।একদল অতিমাত্রায় ধর্মকে উচ্চ মাত্রায় তুলতে চাচ্ছে তো আরেক দল তা টেনে নামাতে বদ্ধপরিকর। এই ধরনের হিংসাময় পরিবেশ নতুন প্রজন্মের বাচ্চাদের বেড়ে ওঠার জন্য কোন অবস্থাতেই সুস্থ পরিবেশ নয়। তাই সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সকল ধর্মের সমন্বয়ে একটি সুস্থ সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করার দায় আপনার আমার সবার।

সামু ব্লগের ব্লগারদের শারদীয় শুভেচ্ছা।

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টানেরা মুসলমানদের দেয়া সব খাবারই আগের নত খাচ্ছেন, দাওয়াত করলে আসছেন; সমস্যায় পড়ে যাচ্ছেন মুসলমানেরা, তারা অন্য ধর্মের লোকদের খাবার আগের মত খেতে চাচ্ছেন না, অর্থনীতি আগের থেকে ভালো হয়েছে, মনে হচ্ছে!

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের ছেলেবেলায় দেখেছি সব মায়েদের এই বিষয়ে সচেতন থাকতে যেন অন্য ধর্মের লোক খাবার খেতে গিয়ে বিব্রতবোধ না করে। সবাই এই জিনিষটা মেইটেইন করত। পারস্পরিক বিশ্বাসটা এত মজবুত ছিল যে, কাউকেই বিব্রত হতে হত না। তারপরেও কেউ না খেতে চাইলে সেটাকেও শ্রদ্ধার দৃষ্টিতেই দেখা হত।এখন সেই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসবোধটা উবে গেছে।

২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে যদি আমরা আগে ধর্ম টাকে বড় করে না দেখে, মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
ধর্মই মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ তৈরি করেছে।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধর্ম পালনকে যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে বিবেচনা করলেই আসলে সমস্যা অনেক কমে যায়।

৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১৭

এ.এস বাশার বলেছেন: আসলে আমরা জানি কম বুঝি বেশি.....

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত

৪| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:২০

রানার ব্লগ বলেছেন: অন্য ধর্ম নিয়ে নাক সিটকান ভাবটা সাউথ এশিয়াতে বেশি

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ঠিকই বলেছেন।

৫| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৬

সৈকত জোহা বলেছেন: ধর্ম আর রাজনীতির সংমিশ্রণ এর প্রধান কারণ

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: এইটাই আসল কারন। ধর্মকে রাজনীতিতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায় রাজণীতিবিদেরা। মানুষের মাঝে বিভেদের দেয়াল তুলে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করতে চায়।

৬| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৪

নজসু বলেছেন: কথা মন্দ বলেননি।
শৈশবের স্মৃতি যখন তুলে ধরেছেন-
তখন বলতে হয়, আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।
শবে বরাত, রোজার কথা আলাদা।
আমি মনে করি, কিছু মুসলমান এই দুইটাকে খানাপিনার উৎসব মনে করে।

হিন্দুদের প্রধান উৎসব দূর্গাপূজা দেখতে অনেক মুসলমান মন্ডুপে যায়।
তারা ঢোলের তালে তালে নাচে। রং মাখামাখি করে। আনন্দ করে।

অথচ, মুসলমানদের প্রধান উৎসব ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযহার মাঠে কোন হিন্দুকে দেখা যায়না।

আমি কথার পিঠে কথা বললাম।
আমি আপনার পোষ্টের বিপক্ষে নই।
উৎসবে আনন্দে মেতে উঠবে সবাই।
কিন্তু সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে নিজেদেরকে ছোট না করে।

আমাদের হিন্দু প্রতিবেশী আছেন। আমি এখনও তাদের দেয়া নাড়ু, মোয়া খাই। গতকালও খেয়েছি।
ঈদে তারাও আমাদের বাসায় খাওয়া দাওয়া করেন। তাই বলে তাদের সাথে ঢোলের তালে নাচা বা তাদের সাথে সিঁদুর বা রং খেলায় মেতে ওঠা মনে হয় ঠিক নয়। যা অনেকে করে থাকেন।

আপনাকেও শারদীয়ার শুভেচ্ছা।
আনন্দ অমলিন হোক।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: মুসলমানদের প্রধান উৎসব ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযহার মাঠে কোন হিন্দুকে দেখা যায়না।এই ব্যপারটার আমার দ্বিমত আছে।।কারন উৎসবে অংশগ্রহন করার মানে কিন্তু ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করা নয়। সেই বিষয়টা অবস্যই সবার খেয়াল রাখা উচিৎ।

৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১৪

নজসু বলেছেন: হ্যাঁ ভাই আমি আপনার সাথে গলা মিলিয়ে বলতে চাই
উৎসবে অংশগ্রহন করার মানে কিন্তু ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করা নয়। সেই বিষয়টা অবস্যই সবার খেয়াল রাখা উচিৎ।

কিন্তু ঐ যে বললাম-
তাদের সাথে ঢোলের তালে নাচা বা তাদের সাথে সিঁদুর বা রং খেলায় মেতে ওঠা মনে হয় ঠিক নয়। যা অনেকে করে থাকেন।

উৎসবে মেতে উঠতে দোষ নাই।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত

৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

কে ত ন বলেছেন: সবাই আপনার সাথে তাল দিচ্ছে, আমি তাই একটু পেরেক মারতে এলাম।
হিন্দু ধর্মে যেটা এবাদত, ইসলাম ধর্মে সেটা গুনাহ নম্বর ১। অন্য সব গুনাহের তওবা করলে ক্ষমা হয়, কিন্তু শিরকের কোন মাফ নেই।

পূজা একটা আনুষ্ঠানিক শিরক, সেখানে প্রকাশ্যে শিরকের চর্চা হয়। এ ধরণের অনুষ্ঠানে যাওয়া বা পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখা এই আনুষ্ঠানিক শিরকের স্বীকৃতি দেবার শামিল। কোন ঈমানদার জেনে বুঝে এ কাজ করলে তিনি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করলেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেখানোর অনেক ক্ষেত্র আছে । পূজা মন্ডপে গিয়ে আপনার নিজেকে অসাম্প্রদায়িক প্রমাণের কোন প্রয়োজন নেই।

পূজার নাড়ু, মিষ্টি, সবজি, লুচি এগুলো অর্চনার উপকরণ হিসেবে দেবীর ভোগের জন্য দেয়া হয়। উপকরণের দিক থেকে এই খাবারগুলো হালাল হলেও কার্যকরণের দিক থেকে তা হারাম। এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে আমি জবাব দেব। কিন্তু এইসব খাবার হারাম - এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

আমার শৈশবের বন্ধু ধীমান দত্তের মায়ের রান্নার আমি একজন একনিষ্ঠ ভক্ত। বিশেষ করে তার মুরগির তরকারি। মুরগি পেপে আলু আর টমেটো দিয়ে তিনি একটি তরকারি রান্না করেন, সেটি হোটেলে বিক্রি করলে নিঃসন্দেহে কোটিপতি হয়ে যেতেন। আমাকে তিনি বিশেষ স্নেহ করে এই তরকারিটি রান্না করে খাওয়াতেন। ধর্মভীরু এই পরিবারটি মুরগি জবাই দেবার সময়ে জগন্নাথ দেবের নাম মুখে উচ্চারণ করে। কেবল আমাকে দাওয়াত করা হলে আমার সামনে কোন কিছু না বলেই জবাই দেয়। কেননা কোন দেব দেবীর নাম উচ্চারণ করে মুরগি জবাই দিলে হালাল মুরগির মাংসও হারাম হয়ে যায়। এই পরিবারের সাথে আমার পরিবারের যে সম্পর্ক তাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি না বলে কোন উপায় নেই।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: কেউ যদি অতি ধার্মিক হবার কারনে অন্য ধর্মের উৎসবে যোগ দিতে না চায় সেটা অশ্রদ্ধা করার কিছু নাই। কিন্ত যারা যোগ দেয় তাদের আজেবাজে কথা শোনানোটা সংকীর্নতার পরিচয় বলে মনে করি। কেউ যদি পুজা মন্ডপে গিয়ে পুজায় অংশগ্রহন করে তবে সেটাকে আপনি শিরক করা বলতে পারেন। স্রেফ বেড়াতে যাওয়াকে শিরক করা বলাটা পুরোপুরি অযৌক্তিক। আর খাবারের ব্যপারটাও তাই। নিজের ধর্মের বিধিনিষেধ জেনেই সবাই খেতে চেষ্টা করে। খেতে না চাইলেও সেটাকে অশ্রদ্ধা করার কিছু নাই। আমি নিজে অমুসলিমদের দেয়া খাবার যদি ভেজিটেরিয়ান হয় তবে খাই। কারন আমি জানি যে মাংশের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ আছে যেটা আমাকে মেনে চলতে হবে। নিজ ধর্মের বিধিনিষেধ মেনে চলে অন্য ধর্মের উৎসবে অংশগ্রহন করাটাকে তাই আমি কোনভাবেই অনৈতিক বা অধার্মিক বলে মনে করি না।

৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:২২

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: ভাল পোস্ট , ধন্যবাদ ।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

১০| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধর্ম যার যার উৎসবও তার তার ! ইহাই ধর্মবেত্তাদের অভিমত।

১১| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:১৬

চোরাবালি- বলেছেন: ইসলাম ধর্মে অন্যের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ করা যাবে না। আবার তাদের ধর্মীয় কাজে বাধা প্রদান, তাদের বিরক্ত করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আবার হিন্দু ধর্মেও কিছু রীতি আছে যে গুলি হিন্দুদের জন্য পালনীয়। যেমন হেসেল বা রান্না ঘরে অন্যধর্মালম্বীদের প্রবেশ নিষেধ। দেব/দেবী আহার অন্যদের ধর্মালম্বীদের ধরা নিষেধ। ইত্যাদি।
এগুলি যারা মানবে ধর্ম তাদের জন্যই। ধর্মের ভিতর থেকে অন্য ধর্মের আচার অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

১২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৫

কে ত ন বলেছেন: আপনি কি মনে করেন বা না করেন, সেটা আপনার ব্যাপার। সেটা প্রকাশ করার অধিকারও আপনার আছে। কিন্তু আমার দায়িত্ব হল আপনার এই ওপেন মাইন্ড এটিচিউডের কারণে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হয়, সেটা দেখা।

পূজা মন্ডপে গিয়ে পূজায় অংশ নিলে সেটা শিরক, কিন্তু ঘুরতে গেলে সেটা শিরকের স্বীকৃতি, যেখানে কুরআনের ইন্সট্রাকশন হচ্ছে এ ধরণের কাজকে ঘৃণার চোখে দেখা। হিন্দুদের এমন সব রিচুয়াল, যেখানে পূজা নেই, এমন অনুষ্ঠানে যান, উৎসব করুন, কেউ কিছু বলবেনা। কিন্তু কেবলমাত্র পূজার অনুষ্ঠান এভয়েড করুন। এতে কারো কোন ক্ষতি নেই, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের নতুন নজীর তৈরি হবে।

১৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৮

নীল আকাশ বলেছেন: এই ধরনের ভন্ডামি নতুন শুরু হয়েছে........একটু আগেও দেখলাম আরেক জন একি গলায় কথা বলেছে...।
যেটা সরাসরি ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে সেটা কিভাবে মানুষ খন্ডাবে, কি আজব আজব কথা? সবাই দেখি আজকাল ২ পাতা পরে ফিকহ বিদ হয়ে গেছে.......
ইসলাম নিয়ে এত অল্প জেনে কাউকে কিছু বলতে আসবে না। আপনি কি জানেন না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে কাউকে অনুকরণ করে, সে তাদের মধ্যে অন্তর্গত হয়"।

ইসলাম নিয়ে কথা বলার ব্যাপারে সাবধান হোন। কোন রকম বিদায়াত প্রবেশ করানোর চেস্টা করবেন না।
কারন প্রতিটা কাজের জন্য একমাত্র আপনাকেই জবাব দিতে হবে.....সেদিন পাশে কাউকে পাবেন না......সাবধান....

১৪| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধর্ম নিয়া কথা বলিলে ধর্মবেত্তাদের অভিমততো আসিবেই! কারণ তাহারাই ধর্ম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। আপনার যে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আছে সেই বিষয়ে মতামত দিন , গ্রহণযোগ্য হইবে। যে বিষয়ে আপনি বিশেষজ্ঞ নহেন সে বিষয়ে নিজের মতকে প্রতিষ্ঠিত করিতে চাওয়াটাই মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা।

আপনি তো আপনার অভিমত অন্যদের মাঝে প্রকাশ করিতেছেন, ধর্মবেত্তাগন প্রকাশ করিলে আপত্তি কেন ?

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধর্মবেত্তাগন আমাদের ওপড় তাদের মতবাদ জোড়পুর্বক চাপিয়ে দিতে চায়।

১৫| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:১৩

এ আর ১৫ বলেছেন: এই বিষয় নিয়ে গত বৎসর একটা পোষ্টিং দিয়েছিলাম -- টাইটেল --- ধর্মীয় উৎসব নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি কবে বন্ধ হবে
এখানে কে ত ন মার্কা যারা আছেন -- তারা সঠিক জবাব পেয়ে যাবেন নীচের লিংকের লেখাটি পোড়লে , ধন্যবাদ
ধর্মীয় উৎসব নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি কবে বন্ধ হবে

১৬| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:১৬

পুকু বলেছেন: মনে হয় আমি আপনাদের চাইতে অনেক বেশী ভাগ্যবান।নরকে বা স্বর্গে কোথাও যেতে আপত্তি নেই।করবো সেটাই যা আমার মনে হবে ভাল কারণ আমার জানাশোনা কেউ স্বর্গ বা বেহেস্ত,নরক বা দোজোখে যাতায়াত কখনো করেনি বলে জানি।শুধু এইটুকু বুঝলাম যে মানুষের মাঝে স্বর্গ নরক মানুষই সুরাসুর।এই পৃথিবীই আমার বেহেস্ত,এই পৃথিবীই আমার দোজোখ বাকি মানুষের মনগড়া আকাশকুসুম কল্পনা।ভাবনাচিন্তা, বিশ্বাস অবিশ্বাস,ধর্ম অধর্ম সবকিছুই বিবর্তন হয়। তা যদি না হয় তবে সেই ছোটোবেলার কবিতাটা মনে পড়ে যায়--"যে নদী হারায় স্রোত চলিতে না পারে,সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে।"পরিবর্তনশীল জগতে পরিবর্তনই কাম্য এবং সেটা আমাদের চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গির। শেষে সবাইকে শারদীয়ার অভিনন্দন ও ভালবাসা।ভাল থাকবেন।আনন্দে থাকবেন।সুখেণ ভবতু।

১৭| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধর্ম যার যার উৎসব সকলের - কথাটির মানে কি? এই কথাটির মানে হচ্ছে, যে যার ধর্মীয় আচার, প্রথা অনুযায়ী নিজেদের মত করে পালন করবে কিন্তু উপলক্ষটিকে কেন্দ্র করে যে আনন্দ আয়োজন সেখানে চাইলে সবাই অংশগ্রহন করতে পারবে। এই নিয়ে ফতোয়া দেয়ার কিছু নাই। এই অংশগ্রহন মানে এই নয় যে আপনি মুসলিম হিসেবে পুজা মন্ডপে গিয়ে পুজো দিয়ে আসবেন, এই অংশগ্রহন মানে এই নয় যে আপনি হিন্দু হিসেবে ঈদগাহ তে গিয়ে ঈদের নামাজ পড়ে আসবেন। ধর্ম যার যার উৎসব সকলের কথাটির প্রকৃত অর্থ হচ্ছে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, শ্রদ্ধাবোধ তৈরী করা। একে অন্যের উৎসবকে সম্মান জানানো। ধর্মকে শুধু বই দিয়ে পড়ে অনুভব করলে চলবে না, ধর্মকে মানবিকতা দিয়েও অনুভব করতে হবে। কারন ধর্ম মানুষের জন্য, অমানুষের কোন ধর্ম নেই। পাশাপাশি, প্রতিটি ধর্মের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন আছে, পবিত্রতা রক্ষার নিজস্ব কিছু বিচার বিবেচনা আছে। আশা করি ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিরা তা অনুসরন করে চলবে।

শুভেচ্ছা রইল।

১৮| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:০৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ধর্ম যার যার উৎসব সবার এইটা পুরাই অনৈসলামিক কথা। সাহাবী জঙ্গি খলিফাদের অনুসরন করলে এই কথাটা মিথ্যা ও শিরক পরিনত হয়


ধর্ম যার যার উৎসব সবার এইটা পুরাই অনৈসলামিক কথা। সাহাবী জঙ্গি খলিফাদের অনুসরন করলে এই কথাটা মিথ্যা ও শিরক পরিনত হয়


১৯| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি যে কথাটা বলতে চাচ্ছিলাম সেইটাই অত্যন্ত সুন্দরভাবে কাল্পনিক -ভালবাসা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

২০| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:০২

কে ত ন বলেছেন: কাল্পনিক ভালোবাসা সুন্দর করে বুঝিয়েছেন, কিন্তু আপনি বুঝাতে পারেননি। আমি কিছুটা বুঝাতে চেষ্টা করছি। অন্য ধর্মের কোন উৎসবে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কেউ অংশগ্রহণ করায় আইনগত, সামাজিক বা যুক্তিগতভাবে অন্যায়ের কিছু নেই। কিন্তু ইসলামের দর্শন অন্য সমস্ত ধর্মের চেয়ে আলাদা। হিন্দু ধর্মে যা পূণ্যের কাজ, ইসলামে তা সবচেয়ে বড় পাপ। দুর্গাপূজা ইসলামের দৃষ্টিতে একটা জঘন্যতম পাপ। আল্লাহর অবস্থান এবং সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে এই উৎসব। তারপরেও, এটা হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান বিধায় এতে কোন রকম বাধা দেয়া বা বিপত্তি সৃষ্টি করা ইসলামের দৃষ্টিতেই অনুচিত।

কিন্তু তাই বলে এই অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়া, মন্ডপের সামনে নাচানাচি করা বা প্রসাদ খাওয়ার ব্যাপারে ইসলামে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আছে। আইন অনুযায়ী আপনি ইসলামের বিধি নিষেধ মানতে বাধ্য নন। কিন্তু ইসলামের অনুসারী হিসেবে আপনি যদি আল্লাহর সুপেরিওরিটি স্বীকার করতে চান, তবে কোনভাবেই এইসব অনুষ্ঠানের সঙ্গে নিজেকে জড়াবেন না। যদি তা করেন, তবে তাওবা আস্তাগফির করেও কোন লাভ হবেনা। কারণ "অন্য সকল অপরাধ আল্লাহ ক্ষমা করেন, কিন্তু শিরকের অপরাধ আল্লাহ ক্ষমা করেন না"

তাহলে যে স্থানে শিরকের মত অপরাধ হচ্ছে, সেখানে আপনার যাবার প্রয়োজনটা কি? সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জাহির করার জন্য? আমি তো জীবনে কোনদিন কোন পুজা দেখতে যাইনি, তাই বলে হিন্দু মহলে আমার গ্রহণযোগ্যতা তো একটুও কমেনি, বরং আমার একটা আলাদা মর্যাদা তৈরি হয়েছে - সে কেবল আমার ধর্মে অবিচল আস্থা এবং ওদের ধর্মীয় রীতিনীতিতে শ্রদ্ধাবোধের কারণে। আমার হিন্দু বন্ধুরা যদি বিপদে পড়ে, আল্লাহ সাক্ষী, মুসলমান বন্ধুদের বাঁচানোর আগে আমি হিন্দু বন্ধুদেরকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাব।

নিজের ধর্মীয় বিধি বিধানের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল থাকুন। অন্যের ব্যাপারে সহনশীলতা মেনে চলুন, তাহলেই সম্প্রীতি বজায় থাকবে - মেকী সম্প্রীতি দেখিয়ে কোন লাভ হবেনা।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেশের প্রধানমন্ত্রীরতো পুজামন্ডপ পরিদর্শন দ্বায়িত্বের মাঝেই পড়ে। বিরোধি দলও পিছিয়ে নেই।
পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা।
http://www.sagorkonnya.com/124693

২১| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:০২

সাইন বোর্ড বলেছেন: সব কিছুর মূলে হলো মানুষ, মানুষকে ভাল না বেসে কোন ধর্ম পালন হয় কিনা, অামার জানা নাই ।

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: দারুন একটা কথা বলেছেন। আসলেই সবার উপড়ে মানুষ সত্য , তার উপড়ে নাই।

২২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮

কিরমানী লিটন বলেছেন: ধর্ম যার যার- ধর্মীয় উৎসবও তার তার, তবে সম্প্রীতি বজায় রাখার দায়িত্ব- সবার...

২৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার - এগুলো কিছু ধর্ম নিরপেক্ষ লোকদের আবিস্কার। ধর্ম যার, উৎসব-ও তারই হবে। দাওয়াত, সৌজন্যতা এগুলো আলাদা ব্যপার। কেতন ভালোভাবে কয়েকটা মন্তব্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

আগে মানুষ ইসলাম কম জানত, তাই কম বুঝত। এখন বেশী জানে, বেশী বুঝে(পালন করা যার যার নিজস্ব ব্যপার)। তাই এখন মিলাদ, মেজবান, মাজার পূজা, শবে বারাতের মোমবাতি অনেক কমে গিয়েছে। কারণ, সচেতন মুসলিমরা জেনেছে এগুলোর ভিত্তি নেই ইসলামে।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: বড়ই দুঃখের কথা যে ইহুদি নাসারাদের আবিস্কার করা ইন্টারনেট থেকে ্মানুষ ইসলাম সম্পর্কে জানছে!! এর আগে মানুষ জানত না , বুঝত না!!

এইসব কথা বলে মানুষ উলটো ইসলামকে ছোট করছে। আমাদের মা বাবারা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নয়। নানা দাদারাতো নয়ই। কিন্তু তারা যে নিষ্ঠা ও সততার সাথে ধর্ম পালন করত বা এখনও করছে তার ১০% সততা ও নিষ্ঠা এই ইন্টারনেটের যুগের মানুষের মাঝে নাই।

২৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৭

অগ্নিবেশ বলেছেন: অবশেষে তালগাছ স্বীকার করেছেন যে যতবেশী ইসলাম জানবে ততবেশী ঘৃনা বাড়বে ভেদাভেদ বাড়বে।
ধার্মিকগন নিজেদের ধর্মকেই শ্রেষ্ঠ মনে করে, অন্যধর্মকে মনে করে চ্যাটে** বা* তাই ভিন্নমতের মানুষদেরকে
সম্মান দেবে কি করে? গোড়ার গলদ যাই হোক একজন তো স্বীকার করেছে।

২৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

মিখু হোসাইন তিতু বলেছেন: এই বাক্য টা সুধু পুজা এলেই শুনি,কই ঈদেতো কউকে বলতে দেখি না।

কারন কিছু মুসলিম তাদের ওই আনন্দ উৎসব উপভোগ করার জন্যই বলছে,
আর তার সাথে সাথে হিন্দুরাও তাল মিলাচ্ছে....

আমি ছোট বেলা পুজা দেখতে গিয়ে নারু ও তাদের মোয়া বা প্রশাদ খেয়েছি।
কিন্তু আমি কখনো দেখিনি তারা আমাদের ঈদে কারো ঘরে সিমাই খেয়েছে।

তাদের থেকেই এসেছে জাত যাওয়ার কথা....
হিন্দুরা যেমন গোমাংসে বারন,তেমনি আমাদের মুসলিমদেরও কিছু কিছু বারন আছে.... সেটা মানাই কি খারাপ...!!!!

যার যার মত চলতে দিননা...তাদের কথা নিয়ে পুনরায় কেন সমালচনা করেন।
সব মানতে পারি আর না পারি...তাই যে মানে তার মানায় যেন বাধা হয়ে না দাড়াইই।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাক্যটার মানে বুঝতে হলে ব্লগার কাল্পনিক ভালবাসার কমেন্টটা পড়ুন ।
আপনি লিখেছেন যে ''আমি কখনো দেখিনি তারা আমাদের ঈদে কারো ঘরে সিমাই খেয়েছে।''
আপনি যেটা দেখেন নাই মানেই যে সেটা আর কোথাও হয় না এমনটা মনে করার কোন কারন নাই।

২৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:১৫

মিখু হোসাইন তিতু বলেছেন: লেখক ভাই আপনি বোধয় কাল্পনিক ভালোবাসার এই লেখাটুক পড়েনন নাই-

পাশাপাশি, প্রতিটি ধর্মের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন আছে, পবিত্রতা রক্ষার নিজস্ব কিছু বিচার বিবেচনা আছে। আশা করি ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিরা তা অনুসরন করে চলবে।

২৭| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমি মনেহয় এই প্রথম আপনার পোষ্টে ও কমেন্টে একমত হলাম। ধন্যবাদ।

২৮| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১৬

আব্দুল্লহ আল মামুন বলেছেন: আমি নতুন করে কোন মন্তব্য না করে শুধু সূরা কাফিরুনের বঙ্গানুবাদ ও শানে নযূল এখনে উল্লেখ করলাম। এটা যদি কোন মুসলমান জানে এবং তারপরও যদি এসব উৎসবে যোগ দেয়, তবে সে কি আল্লাহ ও রাসুলের বিরোধিতা করল না?

আল্লাহ্ সুবহানাহু তা’আলা নির্দেশ দিচ্ছেন তাঁর নবী মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে, তিনি যেন সুষ্পষ্ট ও প্রকাশ্য ভাবে কাফেরদের সামনে ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহকে বাদ দিয়ে প্রকাশ্যে গোপনে তারা যাদের ইবাদত করে থাকে তা থেকে তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত ও পবিত্র। আল্লাহর ইবাদতে একাগ্রতা ও একনিষ্ঠতা না থাকার কারণে তারা আল্লাহর ইবাদতই করে না। শির্কের সাথে মিশ্রিত তাদের ইবাদতকে কোন ইবাদতই বলা চলে না। এ কারণে আল্লাহ্ তা’আলা দু’দলের মধ্যে এভাবে পার্থক্য করে দিয়েছেনঃ “তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য।”
সরল বঙ্গানুবাদঃ
১) বলুনঃ হে কাফের সম্প্রদায়!
২) তোমরা যার ইবাদত কর আমি তার ইবাদত করি না।
৩) তোমরাও ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি ।
৪) আর আমি ইবাদতকারী নই তোমরা যার ইবাদত কর।
৫) তোমরা ইবাদতকারী নও যার আমি ইবাদত করি।
৬) তোমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য আমার দ্বীন আমার জন্য।

সূরার শানে নযূলঃ
রাসূল (সাঃ) যখন মক্কায় তাওহীদের দাওয়াত শুরু করলেন, তখন মক্কার কুরাইশগণ নানা কৌশলে তাঁকে এই দাওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করল। আবু তালেবের কাছেও তারা একাধিকবার প্রতিনিধি পাঠিয়ে মুহাম্মাদ (সাঃ)কে সত্য দ্বীনের দাওয়াত থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। অমানষিক নির্যাতন করেও কোন কাজ হয় নি। এমন কি তারা আরবের বাদশাহ বানিয়ে দেয়ার প্রস্তাবও করেছিল।

সকল প্রকার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এক নতুন কৌশল অবলম্বন করল। তারা তাওহীদের দাওয়াত ও কুফরীর মধ্যে একট আপোস ও মীমাংসার প্রস্তাব দিল। কুরাইশদের কাফের সম্প্রদায় মুর্খতার কারণে রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আহবান করলেনঃ তিনি এক বছর তাদের মূর্তির পূজা করবেন, আর তারাও তাঁর মা’বূদ আল্লাহর এক বছর ইবাদত করবে। তখন আল্লাহ্ তা’আলা এই সূরাটি নাযিল করেন এবং তাঁর রাসূলকে আদেশ করেন, তিনি যেন তাদের ধর্ম থেকে সম্পূর্ণরূপে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করেন।

২৯| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৩৪

এ আর ১৫ বলেছেন: আব্দুল্লহ আল মামুন বলেছেন: আমি নতুন করে কোন মন্তব্য না করে শুধু সূরা কাফিরুনের বঙ্গানুবাদ ও শানে নযূল এখনে উল্লেখ করলাম। এটা যদি কোন মুসলমান জানে এবং তারপরও যদি এসব উৎসবে যোগ দেয়, তবে সে কি আল্লাহ ও রাসুলের বিরোধিতা করল না?

ভাই আপনি যেটা বলছেন উৎসবে যোগ দেওয়া বা অংশ গ্রহন করা , এ ধরনের কোন ঘটনা কোন মুসলমান করে না । পুজা দেখতে যায় বা উৎসব দেখতে যায় । কোরানে বা আল্লাহ রসুলের (সা: ) কথাতে যা বলা হয়েছে সেটা হোল পুজা না করা বা অংশ গ্রহন না করা । কেউ পুজাতে অংশ গ্রহন করে না বা সেখানে গিয়ে পুজা করে না পুজা দেখে ।
এর পর আসে পুজা উপলক্ষে কালচারাল অনুষ্ঠান , সেই অনুষ্ঠানে কেউ নাচ গান করলে কোন অসুবিধা দেখিনা ।
কুরাইশদের কাফের সম্প্রদায় মুর্খতার কারণে রাসূলুল্লাহ্ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আহবান করলেনঃ তিনি এক বছর তাদের মূর্তির পূজা করবেন, আর তারাও তাঁর মা’বূদ আল্লাহর এক বছর ইবাদত করবে
কুরাইশরা তাকে মুর্তি পুজা করতে আহবান করেছে এক বৎসর সেটা তিনি প্রত্যাখান করেছেন । আমরা যারা পুজার মন্ডপে যাই , তারা মুর্তি পুজা করতে যাই না দেখতে যাই --

আপনি নীচের লিখাটি একটু মনযোগ দিয়ে পড়ুন , তাহোলে আপনার বিভ্রান্তি গুলো কেটে যাবে ধন্যবাদ ---

হুজুর :: এই যে আতাহার সাহেব আপনি মুসলমান হয়ে পুজা মন্ডপে কেন গেছেন , জানেন না পুজা মন্ডপে যাওয়া শিরিক করা এবং কবিরা গুণা !!
আতাহার হোসেন :: আপনার কথাটা মানলাম না , আমি তো পুজা করিনি ওখানে শুধু দেখেছি এবং ওদের মন্ডপের পাশে যে মন্চ বানিয়েছে সেখানকার সংস্বকৃতি অনুষ্ঠান মুলত দেখেছি । বড় বড় পুজা মন্ডপে একদিকে পুজার বেদি থাকে যেখানে পুজা হয় এবং অন্য দিকে সংস্বকৃতিক মন্চে নাচ গান কির্তন শ্যামা সংগিত ইত্যাদি হয় । প্রথমে ঢুকে দেখলাম হিন্দুরা পুজা করছে মুর্তির সামনে সেই সাথে ঢোল বাজানো হচ্ছে , দুই তিন মিনিট পুজা দেখে সংস্বকৃতিক মন্চের সামনে বসে অনুষ্ঠান দেখেছি , তার পর নৃপেনদা এসে লাড্ডু সিঙ্গারা দিল এবং সেই সাথে ভেজিটেল খিচুরি খেয়ে চলে এলাম ।
হুজুর ::: তোবা তোবা আপনি পুজার প্রশাদ খাইছেন , আপনি জানেন না পুজার প্রশাদ খাওয়া হারাম
আতাহার ::: ইসলামের নামে উল্টা পাল্টা কথা মিথ্যা কথা বন্ধ করেন দয়া করে , প্রশাধ টা তো কোন মাংস ছিল না , মাংস হোলে হারাম বলা যেত , লাড্ডু সিঙ্গারা কি করে হারাম হয় ।
হুজুর ::: পুজার প্রশাধ হারাম , এর প্রমাণ কি আপনি দেখতে চান
আতহার ::::: মাংস ব্যথিত পুজার প্রশাধ যে হারাম না সেটা কি আপনি দেখতে চান ??
হুজুর :::: খালি খালি আজাইড়া পেচাল পাড়েন কেন
আতাহার :::: শুনুন কোরানে আল্লাহ তালা বলেছেন শুধু --- আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কারো নামে জবাই করা পশু পাখির মাংস হারাম এবং এই বিষয়টি শুধু মাংসের ক্ষেত্রে প্রজোয্য ,এবার আপনাকে একটা প্রশ্ন করি জীবনে কি কখনো পুজার মন্ডপে গেছেন ।
হুজুর :::: তোবা তোবা প্রশ্নই আসে না ।

আতাহার :::: শুনুন পুজার বেদির উপরে মুর্তির সামনে পুজার সময়ে যে খাবারটা থাকে তাকে প্রশাধ বলে , এবং বাহিরে প্যান্ডেলের পাশে বড় বড় হাড়ি ডেকচিতে সারা দিন যে রান্না হয় ঐ খাবার গুলোকে বলে ভোগ , ঐ মন মন হাড়ি ডেকচি ভরা ভোগ পুজার বেদির সামনে আনা হয় না এবং আলাদা ভাবে বিতরন করা হয় । যদি আপনার প্রশাধ খাওয়াকে হারাম মনে হয় তাহোলে ভোগটা খেতে পারেন ।

হুজুর :::: আমার মাথা খারাপ হয় নি যে ভোগ খাবো যাহা প্রশাধ তাহাই ভোগ এবং তাহাই হারাম

আতাহার ::: কোরানের আয়াত থেকে উদাহরন দিতে পারবেন একটাও , যেখানে কোরানে শুধু আল্লাহর নামে জবাই ছাড়া পশু পাখির মাংসকে হারাম করেছেন অন্য কোন খাবারকে নহে । প্রশাধ হোল যে খাবার দেবতার মুর্তির সামনে থাকে এবং দেবতার উদ্দেশ্য উৎসর্গ করা হয় এবং ভোগ হোল উৎসর্গকৃত খাবার গুলো নহে ।

শুনুন মাওলানা সাহেব পুজা দেখা মানে তাদের বিশ্বাষ গ্রহন করা নহে , যদি বিশ্বাষ গ্রহন করা হোত যদি আমি পুজা করতাম । আপনার লেকচার মারেন পুজা দেখলেই নাকি শিরিকি করা হয়ে যায় তাদের বিশ্বাষের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করা হয়ে যায় , আমি জীবণে বহু পুজা দেখেছি কিন্তু কখনো তাদের বিশ্বাষ গ্রহন করি নি । যাদের ঈমাণ দুর্বল তাদের পুজা না দেখাই ভালো কারন দেখলেই মুর্তির প্রতি তাদের ঈমাণ এসে যাবে ।
এবার হুজুর আপনাকে একটা প্রশ্ন করি - আমি একজন মুসলমান এবং আমার সামনে কয়েক জন মুসুল্লি নামাজ পড়ছে এবং আমি সেই নামাজ পড়া দেখছি কিন্তু পড়ছি না তাহোলে কি দেখার জন্য আমার নামাজ পড়া হবে ???

হুজুর :::: কি পাগলের মত কথা বলেন অন্যের নামাজ পড়া দেখলে কি কোন দিন নামাজ পড়া হয় !!!!!!

আতাহার :::: ও হয় না বুঝি কিন্তু মুসল্লিদের ঈমাণ আর আমার ঈমাণ এক তাহোলে ও নামাজ পড়া দেখার জন্য নামাজ হবে না !!!
হুজুর :::::: নিয়ত করে ওজু করে নামাজ নিজে না পোড়লে অন্যের নামাজ পড়াতে নিজের নামাজ কোন দিন হবে না যতই নামাজ পড়া দেখেন না কেন ।
আতাহার ::: ও মুসলমান হয়ে অন্য মুসলমানের নামাজ পড়া দেখলে নামাজ হবে না কিন্তু মুসলমান হয়ে অন্য বিশ্বাষের মানুষের পুজা করা দেখলে আমার পুজা করা হয়ে যাবে শিরিক করা হয়ে যাবে এবং হিন্দুদের বিশ্বাষ গ্রহন না করলেও আমার পুজা করা হয়ে যাবে ।
হুজুর ::: বড় বড় চোখ করে তাকায়
আতাহার :::: শুনুন হুজুর আপনি মাঠে বা টিবিতে যদি কোন খেলা দেখেন তখন আপনি দর্শক খেলোয়ার নহেন , আমি যদি অন্যের নামাজ পড়া দেখি আমি দর্শক নামাজি নহি এবং আমি যদি অন্যের পুজা করা দেখি তাহোলে আমি দর্শক পুজারি নহি । পুজা মন্ডপে যাই পুজা করতে না দেখতে এবং সেটা অল্প কিছুক্ষণ , বেশি ভাগ সময় কাটে মন্চের সামনে কালচারাল অনুষ্ঠান দেখে । আমি হিন্দুদের বা অন্য ধর্মের মানুষের সাথে এত মিশি এবং আমি তাদের ধর্ম গ্রন্থ ও পড়ি কিন্তু কখনো তাদের বিশ্বাষ গ্রহন করি নি , আমার ঈমাণ অত দুর্বল নহে ।
হুজুর ::::: থামেন খুব বেশি প্যাচাল পাড়েন , শুনুন কোরানে আট দশটা আয়াত আছে যেখানে আল্লাহ মুর্তি বা অন্য কোন কিছুকে পুজা করতে শক্ত ভাবে নিষেধ করেছেন, তাহোলে আল্লাহর আদেশ অমান্য কোরে মোনাফেকদের ফতুয়া শুনতে আমরা রাজি নই

আতাহার ::::: শুনুন হুজুর কোরানের ঐ সকল আয়াত আমার পড়া আছে ওখানে পুজা করতে মানা করেছে এবং আপনাকে এতো বার বলার পর কেন বার বার একই কথা বোলছেন কোন কিছু দেখা মানে সেই কাজটা করা নহে , নামাজ দেখা মানে নামাজ পড়া নহে , খেলা দেখা মানি খেলা করা নহে , নাটক দেখা মানি নাটকে অভিনয় করা নহে , পুজা দেখা মানি পুজা করা নহে ।

হুজুর :::: "তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে।" ' - 'উমার ফারুক (রা) (তথ্যসূত্রঃ ইবনুল ক্বাইয়্যিম(রাহিঃ), আহকামুল জিম্মাহ ১/৭২৩- ----- এর পরে ও কি আপনার কোন প্রশ্ন আছে ???
আতাহার ::::: এটা কোন কোরানের আয়াত নহে এবং হাদিস নহে এবং হযরত ওমর ফারুক (রা: ) নামে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে সেটা কোরানের নিচের আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক .
---- আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য এবাদতের নিয়ম কানুন নির্ধারন করে দিয়েছি যা ওরা পালন করে , তুমি ওদের তোমার প্রতিপালকের দিকে ডাক.. ওরা যদি তোমার সাথে তর্ক করে বল, তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ ভাল করেই জানেন। তোমরা যে বিষয়ে মতভেদ করছ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সে সে বিষয়ে তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন , সুরা হজ ৬৭-৬৯ ।

তার মানি হিন্দুদের স হ অন্য সব ধর্মের ইবাদতের নিয়ম কানুন আল্লাহ ঠিক করে দিয়েছেন ।যদি আল্লাহ নিজে অন্য ধর্মের রিচুয়াল নিয়ম কানুন ঠিক করে দেন তাহোলে গজব নাজিল হবে কেন ??? যদি তাদের উপর গজব নাজিল হয় যারা পুজা করছে, তাহোলে যারা পুজা করছে না দেখছে তাদের উপর কেন নাজিল হবে ??? আল্লাহ যদি ইবাদতের নিয়ম কানুন ঠিক করে দেন তাহোলে কেন গজব দিবেন ।
হযরত ওমর ফারুক (রা: ) এর নামে যে কথা বলা হয়েছে সেটা কোরান বা হাদিস নহে এবং সুরা হজ ৬৭-৬৯ এর সাথে সাংঘর্ষিক ।

৩০| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

আব্দুল্লহ আল মামুন বলেছেন: @এ আর ১৫, আপনার কাল্পনিক কথোপকথন পড়লাম, যেটা আপনি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে somewhereinblog এ পোস্ট করেছিলেন।
আপনি কি জানেন প্রশাদ এর কিছু অংশ ভোগে মিশ্রণ করা হয়? না জানলে জেনে নেবেন।
প্রশাদ তৈরীর উপকরণ সম্পর্কে কি আপনি জানেন?

দুঃখের বিষয়, বন্ধু কিংবা প্রতিবেশীট মুসলিমদের কাছে একটি জিনিস গোপন রাখা হয়। বলে না, প্রসাদের উপাদানগুলো কি কি ?
সত্যি বলতে দূর্গা পূজায় দুটি উপাদান লাগে, যে দুটি উপাদান পূজার অন্য অপরিহার্য।
১) পঞ্চগব্য
২) গো-চনা (গরুর মূত্র)
উ্ইকিপিডিয়ার দেয়া তথ্য মতে,পঞ্চগব্য হচ্ছে পাচ প্রকার জিনিসের সংমিশ্রন। এই মিশ্রনটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিকট খুবই পবিত্র।
পঞ্চগব্য তৈরী হয় ৫টি উপাদান দিয়ে- গোবর, গোমূত্র, দুধ, ঘি ও দই । এ পঞ্চগব্য মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া খাদ্যসহ সকল বস্তু পবিত্র (তাদের ধর্ম মতে) করতেও ইহা ব্যবহার হয়।

আপনার যদি আরো জানতে ইচ্ছে করে, তাহলে নিচে লিংক দিলাম। চাইলে দেখতে পারেন, না চাইলে নাই।

http://www.old.al-ihsan.net/fulltext.aspx?subid=4&textid=10046

https://www.bissoy.com/135962/

https://islamicdocuments.wordpress.com/category/বিধর্মী-প্রবর্তিত-সকল-নি/page/2/

আর আপনার পূঁজায় যেতে ইচ্ছে করলে যাবেন, প্রশাদ খেতে ইচ্ছে করলে খাবেন, ভোগ খেতে ইচ্ছে করলে খাবেন তাতে কারো কিছু বলার নাই। আমি আল্লাহকে ভয় করি, ভয় করি কোন ভাবে যেন শিরক বা কুফরি না করে ফেলি, তাই আমি যাবো না।

আমি আপনাকে নিয়ে টানাটানি করছি না। আপনিও আশা করি আমাকে নিয়ে টানাটানি করবেন না। ধন্যবাদ।

৩১| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৪

এ আর ১৫ বলেছেন: আব্দুল্লহ আল মামুন
সত্যি বলতে দূর্গা পূজায় দুটি উপাদান লাগে, যে দুটি উপাদান পূজার অন্য অপরিহার্য।
১) পঞ্চগব্য
২) গো-চনা (গরুর মূত্র)

বুজলাম পুজা করার জন্য লাগে

পঞ্চগব্য তৈরী হয় ৫টি উপাদান দিয়ে- গোবর, গোমূত্র, দুধ, ঘি ও দই । এ পঞ্চগব্য মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া খাদ্যসহ সকল বস্তু পবিত্র (তাদের ধর্ম মতে) করতেও ইহা ব্যবহার হয়।


জী না সম্পুর্ন ভুল কথা , পঞ্চগব্য , চড়নামৃত ইত্যাদি হিন্দুদের পবিত্র জিনিস কিন্তু সবার জন্য বা খাবারের সাথে মৃশ্রনের জন্য নহে । ঐ বস্তু গুলো আলাদা ভাবে পাত্রে থাকে এবং যাদের কোন মানত থাকে তারা প্রয়োজন হলে গ্রহন করে । এই বস্তু পুজার প্রশাদ এবং ভোগের সাথে কখনো মিশানো হয় না । এই বিষয়ে আমি আমার হিন্দু বন্ধুদের সাথে কথা বলে কনফার্ম হয়েছি ।

একটা জিনিস মনে রাখবেন উটের মূত্র খাবার ব্যপারে হাদিস কিন্তু আছে । এককালে বা এখনো মরুভুমিতে পানির ক্রাইসিস হোলে পিপাসা নিবারনের জন্য উটের মুত্র ধারন করে রাখা হয় এবং পান করা হয় ।

আপনি সুরা কাফেরুনের যে আয়াত দিয়েছেন সেটা মুর্তি পুজা সম্পর্কিত , সেটা পুজা দেখা সম্পর্কিত নহে ।

আমি আল্লাহকে ভয় করি, ভয় করি কোন ভাবে যেন শিরক বা কুফরি না করে ফেলি, তাই আমি যাবো না।

আপনি কোনটা কুফরি আর কোনটা নহে সেটা আগে বোঝার চেষ্টা করুন , সুরা কাফেরুনের কন্টে্টের সাথে পুজা দেখাকে যে ভাবে গুলিয়ে ফেলেছেন, তাতে বোঝা যায় কুফরি কাহাকে বলে এবং পুজা করা আর পুজা দেখার মধ্যে পার্থক্য কি সেটা নিয়ে আপনার কন্সেপ্ট মোটেও ক্লিয়ার নহে , ধন্যবাদ


৩২| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৫:০০

এ আর ১৫ বলেছেন: আব্দুল্লহ আল মামুন বলেছে-- আমি আপনাকে নিয়ে টানাটানি করছি না। আপনিও আশা করি আমাকে নিয়ে টানাটানি করবেন না। ধন্যবাদ।
আপনি সুরা কাফেরুনের আয়াত গুলো যে গুলো মুর্তি পুজা না করা সংক্রান্ত সেগুলো দিয়ে, পুজা দেখাকে একি জিনিস বলে জাহির করার পয়তারা করেছিলেন, তাই আমি এর জবাব দিয়েছি । আমি জবাব দিয়েছি বলে অন্য জন দেয় নি । যদি টানাটানি আপনার ভালো না লাগে তাহোলে এই ধরনের মন্তব্য করেছেন কেন ? আপনি মন্তব্য করেছেন এবং আমি সেটার দুর্বলতা তুলে ধরেছি , এটা কোন টানাটানি নহে , ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.