নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে কোন অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ?

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫১

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলায় তার শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ সদস্যরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর ডিবি পূর্ব জোনের এসি আতিকুল ইসলাম। তিনি জানান, শিক্ষক হাসনা হেনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।


নির্বাক হয়ে যেতে হয় এই দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাজ কারবার দেখলে। গত রোববার পরীক্ষা চলাকালে শ্রেণিশিক্ষক হাসনা হেনা অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করেছে বলে সেটা তিনি প্রিন্সিপালকে জানান ।এটা কি কোন অপরাধ? একজন শিক্ষিকা যখন পরীক্ষার হলে গার্ড দেয়, তার দ্বায়িত্বইতো ছাত্রছাত্রীরা কোন প্রকার অসাধুপায় অবলম্বন করছে কিনা সেটা দেখা। মৃতা ছাত্রীটির বাবা যদি আবেগের বর্শবর্তী হয়ে এই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও থাকে , আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কি সেটা বিবেচনা করার দায় নেই যে আদতেই এটা কোন অপরাধ কিনা?

কোন অভিভাবক কি এমন দাবী জানিয়েছে যে ছাত্রীদের শাষন করা যাবে না? স্কুলে ডিসিপ্লিন রক্ষার অন্যতম একটা শর্ত হচ্ছে কঠিন অনুশাষন। ভাল খারাপের সীমারেখা নির্ধারন করতে না জানলে আজকের শিশু আগামীকালের যোগ্য নাগরিক হয়ে উঠবে কিভাবে? ভিকারুন্নেসা স্কুলের ঘটনায় প্রশ্ন যেটা উঠেছে সেটা হচ্ছে ডিসিপ্লিন রক্ষার নামে এই স্কুলে যেটা হচ্ছে সেটা সঠিক কিনা। ছাত্রী ও তার অভিভাবকদের যাচ্ছে তাই অপমান, শাষানো , কোন প্রকার সুযোগ না দিয়ে স্রেফ টিসি দিয়ে দেওয়া কি ডিসিপ্লিন এর আওতায় পড়ে?

মুল অভিযোগ হচ্ছে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে। তিনি একজন প্রিন্সিপালের দ্বায়িত্ব পালনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। মুলত স্কুলের প্রসাষনের বিরুদ্ধেই সকল ছাত্রী ও অভিভাবকদের অভিযোগ। কিন্তু মুল ইস্যূকে দূরে ঠেলে দিয়ে শ্রেনী শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করে শিক্ষকতা পেশাটাকেই ঝুকির মধ্যে ফেলে দেয়া হচ্ছে।এই ঘটনার পরেতো শিক্ষক সম্প্রদায় তাদের সঠিক দ্বায়িত্ব পালন করতেও ভয় পেয়ে যাবে।এমন একটা ধারনা তৈরী হয়ে যেতে পারে যে , ছাত্রছাত্রীদের বকা দেয়া যাবে না বা কোন প্রকার শাস্তিও দেয়া যাবে না , তারা যত বড় অপরাধই করুক না কেন।

মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:১০

করুণাধারা বলেছেন: আপনার পোস্টে পুরো সহমত, কিন্তু শেষ প্যারায় নয়। আপনি অধ্যক্ষকে দায়ী করছেন, আমি করছি না। প্রতিষ্ঠানের ডিসিপ্লিন রক্ষা অধ্যক্ষের কাজ, তাই তিনি তার কাজ করেছেন। কে বলেছে অধ্যক্ষ অকথ্য ভাষায় অপমান করেছেন? মেয়ের বাবা। তার কি কোন প্রমাণ আছে? এমনও তো হতে পারে, মেয়েটির বাবা অধ্যক্ষকে অনুরোধ করেছেন মেয়েকে টিসি না দিতে, অধ্যক্ষা অনুরোধ রাখতে চাননি, তখন বাবা মেয়েটিকে খুব গালিগালাজ করেছেন, মেয়েকে বলেছেন, "যেদিকে খুশি চলে যা, আমার সামনে থাকিস না"..... এছাড়া আমি মেয়েটির একা একা বাড়ি গিয়ে গলায় দড়ি দেবার আর আর কোন ব্যাখ্যা পাই না। মেয়ে কেন একা একা বাড়ি গেল?

শিক্ষিকাকে পুলিশ ধরল!!! এরপর বাংলাদেশের শিক্ষিকারা ছাত্রকে মোবাইলে নকল করতে দেখলে বলবেন, "বাবা, এত কষ্ট করে মোবাইলে নকল দেখছো কেন, এই নাও বই দেখে নকল কর।"

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: অধ্যক্ষ যে ছাত্রী ও তার পিতামাতাকে অপমান করেছেন সেটা সেখানে উপস্থিত না থাকলেও অবিশ্বাস করার কোন কারন দেখি না। কারন এইটাই আমাদের দেশের কালচার। ''প্রফেশনালিজম'' শব্দটা পুরোপুরি অনুপস্থিত আমাদের দেশে। আর ছাত্রী যদি ভুল করে থাকে তবে তাকে শোধরানোর জন্য অবস্যই আরো হাজারটা উপায় আছে। কোন প্রকার সুযোগই না দিয়ে স্রেফ টিসি দিয়ে দেয়াটা কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। অভিভাবকেরা অভিযোগ করেছে এইভাবে তুচ্ছ কারনে টিসি দেয়াটা হরহামেশাই নাকি সেখানে হচ্ছে। কেন হচ্ছে জানেন? ভর্তি বানিজ্যের কারনে। লাখ লাখ টাকা ডোনেশন পাওয়া যায় একটি ছাত্রীকে এই স্কুলে ভর্তি করাতে। এত হাজার হাজার মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় এমনি এমনি প্রতিবাদ করছে না।

পিতামাতাকে কোনভাবেই দোষারোপ করা যায় না এই ইস্যূতে। কারন তারা তাদের প্রানপ্রিয় সন্তান হারিয়েছে , যদি বকা তারা তাদের সন্তানকে দিয়েও থাকেন সেই কষ্ট তাদের বয়ে বেড়াতে হবে সারাজীবন।নাজনীন ফেরদোসিরা সেই কষ্ট বয়ে বেড়াবে না।

২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: শ্রেনী শিক্ষিকার ভূমিকা ঠিকাছে। প্রিন্সিপাল অতিরিক্ত করেছেন। ভিকারুননিসা ছাড়া দেশের আনাচকানাচে এমন অনেক স্কুল আছে, যেগুলোর কার্যক্রম প্রায় সমান। তারা অভিভাবকদের সাথে যাচ্ছেতাই আচরণ করে।
কথায় কথায় স্কুলে ডেকে নিয়ে টিসির হুমকি দেয়। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সময়ের দাবী।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। সোসাল মিডিয়ায় ব্যপক সমালোচনা চলছে স্কুলের এডমিনিস্ট্রেশনগুলোর বিরুদ্ধে। ভর্তি বানিজ্য , বাধ্যতামুলক কোচিং ইত্যাদি ইস্যূও উঠে আসছে। তবে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘারে ফেলে যে কোন ইস্যূকে ধামাচাপা দেয়া হয় এই দেশে। এখনো সেটাই করা হচ্ছে।

৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: করুণাধারার সাথে একমত। মেয়েটির আত্মহত্যা নিঃসন্দেহে একটা দুঃখজনক এবং অপূরণীয় ঘটনা। কিন্তু তার প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ার কোনো মানে হয় না। এমনিতেই এদেশে শিক্ষকরা নিগৃহীত মানুষের পর্যায়ে চলে গেছে। এরপর এ রকমের হয়রানির শিকার হতে থাকলে মানুষ শিক্ষকতা পেশাতেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সকল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কেউ ঝাপিয়ে পড়েনি। অনৈতিক ও অসৎ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হচ্ছে। স্কুল প্রসাষন যেসব অনৈতিক বিষয়ের সাথে জড়িত সেই সব ইস্যূর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হচ্ছে।

শিক্ষিকা হয়রানী করছে এখন পুলিশ। শ্রেনীশিক্ষিকা কোন অপরাধই করেন নি। তিনি তার দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ বরং অযথা ত্রাস সৃষ্টি করেছে শিক্ষকসমাজে।

৪| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: ডিপ ফ্রিজের নিচের দিকে বরফ জমছিলো না
ভাবলাম ছোট খাট সমস্যা। একজন লোক ডাকি সারিয়ে দিতে -সেই লোক এসে দুই ঘন্টা মেরামত
করে কেটে কুটে সব হ-জ-ব-র-ল করে দিয়ে বলছে কম্প্রেসার নষ্ট হয়ে গেছে! আমি বললাম আজব তাহলে ফ্রিজটি ঠাণ্ডা হচ্ছিলো কিভাবে? কোনো বরফ গলেওনি তিনদিনে। লোকটি বলল সেটা তো জানি না!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: রাজীব নুর, অসাধারন কমেন্ট। সামুর উচিৎ thumbs up এর ইমো সংযোজন করা।

৫| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৬

নতুন বলেছেন: পুলিশে গ্রপ্তার করে জেলে পাঠানো ঠিক না।

তাদের জিঙ্গাসাবাদ করা উচিত।

তিনি বলেছেন নকল করছিলো এবং প্রন্সিপাল বলেছিলো... পুরো বইএর ছবি ছিলো মোবাইলে.... এটা তদন্ত করা দরকার।

শাখা প্রধান বাবা মা এবং মেয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে...

এবং অবশ্যই বাবা মাও মেয়েকে বেশি বলেছে সেটাও একটা কারন...

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটা পুলিশ স্কুলে গিয়েই জিজ্ঞাসাবদ করতে পারত শিক্ষিকাকে।এইভাবে গ্রেফতার করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার কারন কি? আর অভিভাবকদের মুল অভিযোগতো প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে।

৬| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৮

নতুন বলেছেন: আর মোবাইল পেয়েছে তার কাছে বা ব্যাগে সেটা ঠিক া্ছে.... কিন্তু আমার মনে হয় না সে নকল করছিলো... এটা হয়তো অতিরন্জিত ভাবে বলেছে সেই শিক্ষক আর শাখা প্রধান... সেটার তদন্ত করা দরকার।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলে মুল ইস্যুটা কিন্তু এটা নয়। ছাত্রীটী পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে যাবে কেন? আবার সেটা পরীক্ষার হলে বের করবেইবা কেন?পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে যাওয়াটাইতো অপরাধ। তাই শ্রেনীশিক্ষিকা তার সঠিক দ্বায়িত্বই পালন করেছেন। কিন্তু প্রিন্সিপাল ছাত্রীটির এমন অপরাধে কঠিন কোন শাস্তি অবস্যই তাকে দিতে পারত যাতে সে নিজেকে শোধরানোর সুযোগ পায় এবং ভবিষ্যতে এমন ভুল আর না করে। কিন্তু ছাত্রীটিকে কোন প্রকার সুযোগ না দিয়ে তার মা বাবাকে ডেকে এনে অপমান করে টিসি দিয়ে দেয়াটা কোন অবস্থাতেইতো গ্রহনযোগ্য নয়। অভিভাবকদের সম্মিলিত ক্ষোভ এই জায়গাটাতে।

৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এই স্কুলের বিলুপ্তি দরকার।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: স্কুল নয়, স্কুলের অনৈতিক কার্যক্রম বিলুপ্তি দরকার।

৮| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

আবু তালেব শেখ বলেছেন: সমাজের কিছু চুচিল, ছাত্রছাত্রী,ব্লগার,ফেসবুকার দেখছি শিক্ষকদের শাস্তির জন্য মরনপন লড়াইয়ে নেমেছে। এরা বাস্তবতা বা মূল ঘটনা উপলদ্ধি করছেনা। শিক্ষকদের আমি কোন বড় ভুল দেখছিনা। তাদের দায়ীত্ব তারা পালন করেছে। নমনীয় হলে উল্টো তাদের উপর শৃংখলা ভংগের তকমা লাগতো। ভিডিও ফুটেজে পা ধরার কোন আলামত দেখছিনা।

আপনজনের একটু আঘাতে বড় কষ্ট লাগে,,, ,,,, এটাও সবার ভেবে দেখা উচিৎ

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:০৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: শিক্ষকতা পেশার সাথে যারা জড়িত তারাই বরং এই ইস্যূতে বেশি সোচ্চার দেখেছি ফেসবুকে। স্কুল কলেজের প্রসাষনের অনৈতিকতার শিকার শুধু ছাত্রছাত্রীরাই নয়, শিক্ষকরাও। আর স্বল্প কিছু অনৈতিক ও অসৎ শিক্ষকদের দায় পুরো শিক্ষক সমাজের ওপড় কেউ চাপাচ্ছেও না।

৯| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৬

চোরাবালি- বলেছেন: করুণাধারা@আপনার সাথে একমত।
হঠাৎ একদিনের অপরাধে টিসি দেয়ার কথা কেও বলে না। ভিডিওতে দেখা যায় প্রিন্সিপাল খাতা উল্টিয়ে দেখছেন।
এখানে সম্পূর্ণ দোষ ছাত্রীর-বাবা মায়ের। স্কুলে মোবাইল নেয়া নিষেধ পরীক্ষার সময় তো কঠোর ভাবে নিষেধ, তারপর ছাত্রী কিভাবে মোবাইল নিয়ে গেল? তখন ছাত্রীর মা-বাবা কোথায় ছিলেন? স্কুল থেকে যদি তাকে বেরই করে দেয়া হয় তা হলে তো ছাত্রী তার বাবা মায়ের সাথে থাকার কথা, সে কিভাবে আগে বাসায় গেল? বাসায় কে ছিল যে দরজা খুলে দিল? যে দরজা খুলে দিল সে দেখল না কেন? অনেক প্রশ্নের উত্তর নাই।
হাইকোর্ট পড়ালেখার ১২টা বাজিয়েছে স্কুল থেকে বেত উঠিয়ে দিয়ে (বেসরকারী স্কুলে কিন্তু ঠিকই চলে কারণ সেখানে যারা পড়ান টাকা খরচ করে পড়া লেখা শেখার জন্য, সমস্যা হয়েছে গরীবের ছেলের যাদের সামর্থ নাই, তাদের সন্তানেরা যা বা যা খুশি কর, স্কুল তোদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র)।
এখন আবার নতুন কিছু আসল, স্কুলে শাসন করা যাবে না। তো স্কুল গুলি সার্কাসস্থল বানিয়ে দেয়া হউক। সেখানে শুধু সার্কাস চলবে আর সার্কাস শিখবে।
বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে যেতে যেতে একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে তা হল- নিজে যাই পারুক বা না পারুক বাচ্চাকে রকেট বিজ্ঞানী হতে হবে। যদি বাচ্চা ভার্তি পরীক্ষায় সুযোগ না পায় বিভিন্ন লবিং এর মাধ্যমে বাচ্চাকে ভর্তি করিয়ে রাতদিন বাচ্চার পিছনে লেগে থাকে আর শাসাতে থাকে তোর পেছনে এত টাকা ঢালি, টাকা ঢালতে ঢালতে ফতুর ইত্যাদি। আবার পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ করলেও স্কুলের দোষ। স্কুল পড়ায় না। আগের দিনে বাবা বই নিয়ে পড়তে বসাতেন এখন তাদের আর সময় নাই।
সবার আগে সচেতন হতে হবে গার্ডিয়ানের।
যে আত্মহত্যা করবে তার প্রবণতাই আত্মহত্যা।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: পিতামাতার মাত্রাছাড়া প্রত্যশা অনেক সময়ই সন্তানদের হতাশাগ্রস্ত করে। তবে সেটা ভিন্ন ইস্যূ। ভিকারুন্নেসা স্কুলের প্রসাষনের বিরুদ্ধে সরব ছাত্রী ও অভিভাবকদের এই আন্দোলনের সঙ্গে সেটার কোন সম্পর্কই নাই।

১০| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আপনার সংগে একমত। যা হচ্ছে সবই অতি বাড়াবাড়ী। এখান একটা ফ্যাক্টর আছে যা হলো ভোট।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: শ্রেনী শিক্ষিকাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরাধটা কি তার?

১১| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


শ্রেণী শিক্ষিকা টেলিফোনটি নিয়ে নিজের কাছে রেখে দিলেই সমস্যাটার সমাধান হয়ে যেতো; পরীক্ষা দিয়ে চলে যাওয়ার সময় মেয়েটির সাথে এই ব্যাপরে আলাপ করাই সমীচিন ছিল; শিক্ষিকাটি ছিলো ইডিয়ট

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার সাথে একমত নই । শ্রেনী শিক্ষিকা তাই করেছে যা তার দ্বায়িত্ব ছিল। স্কুলের ছাত্রী ও অভিভাবকদের তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগও নাই।তাদের অভিযোগ অধ্যক্ষ এবং গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে।

১২| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৫

সুমন কর বলেছেন: কাজটি মোটেও ঠিক হয়নি। আগে তদন্ত বা রির্পোট হবে (সত্য ও সুষ্ঠ) তারপর বাকি সব.......

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আদালতে শুনানিতে আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর (অরিত্রী) অভিভাবককে ডাকতে বলায় উনি ডেকেছেন। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না। কিন্তু রাস্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি হেমায়েত হোসেন শুনানিতে বলেন, তিনি শিক্ষিকা নামের কলঙ্ক। তার জামিন নামঞ্জুর করা হোক। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাইদ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পত্রিকায় এসব পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। এ কোন আদালত, এ কেমন হাকিম?? এ কোন মগের মুল্লুক যেখানে ছাত্রীদের নকল ধরাটা অপরাধ? তারমানে আদালত কি এই মেসেজ দিতে চাচ্ছে যে পরীক্ষায় নকল করা কোন অপরাধ নয়, অপরাধ হচ্ছে নকল ধরা!!!!!!

১৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:২৯

রানার ব্লগ বলেছেন: সমস্ত ইউরপ এবং এশিয়ার অনেক দেশে বাচ্চাদের স্কুলে মারধর বকা দেয়া সম্পুর্ন হারাম, মজার ব্যাপার কি জানেন কেন যেন ওই সব স্কুল থেকে বড় বড় জ্ঞ্যানি লোকদের আগমন বেশি হয়।দেখুন না ফেসবুকের প্রথিস্টাতা যিনি কিনা স্কুল্ড্রপ শুধু তাই না তিনি স্কুল থেকে মেয়েদের ইনফরমেসান চুরি করে তার নতুন সোশ্যাল পেইজের আকর্শন বাড়ানর জন্য সেই সব ইনফরমেসান দিয়ে দিত ছবি সমেত, এটা ভয়াবহ ক্রিমানাল অফেন্স, কিন্তু দেখুন তার শিক্ষকরা তাকে জেলে না পাঠিয়ে এটার অপকারিতা সম্পর্কে হাতে নাতে ধারনা দিয়েছে এর ফলাফল কি জানেন মার্ক তার ভুল বুঝে সবার সামনে তার কৃত কর্মের জন্য সরি বলে তার কাজ বন্ধ করে দেন এবং নতুন উদ্যমে ফেইসবুক সৃষ্টি ও তার বিকাশে তার সকল প্রতিভাকে কাজে লাগান, আপনাদের কি ধারনা মার্কের কি বাব মা ছিল না? তারা কি পারতোনা মার্কের বাবা মা কে ডেকে ইচ্ছা মত বকাঝকা দিয়ে বের করে দিতে।

আমরা যারা অনেক আবেগময়ি যারা ধরেই নেই স্কুল মানে পাছার উপর গদাম গদাম জোড়া বেতের অত্যাচার যারা সকালে স্কুলে ঢুকি বেতে তেল মেখে তাদের জন্য না থাকে সন্মান আর সেই সব স্কুলের বাচ্চারা সর্বচ্চ রাজনীতিবিদ হয় আমাদের দেশের। বাহ কি উন্নতি।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেশে ভাল চাকুরি, উন্নত জীবন যাপন ছেড়েও মানুষ মধ্যবয়সে ইউরোপ, কানাডা, আমেরিকার ইমিগ্র্যন্ট হবার সুযোগ পেলে ছাড়ে না। উন্নত দেশে মধ্য বয়সে গিয়ে অডজব করে অত্যন্ত কঠিন জীবন যাপন করছে বহু বাংলাদেশী। তারপরেও এই যাওয়া দিনে দিনে বাড়ছেই। কারন সবাই নিজের সন্তানদের একটা সুস্থ সুন্দর সমাজে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে চায়।

১৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:৫৯

গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: শ্রেণী শিক্ষককে ধরেছে আমি মনে করি ঠিকি হয়েছে। যেহেতু তার নামেও অভিযোগ আছে তাকে ধরে জিজ্ঞাসা বাদ পুলিশ করতেই পারে। তবে সাথে অধ্যক্ষা এবং অভিযুক্ত আরেকজন শিক্ষিকাকেও ধরা উচিৎ। আগে জানতে হবে প্ররোচনাটি কি ছিল? শ্রেণী শিক্ষক অবশ্যই পরীক্ষার হলে কেউ ফোন নিয়ে প্রবেশ করলে তার ফোন নিয়ে নেয়া এবং তাকে ঐ দিনের জন্য পরীক্ষা থেকে বাতিল করার এখতিয়ার রাখে। কিন্তু সেটা সে কি উপায়ে করেছে সেটাই দেখার বিষয়। যদি সেই শ্রেণি শিক্ষিকা ঐ মুহূর্তে ছাত্রীকে বুলি করে থাকে এবং এ নিয়ে হৈ চৈ বাঁধিয়ে থাকে তবেই সেটা অন্যায় হবে। আর অধ্যক্ষার অন্যায় হয়েছে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়াটি। সেক্ষেত্রে অধ্যক্ষাই প্রধান আসামী। অধ্যক্ষাকে অবশ্যই ধরা উচিৎ ছিল।

আমাদের শিক্ষক ছিলেন হামিদা আলী, তিনি সরে যাবার পর থেকেই এই স্কুলটির এই হাল। তিনি অনেক কড়া ছিলেন , তাই বলে এরকম নির্দয় এবং করাপ্টেট ছিলেন না।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ছাত্রীরা অভিযোগ করলেই একজন শিক্ষিকাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে? আদৌ সেই অভিযোগ গ্রেফতার করার মত কিনা সেটা দেখার দরকার নাই? আর ছাত্রীদের মুল অভিযোগ যেই অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির বিরুদ্ধে তাদের গ্রেফতারের কোন খবরতো দেখলাম না। তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ অভিভাবকেরা করেছে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সেগুলো অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ। অথচ মুল অপরাধীদের বাদ দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে সম্পুর্ন নিরাপয়াধ একজনকে শিক্ষিকাকে যিনি কেবল তার দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

১৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৯

বরুন মালাকার বলেছেন: সমস্যাটা একটু গভীরে। বিদ্যালয় গুলোতে যেদিন থেকে তথাকথিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই সমস্যাটির জন্ম। খো্ঁজ নেয়া যেতে পারে ছাত্রীটির ভর্তি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হয়েছিলো কিনা, শিক্ষিকার নিয়োগ রাজনৈতিক বা অস্বাভাবিক ছিলো কিনা? ছাাত্রীটির পরিবারের পরিবেশ কেমন?

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: স্কুলের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির মেম্বারদের গ্রেফতার করলেই স্কুলের প্রসাষনের সকল অনৈতিক খবরাখবর ফাশ হয়ে যেত। তবে তাতে যে কেচো খুড়লে সাপ বের হবার সম্ভাবনা ।

১৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১১

সনেট কবি বলেছেন: শিক্ষিকা এ বিষয় না ছড়িয়ে চেপে যেতে পারতেন। তার মান অপমান বোধ কম। তার উচিত শিক্ষা হওয়া প্রয়োজন। যেন সব শিক্ষক বুঝে যায় তাদের কি করা উচিত। আর কি করা উচিত নয়।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমরা সবাই সমস্যার গোড়া নিয়ে কথা বলতে একেবারেই আগ্রহবোধ করি না।

১৭| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২২

nahih09 বলেছেন: এটা সবার কাছেই পরিস্কার যে জনরোষের খাতিরেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এর সাথে সাথে বাবা-মা কেও গ্রেপ্তার করা’র দরকার ছিলো।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমরা সত্য বলতে যদি দ্বিধাবোধ করি তবে সেক্ষেত্রে মনে হয় নিশ্চুপ থাকাই বেশী শ্রেয়।

১৮| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০৫

নতুন নকিব বলেছেন:



এই পোস্টে সবচেয়ে সেরা কমেন্ট কে করেছেন? এককথায় বলা চলে রাজীব নূর। তার 'পোস্টের ধারে কাছেও যায় না' এমন দার্শনিকসুলভ কমেন্ট পড়ে না হেসে পারলাম না।

একা শ্রেনি শিক্ষিকা বেচারিকে কেন নন্দঘোষ হতে হল, সেটাই বোধগম্য নয়!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলেই এই পোস্টে সবচেয়ে সেরা কমেন্ট করেছেন রাজীব নূর । তিনি যে কথা চাইলেও বলতে পারেন না সেটা একটু ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলেন।ইউনিক একটা স্টাইল।
শ্রেনি শিক্ষিকা বেচারিকে কেন নন্দঘোষ হতে হল সেইটা আমাদের বুঝে নিতে হবে ভাই।

১৯| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ান ভাই,

আপনার পোস্ট টাও পড়লাম পড়লাম কমেন্টগুলোও। শ্রদ্ধেয়া করুনাধারাআপুর সঙ্গে আমিও সহমত যে শেষ প্যারাতে এসে একটু ভিন্নমত পোষণ করব। শিক্ষক সম্প্রদায়কে অহেতুক বিতরকের মধ্যে টেনে পেশার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা যেমন মুক্তমনে পড়াতে দ্বিধাগ্রস্ত হবেন- এমন পরিবেশ যেমন কাম্য নয় তেমনি; তাদেরও ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি আরো বেশি সহমর্মী বা মমত্ববোধ ওরে তোলাটা জরুরী। যেমনটি তারা বাড়িতে নিজের সন্তানের প্রতি করে থাকেন ।।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।



০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: দাদা, আপনাদের ওদিককার কথা জানি না। তবে আমাদের দেশে স্কুলের প্রসাষনগুলো একেককেটা অপরাধের আখরা। প্রসাষনগুলোর সংস্কার অত্যন্ত জরুরী। আর সেই সাথে যদি কোন শিক্ষক অনৈতিক কাজ কারবারের সাথে যুক্ত থাকে তবে তাকে অবস্যই শাস্তির মুখোমুখি করাতে হবে। এখানে শিক্ষক সম্প্রদায়ের বিব্রত হবার কি ঘটল বোধগম্য নয়। যার যার কাজের দায়ভার কেবলই তার।

২০| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:২৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মেয়েটা তার পরিবারের হাত থেকে বাঁচার জন্যও আত্মহত্যা করতে পারে।
মেয়েটা অপরাধী , কিন্তু পুরো দেশ স্কুলকে দায়ী করছে। এখন ছেলেমেয়েরা আরও বেশি নকল করার জন্য উৎসাহিত হবে।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: পুলিশ একজন নিরাপরাধ শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করে নকল করতে উৎসাহ দিচ্ছে।

২১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১০

আবু তালেব শেখ বলেছেন: বাবা, মাকে ও গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ। হতেও পারে ওদের তিরস্কার, বকুনি সহ্য করতে

২২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৪

কামভাখত কামরূখ বলেছেন: Click This Link

২৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০০

কামভাখত কামরূখ বলেছেন: আমার ইচ্ছে হয় সব মানুষকে এই মেসেজ পোঁছে দেই উনারা কিসের ভিত্তিতে বাইরে থেকে দেখে এই বিষয়টা মূল্যায়ন করছে এটা আমার মাথায় আসে না আসল সত্য থেকে আমরা অনেক দূরে বাস্তবটা জানছি না এখানে শিক্ষকরা শুধু অবস্থার স্বীকার ,
পর্দার অন্তরালে অনেক কিছুই হয় বাইরে থেকে আমরা সঠিক মূল্যায়ন কিভাবে করি আস্ল অবস্থা না জেনে? Click This Link

২৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: স্কলাস্টিকা স্কুলে চাকুরিরত এক শিক্ষিকার ফেসবুক স্ট্যটাস-
ভিকারুননিসা স্কুলের একটি মেয়ে আত্মহত্যা করেছে; talk of the town.
আমি বিভিন্ন report পড়ছি, এক একজনের status পড়ছি, ভাবছিঃ শিক্ষক হিসেবে আমি কি শিক্ষকদের পক্ষ নিব; নাকি অভিভাবক হিসেবে অভিভাবকদের!!
২০০২ সন থেকে teaching profession এ আছি। আমার জীবনের turning point Scholastica school e teaching. Scholastica school বাচ্চাদের জন্য স্বর্গরাজ্য, teacher দের জন্য কঠিন জায়গা। এখানে বছরের শুরুতে teachers দের ৭ দিনব্যাপী training session থাকে। academic trainings ছাড়াও class management, handling harrassment in work place, how to deal the students of different age groups etc etc.
খুবই বিরস মুখে সেই trainings গুলো আমরা attend করতাম।এক একটা case study র role play করে আমরা কতবার অভিনেতা অভিনেত্রী বনে গেছি।

যাই হোক, আজ আমি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে আলোকপাত করতে চাইঃ
teenage বাচ্চারা একটা hormonal changes এর মধ্য দিয়ে যায়। তাদের তখন স্বাভাবিক প্রবৃত্তিই থাকে "yes" কে "no" বলা। প্রতিটা বাচ্চার যে একই reaction হবে, তা নয়। কিন্তু কিছু না কিছু মানসিক পরিবর্তন তার মাঝে আসবেই।
আমি এই institution এ দেখেছি, supervisors রা বাচ্চাদের অপরাধগুলো প্রথমেই parents পর্যন্ত পৌছান না। কতবার বিরক্ত হয়েছি, যে অপরাধগুলো আমাদের teachers দের কাছেও লুকানো হয়েছে, যাতে আমরা সেই বাচ্চাকে ক্লাশরুমে সেই অনুযায়ী judge না করি।
আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে, অসম্ভব বেয়াদপ বাচ্চার মানসিক অসুস্থতার কথা বছরের শুরুতেই আমাদের জানিয়ে দেওয়া হত, যাতে সেই বাচ্চাকে carefully আমরা handle করি, despite তার বেয়াদবী।
এই যে বাচ্চাদের নিয়ে business, অবশ্যই business, এটা খারাপভাবে নেওয়ার কিছু নেই। Business করতে হলে তো quality product দিতে হবে; its not only about educational quality. একটা বাচ্চা স্কুলে তার দিনের অর্ধেক সময় কাটাচ্ছে।
তার মানসিক health এর কথা চিন্তা করেই প্রতিটি স্কুলে professional counsellor থাকা উচিত। তেমনি teachers দের training এর ব্যবস্থা করা উচিত, কিভাবে কঠিন situation গুলো constructively handle করা যায়, at least in the classroom situation.

একটা বাচ্চা ভুল করেছে, ধরলাম চরম ভুল করেছে। তার মানেই কি, this is the end of her world! বাচ্চাটাকে বোঝানো, তাকে আর একবার, কিংবা আরো একবার সুযোগ দেয়া, খুব কি ক্ষতি হয়ে যায়। ভুল থেকে বাচ্চা যদি শিক্ষা পেয়ে সুধরে যায়, কি বিশাল পাওয়া! একবার, দুইবার, তিনবার তারপরও যদি না হয়, এই ব্যর্থতার দায়ভার বাবা মার, টিচার, counsellor, সবার, কিন্তু বাচ্চার নয়। কারণ বাচ্চা তো বাচ্চাই। হাজার ভুল করলেও কি বাবা মা তার নিজের বাচ্চাকে ছুড়ে ফেলে দিতে পারে, তাহলে একটা ভুলের জন্য institution কেন একটা বাচ্চাকে ছুড়ে ফেলে দিবে???

তারপরও ধরে নিলাম, অভিযোগ গুরুতর। will humilation help the students to come out of such act? কখনোই নয়। constructive শাষন, warning letter, সাময়িক suspension এই ধরনের measurement নেয়া যেতে পারত।

অরিত্রির logbook এ কি ওর আগের কোন অপরাধের ইতিহাস ছিল? আদৌ students দের কোন logbook বা profile কি এইসব স্কুলে maintain করা হয়?
প্রথম অপরাধ কিংবা দ্বিতীয় অপরাধেই একজন student, যে কিনা পরের বছর SSC পরীক্ষায় appear করবে, তাকে TC দেয়ার ডিসিশন কতটুকু যৌক্তিক??

কাউকে কাউকে বলতে শুনছি, আমাদের আমলে তো counsellor ছিল না, আমরা তো এইরকম ছিলাম না। আমল change হয়ে গেছে। Trust me. I deal with class vii to class xii range of students. Accept it. বাচ্চারা এখন more exposed to the world, to the positive as well as the negative things. একদিকে এরা যেমন mature, অন্যদিকে ওরা তেমন emotional.

তাই, মনে রাখতে হবে, humiliate করে, TC দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দিয়ে দিলেই আপনি একজন successful institutional head হয়ে গেলেন না। আপনি আসলে একজন negative মানুষ তৈরি করে দিলেন। আপনার ব্যর্থতা, অবশ্যি আপনার ব্যর্থতা।

২৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬

গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: জাজমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত ঐ শিক্ষিকাকে তো অপরাধী বলা যাবে না। ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে এবং পাব্লিক প্রেশার থাকলে পুলিশ যে কাউকেই ইন্টারোগেশনের জন্য ধরে নিয়ে যেতেই পারে। শুধু নিউজ পেপার দেখে উত্তেজিত হলেই হবে না, একিউজেশন এবং প্রসেকিঊশনটা কি ছিল সেটা দেখতে হবে। প্রধান শিক্ষক অলরেডি বলে দিয়েছেন সে টিসির ডিসিশন নেননি। কাজেই আপাত দৃষ্টিতে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কোন আকিউজেশন হয়ত হবে না। তাই সূত্রপাত যেখান থেকে হয়েছে সেখান থেকে ইন্টারোগেশন শুরু হবে। শ্রেণী শিক্ষিকার মাধ্যমে হয়তো মুল তথ্য বেড়িয়ে আসতে পারে । আর, তাছাড়া বলাই বাহুল্য শাসন বিভাগের অনিয়ম, অনৈতিকতা তো রয়েছেই।

আপনি বলছেন নিরপরাধ শিক্ষিকাকে ধরেছে - সে এখনো নিরপরাধই আছেন যতক্ষণ পর্যন্ত দোষী সাব্যস্ত না হন কোর্টে। কাজেই আমার দৃষ্টিতে তাকে ধরাটা কোন অন্যয় হয়নি। কারন সে ঘটনার সাথে জড়িত।

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: মুল অপরাধী প্রিন্সিপাল নাজনীন ফেরদৌসি সম্পর্কে সম্পর্কে আপনার ধারনা একটু স্পষ্টভাবে লিখুন প্লিজ। কেন যেন মনে হচ্ছে একট মহল এই প্রিন্সিপালকে বাচাঁতে মরিয়া এবং এই চক্রান্তের অংশ হিসেবেই নিরাপরাধ শ্রেনীশিক্ষিকাকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে।

২৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬

গড়ল বলেছেন: বাংলাদেশের পুলিশ আসলে প্রতিবন্ধী টাইপের, জামাত-শিবিরের সহিংস আন্দলোন যেভাবে প্রতিরোধ করে, শিক্ষার্থী, নার্স বা প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলনও সেভাবেই প্রতিহত করার চেষ্টা করে। একটা আলোচিত ধর্ষন-খুনের ঘটনা যেভাবে নেয়, এই ঘটনাকেও তারা ঠিক সেভাবেই নিয়েছে বলেই তরিঘড়ী এই গ্রেফতার।

২৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫২

ফারিহা হোসেন প্রভা বলেছেন: শেষ সুযোগ দেওয়া উচিৎ ছিলো। :( ঘটনাটি খুব কষ্টের।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.