নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাহিত্যও কি তবে পন্য ?!!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

ফেসবুকে কিছু বন্ধুকে জিজ্ঞাষা করলাম তারা বইমেলায় গিয়েছে কিনা। তারা জানালো '' মাথা খারাপ যে বইমেলায় যাব?'' কেন জিজ্ঞাসা করায় বলল '' আর বলিশ না ফেসবুকের এই যুগে এখন কবি সাহিত্যিকে ভরে গেছে দেশ। কে কত বড় কবি বা সাহিত্যিক সেটা জাহির করা শুধু এখন আর ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই, সেটা এখন গিয়ে ঠেকেছে বইমেলায় বই প্রকাশের মধ্যে। লেখকরা নাকি আজকাল নিজের গাটের পয়সা খরচ করে বই ছাপায়।সবচেয়ে পেইনফুল ব্যপার হচ্ছে ''পুশ সেল''।বইমেলায় গেলেই পরিচিত এই কবি সাহিত্যিকেরা বাধ্য করে সবাইকে বই কিনতে ।এই কারনে বই মেলায় এখন আর যাই না। '' কথাটা শুনে অনেকক্ষন চুপ করে ব্যপারটা নিয়ে ভাবলাম। ফেসবুক , ব্লগ জুড়ে এখন শুধু চটকদার প্রচ্ছদের বই এর বিজ্ঞাপন। এতকাল কবি সাহিত্যিক হওয়ার ব্যপারটা প্রতিভা বলে জানতাম। কিন্ত এখন যেই পরিমান কবি সাহিত্যিকে গিজগিজ করছে চারিদিক তার মধ্যে কয়জন এই ''প্রতিভার'' অধিকারী সেটাই ভাবনার বিষয়। গুনী কবি, সাহিত্যিক অবস্যই আছেন। কিন্ত এইভাবে যদি মশা মাছির মত কবি সাহিত্যিকে গিজগিজ করে চারিদিক তবে আসল গুনীজনেরাতো তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হবেন বলেই আমার মনে হয়।

আজ থেকে বিশ বছর আগে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তাম তখন মনে পড়ে সেই সময়ের কিছু কবি সাহিত্যিকের কথা। ভুলোমন, সব সময় অন্য এক কল্পনার জগতে যেন বাস করতেন সেই লেখকরা। আধ ময়লা পাঞ্জাবি আর খাদির ব্যাগ ঝুলিয়ে বাংলা একাডেমীতে আড্ডা দিতে দেখতাম সেই কবি সাহিত্যিকদের। সেই সময়ে বইমেলা পরিচালিত হত বাংলা একাডেমী দ্বারা। মেলায় কাদের বই বের হবে তাও নির্ধারিত হত বাংলা একাডেীর মাধ্যমে। এখন মনে হচ্ছে বাংলা একাডেমীর কোন ভুমিকাই আর নেই। চারিদিকে বই এর চটকদার বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়িতে মনে হয় সাহিত্যও বুঝি এক ''পন্যে'' পরিনত হয়েছে।

এই ব্লগে অনেক গুনী কবি সাহিত্যিক আছেন। আমি নিজেও তাদের অনেকের লেখার ভক্ত। কারো মনে আঘাত দেবার জন্য এই পোস্ট নয়। বাংলা সাহিত্যের মান রক্ষার্থে বিষয়টা নিয়ে সামগ্রিকভাবে সবার ভাবনার প্রয়োজন আছে মনে করেই এই পোস্ট দেয়া।

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

তাজেরুল ইসলাম স্বাধীন বলেছেন: হা হা হা...
লেখক পরিচিত হলে বই তো কিনবেনই।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: বই কেনা উচিৎ পড়ার জন্য, পরিচিত কাউকে খুশি করার জন্য নয়।

২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

যায্যাবর বলেছেন: সহমত। সাহিত্য পণ্য নয়, তবে আজকাল বিষয়টাকে পুরোপুরি পণ্য বলেই মনে হয়। আর এসব হঠাৎ গজিয়ে উঠা সাহিত্যিক ও কবিদের ভিড়ে প্রকৃত এমন অনেক প্রতিভা রয়েছেন যারা বিকাশ হওয়ার আগেই হারিয়ে যেতে বাধ্য হন।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাষা ও সাহিত্য সম্পুর্ন ভিন্ন দুটো অঙ্গন।কিন্ত এখন মনে হচ্ছে ভাষাটা জানলেই সাহিত্যিক হওয়া যায়।

৩| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

প্রিন্স হ্যামলেট বলেছেন: নিজের টাকায় বই ছাপিয়ে ভাল সাহিত্যিক হওয়া যায় না। প্রতি বছর বই বের করা কোন সুস্থ সাহিত্যিকের কাজ না। আমি গত বছর নতুন তথাকথিত লেখকদের বই কিনে ঠকেছি । বেশিরভাগ মানহীন ।
গতকাল একটা পোস্টে এইসব বলায়, কমেন্ট ডিলেট করে দিয়েছিলেন পোস্টদাতা। আশা করছি আপনি তেমন করবেন না।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমার নিজেরো একই রকমের অভিজ্ঞতা আছে। বিদেশ থেকে প্রতিবছর প্রচুর কবি সাহিত্যিক বইমেলার সিজনে বই ছাপায়। দেশ থেকে ফেরত আসে কারি কারি বই নিয়ে। তারপর চলে পুশ সেল। অনেক সময় বিনে পয়সায়ও দিয়ে যায়। সেই সব বই এর এক পাতা পড়ার পর দ্বীতিয় পাতায় যাবার ধৈর্য আর থাকে না। আমার কথা হচ্ছে আমার বুক শেলফে কেন সেই বই সোভা পাবে যেটা আমি আদৌতেই পড়ব না?

৪| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

নাহিদ০৯ বলেছেন: ভালো লিখা বা ভালো লেখক কখনোই হারাবে না। তবে সময়ের সাথে সাথে যে পরিমান পাঠক বাড়ার কথা ছিলো তা হয়তো এদিক ওদিক দিয়ে কমে গেছে কিছুটা।

নতুন করে ভালো কিছু পাঠক তৈরি করার ব্যাপারে হয়তো আরো উদ্যগ দরকার পড়বে। আপাতত এতটা খারাপ সময় আসেনি যে বইমেলায় যাবে না কেউ।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: বইমেলা যে এলাকায় সেখানে মানুষের ভীর কোনকালেই কমবে না এই বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। কিন্ত কথা হচ্ছে বই এর মান নিয়ে। এই মান রক্ষার দ্বায়িত্বটাতো কোন কতৃপক্ষকে নিতে হবে যাতে গুনী লেখকের লেখাটাও স্বীকৃতি পায় আবার পাঠকেরো প্রতারিত হবার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

৫| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

আরোগ্য বলেছেন: কথায় যুক্তি আছে।
তবে অসংখ্য লেখকদের মাঝে ভালো লেখকরা সফল হোক এই কামনা করি।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: চারিদিকে কবি, সাহিত্যিক হবার যে হুজুগ শুরু হয়েছে, তাতে প্রকৃত সাহিত্যিকদের গুনের কদর করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

৬| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ব্লগে অনেকে অনুবাদ লিখে প্রসদ্ধি, যেই অনুবাদ আমি হয়তো ৩০-৪০ বছর আগে পড়েছি, তাছাড়া ব্লগে যেই কবিতা আছে তা নিয়েও সন্দেহ আছে আমার, কেনো জানি মনে হয় এই গুলোও অনুবাদ। ইরানী/আরবী/রাশিয়ান/সিরিয়ান - কবিতা/গান গুগল ট্রান্সলেটে দিয়ে ট্রান্সলেট করে নিজে কিছু শব্দমালা বসিয়ে নিতে হবে - হয়ে গেলো কবিতা । কাজী নজরুল রবীন্দ্রনাত বেঁচে থাকলে এতো এতো কবিতা দেখে নির্ঘাত মামলা ঠুকে দিতেন !!!

আর বাসার রান্না ও তার ছবি যারা ব্লগে দিয়ে ২০০ কমেন্ট যোগার করেন তাদের বই মজাদার হবার কথা না তাদের রান্না হয়তো মজাদার হতেও পারে !!!

বই মেলায় প্রচুর বই প্রকাশ হয় তার মধ্যে অনেক বই পল্টন নীলক্ষেত ফুটপাতে চলে যায় - এটি দুঃখজনক হলেও স্বার্থকতা আছে - মেয়ে পড়ালেখা ছাড়া কি করেন - তিনি একজন লেখিকা, পাত্র কি করেন - তিনি একজন লেখক ! এই নিন পাত্র পাত্রীর লেখা সহ ব্যাক কভারে তাদের ছবি সম্বলিত বই। - !!!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার এই অসাধারন কমেন্টের জন্য। এই মূল্যবান কমেন্টই যথেষ্ঠ বর্তমানে দেশের সাহিত্যিক অঙ্গনের প্রকৃত চেহারা তুলে ধরার জন্য।

৭| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


একেতো আপনার বন্ধুবান্ধব, তদুপরি ফেইসবুকের লোকজন, উনাদের সাথে আপনি সাহিত্য নিয়ে কথা বলছেন? ফলাফল অনুমান করতে পারছি না।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি কবিও নই , সাহিত্যিকও নই। আমি একজন অতি সাধারন পাঠক।

৮| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

আমি খুব একটা ফেসবুক ব্যবহার করি না, তবু মাঝেমধ্যে সেখানের নিউজফিডে আনমনে ঘুরেবেড়াই। সেখানে দেখলাম অনেক কবি লেখকেরা পাঠককে রঙ চায়ের দাওয়াত দিচ্ছেন। এরা কি পাঁচ টাকা দিয়ে শটাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন? নাকি পাঠক ধরে রাখার জন্য চায়ের উপর চাপ বাড়াচ্ছেন (?)



হ্যা, এটা ঠিক যে নিম্নমানের লেখকেরা আপনাকে ধরে বেঁধে হলেও একটা বই কিনিয়ে নিবেন, এতে উনার বই বিক্রির সংখ্যা বাড়লো বটে তবে যদি লেখাটা ক্ষেত মার্কা হয়, তবে পাঠকের খবর আছে(!)


০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন ,অনেক কবি লেখকেরা পাঠককে রঙ চায়ের দাওয়াত দিচ্ছেন। এরা কি পাঁচ টাকা দিয়ে শটাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন? নাকি পাঠক ধরে রাখার জন্য চায়ের উপর চাপ বাড়াচ্ছেন (?)।

এক কবিকে দেখেছি যে তার বাসার ছাদের বাগানে চা নাস্তার দাওয়াতে ডেকেছেন ফেসবুকের ফ্রেন্ডলিস্টের সকল ফ্রেন্ডকে। রকমারি ফুল ও সব্জি গাছে ভরপুর এমন চমৎকার ছাদ বাগানে বসে চা খাবার আহবান কি আর প্রত্যাখ্যান করা যায়? বিনিময়ে নাহয় তার লেখার একটু প্রসংসাই করা লাগলো। এ আর এমন কি কঠিন কাজ!

৯| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি ভালো লাগেনি।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: সমালোচনা কারই বা ভাল লাগে। তবে প্রকৃত কবি সাহিত্যিকেরা ঠিকই বুঝতে পারবে যে যে আমার লেখা মুলত তাদের পক্ষেই।

১০| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০৩

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: একদিন এই মেলায় গুটি কয়েকটা বই ছিল যার উদ্যেক্তা ছিলেন একটি মাত্র মানুষ। তাও তার নিজের প্রকাশনার নয় ছিলনা তার লিখা কোন বই। সেই থেকে এখন প্রাণের মেলাতে পরিনত হওয়ার পিছনে নবিন লেখকদের ভুমিকা আপনি অস্বীকার করবেন কেমন করে! যারা আজ ছাই-পাশ লিখছে ওরাই একদিন হয়তো খ্যাতি হাতিয়ে নিবেন। লিখতে থাকুক আপন মনে, ভরে যাউক সারাটি দেশ তবেই সৃজনশীলতার মূল্যায়ন হবে।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি নবীন, প্রবীন কোন লেখদের বিরুদ্ধেই কিছু লিখিনি। আমার এই পোস্টের বিষয় হচ্ছে লেখার মান নিয়ে। সাহিত্য কোন পন্য নয় যে প্রচারেই প্রসার। একটা পত্রিকায় আপনি যদি কোন লেখা পাঠান তবে সেই পত্রিকার সম্পাদক সেটা যাচাই বাছাই করে তারপরেই পত্রিকায় সেই লেখা প্রকাশ করে। কিন্ত বইমেলায় দেখা যাচ্ছে এ ধরনের যাচাই বাছাই এর জন্য কোন কতৃপক্ষ নেই। যে কারনে সবাই এখন গনহারে কবি, সাহিত্যিক বনে যাচ্ছে। সস্তা জনপ্রিয়তা এই ইদুরদৌড়ে আসল গুনীজনের গুনের কদর হচ্ছে না।

১১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১২

মা.হাসান বলেছেন: পুশিং সেলের পাল্লায় পড়িনি এখনো।
প্রতিবার মেলায় যাবার চেষ্টা থাকে। বাজেট অনুসারে বইকেনার ইচ্ছে থাকে। কোন বই পড়ার যোগ্য হলে কেনার যোগ্য মনে করি। ইচ্ছে থাকে নবিন লেখকদের লেখা পড়ার এবং কেনার। বছর দুই আগে কিছু নতুন লেখকদের বই কেনার পর বড় কষ্ট পেয়েছি। প্লট-কাহিনী কিছুই নেই , বাক্য গঠন সম্পুর্ন করতেও যানে না। ঘটনার কোন মাথা হাতা নেই।
ব্লগ আমার জন্য আশীর্বাদ। বেশ কজন খুব ভালো মানের লেখক এখানে পেয়েছি। কিছু ভালো রিভিউ পড়েছি। এবার খুব সিলেক্টিভ হয়ে বই কিনবো।
২০-২৫ বছর আগে মেলার পরিসর অনেক ছোট ছিল, আমার বাজেটও অনেক কম ছিল, কিন্তু কেনার মতো অনেক বই ছিল আর কেনার পর আফসোসও করতে হতো না।
বাংলা একাডেমি যদি বড় পাবলিশারদের সামনের দিকে স্টল বরাদ্দের শর্ত দিয়ে দেয় যে নূন্যতম ১০% নতুন লেখকদের লেখা বই প্রকাশ করতে হবে তাহলে হয়তো অবস্থার কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কেননা বড় পাবলিশারদের কোয়ালিটি কনট্রোল মোটামুটি ভাল কিন্তু বিখ্যাত লেখক না হলে তারা কারো বই ছাপাতে চান না।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলা একাডেমি যদি বড় পাবলিশারদের সামনের দিকে স্টল বরাদ্দের শর্ত দিয়ে দেয় যে নূন্যতম ১০% নতুন লেখকদের লেখা বই প্রকাশ করতে হবে তাহলে হয়তো অবস্থার কিছু পরিবর্তন হতে পারে।

পুরোপুরি একমত আপনার সাথে । আসলে ব্যাঙ এর ছাতার মত পাবলিশিং হাউজ গড়ে উঠেছে। ছাপানোই তাদের কাজ, কি ছাপাচ্ছে তা দেখার দরকার নেই, কারন বইতো লেখকের টাকায় ছাপানো হয়। সুতরাং পাবলিশিং হাউজগুলোর লস খাওয়ারতো কোন সম্ভাবনাই নেই। সাহিত্যের এই মানহীন বিশ্রি ব্যবসা অতি সত্বর বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।বাংলা একেডেমী এবং বড় পাবলিশিং হাউজগুলোকে সাহিত্যের মান রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। মানহীন লেখা যেমন প্রকাশ করা রোধ করতে হবে তেমনি গুনী নবীন লেখকদের গুনের কদর করাও তাদের অন্যতম দ্বায়িত্ব হিসেবে গন্য করতে হবে।

১২| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১৬

হাবিব স্যার বলেছেন: ভালো বলেছেন।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ । ব্যাঙ এর ছাতার মত গজিয়ে ওঠা কবি সাহিত্যিকের ভীরে আসল গুনীজনেরা হারিয়ে যাচ্ছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.