নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

অসংখ্য লাইক বা মন্তব্য কাব্য/ সাহিত্য স্বীকৃতির মান্দন্ড নয়

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪২

কাব্য বা সাহিত্য রচনা একটি প্রতিভা। বাংলা ভাষায় ভাল দখল থাকা মানেই এই নয় যে সবাই এই প্রতিভার অধিকারী। আগে যারা নিজেদের এই প্রতিভার অধিকারী বলে মনে করত, তারা তাদের কবিতা, গল্প বা উপন্যাস এই দেশের প্রতিষ্ঠিত পত্রিকায় ছাপাতে চেষ্টা করত। পত্রিকা ও ম্যাগাজিনগুলোর ফিচার বিভাগে গল্প , কবিতা ও অন্যান্য নানান বিষয়ে লেখা ছাপা হয়। সম্পাদকীয় যাচাই বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কোন লেখা মনোনীত হলেই কেবল তা পত্রিকায় ছাপা হয়। এই দেশের সকল জনপ্রিয় কবি সাহিত্যিকের শুরুটা এইভাবে পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমেই হয়েছে।

ফেসবুক ও ব্লগ আবিস্কৃত হবার পরে হঠাৎ করে গাদা গাদা কবি সাহিত্যিকের জন্ম হয়েছে এদেশে। ফেসবুক বা ব্লগের অসংখ্য লাইক, মন্তব্য এখন হয়ে দাড়িয়েছে কাব্য/ সাহিত্য স্বীকৃতির মান্দন্ড হিসেবে। যারা লাইক দিচ্ছে বা কমেন্ট করছে তারা কি বাংলা সাহিত্যের ধারক বাহক ? যারা স্রেফ শখের বশে লেখেন তাদের জন্য লাইক, মন্তব্যটা ভাল লাগার জন্য হতে পারে।কিন্ত এটা কোন অবস্থাতেই কাব্য/ সাহিত্য স্বীকৃতির মান্দন্ড হতে পারে না।

বইমেলায় মানহীন , আজেবাজে বই ছাপানো নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। অথচ বাঙ্গালীর প্রানের এই মেলা নিয়ে এইসব অভিযোগ আগে কখনও শুনিনি।আগে বইমেলায় কেবল স্বীকৃত কবি সাহিত্যিকদের বইই প্রকাশিত হত। সব পাঠকই গাটের পয়সা খরচ করে জনপ্রিয় লেখকদের বইই সবচেয়ে আগে কিনতে চায়। এই কারনে পাঠক আকৃষ্ট করতে অজানা, অচেনা নবীন লেখকেরা তখন স্টলের বাইরে দাড়িয়ে জানান দিত যে তার লেখা কোন কোন পত্রিকায় নিয়মিত ছাপা হয়। অনেক কাটখড় পুড়িয়ে তখন স্বীকৃতি পেতে হত।

ভাষা ও সাহিত্য একটি জাতির ঐতিহ্য। আমাদের সেই ঐতিহ্য এখন লাইক, কমেন্ট ব্যবসার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: দারুন লিখেছেন। এই সমস্যা শুধু ফেসবুক বা বইমেলায় নয় আমাদের ব্লগেও শুরু হয়েছে। আপনি দেখেছেন কিনা জানি না, সদ্য এক মহা মহা কবি+গল্পকার হুট করে এসে হাজির! কি কান্ড ঘটিয়েছ উনি নীচে দেখুনঃ
https://www.somewhereinblog.net/blog/nilakas39/30270172
লাইক আর মন্তব্য ধুয়ে ধুয়ে শরবত বানিয়ে খাবে মনে হয়!

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। আপনার এই পোস্টটা মিস হয়ে গিয়েছিল। লাইক, কমেন্টও তাহলে দেখা যাচ্ছে অনেকখানি মাল্টি নিকের কারসাজি !!!

২| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



হাজারো লাইক কমেন্ট যদিও সাহিত্য স্বীকৃতির মানদণ্ড নয়, তবুও যারা ভাল লিখতে চান তাদের জন্য একটি প্রেরণা। লেখালেখি একটি ধারাবাহিক সাধনার বিষয়। লেখতে লেখতেই তা আয়ত্বে আসে। এজন্য একজন নতুন লেখক তৈরীতে ফেউসবুক কিংবা ব্লগের অবদান কিন্তু কম নয়। বিশেষ করে ব্লগ হলো একজন লেখকের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা। তাই বলে হুট করে বই বের করার পক্ষে আমিও নই। একটি বই বের করার আগে লেখকদের ভালমতো প্রস্তুতি নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বই হলো ফিনিশ প্রোডাক্ট; পাঠকের হাতে যাওয়ার পর সংশোধনের আর কোন সুযোগ থাকবে না।

আবার, বই নিয়ে পাঠকের দোরগোড়ায় না গেলে পাঠকের মূল্যায়নও পাওয়া যায় না। কিন্তু এটাও সত্যি ইদানিং লেখালেখিতে মোটামুটি দক্ষতা অর্জন করার আগেই অনেক বই বাজারে আসে, বিশেষ করে বইমেলায়। অনেক প্রকাশনী টাকার জন্য কিছু মানহীন বই ছাপে। এতে ভাল মানের নতুন বইগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পাঠকরা নতুন লেখকদের প্রতি আস্তা হারান। তবে, এটাও সত্য মিডিয়া এবং পাঠকরাও কিছু সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়া লেখককে আকাশে তুলে দেন। অটোগ্রাফের জন্য লাইন দেন। এটাও নিশ্চয়ই ভাল দিক নয়। সাহিত্যের মানদণ্ডে এসব বইয়ের মান নিয়ে অভিযোগ আছে। আমি নিজেও লেককের নাম দেখে বই কিনে অনেকবার ঠকেছি।

ভাল মানের লেখক আর জনপ্রিয় লেখক দুই কিসিমের। আপনি পৃথিবীর সেরা সাহিত্যিকদের জীবন পর্যালোচনা করলে দেখবে তাঁদের শতকরা ৯০% মৃত্যুর পর জনপ্রিয় হয়েছেন; বাকি ১০% কপাল গুণে নিজের জনপ্রিয়তা দেখে গেছেন। সাহিত্য হচ্ছে একটি দেশ, একটি জাতি, একটি সংস্কৃতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের অর্কাইভ। আর এই অর্কাইভটির দরকার পড়ে লেখনির অন্তত ৫০ বছর পরে সমাজে বিভিন্ন পরিবর্তন যখন আসে। এজন্য সাহিত্যিকরা বেঁচে থাকতে তাদের কর্ম তেমন আলোচিত হয় না। কারণ, বর্তমান সবার কাছেই বর্তমান।

আর জনপ্রিয়তা অন্য বিষয়। কখনো মিডিয়া, কখনো বা পাঠক বুঝে না বুঝে অনেক অখ্যাত লেখককেও পরিচিত করে তুলেন। তাদের বইও দেদারছে বিক্রি হয়। এজন্য লেখবেন এরা একটি বছরে যে পরিমান বই লিখেন প্রকৃত সাহিত্যিকরা সারা জীবনেও সে পরিমাণ বই লেখতে পারেন না। এসব লেখকরা টাকার পেছনে ছুটেন বলে তাদের বইয়ের গভীরতা কম থাকে; যা সাহিত্যের মানদণ্ডে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে না।

এজন্য এসব লেখকদের একশোটি বই খুঁজলেও পাঁচটি ভাল মানের বই পেতে কষ্ট হয়। সাহিত্য হলো সাধনার বিষয়। যিনি টাকার পেছেন, জনপ্রিয়তার পেছেনে ছুটেন তাদের সাহিত্যে স্থায়ীত্ব খুব কম দিন থাকে। এদের কাছে টাকাটাই আসল; সাহিত্য সাধনার কোন গুরুত্ব নেই।

ভাল থাকুন প্রিয় ভাই। বইমেলায় আসবেন, কথা হবে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। আপনার লেখা এই ব্লগের প্রতিযোগিতায় সম্পাদকদের বিবেচনায় সেরা হয়েছে । আপনি খুব সম্ভবত আগেও বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি করেছেন। আপনি এই বিশ্বের মৃত্যূর পরে জনপ্রিয় যেসব লেখকদের কথা বলেছেন তারাও কিন্ত তাদের সময়ে স্বীকৃত লেখকই ছিলেন হয়ত পাঠককুলে তার সময়ে জনপ্রিয় হতে পারেনি। কিন্ত এখন যারা বইমেলায় বই ছাপাচ্ছে তারা কয়জন স্বীকৃত লেখক? আপনি নিজে যেহেতু এই লেখালেখির জগতে আছেন, আপনি স্বচোক্ষে আরো বেশী দেখছেন চারপাশের অবস্থা এবং আপনি যেসব বিষয় তুলে ধরলেন তাতো ভয়াবহ চিত্র সাহিত্যিক অঙ্গনের জন্য।

আপনার বই এর সফলতা কামনা করছি।

৩| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: যারা লাইল কমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে বই ছাপিয়েছে তারা ধরা খেয়েছে। প্রকাশক ধরা খেয়েছে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলে ধরা খেলেও কিছু যায় আসে না। কারন বই বের করাটা এখন একটা স্ট্যটাস সিম্বলে পরিনত হয়েছে।

৪| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ানভাই,

বেশ ভালো বিষয় তুলে ধরেছেন ; সহমত আপনার সঙ্গে । প্রিয় কাওসারভাই এর মন্তব্যটি ভীষণ ভালো লাগলো লাইকও দিয়েছি । এই মন্তব্যের পরে নতুন করে আর কিছু বলার থাকে না ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ পদাতিকদা আপনার কমেন্টের জন্য। চারিদিকে একটা হুজুগ তৈরী হয়েছে কবি/ সাহিত্যিক হবার। যেহেতু বইমেলায় বই বের করার ব্যপারে কোন বিধিনিষেধ নাই, তাই সবাই এর বাজে ফায়দা নিচ্ছে যা খুবই দুঃখজনক। বিস্তর অভিযোগ উঠছে কিন্ত আরো দুঃখজনক যে অভিযোগগুলো দেখভাল করার কোন কতৃপক্ষই নাই।

৫| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ফেসবুক নামেই বুক......

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফেইকবুক

৬| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: Sorry for writing in English (Avro being crazy). I sincerely agree with you. Good thing is hype dies out with time while real thing stands still against all odds. So, I am hopeful that in ten year we are going to get some brightest stars in our Bangla literary horizon.

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার মত আশাবাদী হতে পারছি না।অযোগ্যদের ভীরে গুনীজনের হারিয়ে যাবার সম্ভবনাই বেশি।

৭| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

নজসু বলেছেন:




পুরোপুরি একমত।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

৮| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ঠিক

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

৯| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: আগে পত্রিকাতে নিজের লেখা ছাপা হলেই আমরা খুশি হতাম। এখন সামান্য টাকা খরচ করলেই নিজের লেখা বই বের করা যায়। তাই যদু, মধু সবাই বই ছাপছে। তবে সচেতন পাঠক ঠিকই ভাল বই নিবে...

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: পাঠককেই যদি বিচারকের দ্বায়িত্ব নিতে হয় তবেতো তা মুশকিলের কথা।বিগত দশ পনের বছরে এই দেশের নামকরা কবি সাহিত্যিকদের স্থান কি সেভাবে নবীনরা কেউ নিতে পেরেছে? কেন পারছে না? হুমায়ুন আহমেদ/ জাফর ইকবালেরাতো তাদের যুবক বয়সেই খ্যাতি পেয়েছিল। এখনকার নবীনেরা সেটা কেন পারছে না? আমারতো ধারনা গুনের কদর না হওয়ায় গুনীজনেরা হারিয়ে যাচ্ছে।

১০| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার মনে হয় যারা প্রতিভাবান তারাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে। তাই হতাশ হবার কারণ নেই। হোক না হাজার হাজার বই। এরই মাঝে বের হয়ে আসবে অনেক রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ। সবার জন্য শুভ কামনা।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: পত্রিকায় একটা লেখা সম্পাদকের মনোনীত হলেই কেবল তা ছাপানো হয়।এটা একজন লেখকের লেখার স্বীকৃতি।একই সাথে মানসম্পন্ন লেখার পাঠক তৈরীর ক্ষেত্রও বটে। আজকে যারা সদ্য তরুন তাদের হাতে মানসম্পন্ন বই তুলে না দিলে তারা ভাল লেখার কদর করতেও শিখবে না।

১১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:০২

বলেছেন: কাওসার চৌধুরী ভাইয়ের সাথে সহমত -

এখন তো সবাই কবি আর সাহিত্যেক, ফেবু খুলি না ভয়ে শুধু কবি আর লেখকদের ছড়াছড়ি তারপরও ভালো ভালো কবি সাহিত্যবিশারদ সময়ের প্রয়োজনে বের হয়ে আসছে। এটাই ভালো দিক।

প্রকাশক হওয়ার জন্য কোন মানদণ্ড ও বই প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়ম কড়া হলে ভালো হতো +++

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। আপনারা যারা লেখালেখির জগতে আছেন তাদেরই বেশি করে এই ইস্যূতে সরব হওয়া প্রয়োজন। প্রকাশক হওয়ার জন্য কোন মানদণ্ড ও বই প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়ম কড়া না হলে মুল ভুক্তভোগী হবে গুনী লেখকেরাই।

১২| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: এক প্রতিষ্ঠিত পত্রিকার সম্পাদিকা তার কলামে লিখেছেন যে ''এই দেশে এখন যত হাত তত লেখক। সবাই লেখেন। সবাই সবকিছুর বিশেষজ্ঞ। ছোটবেলায় বড়বোনদের গাইড বই দেখতাম, ‘একের ভেতর তিন উচ্চ নম্বরের সিঁড়ি’। আর এখন বড়বেলায় বড় মানুষদের জ্ঞানের বহর দেখি। একের ভেতর সব উচ্চ ভাবের এসকেলেটর’।

১৩| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৩

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: প্রতিষ্ঠিত পত্রিকার সম্পাদিকা বাগাড়ম্বর করেছেন। মাথাপিছু বই প্রকাশের হিসাব ধরলে বাংলাদেশ এখনও উল্লেখযোগ্য কোনো হিসাবের মধ্যে আসবে না। বইমেলার ৪-৫ হাজার বই এমন কিছু না। সমস্যা হচ্ছে, আপনি যা বললেন, ফেসবুক-ব্লগীয় ঘরানায় লেখা। সম্পাদনাহীন লেখা নাকি স্টাইল, ব্লগারদের বই নিয়ে ফরমায়েশী অনতাকসরি খেলা নাকি সাহিত্য!

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ৪- ৫ হাজার বই !!! আর আপনি বলছেন এটা এমন কিছু না!! কেন যে নতুন প্রতিভা বের হবার সুযোগ পাচ্ছে না, সেটা কি বুঝতে পারছেন? ভাগ্যিস হুমায়ুন আহমেদদের জন্ম আরো আগে হয়েছে। তিনি একালের লেখক হয়ে জন্মালে , এই ডিজিটাল যুগে হাজার হাজার বই এর মাঝে তার অসাধারন সব বইগুলো হারিয়ে যাবার প্রচুর সম্ভাবনা ছিল।

১৪| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

আখেনাটেন বলেছেন: এখন হচ্ছে মার্কেটিং এর যুগ। পণ্যের গুণগত মান যাই হোক, বড় মাইক নিয়ে রাত-দিন প্রচার চালিয়ে গেলেই হল। দিনশেষে ঘরে লক্ষী প্রবেশ করবেই। ফেসবুকীয় হাউকাউ পোলাপান সাহিত্য নিয়ে এত চিন্তা না করে প্রচারের ঠেলায় এক পিস কিনে র‌্যাক সাজাবেই। কয়জন বইটা পড়ে আল্লাহ মালুম!!

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: হা হা হা ভাল বলেছেন। মার্কেটিং এর এই যুগে হাজার হাজার বই বের করা এবং কেনাটাই আসল কথা। পড়ার কষ্ট করার দরকার নাই। এত সময়ই বা কই পোলাপানের :)

১৫| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

তারেক ফাহিম বলেছেন: ফেইকরা আসে যাবে, সত্যিকারের প্রতিভাবন ব্যক্তি টিকে থাকবে।
মাঝখান থেকে একটু গোলামাল সৃষ্টি X((

গল্পকার কাউছার ভাই’র মন্তব্য ভালো লাগছে।

আপনার পোষ্টের সাথে মত প্রকাশ করছি।

বই মেলায় যাবো যাবো করে যাওয়া হচ্ছে না, এ ধরনের পোষ্ট দেখেতো ইচ্ছা লুকাই যাচ্ছে।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: প্রতিভাবানদের জন্য সময়টা আসলেই খুব খারাপ। তাদের প্রতিভা স্বীকৃতি পাবার ক্ষেত্রটা খুবই সংকুচিত এখন । তারপরেও অবস্যই বইমেলায় যাবেন। এই ব্লগের অনেক ভাল ভাল লেখকের লেখার সাথে আমরা পরিচিত। তাদের বই কিনুন।

১৬| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই সময়োপযোগী লেখা।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

নীলকন্ঠ কবি বলেছেন: একমত

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ফেসবুক বা ব্লগের বাহবা আসলে কোনো মানদন্ড নয়। অথচ এগুলোকে পুঁজি করেই বইমেলায় বের হচ্ছে অসংখ্য নতুন লেখকদের সাহিত্যের বই। যদিও এর মধ্যে ভালো লেখকও আছে এবং শেষ পর্যন্ত একমাত্র যোগ্যরাই টিকে থাকবে, কিন্তু মানহীন লেখকদের বইও তো কিছু না কিছু বিক্রয় হচ্ছে যা ক্রয় করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ পাঠকরা। ফলে তারা বই ক্রয় করা থেকে আস্তে আস্তে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এর ফলে সমগ্র বাংলা সাহিত্যটাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রকাশকদের এখনই সচেতন হওয়া দরকার। নয়তো পরে আরো হতাশাজনক অবস্থা সৃষ্টি হবে।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: এমনিতেই এখন ইন্টারনেটের কারনে বই পড়ার প্রবনতা কমে গেছে। তরুন প্রজন্মকে ইন্টারেন্টের আসক্তি থেকে মুক্ত করে বই এর জগতে ফিরিয়ে নিতে হলে প্রয়োজন মানস্পন্ন বই তাদের হাতে তুলে দেয়া। কিন্ত অবস্থা যা দাড়িয়েছে তা পাঠককে আরো বেশী বই পড়ার প্রতি বিমুখ করবে।

১৯| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: যাহ! সত্য কথাগুলো এভাবেই বলে দিলেন? এইটা কিছু হইল? ;)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। তবে তিতা সত্য কেউ শুনতে চায় ন। সবাই শুনতে চায় শুধু প্রসংসা আর প্রসংসা। :)

২০| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৫

অগ্নি সারথি বলেছেন: আমার পরিচিত একজন লেখক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার বই সংক্রান্ত পোস্টে যতজন মানুষ লাইক দেন তারা সকলে যদি একটা করেও বই কিনতেন তবে তার বইয়ের কয়েকটা সংস্করন শেষ হয়ে যেত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.