নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল প্যানেলের শিক্ষকদের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ!!!

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৬



রাতেই হলে হলে যাচ্ছে ব্যালট পেপার-বাক্স।
এর প্রতিবাদে ভিসির কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ করছে বামজোট, স্বতন্ত্র জোট, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, কোটা আন্দোলন ও ছাত্র ফেডারেশনসহ অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। ‌

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্যানেল সাদা দল। ‌‌নির্বাচনী কমিটিগুলোতে ভিন্নমতের শিক্ষক নেই জানিয়ে লি‌খিত বক্তব্য তারা বলেন, ১৮ হল সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন সমর্থক শিক্ষক ছাড়া ভিন্নমতের কোন একজন প্রভোস্ট ও হাউজ টিউটর নেই। ফলে নির্বাচন পরিচালনায় গঠিত নির্বাচন কমিশনে শিক্ষকদের অন্তর্ভূক্তির সুযোগ ছিল এবং আমাদের পক্ষ থেকে ভি‌সির কাছে এ দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু আমাদের দাবি উপেক্ষা করা হয়।

সাদা দ‌লের প্রচার স‌চিব অধ্যাপক ড. মো. ছি‌দ্দিকুর রহমান খান ব‌লেন, ডাকসু নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের ব্যবস্থা নেই। স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের বদলে সেখানে অস্বচ্ছ স্টিলের বক্স দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছতার সাথে করার জন্য স্টিলের বক্স থেকে স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনে কারচুপি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বচ্ছ ব্যালট বক্সের পরিবর্তে অস্বচ্ছ ব্যালট বক্সের ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, সর্বশেষ অনুষ্ঠিত ১৯৮৯-৯০ এবং ১৯৯০-৯১ এর নির্বাচনে ডাকসু নির্বাচনে হলের ভোট হলে গণনা করা হতো আর কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট কেন্দ্রীয়ভাবে গণনা করা হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে একটি বুথ বসিয়ে সেখানে এ গণনা কাজ করা হতো। কিন্তু চলতি নির্বাচনে হলে হলে ভোট গণনা করা হবে।

পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক শত শিক্ষক রয়েছে যারা সাদা কিংবা নীল যে রং এর প্যানেলেই থাকুক না কেন সবার প্রথম পরিচয় '' শিক্ষক''। কিন্ত খুব সম্ভবত তারা তাদের শিক্ষক পরিচয় বেমালুম ভুলে গেছে। তা নাহলে মাস ঘুরতেই আরেকটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা হতে দেবে কেন? তারা চাইলে কি দলের উর্ধে উঠে সবাই একজোট হতে পারে না? বাঁচাতে পারে না নিজ শিক্ষাঙ্গনকে ?

নষ্ট রাজনিতিবিদদের নষ্টামি আমাদের গা সওয়া হয়ে গেছে। কিন্ত বিবেকহীন শিক্ষকদের নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে বেইমানি করতে দেখলে শিক্ষা দীক্ষা সব অর্থহীন বলে মনে হয়।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩১

নতুন বলেছেন: ইচ্ছা থাকলে সচ্ছ বাক্সে ভোট হতে পারে,,,, প্রতিটি কেন্দ্রের ভেতরে সিসিটিভি মনিটর বসতে পারে....

ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়....

আর বিবেক নস্ট হয়েগেলে তারা শিক্ষক থাকেনা।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সরকারের ইচ্ছা আমাদের কারো অজানা নয়। কিন্ত এত বড় একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক শত শিক্ষক যদি একত্রে বেঁকে বসে তবে কি সেখানে এত বড় একটা অরাজকতা হতে পারে?

২| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:

ডাকসুর গঠনতন্ত্র, মুলত 'উদ্দেশ্য' বদলায়ে দেয়ার দরকার: শুধুমাত্র ঢাকা ইউনিভার্সিীর ছাত্রদের অধিকার সংরক্ষণে কাজ করবে, এবং এটি হতে হবে 'অরাজনৈতিক কমিটি'।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: করবেটা কে? নামেই স্বায়ত্বশাষন আসলে দালালদের আখরা।

৩| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের চেয়ে মাঠের রাখালরা ভালো নাগরিক। ঢাকা ইউনিভার্সিটি দেশের সেরা ডাকাত প্রস্তুতকারক কারখানা

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: তুলনাটা ভাল হয়নি। মাঠের সৎ, পরিশ্রমী রাখালদের সাথে এইসব নষ্টদের কোন তুলনাই চলে না।

৪| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

হাবিব স্যার বলেছেন: কিন্তু স্বচ্ছ বাক্স কেন দেয়া হলো না?

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: স্বচ্ছ বাক্সের ভেতরের কারুকাজ যেন আপনি না দেখতে পারেন তাই।

৫| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: শুধু দেখে যাবেন। আর চুপ করে থাকবেন।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: এইটাই এখন অলিখিত আইন ।

৬| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১২

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সত্যিই কথা বলতে কি, রাজনীতির মারপ্যাঁচ আমি বুঝি না ভাই।

১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: এখন কোন মারপ্যাচ নাই, সব ফিলিপ্স বাত্তির মতই ফকফকা।

৭| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:২৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: দেখা যাক কাল কী হয়...


(কম ভোটারের একতরফা নির্বাচনেও ব্যালট বাক্স ছিনতাই, হামলা)
dw.comএ আজকের খবর:D

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় কেন্দ্রীয় সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেলের প্রার্থীরা এরই মধ্যে ভোট বর্জন করেছে। আগামীকাল হেলমেটলীগকে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে।

৮| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:০১

নাহিদ০৯ বলেছেন: আচ্ছা যদি বাক্স স্বচ্ছই হতো আর দেখতেন সকাল ৮ টায় প্রায় অর্ধেক ভর্তি ব্যালট পেপার দিয়ে তাহলে আপনি কি করতেন? খামোখা প্যাচাল ছাড়া আর কিছুই না।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাক্স স্বচ্ছ আর অস্বচ্ছ তাতে কি এসে যায়! ভোটতো শিক্ষার্থীদের দিতেই দেয়া হয়নি।

৯| ১০ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পড়লাম ৷দেশ ও জাতির প্রতি শ্রদ্ধা।

শুভকামনা জানবেন।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য। শ্রদ্ধা করার সবগুলো জায়গা অদৃশ্য শক্তির ইশারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

১০| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:২৩

বিন্দু বিসর্গ বলেছেন: যে দেশের শিক্ষকদের ভূমিকা এই রকম হতে পারে , সেই জাতি যে ধ্বংস হচ্ছে সেটা অবধারিত। এই দেখতে বা পড়তে আর ইচ্ছা করে না আর । যে দিন গণতন্ত্র আবার পুরনজন্ম নিবে সেই দিনই দেখব অথবা মানুষের মাঝে নূন্যতম মূল্যবোধ , ন্যায়বোধ ফিরে আসবে সেদিনেই .

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ''ভিসি বলেছেন ভোট সুষ্ঠু হয়েছে। আমি খুব আনন্দিতবোধ করছি!!!!'' সেই সাথে বিভিন্ন হলগুলোর প্রভোস্ট ও হাউস টিউটরদের নিল্লজ্জ ভুমিকার ভিডিও এখন ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে ঘুরছে।''

১১| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ ভোর ৬:০৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মাঠের রাখালরা অবশ্যই এই সকল প্যারাসাইট শিক্ষকদের চেয়ে সহস্র গণ ভালো নাগরিক। রাখালরা আর যায় হউক সারাক্ষন ক্ষমতাসীনদের পা চাঁটা আর ওপরের ঘাড়ে কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার ধান্দায় থাকে না । যে দলই ক্ষমতায় যায় তারা এই শিক্ষক শ্রেণীর লোভের সুযোগ নিয়ে তাদের এবিউজ করে থাকে । আর এই শিক্ষকরাও একেক রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে যত অন্যায় অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকেন ।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের দেশের দরিদ্র সম্প্রদায়ের সংগ্রামী মানুষের সাথে এইসব ইতরের তুলনাই চলে না।

পড়াশোনায় ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট সেকেন্ড হয়ে , বিদেশ থেকে পিএইচডি করে আসা এই শিক্ষকেরা গোলামি খাটছে লোভী ,চুড়ান্ত অসৎ রাজনীতির!!!! কি মূ্ল্য এই পড়াশোনার তাহলে?

১২| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: এইটাই এখন অলিখিত আইন ।

এই আইন না মানলে মিথ্যা মামলা খেয়ে জেলে যেতে হবে।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ৪৮ বছরের ইতিহাসে এই দেশে এত খারাপ সময় আর মনে হয় আসেনি।

১৩| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:০২

যায্যাবর বলেছেন: আইন মানলে চুপ থাকতে হবে, আর না মানলে জেলে যেতে হবে। আর আমরা এমন হক কথা বলি বলেই তো ব্লগটি বন্ধ করার জন্য কত ধরণের মিথ্যে অভিযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণও যোগাড় করছে তারা কমেন্টে নোংরা ছবি পোষ্ট করে।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্লগ কতৃপক্ষ শক্ত অবস্থান নিয়েছে এই ধরনের ষঢ়যন্ত্রের বিরুদ্ধে।

১৪| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:০৯

বাকপ্রবাস বলেছেন: আগের রাতে সীল মারা ভাই
নব্য বাংলা রীতি
ভোটের দিনে বোনাস হবে
হামলা মামলা ভীতি।

এটাই এখন চেতনারে ভাই
চেতনায় ভাসে দেশ
সত্য কথা কইতে মানা
কইলে তুমি শেষ।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:১৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: যদি তুমি ভয় পাও
তবে তুমি শেষ
যদি তুমি ঘুরে দাঁড়াও
তবে তুমি বাংলাদেশ ।

ঢাবির ছাত্রছাত্রীরা দেখিয়ে দিয়েছে তারা সত্য প্রকাশে একবিন্দুও ভয় পায় না। ।

১৫| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:১১

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: যেখানে সাম্রাজ্যবাদ নেই... যেখানে পুঁজিবাদই সব সেখানে ভালো কিছু আশা করা যায় না... তারপরও আমরা আশা করি...

যেদিন এইদেশ সাম্রাজ্যবাদকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিবে মূলত সেদিন থেকেই দেশের সার্বিক উন্নয় শুরু হবে...

১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: স্বৈরাচারের পতনই একমাত্র সমাধান।

১৬| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

আমি মুক্তা বলেছেন: বাকপ্রবাস ভাই অনুমতি ছাড়াই কপি মারলাম সুন্দর ছড়াটির একটি অনুচ্ছেদ:

এটাই এখন চেতনারে ভাই
চেতনায় ভাসে দেশ
সত্য কথা কইতে মানা
কইলে তুমি শেষ।

সহমত।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সত্য না বলে চুপ মেরে থাকলেও কি বেঁচে যাওয়ার গ্যরা্ন্টি আছে?

১৭| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

আখ্যাত বলেছেন: :
আমার ভোট আমি দেব
যত খুশি তত দেব।
সিল মারে ভাই সিল মারো
যত খুশি সিল মারো

১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আজকের ভিসি আগামীর ইসি :)

১৮| ১১ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: চাটুকার, চামচা শ্রেণীর বাজে মানুষ যখন জাতির গুরুত্বপূর্ন সেক্টরগুলোতে বসে যায়, তখন আর কিছুই ঠিক থাকেনা। মনে হচ্ছে, আরো খারাপ সময় আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

১১ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আশা হারানো চলবে না।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ তার পোস্টে লেখেন, গত রাতে উপাচার্য এবং তার পাইক-পেয়াদারা সুবিধার উচ্ছিষ্টের লোভে কিংবা মানসিক দাসত্বের বাধ্যবাধকতায় যা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তা আজ দিবালোকে উন্মোচন করে দিয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের পেটোয়া বাহিনীর সামনে তারা দাঁড়িয়েছে। গত রাত ও আজকের সকাল-দুপুর পেছনে ফেলে শিক্ষার্থীদের জন্যে এখন সিদ্ধান্তের বিষয় হচ্ছে আগামী দিনগুলোতে তারা সম্মিলিতভাবে কিভাবে অগ্রসর হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.