নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

পারস্পরিক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের মাঝেই নিহিত শান্তি

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

view this link

সতের বছরের এক শেতাঙ্গ তরুন অনলাইনে ঝড় তুলেছে মুসলিম বিদ্বেশী এক অস্ট্রেলিয়ান সিনেটরের মাথায় পচা ডিম ছুড়ে।অনালাইনে এখন তাকে ঘিড়ে উঠেছে প্রসংসার ঝড়। সেই সিনেটর নিউজিল্যন্ডের ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে যে - Muslims “may have been the victims today; usually they are the perpetrators।অর্থাৎ তিনি এক কথায় এই বিশ্বের সকল মুসলিমকে অনিষ্টকারী হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন!!

একজন সতেরো বছর বয়সী ছেলে যে নিজেও একজন শেতাঙ্গ, সে দেখিয়ে দিয়েছে উস্কানিমুলক বক্তব্যের প্রতিবাদ কিভাবে করা উচিৎ। ধর্ম অত্যন্ত স্পর্শকাতর এক ইস্যূ এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধা না থাকলে শান্তিপুর্ন সহবস্থান সম্ভব নয়। ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের রুখতে হলে প্রয়োজন সকল ধর্মের র্উধে উঠে এর বিরুদ্ধে একজোট হওয়া। জঙ্গীবাদের সাথে আসলে ধর্মের সম্পর্ক একেবারেই নাই। নিউজিল্যন্ডের জঙ্গী বা আইসিস জঙ্গী কেউই ধর্মপরায়ন নয়। এরা যদি নিজ নিজ ধর্ম সঠিকভাবে পালন করত তবে তারা এই নিশৃংশ রাস্তা বেছে নিত না। কোন ধর্মেই ''খুন'' কে লিগাল করা হয়নি। ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা আসলে এক প্রকার মানসিক বিকৃত জঘন্য অপরাধী।

যার যার ধর্ম তার তার ।আপনি যে ধর্মেরই অনুসারী হয়ে থাকুন না কেন, আপনাকে আরেকজনের ধর্মকে শ্রদ্ধা করতে হবে। অথবা আপনি যদি একজন ফ্রি থিংকার হয়ে থাকেন তা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বিশ্বা্‌স সেটাকে আরেকজনের অশ্রদ্ধা করার কিছু নাই।তবে ফ্রি থিংকাররা যদি ভেবে থাকেন যে তাদের নিজস্ব বিশ্বাস প্রচার করার রাস্তা হচ্ছে ধর্মকে আক্রমন, তবে সেটা পুরোপুরি বর্নবাদী একটি আচরন যা সমাজে অশান্তি ছাড়া আর কিছু বয়ে আনে না। সোজা কথায় যে কোন ধর্মের সমালোচনাই আসলে উস্কানিমুলক। সমালোচনা হওয়া উচিৎ ধর্মীয় কুসংস্কার ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে, সরাসরি ধর্মের বিরুদ্ধে নয়।সহনশীলতাকে সবচেয়ে উপড়ে স্থান দিতে হবে।

ভিডিওটিতে মাত্র সতেরো বছর বয়সী শেতাঙ্গ ছেলেটি দেখিয়ে দিয়েছে বর্নবাদী্দের কিভাবে প্রতিহত করা উচিৎ ।ছেলেটি নিজেও হয়ত জানে না যে কি বিশাল মানবতার পরিচয় সে দিয়েছে। এটাই তারুন্য। সব দেশে সব যুগে তরুনেরাই সব সময় ন্যায় ও সত্যের পক্ষে অবস্থান নেয়।


মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার ব্যপারে আমাদের মহানবী(সাঃ)-ই বলে গিয়েছেন। আর ফ্রি থিংকারদেরও উচিত নিজেদের মত করে থাকা। কখনোই অন্য ধর্ম নিয়ে খুঁত বের করা নিয়ে নয়...

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: নিজেদের যারা সর্বসমক্ষে ফ্রি থিংকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে আরেক ধর্মকে আক্রমন করে বক্তব্য দেয় তারা আসলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুসারী রেসিস্ট মানুষ। নিউজিল্যন্ডের মসজিদের হত্যকান্ডকে এরা ইনিয়ে বিনিয়ে প্রশ্রয় দেয়। এরা আসলে মানবতার শত্রু। আমার চারপাশে প্রচুর মানুষ আছে যারা রিয়েল ফ্রি থিংকার। কোনদিন তাদেরকে দেখিনি আগ বাড়িয়ে নিজেকে ফ্রি থিংকার হিসেবে পরিচয় দিতে বা আরেক ধর্মকে আক্রমন করে বক্তব্য দিতে।

২| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:০১

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: মুক্তচিন্তকদের আমি সম্মান করি। আমি নিজেও একজন মুক্তচিন্তক। তবে একজন মুসলিম। সবাইকেই মুক্ত চিন্তার অধিকারী হওয়া উচিৎ।

কিন্তু বর্তমানে মুক্ত চিন্তার মানুষ আসলে নেই বললেই চলে। যারা আগ বাড়িয়ে মুক্তচিন্তক বলে পরিচয় দেয় তারা আসলে মুক্তচিন্তক না। তারা ধর্ম বিদ্বেষী।

যাহোক, সবাইকে এক হয়ে জঙ্গীদের প্রতিরোধ করত্র হবে।

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিদেশে ফ্রি থিংকার বলতে তাদেরই বোঝায় যাদের প্রচলিত কোন ধর্মবিশ্বাস নাই। চাইনিজ জাপানিজরা অধিকাংশই ফ্রি থিংকার। এরা ধর্মীয় কোন রীতিনীতি পালন করে না। এরা মোরালিটি বা মূল্যবোধকে অনেক উপড়ে স্থান দেয় বলে আরেকজনের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করাকে এরা বর্নবাদী আচরন বলে মনে করে। আমাদের দেশে যারা নাস্তিক হিসেবে নাম লিখিয়ে ধর্মকে আঘাত করে বেড়ায় এরা আসলে নাস্তিক নয়, এরা ইসলাম বিদ্বেশী চুড়ান্ত বর্নবাদী মানুষ।

৩| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা আসলে এক প্রকার মানসিক বিকৃত জঘন্য অপরাধী।

সহমত।

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ। সহনশীলতা খুবই গুরুত্বপুর্ন একটি বিষয় যেটা অনেক মানুষের মধ্যে নাই।

৪| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২

আখ্যাত বলেছেন: :
অজ্ঞতা মাফ করবেন,
“মৌলবাদ” এর সংজ্ঞাটা আমার অজানা।
জানাবেন?

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: মৌলবাদ (ইংরেজি: Fundamentalism) হচ্ছে গোঁড়া ধর্মীয় মতবাদসমূহের কঠোর অনুগমনের চাহিদা যা সাধারণত বোঝায় উদার ধর্মতত্ত্বের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া। সমাজে শান্তিপুর্নভাবে সকল ধর্মের মানুষের সহবস্থান নিশ্চিত করতে হলে রাস্ট্রকে মৌলবাদ কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।এই বিশ্বের সকল উন্নত দেশই এই নীতি মেনে চলে।

৫| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্ম না থাকলে পৃথিবীতে শান্তি বিরাজমান থাকতো।

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটাও মনে হয় না। কারন প্রচলিত ধর্গুলোর মধ্যে ইহুদিদের ধর্মই সবচেয়ে প্রাচীন। তার আগে ফারাও সাম্রাজ্য বা প্রাচীন গ্রীস এর সময়কার গল্পগুলো পড়লে দেখা যায় মানুষ সে সময় অসংখ্য দেব দেবীর উপাশনা করত ।জোতিষবিদ্যা, কাল যাদু ইত্যাদির ওপড় ছিল মানুষের অগাধ বিশ্বাস। সেটাও খুব অন্ধকারচ্ছন্ন সময় ছিল।

৬| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২৬

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: সহমত।

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্ম না থাকলে পৃথিবীতে শান্তি বিরাজমান থাকতো। - ভাইজান, কিভাবে? এই টপিক নিয়ে একটা পোস্ট লিখুন।
আইনকানুনেরও কিন্তু অপপ্রয়োগ হয়। ধর্ম মানবসমাজের মঙ্গলের জন্যই সৃষ্টি। কিছু দুষ্ট, সুবিধাবাদী ধর্মকে অপব্যবহার করে অশান্তি বাড়াচ্ছে। এদের বয়কট করে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

১৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: কোন র্ধমেই আরেক ধর্মের লোকদের আক্রমন করার কথা বলা হয়নি। ধর্মের দোহাই দিয়ে খুন খারাপি যারা করছে তারা কেউই আসলে ধর্মের অনুসারী নয়। জঙ্গীবাদের পেছনে আছে এই বিশ্বের ক্ষমতাবান দেশগুলোর নানান ষঢ়যন্ত্র। ধর্মের বিপক্ষে তাই উস্কানিমুলক বক্তব্য যারা দেয় তারা নিজেও হয়ত জানেও না যে নিজের অজান্তে তারা উগ্রবাদ সমর্থন করছে।

৭| ১৮ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৩১

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম
ভালো লাগলো

১৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

৮| ১৯ শে মার্চ, ২০১৯ ভোর ৫:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমি এখন থেকে বুক পকেটে ডিম নিয়ে ঘুরবো, কোন সিনেটর দেখলে, মাথা ডিম ভাংগবো। আপনিও আপনার প্যান্টের পেছনের পকেটে ডিম রাখবেন।

১৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: মানবতাবাদীদের সংখ্যাই এই পৃথীবিতে বেশী। সিনেটরের মাথায় ডিম ছুড়ে মারা এই ছেলেটির কেস লড়ার জন্য এবং আরো ডিম কেনার জন্য ৫০০০০ ডলার চাঁদা তুলেছে সে দেশের মানুষ। কিন্ত ছেলেটি সেই টাকা ডোনেট করে দিয়েছে মসজিদে আহতদের সাহায্যর্থে। তারুন্যের দৃষ্টি দিয়ে এই পৃথীবিটাকে বুঝতে চেষ্টা করুন।

৯| ১৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

আরোগ্য বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

কিছু ব্লগার কেবল উসকানি দিতেই পছন্দ করে। তাদের মতে, ধর্মই যত অধর্মের মূল। কিন্তু ধর্ম যদি না থাকতো তাহলে বনের পশু আর ঘরের মানুষের মাঝে কোন তফাত থাকতো না।

১০| ২৪ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:০২

এম. বোরহান উদ্দিন রতন বলেছেন: শান্তি, মানবতা, সাম্য কোনটিই ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক নয়, ধর্মীয় অনুশাসন মানুষকে সৃজনশীল ও বিনয়ী করে, এবং তাকে দুনিয়াবী লোভ, হিংসা ও অহংকার থেকে মুক্ত রাখে। সন্ত্রাসের কোন ধর্ম নেই, দুই চার জন সন্ত্রাসীর কারণে ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলা নির্বোধের মতো কাজ ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.