নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

হিজাব হ্যাশট্যাগ

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

নিউজিল্যন্ডের মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাকে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রথমে টেরোরিস্ট এটাক হিসেবে উল্ল্যেখ না করে ''mass shooting'' হিসেবে উল্ল্যেখ করা হয়েছিল।শেতাঙ্গ এই টেররিস্টকে ''টেররিস্ট'' হিসেবে উল্ল্যেখ না করে ''কিলার'' হিসেবে উল্ল্যেখ করা হয়েছিল। শুধু তাই নয় ব্রিটেনের ডেইলি মিররে খুনীর ছোটবেলার এক ছবি ছাপিয়ে তাকে এঞ্জেলিক বয় সম্বোধন করে এই নিশৃংষ ঘটনার সংবাদ প্রচার করা হয়েছিল।The British newspaper reserved most of the page for an innocent childhood photo of Brenton Tarrant, describing him as an "angelic boy who grew into an evil far-right mass killer."

শেতাঙ্গ এই টেররিস্ট নিজেকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভক্ত বলে জানানোর পরও এই বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নিউজিল্যন্ডের প্রেসিডেন্ট যদি কেবল শোক প্রকাশ ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরন দেয়ার মাঝেই তার দ্বায়িত্ব শেষ করত তাহলে এই ভয়াবহ হত্যাকান্ড হয়ত আর কোন প্রকার মিডিয়া কভারেজই পেত না।কিন্ত অসাধারন ব্যক্তিত্ব ও মানবতার অধিকারি এই মহিয়শী নারী যেভাবে ইসলামকে সম্মান জানিয়েছেন তা এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই বিশ্বে মুসলিমদের অত্যন্ত কঠিন সময় পাড়ি দিতে হচ্ছে।আইসিস নামধারী একপাল জঙ্গীকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়ে সমগ্র মুসলিম জাতিকে ইমেজ সংকটের মাঝে ফেলে দেয়া হয়েছিল। যে কোন মুসলিমই যে কোন সময় জঙ্গীবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে জঙ্গী হয়ে উঠতে পারে এমন একটা ভ্রান্ত ধারনা ভিন্ন ধর্মের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ইমেজ সংকট ছাড়াও পুরো বিশ্বব্যাপী মুসলিমরা শিকার হচ্ছিল হেট ক্রাইমের। কিন্ত এসব ঘটনার বিরুদ্ধে সেরকম কোন প্রতিবাদ হচ্ছিল না।একজন মুসলিম জঙ্গীর কর্মকান্ড যতটা মিডিয়া কভারেজ পায়, তার শিকিভাগও পায় না মুসলিমদের ওপড় অমুসলিম জঙ্গীদের সন্ত্রাসের ঘটনা।

নিউজিল্যন্ডের প্রধানমন্ত্রীর এবারের সম্পুর্ন ব্যতিক্রমী কর্মকান্ড বিড়াট এক আঘাত হেনেছে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট আচরনে। মাথায় হিজাব পড়ে তিনি যেভাবে সম্মান জানিয়েছেন ইসলামকে, তা বিশ্বব্যপী এক আলোড়ন তৈরী করেছে সকল ধর্মাম্বলীর মানূষের মাঝে। তার '' আমরা সবাই এক'' আহবান মানবতা জাগ্রত করেছে মানুষের মধ্যে।মুসলিমদের প্রতি সংহতি জানাতে এখন সামাজিক মাধ্যমে হিজাব হ্যাশট্যাগ প্রকাশ পাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে অমুসলিম নারীরা হিজাব পরিহিত ছবি পোস্ট করছেন। দেশটিতে এখন হিজাব পরা রীতিমতো ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের সংবাদ উপস্থাপিকারা হিজাব পরে হাজির হন ক্যামরার সামনে। বিভিন্ন নারী সাংবাদিককে দেখা যায় হিজাব পরিধান করে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করছেন। এমনকি পুলিশের নারী সদস্যরাও হিজাব পরে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হিজাব পরিহিত ছবি পোস্ট করে এক অমুসলিম নারী লিখেছেন, ‘হিজাব পরিধান করে আমরা মুসলিম নারীদের সমর্থন ও সংহতি জানানোর চেষ্টা করছি। কেন না, প্রতিদিন অসংখ্য মুসলিম নারী তাদের বিশ্বাস থেকে হিজাব পরিধান করলেও তাদেরকে নানা রকম লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়।’

মানবতার অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে নিউজিল্যন্ড। এই বিশ্বে সকল ধর্মের মানুষের একত্রে শান্তিপুর্ন সহবস্থান কিভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব তার উদাহরন আজকের নিউজিল্যন্ড।২০১৯ এ নোবেল পিস প্রাইজ তিনি পাক আর না পাক,এই বিশ্বের সকল মানবিক মানুষের অন্তরে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন।

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:২৮

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: তিনি মানবতার মুখোশ পরিহিত ভণ্ড মুসলিম বিদ্বেষীদের মুখোশ খুলে দিয়েছেন। মানবতা কাকে বলে নিজে উদাহরণ হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: মানবতার কোন ধর্ম নাই। এই ম্যসেজটাই তিনি বিশ্বব্যপী ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন।তার '' আমরা সবাই এক'' আহবানটাই যথেষ্ঠ মুখোশধারিদের মুখোস উন্মোচন করতে।

২| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৪১

আখ্যাত বলেছেন: #হিজাব

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রকাশের এত সুন্দর নিদর্শন আগে কোনদিন দেখি নাই।

৩| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ান ভাই,

খুব ভালো একটা বিষয় উত্থাপন করেছেন। ঘটনার পর থেকে মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যেকটা সিদ্ধান্ত অত্যন্ত প্রশংসনীয় । একবিংশ শতকের মানবতার প্রতীক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এমন মনোভাব ছড়িয়ে পড়ুক গোটা বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে ।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ পদাতিকদা। একজন রাস্ট্রনায়ক কেমন হওয়া উচিৎ , তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

৪| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:১৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ++++++

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

৫| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

রাজীব নুর বলেছেন: এটা অতি সামান্য বিষয়।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার পোস্ট করেন একরকম কিন্ত কমেন্ট করেন সম্পুর্ন ভিন্ন রুপে।

৬| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

মুক্তা নীল বলেছেন: নিউজিল্যন্ডের প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হিজাব পড়ে তিনি যেভাবে সম্মান জানিয়েছেন ইসলামকে, তাতে তিনিও প্রশংসা ও সম্মান লাভ করেছেন পুরো বিশ্বের কাছে। মানবতার এক অনন্য নিদর্শন তিনি।
পোস্ট ভাগলাগা রইলো।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আন্তর্জাতিক মিডিয়া বা ক্ষমতাবান রাস্ট্রগুলো মনে হয় না তার এই পদক্ষেপে খুশী হয়েছে। তবে মুসলিম জাতি তাকে আজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরন করবে।

৭| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

বলেছেন: নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জয় করলেন বুরুজ আল খলিফা -- যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে তার বিখ্যাত ছবি।
আর এদিকে,
ইসলামকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম বলে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কো (UNESCO)। গত ৭ জুলাই এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

এর আগে ইউনেস্কো ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশন-এর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের সবগুলো ধর্ম নিয়ে গবেষণা চালায়। ওই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ধর্ম কোনটি তা খতিয়ে বের করা।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের তুলনামূলক গবেষণা বিভাগের প্রধান রবার্ট ম্যাকগি বলেন, ছয় মাসব্যাপী গভীর গবেষণা ও বিশ্লেষণের পর আমরা এই উপসংহারে উপনীত হয়েছি যে, ইসলামই বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার এই তথ্যবহুল কমেন্টের জন্য। ইসলামবিদ্বেশীদের জন্য অবস্য এগুলো চরম দুঃসংবাদ।

৮| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: মুসলমানদের ইমেজ সংকটের এই সময়ে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগ আসলেই প্রশংসনীয়...

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিশ্বব্যপী আইসিস দের সন্ত্রাস পিরিয়ডে বিভিন্ন দেশের সোস্যাল স্টাডিজ সাবজেক্টে radicalization শব্দটা ইউজ করে স্টুডেন্টদের শেখানো হত যে আইসিস টোররিস্টরা বেশিরভাগ radicalzed terrorist।অর্থাৎ যে কোন মুসলিমই জঙ্গীবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে জঙ্গী হয়ে উঠতে পারে যে কোন সময়।ভিন্ন ধর্মাম্বলীর মানুষের মধ্যে এই একটা ভ্রান্ত ধারনা তৈরী করে মুসলিমদের ইমেজ সংকট এর মাঝে ফেলে দেয়া হয়েছিল। নিউজিল্যন্ডের প্রধানমন্ত্রী এই ষঢ়যন্ত্রকারীদের মুখে একটা চড় মেরেছেন বলা যায়।

৯| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

আরোগ্য বলেছেন: নিউজিল্যান্ডের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডাকে স্যালুট।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডাকে স্যালুট

১০| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

Shopnodana123 বলেছেন: ল বলেছেন:
ইসলামকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম বলে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কো (UNESCO)। গত ৭ জুলাই এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

এর আগে ইউনেস্কো ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশন-এর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের সবগুলো ধর্ম নিয়ে গবেষণা চালায়। ওই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ধর্ম কোনটি তা খতিয়ে বের করা।

এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের তুলনামূলক গবেষণা বিভাগের প্রধান রবার্ট ম্যাকগি বলেন, ছয় মাসব্যাপী গভীর গবেষণা ও বিশ্লেষণের পর আমরা এই উপসংহারে উপনীত হয়েছি যে, ইসলামই বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম

##### ইউনেস্কোর ওয়েব সাইটে তো এইটা দেখলাম

11.07.2016 - UNESCOPRESS
UNESCO denounces fake statement

We wish to refer to the recent allegations posted on the website juntakareporter, citing an alleged statement and certificate from UNESCO declaring "Islam as the most peaceful religion of the world". Such statement was never made by the Organization and that the certificate reproduced on this website is a fake one. The website that published this information is a satirical media.
UNESCO has never had any official relationship with the entity referred to as "International Peace Foundation", nor has it ever supported such a statement or granted any diploma of this kind.

http://www.unesco.org/new/en/media-services/single-view/news/unesco_denounces_fake_statement/

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: অনলাইনে এই জাতীয় কিছু পাবলিক আছে যারা ফেক নিউজ তৈরী করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়। এরা কেন এটা করে বোঝা মুশকিল।এদের কারনেই ভিন্ন ধর্মাম্বলীর মানুষ ইসলাম ধর্মকে নিয়ে হাসি তামাশা করার সুযোগ পায়।

১১| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

Shopnodana123 বলেছেন: আর উহাদের প্রেস রিলিজ অংশে সাত জুলাই ২০১৮ তেও এইরাম কিছু পাইলাম না

১২| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

বলেছেন: Junta Ka Reporter

https://www.ghanaweb.com/GhanaHomePage/NewsArchive/Islam-is-the-most-peaceful-religion-of-the-world-UNESCO-declares-454254



ইট'স সিমস এ ফেইক নিউজ বাট ---

অই বিলিভ "সন্ত্রাসের কোন ধর্ম নেই,
ইসলাম মানেই শান্তি "।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত আপনার সাথে। ফেক নিউজ যে ছড়িয়েছে দায়টা তার। কিন্ত ''সন্ত্রাসের কোন ধর্ম নেই,
ইসলাম মানেই শান্তি " এই মহামূল্যবান কথাগুলো তাতে মিথ্যা হয়ে যায় না।

১৩| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। আর আপনার কথা প্রেক্ষিতে একটা কথা মনে পড়ে গেল,

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন ,
এসো সেই কথায় যা তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এক।

অর্থাৎ কোরআন সহ অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ গুলো বলে, মিথ্যা,অসততা,হিংসা-বিদ্বেষ এসব বর্জন করো।সুতরাং আমাদের উচিৎ এই কথাগুলো মেনে চলা।তাহলে মানবতা ভূলুণ্ঠিত হবে না।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য। কোন ধর্মই মিথ্যা,অসততা,হিংসা-বিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেয় না।তাই সবাই একে অপরের ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধা পোষন করলেই আর মানবতা ভূলুণ্ঠিত হয় না।

১৪| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
অসাধারণ এক জন মানুষ। এমন মানুষ ( নারী) মুসলিম বিশ্বে আছে কিনা সন্দেহ।

২৬ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: মুসলিম বিশ্বে নারী নেতৃত্বে কখনই কোন সৎ ব্যক্তি আসেনি। যদি আসত তাহলে সেই দেশগুলোর চেহারাই হত অন্যরকম।

১৫| ২৬ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:০৬

কানিজ রিনা বলেছেন: সময় উপযোগী পোষ্ট অসাধারন উপস্থাপন
আন্তরিক অভিনন্দন।

২৬ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপা। অনুপ্রেরনা জোগায় এমন কমেন্ট।

১৬| ২৬ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ২:৪২

রোকসানা লেইস বলেছেন: তিনি সব জনগনের জন্য তিনি সমান এবং সন্ত্রাসির বিরুদ্ধে অথচ তাকে এবং নিউজিল্যাণ্ডকে মুসলমান বানিয়ে ফেলা হচ্ছে প্রচারের মাধ্যমে । এই প্রচারকারীরাই ক্ষতিকর যে কোন বর্ণ ধর্ম বা বিশ্বাসের হোক

২৬ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: কোন প্রচারমাধ্যম নিউজিল্যাণ্ডকে মুসলমান বানিয়ে ফেলেছে ????? এমন কোন সংবাদতো চোখেই পড়েনি। আপনি লিংক দিলে ভাল হয়।

১৭| ২৭ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৩:০০

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ঢাবিয়ান,
কিছু কিছু দেশের ভাগ্য দেখলে হিংসে হয় ।সেখানে অজানা,অচেনা আটত্রিশ বছরের প্রায় বাচ্চা একজন নেত্রীও (দেশ শাসনের বয়স হিসেবে বাচ্চাইতো ) জাতির নেতৃত্বে গিয়ে তারা হয়ে জ্বলে, আর আমাদের তারারা ক্ষমতায় গেলেই দেশ লঙ্কা।আর লংকায় গেলেতো কথাতেই আছে সবাই কি হয় ! দেশের চরম বিপর্যয়ের সময়ও জাতির সংহতি আরো জোরদার করে জেসেন্ড্রা আর্ডেন সবাইকেই দেখিয়ে দিয়েছেন নেতৃত্ব জিনিষটা কি ? এটা কোনো পৈতৃক সম্পত্তি না বা গাদা গাদা খেতাব পেলেই আয়ত্ব করা যায় না। আমেরিকাতে এখন জোরেসোড়েই আলোচনা হচ্ছে নিউজিলান্ড যদি লাইসেন্সড অটোমেটিক আর্মস বেচাকেনা লিমিট করতে পারে তাহলে আমেরিকায় সেটা সম্ভব না কেন।এই আলোচনা ভবিষ্যতে আরো জোরদার হবে কোনো সন্দেহ নেই। একটা ঘটনাতেই তার কর্মতৎপরতা বিশ্ব নেতৃত্বের মধ্যেখানে বসিয়ে দিয়েছে তাকে । এ ষ্টার ইজ বর্ন ।কোনো সন্দেহ নেই বিশ্ব নেতৃত্বে এক নতুন তারার আগমন হয়েছে।লেখায় ভালো লাগা ।

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য। জেসেন্ড্রা আর্ডেন পুরো দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে দিয়েছে এই বিশ্বের মানুষের। যেই মুসলিমদের দিকে ভিন্ন ধর্মাম্বলীরা সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাতো , এখন সেখানে জায়গা নিয়েছে শ্রদ্ধা।

১৮| ২৭ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:২৪

এ আর ১৫ বলেছেন: মুক্তা নীল বলেছেন: নিউজিল্যন্ডের প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হিজাব পড়ে তিনি যেভাবে সম্মান জানিয়েছেন ইসলামকে, তাতে তিনিও প্রশংসা ও সম্মান লাভ করেছেন পুরো বিশ্বের কাছে। মানবতার এক অনন্য নিদর্শন তিনি।
পোস্ট ভাগলাগা রইলো।

মাথায় ভ্যাইলিং হিজাব কি ইসলামিক রিচুয়াল যে ইসলাম ধর্মকে সন্মান প্রদর্শন করা হবে ? ভ্যাইলিং হিজাব খৃস্টানদের রিচুয়াল তার মানে তিনি খৃষ্ঠান ধর্মকে সন্মান দেখিয়েছেন । মুসলমান মহিলার মাথায় ঘোমটা দিতে পারে যদি সে চায় ।
please click here for the link -----

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ইসলাম ধর্মীয় মতে শরীর ঢেকে শালীনতার সাথে চলার নামই পর্দা ।কেউ সেটা পালন করে কাল বোরখা পড়ে আবার কেউ পালন করে শালীন পোষাকের সাথে মাথায় ওড়না দিয়ে। ধর্ম বিশ্বাসের ব্যপার , জোড়পুর্বক চাপিয়ে দেবার বিষয় নয়। অযথা বিতর্ক করার বিষয়ও নয়। মহিলাদের কাল বোরখা এবং পুরুষের সাদা আলখেল্লা ও মাথায় পাগড়ি মুলত সৌদিআরবের পোষাক। সৌদিরা এটা পড়ে মানেই এই নয় যে সেটাই একমাত্র ইসলামিক পোষাক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.