নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

এর নাম দূর্ঘটনা নয়, এর নাম \'\' খুন\'\'

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:২৭

চকবাজারের অগ্নিকান্ডের ঘটনার শোকের ক্ষততো এখনও শুকায়নি। এর মধ্যেই আবার বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুনে বিদেশি নাগরিকসহ নিহত ২৫, আহত শতাধিক। বিভিন্ন নিউজ চ্যনেলের ভিডিও ক্লীপ দেখে আতকে উঠেছি। মানুষ ২০/২২ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ছে, ইলেক্ট্রিক তার বেয়ে নামছে! ভেতরে প্রচন্ড ধোয়ায় আটকে পরা মানুষের ভিডিও দেখে ভাবছিলাম ,'' এই ভবনে কি ইমার্জেন্সী একজিট নাই ? ফ্লোরে ফ্লোরে ফায়ার এক্সটিংগুশার নাই?'' আজকের উন্নত প্রযুক্তির যুগে স্রেফ একটা ফ্লোরে আগুন লাগার ঘটনায় এতগুলো মানুষের মৃত্য হতে পারে ভাবা যায়? পরে পত্রিকায় পড়লাম যে '' বনানীতে আগুন লাগা বহুতল ভবন এফ আর টাওয়ারের নিজস্ব কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক''। তিনি আরো জানিয়েছেন যে ভবনের যতদিন নিজস্ব সক্ষমতা না থাকবে ততদিন এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।


এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে অব্যবস্থাপনা, অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। বনানীর মত অভিজাত এলাকার বহুতল ভবনের সুরক্ষার যদি এই হাল হয় তবে নগরীর অন্য এলাকার বহুতল ভবনের হাল কি হতে পারে ভাবতেও কেপে উঠছি।এই ঘটনায় সরকার বরাবরের মত তদন্ত কমিটি বসিয়েছে, আহতদের ফ্রি চিকিৎসার কথা ঘোষনা করেছে, এমপি মাসরাফি সবাইকে দৌড়িয়ে রক্ত দিতে যাবার আহবান জানিয়েছে!!!ব্যাস দ্বায়িত্ব খতম।

নিয়ম কানুনবীহিন রাস্তায় প্রতিনিয়ত বাস চাপা পড়ে মরছে আমাদেরই কেউ না কেউ। বনানীর ঐ বহুতল ভবনে আজ আপনি , আমি যে কেউ থাকতে পারতাম। নিজের ও নিজের প্রিয়জনের জীবন বাচাঁনোর তাগিদে আমাদের সবার একত্রে সরব হয়ে ওঠা প্রয়োজন। কারন ঢাকা শহড়ে এই যে দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে, এগুলো আসলে দুর্ঘটনা নয়। এগুলো স্রেফ ''খুন'' । নিয়ম কানুন মেনে নিরাপত্তার সকল ব্যবস্থা নেবার পরও যদি কোন অঘটন ঘটে, তবে সেটার নাম দূর্ঘটনা।

কিন্ত এইসব মার্ডার কেসের কোন মিমাংসা হচ্ছে না। কারন রাজুউককে ধরা হচ্ছে না, ভবনের মালিকদের ধরা হচ্ছে না, দুর্যোগ মন্ত্রীকে ধরা হচ্ছে না। অর্থাৎ দ্বায়িত্বে থাকা কোন ব্যক্তিরই কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। শুধু মার্ডার হওয়া মানুষগুলোর বিন্যামূল্যে দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে চার পাচঁ লাখ টাকা ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে আর আহতদের বিনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করে সরকারী দ্বায়িত্ব শেষ করা হচ্ছে।এক টার্মে বিনা ভোটে, আরেক টার্মে মধ্য রাতে নির্বাচন করা স্বৈরাচারী খুনে সরকার সকল প্রকার জবাবদিহিতা থেকে মুক্ত হয়ে গেছে।

এভাবে আর কতকাল .......

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৩৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
তা হলে খুনদের বিচারের কাঠগড়ায়
দাঁড়াতে হবে। খুনিদের ফাঁসি হোক

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: রানা প্লাজার রানাকে ফাশি দিলেই এই ধরনের নির্মম ঘটনার হার অনেক কমে যেত। ভবনের মালিকেরা বাধ্য হত , ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে।

২| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: ঢাবিয়ান বলেছেন: রানা প্লাজার
রানাকে ফাশি দিলেই এই ধরনের নির্মম
ঘটনার হার অনেক কমে যেত। ভবনের
মালিকেরা বাধ্য হত , ভবনের নিরাপত্তা
ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে।


সহমত। অন্যায়কে প্রশ্র‍য় দিলে মানুষের ভয় উঠে যায়। ফলে অন্যায় কাজ বাড়তেই থাকে।।

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: অপরাধীদের শাস্তি পাবার প্রক্রিয়াটাকেই ধংশ করে দেয়া হয়েছে।

৩| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৪২

হাবিব স্যার বলেছেন: ঢাকা শহরের অধিকাংশ ভবনই অপরিকল্পিত। নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এরই মাঝে সেগুলো আবার রাজউকের অনুমোদনও পায়! কি আজব!

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: রাজউকে আসলে কি হচ্ছে , সে খবর বের হলে থলির বেড়াল হয়ে আসবে।

৪| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

আরোগ্য বলেছেন: বিদেশিরা টিভিতে বা আকাশ থেকে সুন্দর বিল্ডিং দেখে সরকারের প্রশংসা করবে এটাই যথেষ্ট। ভিত্তি আর নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে সরকারের কি কাজ।৷ এর চেয়ে বেশি একটি ভোট ডাকাত সরকারের কাছে আশা করা যায় না।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: চোখ ধাধানো সুন্দর বহুতল ভবন থেকে প্রান বাঁচানোর দায়ে মানুষ ঝাপ দিয়ে পড়ার ছবি, ভিডিও আসছে পত্রিকায়, সোসাল মিডিয়ায়। এ কোন দেশ আমার ?

৫| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: গতকাল সারারাত একফোটা ঘুম হয়নি। সারারাত ছটফট করেছি। বনানীর ঘটনা আমার ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিল্ডিংটায় কোন মন্ত্রী ছিল না, কোন মন্ত্রীর সন্তান ছিল না। যারা ছিল তারা আমাদেরই কেউ না কেউ। সুতরাং চিন্তায় আমাদের ঘুম না হবারই কথা। মন্ত্রীদের ঘুমের ডিস্টার্ব হবার কোন কারনতো ঘটেনি।

৬| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার আরোগ্য বলেছেন, " বিদেশিরা টিভিতে বা আকাশ থেকে সুন্দর বিল্ডিং দেখে সরকারের প্রশংসা করবে এটাই যথেষ্ট। ভিত্তি আর নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে সরকারের কি কাজ।৷ এর চেয়ে বেশি একটি ভোট ডাকাত সরকারের কাছে আশা করা যায় না। "

-আপনি সরকারকে কেন দোষ দিচ্ছেন? আসলে, আল্লাহ'তায়ালা ইমানের পরীক্ষা নিচ্ছেন; এখন মার্চ, ইহা ইমানের ১ম সাময়িক পরীক্ষা; ডিসেম্বরে ফাইনাল হবে।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার মাথা ঠিক আছেতো?

৭| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মাশরাফি রক্ত দেয়ার আহবান জানানতে এত গা জালার কি আছে?

টিভিতে হাংবাদিকরা বড় বড় কথা বলে, অতচ ঐ ভবনেই একটি বেসরকারি টিভির কেন্দ্র ছিল। ২০০ স্টাফ।
তা্রা কি এতদিন দেখেনি ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই, সংকির্ন শিড়ি, নো ফায়ার এক্সিট?

আমি বলবো সরকার তথা সরকারি সংস্থা 'ফায়ার ব্রিগেড' যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।
আগুন যে পর্যায়ে ছিল পুরো বিল্ডিঙ্গই পুড়ে আসেপাশের ভবনগুলোও পুড়ে ছাই হয়ে যেত।
কিন্তু পানির সংকট থাকার পরও পানিবাহি গাড়ির সাহায্যে মাত্র ৪-৫ ঘন্টার ভেতর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছে,
১৪-১৫ তলায় থেকে পানি ছেটানোর ল্যাডার মারফত চরম ঝুকি নিয়ে অনেক মানুষ উদ্ধার করেছে।
৬টি ফ্লোর পুড়ে গেলেও স্বল্পসময়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে এনে বাকি ১৮ টি ফ্লোর রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে।
২৫ জন মারা গেলেও ভবনে অবস্থানরত হাজার মানুষ বেচে যায়।

অতচ কিছুদিন আগে একই মাত্রার আগুন লন্ডনে ২৪ তলা আবাসিক ভবন গ্রিনফিল টাওয়ারের আগুন।
লন্ডনের ওয়েল ইকুইপড অভিজ্ঞ ফায়ার সার্ভিস সর্বশক্তি দিয়েও সেই আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি, ২ দিন জাবত জলছিল গ্রিনফিল টাওয়ার। নিজস্য নির্বাপন ব্যাবস্থা, পর্যাপ্ত ফায়ার একজিট, বিকল্প শিড়ি থাকার পরও একশতর মত মানুষ মারা গেছিল সেইদিন।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনাদের পক্ষে এসব বলা শোভা পায় অবস্য। কারন আপনি বা আপনার প্রিয়জনের এরকম ঘটনার সম্মুখীন হবার কোন সম্ভাবনাই নাই। তাইতো নিল্ললজ্জের মত সাফাই গাইতে পারেন খুনে ডাকাতদের পক্ষে।

৮| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

করুণাধারা বলেছেন: সহমত জানিয়ে মন্তব্য করব ভেবেছিলাম, কিন্তু প্রেশারটা এত বেড়ে গেল.... এখন আর গুছিয়ে কিছু ভাবতে পারছিনা। সকাল বেলা অনলাইনে কোথাও একটা তরুণ ছেলের হাসিমুখের ছবি দেখলাম, ছেলেটা পুড়ে মরে গেছে। আমি ইউটিউবে খুঁজছিলাম নেপালে ইউ এস বাংলার প্লেন এক্সিডেন্ট এর পর তাদের উদ্ধার অভিযান। দশ মিনিটের মধ্যে বিশাল বিশাল আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স, সেনাবাহিনী, ফায়ার ব্রিগেড আগুন নিভিয়ে ফেলেছিল। আমাদের দেশে ফায়ার ব্রিগেডের এমন অ্যাম্বুলেন্সেই নেই। আগুন নেভাতে এত সময় লাগে লাগুক, কত মানুষ মরেছে? এই বাড়ির মালিক কোথায়? আপনার অনুরোধ থাকলো ভিডিও টা পেলে ব্লগে শেয়ার দেবেন প্লিজ। তাহলে সকলে দেখতে পাবে মফস্বল মার্কা কাঠমুন্ডুর উদ্ধার অভিযান আমাদের ডিজিটাল দেশের চাইতে কতটা ভালো!

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য। অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কতটা চুরান্ত পর্যায়ে পৌছেছে যে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে এরকম ভয়ানক আকারে।

৯| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মাননীয় পূর্তমন্ত্রীও তো দেখি আপনার সাথে গলা মিলিয়েছে........আপনাদের মধ্যে কোন যোগাযোগ আছে নাকি? view this link

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বুঝলাম না

১০| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:১৯

আরোগ্য বলেছেন: চাদগাজী বলেছেন,
-আপনি সরকারকে কেন দোষ দিচ্ছেন? আসলে, আল্লাহ'তায়ালা ইমানের পরীক্ষা নিচ্ছেন; এখন মার্চ, ইহা ইমানের ১ম সাময়িক পরীক্ষা; ডিসেম্বরে ফাইনাল হবে।

মুরুব্বী আপনি তাড়াতাড়ি ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতি নিন।

১১| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: এদেশে যা ঘটে সবই ঘটনা কোনটিই দুর্ঘটনা নয়।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: এগুলো সোজা বাংলায় ঠান্ডা মাথায় হত্যাকান্ড। সিরিয়া , ইয়েমেনে বন্দুক দিয়ে মারা হচ্ছে আর আমাদের দেশে এইভাবে মারার ব্যবস্থা করা হয়েছে । পার্থক্যটা শুধু এখানেই।

১২| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৭:২৬

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আপনার এই লেখাটার একটা কপি রাখুন ।কে জানে আবার যদি অল্পদিন পরেই যদি পোস্ট করতে হয় ! বলতে বলতে গলা নষ্ট হয়ে যাবে, লিখতে লিখতে হাতের আঙ্গুল, ল্যাপটপের কি বোর্ড নষ্ট হয়ে যাবে কিন্তু এই আগুনে পড়ার বীভৎসতা দেখার দুর্ভাগ্য মনে হয় এই জনমে আমাদের শেষ হবে না ।কি যে এক দেশের নাগরিক আমরা আল্লাহ ।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। এই লেখা পোস্ট করার পরপরই গুলসানের এক মার্কেটে আগুন লেগে ২০০ র ঊপড় দোকান পুড়ে ছাই। কতগুলো পরিবার পথে বসেছে ভাবা যায়। মানবতার আম্মা্র ভয়াল থাবা থেকে মুক্তি না পেলে এই জাতির এরকম অমানবিক মৃত্যূর শিকার হওয়া চলতেই থাকবে ....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.