নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিরাপত্তার ভার এখন নিজেরাই নেয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:০১

এই দেশের সকল অব্যবস্থাপনার জন্য আমরা যতই সরকারের সমালোচনা করি না কেন তাতে আসলে কোন লাভ নেই। ভোট ডাকাতি করে এদেশে ক্ষমতায় বসা হয় জনগনের সেবা করার উদ্দেশ্যে নয়। তাই সরকারি তরফ থেকে যে জনগনের নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা এক প্রকার নিশ্চিত। নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা এখন নিজেদেরই নিতে হবে।

এই দেশে অগ্নিকান্ডের অধিকাংশ ঘটনাগুলো দেখা যাচ্ছে যে সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরন থেকে ঘটছে। চকবাজারে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়েছিল গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরন থেকে। বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগিকান্ডও সেই বিল্ডিং এর এক রেস্তোরার কিচেনের সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরন থেকে হয়েছে । সিলিন্ডার গ্যাস এর ব্যবহার কিভাবে কমানো সম্ভব সেটা নিয়ে ব্যপক আলোচনা হওয়া দরকার। আজ থেকে বিশ বছর আগেও ঢাকায় কোনদিন সিলিন্ডার গ্যাস দেখিনি। এখন কেন এর ব্যবহার এত বেড়েছে সেটা বোধগম্য নয়।

প্রত্যেকে বিল্ডিংএ ফায়ার এলার্ম বসানো অত্যন্ত জরুরী। আগুন লাগার সাথে সাথে যদি এলার্ম বেজে ওঠে তাহলে মানুষ আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই ভবন থেকে বেরিয়ে যেতে পারে।নিজের তাগিদেই নিজের বিল্ডিং বা অফিস বিল্ডিং এ এই ফায়ার এলার্ম বসানোর উদ্যোগ নিন।বনানীর ঐ বিল্ডিং এ উপড়ের ফ্লোরে থাকা অনেক মানুষ আগুন লাগার ব্যপারটা টের পেয়েছে অনেক পরে, সাথে সাথে টের পেলে এত মানুষ ঐ বিল্ডিং এ আটকা পড়ত না।

আমাদের মান্ধাত্মার আমলের ফায়ার সার্ভিস দেখলাম যে পানির পাইপ দিয়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নেভায়। খুব সাধারন আগুনই কেবল পানি দিয়ে নেভানো সম্ভব। দাহ্য পদার্থের উপস্থিতিতে বা শর্ট সাকিট থেকে লাগা আগুন পানি দিয়ে নেভানো সম্ভব নয়। ফায়ার সার্ভিসের অপেক্ষায় না থেকে নিজ বিল্ডিং এ প্রত্যেক ফ্লোরে Dry Chemical Fire Extinguisher স্থাপনের উদ্যোগ নিন।সাদা পাউডারের মত এই কেমিকেল অত্যন্ত কার্যকরী উচ্চ মাত্রার আগুন নেভাতে। আরেকটা আছে Carbon dioxide Fire Extinguisher ।তরল কার্বন অকসাইড ফেনা আকারে বের হয় যেটা উচ্চ মাত্রার আগুন নেভাতে সক্ষম। Fire Extinguisher ব্যবহার করার পদ্ধতিও তেমন জটিল কিছু নয়।

আমাদের দেশে আগুন নেভানোর এই সরঞ্জাম পাওয়া যায় কিনা জানা নেই। পাওয়া না গেলে বিদেশ থেকে আমদানী করে হলেও এইসব সরঞ্জাম বহুতল ভবনে লাগানোর ব্যবস্থা নিন। ফায়ার ফাইটার হয়ে নিজের জীবন বাচাঁনোর পাশাপাশি অন্যদের জীবন বাচাঁতেও ভুমিকা রাখুন।

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০৮

আরোগ্য বলেছেন: দারূন উপকারী পোস্ট। ধন্যবাদ।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে আপনি কি পুরান ঢাকায় থাকেন এখনও?। সরকার কোন পদক্ষেপ যেহেতু নেয়নি তাই ঐ জায়গায় থাকাটা আসলেই খুব বিপদজনক।

২| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,



ধন্যবাদ, পোস্টটি দিয়ে সচেতন করার জন্যে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৩| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৪৫

বলেছেন: সিলিন্ডার গ্যাস নিষিদ্ধ করা হোক

মনে হয় কোন সুবিধাবাদী পক্ষ টু- পার্সেন্ট কামাই করার জন সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবহার জনপ্রিয় করা হচ্ছে যা মরার উপর খারার ঘাঁ ছাড়া অন্য কিছু নয়।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: সিলিন্ডার গ্যাস একটা মারনাস্ত্রতে পরিনত হয়েছে। এর বিরুদ্ধে জনমত গড়ে ওঠার প্রয়োজন।

৪| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ান ভাই,

বেশ ভালো লাগলো আপনার সচেতন মূলক পোস্টটি । গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার সম্পর্কে আমাদেরকে আরও বেশি করে সজাগ হতে হবে। পাশাপাশি আপনি যে দুটি মিথডের কথা বললেন, বিষয়টি বেশ ভালো। ব্যক্তিগত উদ্যোগেও আমাদেরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে। অন্তত জীবনহানির আশঙ্কা বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিঃসন্দেহে কমবে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: জীবনহানির আশঙ্কা কমানোর উদ্যোগ নিজেদেরই নিতে হবে। আর কোন উপায়তো নাই।

৫| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:০৮

মা.হাসান বলেছেন: ঢাবিয়ান ভাই, সবাই অসাধু হলে নিজের বাঁচা কঠিন হয়ে যায়।
এই ভিডিওটির ৩:০৫ মিনিট থেকে ৩:২৫ দেখুন।
https://www.youtube.com/watch?time_continue=206&v=PQtC1voKwDk

ফায়ার বল এক্সটিংগুইশার নামের এই বলগুলো ছোটখাটো আগুনের জন্য খুব কার্যকর, দামও হাতের নাগালের মধ্যে।
https://www.othoba.com/afo-fire-ball-13-kg-828977

তবে বড় আগুনের জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নেয়াই যথেষ্ট হতেপারে না।
একটি বহুতল ভবনে অনেগুলো প্রতিষ্ঠানের অফিস থাকে। সব প্রতিষ্ঠানের মালিকের মানসিকতা এক না। তা ছাড়া ভবনের ডিজাইন ত্রুটিপূর্ণ হলে এসব যন্ত্র খুব একটা কাজে আসবে না।
নিয়তির উপর ভবিষ্যত সঁপে দেয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্যক্তিগত উদ্যোগে আসলেই বৃহত্তর সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কিন্ত আর কি করতে পারে মানুষ ?

বনানীর অগ্নিকান্ডের ভিডিওগুলো যখন দেখছিলাম আতঁকে উঠছিলাম, শিউরে উঠছিলাম। অনেককাল আগে রোমান সাম্রাজ্যে ক্ষূদার্ত সিংহের সাথে মানুষের লড়াই উপভোগ করত বিকৃত মানসিকতার রোমান সম্রাটেরা। বড় মিল দেখতে পাচ্ছি আমাদের স্বৈরাচারী শাষকের সাথে এই রোমান সম্রাটদের । এদের বিকৃত আনন্দ পাবার সুযোগ আর কতকাল দেব আমরা?

৬| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: ব্যথা ভুলতেই ব্যথা যদি
তোর বুকে তবে
জেগে উঠুক কষ্টের নদী।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: :(

৭| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

অন্তরা রহমান বলেছেন: যথার্থ পোস্ট। নিজেদের উপায় নিজেদেরই করে নিতে হবে এই দেশে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাসাবাড়ীতে বাড়ীওলা , ভাড়াটিয়ারা একত্রে এবং বহুতলভবনের সকল অফিস মালিকেরা একত্রিত হয়ে সম্মিলিতভাবে এই ধরনের
পদক্ষেপ নিয়ে পারে। কিছুটা হলেও জানমালের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতে পারে।

৮| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করার জন্য এদেশ ছেড়ে পালাতে হবে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সভ্য, উন্নত ও নিরাপদ জীবন যাপন করতে চাইলে আসলেই দেশ থেকে বেরিয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় নাই। তবে মানসিক শান্তিটা থাকে না। দেশের জন্য সারাক্ষন একটা হাহহাকার থাকে ভেতরে।

৯| ০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বহুতল ভবনে বিকল্প সিঁড়ি জরুরি।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: এসব জরুরী কাজগুলো করবেটা কে তাইতো কেউ জানে না।

১০| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

আনু মোল্লাহ বলেছেন: সচেতনতামূলক দরকারী পোস্ট।
অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.