নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

শ্রীলংকায় নিশিদ্ধ করা হয়েছে কাল বোরখা

০৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৩২

শ্রীলংকায় সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পর সে দেশে কাল বোরখা নিশিদ্ধ করা হয়েছে। আইসিস পুরুষ ও মহিলা জঙ্গীরা কাল পোষাকে আবির্ভুত হবার পর মুলত কাল বোরখা অনেক উন্নত দেশেই নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আইসিস আন্তর্জাতিক ষঢ়যন্ত্র হলেও এটা অস্বীকার করা উপায় নেই যে আইসিসের দায় স্বীকার করা হামলাগুলোতে মুসলিমদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। ব্রেইন ওয়াশের কারনেই হোক বা অন্য যে কোন কারনেই হোক মুসলিমরাই ব্যবহ্রত হচ্ছে জঙ্গী হামলায়।

ইসলামে নারীদের জন্য পর্দা প্রথা রয়েছে। দেশী বিদেশী বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারদের বক্তব্যে শুনেছি যে মেয়েদের মুখমন্ডল বাদে বাকি অংশ শালীনভাবে ঢেকে রাখার নামই পর্দা। ইসলামিক স্কলাররা কোরআন হাদিস নিয়ে ব্যপক গবেষনার পরই স্কলার উপাধি পান।Most Islamic scholars[19][20] and most contemporary Islamic jurists[21] have agreed that women are not required to cover their face. মিডলইস্ট ছাড়া মুসলিম প্রধান দেশ তুরস্ক , মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ইরান ইত্যাদি দেশগুলোতে দেখা যায় যে মহিলারা শালীন পোষাকের সাথে মাথায় হিজাব পড়ে। কাল বোরখা এই দেশগুলোতে দেখাই যায় না বলা যায়। উন্নত দেশে মাইগ্রেট করা মুসলিম নারীদের বেশীরভাগকেই হিজাব পরিহিত অবস্থায় দেখা যায় , কাল বোরখায় নয়।উইকিপিডিয়ায় এক গবেষনায় দেখা গেছে যে বোরখার উৎপত্তি মুলত প্রাচীন Roman Empire পিরিয়ডে যখন ইসলামের উৎপত্তিও হয়নি।পরবর্তীতে আরবগোষ্ঠীর মাঝে এই পোষাকের প্রচলন দেখা গেছে।এই কারনেই বোরখাকে আঞ্চলিক পোষাক হিসেবেই অনেকে বিবেচনা করে থাকে।

বর্তমান বিশ্বে বোরখা মুলত মিডলইস্ট এবং আমাদের এই উপমহাদেশেই কেবল চালু আছে। কয়জন নারী স্বেচ্ছায় এই কাল নেকাবসহ বোরখা পড়েন একটা সার্ভে করলে ভাল হত।বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এই পোষাক নারীদের ওপড় চাপিয়ে দেয় পুরুষেরা। প্রচন্ড গরমে কাল বোরখার নীচে গরমে হাসফাস করা নারীরা ভয়েও কোনদিন জানাতে পারেনা তাদের কষ্টের কথা। এছাড়া আমাদের দেশে বোরখা ব্যবহ্রত হয় চুরি, ডাকাতিসহ নানান ক্রাইমে। চেহারা লুকিয়ে রাখতে ছদ্মবেশ নিতেও বোরখার জুড়ি মেলা ভার।

শ্রীলংকার সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানাতেই হয়। ইসলামকে ধারন করা হোক প্রতিটি কর্মে, কেবল বাহ্যিক লেবাসেই নয়।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কয়জন নারী স্বেচ্ছায় এই বিভৎস কালো বস্তার ন্যায় বোরখা পড়েন?
বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এই পোষাক নারীদের ওপড় চাপিয়ে দেয় পুরুষেরা।

বাবা মাও চাপান না, চাচা বা মামা শ্রেনির কেউ বেড়াতে এলে বলে -
"কিরে তোর কি আল্লারে ভয় নাই? তুই তো আমাগোরে বিপদে ফেলবি! দুজখে তো জাবিই আমাগো সহ লইয়া যাবি"

কাইল আমিই একটা বোরখা কিন্না দিমু। আর যেন এইডা ছাড়া না দেহি।

০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ইসলামিক স্কলাররা বছরের পর বছর পড়াশোনা করে কোরআন হাদিসের উপড়ে। আমাদের দেশে অল্পশিক্ষিত মোল্লাদের বয়ান বাদ দিয়ে ইসলামিক স্কলারদের লেকচার দেওয়ার ব্যবস্থা থাকা উচিৎ । অনেক অজানা কুসংস্কার, ধর্মীয় লেবাসে ভন্ডামি সমাজ থেকে অনেক খানি দূর হয়ে যেত।

২| ০৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫৭

বাংলার মেলা বলেছেন: এরেই বলে চাইনিজ বুদ্ধি। জঙ্গিরা কালো বোরখা পইরা হামলা করছে, তাই কালো বোরখার দোষ হইছে। কাজেই কালো বোরখা এখন থিকা আর কেউ পরতে পারবো না। পুরুষ জঙ্গিরা যে জিন্স গেঞ্জি পইরা হামলা চালাইলো, তাইলে জিন্স গেঞ্জি নিষিদ্ধ হবে না কেন?

এই ব্লগে দেখি কিছু কিছু ব্লগার আছে অল্প বয়েসী মেয়েদেরকে বোরখা পইরা বাইরাইতে দেখলেই পাছায় চুলকানি, জ্বালাপোড়া সমানে শুরু হইয়া যায়। আসলেই তো - রূপের আগুন জ্বালাইয়া একটা মেয়ে সামনে দিয়া হাইটা গেলে শরীর আর মনে যেই পুলক লাগে, তার থিকা আমারে মাহরুম করার অধিকার তো তারে বা তার বাপ ভাইরে কেউ দেয় নাই। বোরখা না পরলে কি আর হইব? কিছু খুধার্ত পুরুষের চোখের জ্বালা কমবো - তাতে মাইয়াটার তো কোন ক্ষতি নাই!

০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ইসলাম ধর্ম শুধুই পোষাক আর লোক দেখানো লৌকিকতায় নয়। প্রতিটি কথায় বা প্রতিটি কাজের মধ্যে আছে নবীজির সুস্পষ্ট নির্দেশ। আপনি যে ভাষাতে কথা বলছেন সেটা কিন্ত পুরোপুরি অসংযত। ইসলামে সংযত ভাষা ব্যবহারে আছে কঠোর নির্দেশ। আসলে আমাদের দেশের অল্প শিক্ষিত মোল্লারাও আপনার ভাষাতেই কথা বলে যাদের আসলে ইসলাম সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা নাই।

৩| ০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

বাংলার মেলা বলেছেন: আমি বলিনি কিছু, জাস্ট লিখেছি। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নানারকম মানুষের সাথে আমি ওঠা বসা করেছি। রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়েছি। কিছু মানুষ আছে, যাদের বিনোদনই হল রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া অল্প বয়েসী মেয়েদের শারীরিক আকার আকৃতির রগরগে বর্ণনা দিয়ে মজা নেওয়া। কোন মেয়ে বোরখা পরে তাদের সামনে দিয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই এসব মানুষ বিনোদন বঞ্চিত হয়। আবার কোন মেয়ে টাইট জিন্স বা ফতুয়া পরে হেঁটে গেলে ঈদ উৎসব শুরু হয়ে যায়। বুঝতেই পারছেন কোন সমাজে কিসের মধ্যে আমরা বাস করি। এরকম পরিবেশে স্বাভাবিক বুদ্ধিসম্পন্ন যে কোন মেয়েই চাইবে এমন কোন পোশাক পরে বের হতে যাতে এরকম বিকৃত রুচির মানুষের বিনোদনের খোরাক হতে না হয়। এজন্যে তার বাপ ভাইদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া কোনমতেই কাম্য নয়।

০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের দেশে আসলে ল এন্ড অর্ডার বলে কিছু নাই। নারীর নিরাপত্তা বলতে তাই কিছুই নাই। তবে বোরখাই যদি পারতো নারীদের পুর্ন নিরাপত্তা দিতে তবেতো তনুকে মরতে হত না, নুসরাতকে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের কাছে হেনস্তা হতে হত না, প্রতিবাদ করতে গিয়ে আগুনে পুড়ে মরতে হত না।

আসলে সমাজে সচেতনতা তৈরী হওয়া প্রয়োজন। ইসলামিক স্কলারদের লেকচার দেবার ব্যবস্থা করে পুরুষের দায় দ্বায়িত্ব সম্পর্কে অধিক হারে প্রচারনা প্রয়োজন আমাদের দেশে। অল্পশিক্ষিত মোল্লাদের বয়ানে বিভ্রান্তি কেবল শুধু বাড়েই।

৪| ০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আল্লাহ্‌ সবাইকে হেদায়েত দান করুক।আমীন।

০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমিও সাধুবাদ জানাই।

০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৬| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মেয়েদের মুখমন্ডল বাদে বাকি অংশ শালীনভাবে ঢেকে রাখার নামই পর্দা। এটা যদি সঠিক হয় তাহলে আমি প্রচলিত বোরকার পক্ষপাতী নই।

০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: তাব্লীগিরা আমাদের দেশে জোড়পুর্বক কিছু কঠোর ধর্মীয় কালচার বজায় রেখেছে । এদের তৈরী এসব মতাদর্শ নিয়ে এদের নিজেদের মাঝেও আছে বিভক্তি ও দলাদলি।

৭| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:০২

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান ,



ঠিকই বলেছেন --

ইসলাম ধর্ম শুধুই পোষাক আর লোক দেখানো লৌকিকতা নয়।

আমাদের দেশে অল্পশিক্ষিত মোল্লাদের বয়ান বাদ দিয়ে ইসলামিক স্কলারদের লেকচার দেওয়ার ব্যবস্থা থাকা উচিৎ । অনেক অজানা কুসংস্কার, ধর্মীয় লেবাসে ভন্ডামি সমাজ থেকে অনেক খানি দূর হয়ে যেত।

অল্পশিক্ষিত মোল্লাদের বয়ানে বিভ্রান্তি কেবল শুধু বাড়েই।


০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৪০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:০২

আখেনাটেন বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মেয়েদের মুখমন্ডল বাদে বাকি অংশ শালীনভাবে ঢেকে রাখার নামই পর্দা। এটা যদি সঠিক হয় তাহলে আমি প্রচলিত বোরকার পক্ষপাতী নই। ---- এক্ষেত্রে আমি 'সহমত ভাই'।

কিছুদিন আগে ভারতের কেরালার একটি মুসলিম সংগঠনও তাদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বোরখা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

কিছু মানুষ আরবের কালচারের সাথে মুসলিমের মূল বিষয়গুলোকে গুলিয়ে ফেলে ইসলাম ধর্মটাকে খাদের কিনারে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। কিছুতেই বুঝতে পারছে না যে তাদের এই কর্মকাণ্ডগুলো ইসলামকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করছে না।

০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিধর্মীদের কাছে মুসলিম জাতি পরিচিত অলস, অপদার্থ, দুর্নীতিপরায়ন, অবিবেচক আর লোক দেখিয়ে ধর্মপালন করা মানুষ হিসেবে। এই যে তাদের এই ধারনা এটাতো মিথ্যা নয়। আমাদের কাজ কর্মইতো এই ধরনের ইমেজ তৈরী করেছে।

৯| ০৭ ই মে, ২০১৯ ভোর ৬:০৬

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মুসলিমদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করছে এমন কিছু কিছু নিষিদ্ধ করলে প্রকারন্তরে মুসলমানদের জন্যই মঙ্গল হবে | বোরকা না পরেও হিজাবের মাধ্যমে শালীনতা রক্ষা করে পর্দা অনেকেই করেন এবং তাতে সবার মনে শ্রদ্ধার বিন্দুমাত্র ঘাটতি হয় না | সুতরাং সেই ধরণের প্রচলিত বোরকা নিষিদ্ধ করাটা বরং ভালোই হবে |

ইসলামের আবির্ভাবের প্রথম দিকে আল্লাহর একত্ববাদ ও মহানবীর ( সা: ) এর রাসূলত্বের ঘোষণার সাথে সাথে আল্লাহর রাসূল পাপকার্য থেকে বিরত থাকার পথও দেখিয়েছেন | মিথ্যা বলা, চুরি, অত্যাচার, গীবতসহ অনেক পাপাচার বা গুনাহের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন | এমনকি বিধর্মীরাও তার কাছে মালামাল গচ্ছিত রেখে যেতে দ্বিধা করতো না বলেই তাকে ( সা: ) বিশ্বাসী বলে প্রশংসা করা হতো | বর্তমানে অনেক উগ্রবাদীরাই আল্লাহর রাসূলের সেই সব অনুসরণীয় মানবিক গুণাবলী কথা সম্পূর্ণ চেপে গিয়ে হিংস্র জিহাদ, বাল্যবিবাহ, ও নিরীহ নরনারীদের হত্যার মতো বিতর্কিত কর্মকান্ড অনুসরণের জন্য তরুণদের মগজ ধোলাই করছে | এই সব ভ্রান্ত মতবাদের বিষয়ে সকল মুসলিমের এক হয়ে এইধরণের সকল উগ্র কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত |

০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: পুরোপুরি একমত আপনার সাথে। লোক দেখানো ধার্মিকের সংখ্যাই এখন বেশী সত্যিকারের ধার্মিকের চাইতে। এক ইসলামিক স্কলারের লেকচার শুনতে গিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন '' বিধর্মীদের মাঝে সেই সব গুনাবলীর দেখা পাই যা ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে কিন্ত দুঃখজনক যে মুসলিমদের মাঝে সেগুলো অনুপস্থিত।''মালয়েশীয়ার এক মন্ত্রী বলেছিলেন ''‘মুসলমানদের হালালের খোঁজ শুধু খাবারে, টাকার বেলায় নয়''।

মানুষ যদি তাদের কর্মে ধর্মকে ধারন না করে, তাহলে সেই ধর্মের সার্থকতা কোথায়? আমাদের দেশে আসলে ইসলামিক স্কলারদের লেকচার দেবার ব্যবস্থা থাকা উচিৎ।

১০| ০৭ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: কালো বোরখা পড়া নিষিদ্ধ হল। এটা কখনোই যুক্তিসম্মত সিদ্ধান্ত হতে পারে না। বোরখা যে যেমন ইচ্ছা তেমন পড়বে।

আরেকটা কথা হল, পুরুষেরা যে অন্যায় করে... এই ধরেন আহসান হাবীব পেয়ারের মতো মাওলানা টাইপ লোক..

ওনার কারণে কি মাদ্রাসায় পড়া বা মাওলানা তৈরি করা বন্ধ করে দিতে হবে... অথবা ধরুণ ভার্সিটিতে অনেক সময়ই সন্ত্রাস বা মাদকে আসক্ত লোকদের দেখা যায়... তাই নয় কি..?

এখন কি ভার্সিটিতে পড়া বন্ধ করে দিতে হবে?

১১| ১৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। ধন্যবাদ ভালো লাগা রইলো। শুভকামনা সবসময়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.