নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কন্যা শিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ চাই!

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০

পত্রিকা খুললে যে সংবাদ সবচেয়ে বেশী পীড়িত করে তা হচ্ছে শিশু যৌন নির্যাতনের সংবাদ। দেশের উন্নয়ন নিয়ে অনেক কথাই বলে সরকার ও তাদের সমর্যেথকেরা কিন্ত যে দেশে নারী বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের কোন নিরাপত্তা নাই সেই দেশ এই বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃ্ষ্ট এক দেশ। কেন পত্রিকার পাতা খুললেই এই জাতীয় সংবাদের মুখোমুখি হতে হয় প্রতিনিয়ত? এই গতকালও সায়মা নামের এক শিশুকে ধর্ষন করে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে , হয়ত ক্রুস ফায়ারেও দিয়ে দেয়া হবে। কিন্তু এটাই কি একমাত্র সমাধান এই জাতীয় অপরাধ দমনের?

সময় এসেছে এই নিকৃষ্টতম অপরাধের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তোলার। একটা দুইটা ধর্ষককে ক্রুস ফায়ারে দিয়ে মেরে ফেলাটা কোন সমাধান না। শিশু ও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে যে কোন মূল্যে। এই লক্ষ্যে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন সচেতনতা সৃষ্টি। স্কুলের পাঠ্যবইএ সেক্স এডুকেশন অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরী। প্রতিটি মেয়ে ও ছেলে শিশুকেই জানতে হবে কোনটা সঠিক আচরন ও কোনটা বেঠিক আচরন। বাচ্চা বয়সে শিখলে সেটা মনের ভেতরে গেথে যায়। বিদেশে ক্লাস ওয়ান থেকেই বাচ্চাদের এই বিষয়ে জ্ঞান দান করা শুরু হয় ।

মসজিদে, মক্তবে হুজুরদের এই বিষয়ে বক্তব্য দেয়া বাধ্যতামুলক করতে হবে যে নারী ও শিশুদের ওপড় এই জাতীয় জঘন্য নির্যাতন করলে কি কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে ইসলামে।এছাড়া এই দরিদ্র শ্রেনীর মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে দরকার হলে বস্তিতে বস্তিতে গিয়ে প্রচারনা চালাতে হবে।

ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজ এই ইস্যূতে অত্যন্ত সরব হয়েছে যেটা অত্যন্ত ইতিবাচক যেহেতু সুলভ ইন্টারনেট এর এই যুগে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ধনী, গরীব নির্বিশেষে প্রতিটা মানুষকে জানতে হবে যে নারী ও শিশু ধর্ষন কতটা নিকৃষ্ট ও জঘন্য অপরাধ। সমাজের সর্বস্তরে যদি এই বার্তা পৌছে দেয়া যায় একমাত্র তাহলেই কমে আসবে এই জঘন্য অপরাধের হার।

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি কি এখনো ইউনিভার্সিটিতে আছেন, নাকি পড়ালেখা শেষ করেছেন? "ঢাবিয়ান" নিক নিয়ে আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন যে, আপনি ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র, কিংবা ছাত্র ছিলেন?

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছি প্রায় বিশ বছর হয়ে গেল। ছদ্মনাম হিসেবে আমার ফেলে আসা প্রিয় শিক্ষাঙ্গনকেই বেছে নিয়েছি। আপনার উস্কানিমুলক কমেন্ট মুছে দিয়েছি অকারন ঝগরায় জড়ানোর ইচ্ছে নেই বলে।

২| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

মা.হাসান বলেছেন: হঠাৎ এই ঘটনা বেড়ে যাবার কারন সমাজ বিজ্ঞানীরা খুঁজে বের করতে পারেন। কারণ উদঘাটন জরুরী। ক্রসফায়ার কোন সমাধান না। মানুষ, বিশেষ করে যাদের ছোট বাচ্চা আছে তারা আতঙ্কে আছে। যারা দেশের বাইরে আছেন তাদের পক্ষে এই আতঙ্ক অনুধাবন সহজ হবে না। স্কুলের পাঠ্যক্রমে অনেক কিছু যুক্ত করা যায়, কিন্তু বাস্তবতা হলো একটা চার-পাঁচ বছরের বাচ্চাকে একটা লজেন্সের লোভ দেখিয়ে সহজেই আড়ালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।শিক্ষা গ্রহণ করার একটা বয়সও লাগে। তিন বছরের বাচ্চাকেও অপহরন, ধর্ষন ও হত্যার শিকার হতে দেখেছি আমরা। ব্লগে বিষয়টি আলোচনার দরকার আছে। প্রসঙ্গটি তুলে ধরায় ধন্যবাদ। তবে একটি কথা সংযোগ করতে চাই। বিকৃত মানসিকতার লোকদের কাছ থেকে ছেলেশিশুরাও নিরাপদ না, সাম্প্রতিক সময়ে এর নজির আছে।

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। সচেতনতা তৈরীর প্রধান জায়গা হচ্ছে স্কুল। শিশু বয়স থেকেই জানা প্রয়োজন কোনটা সঠিক বা বেঠিক আচরন।উন্নত দেশে ক্লাস ওয়ানের বাচ্চাদের এই সংক্রান্ত পুস্তকে ছবি দিয়ে বাচ্চাদের শেখানো হয় যে কোনটা খারাপ বা নোংরা । আর যারা এইসব অপরাধ করে সেসব বদমাইশদের শায়েস্তা করার জন্যতো কঠিন শাস্তির বিধান আছেই। দেশে কোন প্রকার আইন কানুন বা সামাজিক সচেতনতা না থাকায় পিতা মাতারা যে কি পরিমান আতংকের মাঝে থাকেন বাচ্চাদের নিয়ে তা সহজেই অনুমেয়।

৩| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

আরোগ্য বলেছেন: ঢাবিয়ান ভাই,
দুঃখিত, একটা বিষয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। আমার মনে হয় না চাইল্ড লেবেলে সেক্স এডুকেশন দেয়া ঠিক হবে। এতে বরং হিতেবিপরীত হতে পারে। কারণ সময়ের আগে তারা যদি এসব জানে তবে সময়ের আগে জৈবিক ক্ষুধা সৃষ্টি হবে এমনকি আগ্রহমূলক কোন পদক্ষেপও নিয়ে নিতে পারে। সহপাঠীরা নিজেদের মাঝেই অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হতে পারে।

বিদেশে অধিকাংশ শিশুই স্কুল লেবেলে ভার্জিনিটি লুজ করে। স্বেচ্ছায় হোক আর ধর্ষণ হোক এটা নৈতিকতা বিরোধী।

আমি মনে করি অভিভাবকদের অধিক সচেতন হওয়া উচিত। আমাদের বাসায় আমার এ লেভেল পড়ুয়া কাজিনকে এখনও মা বাবা একা বের হতে দেয় না। যদি দলবেঁধে যায় তখন অনুমতি হয়।

সর্বোপরি সরকারি ব্যবস্থার গাফিলতির কথা আর না ই বা বলি। যে দলের লোক শত নম্বর ধর্ষণ উদযাপন করে সেখানে নৈতিকতা ও নিরাপত্তা কিছুই আশা করা যায় না।

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেক্স এডুকেশন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনা আছে দেশে। এই বিত্রান্তি কেটে যেত যদি এটা চালু করা হত। এর মাধ্যমে শিশুদের বাচ্চা বয়স থেকেই সচেতন করা, নৈতিক শিক্ষা দেয়া ও বড়দেরও সচেতন করা হয়ে থাকে।

৪| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

ইনাম আহমদ বলেছেন: ব্লগে সাধারণ মানুষ আর আজকাল তেমন ঢোকেনা। এইসব জনসচেতনতামূলক পোস্ট লেখার মতো পরিবেশ ও পড়ার মতো পাঠকের সংখ্যা ব্লগে কম।
তবে চন্দ্রগাজী সাহেবের বেহুদা আস্ফালন দেখে বিরক্তি লাগা স্বাভাবিক। ভদ্রলোক হুদাই একটা ক্যাচাল লাগানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন।

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: সবাই আশা করছি ব্লগের এই ক্রান্তিকাল কেটে যাবে।

৫| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:০০

রাজীব নুর বলেছেন: আমার ইচ্ছা করে একটা চাবুক নিয়ে বেড়িয়ে পড়ি। তারপর যেখানে অন্যায় অবিচায় হয় সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ি।

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:২৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: যা অবস্থা দেশের তাতে এমন ইচ্ছা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।

৬| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:১২

ইসিয়াক বলেছেন: প্রসঙ্গটি তুলে ধরায় ধন্যবাদ।

০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৮:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

৭| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,



সচতন হবার কথা লিখেছেন। ধন্যবাদ।

কারা সচেতন হবেন ? সচেতন হওয়ার মতো তো প্রতিদিনই তো কিছু না কিছু ঘটছে , সচেতন হয়েছে কি কেউ?
একটা জাতি যখন সকল বোধবুদ্ধির উর্দ্ধে উঠে যায় তখন সমাজের কোনাকাঞ্চিতে এমন ঘটনা-ই ঘটতে থাকবে অহরহ।
বলবেন, এতো নৈরাশ্যবাদী হলে চলবে কি করে! কিন্তু বলি, আশাবাদী হয়েও বা কি হয়েছে আমাদের ?

বাঙালীকে সচেতন হতে বলে কোনও লাভ নেই। বাঙালীকে রাখতে হবে মাইরে আর দৌঁড়ে................।
এমন কাজটি কে করবেন ?
এই মূহুর্তে একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই পারেন এতোটা কঠোর হতে। আশা করি দুষ্টের দমনে তিনি তা হবেন।

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: চুড়ি, ডাকাতি, খুন খারাপি জাতীয় অপরাধ হয়ত মাইর বা দৌড়ের ওপড় রাখলে দমন করা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু এই নিকৃষ্ট অপরাধ দমনে শাস্তির পাশাপাশি প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা।

৮| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:০৫

বলেছেন: সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ চাই!

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: নারীর ও শিশুর নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া হয় উন্নত দেশে।

৯| ০৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৪৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ক্রসফায়ারের উপরে এই মুহূর্তে আর কোন ঔষধ দেখিনা। ক্রসফায়ার করে বাংলার আনাচে-কানাচের জঞ্জাল পরিষ্কার করা হোক।

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: পুলিশ হারকিউলিস এর নাম দিয়ে বহু লাশ ফেলেছিল, কিন্ত কমেছে কি এই অপরাধ ?

১০| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

নীল আকাশ বলেছেন: আমি এই লেখায় আবার ফিরে আসব।

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

১১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনার লেখা পুরো পড়ার পর মনে হলো ভুল করেছি পড়ে। মক্তবের হুজুর আর মাদ্রাসার ছাত্র সহ গৃহ শিক্ষক ভয়ংকরভাবে নারী ও শিশু নির্যাতনের সাথে জড়িত এখন কে বেশী জড়িত কে কম তা জানার জন্য সার্ভে করতে হবে। সম্প্রতি কিছু ঘটনার সাথে আলোচিত নুসরাত হত্যার প্রধান আসামী হুজুর মোল্লা সিরাইজ্জা।

আপনার জ্ঞাতার্থে জানাছি সকল প্রকার উপাসনালয়ের উপাসকরা বিচিত্রকারণে নারীলোভী সহ নারী ও শিশু নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিলো-আছে-থাকবে। কি মন্দির কি মসজিদ আর কি গীর্জা। সর্বখানে। সমাজের নিম্ন লেভেলে নয় - আপনি ভুল আছেন !!! সমাজের প্রতিটি লেভেলের রন্ধে রন্ধে মিশে আছে নারী ও শিশু নির্যাতন।

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার কমেন্টই আসলে একটি পোস্ট।পুরোপুরি একমত আপনার সাথে। ভুলটা সংশোধন করে দিয়েছি। তবে বাংলাদেশ যেহেতু মুসলিম প্রধান দেশ, তাই সেখানে মাদ্রাসা মসজিদ্গুলোতে সরকারের তরফ থেকে বাধ্যতামুলক করা প্রয়োজন প্রিন্সিপাল ও ইমামদের নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে ।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদে , মাদ্রাসায় দরকার হলে পোস্টার ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব কার্যক্রমের একটা প্রভাব সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য। উন্নত দেশেও এইভাবেই সচেতনতা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

১২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ঢাবিয়ান ভাই, আমি শক্ত যুক্তি দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছি, আপনি ভালো ব্লগার এটি অবস্যই স্বীকা্র করতে হবে, কঠোর সমালোচনা আম জাম যধু মধু সহ্য করতে পারেনা। আপনি সহ্য করেছেন এবং সুন্দর প্রতিউত্তর করেছেন। ধন্যবাদ নিবেন।

ধর্ষন ও নারী নির্যাতন নিয়ে আমার লেখার ইচ্ছা, লিখতে পারিনা কারণ অনেক পত্রিকা পড়তে হয় রেফারেন্স নিয়ে আসার জন্য, পত্রিকা পড়াও একটি যন্ত্রনা, মানুষের উপর মানুষের বর্বর অত্যাচার পড়াও নিজের উপর নিজের অত্যাচার মনে করি।

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: মানুষের উপর মানুষের বর্বর অত্যাচার পড়াও নিজের উপর নিজের অত্যাচার মনে করি। পুরোপুরি একমত বিশেষ করে শিশুদের ওপড় অত্যাচার করা হায়েনাদের কোন সুযোগ না দিয়ে মেরে ফেলাই উত্তম বলে মনে করি। এই পৃথীবি এইসব হায়েনাদের জন্য অবস্যই নয়।

১৩| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়া কোন সুরাহা হবে না...

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: কঠোর শাস্তি , আইন কানুনের স্বপ্ন আর দেখে না এই দেশের মানুষ। নিজেদের একটু সুস্থ পরিবেশে বাঁচবার রাস্তা নিজেদেরই বের করে নিতে হবে।

১৪| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বাংলাদেশে প্রতি চার জন মেয়ে শিশুর মধ্যে একজন এবং প্রতি ছয় জন ছেলে শিশুর মধ্যে একজন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়৷ শুধু পুরুষের হাতে নয়, শিশুরা অনেক সময় নারীর হাতেও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে থাকে বলে ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের চাইল্ড এডোলেসেন্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি সাইকিয়াট্রি'র সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন যাবত যৌন হয়রানির শিকার শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন৷ তার গবেষণায় শিশুদের যৌন হয়রানি বিষয়ে ভয়াবহ সব তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণা ফলাফলে দেখা গেছে, শতকরা ৭৫ ভাগ যৌন হয়রানির ঘটনাই ঘটে পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বন্ধু বা আত্মীয়দের মাধ্যমে৷ আর শুধু মেয়ে শিশু নয়, ছেলে শিশুরাও যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে।

যৌন হয়রানির ঘটনাগুলো ঘটে থাকে বাড়িতে, আত্মীয় বা পারিবারিক বন্ধুদের বাড়িতে, স্কুলে বা স্কুলে যাওয়ার পথে এবং পরিচিত পরিবেশে৷ পরিচিত ব্যক্তি ছাড়া শিশুদের সঙ্গে যৌন হয়রানির মতো ঘটনার নজির খুবই কম।

০৯ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন। এই সব কারনেই উন্নত দেশে স্কুলে একেবারে ক্লাস ওয়ান থেকেই সেক্স এডুকেশন দেয়া হয় বাচ্চাদের সচেতন করার জন্য এবং সেই সাথে বদমাস এডাল্টদের সতর্ক করার জন্য।

১৫| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ফাসি হয় না বলেই এত অপরাধ এসব জানোয়ারদের।

১৬| ০৯ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৪২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: প্রত্যক স্কুল, মাদ্রাসায় বাধ্যতামূলক একজন মহিলা গভর্নেস (অন্যকোন নামেও হতে পারে) রাখতে হবে। বাচ্চারা তাদের সকল সমস্যা তার কাছে এসে বলবে। তাকে এমন ভাবে বাচ্চাদের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে যাতে তাদের মনে এটা ঢুকে যায় যে উনি সব সমস্যা সমাধান করতে পারেন, তাকে সুপার ওম্যান ভাবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধান থেকেও তার ক্ষমতা বেশি থাকবে। প্রতি সপ্তাহ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে সে লিখিত আকারে তার মতামত প্রেরণ করবে।

১৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৮:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: কেন এখন সবাইকে ডাকাডাকি চলছে। কি আর এমন হয়েছে?
তারচেয়ে বরং তথাকথিত নারীবাদীদের প্রচারণায় দেশে বেহাল্লাপনা আরও উন্মুক্ত করে দিন। নোংরা আর জঘন্য আরও কিছু টিভি চ্যানেল ওপেন করে দিন। লাগাবেন কাঁঠাল গাছ আর আশা করে থাকবেন আম্রপালীর, সেটা কখনও হবে নাকি? পর্দা প্রথা বিলুপ্ত করে দিন, আরও খেলা দেখতে পারবেন। হপায় তো কেবল শুরু!

স্কুলে সেক্স এডুকেশন দিতে চান! বাহ, আর চমৎকার। স্কুলের কলেজে, ভার্সিটিতে ওপেন সবার জন্য কনডম পিল এইসব রেখে দিলে হয় না। এক ঢিলে দুই পাখি মরবে। জনসংখ্যাও নিয়ন্ত্রন হয়ে যাবে। তারচেয়ে বরং ফ্যাশন টিভি বড় বড় স্ক্রীনে সব জায়গায় দেখান শুরু করুন।
সমস্যা আসলে কোথায় সেটা বুঝতে শিখুন। আর সত্য কে সত্য বলতে শিখুন।
ধন্যবাদ।

১৮| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: মনে রাখবেন ফেসবুক ধর্ষন বন্ধ করতে পারবে না এটা বরং বিকৃত রুচির লোকজনকে আরও উৎসাহিত করবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.