নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুধ নিয়ে গবেষণা করা ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে মন্ত্রণালয় !!!!

১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৮:০১

view this link

দুধ নিয়ে গবেষণা করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়। গবেষণা প্রটোকল না মানায় তার বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। বাজারের শীর্ষ পাঁচ কোম্পানির সাত ধরনের পাস্তুরিত দুধের নমুনায় অ্যান্টিবায়োটিক এবং তিন ধরনের দুধে ডিটারজেন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে- গবেষণায় এমন তথ্য উঠে আসে।

আজ মঙ্গলবার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ‘নিরাপদ তরল দুধ উৎপাদন’ শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা জানান মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন। তিনি বলেন, পিআর রিভিউস জার্নালে প্রকাশ হওয়ার আগেই ওই গবেষক তার তথ্য সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। কিন্তু তার গবেষণার স্যাম্পল সঠিক ছিল না। গবেষণাতেও ত্রুটি ছিল। তাকে সাতদিনের সময় দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সন্তোষজনক কোন জবাব না পেলে তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই হচ্ছে দেশের অবস্থা। খাদ্যে ভেজাল নিয়ে দেশের সবাই উৎকন্ঠিত। খাদ্যে ভেজালতো তাহলে দেখা যাচ্ছে খোদ মন্ত্রনালয় থেকে রীতিমত উৎসাহ দেয়া হয়। ঢাবির বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টার দুধে ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিক, ডিটারজেন্ট ও আরো অন্যান্য ক্ষতিকর বস্তুর উপস্থিতির গবেষনাপত্র প্রকাশ করে উলটো মন্ত্রনালয়ের চক্ষূশূলে পরিনত হয়েছে।মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিনরা প্রকাশ্যে ভেজালকারীদের পক্ষ নিয়েছে ।

কোথায় যাবে মানুষ?

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৮:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার লেখা থেকে পরিস্কার নয়, অধ্যাপক সাহেব কি মহিলাদের দুধ পরীক্ষা করেছিলেন, নাকি গরু-ছাগলের দুধ পরীক্ষা করেছিলেন! উনি যদি মাতাদের দুধ পরীক্ষা করে থাকেন, শতকরা ৯৫ ভাগ সঠিক যে, ওখানে এন্টিবায়োটিক ছিল; আমি উনাকে না জানলেও, আদালতে আমি আমি উনার পক্ষে সাক্ষ্য দেবো।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাজারের প্যকেটজাত তরল দুধের ওপড় গবেষনা করেছিল ছাত্ররা।

২| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:১৭

ঘূণে পোকা বলেছেন: ভাই উনি আমার স্যার! আমি কাউকেই অন্ধ বিশ্বাস করি না, তবে তার প্রতি এতটুকু বিশ্বাস আছে, সে আর যাই করুক কারো জেনে বুঝে কারো ক্ষতি করবে না।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:০৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ডেইলি স্টার পড়ে থেকে যা জানলাম তাতে বোঝা গেছে বিড়াট ষঢ়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এই অধ্যাপক। প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের এই স্টেটমেন্টের পর তড়িৎ গতিতে ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছে । এতে অবস্য অবাক হবার কিছু নাই ।দলীয় রাজনীতি করা শিক্ষকেরা যে কুৎসিত রাজনীতির পক্ষে দাঁড়াবে সেটাই স্বাভাবিক আমাদের দেশে।

গবেষনায় জড়িত ছাত্রদের বক্তব্য অবস্য জানতে পারি নি। তবে তাদের কি আর এরপর সাহস হবে কিছু জানাবার?

৩| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:০৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন গং কোম্পানীগুলোর কাছ থেকে মোটা টাকা পেয়েছে এবং এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ফলাফল হবে, এই অধ্যাপক সাহেব ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে হয় বিদেশ চলে যাবেন, নয়তো মাফ টাফ চেয়ে এ'বারের মতো পার পাবেন.....এর ফলে বাকীজীবন উনি নিজের বিবেকের কাছে অপরাধী হয়ে থাকবেন। এ'ধরনের গবেষণা উনি জীবনেও আর করবেন না। অন্যরাও সাবধান হয়ে যাবেন এবং এ'ধরনের গবেষণা থেকে বিরত থাকবেন। কোম্পানীগুলো নির্দ্বিধায় ভেজাল দিতে থাকবে, এবং এটা তাদের দৈনন্দিন কাজ হয়ে দাড়াবে।

আমি যেই দূষিত সিস্টেমের কথা বলি সবসময়, সিস্টেমটা দূষিত এভাবেই হয়। এখন এর জন্য দায়ী কে? সরকার তথা প্রশাসন? নাকি অন্যকেউ?

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন । এরপরে কি আর আর কেউ দেশের কোন বিষয়ে গবেষনা করতে রাজী হবে? মাস্টার্স ও পিএইচডির থিসিস গ্রুপে এখন ছাত্রছাত্রীদের দেশীয় সাব্জেক্ট বাদ দিয়ে বিদেশী সাব্জেক্ট খুজতে হবে। ওয়াসিউদ্দিন গংদের মত ভয়ঙ্কর দুর্নীতিবাজ কীটদের দখলে এখন পুরো দেশ।

৪| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:১৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সবই কপাল।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: কার কপাল?

৫| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এখন চোরের বিচার না হয়ে পুলিশের সাজা হবে !!! ???
- সোনার বাংলা আমার সোনার বাংলা। - ঢাবিয়ান ভাই কি বুঝলেন ?



আবার আসছি বিস্তারিত তথ্য সহ। ৫ নং মন্তব্যটি মুছে দিন বানানে ভুল আছে।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেইটাই চোর ধরলে এখন সাজা পেতে হবে পুলিশকে। সেই সাথে বড় গলার চোরের মা এসে পুলিশকে এমন একটা ঠ্যঙ্গানি দেবে যাতে তার ইহজনমে চোর ধরার সাধ আর না হয়।

৬| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: দেখা যাক কি বলেন তিনি।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ৩ নং কমেন্টে দেখেন তার পক্ষে এখন কি করা সম্ভব।

৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর ভাবে বাঁচতে হলে এই দেশ ছেড়ে পালাতে হবে।

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলেই তাই। একটু সুস্থ সুন্দরভাবে বাচাঁর সবকুটূ অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে ।

৮| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: গবেষণা বিষয় ভাল ছিল। কিন্তু গবেষণা সূক্ষ চুলচেরা বিশ্লেষণে করতে হয়। ভুল সেখা অমার্জনীয় অপরাধ। পরিশেষে বলতে চাই ভেজালমুক্ত দুধ চাই। দেশ ছেড়ে পালাতে চাই না।।। #:-S

১০ ই জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: যে কোন গবেষনার কয়েকটি ধাপ আছে। গবেষনা কখনই অনুমানের উপড় ভিত্তি করে হয় না। তথ্য, উপাত্ত ও এক্সপেরিমেন্টাল ফলাফল এর উপর ভিত্তি করে রিসার্চপেপার তৈরী হয়। তাছাড়া একই এক্সপেরিমেন্ট কয়েক দফা রিপিট করে রিলাইবিলিটি নিশ্চিত করা হয়।

সচিব সাহেব কি গবেষনার এইসব ধাপের কথা জানেন?

৯| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

গড়ল বলেছেন: বাংলাদেশের আমলারা কত অথর্ব, অকর্মণ্য আরে চোর তা আবারো প্রমাণিত হল।

১১ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই দেশে সরকারী চাকুরিতে প্রমোশন হয় ঘুস দিয়ে অথবা মন্ত্রীর টেলিফোনে। সুতরাং এইসব সচিবরা যে দুর্নীতিপরায়ন হবে তা বলাই বাহুল্য। তবে এতকাল যা ছিল লুকিয়ে ছাপিয়ে এখন তা প্রকাশ্য রুপ নিয়েছে।

১০| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,




মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন বলেছেন, গবেষণায় ত্রুটি ছিলো।
জানতে চাই , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুধ গবেষণার যাবতীয় নথিপত্র (রিসার্চ পেপার/ডকুমেন্টস), গবেষণার প্রক্রিয়া কি ওয়াসি উদ্দিন সাহেব বা তদন্তকারী কেউ পরীক্ষা করে দেখেছেন ? কিভাবে পরীক্ষা করেছেন, স্যাম্পলের দুধ চেটে ????? নাকি বিএসটিআই বা সাইন্স ল্যাবরেটরীর গবেষকদের দিয়ে রিসার্চ ডকুমেন্টস পরীক্ষা করিয়ে ???????
এরকম কিছু হয়েছে কিনা জানা নেই বলেই জানতে চাইছি। :(

১১ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: সচিব মহাদয়ের মুখের কথাই যথেষ্ট। তবে দরকার হলে বিএসটিআই, সাইন্স ল্যাবরেটরীর গবেষকরাও একটা সার্টিফিকেট দিয়ে দিবে যে এই রিপোর্ট ত্রুটিপুর্ন। হিরক রাজার দেশ বলে কথা।

১১| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:৩৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: সচিবকে নিয়ে কিছু না বলি, তাদের কাছে এর চেয়ে বেশী কিবা আশা করা যায়!


যেই খাবার আর পরিবেশে আমরা বেড়ে উঠি, এখনো যে বেঁচে আছি এটাই আশ্চর্যের।

১১ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: খাদ্যে ভেজালের মত ভয়ঙ্কর আর কিছু হতে পারে না। যে মাত্রায় ভেজাল দেয়া হয়, তাতে মানুষ সাথে সাথে মৃত্যূবরন করে না কিন্ত শরীরে এসব কেমিকেলের প্রতিক্রিয়া হয় ধীরে ধীরে। নানান ধরনের অসুস্থতা তৈরীর মাধ্যমে।

১২| ১০ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: দিন দিন বাংলাদেশে বিষয় এমন হচ্ছে ভাবছি বিশ্বযুদ্ধ সম্ভবত বাংলাদেশ থেকে শুরু হবে। বাংলাদেশে যতো তরল দুগ্ধ বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান আছে তাদের সবার প্যাকেট দুধে ক্যামিকেল ! বিজ্ঞানীরা পরিক্ষা করে পেয়েছেন সকল গাভী সহ গরু মহিষ ছাগল ক্যামিকেলাইজড হয়ে গেছে - এখন করণিয় কি? একরাতে সকল গরু মহিষ ছাগল মেরে কবর দিয়ে দিতে হবে??? এছাড়া আর কোনো বিকল্প আছে বলে আমার মনে হচ্ছে না।

এখন দেখি নতুন কি সিনেমার আর্বিভাব হচ্ছে - আমরা রুপালী পর্দায় সিনেমা দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
বাংলাদেশ আস্ত একটা সিনেমা হল।

১১ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১০:০৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলেই বাংলাদেশ আস্ত একটা সিনেমা হল।আজকের সিনেমার নাম '' ক্রিকেট''। আপাতত জাতি এটা নিয়ে ব্যস্ত আছে।

১৩| ১১ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: কিছু টাকা পকেটস্থ করার জন্য জেনেশুনে কোটি কোটি মানুষের প্রান ঝুঁকিতে ফেলতে পারে! এটা কেমন লোক? (নামটা আর বললাম না)

১১ ই জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই ধরনের লোকদের হাতেই এখন দেশের সকল ক্ষমতা কুক্ষীগত, আপু। আর কোম্পানিগুলোর নাম দেখুন - মিল্ক ভিটা, আড়ং, ফার্ম ফ্রেশ, প্রাণ, ইগলু, ইগলু চকোলেট ও ইগলু ম্যাংগো যারা স্রেফ কিছু মুনাফা লাভের আশায় এইভাবে খাবারে ভেজাল মেশাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.