নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুধের মান পরীক্ষা: বিপন্ন বোধ করছেন অধ্যাপক ফারুক

১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:২৩

দ্বিতীয় দফার নমুনা পরীক্ষাতেও বাজারের দুধে অ্যান্টিবায়োটিক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক ও তাঁর সহগবেষকেরা। দুধের মান নিয়ে অনড় অবস্থানে আছেন তিনি । তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপন্ন বোধ করছেন এই অধ্যাপক।

আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ বাস ভবনে অধ্যাপক ফারুক তার বিষণ্নতার কথা প্রথম আলোকে বলে। তিনি বলেন, ‘দুধের মান বিষয়ক জরিপের ফল নিয়ে কিছু সরকারি কর্মকর্তা ও কোম্পানি মালিক যে ভাষা আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন তাতে আমি বিপন্ন।
এদিকে ৫টি কোম্পানির ১০টি পাস্তুরিত দুধের নমুনা তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করেছেন। তাতে ১০টি নমুনার ১০টিতেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে বলে অধ্যাপক ফারুক জানিয়েছেন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক ফারুক বলেছেন, ফলাফল আগের মতোই উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা ভবিষ্যতেও এই পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষাগুলোর ফলাফল জনস্বার্থে প্রকাশ করার চেষ্টা করব।’

গত ২৫ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ফারুক কিছু খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। খাদ্যের মধ্যে ছিল ঘি, পানীয়, গুঁড়া মসলা, হলুদ, পাম ওয়েল, সরিষার তেল, সয়াবিন তেল ও পাস্তুরিত দুধ। কোন কোন কোম্পানির খাদ্যের নমুনা তাঁরা পরীক্ষা করেছিলেন সেগুলোর নাম তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছিলেন।

সুত্রঃ প্রথম আলো


ভেজাল মেশানো কোম্পানিগুলোর দৌড়াত্ব কোথায় গিয়ে গিয়ে পৌছেছে , তা রীতিমত আতংকজনক। একটা শক্ত প্রতিবাদ হওয়া প্রয়োজন। ভেজালের সাথে জড়িত প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য। এটা অবহেলা করার মত বিষয় নয়।

দুধ বা দুগদ্ধজাত খাবার কোন জীবনরক্ষাকারী খাবার নয়। আপাতত এই জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম। সবাই মিলে যদি পাস্তুরিত দুধ কেনা বন্ধ করে দেয়, তাহলে আপনাতেই কোম্পানিগুলো টাইট হয়ে যাবে। অনেকেই হয়ত বলবে যে, তাহলে সেই দুধ চলে যাবে মিষ্টির দোকানে। সেক্ষেত্রে মিষ্টিও বর্জন করা শ্রেয়। এ ছাড়া আর কোন বিকল্প রাস্তাতো দেখা যাচ্ছে না।

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৪০

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: বাংলাদেশে ভালো ও সৎ মানুষরাই জীবন বিপন্নের আশঙ্কায় দিন কাটায়।

২| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৫০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া তো যাবেই। ঠিকমত পরীক্ষা করলে আরো অনেক কিছুতে অনেক কিছু পাওয়া যাবে।

প্যাকেটের দুধ আমি আর খাইনা বাবা।

৩| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৫৭

সেতুর বন্ধন বলেছেন: আমাদের দেশে সবকিছুই সম্ভব।

৪| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমি নিয়মিত গুড়ো দুধের চা খাই। মাঝে মাঝে গুড়ো দুধ এমনি এমনি খাই হে হে

৫| ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১১:০৭

আখেনাটেন বলেছেন: অসৎ লোকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মহড়া দেখলে ভীত হওয়া ছাড়া উপায় নেই।

এভাবে চলতে থাকলে মানুষ ভালো কাজে উৎসাহ পাবে কীভাবে?

৬| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া তো যাবেই।
যে দেশে বিনা প্রেসক্রিপশনে মুড়ি-মুড়কির মত দেদারসে এন্টিবায়োটিক বিক্রি হয় ! মানুষের দেহই তো এন্টিবায়োটিকের ডিপো!

একটা গণআদালতে বিচার হওয়া দরকার গরু ও ড. ফারুকের।
ল্যাব টেষ্ট হবে, কার দেহে এন্টিবায়োটিক বেশী,

উভয়ের দেহে সমান মাত্রা পাওয়া গেলে উভয়কে বেকুসুর খালাশ। গরুর দেহে বেশী এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেলে গরুকে প্রকাস্যে ফাসি ...

৭| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৫০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: একটা গণআদালতে বিচার হওয়া দরকার গরু ও ড. ফারুকের।
ল্যাব টেষ্ট হবে, কার দেহে এন্টিবায়োটিক বেশী,

উভয়ের দেহে সমান মাত্রা পাওয়া গেলে উভয়কে বেকুসুর খালাশ। গরুর দেহে বেশী এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেলে গরুকে প্রকাস্যে ফাসি ..

হাসান কালবৈশাখী ভাই সাবাস, বর্তমান যুগের সঠিক কথাটি বলার জন্য আমার পক্ষ থেকে আওয়াজ নিন -
বিষাক্ত গরুর ফাঁসী চাই, ফাঁসী চাই ফাঁসী চাই, বিষাক্ত গরুর ফাঁসী চাই

৮| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৭:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ানভাই,

এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশের একার নয়, ভারতেও ভেজাল দুধ বা ভেজাল খাবার, পানীয়ের রমরমা বাজার। প্রায়ই দেখি কাগজে চোর-পুলিশ খেলা হয়। সাময়িকভাবে পুলিশ ধরপাকড় করে আর আমরা জানতে পারি ভেজালের আতুর ঘরের সন্ধান। পরে আবার যা কি তাই। দুধ তৈরি হয় সাবান গোলা জল দিয়ে। সঙ্গে আরো সব হাবিজাবি মিশিয়ে। কোন রকম পরীক্ষা- মান ছাড়াই ড্রিংকিং ওয়াটার দেদারছে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। ট্রেনে বহুল জনপ্রিয় আঙ্গুল গজা যা কিনা মাখা হচ্ছে পা দিয়ে। কাজেই পশ্চিমবঙ্গটাও এই মুহূর্তে ভেজালের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

শুভকামনা জানবেন।


৯| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ৯:৪১

মা.হাসান বলেছেন:
কানা কে কানা বলিতে নাই, খোড়াকে খোড়া বলিতে নাই, এই শিক্ষাও কি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মধ্যে নাই? উনি শিক্ষক মানুষ, দেশের উন্নয়ন নিয়া পত্রিকায় কলাম লিখিবেন, এত গবেষণার কি দরকার? এই সব সমস্যা সমাধান করিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঊর্ধাকাশে তুলিবার জন্য সরকার বর্তমানে ভন্ড শিক্ষক নিয়োগ না করিয়া যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দিতেছে।
এর আগেও ঢাবি থেকে গুড়া দুধে মেলামাইনের উপস্থিতির 'ভূয়া' রিপোর্ট করা হয়। এর আগে বুয়েটের এক রিপোর্টে প্রাণের জুসের নিম্নমানের ভুয়া অভিযোগ করা হয়েছিল। বিসিএসআইআর পরীক্ষা করে বলেছে সব ভুয়া, কোথাও কোন সমস্যা নাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ল্যাব অ্যানালইসিস করতেই পারেন না - ভিডিও লিংক দিলামঃhttps://www.youtube.com/watch?v=7IfcuQDzwxw-এর ২ মিনিট ২০ম সেকেন্ড থেকে বিসিএসআইআরের কথা আছে।
দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, ফিকেল কলিফর্ম (উৎস- মানুষের মল যা সুয়ারেজের পানি খাবার পানির সাথে মিশে গেলে এবং ঐ পানি দুধে মেশানো হলে আসতে পারে), নাইট্রেট (জৈব পদার্থের পচনের ফলে তৈরি হয়, পুকুর-নদীর পানি মিশালে আসতে পারে), ইউরিয়া (নাইট্রোজেন কন্টেন্ট বেশি দেখানোর জন্য , অসাধু ব্যবসায়ীরা অ্যাড করে, এমনি আসার কথা না), ডিটারজেন্ট (ইউরিয়ার মতোই) অনেক কিছু মেশানো আছে বলা হয়, সব গুজব। জয় ... বলে পান করুন, কোন সমস্যা হবে না।

১০| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সকাল ১১:০১

মা.হাসান বলেছেন: দুধে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়ার ঘটনা নতুন না, বাংলাদেশেও পাওয়া গেছে, ২০০ নমুনার সব গুলোতেঃ লিঙক- https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/27047116
পাশ্চাত্যের দেশ গুলোতেও এটা সমস্যা । এলসিভিয়ার এবং ল্যানসেটের মতো জার্নালেও এসেছেঃ - https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0022030261898196https://www.thelancet.com/journals/lanplh/article/PIIS2542-5196(17)30141-9/fulltext এ বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী-আমলাদের হাউকাউএর কারন বোধগম্য না। তবে কি চোরের মায়ের বড় গলা? এ বিষয়ে WHO এর গাইড লাইন আছে-- https://www.who.int/foodsafety/areas_work/antimicrobial-resistance/cia_guidelines/en/। আমলাদের উচিৎ খামার গুলোকে ঐ গাইড লাইন মানতে বাধ্য করার পদক্ষেপ নেয়া।

১১| ১৪ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

আরোগ্য বলেছেন: পাস্তুরিত দুধে এন্টিবায়োটিক, গুড়ো দুধে নাকি মেলামাইনের গুড়া, কনডেন্সমিল্কে পাম ওয়েল। বেশ উন্নতি হচ্ছে।

খাটি গরুর দুূধ যখন থাকে বা তখন বাসায় ড্যানিশ দিয়ে চা হয়। জানিনা কতটা ক্ষতিকর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.