নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডেঙ্গু মশা দমনের দায় এককভাবে সিটি কর্পোরেশনের

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

আজ সকালে ফেসবুক খুলেই এক দুঃসংবাদ এর মুখোমুখি হলাম। আমার সমসাময়িক এক এক্স ঢাবিয়ান ডেঙ্গুতে মৃত্যূবরন করেছে। একটি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ছিলেন তিনি। ঢাবিতে পড়াকালীন সময়ে পরিচয় ছিল উনার সাথে। এমন তরতাজা প্রান চঞ্চুল মানুষটির প্রান কেড়ে নিচ্ছে ডেঙ্গু, ভাবতেও প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে । দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার মান নিয়েওতো তাহলে প্রশ্ন উঠে। তুচ্ছ একটা ডেঙ্গু রোগ মোকাবেলার সামর্থও তাদের নাই?

পত্রিকায় দেখলাম আমাদের পিএম লন্ডন থেকে মানুষকে বাসা বাড়ী পরিস্কার রাখার পরামর্শ দিয়ে দ্বায়িত্ব শেষ করেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাকি সপরিবারে মালয়েশিয়ায় আছেন!!! দুই মেয়রের কয়েকদিন হাক ডাকের পর এখন আর টূ শব্দ করতেও শোনা যাচ্ছে না।

বেসিনে হারপিক, ব্লিচ ঢেলে মশা মারার এক সংবাদ ফেসবুকে আসার পর মানুষ প্রথমে মহা উৎসাহ নিয়ে সেই সংবাদ হাজারে হাজারে শেয়ার দিয়েছে। পরে সেটা ক্ষতিকর শোনার পর সেই সংবাদও ভাইরাল করেছে!! এইসব আজাইরা সংবাদ ভাইরাল না করে যদি মানুষ একত্রিতভাবে সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে জোট বাধতো তাহলে হয়ত , তারা বাধ্য হত মশা দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ঢাকার মতো এতো জনবহুল অপরিকল্পিত নগর পৃথিবীতে একটাও নেই। এখানে যারা ড্রাইভিং সিটে বসে তারা পকেট ভরতে বিজি থাকে। তাদের মূল উদ্দেশ্য নিজের জন্য পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনা ষোল নয় ষোল হাজারগুণ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা।

এই ডেঙ্গু হলো, অভিশাপের ফসল।

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: দুঃখের বিষয় যে রাজনীতিবিদ এবং ভিয়াইপিদের কাউকে এই অভিশাপে মরতে দেখছি না। মরছে এই দেশের সাধারন মানুষ।

২| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

আরোগ্য বলেছেন: আমার ভাইর কাছে শুনলাম হলে নাকি এবার ডেঙ্গু ভালোই আক্রমণ চালাচ্ছে।

কিছু বলার নেই। আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন।

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: আরোগ্য, সব কিছুর ভার আমরা উপড়লার উপড় ছেড়ে দেই বলেই আজ এই অবস্থা।

৩| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

জাহিদ হাসান বলেছেন: দেশ ও জাতিকে বিধাতার হাতে সপে দিয়ে সপরিবারে বিদেশে চলে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: প্রথমাআলোয় এসেছে যে দেশে ফিরছেন স্বাস্থমন্ত্রী আজ রাতে। যাক সাংবাদিকদের কারনে দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। মিডিয়া এবং জনগনকে চাইলে এখন অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। দরকার শুধু শক্তিশালী জনমত। ফালতু বিষয়ে ব্যস্ত না হয়ে আমাদের মৌলিক দাবি দাওয়ার ব্যপারে প্রয়োজন জোড়ালো জনমত তৈরী।

৪| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৪৭

জাহিদ হাসান বলেছেন: এ ব্যাপারে আপনি কি বলবেন ? আপনি কি মনে করেন এ ধরনের কাজ গ্রহণযোগ্য?

৫| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হুজুগে বাঙ্গালী কাঙ্গালী হবেন ডেঙ্গুতে - -
আর ভিআইপি’রা পাইপ টানবেন রঙিন সন্ধ্যাতে !!!

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: বেশিরভাগ ভিআইপি আপাতত দেশের বাইরে বিলাশবহুল টুরিস্ট স্পটে সময় কাটাচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ কমলে তারা দেশে ফিরবে।

৬| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

মা.হাসান বলেছেন: কাওসার ভাই বলেছেন ''এখানে যারা ড্রাইভিং সিটে বসে তারা পকেট ভরতে বিজি থাকে।'' । জাহিদ ভাই কোট করেছেন যমুনা টিভির খবর থেকে '' দেশ ও জাতিকে বিধাতার হাতে সপে দিয়ে সপরিবারে বিদেশে চলে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী''।
আমি একখানা গল্প লিখেছি এ বিষয়ে শেফালী বেগমের সোনার সংসার। কেউ কেউ অভাবে পড়ে নির্লজ্জ হয়, কেউ স্বভাবগত ভাবে নির্লজ্জ। এর বেশি বলা সম্ভব না।

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: পড়েছি গল্প খানা। তবে নিল্লজ্জ রাজনীতিবিদদের লজ্জা ফেরানোর ব্যবস্থা করতে হবে জনগনকেই।

৭| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



নমরুদ মারা গেছে মশার হাতে, ঢাকার লোকের ভাগ্যে কি আছে দেখার বিষয়!

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার জন্য অবস্য বিষয়টা বিড়াট তামাশা

৮| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: ১টিই মাত্র নিয়ম :
ঠকাব না এবং কেউ যাতে ঠকাতে না পারে সে-ব্যাপারে সর্তক থাকব।

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাঙ্গালীদের এই সুশিল চরিত্র বদলাতে হবে। ঠকবাজদের সম্মিলিতভাবে এখন প্রতিহত করতে হবে তা নাহলে শুধু ঠকে যেতেই হবে। সতর্ক থেকেও কোন লাভ হবে না।

৯| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৭

দিকশূন্যপুরের অভিযাত্রী বলেছেন: দেশটা আরও অনেক সুন্দর করতে হবে। অনেক ঘষামাজা করার বাকি আছে। আমাদের দেশের গ্রামগুলোও রাজধানী ঢাকার চেয়ে অনেক গুনে পয়-পরিষ্কার থাকে। অথচ মাত্র কয়েক মাইলের একটা শহরকে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর সময়েও একটু পরিষ্কার রাখা গেলনা!

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: দ্বায়িত্বটা কার বলেন? বিদেশে প্রতিটা শহড় পরিস্কার, পরিছন্ন , কীট পতঙ্গ প্রতিরোধ এবং সর্বপরি জনগনকে সচেতন করার কাজটা নগর কতৃপক্ষ করে থাকে।

১০| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

দিকশূন্যপুরের অভিযাত্রী বলেছেন: প্রধান দায়িত্ব অবশ্যই নগর কর্তৃপপক্ষের কাঁধেই পরে। তবে জনগনকেও শিশুসুলভ আচরণ করা বন্ধ করে একজন সুনাগরিক হতে হবে।

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: এককভাবে এই দায়িত্ব কেবলই নগর কর্তৃপপক্ষের। জনগনকে সচেতন করার দ্বায়িত্বও তাদের। খুব বেশী দুরের দেশে যাওয়ার দরকার নাই, নীচের খবরটি দেখুন যে পার্শবর্তী কোলকাতা শহড়ের নগর কতৃপক্ষ কিভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রন করছে।

১১| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: এইসব মৃত্যুকে আমার একটা বিষয় মনে হয়- প্রথমতঃ, এগুলো হত্যা‌। দ্বিতীয়তঃ এগুলি আত্মহত্যা‌

সরকার ও জনগণ কেউই দায়িত্ব পালন করেনি। ফলে মশা বেড়েছে । রোগ ধরেছে সাধারণ মানুষকে।

৩১ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সরকার দায়িত্ব পালন করেনি, এই অংশটুকুর সাথে পুরোপুরি একমত। সরকারের দ্বায়িত্ব জনগনকে আইন দিয়ে, কঠিন নিয়ম কানুন বেধে দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা এবং সর্বোপরি সচেতন করতে প্রয়োজনীয় শিক্ষাদান করা।

১২| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ঢাকা সহ গোটা বাংলাদেশ যখন ডেঙ্গুর প্রকোপে ভুগছে, তখন কলকাতা শহরে ডেঙ্গু গত কয়েকবছর ধরেই নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে।

কলকাতা কর্পোরেশন বলছে, তারা সারা বছর ধরে নিবিড় নজরদারি চালায় - যাতে কোথাও জল না জমে থাকে।

এর জন্য বহু কর্মীও যেমন রয়েছেন, তেমনই এবার এ কাজে আকাশে ওড়ানো হবে ড্রোনও।

অন্যদিকে শহরের প্রতিটা হাসপাতাল, নার্সিং হোম বা পরীক্ষাগারে রোগীদের কী কী রক্ত পরীক্ষা হচ্ছে, কী ভাইরাস পাওয়া যাচ্ছে, তার প্রতিদিনের হিসাব রাখা হয়, যাতে ডেঙ্গু রোগীর খোঁজ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

তবে একটা সময়ে ছিল যখন বর্ষা শুরু হলে কলকাতা কর্পোরেশন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে নামতো। কিন্তু ততদিনে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ত শহরের নানা অঞ্চলে।

কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে কলকাতা কর্পোরেশন সারা বছর ধরেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের কাজ করতে শুরু করেছে।

ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image caption
হ্যান্ডমাইকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছেন একজন স্বাস্থ্যকর্মী।
কলকাতার ডেপুটি মেয়র ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ বলছিলেন, তারা কয়েকটা স্তরে বছরভর নজরদারি চালান।

"প্রথমত, ১৪৪ টা ওয়ার্ডের প্রতিটাতেই আমাদের ২০ থেকে ২৫ জন করে কর্মী আছেন, যাদের মধ্যে একদল প্রচারের কাজ চালায়, আর অন্য দল জল জমছে কী না কোথাও, সেটার ওপরে নজর রাখে।"

"এর ওপরে আছে ১৬টি বরোর প্রত্যেকটার জন্য একটা করে র‍্যাপিড অ্যাকশন টীম। তাতে ৮ থেকে ১০ জন লোক থাকে সব ধরনের সরঞ্জাম নিয়ে, গাড়িও থাকে তাদের কাছে। কোনও জায়গায় ডেঙ্গুর খবর পাওয়া গেলে অতি দ্রুত তারা সেখানে পৌঁছিয়ে এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণের কাজ করে", - বলছিলেন মি. ঘোষ।

নজরদারী চললেও এখনও অনেক বহুতল বা সরকারী ভবনের আনাচে কানাচে জল জমে থাকতে দেখা যায় - যেগুলি ডেঙ্গুর রোগবাহী মশা এডিস ইজিপ্টাই জন্মানোর আদর্শ জায়গা।

যেসব জায়গায় জল জমে থাকতে দেখছে কর্পোরেশনের নজরদারী কর্মীরা, সেই ভবনগুলির ওপরে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করার জন্য আইন পরিবর্তন করা হয়েছে।

আবার জল পরিষ্কার করে দেওয়ার খরচ বাবদ বিল, বাড়ির বার্ষিক করের বিলের সঙ্গে পাঠিয়ে দিচ্ছে কর্পোরেশন।

নজরদারি আরও ভালো করে চালানোর জন্য এবার আকাশে ড্রোন ওড়ানোর পরিকল্পনা হচ্ছে, যা থেকে মশা মারার তেলও ছড়ানো যাবে।

রোগ চিহ্নিতকরণ আর চিকিৎসার ব্যবস্থাও গড়ে তুলেছে কর্পোরেশন শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে।

ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image caption
কলকাতায় স্কুল ছাত্ররা পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছে
মি. ঘোষ বলছিলেন, "ভারতের বেশীরভাগ ল্যাবরেটারিই এখনও বেসরকারী। তাদের কাছ থেকে ঠিকমতো তথ্য কখনই পাওয়া যায় না। তাই বোঝা যাচ্ছিল না যে কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে। আমরা এই সমস্যা কাটানোর জন্য ১৪৪টা ওয়ার্ডেই একজন করে কর্মী রেখেছি, যার একমাত্র কাজ হল ওই এলাকায় যত হাসপাতাল, নার্সিং হোম বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেখানে একটা খাতা নিয়ে হাজির হবেন।"

"কত রোগীর রক্ত পরীক্ষা হলো, কী কী পরীক্ষা হলো, পরীক্ষার ফল কী, সেগুলো নোট করে আনবেন তারা। সঙ্গে সঙ্গেই সেই তথ্য অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছিয়ে যায় বরো ভিত্তিক মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ টীমের কাছে।

এত ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও কোলকাতা শহরে ডেঙ্গু যে হয় না, বা তা থেকে যে মৃত্যু হচ্ছে না, তা নয়।

শহরের বেশ কয়েকটি নামী হাসপাতাল থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া তথ্যেই তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কর্পোরেশন ডেঙ্গুতে মৃত্যুর তথ্য চেপে যায় বলে অভিযোগ ওঠে নানা মহল থেকে।

মি. অতীন ঘোষ অবশ্য বলছিলেন, "ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে কী না, সেটা বলার কোনও অধিকারই নেই কর্পোরেশনের। সরকারের একটা ডেথ অডিট কমিটি আছে।"

"কারও ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে, এটা জানা গেলে সব তথ্য ওই কমিটির কাছে পাঠাতে হয়। সেখানে শহরের নানা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন। তারাই সিদ্ধান্ত নেন মৃত্যু ডেঙ্গুতে হয়েছে না কী অন্য কোনও কারণে।"

ছবির কপিরাইটGETTY IMAGES
Image caption
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকাকে সাহায্য করতে রাজী কলকতা
বাংলাদেশের নানা জায়গায় যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে, সেকথা সংবাদপত্রের মাধ্যমে জেনেছেন মি. ঘোষ।

"এটা আমাদের কাছে একটা চিন্তার কারণ। বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ কলকাতায় আসেন। তাদের মধ্যে কেউ যদি ডেঙ্গুর ভাইরাস নিয়ে আসেন, তা থেকে এখানেও রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা তৈরী হয়। তাই বাংলাদেশ চাইলে আমরা যে কোনও ভাবে সহায়তা করতে রাজী।"

"ওখানকার কোনও পৌরসভা যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায়, তাহলে আমরা তাদের গিয়ে হাতেকলমে দেখিয়ে দিয়ে আসতে পারি কীভাবে বছরভর আমরা ডেঙ্গু নিয়্ন্ত্রণের কাজটা করি," - বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ।

১৩| ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:২৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সর্বাগ্রে দরকার শাসকদের জনকল্যাণ মূলক মনোভাব।

০১ লা আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেশে তরল দুধে ক্ষতিকারক উপাদান নেই: কৃষিমন্ত্রী
কে দেশে কে বিদেশে তা বিষয় নয়: দেশে ডেঙ্গুর এ পরিস্থিতিতে সপরিবারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
এই হচ্ছে আমাদের শাষকদের অবস্থা !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

১৪| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:৫০

চাঁদগাজী বলেছেন:


এডমিনরা জানেন, কে কে মালটি নিক ব্যবহার করে; আমি কোন মহাদেশ থেকে লগিন করি, এডমিনরা জানেন; আমি যে, মালটি নিক ব্যবহার করি না, সেটা এডমিনরা জানেন। আমি সঠিক আছি, অসতেরা আমাকে ধাক্কাতে এসে নিজেরা হাবুডুবু খায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.