নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাখাইন স্টেটকে বাংলাদেশের সাথে অন্তর্ভুক্ত করার মার্কিন প্রস্তাবই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায়

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:১৫



বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার স্বদেশে ফেরার বিষয়ে যেমনটি আশঙ্কা করা হয়েছিল, তেমনটিই ঘটছে বর্তমানে। জাতিসংঘ ও পরাসক্তি দেশগুলোর আহবানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ সরকার রোহিংগাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়। কিন্ত পরবর্তীকালে জাতিসংঘ রোহিংগাদের বার্মায় ফেরত পাঠানোর ব্যপারে অনেককটা নিশ্চুপ ভুমিকা পালন করে। আমেরিকার চাপে বার্মার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে রাজী হলেও বাস্তবে তাদের ফেরত নেবার ব্যপারে বার্মাকে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত নিতে দেখা যায়নি।আবার বাংলাদেশ সরকারও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।

চায়না অনেক আগেই রাখাইন স্টেটকে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিজনেস হাব এ পরিনত করার প্ল্যান করেছে। China's plan for its foothold on the Bay of Bengal, on Myanmar's western coast in restive Rakhine state, includes an industrial zone, oil refinery and deep-water port that could transform a sleepy, remote town into a thriving business hub.

মুলত এই কারনেই চায়না বার্মার পাশে আছে। সম্প্রতি জুন মাসে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বাজেটবিষয়ক শুনানিতে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের এশিয়া প্রশান্ত-মহাসাগরীয় উপকমিটির চেয়ারম্যান ব্রাড শেরম্যান রোহিঙ্গাদের জন্য মানচিত্রটাই বদলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন। তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যকে দেশটি থেকে আলাদা করে দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনার কথা বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে কার্যকরী উদ্যোগ। বার্মাকে চাপে রাখতে দ্বীতিয় আর কোন রাস্তা খোলা নেই।বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ এই প্রস্তাবে জোড়ালো সমর্থন জানিয়ে যুক্তরাস্ট্রের সাথে একত্রে কাজ করা। সম্প্রতি কক্সবাজারে দশ লাখ রোহিঙ্গা সমাবেশ করে তাদের যে শক্তিমতা জানান দিয়েছে, তা যথেষ্ঠ ভীতিকর বাংলাদেশের জন্য ।এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে যদি আদৌতেই ফেরত পাঠানো সম্ভব না হয়, তবে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। এই পরিস্থিতিতে রাখাইন স্টেটকে বাংলাদেশের সাথে অন্তর্ভুক্ত করার মার্কিন প্রস্তাবে জোড়ালো সমর্থন জানিয়ে বরং চীন এর সাথে জোরালো কুটনীতি চালানো প্রয়োজন বাংলাদেশের। চায়না রাখাইনে তাদের প্রজেক্ট এর সফল বাস্তবায়ন করতে পারে রাখাইন বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হলেও। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিনত করার নলেজ চায়নার আছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার উন্নতির পেছনে আছে মুলত চায়না জনগোষ্ঠী। একদা অশিক্ষা ও ধর্মীয় কুসংস্কারে আছন্ন এই মুসলিম দেশগুলো আপনা আপনি উন্নতি করেনি।এ কারনেই চায়নাকে পাশে পাবার জন্য বাংলাদেশের জোড়ালো কুটনীতি চালানো প্রয়োজন।

রোহিঙ্গাদের শরনার্থী শিবিরে বেশিদিন বন্দি করে রাখা যাবে না। সসময়ের সাথে সাথে এরা মিশে যেতে চাইবে এ দেশীয় জনগনের সাথে । সেটা যে কোন অবস্থাতেই এই দেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:২৫

নতুন বলেছেন: ভালো আপনার প্রতিবেশি চাইলে আপনার বাড়ীর কতটুকু জমি তাকে আপনি দিয়ে দিবেন?


কিছু জিনিস সবার বোঝা দরকার। চায়না এখানে মায়ানমারে অনেক বিনিয়োগ করেছে তাই তারা তাদের বিরুদ্ধে যাবেনা, বরং যুদ্ধেও সাহাজ্য করবে।

* রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবার জন্য তাদের তাড়ানো হয় নি
* তাদের নাগরিকত্ব নেই তাই তাদের না নিলে কোন সমস্যা নাই।
* তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে তাই এখানের মানুষও সহজে যেতে চাইবেনা।
* এনজিওরা মিলিওন ডলার সাহাজ্য পাচ্ছে তাই তারা চাইবেনা এই সোনার হাস মায়ানমারে পাঠিয়ে দিতে....

সমাধান:-

* এদের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব দেওয়া এবং শিক্ষিত করে, কারিগরি প্রশিক্ষন দিয়ে কাজের ব্যবস্তা করা।

তার জন্য অবশ্যই বিদেশী সাহাজ্য পাওয়া যাবে, এবং এরা সন্ত্রাসী হয়ে উঠবেনা, ইয়াবা বা ড্রাসের মতন কাজে জড়াবেনা।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার এই মনোভাব যদি আমাদের সরকারেরও হয়ে থাকে তবে সেটা খুব খারাপ খবর আমাদের জন্য।

২| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: শেখ হাসিনা একটা ধাক্কা দিবেন। রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: কাকে ধাক্কা দেবেন?

৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

প্রবালরক বলেছেন: মিয়ানমার সামিরক বাহিনীর কৌশলগত ফ্রন্টলাইন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে অন্তত ৩০ জন সৈন্যকে হত্যা করা হয়েছে। মরাউক-ইউ টাউনশিপের কাছে বিদ্রোহী আরাকান আর্মি (এএ) এই হামলা চালানোর দাবি করেছে। আরাকান আর্মির মুখপাত্র ইউ খিন থুখা ইরাবতীকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বুধবার সন্ধ্যাতেও দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই চলছিল।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: মিয়ানমারের আভ্যন্তরীন বিষয়ে আমাদের নাক না গলানোই ভাল। আমাদের সমস্যা ঘাড়ে এসে জুড়ে বসা রোহিঙ্গা। হয় তাদের ফেরত নাও নয়ত তাদের ভুমি আমাদের দিয়ে দাও।

৪| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভাই ঢাবিয়ান, আপনি যথার্থ বলেছেন। আপনার সাথে ১০০ভাগ সহমত পোষন করছি। রোহিঙ্গা আমাদের এই সমস্যা সেই সমস্যা তা আলাপ না করে, রোহিঙ্গা সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়ার পথ বার করতে হবে আমাদের।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বহির্বিশ্বে যারা এই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কার্যকরী প্রস্তাব দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ তাদের সাথে সম্পর্ক পাতিয়ে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা।

৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৫

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার এই মনোভাব যদি আমাদের সরকারেরও হয়ে থাকে তবে সেটা খুব খারাপ খবর আমাদের জন্য।

আপনার কি মনে হয় বাংলাদেশ দাবী করলে মায়ানমার ঐ জায়গা আমাদের দিয়ে দেবে???

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: অবস্যই দিবে না। এই দাবী মুলত তাদের ওপড় চাপ প্রয়োগের জন্যই করতে হবে। বাংলাদেশ যাদের অনুরোধে বর্ডার খুলে দিয়েছিল , সেই পরাশক্তিদের সাফ সাফ জানিয়ে দেয়া উচিৎ যে রোহিঙ্গাদের আর কোন অবস্থাতেই এ দেশে রাখা সম্ভব না।আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা দারিদ্র এবং ভুমির স্বল্পতা। তাই হয় মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নিক নাহয় রাখাইন স্টেট আমাদের দিয়ে দিক।

৬| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

মানতাশা বলেছেন: *****************************************************
ঢাবিয়ান গাঁজা সেবন একটু বেশিই করিয়াছেন ।
*****************************************************

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে যেই হারে গাজা ইয়াবা এই দেশে ্প্রবেশ করছে, তাতে গনহারে গাজাসেবনকারীর দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা অতি উজ্জল।

৭| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: দেশে রোহিঙ্গা একটি বিশাল ইস্যু। ব্লদে দয়াকরে অপ্রাসঙ্গিক ও বাজে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।




ঢাবিয়ান ভাই, রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে সরকারের উচিত দিনরাত একাকার করে সমস্যা নিরসনে কাজ করা। নয়তো বাংলাদেশ ভবিষ্যত ভয়ংকর।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুবই খারাপ সময় সামনে। টেকনাফ, কক্সবাজার আমাদের পর্যটন শিল্পের অন্যতম একটি জোন। সেই জোন এখন পুরোপুরি ধংস হবার দ্বারপ্রান্তে।

৮| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: মানতাশা আপনার কাছে ভালেঅ কমেন্ট আশা করি, প্লিজ প্রসঙ্গে থাকতে দিন সবাইকে।
এটি স্বীকার করতে হবে বাংলাদেশের স্রণকালের সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন রোহিঙ্গা

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য এবং সমর্থন দেবার জন্য।

কোন মন্তব্যই আমি মুছব না। দুঃসময়ে মানুষের আসল পরিচয় বেড়িয়ে আসে। সেটারও প্রয়োজন আছে।

৯| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ঢাবিয়ান, আপনাকে একটা কথা বলি মুসলিম বলে গলার রগ ছিরে বাণী দেওয়া জাতি কি জানে তাদের পাশের ঘরের মানুষের খাওয়ার ভাত নাই, আর তারা বার্মার রোহিঙ্গা নিয়ে চিন্তিত !!! এরা তো রোহিঙ্গার চেয়েও খারাপ মনে করি।

পোষ্টে প্রসঙ্গিক ছবি সংযুক্ত করার জন্য অনুরোধ করছি। নয়তো পোষ্ট নজরে আসে না।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: সস্তা আবেগ বাংলা সিনেমাতেই কেবল শোভা পায়, বাস্তবে নয়।
ছবি সংযু্ক্ত করে দিয়েছি।

১০| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

মানতাশা বলেছেন: ************************************************
ঠাকুরমাহমুদধন্যবাদ
************************************************

১১| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৬

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: অতি উত্তম প্রস্তাব করিয়াছেন, হোক সেট দিবা স্বপ্ন।


রাখাইন রাজ্য
আয়তন • মোট৩৬৭৭৮.০ কিমি২(১৪২০০.১ বর্গমাইল)জনসংখ্যা(২০১৪ বার্মার আদমশুমারি)• মোট৩১,১৮,৯৬৩• জনঘনত্ব৮৫/কিমি

♦ কতটুকু জায়গা চাই?
তিন ভাগের এক ভাগ/জনসংখ্যার অনুপাতে? নাকি পুরোটাই?



পুনশ্চঃ
যে যাই বলুক মিয়ানমার রাখাইনের একছটাক মাটিও হাতছাড়া করবে না। রোহিঙ্গাদের ওরা তাড়িয়েছে জমির জন্য, চিন-ভারত-রাশিয়া-জাপান মগদের দিকে। পশ্চিমা বিশ্ব/জাতিসংঘ ঢোঁড়া সাপের মত যতোই বাণী ঝাড়ুক, স্বপ্ন দেখা ছাড়া লাভ নাই।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: মিয়ানমার এক ছটাক জমিও ছাড়বে না। এটাই স্বাভাবিক । কিন্ত তাদের চাপে রাখতে এটা অত্যন্ত কার্যকরী একটা কৌশল।যেহেতু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের পক্ষে তাই বাংলাদেশকে এই ব্যপারে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চাপ দিলে মিয়ানমার রাখাইন হয়ত দেবে না কিন্ত রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য হবে।

১২| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: মানতাশা ও ঢাবিয়ান, রোহিঙ্গা কি বাপের বাড়ি বাংলাদেশে আসছে যে শশুর বাড়ী বার্মার কাছে তাদের এতো দাাবী দাওয়া? রোহিঙ্গা যে ভাবে এসেছে সে ভাবে বিদায় হোক। আমরা রাখবো না। সহজ সোজা কথা, আমেরিকা সিটিজেন করে নিয়ে যাক - হু ক্যায়ার্স। তুর্কি তাদের সিংহাসনে রোহিঙ্গা নিয়ে বসাক আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আমরা আমাদের দেশ আপদ মুক্ত চাই।

মানতাশা,ভাইরে আপনাকেও ধন্যবাদ।



২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: কোন দেশে শরনার্থীরা মহাসমাবেশ করে, এমন নজির কি আছে ? কিভাবে করে? কাদের সহযোগিতায় করে? শর্ষের মাঝেই ভুত । তবে জনগনকে একতাবদ্ধ হয়ে রোহিঙ্গাদের এই মাটি থেকে তাড়াতে হবেই। নাহলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

১৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি পুকুরে ঢিল ছুঁড়লে কত গজ দুরে যায়?

১৪| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মার্কিন প্রস্তাবের বহু আগেই বনের রাজা টারজান এই প্রস্তাব ব্লগে দিয়াছিল ! ব্যাটারা আমার আইডিয়া চুরি করিয়াছে ! মডুর কাছে ব্যবস্থা লইবার অনুরোধ করিতেছি !

একই সমস্যা সাইপ্রাসেও ঘটিয়াছিল ! তুরস্কের হ্যাডম ছিল বিধায় অর্ধেক সাইপ্রাস দখল করিয়া তুর্কি সাইপ্রিয়টদের দিয়াছিল ! আমরা শান্তিবাদী বিধায় পরাশক্তি-পাতিশক্তিদের পানে তাকাইয়া লেজ নাড়িতেছি !

তৃতীয় বিশ্বের সশস্ত্র বাহিনীগুলো নিজ দেশের জনগনের সাথে যুদ্ধ করিতে খুবই পারঙ্গম ! অন্যদেশের সাথে যুদ্ধ বাধার সম্ভাবনা দেখিলে ইহাদের লেজ দুই পায়ের ফাঁকে ঢুকিয়ে যায় !

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: মুশকিল হইতেছে পরাশক্তি বাদ দিয়া পাতিশক্তিদের পানে তাকাইয়া আছে আমাদের সরকার।

১৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

রাকু হাসান বলেছেন:




হাসিনা সরকার কে ধন্যবাদ আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত না নেওয়াতে। এখানে আমিরিকার সার্থ অনেক যদি বাংলাদেশ কে সাথে নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে । আমি মনে করি বাংলাদেশের ক্ষতিই হবে ।
পুনশ্চঃ
যে যাই বলুক মিয়ানমার রাখাইনের একছটাক মাটিও হাতছাড়া করবে না। রোহিঙ্গাদের ওরা তাড়িয়েছে জমির জন্য, চিন-ভারত-রাশিয়া-জাপান মগদের দিকে। পশ্চিমা বিশ্ব/জাতিসংঘ ঢোঁড়া সাপের মত যতোই বাণী ঝাড়ুক, স্বপ্ন দেখা ছাড়া লাভ নাই।
--পাঠের প্রতিক্রিয়া ভাইয়ের সাথে একমত । নতুব ভাইয়াও সুন্দর মতামত রেখে গেছেন।
ভাই বলেছেন -রাখাইন বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হলেও চীন তাদের প্রজেক্ট বাস্তাবায়ন করতে পারে ।
যেখানে চীন কয়েক যুগ ধরে কাজ করে যাচ্ছে । যুদ্ধ বাঁধিয়ে বাংলাদেশের সাথে যুক্ত করে বাস্তবায়ন করবে -
এটা হাস্যকর লাগলো। বাংলাদেশ চীনের প্রতি ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল । যখন বাংলাদেশ এই চাপ দিবে তখন চীন বেঁকে বসবে বলেই ধারণা । তখন ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দেশের প্রায় সব মেগা প্রকল্পের সাথে চীন জড়িত । ঢাকা শেয়ার বাজারে রয়েছে আকাশচুম্বী বিনোয়োগ । আপনি ওদের সাথে কয় দিন যুদ্ধ করতে পারবেন ? আমাদের সক্ষমতা জানতে হবে । যুদ্ধ কোনো সমাধান নয় ।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: যুদ্ধ করার কথা কোথা থেকে এল? রোহিঙ্গাদের জন্য আমরা কেন যুদ্ধে জড়াবো???? এখানে আলোচনা হচ্ছে কুটনৈতিক কৌশল নিয়ে।

১৬| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

নতুন বলেছেন: ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮ ০
লেখক বলেছেন: অবস্যই দিবে না। এই দাবী মুলত তাদের ওপড় চাপ প্রয়োগের জন্যই করতে হবে। বাংলাদেশ যাদের অনুরোধে বর্ডার খুলে দিয়েছিল , সেই পরাশক্তিদের সাফ সাফ জানিয়ে দেয়া উচিৎ যে রোহিঙ্গাদের আর কোন অবস্থাতেই এ দেশে রাখা সম্ভব না।আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা দারিদ্র এবং ভুমির স্বল্পতা। তাই হয় মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নিক নাহয় রাখাইন স্টেট আমাদের দিয়ে দিক।


এইতো আপনি বুঝতে শুরু করেছেন। ( বুঝতে পারবেন আমি কি ভাবছি এবং কেন ভাবছি সময় লাগবে)

ওরা যদি না ঐ এলাকা আমাদের না দেয় ততদিন আমাদের দেশে রোহিঙ্গারা কি করবে?
ওদের কি কখনো বাধ্য করা যাবে ঐ জায়গা আমাদের দিয়ে দিতে?

না কোন দেশই মায়ানমারকে বাধ্য করতে পারবেনা এ স্টেট আমাদের দিয়ে দিতে.....

আর যদি যুদ্ধ করে নিতে না চান তবে কিভাবে ঐ জমিতে রোহিঙ্গাদের পাঠাবেন?

ততদিন রোহিঙ্গারা কোথায় থাকবে? আমাদের দেশেই....

আর চীনের বিনিওগ নিয়ে তারা ঐ এলাকাতে ইতিমধ্য কাজ শুরু করেদিয়েছে তাই আমি ওদের ফিরে যাবার পথ দেখিনা।

তাই সমস্যা যেহেতু আমাদের মাথায় এসে পড়েছে তাই যত তাড়াতাড়ি এদের শিক্ষা এবং কাজ দিয়ে পুন`বাসন করতে পারবেন তত কম সমস্যায় করবে আমাদের দেশে....

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আমাদের দিকে। এটার ফায়দা তুলতে প্রয়োজন সঠিক কুটনৈতিক কৌশল অবলম্বন । সময় গড়ালে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ তলানিতে গিয়ে ঠেকবে এবং এই আপদ পার্মানেন্টলি আমাদের ঘাড়ে চাপবে। ্মিয়ানমার এটাই চায়। আপনি কেন চান সেটা ঠিক বোধগম্য নয়। কোন দেশই শরনার্থীদের শিক্ষা দীক্ষা দিয়ে দেশের জনগনের মুল স্রোতের সাথে মিশতে দেয় না। এটাই বাস্তবতা। তাহলে আমরা হাভাতে জাতি যাদের নিজের পেটে ভাত নাই , তারা কেন দেব?

১৭| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু এই প্রস্তাব মায়ানমার মানবে কেন?

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: মায়ানমার অবস্যই মানবে না। তবে পরাশক্তিগুলো এই কৌশলে চাপ প্রয়োগ করে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য করতে পারে। তবে পরাশক্তিদের চাপ অব্যহত রাখতে বাংলাদেশ সরকারকে কুটনীতি চালিয়ে যেতে হবে। কারন সমস্যাটা আমাদের।

১৮| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আজ থেকে ২০/২৫ বছর পরে যিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন তাঁর কাছে রোহিঙ্গা একটা বিরাট সমস্যা হবে। এটার সমাধান তিনি দুই ভাবে করতে পারবেন। ১। রোহিঙ্গাদের কে সরাসরি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে, অথবা ২। কক্সবাজার খাগড়াছড়ি বান্দরবান রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম নিয়ে পৃথক রোহিঙ্গাল্যান্ড নামে একটি নতুন দেশের স্বীকৃতি দিয়ে। ওদের নতুন দেশ হবে রিপাবলিক অফ রোহিঙ্গা ল্যান্ড। সেখানে তারা অবাধে বংশ বৃদ্ধি করবে।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত। পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার হাতছাড়া হয়ে যাবার বিড়াট সম্ভাবনা রয়েছে নিকট ভবিষ্যতে।

১৯| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১০

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মার্কিনীরা এই প্রস্তাবনা দিয়েছে তাদের স্বার্থে । আমাদের এতে পুলকিত হবার কিছু নেই

২০| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রস্তাবটা ভালো। আপনি লিংক দিলে বিষয়টির সত্যতা নিয়ে ধারণা পরিষ্কার হতো। তবে তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম ঘটনা সত্যি। সেক্ষেত্রে বলবো কূটনৈতিক স্তরে চিন্তা ভাবনাটিকে অপেশাদারী সুলভ লাগলো। আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে সবাইকে নিজের দেশে ফেরত পাঠানোই সর্বাপেক্ষা উত্তম।

এবার আসি আপনার দাবিমতো মার্কিন প্রস্তাব প্রসঙ্গে।পূর্ব জার্মানির অর্থনৈতিক অচলাবস্থার কথা তখন সর্বজনবিদিত। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আগে অসম অর্থনৈতিক কাঠামো নিয়ে জার্মানিতে একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। সেখানে জাতিগতভাবে জার্মানরা এক হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে পশ্চাৎপদ পূর্ব জার্মানিকে বৃহত্তর জার্মান জাতির স্বার্থে পশ্চিম জার্মানি ঐক্যবদ্ধ হওয়াকে মেনে নিয়েছিল।

রোহিঙ্গারা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জাতি, যারা শিক্ষা দীক্ষা সহ সার্বিকভাবে বাঙ্গালীদের থেকে থেকে কয়েক হাজার মাইল পিছিয়ে। এমন একটি জাতিকে বাংলাদেশের মেনস্ট্রিম অন্তর্ভুক্ত করাটা সার্বিকভাবে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থায় কুঠারাঘাত করা হবে সে কথা বলা বাহুল্য।


শুভকামনা জানবেন।

২১| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন
বর্তমান যুগে এমনিতে দূরে থাক, যুদ্ধ করেও জমি দখল করা যায় না, যুদ্ধবিরতির পর ছেড়ে দিতে হয়।
এটা ছিল ট্রাম্পপ্রস্তাব।
জামাত-শিবির-তালিবান বস আম্রিকার চাল। শান্তিপুর্ন দেশটিকে পেশোয়ার আফগান সীমান্তের মত অকারন চীরস্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করে দেশটিকে তহবিল শুন্য দেউলিয়া করে আরেকটি 'ভিক্কুক ইমরানখান ল্যান্ড' তৈরি করা।

২২| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:০৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এই প্রস্তাব আমাদের জন্য সঠিক প্রস্তাব নয়। আমেরিকায় অঞ্চলটাকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছে অনেক আগ থেকেই।

২৩| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:১৪

ভবিষ্যত বলেছেন: বর্তমান বিশ্বে জাতিসংঘ হচ্ছে একটা ফাউল .. এখন জোর যার মুল্লুক তার...লাখলাখ রোহিঙ্গা শেষমেষ বাংঙ্গালীদের ঘাড়ে বসে তেতুল খাবে...

২৪| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আমাদের দিকে। এটার ফায়দা তুলতে প্রয়োজন সঠিক কুটনৈতিক কৌশল অবলম্বন । সময় গড়ালে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগ্রহ তলানিতে গিয়ে ঠেকবে এবং এই আপদ পার্মানেন্টলি আমাদের ঘাড়ে চাপবে। ্মিয়ানমার এটাই চায়। আপনি কেন চান সেটা ঠিক বোধগম্য নয়। কোন দেশই শরনার্থীদের শিক্ষা দীক্ষা দিয়ে দেশের জনগনের মুল স্রোতের সাথে মিশতে দেয় না। এটাই বাস্তবতা। তাহলে আমরা হাভাতে জাতি যাদের নিজের পেটে ভাত নাই , তারা কেন দেব?

আমি ভবিষ্যতের দিকে চিন্তা করে এই সমস্যা সমাধানের চিন্তা করি। আপনি জজবা নিয়ে ভাবছেন তাই আমার মত পছন্দ হবে না।

আপনার মতন যারা ভাবে তারা পানি খায় ঠিকই কিন্তু ঘোলা করে....

কারন আপনি যতদিন মায়ানমারকে চাপে রাখার জন্য এই দাবি নিয়ে বিশ্বে লোক পাঠিয়ে টাকা খরচ করবেন ততদিন রোহিঙ্গারা কিন্তু আমাদের দেশেই থাকবে..... বংস বৃদ্ধি করতে থাকবে...

আপনি আরো ১,২,৩ ,৪ বা ৫ বছর মায়ানমারকে হুমকি ধামকি খেলতে থাকবেন... কিন্তু আপনি জানেন ১ ছটাক জমি আপনি পাবেন না। ততদিন রোহিঙ্গারা আরো ১ লাখ শিশু বানিয়ে ফেলবে..... তখন সমস্া আরো বাড়বে।

তাই worst case scenario বুঝতে হবে , যদি রোহিঙ্গারা না যায় তবে আমরা এই সমস্যা কিভাবে সমাধান করবো?

আর ইতিমধ্যেই রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে, বাংলাদেশে পাঠিয়ে মায়ানমার এই খেলায় প্রাধমিক ভাবে জিতে গেছে.... আর এতো মানুষ আবার পাঠিয়ে দেওয়া প্রায় অসম্ভব বিষয়... যখন মায়ানমার চাইছেনা তাদের ফিরিয়ে নিতে...

তাই এদের কি ভাবে শিক্ষা এবং কাজ দিয়ে মুল ধারায় মিশিয়ে দেওয়া যাবে সেটা নিয়ে ভাবুন///

২৫| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


রাখাইন প্রদেশের ২০ লাখ রাখাইন কি আপনার বাড়ীতে থাকবে?

২৬| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

প্রবালরক বলেছেন: রাখাইন রাজ্যকে আলাদা করে বাংলাদেশের সাথে জুড়ে দেবার ট্রাম্পের প্রস্তাব কিংবা কংগ্রেসের ব্রাড শেরম্যানের প্রস্তাব চীনের উদ্দ্যেশ্যে আমেরিকার বদ্ধ মুষ্টির মৃদু আস্ফালন ছাড়া আর কিছু না। ওখানে চীনের অর্থনৈতিক স্বার্থকে ইঙ্গিত করে হালকা স্বরে তোলা হয়েছে কথাটা।
বক্তব্যটা সিরিয়াসলি নেয়ার মত কোন বিষয় নয় বলে আমার মনে হয় ।

২৭| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৫৭

সুপারডুপার বলেছেন: মার্কিনরা কোনো মুসলিম প্রধান দেশের জন্য ভালো কিছু করে নি বরং সবসময়ই অস্থির করে রেখেছে। তাদের প্রস্তাব কোনো মতেই ভালো কিছু হতে পারে না। রাখাইন স্টেটকে বার্মাতে রেখেই, বার্মাকেই রোহিঙ্গদের রাখতে হবে।
মূল কে মূলেই ফিরিয়ে দিলেই সবচেয়ে উৎকৃষ্ট সমাধান হতে পারে

সহজ সমাধান : বাংলা একটা কথা আছে , ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়।

রোহিঙ্গারা ২৫ আগস্ট ২০১৯ -এ শোডাউন করে বাংলাদেশের জনগণকে জিম্মি করে ও বাংলাদেশকে অস্থির করার ষড়যন্ত্র করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করেছে।বাংলাদেশের জনগণের ও সরকারের এটার পাল্টা উত্তর দিয়ে , রোহিংগাদের জোর করে বার্মাতে ও এনজিও গুলোর অর্থায়নকারী দেশ গুলোতে পাঠাতে হবে।

২৮| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সবচেয়ে সহজ সমাধান হল - এদের বাংলাদেশের মূলধারায় ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে তা ২০/২৫ বছর পর। তার আগ পর্যন্ত তারা রিফউজি হিসাবে কাজ করে খাবে...

২৯| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৬

প্রবালরক বলেছেন: ১৯৭২ সনে কোন একজন মাহবুবুল আলম একজন বাবুল আনামকে অনুরোধ করেছিলেন 'ভারতীয় সম্প্রসারনবাদের' বিরুদ্ধে তাদের চলমান যুদ্ধে যোগ দিতে। বাবুল আনাম অর্জিত অভিজ্ঞতা থেকে জবাব দিয়েছিলেন - পাকিস্তানের সাথে লড়াই করে আমরা ভারতকে জিতিয়ে দিয়েছি। এবার ভারতীয় সম্প্রসারনবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নামলে জয় হবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের।
এই বিংশ শতাব্দীতেও কথাটা সত্য। আরাকান জয়ের জন্য মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধে নামলে জিতবে ঐ মার্কিনিরা - বাংলাদেশ নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.