নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডেঙ্গু্ প্রতিরোধে যে পোস্টারগুলো সারা শহরজুড়্বে সাটানো প্রয়োজন

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯



গ্রীশ্মপ্রধান প্রায় সব দেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যায়। তবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল প্রকার কার্যক্রম সেখানে সারা বছর ব্যাপী চালু থাকে। আমাদের দেশে ডেঙ্গু একটি মহামহারী রোগে পরিনত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর খবর পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে। গতকালও ভিকারুন্নেসা স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর এক ছাত্রীর প্রান কেড়ে নিয়েছে ডেঙ্গু। ফেসবুক খুললেই দেখা যায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য রক্ত চাওয়ার আহবান জানিয়ে পোস্ট দেয়া হচ্ছে। ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার মুল কারন হচ্ছে - এডিস মশা একজন ডেঙ্গু রোগীর রক্ত খেয়ে যখন আরেকটি সুস্থ মানুষকে কামড়ায় তখন তার দেহেও এই রোগের জীবানু ছড়িয়ে পড়ে। এডিস মশা সামান্য জমানো পানিতেও জন্মাতে পারে বলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজন ব্যপক জনসচেতনতা।

সিঙ্গাপুর , মালয়েশিয়া গ্রীশ্মপ্রধান দেশ হবার কারনে এই দেশগুলোতে ডেঙ্গু রোগের ব্যপক প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। তবে কোনভাবেই যেন এই রোগ মহামারীতে পরিনত না হয়, তার জন্য এখানে বছরব্যপী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়। কোন এলাকায় একজন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হবার সাথে সাথে সেই এলাকায় ইয়েলো এলার্ট জারী করে পোস্টার লাগানো হয় যাতে সেই এলাকার মানুষ সচেতন হয়ে যায়। বাসার বাইরে মশক নিয়ন্ত্রনের ভার টাউন কাইন্সিলের কিন্ত বাসা বাড়িতে মশক নিয়ন্ত্রনের ভার এলাকাবাসীর। এই কারনেই এলাকাবাসীকে সতর্ক করতেই এই এলার্ট জারী করা হয় যাতে সবাই যার যার নিজের বাসার যে কোন জমানো পানি ফেলে দেবার ক্ষেত্রে সচেতন হয়।কোন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা যদি দশ ছাড়িয়ে যায়, তখন জারী করা হয় রেড এলার্ট। এর অর্থ পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে যে কোন সময় বাসা বাড়ি পরিদর্শনে লোক আসতে পারে। কোন বাসায় যদি সামান্য উন্মুক্ত জমানো পানির সন্ধান পাওয়া যায় তাহলে বিড়াট অংকের জড়িমানা করা হয়। এছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাস, এমআরটি ( ট্রেন) , শহড়ের প্রতিটি এলাকার মোরে মোরে বিভিন জনসচেতনামুলক পোস্টার সাটানো থাকে।

আমাদের দেশে সিটি কর্পোরেশন এর কাছ থেকে কোন সহযোগিতার আশায় না থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই পদক্ষেপগুলো নেয়া খুবই প্রয়োজন এখন। এলাকার তরুনেরা দল বেধে এই জনসেবামুলক কাজগুলো করতে পারে। এইসব সস্তা পোস্টারগুলো জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যপক ভুমিকা রাখে। এছাড়া চাদাঁ তুলে হলেও নিয়মিত প্রতিটি এলাকায় মশার ঔষধ ছিটানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। হাসপাতালে গিয়ে লাখ লাখ টাকার বিল না দিয়ে বরং সামান্য টাকা খরচ করেও নিজ নিজ এলাকাকে মশকমুক্ত রাখা যায় এবং নিজেকে ও নিজের প্রিয়জনদের ডেঙ্গু , ম্যলেরিয়া জাতীয় ঘাতক ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখা যায়।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।


প্রফেসর আবদুল্লাহ (জাতীয় অধ্যাপক) টিভিতে বলেছেন -
ডেঙ্গু জরে ৯৫% রোগির বাসায় থেকেই চিকিৎসা সম্ভব। মারা না গেলে ডেঙ্গু ৭ দিনে ভাল হয়ে যায়। ৪র্থ ও ৫ম দিন ভাইটাল।
প্লাজমা লিকেজ বা ইন্টার্নাল ব্লিডিং ঠেকাতে রোগীকে ফ্লুইড বা তরল খাবার দিতে হবে প্রচুর। মুখে খাওয়ান, শিরাতে দিন। ফ্লুইড, ফ্লুইড এন্ড ফ্লুইড। মুখে খেতে পারলে সবচেয়ে ভাল। ওরসেলাইন ফলের জুস, ফল, তরল খিচুড়ি। নরমাল খাবার খেতে পারলে তো ভালই।

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর হলে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দরকার নাই,
অযথা অর্থের অপচয় হয়।

জ্বরের ৪-৫ দিন পরে সিবিসি , সিবিসি টেষ্টেই Heamatocrit (HCT) আছে।
অযথা বার বার টেষ্টে অনেকে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন।
প্লেইটলেট টেষ্ট দরকার নেই
ডেঙ্গু জ্বরে Platelet দিয়ে কোন উপকার প্রমাণিত না।

ডেঙ্গু জ্বরে আইসিইউতে ভর্তি করা/ভর্তি হওয়ার দরকার নেই।
হাসপাতালের ফ্লোরে থাকতে হলেও থাকবেন। এবার বেশী রোগী মারা গেছে বার বার হাসপাতাল বদল করাতে। বা চিকিৎসা অসমাপ্ত অবস্থায় বাড়ি চলে যেতে। অযথা মুভমেন্ট করলে ইন্টার্নাল ব্লিডিং বেশী হতে পারে
অনেক রুগির অবিভাবক বলে বসে "এসব ডাক্তার কিছু জানে না" বলে বড় হাসপাতাল খোজে
সত্য কথা বলতে সরকারি হাসপাতালেই ডেংগুর সবচেয়ে ভাল চিকিৎসা পাবেন।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা কি করতে হবে?
প্রফেসর আবদুল্লাহ বলেন
ডেঙ্গুরোগের কোন ঔসধ নেই। শুধু জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সঠিক ভাবে মুখে তরল খাবার খেয়ে সাধারণত ৭ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়, এমনকি কোনো চিকিৎসা না করালেও। তবে আরো ৩ দিন বিশ্রাম নিতে হয়।
তবে আমি বলি রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে, যাতে ডেঙ্গু জনিত কোনো মারাত্মক জটিলতা না হয়।
মুখে খেতে পারলে সবচেয়ে ভাল। মুখে খেতে না পারলে শিরাতে নরমাল সেলাইন। তবে সেলাইন দিলে অযথা হার্টে ও লিভারে চাপ পরে। ডাক্তার নার্স তত্তাবধানে বিপি ও রোগির ওজন বয়স ইত্যাদি জাচাই করে দিতে হয়।
তাই মুখে খেতে না পারলে চামুচে চামুচে বার বার খাওয়াতে হবে।
সবাই ডেঙ্গু চিকিৎসার ন্যাশানাল গাইডলাইনটি ফলো করুন। এই ন্যাশানাল গাইডলাইন, ৯৬ পাতার এই National Guideline for Clinical Management of Dengue Syndrome প্রতিটি সরকারি ডাক্তার ও নার্সদের কাছে দেয়া হয়েছে।

আমার লেখাটি পড়ুন Click This Link

২| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ।

চমৎকার শেয়ার।

৩| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

ইসিয়াক বলেছেন: প্রয়োজনীয় পোস্ট।
ধন্যবাদ।

৪| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশের লোকজনের দোষ আছে। এরা মোটেও সচেতন নয়। এদের সচেতন করার জন্য জরিমানা করতে হবে। জরিমানার পরিমানও অনেক বেশি করতে হবে। তাহলে যদি শিক্ষা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.