নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুই নোবেল বিজয়ী নিজ দেশে রাজনৈতিক কুৎসার শিকার

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

সুয়েডীয় বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালে করে যাওয়া একটি উইলের মর্মানুসারে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করা হয়। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সফল এবং অনন্য সাধারণ গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণমূলক তুলনারহিত কর্মকাণ্ডের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। মোট ছয়টি বিষয়ে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বিষয়গুলো হল: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা শাস্ত্র, অর্থনীতি, সাহিত্য এবং শান্তি। নোবেল পুরস্কারকে এ সকল ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক পদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদেরকে ইংরেজিতে নোবেল লরিয়েট বলা হয়। এই কারনে যে ব্যক্তি এই পুরস্কার লাভ করেন , তিনি তার নিজ দেশের জন্য বয়ে আনেন বিপুল সম্মান।

জাতি হিসেবে আমাদের গর্ব করার তেমন কোন কিছুই নাই। চরম দুর্নীতিগ্রস্ত ও দরিদ্র এই দেশে ডঃ ইউনুস এর নোবেল প্রাপ্তিই বলা যায় আমাদের একমাত্র অর্জন। বহির্বিশ্বে অত্যন্ত নেতিবাচক হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ, ডঃ ইউনুসের কারনে কিছুটা সুনজর কাড়তে সক্ষম হয়। কিন্ত অত্যন্ত দুঃখজনক যে, নিজ দেশে ডঃ ইউনুস রাজনীতিবিদদের দ্বারা হয়েছেন চরম নিগৃহীত ও তিরস্কৃত। আপাদমস্তক দুর্নীতি ও অসততায় মোড়া এই দেশের রাজনৈতিক দল এর কাছ থেকে অবস্য এমন ব্যবহারই কাম্য।

কিন্ত গনতান্ত্রিক দেশ ভারতে যে তাদের নোবেল বিজয়ী রাজনীতিবিদদের দ্বারা তিরস্কৃত হতে পারে তা একপ্রকার চরম বিস্ময়কর। বিজেপির রাজনীতিবিদদের কিছু মন্তব্য কপি পেস্ট করছি-

ভারতের রেলমন্ত্রী পীযূস গোয়েল বলেছেন, অভিজিতের তত্ত্ব অচল।সেই সঙ্গে তার সংযোজন, অভিজিৎ বামপন্থি।বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেছেন, যাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদেশিনী তারাই দেখি নোবেল পাচ্ছেন। নোবেল পাওয়ার জন্য এটা কোনও কোয়ালিফিকেশন কিনা তা আমার জানা নেই। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সভাপতি দিলীপ ঘোষের মতে, আমেরিকার জামাই হলে নোবেল পেতে সুবিধা হয়। বিস্তারিত পড়তে view this link


মন্তব্য ৩৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভারতে ১৩০ কোটী মানুষ বসবাস করে, তাদের মাঝে একেবারেই নগণ্য সংখ্যাক কয়েকজনের মতামত নিয়ে আপনি কনক্লুশন টানছেন যে, ড: অভিজিত ব্যানার্জি চরমভাবে নিগৃহিত; আপনার অবজারবেশনে ভুল আছে। উনাকে ভারতের কেহ এখনো কোনভাবে নিগৃহিত করেনি।

ড: ইউনুস সাহেব এখনো বাংলাদেশে অনেক সমাদৃত ব্যক্তি; তবে, তিনি কিছু বিষয়ে ভুল করার কারনে বেশ বিতর্কিত হয়ে গেছেন; কিন্তু তিনি নিগৃহিত নন; আপনি হয়তো পোষ্টের জন্য সঠিক শব্দ নির্বাচন করেননি।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনারএই উপদেশটা একদম সঠিক যে, শব্দ চয়ন ঠিক হয়নি। তাই সংশোধন করে দিয়েছি। আসলে দুই নোবেল বিজয়ী নিজ দেশের মন্ত্রীদের দ্বারা তিরস্কৃত হয়েছেন, জনগনের দ্বারা নয়।

২| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: নোবেল বিজয়ী সব সময় সব জাগায় সম্মানিত।
আর যারা অসম্মান দেখায় তারা মূর্খ।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কথাটা হবে'' যারা অসম্মান দেখায় তারা বিপুল বিত্ত বৈভবের অধিকারী''।

৩| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জাতি হিসেবে আমাদের গর্ব করার কোন কিছুই নাই। চরম দুর্নীতিগ্রস্ত ও দরিদ্র এই দেশে ডঃ ইউনুস এর নোবেল প্রাপ্তিই বলা যায় আমাদের একমাত্র অর্জন। বহির্বিশ্বে অত্যন্ত নেতিবাচক হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ, ডঃ ইউনুসের কারনে কিছুটা সুনজর কারতে সক্ষম হয়। কিন্ত অত্যন্ত দুঃখজনক যে, নিজ দেশে তিনি হয়েছেন চরম নিগৃহীত ও তিরস্কৃত। আপাদমস্তক দুর্নীতি ও অসততায় মোড়া এই দেশের রাজনৈতিক দল এর কাছ থেকে অবস্য এমন ব্যবহারই কাম্য।

নোবেল বাংলাদেশের প্রাপ্তি নয় এটি ডঃ ইউনুস সাহেবের ব্যাক্তিগত প্রাপ্তি ও তার গ্রামীন ব্যাংকের প্রচার সহ রোল মডেল। আর ডঃ ই্উনুস সাহেবের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের নানান দেশের সুনজর কারতে সক্ষম হয় - এটি সম্পূর্ণ ভুল। ডঃ ই্উনুস সাহেবের নোবেল জন্মের আগে বাংলাদেশ গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, চা, ছাত্রছাত্রী ও আদম রপ্তানীর দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত। ডঃ ই্উনুস সাহেব বাংলাদেশকে কি হিসেবে পরিচিত করেছেন? ২০১৫ সনে শান্তিতে কে নোবেল পেয়েছেন জানেন? আমি জানি না, গুগল দেখতে হবে, আশা করি আপনারও জানার কথা না, নোবেল দিয়ে দেশের মূল্যায়ন করা হয়না। সৌদি আরবে কেউ নোবেল পেয়েছেন কি না জানিনা, তবে মনে হয় না সৌদি আরব কখনো নোবেল নিয়ে চিন্তা করেছেন !

ডঃ ইউনুস সাহেব কি নোবেল প্রাপ্তির টাকা বাংলাদেশের কোনো সরাকরী বেসকরাী ত্রাণ সংস্থায় দান করেছেন? বিষয়টি আমার জানা নেই, এমন মহৎ কাজ যদি করে থাকেন তাহলে জানাবেন প্লিজ।

আওয়ামী সরকারের মূর্খ রাজনিতীবিদরা ডঃ ই্উনুস নিয়ে যা করেছেন তা ধিক্কারজনক। তবে আমেরিকায় হিলারী ক্লিনটন ইলেকশানে পাশ করেন নি। তাই বাংলাদেশের মানুষের কখনো জানা হবে না ডঃ ই্উনুস সাহেব কি কি ভাবে বাংলাদেশের ক্ষতি করতেন!

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: দুঃখিত এই বিষয়ে অহেতুক তর্কে জড়াতে একেবারেই আগ্রহী নই।

৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





বহির্বিশ্বে অত্যন্ত নেতিবাচক হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ, ডঃ ইউনুসের কারনে কিছুটা সুনজর কারতে সক্ষম হয়। - কি কি সুনজর কারতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ একটু বলবেন। আমি আওয়ামী বিএনপির ভক্ত নই। তবে ডঃ ইউনুস সাহেব বাংলাদেশের বন্ধূ নয়।

ঢাবিয়ান ভাই, পোষ্ট এমন যে সমালোচনা নিয়ে আসে, নয়তো “খুব ভালো হয়েছে, অসাধারণ পোষ্ট, খুব সুন্দর হয়েছে” বলে চলে যাওয়া যেতো। মন্তব্য উত্তর দিতে না চাইলে দয়া করে মন্তব্য মুছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

ঢাবিয়ান ভাই ব্লগে বিচিত্র কারণে যাদের পছন্দ করি তাদের মধ্য আপনিও একজন। ব্লগে মত ভিন্নমত হতে পারে এর অর্থ এই নয় আমি ব্যাক্তি ঢাবিয়ানের বিরোধিতা করছি। কখনোই না। ঢাবিয়ান ভাই ধন্যবাদ।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের দেশে রাজনৈতিক ইস্যূতে ''ভিন্নমত'' শব্দটা আসলে একেবারেই প্রযোয্য নয়। কারন এই দেশের কুৎসিত রাজনীতিতে ভাল কোন কিছুর অস্তিত্ব নাই। এই খারাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটা নৈতিকতা , ভিন্নমত কোন আবস্থাতেই নয়। রাজনীতি বাদ দিয়ে অন্য সাধারন বিষয়ে সহমত বা ভিন্নমত হতে পারে।

ডঃ ইউনুসের বিষয়টাও রাজনৈতিক। উনি দেশের জন্য কি করেছেন, না করেছেন তা আমার মত ক্ষুদ্র মানূষের চাইতে ঢের বেশী ভাল বোঝেন নোবেল কমিটি।যাই হোক আপনার প্রশ্নের উত্তরে শুধু এটুকু বলতে চাই যে, ডঃ ইউনুস নিজ দেশে কোথাও বক্তৃতা দিতে পারেন না, কিন্ত অন্য দেশের সংসদ থেকে শুরু করে বিশ্বববিদ্যালয়, সেমিনারে নিয়মিত লেকচার দিয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশিদের কি ধারনা তা বোধকরি বুঝিয়ে বলার দরকার নাই।কিন্ত ডঃ ইউনুস যেভাবে বাংলাদেশ ও এই দেশের সাধারন মানুষকে বাইরের দেশে রিপ্রেজেন্ট করেন তা বিদেশীদের দৃষ্টিভঙ্গি অনেকখানিই পাল্টাতে সক্ষম হয়।

৫| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:৪১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ড: ইউনুস জাতির সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছেন, টেলনরের সাথে জয়েন্ট ভেনচার করে; তিনি নিজেও হয়তো এই ক্ষতির পরিমাণ জানেন না; এটা ছিলো উনার ভয়ংকর ভুল।

৬| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: এক সময় টিএন্ডটির অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কারণে টেলিযোগাযোগ সমাজের সীমিত সংখ্যক ভাগ্যবানদের অধিকারে ছিল | সিটিসেল সহ অভিজাত সেল কোম্পানির আকাশচুম্বী মূল্য অথবা সেবা কোম্পানির সীমিত কভারেজ কখনো সাধারণ মানুষদের হাতে ফোন তুলে দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে নাই | সেই হিসাবে গ্রামীণ ফোনের স্বপ্নদ্রষ্টা ইকবাল কাদিরের পেছনে ড: ইউনূস এবং টেলিনর এসে না দাঁড়ালে বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের হাতে সেল ফোন পৌঁছতে আরো অনেক সময় অপেক্ষা করতে হতো | ড: ইউনূস অবশ্যই বাংলাদেশে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন যা অস্বীকার করা উচিত নয় |

বাংলাদেশে পোশাক শিল্প, রেমিটেন্স সহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে যার জন্য কোনো বিএনপি/জামাত/লীগ সহ কোনো রাজনৈতিক সরকারেরই কোনো অবদান নেই | প্রবাসী শ্রমিকদের দেশ থেকে ভিসা নেয়া সহ প্রবাসে দূতাবাসে চরম বিড়ম্বনা রোধে কোন সরকার কি ব্যবস্থা নিয়েছে বলতে পারবেন কি ? ঠিক একই ভাবে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের ঠিকমতো বেতন ভাতা না দিয়ে বিদেশী মুদ্রা বিদেশে পাচার করে কানাডা, মালেয়শিয়ায় প্রাসাদ নির্মাণ রোধে কোন সরকার কি ব্যবস্থা নিয়েছে ?

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য। আসলে ডঃ ইউনুসের বিরুদ্ধচারন করলে নেত্রীর সুনজর পাওয়া সহজ হয়। এটাই মুল ব্যপার।

আর সত্যি বলতে কি বাংলাদেশের কোন ক্ষেত্রেই অগ্রগতি হয়নি। এই দেশের মত সস্তা শ্রমিক এই বিশ্বের আর কোন দেশে নাই। এই কারনেই গার্মেন্টস খাতে কিছু বিদেশি অর্ডার আসে এবং বিদেশেও শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হয়েছে। আর মুদ্রা বিদেশে পাচার করে কানাডা, মালেয়শিয়ায় প্রাসাদ নির্মাণ রোধে সরকার কেন ব্যবস্থা নেবে? পাঠাচ্ছেতো উনারাই।

৭| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ঢাবিয়ান ভাই,

আমি আপনার বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করছি। বর্তমান ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপি একটা ঐতিহ্য আছে। ওরা সোজা কথা সোজা কথা সোজা ভাবেই বলতে পারে। এটাই ওদের চরিত্রের একটা সদর্থক দিক। ধর্ম সম্পর্কেও নিজেদের বক্তব্য পরিস্কার করে ওরা গোটা ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের একটা বিরাট অংশের মন জয় করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।গত কয়েকদিন আগেও বিশ্বরাজনীতিতে ক্যারিশমার দিক থেকে মোদীজি ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরেই দ্বিতীয় স্থানে। কিন্তু এই মুহূর্তে সর্বশেষ(বিজেপির আত্মমূল্যায়নে) রিপোর্ট অনুযায়ী মোদীজি ক্যারিশমার দিক দিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে সর্বোচ্চ স্থান দখল করেছেন। সঙ্গত কারণেই এই দলের নেতা মন্ত্রীরা বিচক্ষণতার মাপকাঠিতে বিশ্বের যে কোন মানুষের তুলনায় অনেক অনেকগুণ উচ্চে প্রতিষ্ঠিত।
কাজেই একজন তুচ্ছ মানুষ হিসেবে এই দলের নেতা মন্ত্রীদের বক্তব্যকে খাটো করে অহেতুক কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা থেকে প্লিজ নিজেকে সংযত করুন। একটু সাদা মনে দেখলে বিষয়টি নেহাত মন্দ লাগে না, যেমনটি আজ এই সময় পত্রিকায় প্রকাশ করেছে।

সুভাষিনী এক-অভিজিতের তত্ত্ব অচল। দেশবাসী গত লোকসভা ভোটে তার তত্ত্বকে খারিজ করে দিয়েছে। অভিজিৎ বামপন্থী। বক্তা কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। যিনি মনে করেন মাধ্যাকর্ষণ সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন আইনস্টাইন।

সুভাষিনী দুই-যাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদেশিনী তারাই দেখি নোবেল পাচ্ছেন। নোবেল পাওয়ার জন্য সেটা কোন কোয়ালিফিকেশন কিনা আমার জানা নেই। বক্তা বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রহুল সিনহা।

সুভাষিনী তিন-আমেরিকার জামাই হলে নোবেল পেতে সুবিধা হয়। বক্তা দিলীপ ঘোষ। যিনি কিছুদিন আগে অমর্ত্য সেনের শিক্ষা দীক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দিলীপ ঘোষ আরো বলেছেন, অভিজিৎ পুরোপুরি বাঙালী নন। তার মা নির্মলা জন্মসূত্রে মারাঠি। তাই নোবেলজয়ীর পুরো নাম অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিজিতের নামের মাঝে বিনায়ক কেন, সেটা শ্রী দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন।

মন্তব্যের শেষে বলার বিষয় এটাই যে, অভিজিৎ, অমর্ত্য সেনের মতো মানুষদের স্তুতি গাইতেই সংশ্লিষ্ট দেশ তাদেরকে নোবেল পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা করে। এরমধ্যে বাহাদুরির কিছু নেই। আর উন্নয়নের দিক দিয়ে যদি বলেন মোদীজির উন্নয়ন চাঁদের মাটিতে গিয়ে আঁছড়ে পড়েছে। আগামীতে তা মঙ্গল গ্রহে গিয়েও আঁছড়ে পড়বে-আমরা সেই বিশ্বাস রাখি।



১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: হা হা হা :) :) :) । নোবেল কমিটির সঙ্গে বসে ওয়াইন, চিপস খাইলেও কিন্ত নোবেল পাওয়া যায়। আইনস্টাইনের মাধ্যাকর্ষণ সূত্রের মতই এইটা হল নোবেল পাওয়ার একটি সুত্র) :) :) :)

পাঁচতারা কমেন্ট।

৮| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমার দু'টি মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ । শুভকামনা

৯| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


রাজনীতি, অর্থনীতি ও ফাইন্যান্স মিলে বিশ্ব চালায়; রাজতন্ত্রের অবসানের পর, পশ্চিমা জগত রাজতন্ত্রের অর্থনীতিকে অনুসরণ করে ক্যাপিটেলিজমে প্রবেশ করেছিলো; এরপর মানুষ ক্যাপিটেলেিজমের দোষগুলোকে সামনে এনেছেন; কার্লমাক্স সেগুলোকে বস্তুবাদের ও সমবন্টদের থিওরীতে এনেছেন: অর্থনীতিতে নতুন ভাবনা যোগ হয়েছে; ড: আমাত্য সেন ও অভিজিৎ ব্যানার্জি কিছুটা মিশ্র ধরণের অর্থনীতির ভাবনা ও ধারণার মানুষ।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: সুন্দর কমেন্ট। নোবেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, “এ বছরের নোবেল বিজেতাদের গবেষণা দুনিয়াভর দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য আমাদের শক্তি বর্ধন করেছে। মাত্র দু দশকে তাঁদের নতুন গবেষণা ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি উন্নয়নের অর্থনীতিতে রূপান্তর এনেছে, যা বর্তমানে গবেষণার এক উদীয়মান ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

নোবেল পুরস্কারের মুখপাত্র ব্যাখ্যা করেছেন- “এই অর্থনীতিবিদদের বৈশিষ্ট্য হল, উন্নয়ন অর্থনীতির সমস্যাগুলি নিয়ে বিশেষ করে দারিদ্র্য দূরীকরণের ব্যাপারে তাঁরা সমস্যাজনক সেইসব অংশগুলিকেও ক্ষুদ্রতর অংশে ভেঙে নিয়ে বোঝার চেষ্টা করেছেন কোন নীতি কাজ করছে, কোন নীতি কাজ করেনি।

আমরা যতই বলিনা কেন যে মার্ক্সবাদ এই যুগে অচল, কিন্ত দারিদ্রের সাথে লড়াই করতে গেলে মার্ক্সবাদ পুরোটা না হলেও কিছুটা অনুসরন না করে উপায় নেই। ড: আমাত্য সেন ও অভিজিৎ ব্যানার্জির কিছুটা মিশ্র ধরণের অর্থনীতির ভাবনা নোবেল পাওয়াটা সেটাই প্রমান করে।

১০| ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৪০

নীল আকাশ বলেছেন: ৬ এবং ৭ নাম্বার দুইটা অসাধারণ মন্তব্যের পর আর কিছু না বলাই ভালো।
একটা জিনিস খুব স্পষ্ট, এই অঞ্চলের মানুষ এখনও ব্যক্তি স্বার্থের উপরে দেশকে
ভালোবাসতে পারেন নি। আর এই জন্যই ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর মতো লোক এইসব দেশে
জন্মায় না, জন্মাবেও না।
পোস্টের বক্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করছি।
শুভ রাত্রী।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: গুন এর কদর করতে শিখেনি বলেইতো এই উপমহাদেশ এর আজো এই অবস্থা। উন্নয়ন কেবল মুখে মুখে নয়ত ছাপা অক্ষরে ।

১১| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ২:২৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

ঠাকুরমাহমুদ বলতে চেয়েছেন:
ড. ইউনুস দেশের কোন ক্ষতি করেন নি, হিলারি ক্ষমতায় আসলে হয়তো বোঝা যেত।

বাস্তবতা হছে ড. ইউনুস হাসিনার ক্ষতি করে যেয়ে বাংলাদেশের দুটো বড় ক্ষতি করেছেন।
১। পদ্মাসেতুর বিশ্বব্যাঙ্ক লোন বন্ধ করেছেন।
২। বাংলাদেশী এক্সপোর্টারদের GSP সুবিধা বাতিল করিয়েছেন।

সবকিছু প্রমান করা যাবে না তবে পদ্মাসেতুর লোন বন্ধ করার প্রমান উইকিলিক্স ও হিলারির ফাসকৃত ইমেইল থেকে সহজেই প্রমান করা যায়।


ডঃ ই্উনুস সাহেব শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলাদেশ কে গর্বিত করেছেন। ভাল কথা

কিন্তু উনি শান্তির জন্য কি করেছে বুঝে আসে না।
নোবেল পুরস্কার পাওয়ার সময়টায় শান্তির জন্য কি করেছেন?
২০০১ এর পর একটা সময় একটানা বিএনপি-জামাতের লেজুড়বৃত্তি করে গেছেন। পরে তত্তাবধায়কের সময়ও সেই সামরিক সরকারকে বিএনপি-জামাতের দিকে ডাইভার্ট চেষ্টা করে গেছেন। পরে তত্তাবধায়ক সামরিক মদদে নিজেই একটা রাজনৈতিক দল 'প্রিন্স পার্টি' করে সামরিক সরকারের ব্যাকিংএ বছরব্যাপি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। ব্যার্থ হয়ে এরপর লাপাত্তা।

উনি অর্থনীতিতে নোবেল পেলে আমার আপত্তি ছিলনা, ক্ষুদ্রঋন দেশের দারিদ্র বিমোচনে ভুমিকা রাখে।
যদিও ওনার ক্ষুদ্র ঋন ব্যাবস্থাপনা নিয়ে আমার আপত্তি আছে।

গ্রামিন ব্যাঙ্কের জন্য দেন দরবার করে বিদেশ থেকে বড় বড় ডোনেশন এনে বা ১% সুদে বিদেশী ঋন এনে গ্রামিন মহিলাদের লোন দিয়ে প্রতি মাসে কিস্তি আদায় ৩১% সুদ খাটানো (যেখানে আমেরিকায় বাড়ী গাড়ী কিনতে ৪-৫% সুদ, প্রথম দুই বছর ০ ইন্টারেষ্ট, সুদ বিহীন কিস্তি বিহীন)
গ্রামিন ব্যাঙ্কের এজেন্টরা কিস্তি আদায়ে ব্যার্থ হলে গরু ছাগল বাজেযাপ্ত করে ঘর থেকে টিন খুলে নিয়ে যাওয়া

গ্রামীন ফোন পল্লিফোন দরিদ্র মহিলাদের কাছে ৫০ টাকার সিম ২০,০০০ টাকায় গ্রামীন পল্লি ফোনের জন্য সিম বিক্রি ও ৩১%
চক্রবৃদ্ধি সুদে কিস্তি আদায়।
এসব কোনটাই শান্তির জন্য অর্থনীতির জন্য ভাল উদাহরন না।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: গ্রামীন ব্যাংক সম্পর্কে আপনাদের সকল অপপ্রচারের জবাব গ্রামিন ব্যাংক কতৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে দিয়েছে। ক্ষমতা , পুলিশ, বন্দুক সব আপনাদের হাতে। আপনারা দিনকে রাত বানাতে পাড়েন। মিথ্যা তথ্য দিয়ে ডঃ ইউনুসকে রক্তচোষা সুদখোর বানানো এমন আর কঠিন কি? কার ঘাড়ে কয়টা মাথা যে এর বিরুদ্ধে কথা বলবে?

১২| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সব তত্ত্ব সব জায়গায় কাজ করবে এমন কোন কথা নয়। আরবের রাজতন্ত্র আরবের জন্য সফল, ব্রিটেনের জন্য নয়, গণতন্ত্র ব্রিটেনের জন্য সফল, আমাদের জন্য নয়। কিন্তু নোবেল পাওয়ার জাতি হিসেবে গর্বিত হওয়া উচিত। ড. ইউনুস যদি আমেরিকার কাছে অভিযোগ করে কিছু বিষয়ে, সেরকম অভিযোগ তো শেখ হাসিনাও করেছিল দেশে মৌলবাদী আছে বলে, প্রিয়া সাহাও করেছে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে বলে...

আসল কথা হচ্ছে এই উপমহাদেশীয়দের জন্য ব্রিটিশই পারফেক্ট ছিল। এরা কীসে সুখ পাবে নিজেরাও জানে না...

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: এখনতো তাই মনে হছে ব্রিটিশ পিরিয়ডই পারফেক্ট ছিল এই উপমহাদেশ এর জন্য। মানবকল্যানে যা যা দরকার যেমন মজবুত শিক্ষা ব্যবস্থা, স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা, নারী শিক্ষা , আইন আদালত ইত্যাদি সবই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ব্রিটিশ পিরিয়ডে। সিঙ্গাপুর , হংকং থেকে ব্রিটিশরা বিতারিত হবার পর তাদের গড়ে দেয়া এইসব সিস্টেম আরো আধুনিক, আরো উন্নত করে দেশগুলো প্রথম বিশ্বের কাতারে সামিল হয়েছে। কিন্ত দুঃখজনকভাবে এই উপমহাদেশে কি হয়েছে তাতো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ইন্ডিয়ান মুভিগুলিই যথেষ্ঠ তা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য।

১৩| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

হাসান রাজু বলেছেন: ব্লগার ঠাকুরমাহমুদ !!! উনার যুক্তিগুলো এমন কেন ? আমি ঠিক বুঝিনা উনি কি বলতে চান !

উনি বাজার দর নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছেন সেখানে তিনি বলেছেন - ১৮ আক্টোবর, ২০১৯ ।
ইলিশ ০১ কেজি+ ওজনের = ১, ২০০ - ১,৫০০ টাকা / কেজি ইলিশ ৭০০ - ৮০০ গ্রাম = ৭০০ টাকা / কেজি ।

আমার জানার ছিল, ইলিশ বাজারে এখন না থাকারই কথা। উনি কোন বাজারের দর পোস্ট করেছেন? কপাল আমাকে মনে হয় ব্লক করে দিয়েছেন।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: :)

১৪| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৩০

অক্পটে বলেছেন: @ঢাবিয়ান, পোষ্টটি কষ্ট করে লিখেছেন ঠিক আছে, কিন্তু খুশি হতাম যদি ডঃ ইউনুসকে কষে কয়েকটা গালি দিয়ে লেখার চেস্টা করতেন যে এই ইউনুচ্ছাটা কি আসলেই নোবেল প্রাইসের যোগ্য? এমন! একজন যোগ্য মহান শেখ হাসিনা যিনি শুধুই শান্তি ছাড়া আর কিছুই বুঝেননা এত্ব এত্ব লবিং এর পরওে কেন নোবেল কোম্পানী তাকে সিলেক্ট করলোনা এই ব্যথার কথাই আপনার লেখা উচিত ছিল। বলতে পারেন এটা না করে আপনি ভুল করেছেন। নোবেল কোম্পানীর চেয়ারম্যান পদে ৭১ বছর বয়স্ক যুবলীগ নেতাকে দেখতে চাই।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব সম্ভবত জামাত শিবির লবিং কইরা নোবেল কমিটিতে জায়গা নিসে। নুবেল না পাওয়ার পেছনে আর দ্বীতিয় কোন ব্যখ্যা নাই :)

১৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কথাটা হবে'' যারা অসম্মান দেখায় তারা বিপুল বিত্ত বৈভবের অধিকারী''।

বিপুল বিত্ত বৈভবের অধিকারী লোকজন অবশ্যই অসৎ ভাবে ধনী হয়েছে।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে? গুনীজনরে অসম্মান করার দ্বীতিয় আর কোন কারনতো নাই।

১৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কর্মের সাথে আরও কিছু লাগে তাহলেই নোবেলের মত পুরুস্কার ভাগ্যে সিকে ছিড়ে।

২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: একটু বিস্তারিত বললে সুবিধা হয় যে আর কি লাগে?

১৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

অক্পটে বলেছেন: নোবেল কমিটি থেকে জামাত-শিবির চক্র নিষিদ্ধ করতে হবে।

২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: নুবেল পাইতে হলে দ্বীতিয় আর কোন রাস্তা নাই

১৮| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০১

মা.হাসান বলেছেন:

ডঃ ইউনুসের খুঁটির জোর কোথায় বুঝে পাই না, আদালতে হাজিরা না দেয়ায় গ্রেফ্তারি পরোয়ানা জারির এক সপ্তাহের মধ্যে তা স্থগিত করা হলো। প্রধান মন্ত্রী বার বার বলার পরও ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট ওনার নামে কিচু বাইর করতে পারে না। এন বি আর থেকে এই সব ইউনুসের দালালদের বাইর করা দরকার।
যাই হোক , ইউনুস সাবরে একবার ধরতে পারলে জিগাইতাম কোথায় কোথায় ম্যানেজ কইরা নোবেল বাগাইছে। আমরা চাঁদা তুলিয়া নোবেল কতৃপক্ষকে দিয়া ব্লগিংএর উপর এক খানি নোবেল চালু করিতে বলিতাম। ব্লগ হইতে তিন জন আম্রিকা বাসি নোবেলের দাবিদার। ওনারা নোবেল পাইলে আমাদের আত্মার তৃপ্তি হয়।

**শিরিন এবাদি এবং লিউ জিয়াবাও এই দুজন নোবেল লর‌্যেট নিজ দেশে বড় নিগৃহীত হয়েছেন।

২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ডঃ ইউনুসের খুটির জোড় বিশ্বব্যাংক। তারা ডঃ ইউনুসের কথায় উঠে বসে :)

১৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:৩৪

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: সব মাছ গু খায় কিন্তু বদনাম হয় একটি মাছের ....ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের প্রতিটি সরকার তার ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে সুদ আদায় করলেও কিছু রাজনৈতিক সমর্থক ইউনূসকে সুদখোর বলে গালাগালি করেন | এমনকি সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট মখা আলমগীরদের ব্যাংকগুলোও কি কোনো সুদ নেয় না ? আর সরকারি ব্যাংকগুলোতে সুদের হার কম হলেও ওখান থেকে সাধারণ মানুষ ঋণ নিতে গেলে যে পরিমান উপরি প্রদান অথবা কাঠখড়ি পোড়াতে হয় তা যে কাগজে কলমের সুদের পরিমান থেকে অনেক বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না |

ইউনূসের মূল সমস্যা, তিনি মূলধারার রাজনীতির বাইরে নিজে রাজনৈতিক নেতা হওয়ার খায়েস প্রকাশ করেছেন | এটা বাংলাদেশে একটা মারাত্মক অপরাধ, কবিরা গুনাহ থেকেও অধিক | বাংলাদেশে মূল নেতৃত্ব গুটি কয়েক পরিবার ও তাদের চ্যালাচামুণ্ডার জন্য চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করে দেয়া হয়েছে | ক্ষমতার শীর্ষে ইউনূস-মিঊনূসের মতো চুনোপুটি কারোই প্রবেশাধিকার নেই |

২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত আপনার সাথে। গ্রামীন ব্যাংকের সুদের হার নিয়ে অপ্রপচারের জবাব গ্রামীন ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে দিয়েছে। নেট ঘাটলে তা দেখতে পাওয়া যাবে।আসল ব্যপার হল তিনি রাজনৈতিক নেতা হওয়ার খায়েস প্রকাশ করেছিলেন।এইটা কবিরা গুনাহ্র চাইতেও বড় গুনাহ এই দেশে

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.