নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা মোকাবেলায় প্রশ্নবিদ্ধ চায়না সরকার

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৪

চায়নায় করোনা ভাইরাসে মৃতের সরকারী পরিসংখ্যান নিয়ে প্রথম থেকেই সন্দেহ তৈরী হয়েছিল বহির্বিশ্বে। বেশ কিছু ভিডিও জানুয়ারী মাসে ভাইরাল হয়েছিল যেখানে দাবী করা হয়েছিল যে মৃতের সংখ্যা আরো অনেক বেশী। কিন্ত সোস্যাল মিডিয়ার সে সব খবরকে গুজব হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় চায়না মিডিয়ায় । শুধু তাই নয় খবরে এসেছে যে করোনা ভাইরাস নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় অনেক আগেই সতর্ক করা ডাক্তারকে সরকারীভাবে হেনস্তা করা হয় , যেই ডাক্তার পরবর্তীতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যবরন করেন। বলা হচ্ছে প্রথম দিকেই যদি সতর্ক হত চায়না, তবে আজকে করোনা এভাবে মহামারীতে পরিনত হতে পারতো না।

প্রথম দিকে গড়ে প্রতিদিন বিশজনের মৃত্যূর খবর দিয়ে আসছিল চায়না মিডিয়া। কিন্ত হঠাৎ গত তিন চার দিন ধরে চায়না মিডিয়া প্রতিদিন একশর কাছাকাছি মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করছে। আজকের খবরে এসেছে গত একদিনে ২৪২ জনের মৃত্যূর খবর!! শুধু তাই নয় দ্বায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হুবান প্রদেশে বেশ কিছু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের চাকুরিচূতির খবরও প্রকাশ পাচ্ছে । চায়নায় গনতন্ত্র নেই, গনমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়া সেখানে নিয়ন্ত্রিত । চায়নার বাইরে থাকা চাইনিজরা চায়না সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র বিশেদাগার প্রকাশ করছে সোস্যাল মিডিয়ায়। বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা বলছে যে করোনা ভাইরাস সার্সের মত ডেডলি ভাইরাস নয়।করোনা ভাইরাস চায়নার বাইরে ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত সে সব দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যূর হার অত্যন্ত কম। সেক্ষেত্রে চায়নায় প্রতিদিন বিপুল পরিমান রোগীর মৃত্যূর খবরে চরম অষন্তোষ দেখা দিয়েছে চাইনিজদের মাঝে।


সস্তা, নকল আজেবাজে সামগ্রী বানানোতে চায়নার জুড়ি নাই।বিশ্বব্যপী এইসব সস্তা জিনিষ সরবরাহ করে চায়নায় অনেক বাহ্যিক উন্নয়ন ঘটেছে ঠিকই কিন্ত আভ্যন্তরীন কোন উন্নয়ন যে ঘটেনি তা এবারের করোনা ভাইরসের ঘটনায় পরিষ্কার। চাইনিজদের বিচিত্র অস্বাস্থকর বাজে খাদ্যাভাস, শৃংখলিত বাকস্বাধীনতা, দরিদ্রদের অনুন্নত জীবন যাপনের কাহিনী এখন সর্বত্র প্রকাশিত হচ্ছে। বছরের পর বছর একনায়ক চাইনিজ সরকারের উইঘরের মুসলিমদের উপড় নির্যাতন, হংকং এর গনতন্ত্রকামী জনগনের উপড় অত্যাচার জুলুমের কথাও ব্যপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে।





মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ওদের অবস্থা লেজেগোবরে হয়ে গেছে। ভয়াবহ অবস্থা।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: একটি দেশে গনতন্ত্র না থাকলে যে কি ভয়াবহ পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে, তার উৎকৃষ্ট উদাহরন আজকের চায়না

২| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট টি দুবার এসেছে। এডিট করে ঠিক করে নিন।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৩৭

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: হংকং একটা স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ার পর ও উইকিপিডিয়া সহ অন্যান্য বিশ্বকোষে হংকংকে চায়নার অধীনস্থ বলে দাবি করা হচ্ছে, তথ্য এডিট করে। এবং সেভাবেই হংকংকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

কতবড় নিকৃষ্ট জাতি হলে একটা স্বাধীন দেশের উপরেও হাত দিতে পারে!

তাদের উপর প্রকৃতি প্রতিশোধ নিবে এটাই তো স্বাভাবিক।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: হংকং পুরোপুরি স্বাধীন নয় , সায়ত্বশাষিত । কিন্ত ব্রিটিশরা চলে যাবার পর চায়নার মাত্রাছাড়া খবরদারীর কারনে হংকং এর জনগন পুর্ন গনতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে।

করোনা ইস্যূতে প্রকৃতির প্রতিশোধ কথাটি খুব নিষ্ঠুর। চায়নার নিরীহ সাধারন জনগনের দোষটা কি? মরছেতো তারাই, সরকারের কেইতো নয়।

৪| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


চীনারা পুরোপুরি মানুস নয়, এরা মানুষ ও রোবটের মাঝামাঝি

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: চায়নার সাধারন মানুষের অনেক গুন আছে। এদের সবচেয়ে বড় গুন হচ্ছে এই জাতি অসম্ভব কর্মঠ। অলসতা তাদের রক্তে নাই। সৎ দেশপ্রেমিক সরকার ক্ষমতায় থাকলে যে এরা কোথায় পৌছাতে পারে তার প্রমান সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান ও হংকং। মালয়েশিয়ার আজকের উন্নতির পেছনেও দাঁড়িয়ে আছে মালয়েশিয়ায় মাইগ্রেটেড চাইনিজ জনগোষ্ঠী।

৫| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমি প্রথম থেকে বলছি এটি কি চীনা কোনো ভুল এক্সপেরিমেন্ট নাকি সত্যি সত্যি প্রাণী ভক্ষণের জন্য হয়েছে এমনটি? - করোনা ভাইরাস কি তা জানা এখন অসম্ভবের অসম্ভব ব্যাপার।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: কোন কারনে যে হয়েছে বলা আসলেই অসম্ভব। সত্য বলার দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত চীনা সরকার

৬| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৫

জুন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন সাধারণ চাইনিজরা খুবই পরিশ্রমী। পার্ল এস বাক তার মা গল্পে মানুষের যে চরম দারিদ্রতা তুলে ধরেছেন সেখান থেকে সাধারণ মানুষ কতখানি বেরিয়ে আসতে পেরেছে তা পরিসংখ্যানবিদরাই ভালো বলতে পারবে। তবে আমার দেখা চীনের তিয়েনানমেন স্কয়ারে নব্য ধনীর দুলালরা ব্রান্ডের পোশাক আশাক পড়লেও বহু দুর দুর গ্রাম থেকে আসা মানুষ যারা মাও সেতুংকে এখনো মুক্তিদাতা বলে জানে আর তার শবদেহে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছে তাদের পোশাক আশাকে জীর্নতা স্পষ্টতই ফুটে উঠেছে। কিন্ত উঠতি ধনীরা বিভিন্ন দেশ সফরে যায় দল বেধে কিন্ত সাধারণ আচার-আচরণ শিখে উঠেনি তারা। এক কথায় স্নব।
বর্তমান ক্ষমতাসীন কম্যুনিস্ট শাসকরাও এই বিশাল দেশ পরিচালনায় উত্তর কোরিয়ার বড় সংস্করণ হয়ে আছে। অর্থাৎ মুখ বন্ধ করে রাখো সবাই। তাই কোন দেশেরই শাসনে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী থাকা ঠিক না। এই ধরনের শাসন ব্যবস্থা মুলত স্বৈরতন্ত্রের নামান্তর।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: কাল মার্ক্স, লেলিন, মাও সে তুং এর মতবাদের আলোক বর্ষ দূরে অবস্থান বর্তমান কম্যুনিস্ট উত্তর কোড়িয়া কিংবা চীনা শাষকের। কমিউনিজমকে এরা ব্যবহার করছে স্রেফ আজীবন ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার হিসেবে।

৭| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: চায়নারা জাতি হিসেবে নৃশংশ!
নাগরিকের জীবনের প্রতি তাদের কোন মায়া নেই।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: চায়নার শাষক গোষ্ঠী অত্যন্ত অমানবিক

৮| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:০৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: চীনের সাংস্কৃতিক মানোন্নয়ন খুবই হতাশাজনক।

৯| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৩৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অত্যন্ত অমানবিক

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.