নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা আগমন প্রসঙ্গে যে বক্তব্য দিচ্ছেন রাজনীতিবিদ, ইসলামিক দল ও বিশিষ্ট জনেরা

০৩ রা মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:১৭

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর সমালোচনা করে বিরোধী দলের নেতারা বলেছেন, এ বিষয়টি নিয়ে সরকারের চিন্তা করা উচিত। মোদিকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা।বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দিল্লিতে যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হলো, তখন মোদি আসছেন আমাদের দেশে। অভিযোগ আছে, এ দাঙ্গার সঙ্গে মোদির দল জড়িত। এই সময়ে বাংলাদেশে আসাটা কতটুকু শোভনীয় হচ্ছে, সেটা অবশ্যই চিন্তা করা উচিত।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মোদি বাংলাদেশে যে সময়ে আসছেন, সে সময় দুই হাত প্রসারিত করে থাকা নয়, দুই হাত শক্ত করে রাখা উচিত, তাঁকে ফেরানোর জন্য। যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে, তাতে মোদিকে স্বাগত জানাতে পারছি না।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি চিকিৎসক জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মোদিকে প্রধান বক্তা করা লজ্জার।তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে কিভাবে (সরকার) এই ঘৃণ্য ব্যক্তিকে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ করে আমি বুঝি না। মোদিকে আমন্ত্রণ করা মানে শেখ মুজিবকে অপমান করা। তাই আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করব আপনি এই আমন্ত্রণ ফিরিয়ে নিন।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মুজিব বর্ষের অলংকার হিসেবে মোদিকে নিয়ে আসা হচ্ছে। এর অর্থ হচ্ছে ক্ষমতায় থাকতে হবে তোষামোদ করে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘স্বীকৃত দাঙ্গাবাজ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক। মোদির হাতে মুসলিমসহ গণমানুষের রক্ত লেগে আছে—এমন মন্তব্য করে নুরুল বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মোদি এলে ছাত্রসমাজের রক্তের গঙ্গা বয়ে যাবে।

দিল্লি পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের মানুষের মনে চাপা ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। এই ক্ষোভ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেই বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।এ বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে এলে তেমন কোনো প্রতিবাদ হয়তো দেখা যাবে না। তাকে ইনসাল্ট (হেয়) করার মতো কিছু হবে না। কারণ, বাংলাদেশ সরকার তাকে অতিথি হিসেবে আনছেন। তারা সে ধরনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেবেন।’
“তবে মানুষের মনে যে চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তা তো থাকবেই। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতে একধরনের ড্যাশিং, ‘বাংলা ড্যাশিং’ যাকে বলি, এনআরসি নিয়ে তা প্রতিনিয়ত হচ্ছে। এর দায় তিনি এড়াতে পারেন না। মানুষও সেটা মনে রাখবে।”

দিল্লিতে মুসলমানদের ওপর আক্রমণের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করে তাঁকে বাংলাদেশ সফরের জন্য দেয়া আমন্ত্রণ বাতিলের দাবি জানিয়েছে দেশের ছয়টি ইসলামী দল।





মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:৩৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন:

০৩ রা মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফাশ কি আর করেনি? কিন্ত এদের রক্ষক পুলিশবাহিনিতো আর সেই লিস্ট সাংবদিকদের হাতে দেবে না।

২| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:৩৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: গুজরাটে কসাই খ্যাত মোদিকে বাংলাদেশে আসতে দেওয়া উচিৎ না।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসবেন, দেখবেন এবং জয় করবেন!!

৩| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ সকাল ৮:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:








১। আমার ধারণা “পেঁয়াজ” সিনেমার কথা আপনার মনে আছে। আন্দোলন করে দুই চারশ আহত সহ পাঁচ - দশজন মরলেও সমস্যা নেই হয়তোবা ! তবে “মুদির দোকান” পেঁয়াজ বন্ধ করে দিলে ১৭ কোটি বাংলাদেশী নির্ঘাত আত্মহননের পথ বেছে নিবে। এটি কি হতে দেওয়া যায় না হতে দেওয়া উচিত ?

২। ডাকসু নুরু জনপ্রিয় হওয়ার জন্য যে কোনো কারণে অকারণে মাইর খেতে রাজি আছে !

০৩ রা মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: মাথা উচুঁ করে দাড়াতে জানলে এই ভারতই তাদের বাজার হাতছাড়া হবার ভয়ে উলটো তোয়াজ করে চলবে। কিন্ত এখন যেই উল্টূমুখী তোয়াজ চলছে তা কেবলই ক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াসে , দেশের স্বার্থে নয়।

৪| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: দেশে অনেক খারাপ লোক আছে, এরা জাতিকে পেছনে টানছে।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: সব দিকে তাল দিয়ে চলেন বলে, কি বুঝাতে চাইলেন তা বুঝতে পারলাম না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.