নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

লকডাউনে এই মানুষগুলো বাচঁবে কিভাবে?

২৫ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৪৫






সোস্যাল মিডিয়া , গনমাধ্যম এবং পাড়ায় পাড়ায় মাইকিং করে সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানানো হচ্ছে। উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেনী ঘরে থাকার সকল প্রস্তুতি নিয়ে ঘরেই থাকছে। কিন্ত ঢাকা শহড়ের গৃহহীনেরা কোথায় যাবে? বস্তিতে বাস করা মানুষগুলো যারা দিন এনে দিনে খায় তাদের মুখে খাদ্য তুলে দেবে কে? পত্রিকায় দেখলাম পার্শ্ববর্তী ভারতে ৮ কোটি মানুষকে ৬ মাস ফ্রি চাল দেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এছাড়াও কানাডা, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশের সরকারদের নানান জনবান্ধব ঘোষনার ভিডিও এখন ফেসবুকে ভাইরাল। কিন্ত আমাদের দেশের সরকারী তরফ থেকে ছুটির ঘোষনা ছাড়া আর কোন জনবান্ধব পদক্ষেপের কথা এখন পর্যন্ত শুনি নাই। কিছু সেচ্ছাসেবী সংগঠন বিচ্ছিন্নভাবে সাহায্য তুলে নিম্নবিত্ত মানূষের মুখে খাবার তুলে দেয়ার কর্মসূচী হাতে নিয়েছে । কিন্ত সরকারী উদ্যোগ ছাড়া এভাবে কি এই দেশের কয়েক কোটি দরিদ্রের অন্ন সংস্থান সম্ভব ?

ছুটির ঘোষনার পর অনেক মানুষকে তীরবেগে শহড় ছেড়ে গ্রামে ছুটে যেতে দেখা যাচ্ছে। সোস্যালমিডিয়ায় এদের নিয়ে ট্রলও করা হচ্ছে। কিন্ত কেউ কি জানতে চেয়েছে কেন এভাবে গ্রামের দিকে ছুটছে মানুষ? নিজের বাসার ঠিকা বুয়া বা রাস্তায় কোন রিকসাওলাকে জিজ্ঞষা করলে উত্তরটা পেয়ে যাবেন। কাজের বুয়াদের বিদায় করে দিচ্ছে মানুষ, রিক্সাওলা সিএঞ্জিঅলাদের কোন পেসেঞ্জার নাই, শপিংমল কন্সট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করা মজুরদের এখন কাজ নাই। এরকম আরো শত শত পেশার মানুষ যারা পুরোপুরি দৈনন্দিন আয়ের উপড় নির্ভরশীল , তাদের হাত এখন পুরোপুরি খালি। ফেসবুকে একটা পোস্টে দেখলাম একজন লিখেছে যে '' আপাতত কাজে আসতে বারন করে কাজের বুয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম এখন বাড়ীর দিকে ছুটছে কেন ? সে উত্তর দিল যে এই শহরে এখন কাজ নাই আমাদের। তাহলে এখানে থেকে খাব কি? তবে কি গ্রামে খাবার আছে? প্রত্তুত্তরে জানালো , গ্রামেও খাবার নাই, কিন্ত করোনায় বা না খেয়ে যদি মরতেই হয় তবে নিজ গ্রামের মাটিতে মরাই ভাল!''

সবাই আজ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষনের জন্য। তীর্থের কাকের মত আশ্বাসবানী শোনার অপেক্ষায় আছে কোটি কোটি মানুষ।


মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:০৪

জুন বলেছেন: এই সব নিম্নবিত্ত মানুষরা খাবারের চিন্তা ছাড়াও ঘর ভাড়া দিবে কি করে সেই ভয়ে অস্থির। বাড়িওয়ালা তো এক পয়সা মাপ করবে না। এক একটা রুম ৩/৪ হাজার টাকা ভাড়া। গ্যাস পানি বাতির বিল তো আছেই। অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় আছে এই সব মানুষ।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৩৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুবই নাজুক অবস্থায় আছে দরিদ্র শ্রেনী। এরাতো আর ফেসবুকে গিয়ে কিছু বলতে পারে না, তাই তাদের সমস্যা সেভাবে হাইলাইটও হয় না।

২| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:১০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তাদের খাবার রার্ষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ব্যবস্থা করার দাবি জানাই । রাষ্ট্র যেহেতু করোনা মোকাবেলায় প্রস্তুত এ বিষয়টিও নিশ্চয়ই প্রস্তুতির মধ্যে পড়ে।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সার্ক ফান্ডে দেড় মিলিয়ন ডলার দিয়েছে বাংলাদেশ।

৩| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:২২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বড্ড অস্থির লাগছে । আল্লাহ হেফাজত করো তোমার বান্দাদের

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুবই অস্থির, অনিশ্চিত অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সর্বত্র।

৪| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:২৩

নজসু বলেছেন:




আমারো অত্যন্ত খারাপ লাগছে।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফেসবুকে এই সব অসহায় মানুষের অবস্থার ছবি আপ্লোড করছে অনেকে। কি যে অপেক্ষা করছে সামনে কে জানে !

৫| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:৩৩

একনিষ্ঠ অনুগত বলেছেন: আমরা যারা আছি নিজেদের খুবই সচেতন ভাবি তারা কেবলি ভাবি নিজেদের ভালো নিয়ে তাই যা করলে নিজেদের ভালো হয় দেদারছে তাই প্রচার করে চলি কিন্তু নিজেকে চালানো, নিজের পরিবারকে সামলানো আর গোটা দেশ এবং জাতিকে সামলানো এক কথা নয় তা খানিক সময়ের জন্যও চিন্তা করি না। আমরা আছি কেবলি মন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের দোষ খুত বের করার পেছনে, কেননা এতে কৌতুক মিলে অথচ তাদের উপর চাপটা কখনও চিন্তা করি না। সমালোচনা সবাই করতে পারি, কিন্তু সহযোগিতার বেলায় পিছিয়ে পড়ি। বর্তমান সরকারের অনেক ত্রুটি ও দুর্বলতা রয়েছে তার পরেও ভুলে যাই এরাই বর্তমানে আমাদের অবিভাবক। কিন্তু তাদের ভাবার সুযোগ দিচ্ছি আমরা কোথায়। সরকার 'একঘরে' করে রাখার সামর্থ রাখে না (এটা সরকারের একটা ব্যর্থতা বলা যায়), তাই বলল নিজেকে কিছুদিন সামলে রাখুন কিন্তু কই আমরা কি তা করেছি, দেদারছে ঘুরে বেরিয়েছি রাস্তাঘাটে। সরকার জানে 'হুট করে' একটা দেশকে বন্ধ (লক ডাউন) করে দেয়া যায় না, অনেক কিছু বিবেচনায় আনতে হয়, কিন্তু আমরা ঘরে বসে মুড়ি খাওয়া লোক তা বুঝতেই চাই না। জাতির স্লোগান 'লক ডাউন' করে দেয়ার পর এর বহু সমস্যাও ইতিমধ্যে প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ কি তা বুঝবে! ভাই, আমাদের আইসলেশন, লক ডাউন, একঘর সবই দরকার আছে পাশাপাশি দরকার আছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদারও নিশ্চয়তা, যতটা সহজে একটা বুলি আওরিয়ে ফেলি আসুন সাবধান হই, ভেবে চিন্তে কথা বলি।

লেখককে সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য।

৬| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:৪১

মিরোরডডল বলেছেন: খুবই কষ্ট । সবাইকে যার যার জায়গা থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী আশেপাশের ভিকটিমদেরকে সাহায্য করতে হবে । সরাসরি অথবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে ।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: উন্নত দেশ যেটা করছে সেটা হল যাদের স্যলারি অনেক হাই তাদের বেতন কাটছে কিন্ত লো ওয়েজ ওয়ার্কারদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধা দিচ্ছে। যারা জব হারিয়েছে তাদের বাড়িতে বাড়ীতে রেশন পৌছে দিচ্ছে। এর বাইরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যা করছে সেগুলো বাড়তি সাহায্য।

৭| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


শেখ হাসিনা ব্লগারদের সমানও ভাবতে সক্ষম হচ্ছে না, উনি অথর্ব ছিলেন সব সময়

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫০

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেখা যাক আজকে কি বলেন ভাষনে। সবাই অপেক্ষায় আছে

৮| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৪৬

জুন বলেছেন: করোনা ভাইরাসে না মরলেও না খেয়ে মরবে ঢাবিয়ান। সরকার যেন অন্যান্য দেশের মতই তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। কোন এক দায়িত্বশীল মন্ত্রী তো বলেছেনই করোনার জন্য তাদের কৌশল আছে। চিকিৎসার সাথে সাথে এব্যাপারটাও হয়তো তাদের মাথায় আছে বলেই বিশ্বাস রাখতে চাই।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: দ্বায়িত্বশীল মন্ত্রীদের কথা শুনলেতো মনে হয় '' কমেডি শো'' দেখছি !

৯| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন:

২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: মাথাটা কার ভাঙ্গবে ? আপনার আমার নয়তো? তাদের এই দূরাবস্থার জন্যতো আমরা দায়ী নই।

১০| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সরকারের মাথা আউলা মানুষগুলো দেশের মানুষের মাথাও আউলায়া দিছে।
এই বলে, আমাদের অর্থনৈতিক শক্তি সিঙ্গাপুরের থেকেও উন্নত, এই বলে যথাযথ প্রস্তুতি নাই। আবার বলে, আমাদের প্রস্তুতি উন্নত দেশগুলো থেকেও উন্নত; এদিকে আবার যথেষ্ট সনাক্তকরন কিট, ডাক্তারদের প্রোটেকটিভ গিয়ার নাই। মানুষ কই যাবে? :(

এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের আসলে কোন সমন্বিত পরিকল্পনাই নাই। এইটা স্বীকার করতেও লজ্জা।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই আউলা অবস্থায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহবানে গঠিত সার্ক তহবিলে ১.৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিচ্ছে বাংলাদেশ!!!

১১| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:১৮

মিরোরডডল বলেছেন: আপনার লাস্ট প্রতিমন্তব্যে রেফারেন্সে বলছি ,
আর ইউ সিউর আমরা দায়ী না । সরাসরি না হলেও সামহাও উই অল রেস্পন্সিবল ।
আমরা সাধারণ মানুষ ভীতু । প্রতিঘাতের ভয়ে প্রতিবাদ করিনা । গনতান্ত্রিক দেশে অটোক্র্যাসী চলছে ইয়ারস আফটার ইয়ারস । একাত্তুরে আমরা ছিলাম না কিন্তু উই নো দা হিস্ট্রি কেমন করে দেশ এক হয়েছিল , নব্বইয়ের আন্দোলনের সময় আমরা খুব ছোট তাও মনে পড়ে স্বৈরাচারের পতনে মানুষের বিজয়ের আনন্দ । কিন্তু এখন কোথাও কোন একাত্মতা নেই । দল মতের শেষ নেই । সবাই একসাথে জোরালো প্রতিবাদ করলে কোন পরিবর্তন হয়তোবা হতেও পারতো that chances are very slim in near future. So ultimately we all are responsible for this more or less.

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত আপনার সাথে যে একাত্মতা নেই আমাদের মাঝে । বিছিন্নভাবে প্রতিবাদ হয় বলেই সেটা শক্ত হাতে দমন করা সম্ভব হয়। পরিবর্তন চাইলে দরকার একতা যেটা ৫২, ৬৯, ৭১ এবং ৯০ এ হয়েছিল।

১২| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:২৭

রিফাত হোসেন বলেছেন: ভুয়া মফিজ বলেছেন: সরকারের মাথা আউলা মানুষগুলো দেশের মানুষের মাথাও আউলায়া দিছে।
এই বলে, আমাদের অর্থনৈতিক শক্তি সিঙ্গাপুরের থেকেও উন্নত, এই বলে যথাযথ প্রস্তুতি নাই। আবার বলে, আমাদের প্রস্তুতি উন্নত দেশগুলো থেকেও উন্নত; এদিকে আবার যথেষ্ট সনাক্তকরন কিট, ডাক্তারদের প্রোটেকটিভ গিয়ার নাই। মানুষ কই যাবে? :(

এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের আসলে কোন সমন্বিত পরিকল্পনাই নাই। এইটা স্বীকার করতেও লজ্জা।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: হতবাক হয়ে যেতে হয় এদের কর্মকান্ডে

১৩| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

অক্পটে বলেছেন: একবেলা বৃষ্টি হলে অপর বেলায় কাজে গিয়ে যেখানে মানুষকে রাতের খাবার জোগাতে হয় সেখানে লকডাউন অনেক বেশি বেমানান। এই রাষ্ট্রের সরকারগুলো সবসময় অপরিকল্পিত কাজ করে থাকে। লুটপাটে এত বেশি ব্যস্ততা যে ক্রান্তিকালে কি করবে তার কোন হিসেবই রাখেনি।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই সংকটকালেও একটু মানবিকতা দেখাবে না সরকার? আশায় আছি এই দুঃসময়ে খালেদা জিয়ার প্রতি যেমন মানবিকতা দেখিয়েছে সরকার , তেমনি জনগনের প্রতিও মানবিকতা দেখাবে।

১৪| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৫২

মিরোরডডল বলেছেন: সব উন্নত দেশের চিত্র একইরকম না । আমাদের এখানে নাথিং লাইক রেশন অর এনিথিং সিমিলার । এখানে লাস্ট ফোর উইক্সে এক লক্ষ মানুষের জব চলে গেছে । নেক্সট ফিউ উইক্সে আরও ২ লক্ষ যাবে বলেছে । ওভারল এসটিমেইটেড ২ মিলিয়ন মানুষের জব যাবে ইন ফিউ মান্থথস । তাঁদের সবাই কি সোশাল বেনিফিট পাবে ? আনসার ইজ নো । যারা পাবে সেটাও মিনিমাম ।
শেয়ার মার্কেটে ৭৭০ বিলিয়ন লস । সুপারানুয়েশনের ইনভেস্টমেন্ট যেহেতু শেয়ার মার্কেটে হয় সো ইভেনচুয়ালি অল সিটিজেন আর ভিকটিম । এখানে প্রতিটা মানুষের সুপার ব্যালান্স লো হয়ে গেছে । সুপারে এক্সসেস হয় আফটার রিটায়ারমেণ্ট । অথচ লাস্ট নাইট গভর্নমেন্ট থেকে জানালো ইফ রিকোয়ার স্পেশাল রিকোয়েস্ট করে সুপারের কিছু তুলে যেন ম্যানেজ করা হয় । গভর্নমেন্ট অনেক করছে বাট স্টিল ইটস নট এনাফ ফোর দা নীড ।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: উনত দেশগুলোর অবস্থা ভয়াবহ। সিঙ্গাপুর এই কারনে লকডাউন করেনি। অফিস আদালত স্কুল এমনকি টুরিস্ট স্পটও খোলা। সবাইকে সাবধানতা অবলম্বন করে চলতে বলা হচ্ছে। আমার মনে হয় আগামী এক মাসের মধ্যে অন্য সব দেশও লকডাউন তুলে নেবে। করোনার সাথে যুদ্ধ করেই বাচঁতে হবে মানব জাতিকে তা নাহলে নাখেয়ে মরতে হবে মানুষকে।

১৫| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভাষণে গার্বেজ ঢালবেন টেলিভিশনে

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: :(

১৬| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

মিরোরডডল বলেছেন: বাট আই বিলিভ ফর টাইম বিং লকডাউন ইজ মাস্ট টু কন্ট্রোল কারেন্ট সিচুয়েশন ।
অর্থনৈতিক ক্ষতি হলেও হেলথ কামস ফার্স্ট । পরিস্থিতি অনুকলে আসা পর্যন্ত ।
লকডাউন আর প্রপার মনিটরিঙের মধ্যে দিয়েই কুইক রিকভারি হতে পারে ।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: লকডাউন খুব বেশিদিন জারী রাখা সম্ভব হবে না। এই ভাইরাস কবে বিদায় হবে কারো জানা নাই।

১৭| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

শের শায়রী বলেছেন: দুর্যোগ মোকাবেলায় অনেক কিছুই হবে, কিন্তু কোনটাই শুরু হয় নাই, কাজীর গরু কেতাবে আছে গোয়ালে নাই।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে অনেক মানুষ কাজ হারিয়েছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে। নিম্ন আয়ের মানুষের ‘ঘরে ফেরা’ কর্মসূচির আওতায় নিজ নিজ গ্রামে সহায়তা দেওয়া হবে। গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বিনা মূল্যে ঘর, ছয় মাসের খাদ্য এবং নগদ অর্থ দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শুনতে খুবই ভাল লাগছে। বাস্তবায়নটা দেখার সৌভাাগ্য যেন হয়।

১৮| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এই দুর্দিনে দিন আনা দিন খানা মানুষের অবস্থা অতীব বেদনার। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি এই মুহূর্তে একটি বিশেষ কাজে কিছু লেবার নিয়েছিলাম। দুদিন আগে যখন সাপ্তাহিক পেমেন্ট দিই,চারকিমি রাস্তা প্রায় আটকিমি ঘুরপথে এসে একজন জিজ্ঞেস করে দাদা এই টাকা শেষ হলে খাবো কি? আমি অনেস্টলি বললাম তোমার চারমাসের বাচ্চা থাকায় শেষ হলে ফোন করো দেখি কিছু করতে পারি কিনা। তবে দলের অন্যদের জানিনা। কিন্তু এটা ভাবনার যে এই সমস্ত ডেইলি ওয়েজ শ্রমিকদের জন্য যন্ত্রণার শেষ নেই।
আপনি উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী 8 কোটি দেশবাসীর জন্য রেশনিং ব্যবস্থা করেছেন। এই আট কোটির মধ্যে আমার পরিবারের তিন জন অন্তর্ভুক্ত। গত 6 মাস আগে রেশন কার্ড জমা দিই ডিজিটালাইজ করতে। ডিসেম্বর মাসের স্ট্যাটাসে দেখলাম প্রসেসিং। জানুয়ারিতে দেখলাম প্রসেসিং। ফেব্রুয়ারি মাসেও দেখলাম প্রসেসিং। আমার হয়তো মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত রেশনের প্রয়োজন নেই।কিন্তু আমার মত যাদের কার্ড স্ট্যাটাস এখনও প্রসেসিং তাদের রেশনিং কিভাবে হবে সেটিই তো আমার মতো মোটা মাথার লোকের মাথায় ঢুকছেনা। অথচ ডিজিটাল কার্ড ছাড়া রেশনিং মিলবে না বিগত একবছর ধরে চলে আসছে।

রাজনীতির সংকীর্ণ গন্ডিতে আবদ্ধ না থেকে তাই নেতা-নেত্রীর প্রতি আবেদন প্লীজ মানবিক দৃষ্টিতে খেটেখাওয়া মানুষের স্বার্থটা দেখুন।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ওপারের বাংলায়ও এইরকম লোক দেখানো প্রতিশ্রুতি দেয় জেনে কিছুটা অবাক হলাম। অবস্থা যা দাড়াচ্ছে তাতেতো ভয় হচ্ছে করোনার চাইতে ক্ষুধাাই না অধিক মৃত্যূদূত হয়ে হাজির হয়!

১৯| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:০২

নায়লা যোহরা বলেছেন: দেশের কোটিপতি লোকেরা এখন কোথায়!!!
যাদের ঢালাওভাবে অর্থ আছে তারা এগিয়ে আসবে না কোনোদিন। অথচ তারা একটু সাহায্যের হাত বাড়ালেই এত কষ্ট পোহাতে হতো না এইসব খেটে খাওয়া মানুষদের।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: তাদের টাকা সব বিদেশের ব্যাাংকে। পরিবার নিয়ে অনেকেই এখন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ দেশে ঠাই নিয়েছে।

২০| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৫২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: ঢাবিয়ান,
এটা আমাদের মতো সব দেশের জন্যই একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে । আমেরিকার মতো দেশেও এটা একটা চ্যালেঞ্জ । কিন্তু এখনো কোনো ভ্যাকসিন নেই । জরুরি চিকিৎসা দেবার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই আমাদের । লক ডাউন করে ইনফেকশন সীমিত রাখার ব্যবস্থা করতেই হবে এই মুহূর্তে। নইলে একবার ভাইরাস মহামারীর মতো ছড়িয়ে গেলে লক্ষ লক্ষ লোকের ইনফেকশন থামাবার কোনো ব্যবস্থা বা অসংখ্য মানুষের মৃত্যু থামাবারও কোনো উপায় নেই কিন্তু দেশে । সরকারকে সিরিয়াসলি ভাবতেই হবে বিনামূল্যে রেশন করে চাল ডাল দেবার কর্মসূচির মতো কিছু ব্যবস্থার কথা । নইলে চরম এক দুঃখ অপেক্ষা করছে সামনে আমাদের সবার জন্যই ।

২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপাতত লকডাউনের বিকল্প নাই। চীনের উহানই তার প্রমান। উহানে এখন জীবনযাত্রা আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। তবে লকডাউনে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখী মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করাটা প্রতিটি সরকারের দ্বায়িত্ব। কিন্ত বাংলাদেশে মৌখিক প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়ন হতে খুব কমই দেখা যায়। ভয়টা সেখানেই

২১| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসে জর্জরিত। দেশ ও করোনা পরিস্থিতিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষণে বিভিন্ন নির্দেশনার মধ্যে বলেছেন- “মুসলমান ভাইয়েরা ঘরেই নামাজ আদায় করুন এবং অন্যান্য ধর্মের ভাই-বোনদেরও ঘরে বসে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।” তাই আসুন সরকারি সকল নির্দেশনা পালন করি। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ দুঃসময়ে সকলে নিয়মিত প্রার্থনা করি।
ঈশ্বর সকলকে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখুন, সকলে সুস্থ্য ও সুন্দর থাকুন- এ প্রার্থনা।

২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপাতত সবাই ঘরে থাকুন। এই মুহুর্তে এটাই করনীয় এবং দরিদ্রদের সামর্থনুযায়ী কিছু সাহায্য করুন।

২২| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৩২

নাসির ইয়ামান বলেছেন: সব অব্যবস্থাপনার পরেও আমরা আল্লাহর ওপর আস্থা রাখি,তিনি আমাদের সম্মগ জীবিকার ব্যবস্থা করে দেবেন!

২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: আল্লাহর উপড় ভরসা রাখার পাশাপাশি নিজেদেরো কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। সামনে কঠিন সময়

২৩| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:০৪

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
চলিয়াছে সার্কাস!
চলিতেছে সার্কাস!!
চলিবে সার্কাস!!

২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: প্রধান্মন্ত্রীর ভাষন শুনে মনে হলে রুপকথা শুনছি। যে সব প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন , আম্রিকা, ইউরোপেরও সাধ্য নাই তাদের জনগনের জন্য সেসব পুরন করার । এই দেশ সার্কাসেই দেশ। সরকার, বিরোধী দল উভয়েই সার্কাসের জোকারের ভুমিকায় নিত্য আবির্ভুত হয়। সরকারী দলের বিনোদন মনে হয় কমতি পড়েছিল যা পুরন করলেন বেগম জিয়া। তিন ঘন্টা দেরী করে জেল থেকে বের হলেন মেকাপ আর্টিস্ট দিয়ে মেকাপ নেয়ার কারনে !!

২৪| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:০৪

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: পশ্চিমের দালাল,পুবের দালাল সকলকেই ক্ষমতায় এনেছেন শেখ হাসিনা। ক্ষমতার বাইরে থাকলে অনেক ভাল ভাল কথা বলা যায়।ক্ষমতায় গেলে সবাই এক।জনগনের একটা দলকে ক্ষমতায় যেতে হবে। বাংলাদেশে জনগনের কোন দলই নেই।আমরা যে যাই বলি কিছুইহবে না।অপেক্ষা করতে হবে।কোন কাজ নেই তাই বসে বসে লেখা।

২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: সব দলই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। তারপরেও অদল বদল হওয়ার সুযোগটা থাকলে কিছু পরিবর্তন হওয়া সম্ভব।

২৫| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

কূকরা বলেছেন: সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের কিছু টাকা রেশন বাবদ খরচ করতে পারে। রেশন বন্টনের জন্য সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছা সেবকদের সহায়তা নেয়া যায়।

২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: সদিচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব। প্রশ্ন হচ্ছে সদিচ্ছাটা আছে কিনা?

২৬| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

করুণাধারা বলেছেন: সামনে খুব খারাপ দিন আসছে... হতে পারে সেসব আমার আর দেখা হবে না।

অমর্ত্য সেনের নোবেল পুরস্কারের তত্ত্ব ছিল, গনতন্ত্র এবং বাক স্বাধীনতা থাকলে দেশে দুর্ভিক্ষ হতে পারে না। আমাদের দেশ সুন্দর গনতান্ত্রিক, তাই মনে করি দুর্ভিক্ষ হবে না, কেউ মরবে না। কিন্তু লকডাউন থাকুক না থাকুক, সর্দিকাশি- জ্বরে অনেক মানুষ মারা যাবে, অফিসিয়ালি বলা হবে তাদের হার্ট বা কিডনির সমস্যা ছিল। আমি উচ্চ ঝুঁকির জনগণের মধ্যে আছি। :(

২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু, কে বাচঁবে কে মরবে কেউই বলতে পারছি না এই ঘোর দুর্যোগের সময়। কমেন্ট যেইটা করলেন সেটা একটা পোস্ট হইলে ভাল হইত।আমরা ব্লগাররা দুই চারটা কথা কইবার সুযোগ পাইতাম এই ইস্যূতে।

২৭| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: একদিকে সরকার দেশে পুলিশ আর সেনা বাহিনী নামিয়েছে সবাইকে ঘরে ঢুকিয়ে সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিত করতে....
অন্যদিকে দেশের সব গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি খোলা ...
বাহ কি সুন্দর এক দেশে দুই নিয়ম!!

২৮| ২৮ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:৪৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রির মালিক কারা জানেন????

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.