নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডাক্তার , নার্স ও স্বাস্থকর্মীদের mask N95 সরবরাহ করা হোক জরুরী ভিত্তিতে

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৭




চিকিৎসকদের সুরক্ষার ব্যাপারে নানা উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও বাস্তবায়ন কতটুকু হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধ্যান পাওয়ার পর থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৪৩ দিনে দেশে ১২৮ জন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে নিবিড় পরিচর্চা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছেন একজন। একজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের ১৫ টি সরকারি হাসপাতাল ও ১০ টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৭১ জন নার্স করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।ডক্টরস ফাউন্ডেশনের (বিডিএফ) প্রধান সমন্বয়ক ডা. নিরূপম দাশ বলেছেন, যে হারে চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। এতে স্বাস্থ্য খাত ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানান তিনি।

ডাক্তারদের সুরক্ষাামূলক পিপিই দেয়ার দাবী জানিয়ে বিভিন্ন সময়ে ডাক্তাররা জোর দাবী জানানোর পর বিদেশ থেকে পিপিই আমদানী করার কথা ঘোষনা দেয়া হয়। সেই সাথে আমাদের গার্মেন্টস গুলোতেও পিপিই তৈরীর কথা জানানো হয়। তবে নিম্নমানের এইসব পিপিই যে স্বাস্থকর্মীদের সুরক্ষা দিতে সক্ষম হচ্ছে না তা ডাক্তারদের ব্যপকহারে করোনায় আক্রান্ত হবার পরিসংখ্যাান দেখলেই বোঝা যায়।

বিদেশে হাসপাাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে এখন ব্যপকহারে ব্যবহ্রত হচ্ছে mask N95 । এই মাস্ক যে কোন airborne particles প্রতিরোধ করতে সক্ষম হওয়ায় বিদেশে শুধু হাসপাতালেই নয়, ফ্রন্টলাইনে চাকুরি করা অনান্য পেশার লোকজনও এই মাস্ক ব্যবহার করছে। গবেষনায় দেখা গেছে '' mask N95 can protects the wearer from airborne infectious agents i.e. against contamination by a virus such as coronavirus, SARS, H1N1, etc''. বিদেশে কেমিকেল ও ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানিগুলো এখন ব্যপকহারে এই মাস্ক উৎপাদন করছে। এশিয়ার উন্নত দেশগুলো কার্যকরী লকডাউন এবং চিকিৎসকদের পর্যাপ্ত পিপিই সরবরাহ করে করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রন করার সফলতার দিকে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।

আমাদের দেশে একদিকে লকডাউন দেয়া হয়েছে আরেকদিকে বকেয়া বেতনের দাবীতে শ্রমিকেরা সড়কে বসে বিক্ষোভ করছে, বিভিন্ন জেলায় দুই দলের মানুষের মাঝে মারামারি চলছে , জানাজায় লাখো মানুষের সমাবেশ হচ্ছে । এইভাবে লকডাউন করে আসলে কোন ফায়দা নেই। আমাদের মত দেশে অর্থনীতি ধসের ঝুকি নিয়ে লকডাউন কার্যকরী করা একমাত্র সম্ভব ''কারফিউ'' দেয়ার মাধ্য্যমে । গুলির ভয়েই একমাত্র এই দেশের মানুষকে ঘরে রাখা সম্ভব। তবে সেই সাথে প্রয়োজন ঘরে ঘরে পর্যাপ্ত ত্রান সরবরাহ।

সরকারী হিসেব অনুসারেই যেভাবে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমনের হার , এখনই তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ না করতে পারলে স্বাস্থ্যখাত, দেশীয় অর্থনীতি সবকিছুই ভেঙ্গে পড়ে ব্যপক অরাজক পরিস্থিতি তৈরীর সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে।

মন্তব্য ২১ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


পিপিই'র জন্য আপনি নিজে কিছু দান করেছেন?

২| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: সব কিছু ধ্বংস হোক ।

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: দুর্যোগের সময় এত হতাশ হলে চলবে না। এখন প্রয়োজন একতাবদ্ধ হয়ে এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করা।

৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: গতকাল ফেসবুকে এক পোষ্ট দেখলাম । করোনা আক্রান্ত রোগী কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসে বলেছেন সেখানেই নাকি ডাক্তার ও নার্স যাচ্ছেনা রোগী দেখতে কারন পিপিই ও মাস্ক নেই । এই হাঁসপাতালের অবস্থাই যদি এমন হয় আর কি বলার আছে বাকিগুলো নিয়ে । সরকার অনেক কিছুই করছে ও করবে বলছে কিন্তু বুঝিনা কি হচ্ছে ?

এতো সাহায্য আসছে চারিদিক থেকে, সরকারও নাকি কি কি করছে কিন্তু যারা যোদ্ধা তাঁদের যদি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেওয়া না হয় আমাদের বাঁচাবে কে ? ?
আমাদের লকডাউন বা ছুটি বাড়িয়ে লাভ নেই কোন । আমরা লকডাউন মানে কি বুঝিনা আর না বুঝি করোনার ভয়াবহতা । শুধু এ মারা যাচ্ছে ও মারা যাচ্ছে ও খাবার পাচ্ছেনা এসব শেয়ার দিতেই পারি কিন্তু কাজের কাজ করতে পারিনা । আরও সময় থাকবো লকডাউন কোন সমস্যা নেই কিন্তু একজন দুইজন বুঝলে তো হবেনা যেখানে যুদ্ধটা সম্মিলিত । খুবই হতাশ লাগছে ইদানীং

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন আপনার তথ্যবহুল মন্তব্যে। স্বল্পকিছু সচেতন মানুষ কেবল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির ঝুকি নিয়েও ঘরে বসে আছে । কিন্ত মেজরিটি জনগন পেটের দায়েই হোক বা অসচেতনতার কারনেই হোক ঘরের বাইরে অবস্থান করছে। এর নাম আর যাই হোক লকডাইন নয়। অন্যদিকে ডাক্তাররা প্রতিনিয়ত তাদের হতাশা ব্যক্ত করে ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট দিচ্ছে। এভাবে মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করা যায় না।

৪| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সরকার ভালো পরামর্শ পাচ্ছে না অথবা পরামর্শের ধার ধারছে না

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাল পরামর্শ না পাবার কোন কারনতো দেখি না। তাছাড়া তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অন্যান্য দেশগুলো কি ধরনের ব্য্যবস্থা নিচ্ছে তা না জানার কোন কারনও নাই।

৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

ক্ষুদ্র খাদেম বলেছেন: আরে ভায়া, সরকার যদি আপনার আমার কথা আর দাবি মেনেই নিল, তাহলে তো আর বাংলাদেশ হোল না :((

আমি বুঝি না, এরা বোঝে না; না এরা শেয়ানা পাগল!! নাকি এরকম শেয়ানা পাগল না হলে সরকারে আসা আর থাকা যায় না /:)

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: অন্য সময়ের দাবী দাওয়া আর এই সময়ের দাবী দাওয়ার প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন । এই পার্থক্য্য যদি এই দুর্যোগের সময়ও না বোঝে তাহলেে ------

৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশে ডাক্তার নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করোনা আক্রান্তের হার এত বেশী কেন.? তাঁরা কি যথেষ্ট পরিমাণ সতর্কতা অবলম্বন করেন না.!!

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: মনে হয় ডাক্তাররা আত্মহত্যা করতে চায় !!

৭| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৯

সাইন বোর্ড বলেছেন: আমার মনে হয় ডাক্তাররা এখন পর্যন্ত নাম মাত্র যে সেবাটুকু দিচ্ছে তা চাকুরী হারানোর ভয়ে, তাছাড়া এতটা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা সেবা দিতে যাবেই বা কেন ?

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ১০০% সত্য কথা। যে কোন সরকারী চাকুরি করা ডাক্তারকে জিজ্ঞাষা করলে এই উত্তরটাই পাবেন।

৮| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেশটা ভয়ংকর সব জোকারে ভরে গিয়েছে। যতোই আশাবাদী হওয়ার চেষ্টা করি না কেন, দিন শেষে হতাশই হতে হয়! :(

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: হতাশ না হয়ে উপায় কি? দিনশেষে ভয়ংকর জোকারগুলোতো বহাল তবিয়তেই থাকে

৯| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: শুনলাল পিপিই দুই নাম্বার হচ্ছে । আচ্ছা কাপনের কাপড় ওরজিনাল দেয় কিনা।

১০| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:২৭

সমুদ্রনীল বলেছেন: ক্ষমা চেয়ে ভুল মাস্ক সরবরাহের দায়মুক্তি চায় জেএমআই
জেসমিন মলি
এপ্রিল ২১, ২০২০

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ২০ হাজার ৬০০ পিস মাস্ক এন-৯৫ হিসেবে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) সরবরাহ করেছিল জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড। যদিও আদতে এর কোনোটিই এন-৯৫-এর সমতুল্য নয় বলে স্বীকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনিচ্ছাকৃত ভুল দাবি করে মাস্কগুলো ফেরত নিয়ে এ দায় থেকে মুক্তি চাইছে জেএমআই। যদিও এরই মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে পড়েছেন কমপক্ষে ১৭০ জন চিকিৎসক।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দুটি চালানের মাধ্যমে জেএমআই সিএমএসডিতে ২০ হাজার ৬০০ পিস মাস্ক সরবরাহ করেছিল। চালানে মাস্কগুলোকে এন-৯৫ ফেস মাস্ক (অ্যাডাল্ট) হিসেবে উল্লেখ করা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের পরিদর্শনে উঠে আসে, যে মাস্ক সরবরাহ করা হয়েছে বাস্তবে তা এন-৯৫ মাস্ক নয়। কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের ভাণ্ডার ও রক্ষণের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ সম্প্রতি এ নিয়ে জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেয়ার নির্দেশ দেন।

সে চিঠির জবাবে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে সংকটময় সময়ে মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে। জেএমআই হসপিটাল স্বপ্রণোদিত হয়ে মাস্ক তৈরির চেষ্টা করছে, যা এখনো প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে আছে। যে সময় মাস্কগুলো সরবরাহ করা হয়, তখনো দেশে এন-৯৫-এর স্পেসিফিকেশন সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন ছিল না। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে বেশকিছু পণ্য সরবরাহ করে। সরবরাহকৃত পণ্যের সঙ্গে ভুলক্রমে প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে তৈরীকৃত ২০ হাজার ৬০০ পিস এন-৯৫ মাস্ক অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা এন-৯৫-এর স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে ‘কমপ্লাই’ করে না।

চিঠিতে আরো বলা হয়, পণ্য উন্নয়নকালে এসব মাস্কে কোনো প্রস্তুতকারক, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ মুদ্রিত হয়নি। পণ্যটি এখন পর্যন্ত স্থানীয় বাজারেও বিপণন করা হয়নি।

জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের এমডি আব্দুর রাজ্জাক চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও উপরোক্ত ব্যাখ্যা সদয় বিবেচনাপূর্বক সরবরাহকৃত মাস্ক ফেরত দিয়ে আমাদের অনিচ্ছাকৃত সম্পাদিত ভুলের দায় হতে মুক্তি দানে বাধিত করবেন।’

দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা শুরু থেকেই পর্যাপ্ত ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই চিকিৎসকদের সেবা দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছিলেন। মানসম্পন্ন পিপিই ও মাস্কের সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা। বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন (বিডিএফ) নামক ডাক্তারদের একটি সংগঠনের হিসাব বলছে, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে কমপক্ষে ১৭০ জন চিকিৎসক নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেটের একজন চিকিৎসক ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাও গিয়েছেন। নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের যোগ করা হলে এ সংখ্যা আরো বেশি হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যথেষ্ট সুরক্ষাসামগ্রী ছাড়াই চিকিৎসাসেবা দেয়ার কারণে চিকিৎসক-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের হার বাড়ছে। মূলত যারা চিকিৎসা সেবা নিতে আসছেন, তারা তাদের রোগ গোপন করছেন। আবার অনেক চিকিৎসক কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের শিকার। চিকিৎসকদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ অন্যদেরও ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কারণ সেক্ষেত্রে চিকিৎসা নিতে এসে তাদের সংস্পর্শে আরো অনেকেই আক্রান্ত হতে পারেন।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ২০ হাজার ৬০০ পিস মাস্ক এন-৯৫ হিসেবে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) সরবরাহ করেছিল...

১১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৩৭

সমুদ্রনীল বলেছেন: সূত্র: বনিক বার্তা

১২| ২২ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:০৯

শের শায়রী বলেছেন: আর জরুরী আর অ জরুরী, কোন অসুখ বিসুখ হলে এখন এক মাত্র আল্লাহ ভরসা।

১৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫১

নতুন বলেছেন: সরকার যদি এখনো জেগে না উঠে এবং ডাক্তার নাস` ও স্বাস্হকমীদের আক্রান্ত হতে না বাচাতে সচেস্ট হয় তবে কিন্তু বিপদ।

যদি ডাক্তার নাস` রা আক্রন্ত হয় তবে মানুষ বিনা চিকিতসায় মারা যাবে। :(

১৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



নিউইয়র্কের বিবিধ বাংগালী সংস্হাগুলো দেশে বিবিধ সাহায্য পাঠাচ্ছে; আপনি কি কিছু দান করেছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.