নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

এই মুহুর্তে লকডাউন শিথিলের যৌক্তিকতা কি?

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৯



করোনা ভাইরাসের ঝুকি নিয়ে ঢাকায় ফিরছে হাজার হাজার গার্মেন্টস কর্মী। লঞ্চ, ফেরী সার্ভিস চালু হয়ে গেছে ফের। ঢাকার উদ্দেশ্যে বিকল্প যানবাহনে যেতে দেখা গেছে। মন্ত্রী বলছেন বাজার হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় সীমিত আকারে গার্মেন্টস চালু।

এদিকে ঢাকার প্রতিষ্ঠিত রেস্টুরেন্টগুলোকে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) থেকে ইফতারি প্রস্তুত করে বিক্রি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। বিকেল থেকেই এসব দোকানে ক্রেতাদের ভীড় করতে দেখা যাচ্ছে। বাঙ্গালীর কি রমজানে দোকানের জিলাপি, হালিম না খেলে রোজা অপুর্ন থেকে যায়? সংযমের মাসে এই সংযমটুকু প্রদর্শন করা কি এতটাই কঠিন?

গত এক সপ্তাহ ধরে সরকারী হিসেবেই প্রতিদন পাচঁশ র ওপড়ে করোনা শনাক্তের খবর আসছে। অথচ যখন পাচ-ছয়জন করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছিল তখন সারাদেশ লকডাউন করা হলো। এখন প্রতিদিন প্রায় শতগুন লোকের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে এখন লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে!! প্রায় প্রত্যেক দেশেই একটা পিক পিরিয়ডের সন্ধান পাওয়া গেছে যখন করোনা ভাইরাস সর্বোচ্চ হারে ছড়াতে থাকে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিদিনকার পরিসংখ্যান দেখলেইতো বোঝা যায় যে বাংলাদেশে সেই পিক পিরিয়ড চলছে এখন। তাহলে এই মুহুর্তে লকডাউন শিথিলের যৌক্তিকতা কোথায় ?

বিশ্বব্যপী এই করোনা দুর্যোগের সময়ে গার্মেন্টস এর বিদেশী অর্ডার বাতিল মানে কি বাজার হাতছাড়া হওয়া ? করোনার সাথে যুদ্ধে অবর্তীন এই বিশ্বের সকল দেশ। মানুষের জীবন বাচাঁনোর এই লড়াইয়ে অধিকাংশ দেশেই এখন ব্যবসা বানিজ্য পুরোপুরি বন্ধ। সেক্ষেত্রে গার্মেন্টস অর্ডার বাতিল একটি অতি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। করোনা বিপর্যয় কেটে গেলে আবার যখন সব দেশে ফের ব্যবসা বানিজ্য শুরু হবে তখন আবার ফেরত আসবে এইসব বাতিল হওয়া অর্ডার। আপাতত এই সময়টূকু পর্যন্ত শ্রমিকদের অন্তত খেয়ে পড়ে বাচিঁয়ে রাখার সামর্থ কি নাই আমাদের সরকারের?

বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা আশা করছে যে মে জুনের মধ্যেই ধীরে ধিরে কমে আসবে করোনার প্রকোপ। অন্তত মে মাস পর্যন্ত লকডাউন জারী রাখার প্রতিবাদ উঠুক সর্বস্তর থেকে। কোনভাবে যদি করোনা ছড়িয়ে পড়ে সর্বস্তরে তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আয়ত্বের বাইরে চলে যাবে।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অন্তত মে মাস পর্যন্ত কোনোভাবে লকডাউন চালু রাখা জরুরী ছিলো।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: শুধু জরুরী নয়, অত্যাবশ্যকীয়। সিঙ্গাপুরে সকল প্রকার আর্থিক ঝুকি নিয়েও পহেলা জুন পর্যন্ত লকডাউন জারী রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অথচ এখানে মৃত্যু হয়েছে মাত্র উনিশ জনের। সরকারের সকল রিজার্ভ ব্যবহ্রত হচ্ছে এই দুর্যোগ মোকাবেলায়।

২| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মরলে একা মরবো কেন। আরও ১৫/২০ জন সাথে নিয়ে মরবো

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাবখানাতো তাই মনে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১৫৫ জন মৃত্যূর সংখ্যাটা বেজায় কম লাগছে তাদের কাছে !!

৩| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩১

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: আগে ২ বা ৪,৫ লাখ মরুক তারপর যদি আমাদের হুস হয় ,

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: কে জানে এর মাঝেও কোন বানিজ্য আছে কিনা!! তা নাহলে প্রতিদিন যে হারে বাড়ছে সংক্রমনের সংখ্যা তাতেতো আরো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের কথা।

৪| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

কাবিল বলেছেন: কাঁচা বাজারে যেয়ে দেখেন কি অবস্থা। যেখানে বেশি মানুষের চলাফের সেখানেই খোলা। আর যে সব স্লো আইটেম দোকান সেগুলোই বন্ধ। এভাবে লকডাউন দিয়ে কোন ফায়দা হবে না। প্রতিটা পরিবারে পনের দিনের খাবার ব্যাবস্থা করে পনের দিন কারফুজারি করা হতো তাইলে দেখতেন ভ্যাক্সিনের মত কাজ হতো।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: পুরোপুরি একমত আপনার সাথে।

৫| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: খুবই চিন্তার বিষয়।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেশের সরকারী ডাক্তারররা ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যে আছে।

৬| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০২

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: মুনাফা, পৃথিবীর একমাত্র যৌক্তিকতা

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: জীবনের চাইতেও মুনাফার অধিক মূল্য একমাত্র আমাদের দেশেই।

৭| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বাংলাদেশে একটা জগাখিচুড়ি অবস্থা

৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: চুরান্ত অব্যবস্থাপনা। সামনে কঠিন সময়।

৮| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: দরকার আছে ভাই। দরকার আছে।
দিন আনি দিন খাই মানূষদের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে হয়তো।

৯| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০৩

নতুন বলেছেন: দেশে মানুষের জীবনের মূল্য কি খুব বেশী?

প্রতিদিন মৃত্যুর খবর আমাদের কাছে সাভাবিক। দুই চার দশ জনের মৃত্যু খবরে আমাদের দেশের জনগনের মনে খারাপ লাগে না।

আমাদের দেশ আসলে এক রকমের হাডইমিউনিটির দিকে যাচ্ছে।

কিছু মানুষ মারা না গেলে জনগনের বুঝতে পারবেনা।

তাই সচেতনদের উচিত হবে নিজেরা সচেতন হওয়া, ৬০+ যারা আছে তাদের কঠর আইসোলেসনে রাখা। তাদের বাইরে যাবার ব্যাপারে পুরু নিষেধাজ্ঞা জারি করা।

যদিও হয়তো আমাদের আবহাওয়ার জন্য নিউমোনিয়ার প্রকপ কম হবে তাই হয়তো আপতত মৃত্যুর সংখ্যাও একটা কম মনে হচ্ছে।

১০| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:১৫

শের শায়রী বলেছেন: ভাই আপনার পোষ্টের শিরোনাম লকডাউন শিথিলের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, এর জবাব আমাদের থেকে এর সাথে জড়িত দায়িত্বশীলরাই ভালো দিতে পারবে। কি বলব বলেন? বলার কিছু নেই। রাস্তা ঘাট এখন খুব স্বাভাবিক, যদিও এখনো অফিশিয়াল লক ডাউন চলছে।

১১| ০১ লা মে, ২০২০ রাত ১২:১১

সোহানী বলেছেন: ঢাবিয়ান ভাই, অর্থনীতি চালু না হলে আমরা না খেয়ে মারা যাবো। এ মূহুর্তে অবশ্যই দরকার কল কারাখানা চালু করার, অর্থনীতি চাঙ্গা করার। আমাদের এমন টাকা নেই যে সবাইকে ঘরে ঘরে খাবার পৈাছে দিবো। স্বয়ং কানাডা, জার্মান, আমেরকিাই ভয় পাচ্ছে সেখানে আমরা অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ে সাবধান হতেই হবে।

১২| ০১ লা মে, ২০২০ রাত ১:১৫

সুপারডুপার বলেছেন:

সমস্যা কী ! নর্ডীয় দেশগুলোর মধ্যে সুইডেনে যেরকম দেখা যাচ্ছে (উপরের চিত্র), দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেও সেই রকম দেখা যেতে পারে। দ্যাশ আল্লায় চালায়। চিন্তার কোনোই কারণ নাই। এছাড়াও দ্যাশের মানুষ চোখের জল দিয়ে সব মেনে নিতে পারে !

১৩| ০১ লা মে, ২০২০ রাত ৩:২৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: গার্মেন্টস,খাবার দোকান খোলা রাখলে করোন ছড়ায় না।
ছড়ায় জানাজা থেকে !!!

এমনই বিচিত্র বাংলাদেশের টাকালোভী ব্যবসায়ীরা !!!!!

এরা জীবনে যতো টাকা আয় করেছ,সেটা দিয়ে গার্মেন্টস বন্ধ থাকলেও কর্মচারীদের কয়েক বছর বেতন দেয়া যায়।

কিন্ত নীচরা টাকা ছাড়া কিছু বোঝেনা।

এখন যদি এদের কারণে সারাদেশে করোনা ছড়ায় তাহলে দায় কে নেবে ?

হুজুগে বাঙ্গালীরা খালি ব্রাক্ষণবাড়িয়া নিয়ে হৈচৈ করলো !!!!

১৪| ০১ লা মে, ২০২০ ভোর ৫:১১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সরকার করোনায় মৃত্যু আর অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে একটা ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু মনে হচ্ছে ইউরোপ অ্যামেরিকায় যা হবার অল্প সময়ে হয়ে যাচ্ছে। তারা করোনার ক্ষতি মেনে নিয়ে আবার নতুন করে শুরু করবে। কিন্তু আমরা দীর্ঘ মেয়াদি মৃত্যু আর অর্থনৈতিক ক্ষতি উভয়ের দিকে যাচ্ছি নাতো (আল্লাহ না করুক)? সরকার স্বীকার করতে চাচ্ছে না যে তারা অসহায়। মানুষকে বুঝে নিতে হবে প্রকৃত পরিস্থিতি নিজ দায়িত্বে।

১৫| ০১ লা মে, ২০২০ ভোর ৫:১৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: করোনায় মারা গেলে সরকার একটা বুঝ দিতে পারবে। না খেয়ে মারা গেলে সেটার বুঝ সরকার দিতে পারবে না।

১৬| ০১ লা মে, ২০২০ সকাল ৯:০৩

জাফরুল মবীন বলেছেন: দুনিয়ার সব মানুষ ভীতুর ডিম!করোনার ভয়ে লুকিয়ে থাকছে।কিন্তু আমরা বীরের জাতি।আমরা করোনার চেয়ে শক্তিশালী।তাই আমরা করোনার সাথে কাবাডি খেলছি।সরকার, বিজিএমএ, ব্যবসায়িক সংগঠন .... এনারা রেফারি।যখনই বাঁশি বাজায় আমরা দৌড় দিই।আবার বাঁশি না বাজালেও আমরা ঘরে স্থির থাকতে পারি না; ঐ যে রক্তে খেলার নেশা।বিশ্ব ভ্রমণ করা করোনা আমাদের খেলার স্ট্যাইলে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে।কিন্তু সে জানে কীভাবে লক্ষ্য অর্জন করতে হয়।সে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

১৭| ০১ লা মে, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
উন্নত দেশগুলোতে কঠিন লকডাউনের ভেতরও জরুরি প্রোডাক্টশান খাত বন্ধ হয় নি।
আমেরিকার গাড়ী তৈরি কারখানা, বিশাল ফুড প্রসেসিং কারখানাগুলো, মোবাইল এসেম্বলি-প্যাকেটজাত করার ওয়াআরহাউস,
ইউএসপিএস, ফেডেক্স, ইউপিএস, আমাজনের আমদানি প্যাকেটজাত করা বিশাল ডিষ্ট্রিবিউশান কার্যক্রম, মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অগনিত ট্রাক আগমন। সবই চলছে।
নাপিতের দোকান বন্ধ শপিং মল বন্ধ থাকলেও গ্রোসারি মল ড্রাইভথ্রু রেষ্ট্রুরেন্ট গাড়ী মেরামতের দোকান ডিলারশিপ গ্যারেজ চালু আছে।
সবাই সিডিসি গাইডলাইন মেনেই চালাচ্ছে।
নিউইয়র্কের কঠিন লকডাউনের ভেতরও ট্রেন সার্ভিস-বাস সার্ভিস সবরুটেই চালু আছে, এক দুইজন প্যাসেঞ্জার মাঝে মাঝে ০ প্যাসেঞ্জার নিয়েই চলছে।

বাংলাদেশে কিছু প্রোডাক্টশান খাত সাবধানতার সাথে চললে কোন সমস্যা দেখি না।

১৮| ০১ লা মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩০

সাইন বোর্ড বলেছেন: সরকারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে মনে হচ্ছে, দেশ তরোনামুক্ত হতে অনেক সময় লাগবে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.