নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

এমন লকডাউনের অর্থ কি?

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৮:১৪


উন্নত দেশগুলোতে করোনা সংক্রমন ঠেকাতে যে লকডাউন দেয়া হয়েছে তাতে ফ্রন্টলাইন ওয়াকাররা ছাড়া বাদ বাকি সকল মানুষকে ঘরবন্দী রাখার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ঘরে বসে থাকা প্রতিটা মানুষের থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এশিয়ার উন্নত দেশগুলো এই লকডাউনের মাধ্যমে করোনা সং্ক্রমন মোটামোটি কন্ট্রোলে এনেছে। জুন মাসের মধ্যে বেশীরভাগ দেশে লকডাউন পর্যায়ক্রমে শিথিলের ঘোষনা দেয়া হয়েছে। তবে বড় ধরনের জমায়েত আগামী কয়েক মাসের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যে কারনে টুরিস্ট স্পট, মসজিস, মন্দির চার্চ, বড় আকারের গেট টুগেদার পার্টি আয়োজন ইত্যাদি আরো কয়েক মাস বন্ধ থাকবে। অফিস , আদালত, শপিংমল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ''সেফ ডিস্ট্যনস'' মেনে চলতে হবে।

বাংলাদেশে যে স্টাইলে লকডাউন চলছে সেটাকে আর যাই হোক লকডাউন বলা চলে না।। একদিকে অর্থনীতির চাকা বন্ধ করে লকডাউন দেয়া হয়েছে আরেক দিকে শপিংমল , মসজিদ খুলে দেয়া হয়েছে!! দলে দলে মানুষ শপিং মলে যাচ্ছে, মসজিদে বিশাল জমায়েত হচ্ছে!! বাস , ট্রেন বন্ধ কিন্ত লঞ্চে ফেরিতে করে মানুষ ঈদ করতে দেশের বাড়ী ছুটছে!! অথচ করোনা বৃ্দাকারে ছড়ায় মূলত জনসমাগম থেকে। তাহলে শুধু শুধু কলকারখানা , অফিস আদালত , গনপরিবহন বন্ধ রেখে কি ফায়দা ? পত্রিকায় প্রতিদিন খবরে আসছে যে লকডউনের কারনে প্রচুর মানুষ চাকুরিহারা হচ্ছে, বেতন না পেয়ে নিদারুন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। ''প্রনোদনা'' শব্দটি তারা কেবল মুখেই শুনেছে কিন্ত বাস্তবে তার দেখা মেলেনি। আর নিম্নবিত্তরাতো আছে আরো কষ্টে। ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় নাকি এখন ফকিরের ভীড়ে টেকা দায়। এর নাম কি লকডাউন????

''হার্ড ইমুনিটি'' যদি হয় এই দেশে করোনার হাত থেকে বাচাঁর একমাত্র রাস্তা তবে এই লকডাউন নামক ভন্ডামি বন্ধ হোক। সচল করা
হোক অর্থনীতির চাকা, মানুষকে রোজগার করে খেয়ে পড়ে বাচাঁর সুযোগ করে দেয়া হোক।



মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৮:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশের বিশৃংখল মানুষকে ভালো কোনো কিছু শেখানো বা কোনো আইন মানানো যায় না।
আবার প্রয়োজনও আইন মানে না।

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আইন মানতে বাধ্য করা আসলে কঠিন কিছু নয়। কারন এই বিশৃংখল বাংলাদেশীরাই কিন্ত বিদেশে গিয়ে সুশৃংখল হয়ে যায়।

২| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:



ব্যুরোক্রেসী ও প্রশাসনের উঁচু পদে ঢাকা ইউনিভার্সিটির গ্রেজুয়েটরাই (ঢাবিয়ান'রা ) বেশী; ভালো ফল পাচ্ছে জাতি

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: প্রসাষনে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাই ঢুকুক না কেন তাদের হাতে কোন ক্ষমতা নেই। তাদের সামনে কেবল দুটো রাস্তাই খোলা। একটি হচ্ছে পুরোপুরি অনৈতিক হয়ে সরকারী লুটপাটের অংশীদার হওয়া নাহয় বোবা কালা সেজে কেবল সরকারী হুকুম তালিম করা।

৩| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৩১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সরকার অার জনগণ হা ডু ডু খেলা

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৪০

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই হাডুডু খেলায় লাভবান হচ্ছে শুধুমাত্র একটি পক্ষ।

৪| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৫১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: দেশে লকডাউন নেই,চলছে প্রণোদনার নাট্যমঞ্চ, জীবন নাকি জীবিকা তার সুস্পষ্ট উত্তর নেই, জিনম সিকোয়েন্স অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়নি, হার্ড ইম্যুনিটি কতটুকু কার্যকর হচ্ছে তাও জানার অবস্থা নেই।

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনতো বলেছেই যে ভ্যাক্সিন ছাড়া হার্ড ইমুনিটির রাস্তায় হাটা অত্যন্ত রিস্কি। কিন্ত আমাদের দেশে এই রিস্কি পথে হাটা ছাড়া আর কোন বিকল্প ব্যবস্থাতো চোখে পড়ছে না।

৫| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: লকডাউন এর মানে জনগন বুঝতে পারছে না। সরকারও বেশ বেকায়দায় পড়ে গেছে।

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: নিরাপত্তা বিশ্লেষক, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রি. (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন , লকডাউন নিয়ে যা হচ্ছে তা লক্ষ্য করলে দেখা যাবে প্রতিটি বিষয়ে একবার ‘হ্যাঁ’ আবার একবার ‘না’ চলছে। সরকার বা কর্তৃপক্ষ কোনও সিদ্ধান্তই দৃঢ়ভাবে নিতে পারছে না। এটা দারুন একটি দুর্বলতা। এ ধরণের পরিস্থিতিকে অর্গনাইজেশনাল উইকনেস বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে দোদুল্যমানতা অথবা দুর্বলতা বলা যায়। এতে প্রমাণিত হয় সরকার কোন কিছুই সঠিক পরিকল্পনামাফিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। পুলিশ বলছে এক কথা আবার মন্ত্রণালয় বলছে আরেক কথা।

৬| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " প্রসাষনে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাই ঢুকুক না কেন তাদের হাতে কোন ক্ষমতা নেই। তাদের সামনে কেবল দুটো রাস্তাই খোলা। একটি হচ্ছে পুরোপুরি অনৈতিক হয়ে সরকারী লুটপাটের অংশীদার হওয়া নাহয় বোবা কালা সেজে কেবল সরকারী হুকুম তালিম করা। "

-ওরা (ঢাবিয়ানরা) আপনার মতোই সামু বিপ্লবী, মনে হচ্ছে

৭| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১৬

জুন বলেছেন: আমাদের দেশের অবস্থা হলো "চোরকে বলো চুরি করো, পুলিশকে বলো ধরো ধরো"। শপিং মল খুলে দিয়েছে আর ক্রেতা গেলে তাদের অসচেতন, ঈদে নতুন কাপড় না কিনলেই চলছে না ইত্যাদি। নানা কথা।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: খোদ সৌদিআরবে ঈদে কারফিউ দেয়া হয়েছে আর আমাদের দেশে শপিং মল, মসজিদে খুলে দিয়ে মানুষকে বলা হচ্ছে ঘরে থাকুন!!!

৮| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১৮

চাঙ্কু বলেছেন: সরকারের কর্তাব্যক্তিরা বুঝতেছে না কি করবে!! সলিড প্ল্যান না থাকলে যা হয় আরকি!

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: সলিড প্ল্যান মনে হয় শুধুই কর্তা ব্যক্তিদের নিজের জন্য।

৯| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:২৬

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: সরকার হাল ছেড়ে দিয়েছেন, সরকার ক্লান্ত, মানুষ অভাব গ্রস্থ। দিন মজুর দিনের খাবারের জন্য দৌড়াচ্ছেন, চাকুরীজীবিরা চাকুরী বাঁচানোর জন্য পরিবার বাঁচানোর জন্য ঝুঁকি নিয়ে দৌড়াচ্ছেন, ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বাঁচানোর জন্য। সব মিলিয়ে এদেশটির বর্তমান ভীতিকর এবং ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সরকার এবং জনগণ কেহই জানেন না সম্মুখে কি অপেক্ষা করছে। ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটারের এদেশটির ভবিষ্যৎ পৃথিবীর বাকি দেশের মতো নহে। তবে হ্যাঁ করোনার ঔষধ যদি আবিস্কার হয় পৃথিবীর বাকিদের সাথে এদেশের মানুষ গুলোও হেঁসে উঠবে যারা বেঁচে যাবে। সেদিনের অপেক্ষায়-----------

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আগামীকাল ঈদ। ঘরে ঈদের নামাজ আদায় করুন এবং আরো দশ জনকে সেটাতে উৎসাহিত করুন। এই মুহুর্তে বিশ্বের বাদ বাকি দেশগুলোতে মুসলিমরা ঘরে বসে ঈদের নামাজ পড়ছে এবং অনলাইনে আত্মীয় স্বজনদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছে।

১০| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৪৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনতো বড়লোকের ব্যাপারস্যাপার।দরিদ্র ও অশিক্ষিত দেশে ওদের খাওয়াদাওয়া কম

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:১৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাচ্চা কাচ্চার দ্বায়িত্ব যেমন শুধুই পিতা মাতার , একটি দেশের দ্বায়িত্বও শুধুই সেই দেশের সরকারের। বাদবাকি অন্য দেশ, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন কেবল পরামর্শই দিতে পারে। সেই পরামর্শ শোনা না শোনা যার যার ব্যপার।

১১| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৫২

নতুন বলেছেন: দেশে এতো জনগন যে কোন কিছু মানানো আসলেই কস্টকর।

দেশের জনগেনর বিরাট একটা সংখ্যা কিন্তু শিক্ষিত না ( হয়তো স্কুল পাশ, ইন্টার পাশ)

এদের বুঝবার ক্ষমতা খুবই কম।

এখন আমাদের উচিত হবে বাড়ীর মুরুব্বিদের ব্যাপরে খুবই সচেতন হওয়া। নিজেরা সাবধানে থাকা।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই মুহুর্তে ব্যক্তিগত সচেতনতাই একমাত্র উপায় দেশে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনের বাইরে

১২| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:৩৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: বিদেশে আইন না মানলে চাবকে( কারা বা টাকাদন্ড) সোজা করে দেয়া হয় আর বাংলাদেশে টাকা দিয়ে আইন কিনে ফেলা যায়।
সুতরাং আইন মানবে কেনো?

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই দেশের মানুষ একটা আইনই ভয় পায় সেটা হচ্ছে সেনা আইন।অফিস আদালত, কল কারখানা বন্ধ করে লকডাউন যেহেতু দেয়াই হয়েছিল সেই কয়দিন যদি কার্ফু দেয়া হত তাহলে করোনা পরিস্থিতি এত খারাপ হত না।

১৩| ২৫ শে মে, ২০২০ রাত ২:১২

অনল চৌধুরী বলেছেন: ঈদের পর দেখেন অবস্থা কি হয় । আমার বাড়ির অনেক ভাড়াটিয়া আর রক্ষণাবেক্ষণকারীও গ্রামে চলে গেছে।
এরা যদি করোনা নিয়ে আসে তাহলে কি হবে !!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.