নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোন প্রকার সতর্কতামুলক ব্যবস্থা না নিয়ে মৃত্যূকে অতি স্বাভাবিক ভাবে গ্রহন করার মানসিকতা অর্জনের নাম কি \'\' হার্ড ইমিউনিটির রাস্তায় হাটা\'\'?

০১ লা জুন, ২০২০ দুপুর ২:১৩



প্রতিদিন করোনা শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।মৃত্যুর কাফেলায় প্রতিদিন নতুন নতুন নাম যোগ হচ্ছে ।চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ জনগণ বেসুমার সংখ্যায় করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, মৃত্যুবরণ করছেন।
করোনা মহামারিকে কেন্দ্র করে দেশের চিকিৎসাসেবায় চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে।অনেক জটিল কঠিন রোগে আক্রান্ত রোগীদেরকে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সেবা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। নানা অজুহাত এবং লোকবল সংকটে ৯০ ভাগ হাসপাতালেই দেয়া হচ্ছে না প্রসূতি সেবা।করোনার চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোর অবস্থাতো আরো খারাপ।পিপিই সংকট, লোকবল সংকট ,আইসিইউ সংকট, ভেন্ট্রিলেটর সংকট সব মিলিয়ে চরম অরাজক একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে স্বাস্থ্যসেবা সেক্টরে।

এরকম পরিস্থিতিতে লকডাউন তুলে নেয়া হয়েছে পুরোপুরি!আজ সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে গাড়ির লম্বা লাইন! মানুষের গা ঘেঁষে হাটছে মানুষ। শপিংমল, বাজারে, চায়ের দোকানে সরব উপস্থিতি।বাস টার্মিনালে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়! স্বাস্থবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হচ্ছে না কোথাও! অর্থাৎ ঢাকা পুরোপুরি ফিরে গেছে তার আগের রুপে!!!এর মধ্যে বাস-মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়!!

' হার্ড ইমিউনিটি' শব্দটা ইদানিং জোরালোভাবে ব্যবহ্রত হচ্ছে আমাদের দেশে। বলা হচ্ছে , আমাদের মত দরিদ্র দেশে নাকি করোনা প্রতিরোধে এছাড়া আর কোন বিকল্প নাই। কিন্ত কোন প্রকার স্বাস্থ্য বিধি না মেনে, কোন প্রকার চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অসহায়ভাবে মৃত্যূকে আলিঙ্গন করা এবং তারপরেও সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায় অলৌকিকভাবে কিছু মানুষ বেচেঁ যাওয়ার নাম কি ''হার্ড ইমিউনিটি'' অর্জনের রাস্তায় হাটা ?

জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। বিক্ষোভে উত্তাল নিউ ইয়র্কে অনেক পুলিশ সদস্য নিজেদের রিভলভারের বেল্ট মাটিতে রেখে মাথা নিচু করে বসে পড়েন। এটা ছিলো পুলিশের নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থনা।পরে এই ঘটনা আগুনের মতো ছড়িয়ে যায় যুক্তরাস্ট্রে অন্য শহরগুলোতেও।বিক্ষোভকারীরা সেখানেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক সমাপ্তি ঘটে সংঘাতের। গনতন্ত্রের সৌন্দর্য্য এখানেই। মানুষের অভাব, অভিযোগ ও অষন্তোষকে কতটা মূল্য দেয় দেশের প্রসাষন এই ঘটনাতেই সেটা স্পষ্ট।


আর আমাদের দেশে প্রতিবাদ করতে ভুলে গেছে মানুষ। কারন প্রতিবাদ করতে রাস্তায় নামলে চরম মূল্য দিতে হয় প্রতিবাদকারীকে। দেশের মানুষকে অসহায়ভাবে মৃত্যূবরন করার দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে , তারপরেও মানুষ সেটাই নিয়তির লিখন মেনে নিয়ে দিকভ্রান্ত হয়ে জীবিকার দায়ে রাস্তায় নেমে এসেছে!!

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩০

খাঁজা বাবা বলেছেন: ব্যবস্থা একটাই নেয়ার ছিল, তা হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন।
তা কতটুকু হয়েছে ?

০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমার পরিচিত সকল ডাক্তারদের আমি এখন একটাই উপদেশ দেই সেটা হচ্ছে চাকুরি হতে অব্যহতি নেয়া।দেশে এখন চুড়ান্ত অনিরাপদ ডাক্তারদের জীবন। একদিকে নেই প্রপার পিপিই অন্যদিকে সাধারন মানুষের ক্ষোভ উল্টো চিকিৎসকদের উপড়!!

২| ০১ লা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩০

খাঁজা বাবা বলেছেন: ব্যবস্থা একটাই নেয়ার ছিল, তা হচ্ছে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন।
তা কতটুকু হয়েছে ?

৩| ০১ লা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৩৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: চিটাং এর একটা ভিডিও দেখলাম । ড্রাইভার এবং হেলফার মাক্স পরেনি বলে দশ বার জন যাত্রী তাদের মারতেছে।

০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীরের করোনা আক্রান্ত মা চট্টগ্রামের কোন হাসপাতালে চিকিৎসা পাননি। অবশেষে বাধ্য হয়ে শুক্রবার (২৯ মে) রাতে ওই ডাক্তার চিকিৎসার জন্য মাকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন। এই হচ্ছে চট্টগ্রামের অবস্থা!!

৪| ০১ লা জুন, ২০২০ দুপুর ২:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত ২২,
নতুন আক্রান্ত ২,৩৮১,
সুস্থ ৮১৬ জন।
নমুনা পরীক্ষা ১১,৩৩৯
মোট মৃত ৬৭২,
আক্রান্ত ৪৯,৫৩৪,
সুস্থ ১০,৫৯৭ জন

০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: এইসব সরকারী সংখ্যার উপড় মানুষের একফোটা বিশ্বাস নাই। আর সংখ্যা জেনে হবেই বা কি? ক্ষুদ্র একটা পিপড়ার মতই অবিশ্চিত এখন মানুষের জীবন।

৫| ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৩:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




এরা তথাকথিত ঢাকায় থাকি - ঢাকা বাসি, দুই দিনের যোগি ভাতেরে কয় অন্ন। এরা ফেসবুকে ধর্মের বাণী আর রাজনীতি প্রচার করে আর খাবারের ছবি, ফুটপাতের কাপড়ের ছবি, মাটির হাড়ি পাতিলের ছবি শেয়ার করে - এরাই আসল বাংলাদেশী। খাঁটি বাঙ্গালীয়ানায় ভরপুর বাঙ্গালী - কাঙ্গালীর দল।

১৭ কোটি মানৃুষের পেছনে বন্দুক সহ ১৭ কোটি পুলিশ দিলেও এরা আাইনকে শ্রদ্ধা/ভয় করতে শিখবে না।

০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: একেবারেই একমত হতে পারলাম না। যাদেরকে খাটি বাঙ্গালী - কাঙ্গালীর দল বলছেন , সেই বাঙ্গালী কাঙ্গালীর দলকে বিদেশে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে কঠিন পরিশ্রম করতে দেখছি প্রতিনিয়ত।

৬| ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০৫

শের শায়রী বলেছেন: লেখার সাথে ছবিটা দেখে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে গেল, কার প্রতি, কাদের প্রতি জানিনা...... এটাই আমেরিকার সৌন্দর্য্য।

০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য। GOVERNMENT OF THE PEOPLE, BY THE PEOPLE, FOR THE PEOPLE

৭| ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৪:২৬

করুণাধারা বলেছেন: সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, আপনি বোধহয় লেটেস্ট খবর জানেন না। কেউ মাস্ক না পড়ে বাইরে বের হলে এক লক্ষ টাকা জরিমানা বা ছয়মাস জেল হবে। এরপরেও যদি কেউ মরে, তবে এটা তার নিজের দায়।

ছবিটা চমৎকার। বিশেষ করে আমরা যারা সবসময় পুলিশের অন্যরকম ছবি দেখে অভ্যস্থ তাদের জন্য।

০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: মুখে মাস্ক লাগিয়ে তাই দেখছি মানুষ গাদাগাদি ভীড় এর মধ্যে চলাফেরা করছে!!

৮| ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:২৮

মোঃ নুরুজ্জামান (জামান) বলেছেন: ভাড়া বেড়েছে সাথে যাত্রী!!!

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৮:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: পরিবহন ভাড়া বেড়েছে, জিনিষপঅত্রের দাম বেড়েছে শুধু কমেছে মানুষের জীবনের মূল্য

৯| ০১ লা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

আধাপাগল বলেছেন: পৃথিবীর ৭০% মানুষ হচ্ছে সাধারণ মনুষ্য জ্ঞানের অধিকারী। খায় হাগে ঘুমায় বাচ্চা কাচ্চা জন্মায়, চাকরী বা ব্যবসা করে জীবিকা অর্জন করে, হয়ত আইএ - বিএ পাশও করেছে। এই হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সুন্দর পিচাই। যিনি গুগলের CEO। পিচাইর মাসিক বেতন কত জানেন? এক হাজার চার শত কোটি টাকা (বাংলাদেশী টাকা)। আমি সাধারণ আর অসাধারণ জ্ঞানের তুলনা করার জন্য পিচাইর প্রসঙ্গটা এনেছি। কোথায় পিচাইর জ্ঞান, আর কোথায় আপনার বা আমার জ্ঞান।

আপনি যে ছবিগুলি দিলেন, সেখানে সবাই নাকে কাপড় লাগিয়ে হাটে বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেন জানেন? কারণ তারা নিশ্চিন্ত। দে আর সেফ ফ্রম করোনা ভাইরাস। কারণ, নাকে কাপড় (মাস্ক) লাগিয়েই ঘুরছে। সুতরাং এখন আর ভয়ের কিছু নাই।

দেখুন, ফেসবুকে, টেলিভিশনে, সবখানে, আদা রসুন পিয়াজ সিদ্ধ করে পানি খাবেন, লেবু খাবেন, গরম পানি দিয়ে গরগরা দিবেন ..... এই জাতীয় এন্টি-ভাইরাস কার্যক্রম অলরেডি স্যোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। (আপনি কি জানেন ভাইরাল কাকে বলে?)। এরা লেবুর পানি খায়, গরম পানির গরগরা দেয়, মুখে মাস্ক। ভাইরাস কেনো, ভারাইরাসের বাপও আমার শরীরে ঢুকতে পারবো না। এই হচ্ছে তাদের চিন্তা ভাবনা, মন মানসিকতা। কিন্তু ভাইরাসকে যে তারা ভয় পায় না / পাচ্ছে না তা কিন্তু না। ভয় পায়। কিন্তু তারা তো precautionary ব্যবস্থা নিয়েই চলতেছে (ঘরে ও বাইরে)।

যারা শত কোটি টাকার উপরের স্তরের ধনী তাদের ধারণা করোনা তাদেরকে আক্রমন করবে না। কারণ তারা ফল মূল তাজা শাক সবজি দুধ কলা যেভাবে খায়, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যথেষ্ট শক্তিশালী। আর বাই চান্স আক্রমন যদি করেও বসে আমার যথেষ্ট টাকা আছে। চিঙ্গাপুর গিয়ে চিকিৎসা নিতে আর কতক্ষণ।

যারা ইসলাম ধর্মে ধর্মীয় তাদের ধারণা এটা আল্লাহ থেকে আগত এক আযাব, খারাপ লোকদের জন্য। আমরা যারা মুসলিম, তাদেরকে এটা আক্রমন করবে না।

যারা অমুসলিম, তাদের ধারণা এটার ভ্যাকসিন আসবেই। আমার পাছায় একটা ভ্যাকসিন মেরে দিলে আর ভয় নাই। পাশাপাশি গো মূত্র, ঘোড়া মূত্র, গাধা মূত্র এসব তো আছেই।

সব কিছু একত্র করলে যে ফলাফলটা পাওয়া যায়, তা কি জানেন? কোরোনা নিয়ে কারোরই ভয় নাই।

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৮:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সকল পর্যায়ে অব্যবস্থাপনা এমন চরম আকার ধারন করেছে যে মানুষের স্বাভাবিক চিন্তাশক্তির ক্ষমতাও নষ্ট হয়ে গেছে। তানাহলে যেভাবে গনমাধ্যমে এবং চারপাশে পরিচিত অপপরিচিতদের মৃত্যূসংবাদ আসছে, তাতেতো আতংকিত না হওয়ার কোন কারন দেখি না।

১০| ০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৮:১৫

মা.হাসান বলেছেন: সরকার কয়েকদিন আগে ঘোষণা দিলো ঈদের নামাজ মাঠে পড়া যাবে না , তবে মসজিদে পড়া যাবে। তথ্য-উপাত্ত কিন্তু বলছে খোলা জায়গায় কোভিড১৯ সংক্রমনের সম্ভাবনা বদ্ধ জায়গার চাইতে তুলনামূলক কম। এরপরেও সরকারের এরকম ঘোষণার কারণ কি? কারণ আছে। খোলা মাঠে জামাত হলে সাংবাদিকরা ক্যামেরা নিয়ে বসে থাকতো- কোন কাউয়া কোন মাঠে নামাজ পড়েছে তার খবর টেলিকাস্ট করার জন্য। কিন্তু নামাজ হয়েছে মসজিদে । হাজার হাজার মসজিদ , কোনটাতে কাউয়ারা নামাজ পড়লো, সাংবাদিকের পক্ষে জানা সম্ভব না। (আমি নিজের দুর্বল ঈমানের লোক, ঈদের নামাজ পড়ি নাই, কাজেই মাঠ না মসজিদ এটাতে আমার জন্য কিছু আসে যায় না) ।

কিন্তু এভাবে কতদিন? কোভিড১৯ যদি আরো ১০ বছর থাকে, তা হলেও কাউয়াদের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সে টান পড়বে না। কিন্তু এরা ঘরে বসে বোর হয়ে গেছে। আগে শরীর ম্যাজম্যাজ করলে মাসাজের জন্য ব্যাংকক যেত, শপিং এর জন্য প্যারিস মিলান যেত, খেলাধুলার জন্য ক্যাসিনো , চিত্তবিনোদনের জন্য পাপিয়া কুঞ্জ- কত কিছুই না ছিল। এখন সব বন্ধ। চালু করার উপায় কি? না , হার্ড ইমিউনিটি । কাদের মাধ্যমে আসবে? কাউয়ারা তো গর্তে ঢুকে আছে । কাজেই মেহনতী মানুষের মাধ্যমেই হার্ড ইমিউনিটি আনতে হবে।

বিকল্প কিছু ছিল কি? সম্ভবত ছিলো। দরবেশ গ্রুপ সহ বিভিন্ন গ্রুপের কাছে খেলাপি হওয়া এক লক্ষ কোটি টাকারো বেশি যে ঋণ আছে, এর সামান্য একটা অংশও যদি এই সময় চাপ দিয়ে উদ্ধার করা যেত, সেই টাকা দিয়ে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থায় থাকা এক কোটি পরিবারকে কয়েক মাসের জন্য সাপোর্ট দেওয়া যেত। সরকার আসলেই জনদরদি। এখানে জনগণ মানে এলিট শ্রেণী। জয় কাউয়া। অথবা কাউয়া জিন্দাবাদ। যেই লাউ সেই কদু।

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৯:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: একেবারে হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিলেন । সিঙ্গাপুরে করোনায় আক্রান্ত অভিবাসী বাঙ্গালী শ্রমিকদের বিলাশবহুল হোটেলে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, আইসিইউতে থাকা শ্রমিকদের সর্বোচ্চ উন্নত চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ করা হচ্ছে। সুদূর বাংলাদেশ থেকে আসা দরিদ্র মানুষগুলোর প্রতি সিঙ্গাপুর সরকারের মমতা ও মহানুভবতা দেখলে শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে যায়।

খুব কাছের এক প্রিয়জন সুচিকিৎসা না পেয়ে চলে গেলেন সম্প্রতি, কিছু আত্মীয় এখন ঘরে বসে করোনার সাথে লড়াই করছে , পরিচিত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক করোনায় মৃত্যূবরন করলেন আজ। খুব হতাশ বোধ করছি। এই মৃত্যূগুলোকে স্বাভাবিক মৃত্যূ নয়, স্রেফ হত্যা্কান্ড বলে মনে হচ্ছে।

১১| ০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৬

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: দুনিয়ার একটা পরিবর্তন হবে বলে মনে হচ্ছে!

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৯:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমেরিকার অবস্থা পরিবর্তন হবে বলেই মনে হচ্ছে। কিন্ত আমাদের দেশের অবস্থা পরিবর্তনের কোন আশাতো দেখি না।

১২| ০১ লা জুন, ২০২০ রাত ১০:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,



এটা ভুলে যাচ্ছেন কেন, আমরা একটা আহাম্মক জাতি! তার উপর আমরা দরিদ্র এবং অশিক্ষিত। সব মিলিয়ে আমাদের বোধজ্ঞান একদম নিম্নস্তরের। কোন কিছুতেই আমাদের কিছু যায় আসেনা। শুধু পেটে খাবার জোটাতে আমরা সব বাস্তব অবাস্তব ঝুঁকি ভুলে থাকি। নইলে ভুমধ্যসাগরে ডুবে মরবো জেনেও আমরা ঘরবাড়ী বন্ধক রেখে বা বিক্রি করে এখনও দলে দলে লিবিয়া পাড়ি দেই কেন ? আবার ঠাকুরমাহমুদ যা বলেছেন সেটাও একদম বাস্তব - "১৭ কোটি মানুষের পেছনে বন্দুক সহ ১৭ কোটি পুলিশ দিলেও এরা আাইনকে শ্রদ্ধা/ভয় করতে শিখবে না।"
আমাদের হাইপোথ্যালামাসে কোথাও মনে হয় গন্ডগোল আছে। আনপ্রেডিক্টেবল জাতি!

আর আমাদের মতো দেশ যতোই উন্নতির জোয়ারের কথা বলুক না কেন, যেখানে কোটি কয়েক মানুষকে দিন এনে দিন খেতে হয় তেমন মানুষদের আইন করে ঘরবন্দী করে রেখে দিনের পর দিন খাবার সরবরাহ করার মতো ক্ষমতায় দেশটা আছে কি ? এটা তো বাস্তব। সরকার কি করবে ? সরকার তো আটকে রাখতে চেয়েছিলো, তাতে ফল কি হয়েছে? কোটি কোটি টাকার ত্রান সামগ্রী যতোটুকু না দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজনের হাতে পড়েছে তার চেয়ে বেশী মনে হয় গেছে জনপ্রতিনিধিদের পেটে।
আবার পরিকল্পনাকারীরাও পরিকল্পনাগুলো ভেস্তে দিয়েছে একেক মন্ত্রনালয়ের একেক উল্টোপাল্টা সিদ্ধান্ত আর সিদ্ধান্তহীনতায়। সমন্বয় তো ছিলোই না। এভাবে সরকার কতোদিন চলতে পারে ? এটাও তো আমাদের ভাবতে হবে।

তাই বাধ্য হয়েই শেষ অস্ত্র, লকডাউন থেকে বেড়িয়ে আসার চেষ্টা। এখন আমি আপনি যদি আমাদের নিজ দায়িত্বটুকু পালন করার গরজ বোধ না করি তাহলে দোষটা দেবো কাকে ? গরজ যে বোধ করিনে সেটা তো প্রথম প্যারাতেই তুলে ধরেছি।

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ১১:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: কোটি কোটি টাকার ত্রান সামগ্রী যতোটুকু না দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজনের হাতে পড়েছে তার চেয়ে বেশী মনে হয় গেছে জনপ্রতিনিধিদের পেটে।আবার পরিকল্পনাকারীরাও পরিকল্পনাগুলো ভেস্তে দিয়েছে একেক মন্ত্রনালয়ের একেক উল্টোপাল্টা সিদ্ধান্ত আর সিদ্ধান্তহীনতায়। সমন্বয় তো ছিলোই না। ডঃ কামাল হোসেনও এই কথাগুলোই বলেছেন।

তিনি বলেছেন লকডাউন কার্যকর না করা, আইন প্রয়োগে শিথিলতা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দায়িত্বহীন বক্তব্য, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে ঢাকা থেকে গ্রামে যেতে ও আসতে দেয়া, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সময়ক্ষেপণ, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতা, স্বাস্থ্যখাতে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা আমাদের জীবন ও জীবিকাকে ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।


১৩| ০২ রা জুন, ২০২০ রাত ৮:৩১

আমি সাজিদ বলেছেন: ড্যামেজ কন্ট্রোল করার কোন চেষ্টা করেনি সরকার। ধাপে ধাপে ঢাকায় মানুষ ঢুকতে দেওয়া যেতো। এবং এইটা সম্ভব ছিল। জোন হিসেবে লক ডাউন কয়েক সপ্তাহ আগেই করা উচিত ছিল। আমাদের অনেকগুলো সরকার। প্রশাসন একটা আলাদা সরকার, রাজনৈতিক দল একটা আলাদা সরকার, ব্যবসায়ীরা একটা আলাদা সরকার, পরিবহন মালিকেরা একটা আলাদা সরকার। কেউ কাউকে তোয়াক্কা করে না। এতো ধাঁধার সমাধান কিভাবে সম্ভব?

০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: উচ্চপদে সব অযোগ্য ব্যক্তিরা বসে আছে। দুর্যোগকালীন সময়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের অযোগ্যতা এইভাবেই প্রকাশিত হয়। কিন্ত তারপরেও এরা জোড়পুর্বক চেয়ার ধরে রাখবেই, হতাশাটা এখানেই।

১৪| ০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৭

আমি সাজিদ বলেছেন: সরকারী চাকরির বয়সসীমা তুলে দেওয়া উচিত এবং সরকারি চাকরির স্বায়িত্ব নিয়ে নতুন আইন করা উচিত। তাহলে মন্ত্রণালয়ে অফিসার ববলেন কিংবা চিকিৎসক বলেন সবাই গা লাগিয়ে কাজ করবে।

০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: গাছের গোড়ায় যদি গলদ থাকে তবে পাতা , ফুল, ফল এর পরিচর্যা করা সম্ভব হয় না। যোগ্য ব্যক্তির অভাব দেশে নাই। কিন্ত তাদের হাতে কোন ক্ষমতা নাই। প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পর্যায়ে দলীয় অযোগ্য লোক বসানো হয়েছে।

১৫| ০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৭

আমি সাজিদ বলেছেন: গোয়ালে যদি কানা গরু থাকে তাহলে বোধহয় এদিক সেদিক যায় না। রাখাল বালক বালিকার লাভ।

০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: আজকের আপডেট ঃ করোনার সংক্রমণ একলাফে ৩ হাজারের কাছে, মৃত্যু ৩৭। তারপরেও কানা, বোবা ও বধির জাতি নিজের দেশ বাদ দিয়া ব্যস্ত আম্রিকা নিয়া!!!

১৬| ০২ রা জুন, ২০২০ রাত ১১:২৮

আমি সাজিদ বলেছেন: আমাদের সময় মাধ্যমিকে বাংলা বইয়ে বুলগেরিয়ান জাতি নিয়ে একটা প্রবন্ধ টাইপ ছিল। ঐটার সারমর্ম ছিলো তারা বোকা ও হাস্যকর। বীর বাঙ্গালী জাতি কি দিন দিন এমন হয়ে যাচ্ছে? কি জানি।

১৭| ০৩ রা জুন, ২০২০ সকাল ১০:০২

ডি মুন বলেছেন: করোনা নিয়ে যে নাটক করা হলো দেশের জনগণের সাথে এটা নিয়ে বলার কিছু নেই।
যেখানে দিনে অন্তত ৫০ হাজার পরীক্ষা করা দরকার, সেখানে মাত্র ১০ হাজারের বেশি পরীক্ষা করাতে ঘাম ছুটে যায়।
গণস্বাস্থ্য নিয়ে কি কাণ্ডটা চলছে সে তো সবাই দেখছে। এই হলো বাংলাদেশ।

অর্থনীতি বাঁচানোর নামে কোটি কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া।
এই দেশে ভালো মানুষ জন্মাবে কেন? আর জন্মালে তারা এদেশেই বা থাকবে কেন?
একটা রামছাগল জাতি। নিজেদের ভালোমন্দ নিজেরাই বোঝে না।

১৮| ১০ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫১

মিরোরডডল বলেছেন: দিনে দিনে অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে । এখনতো আবার মনে হয় লকডাউন চলছে ।
দেখা যাক কি হয় । বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও অনেক সময় লাগবে ।
কোথাও কোন সিস্টেম নেই । সবকিছুতেই হযবরলও ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.