নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেন দেশের স্বাস্থ্যসেবার এত দৈন্যদশা?

১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩১

সম্প্রতি দেশের বেশ কয়েকজন সরকার দলীয় মন্ত্রী, এমপি,সরকার ও বিরোধী দলীয় নেতা , সরকারী উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, ধর্নাঢ ব্যবসায়ী , সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সেলিব্রিটি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যূবরন করেছেন। এদের বেশিরভাগই আগে দেশে চিকিৎসা করাতেন না। সাধারন অসুস্থতা বোধ করলে উড়োহাজাজে উঠতেন আর কঠিন অসুস্থ হয়ে পড়লে এয়ার এম্বুলেন্সে উঠে লন্ডন, ব্যংকক, সিঙ্গাপুরে চলে যেতেন। কিন্ত বৈশ্বিক মহামারীতে তাদের এবার নিজ দেশের ভঙ্গুর, গলে পচে যাওয়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ধর্না দিতে হয়। কেন তাদের এবার দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য যাওয়া সম্ভব হয়নি আসুন জানার চেষ্টা করি।

বাংলাদেশের উদ্বেগজনক করোনা পরিস্থিতির কারনে অধিকাংশ দেশই বাংলাদেশের সাথে উড়োজাহাজ যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আর বেশিরভাগ দেশই এখন ফরেন পেশেন্ট নেয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। মেডিকেল টুরিজমের জন্য বিখ্যাত সিঙ্গাপুর গত মার্চ মাসেই এক প্রজ্ঞাপন জারি করে ফরেন পেশেন্ট নেয়া বন্ধ করে দেয় যা এখনও বলবৎ আছে।

All doctors in public and private hospitals, as well as private specialist clinics, have been advised by the Ministry of Health (MOH) to immediately stop or defer accepting new foreign patients who do not reside in Singapore.They have also been instructed to encourage their current foreign patients to seek continued care in their home countries.


মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথিরের যখন হার্টে বাই পাস সার্জারির প্রয়োজন হয়েছিল, তখন মালয়েশিয়ার মেডিকেল সেক্টর একেবারেই উন্নত ছিল না। বাই পাস সার্জারি তখন সেখনাকার হাসপাতালে হত না। কিন্ত তারপরেও মাহাথির পার্শ্ববর্তী সিঙ্গাপুরে এই অপারেশনের জন্য যাননি। মালয়েশিয়ার মেডিকেল সেক্টর উন্নয়নের দিকে তিনি মনোনিবেশ করেন এবং মালয়শিয়াতেই তিনি শেষ পর্যন্ত তার বাই পাস সার্জারি করান। এখন মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা এতটাই উন্নত যে মালয়েশিয়া থেকে কোন ধর্নাঢ ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য পাশের দেশ সিঙ্গাপুরে আসে না। সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত প্রাইভেট হাসপাতাল মাউন্ট এলিজাবেথে ফরেন পেশেন্ট আসে মুলত বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়া থেকে। তাও ইন্দোনেশিয়া থেকে সেখানকার রাজনীতিবিদেরা আসেন না, ধর্নাঢ চাইনিজরা আসে।

এই দেশের হেলথ সেক্টর সেদিনই উন্নত হবে যেদিন এদেশ থেকে রাজনীতিবিদদের বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার সিস্টেম বন্ধ হবে। সম্প্রতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন -

যদি ক্ষমতা থাকতো আইন করতাম:
বর্তমান বা সাবেক প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীগন চিকিৎসা নিতে বিদেশে যেতে পারবেন না।
ক্ষমতা, চাকুরী বা ব্যবসা কোনভাবেই তাদের সন্তানরা সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারবেন না।
সপ্তাহে অন্তত একদিন তাদের গনপরিবহনে চড়তে হবে।
রাস্তায় চলাকালে তারা অন্য একটি যানবাহনও থামিয়ে রাখতে পারবেন না।
বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে তারা অতিজরুরী ছাড়া কোন সফরসঙ্গী নিতে পারবেন না, এবিষয়ে সংসদকে জানাতে হবে।
জনগনের টাকায় কোন কিছু উদ্ধোধন বা জনগনকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে তাদের নিজেদের নাম ব্যবহার সম্পূর্ন নিষিদ্ধ হবে।
তাদেরকে মহামান্য ও মাননীয় বলা নিষিদ্ধ হবে।
তাদের ও তাদের পরিবারের দেশে বিদেশে সকল সম্পত্তি ও আয়ের বিবরণ জনগনকে জানাতে হবে।
দূদকের একটি সম্পূর্ন স্বাধীন ইউনিট শুধুমাত্র তাদের বিষয়ে নজর রাখবে।

যদি কোনদিন এই দেশে উপড়ের আইনগুলো প্রণয়ন করা সম্ভব হয়, তবেই এই দেশ সত্যিকারের উন্নয়নের মুখ দেখবে নতুবা উন্নয়ন কেবল এদেশে মুখে বলা ও কাগজে লেখা একটি শব্দই হয়ে থাকবে।



মন্তব্য ৪৯ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৪৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।

১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার নিয়মিত মালয়েশিয়ার কোভিড আপডেট পড়লেই বোঝা যায় যে কতখানি উন্নত এখন মালয়েশিয়া।

২| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫০

বিজন রয় বলেছেন: সব কিছুতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায় তা দেখতে হবে তো!

১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: এভাবে আর কতকাল? কাছের নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান পর্যন্ত আগের রুপ বদলে উন্নয়নের পানে যাত্রা শুরু করেছে।

৩| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


দেশের স্বাস্হ্যখাতের এই ভয়ংকর অবস্হার মুল কারণ কি?

১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমিতো যা বলার তা পোস্টেই বলে দিয়েছি।

৪| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩০

শেরজা তপন বলেছেন: সহমত

১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

৫| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৫৮

বিজন রয় বলেছেন: এভাবে আর কতকাল?........... যতকাল এদেশের মানুষ নির্বোধ থাকবে।

আরে নেপাল তো ইন্ডিয়ার টুটি চেপে ধরেছে।

১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: নেপাল এখন দক্ষিন এশিয়ার উদিয়মান শক্তি হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে

৬| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:২৫

ওমেরা বলেছেন: হবে ভাইয়া হবে আশা রাখেন একদিন হবে , সব কিছুতেই তখন আমি আমরা উন্নত হবো আসে পল পাশে সবার চেয়ে না হয় একটু পিছনে পরেছি তাতে কিছু হবে না ।

১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: আশাবাদী হবার মত কিছু এখনো চোখে পড়ছে না আপু

৭| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৫

মুক্তা নীল বলেছেন:
আপনার পোষ্টের মাধ্যমে ডঃ আসিফ নজরুলের কথা গুলো জানতে পারলাম এখন পড়ে ভালো লাগলো । হয়তো এই
জানা পর্যন্তই থেকে যাবে,কার্যকর কোনদিনই হবে না ।
ভাবতে ভয় লাগছে আমাদের দেশে এখন কোনো আইসিউ
নাকি খালি নাই , সামনের অবস্থা আরো ভয়াবহ হবে।

১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আজরাইল এখন বাংলাদেশের ঘরে ঘরে হানা দিচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের মধ্যে যাদের বিদেশী পাসপোর্ট আছে তারা সবাই চাটার্ড প্লেন ভাড়া করে দেশ ছাড়ছে। কিন্ত জনগনের এখন ওপড়অলা ছাড়া ভরসা করার দ্বীতিয় আর কেউ নাই।

৮| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৭

সাইন বোর্ড বলেছেন: কারো চিকিৎসাবিহীন মরে যাওয়াটা তার প্রিয় মানুষদের জন্য খুব কষ্টের, সেটাই এখন হচ্ছে । কিন্তু ক্ষমতাসীনরা তা স্বীকার করবে না ।

১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: : জনগনের জন্য যদি এতটুকু সহমর্মিতা থাকতো তবতো আর আজকের এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হত না। দেখুন নেপাল কি করেছে।

সারা বিশ্বে মহামারীর আকার নিয়েছে করোনাভাইরাস। কিন্তু নেপালে এখনও করোনায় আক্রান্ত কারও খবর নেই। তাতে কিন্তু পায়ে পা তুলে বসে নেই নেপালের সরকার। বরং আপতকালীন পরিস্থিতি আসলে তার মোকাবিলার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করে রেখেছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশ। বিশেষ করে নেপাল সেনাবাহিনী করোনা মোকাবিলায় সবরকম প্রস্তুতি সেরে রেখেছে।

নেপালের একটি জনপ্রিয় দৈনিকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসাবে নেপালের সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয়ে একটি কোয়ারেন্টাইন জোন তৈরি করা হয়েছে। এই কোয়ারেন্টাইন জোনে ৫৪টি তাঁবু রয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিপুরেশ্বরে নেপালেরে সেনাবাহিনীর সদর দফতর। সেখানে ৫৩টি তাঁবুতে আপাতত ১০৮জন আক্রান্তকে রেখে চিকিতসা করানো যাবে। প্রয়োজনে এই জোন আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবাহিনী। ছোট একটি দেশ। কিন্তু আগাম সতর্কতা হিসাবে তারা যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে তাতে অন্য দেশের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি হতে পারে।

৯| ১৪ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আসিফ জনরুল জামাতী, ওর কথার কোন মুল্য নেই।

১০| ১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: শিরেনামের উত্তর - অসৎ লোকেরা সচিব, মন্ত্রী পদে ছিল। বিসিএস দিয়ে ঘুষখোর প্রজন্ম তৈরি হয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম চুপ করে দুর্নীতি করে যাচ্ছে। সবাই উপরের কর্মকর্তার দোষ দেয়। আসলে নিজেদের মধ্যেই দোষ। কারণ, বেশির ভাগই পটেনশিয়াল ধর্ষক, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ...

১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: গাছের গোড়ায় যদি গলদ থাকে তবে , সেই গাছের বাকি অংশেও পচন ধরো ।তাই আপনি যে বক্তব্য দিলেন তার সাথে একেবারেই একমত হতে পারছি না। গোড়া ঠিক থাকলে বাকি অংশ আপনাতেই ঠিক হতে বাধ্য ।

১১| ১৪ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: সেটা ঠিক আছে। কিন্তু সবাই মিলে পরিবর্তন আনা কি যায় না? একজনকে বস কীভাবে দুর্নীতি করতে পারে যদি না তাকে ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই সমর্থন করে?

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশে মুল সমস্যা কোথায় তা আমরা সবাই জানি। পরিবর্তন আনার রাস্তাটাও পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এই সরকারের আমলে।

১২| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৮

নতুন বলেছেন: দূনিতি বন্ধ করতে হবে এইটা প্রথম পদক্ষেপ।

নেতাদের বিদেশে চিকিতসা বন্ধ করাউচিত।

শেখ হাসিনা মনে হয় দেশে চিকিতসা করে এটা ভালো। তার সরকারের সবাইকে এটা করতে বলা উচিত।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: পিএম যে কোথায় চিকিৎসা করান সেটা জানার কোন সুযোগই রাখা হয় নাই।

১৩| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:০৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: দেশের শাসকশ্রেনী বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা করায় এমন একটা বিপদ আসবে ভাবেনি কখনো। তাই আমজনতার কথা বাদ দিয়ে চুরির খেয়ালে ছিল। করোনা বড় একটা ধাক্কা দিয়েছে । দেখা যাক সামনে কি করে ।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: শাষকশ্রেনীর বোধদয় ঘটার কোন সম্ভাবনাই নাই। জনগনের বোধদয় হোক এই আশায় আছি।

১৪| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৪৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কলকাতার ইস্টার্ন বাইপাসের পাশে অবস্থিত রুবি হসপিটাল, দিশান সহ একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের সিংহভাগ মূলত বাংলাদেশী পেশেন্ট।ছটা কেমো ও‌ ২৯ টা রেডিওথেরাপি নেওয়ার জন্য বন্ধু রুবি্র পাশে দৈনিক ১৫০০টাকা ভাড়ায় একটি এ সি রুম নিতে বাধ্য হয়। ওকে দেখতে গিয়ে জেনেছি ঐ পাড়াটাকে বাংলাদেশ পাড়া বলা হয়। গোটা এলাকায় নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়ার কয়েক জন ছাড়া আর কোনো ভারতীয় পেশেন্টের হদিস পাইনি।
আর চিকিৎসা পরিসেবা! কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতার একটা লাইন,
"গ্রাম থেকে এক লোক শহরে এসেছিল ডাক্তার দেখিয়ে সর্বস্বান্ত হবে বলে,
তার আগেই তাকে সর্বস্বান্ত করে দিল এক পকেটমার।‌"
বাস্তবে আমারও সেটাই মনে হয়। কতটা সুস্থ হয় বন্ধুকে দিয়েই দেখেছি। বাবার রিটায়ারমেন্টের চৌদ্দ লক্ষ টাকা‌ পেমেন্ট করে মাত্র ছয় মাসের মধ্যে মাত্র বিয়াল্লিশ বছর বয়সে চলে গেল পরপারের জাগতে।

সবশেষে অধ্যাপক আসিফ নজরুল স্যার ঠিকই বলেছেন। আপনার ভাষ্যে ওনার যে বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে তার সঙ্গে সহমত পোষণ করছি। ধন্যবাদ ঢাবিয়ান ভাই আপনাকে।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা সুন্দর কমেন্টের জন্য। ভারতে চিকিৎসা করতে যায় মুলত আমাদের দেশের মধ্যবিত্তরা। যে টাকায় ভারতে চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব সেই টাকায় বাংলাদেশের বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়া একপ্রকার অসম্ভব। বেসরকারকারী হাসপাতালগুলো এখন লুটপাঠের একটা আখড়া। মানুষের অসুস্থতাকে জিম্মি করে এখানে চলে লুটপাঠ।ডাক্তারদের কসাই বলা হলেও আসলে বেসরকারী হাসপাতালে রোগীদের গলা কেটে যে পয়সা আদায় করা তার ভাগীদার অনেক। আর সরকারী হাসপাতালগুতো লুটপাঠের স্বর্গরাজ্য। আগা পাশতলা পচন ধরে গেছে এই দেশের সকল সেক্টরে।

১৫| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:৫০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা যে গণলুটপাটে লিপ্ত রয়েছে তার মূল কারণই হচ্ছে এর শীর্ষব্যক্তিটি নিজেই চরম দুর্নীতিবাজ ছিলেন। তিনি শুধুই স্বাস্থ্যখাতই নয়, টেলিযোগাযোগ খাতকেও ভালোই দোহন করেছেন।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: সব কিছুর মুল আমি বলব জবাবদিহিতাবীহিন অগনতান্ত্রিক সরকার।

১৬| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:০৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: যে সিস্টেমেই একটি রাষ্ট্র চলুক না কেন এর মাথা ও সাঙ্গপাঙ্গ যদি সৎ না হয় তবে তা ভেঙে পড়তে বাধ্য - সেটা পুঁজিবাদ, সমাজতন্ত্র বা ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র যেটাই হোক না কেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কল্যাণমূলক অনেক সেক্টর রয়েছে, স্বাস্থ্য এর মধ্যে একটি। এই দেশে সরকারি হাসপাতাল থাকা সত্ত্বেও এর বরাদ্দকৃত অর্থ রাজনৈতিক নেতারা (সেটা লীগ হোক বা বিএনপিই হোক ) লুটপাট করে গোটা সেক্টরের বারোটা বাজিয়ে ফেলেছে। দেশের নেতৃত্বের মধ্যে নূন্যতম নৈতিক মূল্যবোধ না থাকলে সিস্টেম পরিবর্তন করে অশ্ব ডিম্ব প্রসব করা হবে।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪০

ঢাবিয়ান বলেছেন: গনতন্ত্র না ফিরে পেলে কোন পরিবর্তনই আর সম্ভব নয়। দেশে যদি কোনভাবে গনতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনা যায় তবে আজকের উন্মুক্ত তথ্যপ্রযুক্তির কল্যালে পরিবর্তন আসা সম্ভব বলে মনে করি। এখনতো লুটেরার দল ভয় ডরের উর্ধে উঠে গেছে। কারন পদ, ক্ষমতা কোনটাই হারানোর ভয় এখন নাই।

১৭| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২১

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশে বড় বড় পদ গুলোতে যোগ্য লোক নেই। যোগ্য ও সৎ লোকের অভাবে আজ আমাদের দেশের এই অবস্থা।

১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: যোগ্য ও সৎ লোকদের পদে বসার সকল অধিকারই কেড়ে নেয়া হয়েছে।

১৮| ১৪ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৪৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কাকে কি বলবো !!
যে লংকায় যায়
সে ই রাবন হয়।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: রাবনদের জয় জয়কারের দেশ আমাদের।

১৯| ১৫ ই জুন, ২০২০ ভোর ৫:২১

*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বাসস্থান এগুলো একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নের মানদণ্ড না

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: তা ঠিকই কইসেন। দুই চারটা ভাঙ্গাচোরা ফ্লাই ওভার আর পদ্মা সেতু হইল গিয়া আমাদের দেশে উন্নয়নের মানদন্ড।

২০| ১৫ ই জুন, ২০২০ ভোর ৬:১২

কল্পদ্রুম বলেছেন: শুধু নেতারা বাইরে চিকিৎসা নেওয়া বন্ধ করলে হবে না।চিকিৎসকদেরও রাজনীতি করা বন্ধ করতে হবে।সরকারি হাসপাতালে পাতি নেতাদের টেন্ডারবাজি বন্ধ করতে হবে।আর আমজনতাকে ভদ্রতাজ্ঞান অর্জন করতে হবে।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: চিকিৎসকদের রাজনীতি , বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধ করবেটা কে? যারা এই সেক্টরে রাজনীতি করে হাজার কোটি টাকা লুটপাঠ করছে তারা নিজেরা কোন দুঃখে বন্ধ করতে যাবে?

২১| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:১৭

পদ্ম পুকুর বলেছেন: দেশের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা না থাকলে যা হওয়ার, তাই হচ্ছে। করোনার কারণে স্বাস্থ্যব্যবস্থার কংকাল বেরিয়ে পড়েছে। এ রকম সব খাতই কংকালসার হয়ে গেছে। করোনার মত সংকটকাল আসলেই সে কংকালও পরিস্কার হয়ে যাবে।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:০৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: করোনা ভাইরাস: সরকারি কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অযোগ্যতা কোভিড-১৯ পরিস্থিতিকে প্রকট করেছে - টিআইবি
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, টিআইবি'র কাজ শুধু দোষ খুঁজে বেড়ানো, গত সাড়ে ১১ বছর আমাদের দেশ পরিচালনার কোনো কাজে টিআইবি সরকারের প্রশংসা করতে পারে না। তাদের সবগুলো না হলেও অনেক রিপোর্টই একপেশে এবং সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত!!!!!!!

২২| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:৫০

রাফা বলেছেন: পৃথিবির কোন সাস্থ্য ব্যাবস্থাই বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সক্ষম নয়। সেটা ইউরোপ ,আমেরিকার দিকে তাকালেই ঝকঝকে পরিস্কার । প্রথম থেকেই বলেছিলাম ইউরোপ আমেরিকা নয় চীন ও ভিয়েতনামকে অনুসরণ করা দরকার বাংলাদেশের । কারফিউ দিয়ে ডান্ডা মেরে বাঙালীদের সোজা রাখার দরকার ছিলো।
প্রত্যেক প্রবাস ফেরৎ মানুষকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনে পাঠানো বা রাখাটা ছিলো আবশ্যিক। এখন সেই ভুলের খেসারত দিচ্ছে বাংলাদেশ । তিক্ত সত্য এটাই।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আসলে সারা বিশ্বব্যপী যখন একসাথে লকডাউন দেয়া হয়েছিল, তখন বাংলাদেশও কিন্ত আর্মি নামিয়ে স্বল্প কিছুদিন কার্যকর লকডাউন দিয়েছিল। কিন্ত সেটা ছিল শুধুই স্বল্প কিছু দিনের জন্য। সেই কঠিন লকডাউন যদি টানা দুইমাস জারী রাখা হত, তাহলে পরিস্থিতি আজকের এই অবস্থায় এসে দাড়াতো না।

২৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:২০

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:



যুক্তিসঙ্গত। দেশের ভিআইপিরা যেদিন দেশের স্বাস্থ্যসেবায় আস্থা রাখতে শুরু করবেন, সেদিন থেকে এর উন্নয়ন আসবে।

তবে করোনাভাইরাসের যেহেতু কোন চিকিৎসা নেই, একে দিয়ে দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানকে যাচাই করা যায় না। উন্নতদেশ গুলোও একই পরীক্ষায় ফেল মেরেছে।

অনেক শুভেচ্ছা!

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:১৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: করোনা মোকাবেলায় আমাদের সমস্যা এবং উন্নত বিশ্বের সমস্যা এক নয়। হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল ঘুরে ভর্তি হতে না পেরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরনের ঘটনা কেবল আমাদের দেশেই ঘটছে।

২৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ভাবনার মত বিষয় ।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশে সরকারের কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অযোগ্যতার কারণে করোনাভাইরাস সংকট প্রকট হচ্ছে। টিআইবি'র এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, পরিস্থিতির শুরু থেকে লকডাউন সহ সকল পদক্ষেপের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলা নির্ভরতার কারণে অব্যাস্থাপনা বেড়েই চলেছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর আজ ১০০দিন পুরো হচ্ছে। এই সময়ে সরকারের ব্যস্থাপনা এবং সুশাসন নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দুর্নীতি বিরোধী এই সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবি।

সংস্থাটি অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং সুশাসনের ঘাটতি নিয়ে ১০টি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।

অনিয়ম এবং দুর্নীতির নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়কে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তাতে দেখা যাচ্ছে, সংক্রমণ প্রতিরোধের ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসা থেকে শুরু করে অসহায় বা দরিদ্র মানুষকে সহায়তা দেয়ার ক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রভাব পড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে ৫ থেকে ১০ গুণ বাড়তি দামে মানহীন মাস্ক, পিপিইসহ সুরক্ষা সামগ্রী সরকারিভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সেজন্য এসব কেনাকাটার নিয়ন্ত্রণ একটি সিন্ডিকেটের হাতে থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

টিআইবি অভিযোগ করেছে যে, একটি সিন্ডিকেট বিভিন্ন ফার্মের নামে সব ধরণের কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের একাংশ এতে জড়িত রয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে এন-৯৫ মাস্ক লেখা মোড়কে সাধারণ সার্জিক্যাল মাস্ক সরবরাহ করার বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে।

করোনাভাইরাস পরীক্ষার রক্ত সংগ্রহের টিউব, সিরিঞ্জ থেকে শুরু করে পিসিআর মেশিন কেনাসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রীর ক্ষেত্রে নানা ধরণের দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর এতটাই খারাপ প্রভাব তারা দেখতে পেয়েছে যে, নমুনার দূর্বলতা এবং অদক্ষতার কারণে ৩০ শতাংশ টেস্টের ভুল রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে।

টিআইবি বলেছে, শুরুতেই দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে তা বেড়ে গেছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্বাস্থ্য সর্ম্পকিত কার্যক্রমে।

অন্যদিকে বেসরকারি সব হাসপাতালের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

২৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:৫০

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: লেখক বার বার নেপালের কথা আনছেন।নেপাল তো আজকের রাষ্ট্র না,অনেক প্রাচীন একটি রাষ্ট্র ।এতো দিন তো কথায় কথায় নেপালের কথা বলতেন না।সবটাই হলো চীনের খেলা।এর পিছনে আছে চীনের অনেক বড় রণ কৌশল।কয়েক দিন পর সবকিছু স্পষ্ট হবে।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: চীনতো আসল ভিলেন তাতে কোন সন্দেহ নাই। এই মহামারী বিশ্বব্যপী ছড়িয়ে দেয়ার পুরো দায় চীনের। তবে দিন শেষে যার যার নিজের রক্ষার দ্বায়িত্ব তার তারই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.