নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

খয়রাতি, স্বল্পন্নোত দেশ হিসেবেই আমরা পরিচিত বহির্বিশ্বে

২২ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:১৭

''ভারতকে চাপে ফেলতে বাংলাদেশকে 'খয়রাতি' চিনের ''শিরোনামে এক ভারতীয় গনমাধ্যমে খবর এখন টক অগ দা টাউন। জাগো নিউজকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় আমাদের পররাস্ট্রমন্ত্রী বলেছেন , এ বিষয়ে ভারতীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে। চীনের দেয়া সুবিধা সম্পর্কে যে শব্দের ব্যবহার তারা করেছে তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তবে এর বিরুদ্ধে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না।

''ভারতীয় সংবাদ শিরোনামে ফুঁসে উঠছে বাংলাদেশ'' শিরোনামে দৈনিক ইত্তেফাকে খবর এসেছে। খয়রাতি, স্বল্পন্নোত শব্দগুলোয় এই দেশের মানুষ তীব্র প্রতিবাদ করে স্ট্যটাস দিচ্ছে ফেসবুকে। তবে দেশের পররাস্ট্রমন্ত্রী যেহেতু বলেছেন যে তারা এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে চান না , এরপরেতো আর কোন কথা থাকে না।

নেপাল, শ্রীলংকায় কোন বিশেষ দেশের প্রতিনিধিত্ত্বকারী সরকার নাই। সুতরাং এসব দেশ চীন ভারত যুদ্ধ থেকে ফায়দা তুলবে। আমাদের দেশে জনগনের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার ক্ষমতায় নাই। তাই তারা নিজেদের ক্ষমতা বজায় রাখতে কার পক্ষে যাবে তা বোঝার জন্য বিশিষ্ট চিন্তাবিদ হবারও দরকার নাই।

খয়রাতি শব্দটায় যাদের আপত্তি আছে , তারা হয়ত জানে না যে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের এই ইমেজই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। ব্যনানা রিপাবলিক, বাংগালা, কান্ট্রি অফ ক্লিনার ইত্যাদি শব্দ বিদেশীরা যত্রতত্র ব্যবহার করে বাংলাদেশীদের উদ্দেশ্যে। বিদেশে এসব কথা শুনেও না শোনার ভান করে চলতে হয় প্রতিনিয়ত।

জাতিগতভাবে যদি আমাদের মেরুদন্ড থাকে তবে আরেক দেশের সমালোচনা না করে নিজ দেশের স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা উচিৎ যারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে প্রতি মুহুর্তে বিকিয়ে দিচ্ছে দেশের স্বার্থ। এই মুহুর্তে যেই পোস্টটা স্টিকি হয়ে ঝুলছে এই ব্লগে , সেটা এই ব্লগের পক্ষ থেকে বিশাল একটা প্রতিবাদ। এমন হাজারো অহিংস প্রতিবাদ যখন ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র তখনই হয়ত গুনগত কোন পরিবর্তন আসবে আমাদের রাজনীতিতে। তানাহলে মাঠ গরম করা যে কোন ইস্যূর মেয়াদই এই দেশে এক সপ্তাহও না।

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৪

জুন বলেছেন: আপনি তো মিসকিন শব্দটি উল্লেখ করেন নাই ঢাবিয়ান! এই ডাকটাও তো আমাদের শুনতে হয় সৌদি ভাইদের কাছ থেকে। তেল আবিস্কারের আগে যাদের হ্বজযাত্রীদের থেকে আয় আর বিভিন্ন মুসলিম দেশ থেকে দেয়া যাকাত ফেতরায় সংসার চলতো।
ভারত ভালো করেই জানে খয়রাতি কেনো আরো নিকৃষ্ট কিছু বল্লেও আমরা কিছুই করতে পারবো না। সুতরাং খয়রাতিতে সন্তষ্ট থাকেন।

২২ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: সুন্দর বলেছেন জুন আপু। প্রতিবাদ যে কতৃপক্ষের করার কথা তারা সরাসরি বলে দিয়েছে যে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে না। এরপরেও গনমাধ্যমে ও ফেসবুকে বিশিষ্ট জনদের প্রতিক্রিয়া পড়ে মনে হচ্ছে যে '' ফকির চিল্লাইয়া বলতেসে এই আমারে ফকির ডাকছ কেন '' ? যদি জায়গামত প্রতিবাদ করার সাহস নাই থাকে তবে এই হাস্যকর প্রতিবাদ পুরোই অর্থহীন।

২| ২২ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: নেপাল, বাংলাদেশ চীনের সাথে সখ্যতা করলেই ভারতের মাথা আউলাইয়া যায়...

২২ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আন্তর্জাতিক রাজনীতি কি বলে? বাংলাদেশের সরকারের দেশের স্বার্থে কার সাথে সখ্যতা করা উচিৎ ?

৩| ২২ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: খুবই দুঃখজনক ব্যাপার।

২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:১০

ঢাবিয়ান বলেছেন: মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে কয়েক লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করে। এত স্বল্প মূল্যে আর কোন দেশ থেকে শ্রমিক আনা যায় না। কেন এত মানুষকে নিজ দেশ ছেড়ে এত স্বল্প মজুরিতে বিদেশে যেতে হয় ? '' বাংলা'' নামে এদের ডেকে হাসি ঠাট্টা করে ভীনদেশের অশিক্ষিত কুশিক্ষিত মানুষ/। কারা এই দেশের মানুষকে সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে এভাবে ভীন দেশে পারি দিতে বাধ্য করেছে?

৪| ২২ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভারতে একটা গনতান্ত্রিক সরকার চলছে। তারা একটা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের প্রতিনিধি। যারা কিনা সাম্প্রদায়িক অ্যাজেন্ডা নিয়েই ক্ষমতায় এসেছে। একবিংশ শতকের একটা দেশে সাম্প্রদায়িকতা যদি সমস্ত কিছুর উর্ধ্বে হয় তাহলে সেখানে শভশক্তির আশা করেন কেমনে? মোদিজী ভারতের ৫৪ শতাংশ মানুষের ভোট পেয়েছেন। এরা কারা? এমন দলকে ক্ষমতায় পৌঁছে দেওয়ার পিছনে এই জনগোষ্ঠীর লক্ষ্য কি ছিল? একটা দলের অর্থনৈতিক এজেন্ডা যদি ক্ষমতায়নের মূল কথা হয় সে ক্ষেত্রে সেটা নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুলতে পারে। কিন্তু ভারতে মোদিজীর মূল লক্ষ্য কি? অর্থনৈতিক উন্নয়ন না সাম্প্রদায়িক লক্ষ্যে দেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে হিন্দুত্বকে প্রতিষ্ঠা করা।সেই কার্যে মোদিজী ব্যর্থ একথা অতিবড় নিন্দুকও বলতে পারবেন না। এরা অমর্ত্য সেনকেও বিদ্ধ করতে ছাড়ে না। যেহেতু দেশের অভ্যন্তরে অন্যান্য সম্প্রদায়কেও এরা মানুষ বলে মানেনা, কাজেই প্রতিবেশীদের প্রতিও এদের তেমন মনোভাব স্বাভাবিক নয় কি?
এরা কমল হাসানের দিকে আঙুল তুলে পাকিস্তানে যেতে পরামর্শ দেয়।‌গুজরাট দাঙ্গায় সাফল্যের সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ায় পুরষ্কার হিসেবে দেশবাসী মোদিজীকে দিল্লির মসনদে বসিয়েছেন। অত্যন্ত নিপুণ ভাবে সমস্ত উইটনেস নষ্ট করতে পেরেছেন।সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী মোদিজীকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। অথচ সেই মোদিজী আজ প্রমোশন পেয়েছেন।সেই জাতির কাছে থেকে যদি আপনি নিজদেশ সম্পর্কে বন্ধু সুলভ আচরণ পেতেন এবং রিপোর্ট করতেন তাহলে বিষয়টি ভাবনার ছিল।

মনে রাখবেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারত এই মুহূর্তে নির্বান্ধব একটি দেশ। এদের কাছে এরকম আচরণটা খুবই স্বাভাবিক। সরকার করা? দেশের জনগণের বৃহত্তম প্রতিমুখ একথা ভুললে তো চলবে না।






২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: পদাতিকদা, আপনার দীর্ঘ কমেন্টের জবাবে প্রথমেই বলতে চাই যে পাকিস্তান রাস্ট্র কি আর সাধে তৈরী হয়েছিল? মোদি ভারতীয়দের খুব ভাল করেই চিনেছে। সাম্প্রদায়িকতা ভারতীয়দের এখন জাতীয় পরিচয় যা নিয়ে তারা গর্ববোধ করে। এমনিতেই পাশাপাশি দুটো দেশ কখনই বন্ধু হয় না । আর বর্তমান ভারতের সাথেতো মুসলিম প্রধান দেশ বাংলাদেশের বন্ধুত্ব থাকার কোণ কারনই আর অবশিষ্ট নাই। । আসলে বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন বন্ধুত্ব নাইও সম্পর্কটা এখন স্রেফ গোলামির। কারনটা সবারই জানা।

৫| ২২ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ওরা বিদ্রুপ করেছে। তার বিপরীতে আমাদের পত্রিকাগুলির উচিত চীনের সাথে ঘটনা নিয়ে ওদের বিদ্রূপ করা। এই ইস্যুতে বিদ্রুপের সুযোগ আছে। পত্রিকার বিদ্রুপের জবাবে আমাদের সরকার বলতে গেলে বিদ্রূপকে জোর করে গুরুত্ব দেয়া হবে।

২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ৫৭ ধারা কি আর এমনি এমনি বানানো হয়েছে? তাছাড়া বুয়েটের আবরারের ঘটনা কি আমরা ভুলে গেছি।

৬| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:১৫

জুন বলেছেন: সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভারত-চীন উত্তেজনা বাড়ছে। এমন সময় বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য বিনা শুল্কে রপ্তানির সুযোগ দেয় চীন। চীনের দেওয়া এমন সুবিধাকে আনন্দবাজারসহ ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘খয়রাতি’ উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করা হয়। মিডিয়ার এই শব্দটি ব্যবহার ছোট মানসিকতার পরিচয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, এটা খয়রাতি নয়। তাছাড়া এই বিষয়ে ভারত সরকার কোনো কিছু বলেনি। তবে দেশটির কয়েকটি পত্রিকা আপত্তিকর ভাষায় মন্তব্য করেছে। তারা এমন শব্দ ব্যবহার করেছে যা কোনোভাবেই ব্যবহার করা উচিত নয়। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, এবিষয়ে ভারতীয় কয়েকটি পত্রিকার প্রতিবেদন আমাদের নজরে এসেছে। চীনের দেওয়া সুবিধা সম্পর্কে যে শব্দের ব্যবহার তারা করেছে তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তবে এর বিরুদ্ধে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে চাই না। চীন যে সুবিধা দিয়েছে তা আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘদিনের ফসল। অনেকদিন ধরেই আমরা এই সুবিধা চীনের কাছে চেয়ে আসছিলাম।

সুত্রঃ কালেরকন্ঠ পত্রিকা।

২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নিয়ে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভাষা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে দেশজুড়ে। এমনকি বাংলাদেশের সরকার সংশ্লিষ্টরাও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনটি ঢাকার নিজস্ব সংবাদদাতার বরাতে প্রকাশিত হয়। ঢাকায় আনন্দবাজারের প্রিন্ট ভার্সনে কাজ করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ। আর ডিজিটাল মাধ্যমে কাজ করেন জিটিভির কারেন্ট এ্যাফেয়ার্স সম্পাদক অঞ্জন রায়। রিপোর্টের তীব্র সমালোচনা আসায় এই দুই প্রতিনিধি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তারা জানিয়েছেন এই প্রতিবেদন তারা লেখেননি । বিস্তারিত https://mzamin.com/article.php?mzamin=232379

যাক প্রতিবাদের সুফল পাওয়া গেছে !!! চকলেট খেতে চাওয়া শিশুর আবদার রক্ষা করা হয়েছে। আসল কথা আমরা কিসের প্রতিবাদ করতে হয় তাই আসলে শিখিনি।

৭| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৫০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আসল কথা আমরা কিসের প্রতিবাদ করতে হয় তাই আসলে শিখিনি।

শিখিনি ঠিক নয় ভায়া্ জানে সবাই। কিন্তু এ জাতির দূর্ভাগ্য বিরোধীদলের লাগামহীন ব্যার্থতা। প্লাটফর্ম না থাকলে আপনি একক ব্যাক্তির কি মূল্য? আবার সে মূল্যায়ন সৃষ্টি করার মতো নেতৃত্ব এখনো দাড়াতে পারেনি।
বহু বহু সম্ভাব্য সুযোগ ছিল গেছে আছে, কিন্তু আম জনতা নিরুপায় খয়রাতি শুনে যা একটু ফেসবুকেই প্রতিবাদ জানিয়েছে।
আর নূন্যতম চকলেট বাণী নিয়েই আপাতত সন্তুষ্ট!

থাক । অনেক কিছু বলার আছে। সাতান্নর ঠেলায় আপাতত চুপই রইলাম।
চোর তো চুরি করবেই, সন্ত্রাসী সন্ত্রাস করবেই, স্বৈরাচার স্বৈরাচারীতাইতো করবে
কেউ যদি আশা করে স্বৈরাচার তাদের ডেকে নিয়ে বলবে- এই নিন ক্ষমতা, আমরা ভুল করেছি
জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে আপনাদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিলাম! সে বোকার স্বর্গে গাজায় দম দিয়ে বসে আছে!
তা লন্ডন হোক বা গুলশান!

এখন অন্তহীন প্রতীক্ষা কোন এক বিপ্লবীর অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কিংবা আসমানী সাহায্যের!!!!

২৩ শে জুন, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে চরিত্রগত কোন পার্থক্যই নাই। সবই এক গোয়ালের গরু। তাই বিরোধীদল নামধারী চোর ডাকাতের দল এর কাছ থেকে মানুষ ভাল কিছু আশা করেও না। কিন্ত আদিকাল থেকেই এই দেশে অত্যাচারী শাষকের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করে আসছে এই দেশের জনগন। ৫৭, ৭১ এবং ৯০ তার প্রমান। তখন প্ল্যটফর্ম ছিল কেবলই রাজপথ। আর উন্নত টেকনোলজির এই যুগে এখন রাজপথের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে সোস্যাল মিডিয়া। বিভিন্ন দেশে জনগন এই প্ল্যটফর্মকে কাজে লাগিয়ে ব্যপক রাজনৈতিক পরিবর্তন এনেছে। কিন্ত আমাদের দেশে মানুষের মাঝে একতা নাই। ৫৭ ধারার ভয়ে মুখ বুজে থাকতে থাকতে এখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরন করে কবরে যাচ্ছে মানুষ। তারপরেও বোবা হয়ে থাকাকেই শ্রেয়তর মনে করে। অথচ এই জাতি ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধ করেছিল ।

৮| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৩১

সাইন বোর্ড বলেছেন: ওরা খুব ভাল করেই জানে, এর চেয়ে আরো নিকৃষ্ট শব্দ ব্যবহার করলেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোন কড়া প্রতিবাদ আসবে না ।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: সব কিছু বিলিয়ে দেয়ার পরও ওরা কি নিকৃষ্ট শব্দ ব্যবহার করছে সেটা জরুরী নয়। বহির্বিশ্বে মানুষ আমাদের যেভাবে চেনে ওরাও তাই মনে করে। কিন্ত সেটা কি প্রতিবাদের বিষয় হতে পারে? প্রতিবাদ হতে হবে তাদের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে।

৯| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:০৯

কল্পদ্রুম বলেছেন: ভারতের সাম্প্রদায়িকতার পুনরুত্থান নিয়ে একটি ছোট পর্যবেক্ষণ বলি।
কয়েক মাস আগে টিভি বিজ্ঞাপনটা দেখেছিলাম।এই মন্তব্য করার উদ্দেশ্যে গুগল থেকে ছবিটা খুঁজে বের করলাম।বিজ্ঞাপনটা দেখে আমার মনে হয়েছিলো "আসল ক্ষত্রীয়" বলে একরকম নিরীহ পদ্ধতিতে কাস্ট সিস্টেমকে গ্লোরিফাই করা হচ্ছে।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভারতীয় হিন্দুদের কাস্ট সিস্টেম নিয়ে আসলে সমালোচনায় যেতে চাই না। এটা একান্তই তাদের সমস্যা । ধর্ম নিয়ে আলোচনা যত কম তত বেশি শান্তি সেই সমাজে।সংখ্যাগরিষ্ঠ ফ্রি থিংকার এর দেশে বসবাস করি । কিন্ত সামাজিক ভাবে বা পাবলিকলি এই ফ্রি থিংকারদের ধর্ম নিয়ে কোন প্রকার আলোচনা করতেই কখনও শুনিনি।

১০| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমরা আসলেই অনেক দরিদ্র।
বর্তমানে আমাদের দেশের অবস্থা খুব খারাপ। যারা এতদিন বলেছে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে আজ তারা নিজেরাই লজ্জায় আছেন।

ঢাকা শহরের মানূষ গ্রামে চলে যাচ্ছে। বাড়ি ভাড়া দিতে পারছে না। কেউ কেউ পালিয়ে যাচ্ছে।
সৌদির লোকজন আমাদের দেশের শ্রমিকদের মিসকিন বলে ডাকে।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: পৃথীবির আর সব দেশের সরকার রিজার্ভ ব্যবহার করে এই সংকটের সময়ে জনগনের পাশে এসে দাড়িয়েছে। একমাত্র আমাদের দেশেই এই সংকটের সময়েও জনগনকে সাহায্য না করে ৫৭ ধারা ব্যবহার করে জোড়পুর্বক দাবিয়ে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত শ্রেনী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে উচ্চহারে । সামনে ঘোরতর অন্ধকার। সব হারানো মানুষগুলো এরপর জীবন বাচাঁতে চুরি ডাকাতিতে লিপ্ত হবে।

১১| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:১৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সবচেয়ে দুঃখজনক সরকার এখনো প্রতিবাদ করেনি। আর খয়রাতি বলা লোক ঢাকায় বসে দেশের খেয়ে চেতনার লেবাস পরে আছে।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: খয়রাতি শন্দ নিয়ে প্রতিবাদের চাইতে আরো হাজারো অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বেশি জরুরী।

১২| ২২ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:২২

কল্পদ্রুম বলেছেন: যদিও আমি হিন্দী খুবই কম বুঝি।মন্তব্যটা করার পর মনে হচ্ছে khatre আর ক্ষত্রীয় শব্দ বুঝতে ভুল করেছি কি না।তবে ভারতের পত্রিকা আমাদের নিয়ে কি মন্তব্য সেটা নিয়ে আমাদের প্রতিবাদ জানানোর চেয়ে আন্তর্জাতিকভাবে নিজেদের অবস্থান উন্নত করাই আমাদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমার মনে হয় ক্ষত্রীয় বুঝিয়েছে। আপনার মন্তব্যের সাথে একমত। আন্তর্জাতিকভাবে আপনার দেশ যেমন তেমন হিসেবেই চিনবে।

১৩| ২৩ শে জুন, ২০২০ ভোর ৪:১৪

মা.হাসান বলেছেন: আশির দশকে আনন্দবাজার গ্রুপের আরেকটি পত্রিকা, ''দেশ'' , বাংলাদেশ সম্পর্কে লিখতে যেয়ে লিখেছিলো '' তথাকথিত বাংলাদেশ''। আলহাজ লে জে হো মো (অবঃ) এরশাদ সাহেব তখন ক্ষমতায়। ঐ ঘটনার পর বাংলাদেশে ''দেশ'' পত্রিকা নিষিদ্ধ করা হয় (বেশ কিছুদিন পর অবশ্য চালু হয়েছিলো, কেমন করে মনে নেই)। মজার বিষয় হলো 'দেশ' পত্রিকার ভারতে যা সার্কুলেশন, বাংলাদেশে সার্কুলেশন তার চেয়ে অনেক বেশি ছিলো (এখনকার চিত্র জানা নেই)। বাংলাদেশে সে সময় 'দেশ' নিষিদ্ধ হবার পর পত্রিকা কতৃপক্ষ বাধ্য হয় পত্রিকাটির মান কমিয়ে দিতে। এর চাকচিক্য কমে যায়, কম দামের নিউজপ্রিন্টে ছাপা শুরু করা হয় এবং পৃষ্ঠার সংখ্যা কমিয়ে দেয়া হয়।

ভারতের কিছু সংখ্যক (এরা সংখ্যায় খুব বেশি না বলেই মনে হয়) লোকের মাঝে শক্ত বাংলাদেশ বিরোধী মনোভাব আছে। এবিপি গ্রুপ অনেক আগে থেকেই এই মতবাদকে উষ্কে দেয়ার চেষ্টা করে আসছে।

বিশ্ব বেহায়ার যতটুকু হায়া ছিলো কোনো কোনো হযরতজিরই সেটুকুও নেই।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ১৯৮৩ সালে নির্বাচিত সরকারের অধীনে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সামরিক শাসন জারীর মাধ্যমে দেশ শাসন করেন। দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুন:প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ঘোষণা করে তিনি ১৯৮৬ সালে সংসদীয় সাধারণ নির্বাচন দেন। এই নির্বাচনে তিনি স্বপ্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে অংশ গ্রহণ করেন এবং পরে পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে গণবিক্ষোভের চাপে এবং সেনাবাহিনীর সমর্থনের অভাবে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

এরশাদ যেমনই হোক ক্ষমতায় ছিল নিজের জোড়ে বা সেনাবাহিনীর ঊপড় ভর করে , আরেক দেশের দাসগিরি করে নয়। তাই হায়া সরম ছিল।

১৪| ২৩ শে জুন, ২০২০ সকাল ১১:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: বাংলাদেশকে চীনের বাজারে ৯৭% শূল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়াকে কেন খয়রাতি বলা হচ্ছে ভারতীয় মিডিয়ায়?

ইন্ডিয়াতে আমপান যে রাতে আঘাত হানলো আমরা সে রাতে সারারাত জেগে কলকাতার খবর নিয়েছি। লাইভে কলকাতার তাণ্ডব দেখেছি, ধ্বংস দেখেছি। অগণিত ছবি শেয়ার হয়েছে আমাদের বাংলাদেশের ফেসবুকে। আমাদের মেজোরিটি ইনভলভ ছিলো সেই শোক পালনে।

ওপারে যত পরিচিত মানুষ ছিলো তাদের খবর নিয়েছি। তারা কেমন আছে জেনেছি। আমার একই ভাষায় কথা বলা মানুষগুলাকে আমরা তো কখনও আলাদাভাবে দেখিনি।

আজকে আনন্দবাজার খুব জঘন্য একটা নিউজ করলো। চায়নার খয়রাতের টাকা পেয়ে আমরা চায়নার কাছে ঘেঁষছি এমন ইংগিত করে। ব্যাপারটা খুবই দুঃখজনক। সেই নিউজ আনন্দবাজার একাধিকবার শেয়ার করেছে। জি নিউজ সহ অন্য সব পোর্টাল সেটা নিয়ে রীতিমত ফাইজলামি করেছে। আমাদের মেইনস্ট্রিম সেটাকে আনএক্সপেক্টেড বলেছে।
মমতা নামের তাদের একজন নেত্রী আছেন। যিনি আমাদের তিস্তার পানি দেননি। তবুও তাকে আমরা এই করোনা এবং আমপানের সময়ে প্রচুর পজেটিভ বলেছি। তার একটিভিটি দেখে খুশি হয়েছি। তার প্রসংশা করেছি।
ভালোবেসে দুইটা দেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আমরা আলাদা ভাবিনি। শিল্প সাহিত্যকে আলাদা ভাবিনি। যতটা স্পেস আমরা পাইনি তারচেয়ে হাজারগুন বেশি দিয়েছি। ইভেন আমি অনেকের কাছে আক্ষেপ করেও বলেছি কলকাতার মত আমরা ক্রিয়েটিভ না। আমরা বিনোদনের জন্য যা যা দেখেছি স্বীকার করেছি।

মুম্বাই দিল্লি তো অনেক দূর। আমার কাছে বিদেশের মত। অথচ কলকাতা তো এখনও ঘরের মতই তাই না? ইভেন আমাদের রক্ত মাংসও আলাদা না। একভাবে খাই, এক ভাষায় কথা বলি, একই অভিব্যক্তিতে মন খারাপ করি।
রবীন্দ্রনাথকে কখনও আলাদা ভাবিনি। সমরেশকে না, সত্যজিৎকে না, অঞ্জন দত্তকে কে না। কাউকেই না। আপনারা এদেশে কাজ করতে এসে কারও দাদার বাড়ি বরিশালে, কারও নানা বাড়ি ময়মনসিংহে এসব বলেছেন। আমরা শুনে আহ্লাদে গদগদ হয়েছি। ঘরের মানুষ ভেবে কাছে টেনে নিয়েছি।

দুটো দেশের সরকার পজেটিভ ছিলো নিজেদের প্রতি। বন্ধু রাষ্ট্রের ট্যাগ ছিলো। অথচ আমরা দেখেছি আমরাই শুধু ঠকেছি। সীমান্তের হত্যার হিসেব মেলাতে পারিনি কখনও। বন্ধু- বন্ধুতে বসার সুযোগ ছিলো অনেক। আমরা বসিনি, গুলি থামেনি।
ফিনানশিয়াল কন্ডিশন, লাইফস্টাইল, উন্নত অনুন্নত এসব হিসাব করতে চাই না। ইভেন চায়না আমাদের যে খয়রাত দিয়েছে তারচেয়ে বেশি দিয়েছে ইন্ডিয়াতে। সেসব নিয়ে আমাদের মিডিয়ে কোনোদিন দুইটা শব্দও লিখেনি।

একদিন চূড়ান্ত অবাক হলাম যেদিন আমি জানলাম কলকাতার মত পোর্টে শুধুমাত্র বাংলাদেশি এবং পাকিস্তানিদের জন্য আলাদা ইমিগ্রেশন করা হয়। আমি ব্যাপারটা মেনেই নিতে পারি নাই। আমরা না এদের বন্ধু রাষ্ট্র! এ কেমন বন্ধত্বের নমুনা?

বাংলাদেশ কারও খয়রাতে চলে না। আমার দেশের কৃষক শ্রমিক, গার্মেন্টস ওয়ার্কার আর বিদেশ গিয়ে রক্ত পানি করা টাকায় এই দেশ চলে। এই নিউজের ভাষা আমার ভালো লাগে নাই। আমার দেশকে নিয়ে বলা উল্টাপাল্টা কোন কথা আমার ভালো লাগে না।

ভারতীয় সরকার আমাদের কাছে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক শত্রুতে পরিনত হয়েছে অযথাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাক গলানোর জন্য। কলিকাতার মেইন স্ট্রীম মিডিয়াও যদি একই রাস্তা ধরে তাহলে আমরাও হয়তো বাধ্য হবো একদিন তাদেরকে কাছে নয় দূরে ঠেলে দিতে।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভারতীয় জনগনের সাথে আমাদের কোন সমস্যা নাই। বিদেশে বরং ভারতীয়দের সাথেই আমাদের বন্ধুত্ব বেশি হয় কালচারাল সিমিলারিটির কারনে। অনেক দেশেই এখন বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বিদেশে জন্ম নেয়া বাংলাদেশীদের মাতৃভাষা শেখাতে। এসব স্কুল্গুলো প্রবাসী বাংলাদেশী ও কোলকাতার মানুষ একসাথে মিলেমিশে চালাচ্ছে, কালচারাল ফাংশন করছে। এপার ও ওপার বাংলার মানুষের মাঝে সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপুর্ন। এছাড়া যে পরিমান মানুষ আমাদের দেশ থেকে ইন্ডিয়ায় যায়, সুচিকিৎসা বা ভাল ব্যবহার না পেলে যেখানে যেত না।

রাজনীতি বিষয়টা পুরোপুরি আলাদা। দুই দেশের গনমাধ্যম যার যার দেশের স্বার্থ দেখবে এটাই স্বাভাবিক।

১৫| ২৩ শে জুন, ২০২০ সকাল ১১:২৮

কাছের-মানুষ বলেছেন: আমাদের পররাষ্ট্রনীতি শক্ত করতে হবে। পুরো রিপোর্টটি আমি পড়িনি তাই না জেনে মন্তব্য করতে পারছি না।
তবে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি কোমরে ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছে। চিন আমাদের সাথে সখ্যতা করতে চাইছে এই সুযোগে রোহিঙ্গা ইস্যু সামনে আনা যেতে পারে, যদি কোন সুবিধা পাওয়া যায়!

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিশ্বে কোনঠাসা হয়ে পড়া চীনের এখন মিত্রের দরকার। যেসব দেশ এখন চীনের সাথে সখ্যতা করবে, তারা সবাই লাভবান হবে। এটা এখন ক্রিস্টাল ক্লিয়ার।

১৬| ২৩ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: জাতিগতভাবে যদি আমাদের মেরুদণ্ড থাকে......। আর তো কিছুই বলার নেই।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: অনলাইনে একজন লিখেছেন -


যারা খয়রাতি শব্দটা নিয়ে চটেছেন তারা দুঃখজনকভাবে মাথা ছেড়ে লেজ নিয়ে আছেন।আনন্দবাজার আসলে কী বলতে চেয়েছে?

বলতে চেয়েছে বাংলাদেশ অন্য রাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য করতে পারবে না।

লক্ষ্য করুন আনন্দবাজার কী লিখেছে, "প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক বিষিয়ে দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে একঘরে করে ফেলার কৌশল বাস্তবায়িত করছে বেজিং। কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ তাদের নিশানা।"

চিনে শুল্কমুক্ত পণ্যের সুবিধা পেলে কীভাবে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের মন বিষিয়ে দেয়া যায়?

মানে বাংলাদেশে অন্য রাষ্ট্র লগ্নি করতে পারবে না। বাংলাদেশ অন্য কোথাও পণ্য রপ্তানীতে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা নিতে পারবো না। অন্য কোন রাষ্ট্র দিতে চাইলেও নেয়া যাবেনা।

এর অর্থ হচ্ছে, আনন্দবাজার স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে চায়। তার স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করতে চায়।

আপনার তো এই অংশটা নিয়ে চটা দরকার। ( ফেসবুক থেকে সংগৃহীত )

১৭| ২৩ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ম হাসান যেটা বলেছেন, ওই ঘটনার পর শুধু চাকচিক্য নয়, বরং 'দেশ' সাপ্তাহিক থেকে মাসিকে পরিণত হয়েছিলো বলে হুমায়ুনের এক লেখায় পড়েছিলাম।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশ তাদের বাজার । এই বাজারের সুবিধা দিয়ে তাদের কাছ থেকে বরং অনেক কিছু আদায় করার কথা। কিন্ত ,,,

১৮| ২৩ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:১৬

মা.হাসান বলেছেন: ওই ঘটনার পর শুধু চাকচিক্য নয়, বরং 'দেশ' সাপ্তাহিক থেকে মাসিকে পরিণত হয়েছিলো

ধন্যবাদ পদ্মপুকুর ভাই, ওটা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য। দেশ কিন্তু এখনো আস সাপ্তাহিক হিসেবে ফিরে আসতে পারে নি, এখন ওটা পাক্ষিক।

ঐ ঘটনার পরে আরেকবার দেশ অপকর্ম করেছিলো। বাংলাদেশকে আঘাত করে তসলিমা নাসরিনের লেখা একটা কবিতা দেশে ছাপা হবার পর বাংলাদেশ সরকার ঐ সংখ্যা বাংলাদেশে বাজেয়াপ্ত করে। দেশ তখন বিবৃতি দিয়েছিলো যে না পড়েই ঐ কবিতা তারা ছাপিয়েছিলো, পড়া হলে ঐ কবিতা তারা নিজেরাই ছাপাতো না। (আমি এর পর বাক্য হারা)।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: :)

১৯| ২৩ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:২৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ভারত এখন চীনকে পাল্টা জবাব দিতে না পেরে উল্টো বাংলাদেশকে খয়রাতি বলে কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করছে।

কিন্তু অচিরেই বাংলাদেশ ভারকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা রাখি।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৪:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিনা চিকিৎসায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ, ভাড়া দিতে না পেরে রাজধানীর বাসা বাড়ি ছেড়ে রাতের আধারে পালিয়ে যাচ্ছে অগনিত মানুষ , আর আপনি স্বপ্ন দেখছেন অচিরেই বাংলাদেশ ভারকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা রাখি!!!

আকাশ কুসুম কল্পনা মনে হয় একেই বলে!!!

২০| ২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: খয়রাতি বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

২৩ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৫:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: যাক এবার প্রতিবাদকারীরা শান্তিতে ঘুমাতে যেতে পারে। কিন্ত বিদেশে যে আমাদের প্রতিনিয়ত এইরকম হাসি ঠাট্টা, মশকরার শিকার হতে হয় সেটার কি হবে?

২১| ২৩ শে জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৬

কল্পদ্রুম বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভারতীয় হিন্দুদের কাস্ট সিস্টেম নিয়ে আসলে সমালোচনায় যেতে চাই না। এটা একান্তই তাদের সমস্যা । ধর্ম নিয়ে আলোচনা যত কম তত বেশি শান্তি সেই সমাজে।সংখ্যাগরিষ্ঠ ফ্রি থিংকার এর দেশে বসবাস করি । কিন্ত সামাজিক ভাবে বা পাবলিকলি এই ফ্রি থিংকারদের ধর্ম নিয়ে কোন প্রকার আলোচনা করতেই কখনও শুনিনি।

দুঃখিত ভাই।আমি আসলে আমার আগের মন্তব্য এবং পরের মন্তব্য ঠিকমত লিখতে পারি নি।প্রথম মন্তব্যের উদ্দেশ্য ভারতীয় ধর্ম নিয়ে আলোচনা ছিলো না।আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম কাস্ট সিস্টেমের মত একটা বিষয় যদি ওদের মিডিয়াতে গ্লোরিফাই করতে পারে তবে ওদের দেশের মিডিয়ার বক্তব্য নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানো উচিত না।ওদের কাছ থেকে গঠণমূলক কোন সমালোচনা আশাই করা উচিত না।মাথা গরম করা তো সময় নষ্ট।

২৩ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: বুঝতে পেরেছি। আপনার বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। উপড়ে ব্লগার পদাতিক চৌধুরির কমেন্টেই বোঝা যায় যে ভারতের বর্তমান অবস্থা কি। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর কমেন্টের জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.