নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গনস্বাস্থ্যের করোনা কীট সরকারী অনুমোদন পায় না কিন্ত লাইসেন্সবীহিন রিজেন্ট হাসপাতাল করোনা টেস্ট ও চিকিৎসার অনুমোদন পায় !!

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৩৩

সার্স ভাইরাস টেস্টের কিট বানানোর কাঁচামাল থেকেই করোনা ভাইরাস টেস্টের কিট তৈরি করেছেন বাংলাদেশের গবেষক ড. বিজন কুমার শীল৷ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে তাদের ১০ হাজার কিট প্রস্তুত আছে যার মধ্যে পরীক্ষার জন্য কয়েকশো নিতে পারে সরকার।"এটা দিচ্ছি তারা (সরকার) যাতে কম্পারিজন (তুলনা) করতে পারে।"
আশা করা হচ্ছে যে, এই কিট দেয়ার পর কিছুদিনের মধ্যে সরকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে। অনুমোদন পাওয়ার পর পর্যায়ক্রমে এক লাখ কিট দেয়া হবে বলে জানানো হয়।

কিন্ত শেষ পর্যন্ত গণস্বাস্থ্যের কিট নেয়নি ওষুধ প্রশাসন । সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের উদ্দেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আপনাদের সব ন্যায্য পাওনা দেব, কিন্তু ঘুষ দেব না। গণস্বাস্থ্যের ৪৮ বছরে কাউকে ঘুষ দেইনি, এতে প্রোডাক্ট বাজারে আসুক না আসুক, আমরা ঘুষ দেইনি, দেব না। প্রয়োজনে আমরা আন্দোলন করে যাব।https://www.jugantor.com/national/others/301893/

দেশে মার্চের শেষের দিকে করোনার প্রকোপ শুরুর পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে চুক্তি হয় সাহেদের রিজেন্ট হাসপাতালের, অথচ সে সময় হাসপাতালের লাইসেন্স পর্যন্ত ছিল না। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কীভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চুক্তি করল- এ প্রশ্নে অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আমিনুল হাসান বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘বাধ্য হয়ে’ তা করেছিলেন তারা। গত মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটার পর শুরুতে ছোঁয়াচে এই রোগে আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল খুঁজে পাওয়াটা কঠিন ছিল বলে জানান অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। অথচ গনস্বাস্থ্য করোনা কীট ও হাসপাতাল রেডী করে বসে ছিল। তাছাড়া এই দেশের বেসরকারী হাসপাতালগুলোর কি করে সাহস হয় করোনা রোগী বা অন্য রোগীদের চিকিৎসা সেবা না দিয়ে ফিরিয়ে দেবার? এই পৃথীবির আর কোন দেশে এমন তাজ্জব কাহিনী শোনা যায়নি যে হাসপাতাল রোগীদের ভর্তি নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে করোনার ভয়ে!!! যে কোন রোগীকে বিনা কারনে চিকিৎসা সেবা দিতে অপারগতা প্রকাশতো চিকিৎসা শাস্ত্রের শপথ ভঙ্গের শামিল।

রিজেন্ট কেলেঙ্কারিতে এখন শাহেদ টক অব দ্য কান্ট্রি। অথচ তার এই প্রতারক পরিচয় চিহ্নিত হয়েছিল আগেই। ২০১৬ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নথিতে তাকে ভয়ঙ্কর প্রতারক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছিল। তারপরও মোহাম্মদ শাহেদ ওরফে শাহেদ করিম থেকে গেছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই। https://mzamin.com/article.php?mzamin=234768

জাপান , দক্ষিন কোড়িয়া ও ইতালিতে ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে বাংলাদেশীরা ধরা পড়ে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ইমেজ সংকট তৈরী নাহলে আর দশটা লুটপাট বানিজ্যের মত এই ভুয়া করোনা সার্টিফিকেট বানিজ্যও যে ধুমিয়ে চলত তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অরাজকতা, নিল্লজ্জতা, অনিয়ম ও দুর্নীতি এই রাস্ট্রে এমন পর্যায়ে পৌছিয়েছে যে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে বলেন যে '' রিজেন্টের সাথে চুক্তিতে ডিজির অনুরোধে আমি উপস্থিত ছিলাম মাত্র, চুক্তি সম্পর্কে কিছু জানি না''! তার সাথে সুর মিলিয়ে স্থানীয় সরকার আর জননিরাপত্তা সিনিয়র সচিব বলেন ''স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনুরোধে আর চা নাশতা খেতে চুক্তি স্বাক্ষর মিটিংয়ে রয়ে গিয়েছিলাম!''


একজন ছিচকে জালিয়াত শাহেদ বা ডাক্তার সাবরিনার বাংলা সিনেমা স্টাইলের গ্রেফতারে উল্লশিত হবার কিছু নাই। আর কয়েকদিন পর যখন এই ইস্যূ স্তিমিত হয়ে নতুন ইস্যূ তৈরী হবে, তখন এরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার তাদের পুরাতন লুটপাটের বানিজ্যে ফিরে যাবে। এটাই এখন এই দেশের অলিখিত রীতিতে পরিনত হয়েছে।

মন্তব্য ২৯ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৪৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: “সত্যিই সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ!”

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: চলিতেছে সার্কাস

২| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:১৩

কল্পদ্রুম বলেছেন: গণস্বাস্থ্যের কিটের সময় যেভাবে সরকারি প্রটোকলের দোহাই দিলো।মনে হবে যেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মের বাইরে এক পাও দেয় না।রিজেন্টের ঘটনায় স্বাস্থ্য খাতের যে কোন কর্মকর্তার লজ্জা পাওয়া উচিত।সবাই কমবেশি দায়ী।সরকারি কোন কাজ তো একক ব্যক্তির হাতে হয় না।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ডাক্তার জাফরুল্লাহতো প্রকাশ্যেই বলেছেন যে প্রশাষন ঘুস চেয়েছে। সেখানে সরকারী প্রটোকলের আবার কিসের দোহাই?

৩| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার মনে হয়, দেশের স্বাস্থ্য দপ্তরের দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনা দেশের অন্য সব সেক্টরের দুর্নীতিকে ছাড়িয়ে গেছে এবং দেশের সর্বকালের দুর্নীতির রেকর্ডকে ম্লান করে দিয়ে দেশে ও বিদেশে সরকারের এবং জাতির মানসম্মানকে ভূলুন্ঠিত করেছে। এই পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেনে ধরা আশু প্রয়োজন।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব সুন্দর বলেছেন শ্রদ্ধেয় জনাব খায়রুল আহসান। এই পাগলা ঘোড়ার লাগাম টেনে ধরা আশু প্রয়োজন।

৪| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,




দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দীর্ঘকাল থেকেই ক্রনিক ডিসেন্ট্রিতে (আমাশয়) ভুগে আসছে। এখন ভুগছে এ্যাকিউট ডায়রিয়াতে। এর কর্তাব্যক্তিদের মুখের কথা এখন ডায়রিয়ার মতোই ঝরছে তো ঝরছেই যেখানে শুধু পানি ছাড়া সামান্য ফর্মড এ্যালিমেন্ট এরও দেখা নেই।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: এমন কোন সেক্টর বাকি নাই এদেশে যেটাতে দুর্নীতি একটু কম আছে বলা যায়। মহামারী পিরিয়ডে স্বাস্থ্যখাতটা একটু বেশি দৃষ্যমান হচ্ছে।

৫| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: শ্রদ্ধ্যেয় খায়রুল আহসান স্যার সুন্দর করে বলে দিয়েছেন।

ঢাবিয়ান আপনি চরম সত্য কথা পোষ্টে লিখেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আজকাল তো কেউ সত্য বলে না। বলতে ভয় পায়।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৩৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: মানুষের ভয় পেয়ে বোবা সেজে থাকা দেখে ভাবতেও অবাক লাগে যে এই দেশে কোনদিন মানুষ অত্যাচারী শাষকের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল।

৬| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৫৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ন্যাংটার আবার শরম!


রাতের আঁধারে অবৈধ ভোটের সরকারের কাচৈ আপনি নীতি নৈতিকতা আশা করেন কেন?
আর যারা চেতনার নামে অন্ধ সমর্থন দিয়ে গেছে দিচ্ছে- দেইখেন তাদের বিন্দুমাত্র লাজ শরম নাই।
এখনো তাদের ডিফেন্ড করে আগের মতোই!

বিরোধি দল নামের ক্লিবদের ব্যার্থতাও সবিশেষ ভাবনার। তাদের অক্ষমতায় পুরা জাতি আজ
ভয়াবহ দুর্যোগে। অন্যায় কারীতো অন্যায় করবেই- তাকে ঠেকাতে চাই শক্ত মুগর!

মুগর ওয়ালা কই???

১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে । এদেশের মানুষ শুধু কবিতা আবৃত্তি করাটাই শিখলো কবিতার মর্মার্থ অনুভব করতে শেখেনি বলেই আজ এই অবস্থা।

৭| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সাহেদ ঘরের লোক আর গণস্বাস্হ্য বাহিরের লোক । কামাই না হলে সংসার চলবে না।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:০৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: এক বাক্যে মুলসত্য তুলে ধরলেন।

৮| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২২

আরোগ্য বলেছেন: বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার কথা আর কি বলবো। এবার ভুল চিকিৎসার শিকার তো আমিও হয়েছিলাম। আল্লাহর রহমতে তেমন বিপদগ্রস্ত হয়নি। কিন্তু আফসোস এক জায়গাতেই চিকিৎসার মত এহেন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের পরিশোধনে সরকারের কোন ভ্রূক্ষেপ নেই। খালি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: মানুষ এখন ভয়ঙ্কর অসুস্থ হলেও হাসপাতালে যেতে ভয় পায়। অবস্থা এখন এমন দাড়িয়েছে।

৯| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:২৬

নুরুন নাহার লিলিয়ান বলেছেন: কবি সেখানেই নীরব । এই করোনা কালে ও অনেক জায়গায় ঘুষ খেয়ে অবৈধ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:১৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই দেশে এসব অতি স্বাভাবিক ব্যপার।

১০| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৪:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: পোস্ট পড়ার পর যে কথাটি বলতে চেয়েছিলাম দেখছি তা নেওয়াজ আলি বলে ফেলেছেন!! আসল কথা হলো, সাহেদের অর্থের ভাগীদার হওয়া যায়, গনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট থেকে কোন টাকা বের হয় না।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৩৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: মন্তব্যে যেটা বলেছেন সেটাই আসল সত্য। অথচ করোনা কীট এর ফর্মুলা উন্মুক্ত করে দিতে চেয়েছিলেন ডাক্তার জাফরুল্লাহ এ দেশের ফার্মাসিউটিক্যল কোম্পানিগুলোর কাছে। এই কীটতো তখন বিদেশেও রপ্তানি করা যেত।

১১| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

মুজিব রহমান বলেছেন: আজও ১৪ হাজার পরীক্ষা হয়েছে। মাঝে আরো নেমে গিয়েছিল। রোগী বাড়াতে হলে পরীক্ষা বাড়াতে হবে। নইলে আক্রান্তরা ঘুরে বেড়াবে এবং হঠাৎ করেই বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: জানিনা কারা এখন পরীক্ষা করতে যায়। আমার পরিচিত সবাই এখন করোনার উপসর্গ দেখা দিলেই বাসায় বসে করোনার চিকিৎসা নেয়া শুরু করে দেয়। করোনা টেস্ট এর উপরেই সবার ভক্তি উঠে গেছে। ভুলভাল রিপোর্ট নিয়ে আরো বিভ্রান্তিতে পড়তে কেউ আর রাজী নয়।

১২| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:১০

ডি মুন বলেছেন:
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কথাবার্তা শুনলে মনে হয় উনি যেন কচি খোকা, কিছু বোঝেন না।
উনাকে যেখানে যেতে বলা হয় উনি যান, যা করতে বলা হয় উনি করেন।

কিছুদিন আগে নিউজে দেখলাম, নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন, নিয়ম ভেঙে বাইরে ঘোরাফেরার করা জন্যে সমালোচিত হয়ে। করোনা নিয়ে আমাদের দেশে এই যে সীমাহীন দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনা, কোনো মন্ত্রী/এমপিকে লজ্জা পেতেও তো দেখলাম না, পদত্যাগ তো দূরের কথা!!!

এরকম অবস্থা নিয়ে ডিজিটাল তো দূরের কথা দেশকে 'এনালগ' রাখাও সম্ভব না।
সভ্য হতে কয়েক হাজার বছর লাগবে আমাদের।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, ''দেশে কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে একের পর এক দুর্নীতি, জালিয়াতি, প্রতারণা ও সাগরচুরির অভিযোগ ওঠেছে স্বাস্থ্য খাত নিয়ে।এর মাঝে ‘রিজেন্ট ও জেকেজির ঘটনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির খুবই ছোট উদাহরণ’ ।

১৩| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৮:৫৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সব নষ্টের দখলে যাবে ।

১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: মহামারীর এই দুর্যোগে চারিদিকে শুধু মৃত্যূর পদধনি। পুরো পৃ্থীবি এখন বেদনার ভারে ভারাক্রান্ত। এক আমাদের দেশেই শুধু এরই মাঝে চলছে চুরির মহোৎসব!!

১৪| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪৮

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: বলার কিছু নাই রে ভাই।

১৫| ১৫ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:০৯

মা.হাসান বলেছেন: শাহেদ- সাবরিনা এনারা চুনোপুটি। টাকার ভাগ কতদূর যায় এটা পাবলিক জানেনা এমন যারা ভাবে তারা ভোদাই।
করোনার কিট আমদানি করে কিছু লোক শত শত কোটি টাকা কামাই করেছে। গন স্বাস্থ্য ৩০০ টাকায় কিট বিক্রির প্রস্তাব না দিয়ে ১০০০ টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দিয়ে ৫০% টাকা পাঁঠার পোলা পাঁঠার ছেলেকে দিলে ঠিকই গন স্বাস্থ্যের কিট অনুমোদন পেতো।

১৬| ১৬ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৭:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ডাক্তার পেশা কোন পর্যায়ে চলে গেছে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.