নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বেক্সিমকো ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশে আনা হচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশ সরকারের কেনা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের খরচ পড়বে ৫৩০ টাকা করে। ভ্যাকসিনের প্যাটেন্ট নিয়ে কাজ করা সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া থেকে ভ্যাকসিন কিনতে সরকারের খরচ পড়বে মোট ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এতে তিন কোটি ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের খরচ আসে বাংলাদেশি টাকায় ৫৩০ টাকা আসে।

এর আগে ৫ নভেম্বর অক্সফোর্ডের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী সিরাম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশকে অক্সফোর্ডের তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে।

বেক্সিমকো ও ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশে আনা হচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে এ ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আসা শুরু হতে পারে। ভ্যাকসিন আনার পর রাখা হবে বেক্সিমকোর গুদামে।

যে দামে ভারত ভ্যাকসিন পাবে, সিরাম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশকেও একই দামে ভ্যাকসিন দেবে বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সফল হয়েছে। বর্তমানে এটির তৃতীয় ধাপে প্রয়োগ শুরু হয়েছে, যার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রত্যেক মানুষের জন্য এর দুটি করে ডোজ দেয়া হবে। দেড় কোটি মানুষকে ২৮ দিন পর পর এ ডোজ দেয়া হবে।

সুত্রঃ আনন্দবাজার

খোদ যুক্তরাজ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যকসিন দেয়া হচ্ছে না। যুক্তরাজ্যে আজ থেকে ফাইজারের ভ্যকসিন দেয়া শুরু করেছে। ফাইজার এখন বিশ্বব্যপী ভ্যকসিন অনুমোদনের জন্য সব দেশে আবেদন করছে। ফাইজার জানিয়েছে তাদের টিকা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। অতিসঙ্কটাপন্ন রোগীর ক্ষেত্রে এই টিকা প্রায় ১০০ শতাংশ কাজ করে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের মূল্য ১০ ডলার।

অক্সফোর্ডের ভ্যকসিন এর কার্যকারীতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন উঠছে। অক্সফোর্ডের ভ্যকসিনের কার্যকারীতা ৭০ঁঁ% এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে ধোয়াশা তৈরী হয়েছে। সিরাম ইনস্টিটিউটে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বছর ৪০-এর এক স্বেচ্ছাসেবক। ইতোমধ্যেই চেন্নাইয়ের ওই ব্যক্তি সেরাম ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। ৫ কোটি টাকা জরিমানাও দাবি করেছেন তিনি। ওই ব্যক্তির দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কোভিশিল্ডের ট্রায়ালের অংশ নিয়ে। তার পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তির স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে আংশিকভাবে। চিকিৎসকদের বক্তব্য তার মস্তিষ্কে ক্ষতি হয়েছে। চিকিৎসার পরিভাষায় একে বলে এনসেফেলোপ্যাথি। এর অর্থ এমন কোন ক্ষতি, যা স্মৃতিশক্তি লুপ্ত করতে পারে।

ভারতে করোনার টিকার অনুমোদন চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার। এই মুহুর্তে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সরকারের মুল এজেন্ডা হচ্ছে দেশের জনগনকে করোনার থাবা থেকে রক্ষা করা। পার্শপ্রতিক্রিয়ামুক্ত এবং কাযর্করী একটি ভ্যকসিন পাওয়া প্রতিটি মানুষের মৌ্লিক অধিকার।বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশ ফাইজারের কাছে আরো কম মূল্যে ভ্যকসিন এর অনুরোধ জানাতে পারে। কিন্ত প্রশ্নবোধক কোন ভ্যকসিন নেয়াটা কোন অবস্থাতেই গ্রহনযোগ্য নয়।


মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

আমি সাজিদ বলেছেন: নেতা ফেতা আমলা টামলা কামলা আগে পাবে নাকি বয়স্করা-চিকিৎসক- নার্স আগে পাবে?

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

ঢাবিয়ান বলেছেন: নেতা ফেতা আমলা টামলা ভুলেও অক্সফোর্ডের ভ্যকসিন যে নেবে না তা নিশ্চিত থাকতে পারেন । ভ্যকসিন নিয়েও এই দেশে হবে প্রচুর বৈষম্য ।

২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৬

আমি সাজিদ বলেছেন: তিন কোটি কিনে এক কোটি মানুষকে দিবে। সেরাম থেকে তিন কোটির চুক্তি করা ছাড়া বাকি পনের কোটির খবর কই? বিশ্বব্যাংক থেকে ধারের টাকা আসতে মার্চ মাস লাগবে। আর আমি এইটা বুঝি না ভ্যাক্সিন কেনার টাকা যদি না থাকে তাহলে একনেকে আউল ফাউল প্রজেক্ট তুলে সেগুলো অনুমোদন করে কি বুঝাতে চাচ্ছে? ওগুলো দেখলে তো মনে হয় টাকার কোন অভাব নেই।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশের মত দরিদ্র দেশের পক্ষে সবার জন্য ফাইজারের টীকা সরবরাহ করা সম্ভব না। সেক্ষেত্রে শুধু দরিদ্র জনগনকে বিনামূল্যে এবং বাকীদের টিকা কিনে নেয়ার ব্যবস্থা করা হোক। ফাইজারের টীকা বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে আটশ টাকা করে পড়বে যেটা দেশের বেশীরভাগ মানূষের সাধ্যের মধ্যে। সরকার শুধু দরিদ্র এবং এবং টিকা সংরক্ষনের দায়িত্ব নিলেই সবার জন্য ফাইজারের টিকার ব্যবস্থা করা যায়।

৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: কানা চায় দুই চক্ষু দান।
আগে তো বাঁচি।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ৭০% কার্যকরী টিকা নেয়া বা না নেয়া একই কথা। এমনিতেই দেশের অধিকাং মানুষের করোনা হয়ে এন্টিবডি তৈরী হয়ে গেছে। তাঁদের এমনিতেও আর টিকা লাগবে না।

৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫৯

আমি সাজিদ বলেছেন: আজকে ইউকের প্রথম ভ্যাক্সিন পেলেন এক বৃদ্ধা। ওরা এতোটাই স্বচ্ছ নিজের দেশের মানুষের প্রতি। আমাদের দেশে ভ্যাক্সিন নিয়ে বৈষম্য হতে পারে সেটা আমারও মনে হয়।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: The Oxford vaccine was generally not viewed as the best design worldwide, but it was thought it could be adequate for purpose – but now there’s so much uncertainty,” added virologist Professor John Moore, “Other vaccines are going to be available in the UK and people are likely to want to use the strongest.'' - The Guardian

৫| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০২

আমি সাজিদ বলেছেন: @রাজীব নূর, আমরা কানা হবো কেন? আমরা পদ্মা সেতু করছি। আমরা সারা পৃথিবীর উন্নয়নের মডেল। আমাদের কাছ থেকে উন্নয়ন শিখতে আসে পশ্চিমারা।

৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৬

রানার ব্লগ বলেছেন: করনার ভ্যাকসিন নিয়া আর কিছুদিন চলবে ত্যানা প্যাঁচানো রাজনীতি। দেশে জরুরি ভাবে টিকা আনা উচিৎ এবং তা ২০ কোটি মানুহশের জন্য সম্পুর্ন বিনামূল্যে দেয়া হোক

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: সবার জন্য বিনামূল্যে টিকার চাইতেও অনেক বেশি জরুরী সবার জন্য কার্যকরী টীকার ব্যবস্থা করা। । একটা টিকার দাম এমন বেশি কিছু নয় । টিকার মূল্য উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই । শুধু দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে বিনামূল্যে দেবার ববস্থা করলেই হবে।

৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৭

ফয়সাল রকি বলেছেন: এমনিতেই প্রথম কয়েক ধাপে ভ্যাকসিনের আওতায় আসতে পারবো কিনা জানিনা । তাই বরং অপেক্ষা করতে থাকি, বেসরকারীভাবে কেউ ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়ে আসে কিনা।
তাছাড়া, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আচ্ছা, বাংলাদেশে কি অক্সফোর্ড্রের ট্রায়াল হয়েছে?

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফাইজারের টীকার জন্য অপেক্ষা করাটাই সঠিক হবে। বাংলাদেশে অক্সফোর্ড্রের ট্রায়াল হয়েছে কিনা জানা নেই।

৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৮

আমি সাজিদ বলেছেন: ঢাবিয়ান ভাই বিশ্বব্যাংক থেকে কোভিড কুইক রেস্পন্সের জন্য ৯০০+ কোটি টাকা এসেছিল। ওয়েবসাইট বানাতে ৫০ কোটি লেগেছে। এডফিল্মে ২৫ কোটি লেগেছে। মাস্ক আর পিপিই কান্ড তো আপনি জানেনই। আরও এক হাজার কোটি টাকা দিবে বিশ্বব্যাংক। মার্চে পাবে টাকা বোধহয়। আমার ছোটবেলায় শোনা কিছু ঘটনার কথা মনে পড়ছে। সেসময় গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে সেটাকে প্রোডাকটিভ কাজে খরচ না করে এক শ্রেনীর মানুষ ঘরের জন্য টিভি ফ্রিজ এসব কিনতো। আশেপাশের প্রতিবেশীরা ভাবতো ঋণগ্রহীতার বোধহয় উন্নতি হয়েছে। তারপর সেদিন আসতো, যেদিন ক্রমাগত কিস্তি শোধ করতে না পারার কারনে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে এসে ঘরের টিভি ফ্রিজ টিনের চালা পর্যন্ত খুলে নিয়ে যেত, তখন আসল সত্যটা বের হতো। যদি আমরা এত গরীব হই চায়না থেকে স্টাচু বানিয়ে আনার মানে কি? তাও মহামারির মধ্যে? একনেকে শামুক সংরক্ষণ প্রকল্প, ঘাস চাষ প্রকল্প, খিচুড়ি রান্না প্রকল্প নেওয়ার মানে কি? আমি মানতে পারলাম না। আমরা গরীব দেশ না। আমাদের মিডিয়ার ভাষা আমাদের ক্ষমতাসীন নীতিনির্ধারকদের ভাষা তো গরীবের ভাষা না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: কোভিড কুইক রেস্পন্সের জন্য ৯০০+ কোটি টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে তার হিসাব কে চাইতে যাবে? এই দেশে সবাই সবকিছু জেনেও বোবা কালা সেজে বসে আছে। হেফাজতের হুজুরদের যেটুকু সাহস আছে, তার একভাগ সাহসও শিক্ষিত শ্রেনীর নাই।

৯| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:



সরকার কোন কিছু সঠিকভাবে করতে পারে না, এটাও পারবে না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: পারবে না কথাটার চাইতে বলা ভাল ''করবে না'' । করার দরকারটা কি?

১০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪২

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: সবার আগে খাওয়ার রাস্তা ঠিক থাকতে হবে, পরে বাকি সব হিসাব।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: এইটাই হল আসল কথা। ভ্যক্সিন এর বদৌলতে যত টাকা সাহায্য বা ঋন হিসেবে আসবে তা নিয়ে শুরু হবে লুটপাঠের মহোৎসব

১১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

আমি সাজিদ বলেছেন: @চাঁদগাজী সাহেব, মন্ত্রী পরিষদ থেকে বিধি নিষেধ দেওয়া সত্ত্বেও আলুর দাম কমাতে পারে নি। ফাইজারের টিকা তো দিল্লী কা বাত। আগে ফাইজার ওদের প্রি- অর্ডারড টিকা সাপ্লাই দিবে। এরপর বাকি মিষ্টি কথা। আর ফাইজারের টিকার জন্য অর্থ যোগাড় করাও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার যেহেতু বিশ্ব ব্যাংক মার্চের আগে টাকা দিতে পারবে না। আর যদি সরকার অন্তত এই কাজটা সুন্দর মতোন করতে পারে তবে এই আমার চেয়ে খুশী কেউ হবে না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব। ফাইজার এখন বিশ্বব্যপী সব দেশে ভ্যকসিনের অনুমোদনের জন্য আবেদন করছে। করোনা এই পৃথীবি থেকে তখনই বিলুপ্ত হবে যখন প্রতিটা দেশ থেকে করোনা বিদায় নেবে। তাই গরীব দেশগুলো এই ইস্যূতে ধনী দেশ, বিশ্বব্যংক এবং ভাইজারের সহযোগিতা পাবেই। কিন্ত এর মাঝে তড়িঘড়ি করে ভারত থেকে অক্সফোর্ডের ভ্যকসিন আনার যৌক্তিকতা কি বোঝা যাচ্ছে না। এমনতো না যে তারা ফ্রি দিচ্ছে।

১২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৬

শাহ আজিজ বলেছেন: অন্যান্য ওষুধ কোম্পানি তাদের উদ্যোগে টিকা আনার চেষ্টায় , কি জানি এখানে সরকারের চিন্তা ভাবনা কেমন হবে । সবই যদি বেক্সিমকোর গুদামে ভরে তাহলে মুশকিল ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সবই যদি বেক্সিমকোর গুদামে ভরে তাহলে মুশকিল । এটাই হল আসল কথা

১৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: করোনা ভ্যাকসিনের সাথেও দরবেশের প্রতিষ্ঠান জড়িত আল্লাহ রহমত করো জনগণকে ও সরকারকে

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: দরবেশ বাবা ভ্যকসিন না দিয়ে পানি পড়া দিলেই মনে হয় ভাল কাজ করবে :)

১৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৯

জুন বলেছেন: অক্সফোর্ডের টিকাতো বৃটেনের বাসিন্দারাই নিচ্ছে না ঢাবিয়ান :(
তারা ফাইজারেরটা নিচ্ছে
আবার ভারতের সহযোগীতায় বানানোটা দিবে নাকি আমাদের :|
আমারতো ভয়ই হচ্ছে :-&

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফাইজার ভারতে অনুমোদন চেয়েছে। তাই দেখার অপেক্ষায় আছি যে ভারতের বানানো অক্সফোর্ডের টিকা খোদ ভারতেই ব্যবহ্রত হয় কিনা !!

১৫| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৮

কলাবাগান১ বলেছেন: কোন দেশেরই এমনকি আমেরিকার ও এমন অবস্হা নাই যে পিক এন্ড চুজ করার....যেটা আমরা চাই সেটা সবাই চায় কিন্তু সাপ্লাই সামান্য...।

এক সাংবাদিক এর লিখা কিছু অংশ এখানে দিলাম:
"শুরুতেই বলেছিলাম প্রথমে আক্রান্ত হয় আমার স্ত্রী। সব ধরনের উপসর্গ থাকায় স্ত্রীকে করোনার টেস্ট করাতে হবে। কিন্তু কোথায় করাবো? বেসরকারি হাসপাতালে তিন হাজার আটশ’ টাকা করে নেয় একটি টেস্টে। সেখানেও নানা অব্যবস্থাপনা আছে বলে শুনেছি, নিজেও দেখেছি আর গণমাধ্যমে সংবাদ তো আছেই। এই নিয়ে নানা টেনশন। বাসার পাশেই আছে আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশুস্বাস্থ্য হাসপাতাল। এটা কাগজের নাম। আজিমপুর ম্যাটার্নিটি হাসপাতাল নামে সবার কাছে পরিচিত।

শিশু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আতিকুল ইসলামকে ফোন করে জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় টেস্ট করাবো? ডাক্তার আতিকুল ইসলাম এবং তার চিকিৎসক স্ত্রী, সন্তানও করোনা পজিটিভ ছিলেন। তিনিও পরামর্শ দিলেন মাতৃসদনে করাতে। মাত্র একশ’ টাকায় কেমন টেস্ট হবে এমন নানা চিন্তা থেকে স্ত্রীকে পাঠালাম মাতৃসদনে। টেস্ট করানোর পর বাসায় এসে ওর যে বর্ণনা-সেটা রীতিমতো অবিশ্বাস্য। কিন্তু পরের দিন আমি যখন টেস্ট করাতে গেলাম তখন মিল পেলাম। এমন আন্তরিকতা কবে পেয়েছি সরকারি সেবা নিতে গিয়ে মনে নেই। প্রচন্ড শরীর ব্যথা নিয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে দশটার দিকে গেলাম মাতৃসদনে। মূল ভবনের পেছনে অর্থাৎ পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের বিভাগীয় অফিসে প্রবেশে আগেই বাম দিক দিয়ে যে প্রবেশপথ, সেখান দিয়ে সামান্য এগিয়ে যাওয়ার পরই ঝকঝকে তকতকে একটা রুম। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। দেখলে বোঝাই যায় করোনার টেস্ট করাতে যারা আসবেন তাদের জন্যই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে এই কক্ষ। বসার জন্য পরিচ্ছন্ন বেশ কিছু চেয়ার আর কিছু টেবিলও আছে। টেবিলের ওপরে ফরম রেখে নিজের তথ্য পূরণ করতে হয় সেবা গ্রহীতাকে। "

সরকার এর চেস্টার কমতি নাই কিন্তু যেখানে সব দেশেই চাচ্ছে ফাইজার/মডার্না এর ভ্যাকসিন সেখানে প্রতিযোগিত থাকবেই।

আর প্রথম আলো দেখলাম ভ্যাকসিন নিয়ে ভয় লাগানো আরম্ভ করেছে। তিন কোম্পানী মিলে প্রায় ৯০,০০০ লোক কে ভ্যাকসিন, ~৭০,০০০ জনকে প্লাসিবো দেওয়া হয়েছে...তার মাঝে ১-২ জনের সাইড ইফেক্ট কে লিড নিউজ হিসাবে প্রচার করছে..
আরে সাইড ইফেক্ট যদি নাই হয় (মৃদ জৃর, সর্দি, গা ব্যাথা) তাহলে ভ্যাকসিন যে কাজ করছে সেটা ই তো বুঝা যাবে না ....শরীর এর ইমিউন সিস্টেম কাজ করলেই তো এই উপসর্গ দেখা দিবে....। এবং সবারই উপসর্গ ১-২ দিনপরেই চলে যায়....এখন এই উপসর্গ নিয়ে লিড নিউজ করলে তো পাবলিক ভয়ই পাবে
যারা কমপ্লেইন করছে, তারা কি ভ্যাকসিন পেয়েছে নাকি প্লাসিবো পেয়েছে সেটা তো কারো জানার কথা নয় (কম্পিউটার জানে)

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: যে কোন টিকা নিলেই একটু জ্বর আসার সম্ভাবনা থাকে। বড় কোন সমস্যা না হলে শুধু জ্বর বা গা ব্যথাকে হাইলাইট করাটা মিডিয়ার উচিত নয়।

১৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১১

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের এত হতাশ হলে চলবে না। সরকারের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: রাখুন

১৭| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৩২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
টীকা আসার পর শুরু হবে টীকা যুদ্ধ।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না

১৮| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৩৯

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এই সুযোগে দরবেশ হয়তো ভালো একটা ব্যবসা করবে; আপনারা কি বলেন?

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:২৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: :)

১৯| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৯

রায়হান চৌঃ বলেছেন: প্রথম দফায় বাংলাদেশের নেতা, ক্ষেতা দের দিলেই তা ল্যঠা চুকে যায়

২০| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

আমি সাজিদ বলেছেন: কলাবাগান১ ভাই, প্রথম আলো সব জাতীয় বিষয়ে ১৮০ ডিগ্রি পল্টি দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে। এখন ভ্যাক্সিনের সাইড ইফেক্ট নিয়েও শুরু করেছে। কেন এরা এমন অর্ধেক ইনফরমেশন দেয় আমি জানি না। এইজন্য এরা যখন লীগের কাছে যাঁতা খাইলো আমি খুব খুশি হইসিলাম।

২১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: এই ভ্যাকসিন আমাদের কিনে নিতে হবে না। সরকার ঘরে ঘরে এই টীকার ব্যবস্থা করবেন। যে ভোটের আগে ভোটের স্লিপ বাড়ি বাড়ি দিয়ে যায়, ঠিক সেভাবেই।
একটা শিশু জন্মের পর সরকার সব টিকাই ফ্রি দেয়।

২২| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ফাইজার, রোচে, জিএসকে, সেনডোজ, নোভারটিসদের জন্য অপেক্ষা করা দরকার। টিকা নেওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পরে ক্ষতি হতে পারে। বেশ ভালো পোস্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.