নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্রেফ ভ্যাকসিন এর মাধ্যমে করোনা মহামারী পৃথীবি থেকে দূর করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৫

করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর মানুষের মনে অনেকটাই স্বস্তি এসেছে যে, এবার হয়ত পৃথীবি ধীরে ধীরে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে। কিন্ত বাস্তবতা ভিন্ন। ভ্যাকসিন এর কার্যকারীতা নিয়ে অনেক সংশয় রয়ে গেছে এখনো। ঔষধ কোম্পানিগুলো বলছে ভ্যাকসিন কমপক্ষে এক বছর আবার অনেক বিজ্ঞানী বলছে মাত্র তিন মাস সুরক্ষা দিতে সক্ষম। বিষয়টা এখনও গবেষনাধীন। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার যে করোনার ভ্যাকসিন বেশিরভাগ সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের ভ্যাকসিনগুলোর মত দীর্ঘমেয়াদী কোন সমাধান নিয়ে আসে নাই। আবার ভ্যাকসিন যেহেতু বাধ্যতামুলক নয়, তাই অনেকেই ভ্যাকসিন নেবে না। তার ওপড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো শত শত কোটি ডলার মুনাফা করার যে পায়তাড়া করছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে যে পুজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা মহামারীকেও একটা বিজনেস ডীল বানাতে সচেষ্ট। গরীব দেশগুলোর পক্ষে এত টাকা দিয়ে কার্যকরী ভ্যাকসিন কেনা সম্ভব নয়। তাই এভাবে আর যাই হোক বিশ্বব্যপী মহামারী প্রতিরোধ সম্ভব নয়।

প্রায় ১৩শ’ বছর আগে মুহাম্মাদ (সা.) মহামারীতে করণীয় সম্পর্কে তার অনুসারীদের কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তাঁর মূল্যবান সেই পরামর্শ মানলেই করোনার মতো যেকোনও মহামারী প্রতিরোধ করা সম্ভব। (মহানবী) বলেছেন, “যখন তুমি কোনো ভূখণ্ডে প্লেগ ছড়িয়ে পড়ার খবর শুনতে পাও তখন সেখানে প্রবেশ কোরো না। পক্ষান্তরে প্লেগ যদি তোমার অবস্থানস্থল পর্যন্ত পৌঁছে যায় তাহলে ওই জায়গা ত্যাগ কোরো না।”

বর্তমানে যে দেশগুলো করোনা মহামারী রুখতে সাফল্য দেখিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চায়না, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান , ব্রুনাই, নিউজিল্যন্ড, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি । এই দেশগুলো ভ্যকসিনের মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধ করেনি, এরা প্রতিরোধ করেছে মহামারী সংক্রান্ত বেসিক নির্দেশনাগুলো মেনে চলে।। ভ্রমন, জনসমাগম কঠোরভাবে কন্ট্রোল করে , কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম চালু করে, আক্রান্তদের পৃথক করে সুস্থ করে তোলার মাধ্যমে এরা করোনার চেইন ভাংতে সমর্থ হয়েছে। কোয়ারেন্টাইন সিস্টেমে এরা জনগনের নিজের পয়সায় নির্দিষ্ট কিছু হোটেলে থাকার ব্যবস্থা নেয়ায় , মানুষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমন করছে না। কার্যকরী ভ্যকসিন এর পাশাপাশি পৃথীবির সব দেশগুলো যদি এই নিয়মগুলো কঠোরভাবে মেনে চলে একসাথে , তাহলে করোনা মহামারী পৃথীবি থেকে দ্রুত বিলুপ্ত করা সম্ভব।

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৬

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ভ্যাকসিনটা আমার কেনো যেনো মনে হচ্ছে শুধু মনস্তাত্ত্বিক প্রশান্তি দিবে, তারচেয়ে বেশী কিছু না।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সারাবিশ্বব্যপী যদি একই ভ্যাকসিন সবাইকে দিয়ে অন্তত একমাস মহামারি প্রতিরোধের বেসিক নির্দেশনাগুলো এক্ত্রে সবাই মেনে চলে তবেই আসলে সম্ভব এই মহামারী রোধ করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন একটি পাপেট সংস্থা। মহামারী সংক্রান্ত সঠিক দিকনির্দেশনাতো তাঁদের থেকেই আসা উচিৎ। অথচ তাঁদের ভুমিকা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। ট্রাম্প অন্তত এদের ভুমিকা সম্পর্কে সত্য কথাই বলেছে।

২| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৩১

জুন বলেছেন: থাইল্যান্ডেও এই নিয়মগুলো ফলো করে করোনা সংক্রমন কমিয়ে রাখতে সফল হয়েছে । ৫৬ জন প্রথম ধাক্কায় মারা গেছে বাকি চারজন প্রবাসী থাই, এই ৬০ জন এই পর্যন্ত টোটাল মৃত্যু। স্থানীয় কোন সংক্রমন নেই, তবে বিদেশ থেকে ফেরা লোকজনের কারো কারো সংক্রমন দেখতে পেলে কঠোর কোয়ারেন্টাইনের মাধ্যমে তা দমন করছে । তাছাড়া সেদেশের জনগন নিজেরাই যথেষ্ট সচেতন ঢাবিয়ান । যদি শোনে অমুক যায়গায় একজন করোনা রোগী গিয়েছিল তাহলে যারা সেদিন সেখানে গিয়েছিল তারা সবাই স্বেচ্ছায় করোনা টেষ্ট করতে লাইনে দাঁড়ায় ।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: জুন আপু , থাইল্যন্ডও বেশ সফল করোনা প্রতিরোধে। আসলে এই সবগুলো দেশই একই নিয়ম অনুসরন করে সফলতা পেয়েছে। জনগনকে সচেতন করার সব ধরনের পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে দেশগুলোতে ।

৩| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

শাহ আজিজ বলেছেন: অনেকেই দ্বিমত করেন আমি বলি এই ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন ন্যাচারাল না । ফেব্রুয়ারি , মার্চ , এপ্রিলে চীনের খবর প্রচুর পরিমানে পাওয়া যেত । চীন পুরো লক ডাউনের পর যে উদ্যোগ নিল তা হচ্ছে বহিঃবিশ্বের সাথে ইন্টারনেট বন্ধ করা । ফলে তখন থেকেই আমরা চীনের খবর থেকে বঞ্চিত । গেল কদিন আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তদন্ত দলকে উহানে যাবার অনুমতি দেয়নি চীন সরকার । আমি যথেষ্ট পরিমান পড়েছি , জেনেছি এবং একটা সারাংশে এসেছি যে ওষুধ নির্ভর একধরনের জীবনযাপনের তাগিদে এটা মার্কিন- চীন যৌথ প্রয়াস । কিন্তু উহানে কে এই ভাইরাস ছড়াল সেটা পরিস্কার না । মাত্র ১১ মাসে ভ্যাক্সিন আবিস্কার কাকতালীয় বটে । চীনে ভ্যাক্সিন জুলাইতে শুরু হয়েছে । এই পরিকল্পিত ঔষধ সামগ্রীর ব্যাবসা এই দুষ্ট চক্রের তৈরি । আমাদের পরবর্তী জীবনের নিশ্চয়তা এই কম্যুনিস্ট - ক্যাপিটালিসটদের হাতে , হাইলে হিটলার ।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাইরাসের উৎসতো পুরাই সন্দেহজনক। চীন এর দায় এড়ানোর কোন সুযোগই নাই। তারা ইচ্ছাকৃতভাবেই ছড়িয়েছে না অনিচ্ছাকৃত তা প্রশ্নসাপেক্ষ। তবে উহানে করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর সেখঙ্কার ডাক্তাররা সোস্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিল যে এই ভাইরাস মারাত্মক ছোয়াচে। কিন্ত চীন উলটো সেগুলো ধামাচাপা দিয়েছে। নিজেদের দেশের আভ্যন্তরীন ফ্লাইট বন্ধ করে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু রেখেছিল। ভাইরাস সম্পর্কে সকল তথ্য গোপন রেখেছিল। সব মিলিয়ে চীনের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। আর ঔষধকোম্পানিগুলো এখন যে ধরনের মুনাফা অর্জনের ধান্দা করছে ভ্যাকসিন নিয়ে তাতো পুরাই নিন্দনীয়।

৪| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫৫

নতুন বলেছেন: এই ভাইরাসের ভীতি ছড়ানোর কাজে মানুষ সোসাল মিডিয়া ব্যবহার করেছে অনেক বেশি।

এখন বিশ্বে সংক্রামন তেমন কমেনাই কিন্তু আতংক কমে গেছে তাই ফেসবুকে করোনা নিয়ে কারুর পোস্ট নাই সবই ভাস্কর্য নিয়ে।

সচেতনতা বাড়াতে গিয়ে সবাই আতংক ছড়িয়েছে এবং কোটি মানুষ কাজ হারিয়েছে এবং কস্ট পাচ্ছে।

ভ্যাকসিন বের হলে অবশ্যই জীবনযাত্রা সাভাবিক হতে সাহাজ্য করবে।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: যেসব দেশ করোনা প্রতিরোধে সফল হয়েছে সেসব দেশে মুলত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এয়ারলাইন ও টুরিজন সেক্টর। বাদবাকি অন্য সেক্টরে কোন আচ পড়েনি।

ভ্যাক্সিনের ফর্মুলা ওপেন করে যার যার দেশে ভ্যাকসিন ঊৎপাদন করা হলে বিশ্বব্যপী হয়ত কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে উঠতে পারতো।

৫| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০২

ফটিকলাল বলেছেন: স্রেফ ভ্যাকসিন দিয়েই পৃথিবী থেকে যক্ষ্মা ধনুস্টংকার পোলিও ডিপথেরিয়ার মতো ব্যাধি দূর করা সম্ভব হয়েছে। তবে পাকিস্তান ও নাইজেরিয়ার কথা আলাদা। নাইইজেরিয়ার উত্তরাংশ মুসলমান অধ্যুষিত। এই দুটো দেশে এখনো পোলিওর টিকা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফকে দিতে হয়। কারন স্থানীয় ধর্মীয় নেতারা প্রথমে এই বলে গুজব ছড়িয়েছিলেন যে এসব ভ্যাক্সিন হারাম থেকে তৈরী। পরে ব্যাপক সচেতনতার পর নতুন গুজব, এটা নাছাড়াদের তৈরী ও এই টিকা দিলে সন্তান অটিস্টিক হবে। কয়েক বছর আগে ঠিক সমগোত্রের মানুষরা বাংলাদেশেও বেশ লাফঝাঁপ করেছিলো। প্রথমে আওয়ামীলীগের নেতার দুর্নীতি দিয়ে গুজবটা ছড়িয়েছিলো পরে তারা শুরু করে টিকার ফলে সন্তানের অসুস্থতা ও মৃত্যু। এসব চিন্তাভাবনা বেশী দিন টিকে থাকে নি।

তাই ভ্যাক্সিন গিয়ে মহামারী দূর করা যাবে না এটা ভুল বরংচ বলা উচিত ধর্মীয় গোঁড়ামি ও উগ্রতাই মহামারী দুর করার অন্তরায়

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: সম্ভবত পোস্ট না পড়ে স্রেফ ধর্মীয় একটা রেফারেন্স দেখে কমেন্ট করেছেন।

৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


১৪০০ বছর আগে মহানবীর(স:) যে বাণী দিয়ে গিয়েছেন, সেই বাণী অনুসরণ করে ভিয়েতনাম, চীন, তাইওয়ান, কোরিয়া নিজেদের করোনাকে কন্ট্রোল করেছে; বাণীটাকে আপনি বাংলায় লেখায়, ইহা ইরানীরা বুঝতে পারছেন না, উহাকে পার্সী করে দেন।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫১

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমি বিশ্বাশী তাই আমাদের ধর্মের একটা রেফারেন্স ব্যবহার করেছি। চীন, কোড়ীয়া, সিঙ্গাপুর যে উপায়ে করোনা প্রতিরোধে সফল হয়েছে তার মাঝে আমাদের নবীজির মহামারী সংক্রান্ত নির্দেশাবলীর মিল খুজে পেয়েছি। আমি এটা বলি নাই যে তারা আমাদের নবীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছে।

৭| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আমি বিশ্বাশী তাই আমাদের ধর্মের একটা রেফারেন্স ব্যবহার করেছি। "

-আপনি টিকাতে বিশ্বাস করেন?

৮| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৪

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: বছর খানেক পর বুঝাযাবে কতটুকু কি হয়।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: সেটাই। আরো কতদিন যে এভাবে যাবে কে জানে!!

৯| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: তথ্যমূলক ও গুরুত্বপূর্ণ লেখাটা।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

১০| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি তো এই পোষ্ট দিয়ে আমাকে চিন্তায় ফেলে দিলেন।
ভ্যাকসিন বের হয়েছে জেনে আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিলাম।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফাইজার ও মডার্নার ভ্যকসিন এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকরী ভ্যাকসিন বলা হচ্ছে। কিন্ত সেটা দেখা যাচ্ছে শুধু ধনী দেশগুলোই কেনার সামর্থ রাখে।

১১| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫২

আহা রুবন বলেছেন: আমাদের সম্ভবত করোনা সঙ্গে বসবাস করেই চলতে হবে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: অনেক বিজ্ঞানী এমনটাই অনুমান করছে

১২| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৭

কলাবাগান১ বলেছেন: মিথ্যা ইনফরমেশন ছড়াবেন না.... কেবল আপনার মন বলছে তার উপর বেসিস করে এই পোস্ট দিয়ে মানুষের মাঝে ভীতি ছড়াবেন না।

বিজ্ঞান দেখুন কি বলে।

কেন ফ্লু ভ্যাকসিন প্র‌তি বছর নিতে হয় তার যেমন বৈজ্ঞানিক ব্যাখা আছে, তেমনই করোনা ভাইরাস এর জিনোম, ফ্লু ভাইরাস এর জিনোম থেকে কত ডিফারেন্ট এবং এ বেসিসে হয়ত প্রতি বছর করোনা ভ্যাকসিন নিতে হবে না এটাই বিজ্ঞান বলে। আমার একটা পোস্ট আছে এটা নিয়ে। দেখে নিবেন।

আজ পর্যন্ত্য ট্রায়াল এবং এপ্রুভাল এর পর কয়েক লক্ষ লোক ভ্যাকসিন নিয়েছেন... তার মাঝে এখনও একজনও বলে নাই যে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। ১০০% লোক যারা আক্রান্ত হচ্ছেন তারা ভ্যাকসিন পান নাই এখনও।

আর ৪ টা মনোক্লোনাল এন্টিবডি বেইসড ড্রাগ বাজারে আসতেছে যেটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিয়েছেন (১০০% কার্যকরী কোভিড নিয়ন্ত্রনে)....এই ঔষুধ এবং ভ্যাকসিন দুইয়ে মিলেই করোনা বিদায় নিবে অথবা নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

এই নতুন ভ্যাকসিন ৯৫% কার্যকরী...। এর চেয়ে কম কার্যকরী ভ্যাকসিন দিয়ে পৃথিবী থেকে অনেক মহামারী বিদায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: কার্যকরী ভ্যাকসিন এবং ঔষধ সবই ধনী দেশগুলোর পক্ষেই কেবল কেনা সম্ভব। দরিদ্র দেশগুলোর পক্ষে এগুলো কেনা সম্ভব নয়।তাছাড়া সবাই যে ভ্যাকসিন নেবে তাও নয়। আবার ভ্যাকসিন এর সুরক্ষাও দেখা যাচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী নয়। তাহলে করোনা দূর হবে কিভাবে?

১৩| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৭:০৭

সোহানী বলেছেন: তারপরও আশাবাদী। সব মহামারীর মতো এটিও বিদায় হবে আর মুক্ত আকাশে ঘুরে বেড়াবো।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপু, ঔষধ কোম্পানিগুলোর চুড়ান্ত ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে কোন আশা দেখতে পারছি না। অথচ ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বলেছিল যে কার্যকরী ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়া মাত্র তা বিশ্বের সকল দেশের জনগন পাবে। কিন্ত এখন তারা নিশ্চুপ। আমাদের ডঃ ইউনুস প্রচারনা চালাচ্ছেন ঔষধ কোম্পানিগুলোর এই অমানবিক ভুমিকার বিরুদ্ধে। দেখা যাক সামনে কি হয়।

১৪| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:০৮

কালো যাদুকর বলেছেন: আসলে যে কোন ভাইরাস প্রতিরোধ করার মূল অস্ত্র- সামাজিক দুরত্ব রাখা , মাস্ক ব্যবহার করা। এই পদ্ধতীতেই স্প্যানিস ফ্লু নিয়ন্ত্রন করা হয়েছিল ৷ টিকা হল আলটিমেট ব্যবস্থা। টিকা দেযার পরেও সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখতে হবে অনেকদিন ৷ যতদিন পুরো পরিস্থিতি সামলে না উঠা যায়l
অনেক থিউরী আছে কোভিড নিয়ে ৷ যে কোন বড় বড় ইভেন্ট নিয়েই থিউরী থাকে ৷

শেষ কথা হল টিকা ও সামাজিক দুরুত্ব এ দুটোই আমাদের কোভিড থেকে বাঁচাতে সাহায্য করবে ৷
আমাদের স্বাভাবিক জীবনে যেতে অনেক সময় লাগবে ৷

অবশ্য অনেক জায়গায় জীবন স্বাভাবিক শুরু হয়েছে ৷ উপরের মন্তব্য গুলোতে আমরা অনেক দেশের উদাহরণ দেখেছি ৷ এদেশগুলোতে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলা হয়েছে ৷

ভয়ের কিছু নেই ৷ মানুষ এই মহামারী থেকে বের হবে তার নিজের বুদ্ধি দিয়ে ৷
মানুষের বুদ্ধিমত্ত্বার উপর আস্থা রাখুন৷ ধন্যবাদ

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩১

ঢাবিয়ান বলেছেন: করোনা প্রতিরোধে সফল দেশগুলোর উদাহরন ব্যবহার করে বিশ্বব্যপী করোনার চেইন ভাংতে হলে দরকার কার্যকরী ভ্যাকসিন এবং সাময়িক কঠোর স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন।

১৫| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৭

রানার ব্লগ বলেছেন: এই ভ্যাকসিন লাইফ টাইম সাপর্ট দেবে না এমনটাই শুনলাম।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: Click This Link

১৬| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২২

কলাবাগান১ বলেছেন: এই ভ্যাকসিনে একটাই ভয় যেটা বছর খানিক না গেলে বুঝা যাবে না: এটাকে বলে ADE (Antibody Dependent Enhancement)......এটা নিয়ে কিছু পড়ালিখা করে পরে লিখব। তবে ৫০% সেফ এই ভ্যাকসিন থেকে ADE না হওয়ার সম্ভাবনা কেননা করোনাভাইরাস macrophage cell কে infect করে না । ৫০% ADE হয় macrophage cell এর মাধ্যমে।

বাকী ৫০% রিস্ক এখনও আছে।

ডেংগুর ভ্যাকসিন থেকে ADE হয়। তাই একবার কেউ আক্রান্ত হলে, পরের বার আবার আক্রান্ত হলে সিভিয়ার রূপ ধারন করে।

এখানে পড়তে পারেন এই ব্যাপারে একটা সাইন্টিফিক পেপার
ADE potential in SARS-CoV-2

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তাই আপনি ভাল ব্যখ্যা দিতে পারবেন। বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ে যা বুঝতে পেরেছি তা হল গবেষনাধীন এই ভ্যাকসিন দিয়ে দ্রুত এই পৃথীবি থেকে করোনা দূর করা সম্ভব হবে না। তাই করোনা প্রতিরোধে সফল দেশগুলোর স্ট্র্যটৈজি অনুসরন করতে হবে। কার্যকরী ভ্যাকসিন , ঔষধ এবং কঠোর স্বাস্থবিধি বাস্তবায়নের মাধ্যমে করোনার চেইন ভাঙ্গতে হবে।

১৭| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম সবার মন্তব্য গুলো পড়তে।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ

১৮| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩১

জুন বলেছেন: টিকা নিলে পুরুষ নারীকণ্ঠে কথা বলবে, নারীদের দাড়ি উঠবে: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বোলেসোনারো, কারন পার্শপ্রতিক্রিয়ার জন্য ফাইজার দায়ী থাকবে না চুক্তিতে লেখা আছে :`>
সুত্র বাংলাদেশ প্রতিদিন।
আপনি কি ফাইজারের টিকা দিয়েছেন? :-&

২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: পুরান পাগলে ( ট্রাম্প) ভাত পায় না , নতুন পাগলের আমদানি :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.