নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

টিকা কর্মসুচী স্বাগতম

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:০৬

‘আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডাটা’ ওয়েবসাইটের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হলো বাংলাদেশে। যেসব দেশে টিকা কর্মসুচী চালু হয়েছে সেসব দেশে মুলত দেশের সরকার প্রধান ও কেবিনেটের মন্ত্রীরা সর্বপ্রথমে ভ্যাকসিন নিয়ে জনসাধারনকে টিকা নিতে অনুপ্রানিত করেছে।বিশ্বব্যাপী এই ট্রেন্ড অনুযায়ী আমাদের দেশেও সবারই এই একই প্রত্যাশা ছিল যে জনপ্রতিনিধিরা সর্বপ্রথমে ভ্যাকসিন নেবে। তবে টিকা কর্মযুচী মন্ত্রীদের দিয়ে শুরু না হলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অনেক মন্ত্রী, এমপি, সচিব ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের অনেকেই টিকা নিতে চাচ্ছেন। সেদিন আপনারা দেখতে পারবেন। আপনারা কবে টিকা নেবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, যখন আমরা সবাইকে ভ্যাকসিন দিতে পারবো। ডাক্তার, নার্স, সাংবাদিক, পুলিশদের দেয়ার পর আমরা নেবো।
। আপাতত আমরা সবাই মন্ত্রীদের কথার ওপড় ভরসা রাখতে চাই।

টিকা নিয়ে মানুষের মনে আছে নানা প্রশ্ন। অনেকের মনে টিকা নিয়ে সন্দেহ আছে। অনেকে টিকা নেবেন কি না, তা নিয়েও দ্বন্দ্বে আছেন। এই মুহুর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালের সম্মুখ সারীর করোনা যোদ্ধা চিকিৎসক এবং নার্সরা সর্বপ্রথম টিকা নিচ্ছে। প্রথমেই তাদের অভিনন্দন জানাই। ডাক্তারদের টিকা নিতে দেখলে আপনাতেই অনেক মানুষের মন থেকে অহেতুক ভীতি কেটে যাবে।

টিকার ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় ভরসার স্থল হচ্ছে এই টিকা অকফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ।ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন অনুমোদনকৃত বিশ্ববিখ্যাত ওক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার কার্যকারীতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলেও ফাইজার ও মডের্নার পর এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে। কাজেই এই টিকার ওপড় ভরসা রাখাই যায়।

তবে যাদের করোনা একবার হয়েছে , তারা এন্টিবডি টেস্ট করিয়ে দেখতে পারেন। শরীরে এন্টিবডি তৈরী হলে গেলে আপাতত টিকা নেয়ার দরকার নাই। এছাড়া ১৬ বছরের উর্ধে সবারই টিকা নেয়া উচিৎ । সামান্য জ্বর, হালকা এলার্জি সমস্যা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা সব টিকার ক্ষেত্রেই থাকে। সেটাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেয়ার কিছু নাই। কিছু সমস্যা দেখা দিলে সেটার চিকিৎসাও আছে। কিন্ত করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হলে ভ্যাকসিনের বিকল্প নাই।

এক বছরের ধরে বন্ধ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ব্যবসা বানিজ্য, পর্যটন করোনার ভয়াল ছোবলে বিপর্যস্ত। সুস্থ , স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে মরিয়া বিশ্বের সকল দেশ। টীকা কর্মসুচী সফল হোক এটাই সবার কামনা। টিকা নিয়ে কারো মনে ভীতি থাকলে টিকা নেবেন না।কিন্ত সেটা জনসম্মুখে প্রচার করার দরকার নাই। অনেকেই আরো কিছুদিন হয়ত অপেক্ষা করতে চাচ্ছেন আরো ভাল টিকা বাজারে আসে কিনা দেখার জন্য। সেটাও যার যার ব্যক্তিগত চয়েস।

সরকার তিন কোটি টিকা আনিয়েছে। সম্মুখ সারীর যোদ্ধাদের দেয়ার পর যেন দরিদ্ররা টিকা পায় সেটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পরবর্তীতে আরো অন্যান্য কোম্পানির টিকা বাজারে এলে সামর্থবানেরা প্রয়োজনে টিকা কিনেও নিতে পারবে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৫

সালাহ উদ্দিন শুভ বলেছেন: শংকা-আশংকা থাকবেই, কিছু করার নেই। এর মাঝেই যতটুকু সম্ভব, যতজনকে সম্ভব টিকা দিয়ে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে ফিরবে এই আশা করি।

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: কিছু লোকজন ভ্যাক্সিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে বড় চিন্তিত! শেষ অবধি, বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষের টিকা নেয়া হবে না, হয়তো। আমি ভ্যাক্সিন নিচ্ছিনা -এটা নিশ্চিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.