নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা প্রতিরোধে সফল দেশগুলোতে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৩৪

এশিয়ায় চায়না, সিঙ্গাপুর, হংকং , তাইওয়ান ইত্যাদি দেশগুলো করোনা প্রতিরোধে দারুন সফলতা লাভ করেছে। এই দেশগুলো লকডাউনের রাস্তায় হাটেনি। স্রেফ কিছু কঠোর নিয়ম কানুন বাস্তবায়ন করেছে। এই নিয়মগুলো যে কোন দেশই চাইলে বাস্তবায়ন করতে পারে। দরকার শুধু সদিচ্ছা। এই নিয়মগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আমাদের দেশেও যা করা যেতে পারে-

(১) করোনা প্রতিরোধে যে স্বাস্থবিধির কথা বলা হচ্ছে তার প্রাথমিক ধাপ হচ্ছে মাস্ক পরিধান এবং সোস্যাল ডিস্ট্যন্স রক্ষা করা। এটা নিশ্চিত করতে সিঙ্গাপুরে সারা শহরজুড়ে প্রচুর Safe distancing ambassador নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরা কেউ মাস্ক না পড়লে বা ভীড় ভাট্টা করলে সাথে সাথে গিয়ে তাদের ফাইন করছে। এই কারনেই এখানে মাস্ক না পড়া কাউকে রাস্তায় দেখা যায় না বা ভীড় ভাট্টা করতেও দেখা যায় না। আমাদের দেশেও মাস্ক না পড়লে বা জটলা করলে যদি ৫০০ টাকা ফাইনের ব্যবস্থা করে, তাহলে আপনাতেই সবাই এই নিয়ম মানতে বাধ্য হবে। তবে আমাদের দেশে কেউ ফাইন না দিতে চাইলে লাঠিপেটার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

(২) বড় ধরনের গেট্টুগেদার ফাংশন এখন বেশিরভাগ দেশেই নিশিদ্ধ। বিয়ে স্বাদী বা অন্যান্য গেট টুগেদার প্রোগ্রাম স্বল্প পরিসরে আয়োজন করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

((৩) বিদেশফেরত যাত্রিদের কঠোর কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছে বেশীরভাগভাগ দেশেই। আমাদের দেশে প্রবাসী শ্রমিকদের হাজীক্যাম্পে ফ্রি কোয়ারেন্টাইন এবং সামর্থবানদের নিজের খরচে হোটেল কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

৪) পর্যটন পুরোপুরি বন্ধ না করে স্বল্প পরিসরে করার ব্যবস্থা নিতে হবে। পর্যটন স্পটে সংখ্যা নির্ধারন করে দিতে হবে।

৫) সকল প্রকার খেলাধুলা, মেলা ইতাদি কার্যক্রম অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত করা প্রয়োজন।

উপড়ের নিয়মগুলো কঠোরভাবে পালনের মাধ্যমেই প্রচুর দেশ করোনা প্রতিরোধে দারুন সফল হয়েছে।লকডাউন আদতে কোন সমাধান নয়। করোনা যেভাবে নিত্য রুপ পরিবর্তন করছে তাতে লকডাউন এখন আর কার্যকরী কোন সমাধান নয়। আর আমাদের মত গরীব দেশে লকডাউন স্রেফ গরীবের পেটে লাথি ছাড়া আর কিছু না।করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থবিধি মেনে চলা বাস্তবায়ন এবং ভ্যাকসিনই আসল সমাধান।

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



মানুষ আসলে সরকারের প্রতি প্রতিবাদের মতো করে সরকারের কথা শোনে না; প্রশাসন, সরকার ও ব্যবসায়ীরা ২০ বছর লকডাউনে থাকলেও তাদের সম্পদ শেষ হবে না।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৫৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: করোনায় মৃত্যূবরন করলে সেই অঢেল সম্পদ কবরে নেয়া যাবে না। এই কথাটি বুঝতে পারলে হয় এই চুরান্ত লোভী মানুষগুলোর।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:২৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: জনসংখ্যা অত্যধিক হওয়ায় সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেইন্টেইন করা দুঃসাধ্য। আমাদের নিজস্ব স্বাধীনচেতা ও ঘাউড়া স্বভাবের কারণে অন্যান্য করোনা প্রোটোকলও মেনে চলা দুরূহ ব্যাপার। ফাইনের কথা বলছেন তো? তাইলে গতকল্য অ্যাডমিশন টেস্টের সময় কী পরিমাণ ফাইন জমা হইত হিসাব কইরা দেখেন।

আমাদেরকে আল্লাহই রক্ষা করিবেন।

এই ধাক্কায় কে কে কুপোকাত হন, তা কেবল আল্লাহই জানেন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: জনগনকে দোষারপ করে লাভ নাই। উন্নত দেশে শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকেও পর্যন্ত ফাইনের ভয় দেখিয়ে মাস্ক পড়তে এবং সেফ ডিস্ট্যন্স মানতে বাধ্য করা হচ্ছে। আর তাই আমাদের দেশে নিজস্ব স্বাধীনচেতা ও ঘাউড়া স্বভাবের একমাত্র ঔষধ হচ্ছে ফাইন এবং লাঠিপেটা। পুরো ঢাকা শহড়ে কয়েকশত লোক যদি এটা বাস্তবায়ন করতে নিয়োগ দেয়া যায়, তাহলে দেখবেন যে মানুষ কত ভদ্র হয়ে গেছে। এইটা চাইলেই আমাদের সরকার করতে পারে।

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:২৯

শাহ আজিজ বলেছেন: সকল পাবলিক গ্যাদারিং বন্দ করতে হবে , যা করা যায়নি বা হয়নি । আরও মাস্ক বিলি করতে হবে । ঢাকা শহর ব্লিচিং দিয়ে ঢেকে দিতে হবে যেমনটি উহান করেছিল । শহরটি দুসপ্তাহ মোটামুটি ফাকা রাখতে পারলে করোনা নিয়ন্ত্রনে আসবে ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: একমত। এই দেশের টকশোতে অংশগ্রহন করা বুদ্ধিজীবিরা কি করে? তাদেরতো উচিত এই বিষয়ে জোড় দিয়ে কথা বলা।

০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: লাখ লাখ মাস্ক বিত্রন আসলে সম্ভব নয়। গেঞ্জি কাপড়ের মাস্ক সবাই ঘরেই সেলাই করে নিতে পারে। প্রয়োজন শুধু টিভি এবং গনমাধ্যমে প্রচারনা।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১৪

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: জনগনের বিরাট একটা অংশ করোনাকে আশীর্বাদ মনে করে( হাদিস মতে)। আমাদের আল্লাহ ভরসা।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: গজব মনে করতে পারে আশির্বাদ মনে করবে কেন?

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:১৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আমাদের দেশে লোকজন অসচেতন বেশী

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২১

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফাইন এবং লাঠিপেটা করলে সব্বাই সচেতন হয়ে যাবে ।

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:৩৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমি ঢাকা শহরের মানুষের মধ্যে সচেতনা দেখি না। তাদের এমন ভাব, যা আছে কপালে তাই হবে।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই জন্যইতো ফাইন এবং লাঠি পেটার কথা বলছি। সিঙ্গাপুরের মত সভ্য দেশে ফাইনের ভয় দেখিয়ে সবাইকে সচেতন হয়ে চলতে বাধ্য করা হচ্ছে। আমাদের দেশে ফাইনের সাথে লাঠির ব্যবহারের প্রয়োজন ।

৭| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৫:২৫

সোহানী বলেছেন: কে শোনে কার কথা!! কক্সবাজার, সাজেক, চা বাগান......... সবখানে মানুষে কিলবিল করে। কে শোনে কার কথা!!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: শুনবে আপু। পকেট থেকে যখন টাকা বের করে যখন জরিমানা দিতে হবে, তখন ঠিকই শুনবে।

৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১০:৫৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: দেশের ৫০% মানুষ করোনাকে একটা বিপদ বলে স্বীকার করে না। এর মধ্যে আছে অতি ধার্মিক লোক, কায়িক শ্রম দেয়া নিম্নবিত্তের লোক, তরুণ প্রজন্মের একটা অংশ।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: দেশের জনগন কে কি মনে করে সেটা সরকারের চিন্তা হওয়া উচিত নয়। কি করলে সবাই সচেতন , সভ্য ব্যবহার করবে সেট নিশ্চিত করাই সরকারের দ্বায়িত্ব।

৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:৩৪

জুল ভার্ন বলেছেন: শিল্প কারখানা, অফিস আদালত, দোকানপাট খোলা রেখে কেমন লকডাউন!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩০

ঢাবিয়ান বলেছেন: শিল্প কারখানা, অফিস আদালত, দোকানপাট খোলা না রাখলেতো মানুষ না খেয়ে মরবে। বরং বলেন যে বইমেলা কেন খোলা থাকবে? বাংলাদেশ গেমস কেন হবে?

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: এই জন্যইতো ফাইন এবং লাঠি পেটার কথা বলছি। সিঙ্গাপুরের মত সভ্য দেশে ফাইনের ভয় দেখিয়ে সবাইকে সচেতন হয়ে চলতে বাধ্য করা হচ্ছে। আমাদের দেশে ফাইনের সাথে লাঠির ব্যবহারের প্রয়োজন ।

সহমত।

০৬ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:২৮

মা.হাসান বলেছেন: চাইনিজ জোতিষ শাস্ত্র বেশ বিখ্যাত। সিংগাপুরে চিনেদের প্রভাব থাকার কথা, এবং আপনি এই সম্পর্কে কিছু ধারণা রাখেন আশা করি।



চাইনিজ জ্যোতিষ শাস্ত্রের হিসেবে বছর ভালো যাবার একটা নিদান হলো লাল জাঙ্গিয়া পরা।
নতুন বছর তো শুরু হয়ে গেছে।
আমাদের পিপিপি স্যার নিদান দিয়েছেন লাল পতাকা টাঙাতে হবে। আমার ধারণা কয়দিন পর উনি নিজে লাল জাঙিয়া পরে ঘুরে বেড়াবেন আর সবাইকে লাল জাঙিয়া পরতে বলবেন।

দেশে লাল জাঙিয়ার সেরকম চাহিদা নেই বলে সাপ্লাইও নেই। হঠাৎ করেই চাহিদা তৈরি হবার সম্ভাবনা আছে। আপনার প্রতি বিজনেস প্রপজিশন থাকলো- লাল জাঙিয়া পাঠান। বেচার দায়িত্ব আমার। লাভ ৩৩%-৩৩%-৩৪% (পিপিপি সারের ৩৪%, উনি মডেল হবেন বলে ১% বেশি- বাকিটা আমরা দুজন)

০৬ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২২

ঢাবিয়ান বলেছেন: সিঙ্গাপুরের চাইনিজদের ৯০% ই ফ্রি থিংকার। কুসংস্কার তাদের মধ্যে নাই। অল্প বিস্তর চায়না থেকে আসা চাইনিজদের মাঝে থাকতে পারে। তাই এই ব্যপারে কিছু জানা নাই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.